A . Arafat

A . Arafat Believe in yourself and your abilities.

20/07/2025
বিন্দু বিন্দু জলরাশি একত্রিত হয়ে এক বিরাট সাগরের সৃষ্টি করে।সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের জলরাশি আমাদের জানান দেয়  তার অস্তি...
10/10/2024

বিন্দু বিন্দু জলরাশি একত্রিত হয়ে এক বিরাট সাগরের সৃষ্টি করে।সমুদ্রের উত্তাল ঢেউয়ের জলরাশি আমাদের জানান দেয় তার অস্তিত্ব ; সাগরের বিশালতা আমাদের বুঝতে শেখায় যে কোন কিছুই তুচ্ছ নয়। বর্তমানে যাকে আপনি ক্ষুদ্র কিংবা ছোট ভেবে তুচ্ছ মনে করছেন কোন না কোন একসময় তা বিশাল সাগরে পরিণত হয়ে নিজের ক্ষমতা দেখানোর জন্য প্রস্তুত হবে

সমুদ্র আমাদের শিক্ষা দেয় উদার হতে আর বুঝিয়ে দেয় যে জীবনে সময় কতটা মূল্যবান।তাই হয়তো প্রবাদে উল্লেখিত আছে যে, “সময় ও স্রোত কারো জন্য অপেক্ষা করে না”।

স্বাধীনতা, মুক্ত বাতাস এবং দু: সাহসিক হওয়ার অদম্য প্রেরণা…. এগুলো আমি সমুদ্রের মাঝেই পেয়েছি; সাগরের থেকেই শিখেছি

সমুদ্র যেমন কখনোই তার নিজের জল পান করে না; গাছ যেমন কখনোই তার নিজের ফল খায় না ঠিক সেইভাবেই জীবনে অন্যদের জন্যেও বাঁচতে শেখা উচিত প্রত্যেক মানুষের। সমুদ্রের ঢেউ যেমন যাওয়া আসা করে , তেমনি কখনও কখনও পরিবর্তনের ঢেউয়ের মধ্যে আমরা আমাদের আসল দিশা কে খুঁজে পাই।

মানবতা সমুদ্রের মতো; সমুদ্রের কয়েক ফোঁটা যদি নোংরা হয়ে যায় তবে সমগ্র মহাসাগর টি ময়লা হয়ে যায় না। আপনার চিন্তা, অনুভূতি এবং সংবেদনগুলি হ’ল সমুদ্রের ঢেউয়ের মতো যা অনবরত আসা যাওয়া করে। সাগরের মধ্যে যেমন আছে বিশাল সুকঠিন তরঙ্গ তেমনি নরম কোমল তরঙ্গরাশি ও সেখানে নিয়মিত আসা যাওয়া করে ; এর সবকিছুই জল এবং সমুদ্রের অংশবিশেষ

আমাদের জীবন হলো এমন এক বৈচিত্র্যময় যাত্রা যা একদিকে যেমন আনন্দ, হাসি, খুশি ও ভালো কিছু মুহূর্তের সাথে ভরপুর থাকে তেমনি অন্যদিকে দুঃখ, দুশ্চিন্তা, ব্যর্থতাও সমানভাবে লেগে থাকে। চলার পথে পাওয়া বিভিন্ন অভিজ্ঞতা আমাদেরকে জীবনের কিছু গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দিয়ে থাকে।

“বাবা, তুমি তো বলেছিলে যে পিতার ঋণ কোনোদিন শোধ করা যায় না। জানো, আমি আগামী তিন বছরে তোমার আমার ওপর করা খরচের টাকা ফেরত দ...
08/10/2024

“বাবা, তুমি তো বলেছিলে যে পিতার ঋণ কোনোদিন শোধ করা যায় না। জানো, আমি আগামী তিন বছরে তোমার আমার ওপর করা খরচের টাকা ফেরত দিতে পারবো।"
বাবা একটু হাসলেন, তারপর বললেন, “একটা গল্প বলবো?”
ছেলেটি কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে বললো, “শুনবো বাবা…”

"তোর যখন চার বছর বয়স, তখন আমার মাসিক আয় মাত্র দু’হাজার টাকা ছিল। সেই অল্প আয় দিয়েই সংসার চালাতে হতো। অনেক কষ্ট করেছি কিন্তু কাউকে বুঝতে দিইনি। তোর মা'কে সুখে রাখার জন্য আমি যা পেরেছি সব করেছি। যখন তোকে স্কুলে ভর্তি করলাম, তখন প্রথমবার আমরা দুজন ভেবেছিলাম কীভাবে তোর পড়াশোনার খরচ চালাবো। সেবার তোর মা'কে কিছুই দিতে পারিনি।

তুই যখন কলেজে উঠলি, তখন অবস্থার একটু উন্নতি হয়েছিল, কিন্তু তোর মা'র অসুস্থতার কারণে আবার কষ্ট বাড়লো। ওষুধ কেনার টাকার জন্য আমি রোজ ওভারটাইম করতাম, বাসে ঠাসাঠাসি করে পায়ে হেঁটে ঘরে ফিরতাম। অনেক কষ্ট হলেও কারো কাছে বুঝতে দিতাম না। এমনকি তোর মা’কেও না।

একবার খুব ইচ্ছে হলো একটা বাইক কিনি। শো রুমে গিয়ে দেখেও এলাম। সেদিন রাতে স্বপ্নেও দেখলাম আমি বাইক চালিয়ে কাজে যাচ্ছি। কিন্তু তুই পরের দিনই ল্যাপটপের জন্য বায়না ধরলি। তোর কষ্ট আমি সহ্য করতে পারলাম না, তোকে ল্যাপটপ কিনে দিলাম।

আমার এক টাকা তখন তোর কাছে এক পয়সার সমান হবে। কিন্তু ভেবে দেখ, সেই টাকাতেই তুই বন্ধুদের নিয়ে পার্টি করেছিস, নতুন ফোন কিনে সারা রাত গান শুনেছিস, পিকনিক করেছিস, ট্যুরে গেছিস, কনসার্ট উপভোগ করেছিস। তোর দিনগুলো ছিল আনন্দে ভরা।

আর এখন আমার বয়সে তোর টাকায় আমি ডাক্তার দেখাই, সুগারের পরীক্ষা করি। মাছ-মাংস সবই আমার নিষেধ। তোর টাকায় আমি কল্পনায় এক হাট বসাই। সেই হাটে বাইক চালিয়ে শহর ঘুরি, বন্ধুদের নিয়ে সিনেমা দেখি, তোর মায়ের হাত ধরে মেলায় ঘুরি।

বাবাদেরকে সবাই কঠোর মনে করে। আমিও আমার বাবাকে তেমন ভাবতাম। কিন্তু বাবা হওয়াটা কঠিন ছিল না, বরং পিতা হিসেবে দায়িত্বশীল হওয়াটা অনেক কঠিন। যুগ যুগ ধরে মায়েদের বন্দনা হয়েছে, কিন্তু বাবাদের কোথাও তেমন দেখা যায় না। তবে বাবারা সন্তানের জন্য সব সময় সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।

তুই হয়তো আমার দেওয়া টাকা শোধ করতে পারবি, কিন্তু আমি যে স্বপ্নগুলো দেখেছিলাম, তা কি আর ফিরে পাব? যেসব স্বপ্নের ভিত্তিতে তুই আজ দাঁড়িয়ে আছিস, সেসব কি আর পূর্ণ হবে কোনোদিন? যদি বলিস যে তুই আমাকে টাকা না, ভালোবাসা ফেরত দিবি, তাহলে বলবো বাবার ভালোবাসা ফেরত দেওয়া যায় না।

একটা প্রশ্ন করি তোকে, ধর নৌকায় আমরা তিনজন- তুই, আমি আর তোর খোকা বসে আছি। নৌকা ডুবতে শুরু করলো, তুই শুধু একজনকেই বাঁচাতে পারবি। কাকে বাঁচাবি? (ছেলেটা কোনোভাবেই উত্তর দিতে পারছে না)

উত্তর দিতে হবে না। ছেলেরা বাবা হতে পারে, কিন্তু বাবা কোনোদিন ছেলের জায়গায় যেতে পারে না। পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী জিনিস কী জানিস? বাবার কাঁধে সন্তানের লাশ। আমি আল্লাহর কাছে শুধু একটা জিনিস চাই, যেন আমার মৃত্যুর দিনে আমি তোর কাঁধে ভর দিয়ে যেতে পারি। তাহলেই তুই আমার কোলে নেওয়ার ঋণ শোধ করতে পারবি।

বাবা ❤️

আমরা কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কবরবাসীদের সালাম দিয়ে যাই। এই সালামের ফজিলত যে কত ব্যাপক তা আমাদের কারো কারো জানা...
27/09/2024

আমরা কবরস্থানের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কবরবাসীদের সালাম দিয়ে যাই। এই সালামের ফজিলত যে কত ব্যাপক তা আমাদের কারো কারো জানা থাকলেও সবার হয়ত জানা নেই। আসুন একটু জেনে নেই।
আপনি রাস্তা দিয়ে একা বা কারো সাথে কথা বলতে বলতে হাটছেন বা গাড়িতে চড়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে দেখতে যাচ্ছেন। হঠাৎ আপনার দৃষ্টি থেমে গেলো রাস্তার পাশের কোন কবর দেখে। মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল_
''আসসালামু আ'লাইকুম ইয়া আহলাল কুবুর''
অর্থঃ হে কবরবাসী! আপনাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক।
ঠিক সেই সময়ে হয়ত সেই কবরবাসী ছিলো আযাবের ফেরেশতাদের অধীনে, আল্লাহর নির্দেশে যারা মারাত্মক আঘাতে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দিচ্ছিলো সেই কবরবাসীর দেহকে।
কি আশ্চর্য !!!
আপনার কয়েক সেকেন্ডর এই দুয়াতে আল্লাহর আরশ থেকে নির্দেশ এলো তার শাস্তি থামিয়ে দিয়ে তার উপর শান্তি বর্ষণ করার। সাথে সাথেই তার কবর আযাব বন্ধ হয়ে কিছু সময়ের জন্য তার ওপর শান্তি বর্ষিত হল।
প্রতিটি জীবকে মৃত্যুর স্বাদ গ্রহণ করতে হবে। তাই অনেক বছর পর আজ আপনিও এখন অন্ধকার কবরের বাসিন্দা। হয়ত আপনার উপরেও চলছে এখন আযাবের ফেরেশতাদের মারাত্মক আঘাত। হঠাৎ করেই তারা আঘাত করা বন্ধ করে দিলো। কিছু সময়ের জন্য আপনি সুকুন পেলেন।
আপনার মনে পড়ে গেলো ওই যে সেই দিনগুলোর কথা যেদিন আপনি রাস্তার পাশের কবর দেখে এই ছোট্ট দুয়াটি করে যেতেন। আজ সেভাবেই কোনো এক পথিকের ও আপনার কবর দেখে মায়া হলো, আপনার মতো তিনিও সেই ছোট্ট দুয়াটি পড়ে আপনাকে কিছুক্ষণ এর জন্য আযাব থেকে মুক্তি দিলেন।
আপনি যে দুয়া করবেন তা আপনার জন্যও আল্লাহ ফিরিয়ে দিবেন। কেননা, আল্লাহ প্রতিটি ভালো কাজের জন্য উত্তম পুরস্কার দান করেন।
প্রতিদিন আমরা এভাবে কত কবর পার করি। অথচ ভুলেই যাই এরাও একদিন আমাদের মতো দুনিয়ায় বিচরণ করতো। দৈনিক রাস্তা পার হতে ততক্ষন কবর দেখে দুয়া করুন, যতক্ষন আপনি আপনার কবরের আযাব থেকে মুক্তি পেতে চান।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ছোট্ট আমলের তৌফিক দিন।
আমিন...

১৯ সেপ্টেম্বর,  ২০২৪লোকেশন : স্ট্রেইটস অফ জীবড়ালটার টপিক : Blame Culture/ ব্লেম কালচার বাই A.Arafat২০২৪ সালে এসে জীবন সং...
20/09/2024

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

লোকেশন : স্ট্রেইটস অফ জীবড়ালটার

টপিক : Blame Culture/ ব্লেম কালচার বাই A.Arafat

২০২৪ সালে এসে জীবন সংগ্রামেবেঁচে থাকা অনেকটা কঠিন হয়ে গেছে, মানুষ এই জীবন সংগ্রামে নিজের অস্থিত্ত টিকিয়ে রাখতে “হোয়াটেভার ইট টেকস ” পলিসিতে চলে গেছে, আর তাতে করে কোনটা ঠিক, কোনটা বেঠিক, কোনটা অন্য মানুষকে কষ্ট দিচ্ছে বা অন্যের ক্ষতি হচ্ছে, কোনটা সত্য বা মিথ্যা, সেটা দেখার আমাদের সময় নেই বা ইচ্ছা নেই। তার একান্তই কারণ জীবন সংগ্রামে আমার মিথ্যা বলে হোক, অন্যকে আমাদের নিজের দোষে ফাঁসিয়ে দিয়ে হোক বা অন্যের ক্ষতি করে হলেও আমাদের জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকতে হবে।

আমাদের একটা বাজে অভ্যাস আছে, আমরা সবচেয়ে বেশি দোষ দেই আমাদের আপনজন দের।জীবনের কোনো শমীকরণ না মিললে বা ব্যর্থতায় ভারাক্রান্ত হয়ে আমরা নিজেদের দোষ না দিয়ে আমরা অন্যদের দোষ দেই, এতে করে হয়তোবা আমাদের মনের কিছুটা কষ্ট কমে যায়, হয়তোবা হৃদয়ের কোনো একটি জায়গায় শান্তি মেলে এই ভেবে যে আজ আমি ব্যার্থ আমার নিজের দোষে নয় বরং অন্য কারো জন্য।আমার কাছে মনে হয় মানুষ মিথ্যাকে ভালোবাসে, মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নিজের ব্যর্থতাকে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে চায়, নিজেকে বার বার বলতে বলতে মিথ্যাটাকে আমাদের ব্রেইন সত্য বলেই রায় দেয়, আর এতে করে আমরা চিন্তা করার শক্তি আস্তে আস্তে হারিয়ে ফেলি।

ছেলে মেয়েরা ছোট থাকতেই আদরের থাকে, কেনো এই কথাটা মানুষ বলে?

আমাদের বাবা মায়েরা আমাদের জন্য যা করেছে এর ১০% আমাদের দাদা দাদীরা ওনাদের জন্য করেন নাই, কিন্তু দেখি না কোনোদিন আক্ষেপ নিয়ে ওনাদের নিয়ে কিছু বলতে, বা ওনাদের কোনো দোষ দিতে।অথচো আজকাল আমরা সংসার জীবনে অশান্তির জন্য, অথবা ভালো চাকরি না পাওয়ার পিছনে, অথবা দৈনন্দিন জীবনের নানা ব্যর্থতার জন্য আমরা আমাদের বাবা মা দের দায়ী করি, কারণ আমরা ওই যে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বা নিজের ব্যর্থতাকে ঢাকার জন্য ব্লেম কালচার এর আশ্রয় নেই।

আমার বাসায় পার্ট টাইম কাজ করে একটা মেয়ে, হাসব্যান্ড ওয়াইফ মিলে হয়তোবা ইনকাম ২০ হাজারের মতো, সেই মেয়ে তার ছেলে কে ভালো স্কুলে পড়ায়, বেতন প্রাই ২৫০০ টাকা, বাচ্চাকে ভালো স্যারের কাছে কোচিং এ পাঠায় ২০০০ টাকা দিয়ে, যখন যা চায় কিনে দেয়, স্কুল থেকে আসার সময় চিপস চকলেট ইত্যাদি আরো আবদার তো থাকেই। চিন্তা করে দেখলাম হাসব্যান্ড ওয়াইফের ২০ হাজার টাকার উপার্জনের অর্ধেকটাই চলে যায় বাচ্চার পিছনে, বাচ্চাকে একটা ভালো ফিউচার দেয়ার আশায়, সর্ব চেষ্টা করে যাচ্ছে নিজেদের সুখ শান্তি বা আরেকটু ভালো থাকার বা খাওয়ার ইচ্ছা কে বিসর্জন দিয়ে, এরি নাম বাবা মা। আর আমরা কি না একটু বড়ো হয়ে মুখে মুখে তর্ক করি, অর্ডার দেয়া শুরু করি বাবা মা দেরকে, বুড়ো হয়ে গেলে তো বোঝাই মনে করি, আর কিছু একটা হলে তো এটা বলতে একটুও দ্বিধা বোধ করি না যে “ছোট বেলায় কি শিখাইসো, অথবা এই ভাবে বাচ্চা কাচ্চা বড়ো করে নাকি, অথবা আজকে তোমাদের জন্যই আমার এই অবস্থা” , ইত্যাদি.

উপরে জাস্ট একটা ব্লেম কালচার এর উদাহরণ দিলাম, এ ছাড়াও আমাদের জীবনে প্রতি টা সেক্টরেই সিরিয়াস ব্লেম কালচার আছে, এগুলা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে, নিজের উপরে ব্লেম দেয়া বা নেয়া শিখতে হবে.

আজ হয়তোবা অন্য কাউকে নিজের দোষ চাপিয়ে দিয়ে বেঁচে যাবেন কিন্তু কাল যে আপনার সাথে ঐটার ১০ গুন বেশি হবে না এটার গ্যারান্টি দিতে পারবেন তো?

A.Arafat

31/05/2024

এক কানাডা প্রবাসী বাংলাদেশি আটাশ বছর বয়সে এসে বিয়ে করবেন বলে দেশে আসলেন। বাবা-মা হুলুস্থুল হয়ে মেয়ে খুঁজছে, মেয়ে হতে হবে বাঙালি, লম্বায় পাচ ফুট তিন থেকে পাচ ইঞ্চি। এর কম না, বেশি না। রঙ ফর্সা কিংবা উজ্জ্বল শ্যামলা, উচ্চ বংশ, পড়ালিখা অনার্স পাশ। ষোল আনা চাই পরিবারের।

তিন মাসের বাংলাদেশ ভ্রমণ, এক মাসের মাথায় মেয়ে ঠিকঠাক। ষোল আনা পেয়েছিল কিনা জানিনা, তবে ছেলের জ্বলজ্বল করা চোখ দেখে মনে হল যা চেয়েছে তার চেয়ে বেশি গুণবতী মেয়ে। আমি আগ্রহ নিয়ে দাওয়াত পাওয়ার অপেক্ষা করছিলাম। দাওয়াতের উদ্দেশ্য মুরগীর রোস্ট চাবানোর জন্য না, ষোল আনা পারফেক্ট মেয়েটাকে দেখা।

কথা অনেক এগিয়েছে শুনেছিলাম, তবু কেন জানি ছেলেটা পরিবার নিয়ে কানাডায় ফিরে গেল। আমার আর মেয়েটাকে দেখা হল না, নিশ্চয় কানাডায় বড় হওয়া ছেলেটা মেম সাহেব নিয়ে জীবন কাটানোর চিন্তা করেছে।


তিনমাস পর ছেলের বাবা ফিরে এল। গ্রামের বাড়ি, জায়গা জমি কি ছিল তার আবছা মনে আছে। সেই আবছা মন নিয়ে সব বিক্রি করলেন অল্প সময়ে। সব সম্পদ ক্যাশ করে যেদিন ফিরে যাবেন, সেদিন এয়ারপোর্ট এ দেখা। মানুষটা বুড়ো হয়ে গেছে কম সময়ে। এই বয়সে দরকার ছিল দেশে এসে ছোটবেলার বন্ধুদের সাথে চা দোকানে আড্ডা দেয়া, ডায়াবেটিক নিয়ে বউয়ের ভয়ে লুকিয়ে সন্দেশ খাওয়া, প্রতি ওয়াক্ত নামাজ শেষে দেশ কিভাবে ধংস হচ্ছে এসব আলোচনা করা। এসব না করে যাচ্ছে কানাডায় কানটুপি পড়ে পার্কের টুলে বসে থাকতে। ভবিষ্যৎ প্ল্যানিংটাই ভুল।

বিমানের জন্য অপেক্ষা করছেন দেখে জিজ্ঞেস করলাম,

-- 'সব সম্পদ বিক্রি করে চলে যাচ্ছেন? দেশে ফিরবেন না আর? ছেলের বিয়ে হলো?'

উত্তর পাইনি, অন্যমনস্ক হয়ে কি যেন ভাবছেন। তার বিমানের ঘোষণা চলছে এয়ারপোর্ট এ। আমি উঠে দাঁড়ালাম। সালাম দিয়ে আসার সময় মানুষটা আমার হাত ধরে রাখল।

– 'আমার ছেলে মারা যাচ্ছে বাবা। দেশে আসার পর বিয়ে ঠিকঠাক, হুট করে ছেলের পেটে যন্ত্রনার কারনে ডাক্তার দেখালাম। ছেলে যন্ত্রনায় কু কু আওয়াজ করতো। দুইদিনের মাথায় জানা গেল ছেলের ক্যান্সার। বাঁচবে সর্বোচ্চ এক বছর। কানাডায় নিয়ে গেলাম উন্নত চিকিৎসা করাবো। সেই সুযোগ নেই, কঠিন রোগ শরীরে লুকিয়ে ছিল। এখন দামী ওষুধ, দামী হাসপাতাল দিয়ে যতদিন বেঁচে থাকে। সব বিক্রি করে নিয়ে যাচ্ছি। আমার ছেলের জন্য দোয়া করো বাবা, আলৌকিক কিছু যেন হয়।'

মানুষটার বিমান ছেড়ে দিবে, লম্বা পা ফেলে চলে যাচ্ছেন। চোখে পানি নেই, হয়তো সব পানি শুকিয়ে গেছে। আমি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে ছিলাম, কিছুই বলার ছিল না।


ছেলেটা এক মাসের মধ্যে মারা গেল। আলৌকিক কিছু বাঁচাতে আসেনি। আমি যেদিন তার মৃত্যুর খবর শুনেছি সে রাতে অফিস থেকে ফিরে তার ফেসবুক দেখলাম। মৃত্যুর দুদিন আগে তার শেষ স্ট্যাটাস ছিল দুই লাইনের একটা শত কোটি টাকার দামী বাক্য -

– 'যদি তোমার একটা সুস্থ শরীর থাকে, তবে,
খোদার কাছে আর কোন বিষয়ে অভিযোগ কর না।'

---------
লেখা || শাখাওয়াত সাব্বির

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন? এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে ক...
29/04/2024

একজন স্বামী তার স্ত্রীকে কখন পাগলের মত ভালোবাসে জানেন?

এক বৃদ্ধা মহিলার সাক্ষাৎকার। যিনি তাঁর স্বামীর সাথে সফলতার সাথে কাটিয়ে দিলেন দীর্ঘ পঞ্চাশটি বছর। তাদের জীবন শান্তিতে ভরপুর ছিল। ঝগড়া তো দুরের কথা, দাম্পত্য জীবনে কখনো কথা কাটাকাটি পর্যন্ত হয়নি।
একজন সাংবাদিক এই বৃদ্ধার কাছে তার পঞ্চাশ বছরের স্থায়ী সফলতার রহস্যের ব্যপারে জানতে চাইলেন।
কী ছিল সে রহস্য? মজার মজার খাবার বানানো? দৈহিক সৌন্দর্য? বেশী সন্তান জন্ম দেয়া? নাকি অন্যকিছু?

বৃদ্ধা বললেন, দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি প্রথমত ভগবানের ইচ্ছা অতপর স্ত্রীর হাতেই। একজন স্ত্রী চাইলে তার ঘরটাকে সুন্দর করে সাজাতে পারে আবার চাইলে এটাকে ধ্বংস করতে পারে।
কীভাবে? অর্থ দিয়ে? তা তো হতে পারে না। কেননা অনেক অর্থশালী মহিলা আছেন, যাদের জীবনে দুঃখ দুর্দশার শেষ নেই, যাদের স্বামী তাদের কাছেই ভিড়তে চান না।
সন্তান জন্ম দান? না, তাও নয়। কারণ, অনেক মহিলা আছেন, যাদের অনেক সন্তান আছে, অথচ স্বামী পছন্দ করেননা। এমনকি ডিভোর্স পর্যন্ত হয়ে যায়
ভালো খাবার বানানো? এটাও না, কারণ অনেক মহিলা আছেন, যারা রান্না বান্নায় বেশ দক্ষ, সারা দিন রান্না ঘরে কাজ করে, অথচ স্বামীর দুর্ব্যবহারের সম্মুখীন হন।
তার কথায় সাংবাদিক বিস্মিত হয়ে গেলেন। বললেন, তাহলে আসল রহস্যটা কী?

বৃদ্ধা বললেন, যখনই আমার স্বামী রেগে গিয়ে আমাকে বকাবকি করতেন, আমি অত্যন্ত সম্মান দেখিয়ে নিরবতা অবলম্বন করতাম এবং অনুতপ্ত হয়ে মাথা দুলিয়ে তার প্রতিটি কথায় সায় দিতাম।

সাবধান! বিদ্রুপের দৃষ্টিতে কখনো চুপ হয়ে থেকো না, কেননা পুরুষ মানুষ বিচক্ষণ হয়ে থাকে, এটা সহজেই বুঝতে পারে।
সাংবাদিক: ঐ সময় আপনি ঘর থেকে বের হয়ে যান না কেন?

বৃদ্ধা: সাবধান! সেটা কখনো করবেননা। তখন তিনি মনে করবেন, আপনি তাঁর কথায় বিরক্ত হয়ে পালাতে চাচ্ছেন। আপনার উচিত, চুপ থেকে ওর প্রতিটি কথায় হা সুচক সায় দেওয়া, যতক্ষণ না তিনি শান্ত হন।

অতপর আমি তাকে বলি, আপনার শেষ হয়েছে? এবার আমি যেতে পারি? তারপর আমি চলে যাই, আর আপন কাজে লেগে যাই। কারন চিৎকার করে তিনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন, তার বিশ্রাম প্রয়োজন।
সাংবাদিক: এরপর কি করেন? এক সপ্তাহ খানেক তার থেকে দূরে থাকেন, এবং কথা বলা বন্ধ রাখেন নিশ্চয়?

বৃদ্ধা: সাবধান! এধরনের বদভ্যাস থেকে দূরে থাকুন।
স্বামী যখন আপনার সাথে আপোষ করতে চান তখন যদি আপনি তার কাছে না যান, তখন তিনি একা থাকতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন। কখনো কখনো এ অবস্থা তাকে প্রচন্ড জিদের দিকে ঠেলে দেবে।
সাংবাদিক: তাহলে কি করবেন তখন?

বৃদ্ধা: দুই ঘন্টা পর এক গ্লাস দুধ বা এক কাপ গরম চা নিয়ে তার কাছে যাই, আর বলি, নিন, এগুলো খেয়ে নিন, আপনি খুব ক্লান্ত। এসময় তার সাথে অত্যন্ত স্বাভাবিক ভাবেই কথা বলি। তারপর তিনি বলেন, রাগ করেছো? আমি বলি, না।
তারপর, তার দূর্ব্যবহারে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং স্নেহ ও ভালোবাসার কথা বলেন।
সাংবাদিক: আপনি কি তার কথা তখন বিশ্বাস করেন?

বৃদ্ধা: অবশ্যই। কেন নয়? শান্ত থাকা অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস না করে, রাগান্বিত অবস্থায় যা বলেন তা বিশ্বাস করব?
সাংবাদিক: তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব?

বৃদ্ধা: আমার স্বামীর সন্তুষ্টিই আমার ব্যক্তিত্ব। আমাদের স্বচ্ছ সম্পর্কই আমাদের ব্যক্তিত্ব। আর স্বামী স্ত্রীর মধ্যে কোন ব্যক্তিত্ব থাকে না।

বিঃদ্রঃ --- আমি এরকম কখনোই করি না আর করবও না 😞😏

(((সংগৃহীত।
ফেইজটা ফলো দিন আরও মজার মজার গল্প পেতে

In the age of social media, where sharing our lives online has become the norm, it's easy to get caught up in the allure...
21/04/2024

In the age of social media, where sharing our lives online has become the norm, it's easy to get caught up in the allure of likes, comments, and followers. But what happens when the spotlight turns into a curse? The recent divorce of popular YouTubers Khalid and Salema serves as a cautionary tale, shedding light on the dark side of oversharing.

Khalid and Salema were once beloved by their fans for their candid portrayal of their relationship on social media. From heartfelt declarations of love to sharing intimate moments, their followers felt like they were part of their journey. However, behind the facade of a picture-perfect life, cracks began to appear.

As news of their divorce broke, speculation ran rampant. Many attributed their downfall to the pressures of fame and the constant scrutiny that comes with it. But perhaps there's a deeper lesson to be learned here – the perils of the evil eye.

The truth is, the evil eye doesn't discriminate. It can affect anyone, regardless of their social status or popularity. And while Khalid and Salema's situation may be an extreme example, it serves as a sobering reminder of the consequences of living our lives in the spotlight.

So, what can we learn from this? Firstly, the importance of boundaries. While sharing moments of our lives can be enriching, it's crucial to strike a balance and preserve our privacy. Not everything needs to be shared with the world.

Secondly, mindfulness. Before hitting that 'post' button, consider the potential implications. Are we inviting unnecessary attention or envy? Are we inadvertently exposing ourselves to negative energy?

Lastly, humility. Instead of seeking validation through likes and comments, find fulfillment in genuine connections and personal growth. Remember that true happiness comes from within, not from external validation.

As we navigate the ever-changing landscape of social media, Let's cherish our blessings, protect our privacy, and stay grounded in humility. After all, in a world where oversharing is the norm, sometimes the best thing we can do is to stay lowkey.

(Collected)

NOBODY IS YOUR ENEMYANYONE THAT ANNOYS YOU is teaching you patience and calmness.ANYONE THAT ABANDONS YOU is teaching yo...
17/04/2024

NOBODY IS YOUR ENEMY

ANYONE THAT ANNOYS YOU is teaching you patience and calmness.

ANYONE THAT ABANDONS YOU is teaching you how to stand up on your own feet.

ANYBODY THAT OFFENDS YOU is teaching you forgiveness and compassion.

ANYTHING THAT YOU HATE is teaching you, unconditional love.

ANYTHING THAT YOU FEAR is teaching you the courage to overcome your fears.

ANYTHING YOU CAN'T CONTROL is teaching you to let go.

ANY "NO" YOU GET FROM HUMAN is teaching you to be independent.

ANY PROBLEM YOU'RE FACING is teaching you how to get a solution to problems.

ANY ATTACK YOU GET FROM PEOPLE is teaching you the best form of defence.

ANYONE WHO LOOKS DOWN ON YOU is teaching you to look up to CREATOR

Always look out for the lesson in every situation you face in every phase of life.

Be polite, calm, gentle and thankful to God because He will be with you to the end.

Life had taught me lessons. I do not see people at my cross road, because humans are not reliable. I only see God as the author and finisher of my faith.

*R E F L E C T I O N S*

When you live your life without anyone betraying, hurting, disappointing, disgracing or offending you, then it means you never did anything worthy.

The beauty of life, is that it comes with disappointments and betrayals, from people you least expect.

Unfortunately, some of us spend so much time crying over these betrayals and disappointments, and end up becoming victims of all circumstances.*

Remember One Thing:

Holding unto anger is like knocking your head on the wall and expecting the other person to feel the pain. You are only hurting yourself.

The fact is that the world is full of annoying, naughty, stupid and ungrateful people, and you will always come across them at one point or another in life. But the best thing to do, is to deal with them with wisdom and maturity.

You can’t get everyone to love you, think like you or behave like you... never.

We must learn to tolerate and overlook certain things, we must try to bury the faults of others and move on with life.

Anger, Hatred and Intolerance have caused most of the world's problems and solved none.

Life is short, you don't know how much time you have left

I beseech you to take the pain and forgive that special person you hold grudges against, and iron out your grievances.

Muster the courage and apologise to that person you have offended.

Life is not measured by the amount of money, houses or companies you have, but by the positive impact you have made in the lives of others.

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A . Arafat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category