12/07/2023
িনেমা_দিয়ে_অন্য_তারকার_ভক্তদের_নাকানি_চুবানি_খাওয়াচ্ছে_আফরান_নিশো।
২০০৯ সাল পরবর্তী চঞ্চল চৌধুরী,অনন্ত জলিল,বাপ্পী চৌধুরী,সিয়াম আহমেদ,আরিফিন শুভ,নিরব,সাইমন,ইমনসহ কিছু নায়ক চলচ্চিত্রে নিয়মিত/অনিয়মিতভাবে সিনেমা করলেও সত্যিকার অর্থে তাদের কেউ তেমন একটা স্ট্রং ফ্যানবেজ নিয়ে আসেনি কিংবা তৈরী করতে পারেনি।কিন্তু,নাটকের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো এসেছে ক্রেজি এক ফ্যানবেজ নিয়ে।সেটা স্যোসাল মিডিয়া ঘাটলে বুঝা যায়।তারা প্রতিপক্ষকে রীতিমত ইটের জবাব যেন পাথর দিয়ে দিচ্ছেন।
আমি ব্যক্তিগতভাবে নিশোর কয়েকটা ভক্তের কর্মকান্ডে খুব অবাক হয়েছি।সেদিন নিউজে দেখলাম নিশোর এক ভক্ত সিনেমা রিলিজের আগে একটি সিনেমা হলের পুরো একটি শো(২০০ টিকেট) প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা দিয়ে একাই কিনে নিয়েছেন।অনেক দূর থেকে আরেক ভক্ত 'সুড়ঙ্গ' এর পোস্টারের গেটাপ(কোদাল হাতে/কসপ্লের মত) নিয়ে সিনেমা হল এ এসেছেন।ফ্যানদের এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসাগুলো একজন তারকার ক্যারিয়ারে এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা মনে হয় আমার কাছে।
তবে,আফরান নিশো তার এই ফ্যানবেজ ১/২ বছরে তৈরী করেনি কিংবা তিনি নিজেও এতো সহজে জনপ্রিয়তা পেয়ে লাইমলাইটে আসতে পারেনি।তাকেও অপেক্ষা করতে হয়েছে দীর্ঘ কয়েক বছর।পরিশ্রম সাফল্য এনে দেয় তাই নিশো ব্যর্থ হননি।
আফরান নিশোর একটি সাক্ষাৎকার দেখে ভালো লাগলো,তিনি তথাকথিকত হিরো কিংবা হিরোইজম থেকে অভিনেতা হওয়াটাকে বেশি প্রাইরোটি দেন কিংবা নিজেকে অভিনেতা হিসেবে গড়ে তোলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।ব্যাখ্যাটাও তিনি অবশ্যই খুব সুন্দরভাবে দিয়েছেন।একজন তারকা একটা নির্দিষ্ট সময় পর নায়ক থেকে নিজেকে বের করে অভিনেতা হওয়ার দিকে মনোযোগ দেন।হিরো/নায়কের একটা নির্দিষ্ট পিরিয়ড থাকে।ঐ নির্দিষ্ট সময় পর দর্শক একজন হিরোকে ভিন্ন রুপে দেখতে চান যেমনটা বর্তমান(আরো কয়েক বছর আগে থেকে) শাকিব খানকে দেখতে চেয়েছেন।তাই বয়সের সাথে তাল মিলিয়ে নিশোও হাটছেন ভিন্ন পথে।
আমি প্রেডিকশন দেবো না নিশো ভবিষ্যৎ মহা কিছু হয়ে যাবে।তবে এতটুকু বলা যায় তাকে নিয়ে নিয়মিত সিনেমা বানালে সেই অনেক দূর এগিয়ে যাবে।কারণ তার অভিনয়ে ঘাটতি নেই।তার উপর রয়েছে বিরাট ভক্তকুল।
বাংলা চলচ্চিত্রের দর্শকের রুঁচির যে পরির্বতন হয়েছে সেটা সবাই বুঝতে পারতেছে নাটক রুপী(কিছু মানুষদের ভাষায়) সিনেমাও মাসের পর মাস ধরে হলেগুলোতে চলার দ্বারা।
©বাংলা সিনে লাভারস