Kazi Didarul Alam

Kazi Didarul Alam Political সাবেক গুলশান থানার ২০ নং ওয়ার্ডের মহিলাদলের সভানেত্রী, বর্তমানে যুক্তরাজ্য শাখা মহিলাদলের সদস্য সচিব।

30/01/2026

ইনশাআল্লাহ্‌ সবকিছু যোগ্যতার ভিত্তিতে হবে। আমরা নিশ্চয়ই চাইবো না অন্য কেউ আমাদের বিতর্কিত অবস্থানে ফেলুক যে বগুড়া বলেই সব পাচ্ছে আর আমরা বগুড়ার না বলে পাচ্ছি না।ন্যায্য অধিকার পেতে গিয়ে আমরা যেন অন্যকে তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না করি।

-তারেক রহমান
২৯ জানুয়ারি ২০২৬

আরাফাত রহমান কোকো’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ২৪ জানুয়ারি ২০২৬—আজ এক শোকাবহ, স্মৃতিবহ ও আবেগময় দিন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহ...
24/01/2026

আরাফাত রহমান কোকো’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

২৪ জানুয়ারি ২০২৬—আজ এক শোকাবহ, স্মৃতিবহ ও আবেগময় দিন। মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক ও বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এবং আপোষহীন নেত্রী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র, বিএনপি’র চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের ছোট ভাই, বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক আরাফাত রহমান কোকো’র ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। গভীর শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বেদনার সঙ্গে জাতি আজ স্মরণ করছে এক নীরব, বিনয়ী ও মানবিক মানুষকে—যিনি ক্ষমতা ও প্রচারের আলো নয়, বরং শালীনতা ও কর্মের মাধ্যমেই মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক শ্বাসরুদ্ধকর সময়। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের উত্তাল প্রেক্ষাপটে, যখন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া গুলশানের নিজ কার্যালয়ে পুলিশি অবরোধে বন্দি, ঠিক সেই মুহূর্তে প্রবাসে মালয়েশিয়ায় আকস্মিকভাবে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন আরাফাত রহমান কোকো। তাঁর এই অকালপ্রয়াণে শুধু একটি পরিবার নয়, সমগ্র দেশ শোকে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। অবরুদ্ধ অবস্থায় মায়ের কাছে সন্তানের মরদেহ পৌঁছানোর দৃশ্য ছিল হৃদয়বিদারক—একজন মায়ের বুকফাটা কান্না সেদিন গোটা জাতির চোখ ভিজিয়ে দিয়েছিল। এমন শোকের সময়েও সমবেদনা ও মরদর্শনকে কেন্দ্র করে যে নির্মম ও ঘৃণ্য রাজনৈতিক কুটকৌশল চালানো হয়েছিল, তা ইতিহাসের এক কলঙ্কিত অধ্যায় হয়ে থাকবে।

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৫ বছর। মৃত্যুর চার দিন পর, ২৮ জানুয়ারি তাঁর মরদেহ দেশে আনা হয়। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে জানাজা শেষে অগণিত মানুষের অশ্রুসিক্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার মধ্য দিয়ে বনানী কবরস্থানে তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়। সেই জানাজা ও দাফনের দৃশ্য আজও মানুষের স্মৃতিতে গভীর বেদনার ছাপ রেখে গেছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সন্তান হওয়া সত্ত্বেও আরাফাত রহমান কোকো ছিলেন অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপনে অভ্যস্ত। তবে দেশ-বিদেশের মানুষ তাঁকে নতুন করে জানতে শুরু করে ১/১১-এর সেনাসমর্থিত মইন–ফখরুদ্দীন সরকারের সময়, ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মা বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে তাঁর গ্রেপ্তারের পর। রিমান্ডে নিয়ে তাঁকে শারীরিক ও মানসিকভাবে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার করা হয়, যার ফলশ্রুতিতে তিনি স্থায়ীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। সেই সময়ের সংবাদপত্রের ছবি ও টেলিভিশনের ভিডিওতে দেখা যেত—সবসময় বুক চেপে ধরে থাকা এক নিঃশব্দ মানুষ। তখন থেকেই তিনি গুরুতর হৃদযন্ত্রের সমস্যায় ভুগতে থাকেন। ২০০৮ সালের ১৭ জুলাই জামিনে মুক্তি পেয়ে চিকিৎসার জন্য সপরিবারে থাইল্যান্ড যান, পরে মালয়েশিয়ায় অবস্থান নেন। একদিকে বিদেশে নিজের অসুস্থতা, অন্যদিকে দেশে মায়ের ওপর চলমান নির্যাতন ও অবিচারের সংবাদ—এই দুই দুশ্চিন্তার ভার সইতে না পেরেই তিনি অকালেই চলে যান না-ফেরার দেশে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘর আলোকিত করে ১৯৭০ সালের ১২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন আরাফাত রহমান কোকো। তাঁর জন্মের কিছুদিন পরই শুরু হয় আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধ। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেন। যুদ্ধের উত্তাল সময়ে ১৯৭১ সালের ২ জুলাই পাকিস্তানি সেনারা তারেক রহমান ও আরাফাত রহমান কোকোসহ বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি রাখে। ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয়ের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জিত হলে কোকোও মা ও ভাইয়ের সঙ্গে মুক্তি পান—শৈশবেই যাঁর জীবনে লেখা হয়ে যায় সংগ্রাম ও ত্যাগের ইতিহাস।

১৯৮১ সালের ৩০ মে পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নির্মমভাবে নিহত হওয়ার পর, মায়ের স্নেহ, ভালোবাসা ও তত্ত্বাবধানে বেড়ে ওঠেন আরাফাত রহমান কোকো। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন চুপচাপ, সংযত ও প্রচারবিমুখ। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হয়েও তিনি রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেননি; বরং একজন ব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেই নিজেকে গড়ে তুলেছিলেন। তাঁর জীবনযাপনে কোনো অহংকার ছিল না—একজন সাধারণ মানুষের মতোই তিনি চলাফেরা করতেন, কথা বলতেন, মানুষকে আপন করে নিতেন।

ঘনিষ্ঠজনরা জানেন তাঁর এই সাদাসিধে জীবনের অসংখ্য গল্প। নব্বইয়ের দশকে সাবেক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সন্তান হয়েও বাকিতে মোটরসাইকেলের তেল কেনা, কিংবা হঠাৎ খেলনা ও চকলেট নিয়ে পথশিশুদের মাঝে হাজির হওয়া—এসব ছিল তাঁর নিত্যদিনের মানবিক প্রকাশ। শিশুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলতেন, তাদের হাসিতে নিজের আনন্দ খুঁজে নিতেন। মালয়েশিয়ায় অবস্থানকালেও তিনি স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে একটি সাধারণ দুই বেডরুমের ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। নিজেই প্রতিদিন মেয়েদের স্কুলে নিয়ে যেতেন ও নিয়ে আসতেন। তাঁর বিনয়ী ও পরিচ্ছন্ন চরিত্র সম্পর্কে শত্রুরাও কোনো প্রশ্ন তুলতে পারেননি।

ক্রিকেটপ্রেমী আরাফাত রহমান কোকো বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নয়নে রেখেছেন নীরব কিন্তু গভীর অবদান। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে জেলা, উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে ক্রিকেট ছড়িয়ে দেওয়ার যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন, তার সুফল আজও পাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। মোহামেডান ক্লাবের এক্সিকিউটিভ কমিটির কালচারাল সেক্রেটারি হিসেবেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ক্রিকেটের উন্নয়নে যা কিছু প্রয়োজন—তিনি নিঃস্বার্থভাবে, নিরবে তা করে গেছেন।

আজ তাঁর ১১তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আরাফাত রহমান কোকোকে স্মরণ করা মানে কেবল একজন ব্যক্তিকে স্মরণ করা নয়; বরং বিনয়, মানবিকতা, নীরব দেশপ্রেম ও আত্মমর্যাদার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্তকে স্মরণ করা। তিনি নেই, তবুও আছেন—মানুষের ভালোবাসায়, স্মৃতিতে ও দোয়ায়।

মরহুম আরাফাত রহমান কোকো’র রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন—এই দোয়াই রইল।

09/01/2026

বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় অঙ্গীকারাবদ্ধ আপোষহীন নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও শোকসভা।
উপস্থিত আছেনঃ ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন, বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ঢাকা -৬ আসন।
বাহাদুর শাহ পার্ক
০৯ জানুয়ারী ২০২৬, শুক্রবার

#দোয়ামাহফিল #খালেদাজিয়া #বিএনপি

09/01/2026

আপোসহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় জীবনের আলোকচিত্র প্রদর্শনী।
প্রধান অতিথিঃ নজরুল ইসলাম খান, সদস্য -জাতীয় স্থায়ী কমিটি, বিএনপি।

জিয়া উদ্যান, শেরেবাংলা নগর
৯ জানুয়ারি ২০২৬, শুক্রবার

#শহীদজিয়া #খালেদাজিয়া #বিএনপি

খোলা চিঠিবিষয়: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের জনগণের প্রাণের দাবি – যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের সদস্য সচিব জনাব...
18/10/2025

খোলা চিঠি
বিষয়: ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের জনগণের প্রাণের দাবি – যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের সদস্য সচিব জনাবা অঞ্জনা আলমকে নারী সংরক্ষিত সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দেখতে চায় বাঞ্ছারামপুরবাসী।

মাননীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)
জনাব তারেক রহমানের প্রতি,

আসসালামু আলাইকুম ও শুভেচ্ছা নিবেদন করছি।

এই চিঠিটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার সাধারণ জনগণের হৃদয়ের গভীর থেকে উঠে আসা এক অকৃত্রিম আহ্বান, এক নিঃস্বার্থ আকাঙ্ক্ষার বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত, বঞ্চিত, কিন্তু দল ও নেতার প্রতি অবিচল বিশ্বস্ত এই অঞ্চলের মানুষ আজ এক কণ্ঠে উচ্চারণ করছে—তারা চায় যুক্তরাজ্য শাখা জাতীয়তাবাদী মহিলাদলের সদস্য সচিব জনাবা অঞ্জনা আলমকে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে তাঁদের প্রতিনিধি হিসেবে দেখতে।

বাঞ্ছারামপুরের মানুষ বিএনপির ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম ও আপনার (জনাব তারেক রহমানের) নেতৃত্বে বাংলাদেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে এই এলাকার তৃণমূল নেতাকর্মীরা যে ত্যাগ, সাহস ও নিষ্ঠা দেখিয়েছেন, তা অনন্য। এই জনগণ আজ এমন একজন নেতৃত্বের প্রত্যাশা করছে, যিনি শুধু রাজনীতির ভাষা বোঝেন না, মানুষের অনুভূতি, ত্যাগ ও ভালোবাসার ভাষাও বোঝেন। সেই নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি আজ জনাবা অঞ্জনা আলম।

অঞ্জনা আলম শুধু একজন প্রবাসী নেত্রী নন—তিনি এক উদার হৃদয়ের, সুশিক্ষিত, নীতিবান ও মানবিক ব্যক্তিত্ব। যুক্তরাজ্যের মাটিতে থেকেও তিনি অবিরামভাবে বিএনপি’র সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নিবেদিত থেকেছেন। তিনি নারীদের অধিকার, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর কথায়, কাজে, আচরণে প্রতিফলিত হয় এক গভীর দেশপ্রেম, এক দৃঢ় নৈতিক অবস্থান। তিনি বিশ্বাস করেন, রাজনীতি মানে শুধু ক্ষমতা নয়—রাজনীতি হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী অবস্থান, সত্যের পক্ষে দৃঢ় উচ্চারণ এবং মানুষের কল্যাণে আত্মনিবেদন।

বাঞ্ছারামপুরের মানুষ তাঁর মধ্যে খুঁজে পেয়েছে এক নিবেদিতপ্রাণ নেত্রীর প্রতিচ্ছবি—যিনি হাসিমুখে সেবা করতে জানেন, যিনি রাজনীতিকে ভালোবাসেন মানুষের মঙ্গলের জন্য। নারীরা তাঁর মধ্যে দেখেছে এক অনুপ্রেরণা, তরুণরা দেখেছে এক সাহসী রোল মডেল, আর প্রবীণরা দেখেছে এক বিশ্বস্ত নেতৃত্বের প্রতীক।

মাননীয় তারেক রহমান,
আপনি জানেন, বিএনপি শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়ে ওঠা একটি জাতীয় আন্দোলন—দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার প্রতীক। এই আন্দোলনে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। তাই আজ বাঞ্ছারামপুরের জনগণ চায় এমন একজন নারী নেতৃত্ব, যিনি আপনার দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন, যিনি নারীর ক্ষমতায়ন ও দলের সাংগঠনিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করতে পারেন।

জনগণ বিশ্বাস করে, আপনি যেভাবে সর্বদা ত্যাগী, নিবেদিত এবং আদর্শনিষ্ঠ নেতাদের সম্মান দেন, সেভাবেই এই দাবিকেও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। কারণ, এই দাবি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়—এটি একটি জনমানুষের দাবি, একটি এলাকার বিশ্বাস, ভালোবাসা ও আস্থা থেকে উৎসারিত আবেদন।

আমরা আশা করি, আপনার প্রজ্ঞা ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে এই দাবির প্রতিফলন ঘটবে। বাঞ্ছারামপুরের মানুষ সেই মুহূর্তটির অপেক্ষায় আছে, যখন আপনি অঞ্জনা আলমের মতো একজন যোগ্য, ত্যাগী ও নারী নেতৃত্বকে সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন দেবেন।

আমরা বিশ্বাস করি, অঞ্জনা আলম সংসদে শুধু নারীর কণ্ঠস্বর হবেন না, তিনি হবেন ন্যায়, সাহস, সততা ও দেশপ্রেমের প্রতিচ্ছবি—যিনি বিএনপির আদর্শকে আরও উচ্চে তুলে ধরবেন।

আল্লাহ আপনাকে সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু দান করুন। আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যেন আবারও ফিরে পায় স্বাধীনতার সত্যিকার অর্থ, জনগণের গণতন্ত্র এবং শহীদ জিয়ার স্বপ্নের বাংলাদেশ—এই কামনাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের প্রতিটি মানুষের হৃদয়ের গভীর আকাঙ্ক্ষা।

বিনীত শ্রদ্ধান্তে,
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাঞ্ছারামপুরের সর্বস্তরের জনগণ,
তৃণমূল বিএনপি পরিবার ও সমর্থক সমাজ।

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রতি ...
09/10/2025

মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাতা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
২০২৫ সালের ৮ অক্টোবর, বুধবার, রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানস্থ শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে উপস্থিত হয়ে তিনি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।
এই সময় দেশ ও জাতির কল্যাণ, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার এবং শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বিএনপি নেতৃবৃন্দ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শীর্ষস্থানীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
জিয়া উদ্যানের পরিবেশ ছিল শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও দেশপ্রেমে

বাংলাদেশে প্রাণিদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারেক রহমান। মানুষের পাশাপাশি প্রাণিদ...
04/10/2025

বাংলাদেশে প্রাণিদের প্রতি ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধের এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তারেক রহমান। মানুষের পাশাপাশি প্রাণিদের জীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তিনি সম্প্রতি একটি বিশেষ অ্যাম্বুলেন্স উপহার দিয়েছেন, যা সম্পূর্ণভাবে প্রাণিদের চিকিৎসা ও সেবার জন্য ব্যবহৃত হবে। এই মহৎ উদ্যোগটি শুধু একটি যানবাহনের দান নয়, বরং এটি একটি মানবিক বার্তা—যা আমাদের মনে করিয়ে দেয়, সমাজের নির্বাক প্রাণিগুলোর প্রতিও আমাদের দায়িত্ব রয়েছে।

এই অ্যাম্বুলেন্সটি আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম দিয়ে সজ্জিত, যাতে আহত, অসুস্থ বা বিপদগ্রস্ত প্রাণিদের দ্রুত ও নিরাপদভাবে চিকিৎসা কেন্দ্রে পৌঁছানো যায়। শহরের রাস্তায় কিংবা গ্রামীণ জনপদে, যেখানে অসংখ্য প্রাণি প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার শিকার হয়, সেখানে এই অ্যাম্বুলেন্সটি একটি জীবনরক্ষাকারী ভূমিকা পালন করবে। এটি প্রাণিদের জন্য একটি ভ্রাম্যমাণ আশ্রয়স্থল, যেখানে তারা পাবে প্রাথমিক চিকিৎসা, স্নেহ, এবং যত্ন।

তারেক রহমানের এই উদ্যোগ প্রাণিপ্রেমীদের হৃদয়ে গভীর প্রশংসা কুড়িয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে প্রাণিদের কল্যাণে আরও বড় পরিসরে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে। এই অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে প্রাণিদের প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করা যায়।

এই মহৎ কাজ আমাদের মনে করিয়ে দেয়, মানবতা শুধু মানুষের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। প্রাণিরাও আমাদের সমাজের অংশ, এবং তাদের প্রতি দায়িত্ব পালন করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। তারেক রহমানের এই উপহার সেই দায়িত্ব পালনের এক উজ্জ্বল উদাহরণ, যা মানবিকতা ও সহানুভূতির এক অনন্য বার্তা বহন করে।

#দেশপ্রেম, #ন্যায়বিচার #ও #গণতন্ত্রের #প্রতি #অঙ্গীকারে #অনড়!
#সত্যের #পথে #দৃঢ় #অবস্থান, #দেশ #ও #জনগণের #প্রতি #অকুণ্ঠ #সমর্থন!
#কাজী #দিদারুল #আলম
#জাতীয়তাবাদী #অনলাইন #এক্টিভিস্ট
#ভাউকসার #বরুড়া #কুমিল্লা

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায় বিএনপি, যার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ...
04/10/2025

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে চায় বিএনপি, যার রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফা অঙ্গীকারে। এই অঙ্গীকার শুধু একটি নির্বাচনী ইশতেহার নয়, বরং এটি একটি জাতির পুনর্জাগরণের আহ্বান—একটি ন্যায়ের, গণতন্ত্রের, এবং মানবিক রাষ্ট্রের স্বপ্ন। তারেক রহমানের কণ্ঠে উচ্চারিত এই প্রতিশ্রুতি যেন একটি জাতির হৃদয়ের ভাষা, যেখানে প্রতিটি দফা একটি সংকটের প্রতিকার এবং একটি আশার আলো।

এই অঙ্গীকারের মূল দর্শন হলো—রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে বিএনপি জনগণের রায়কে সর্বোচ্চ সম্মান জানিয়ে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে। এটি কোনো প্রতিশোধের রাজনীতি নয়, বরং একটি ঐক্যবদ্ধ, সংলাপভিত্তিক, এবং অংশগ্রহণমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি। তারেক রহমানের ভাষায়, যখন কেউ সাহস করেনি, তখনই বিএনপি সাহস করে এই দফাগুলো সামনে এনেছে। এটি প্রমাণ করে, দলটি ক্ষমতার রাজনীতি নয়, বরং জনগণের অধিকার, স্বাধীনতা, এবং মর্যাদার প্রশ্নে একটি সাহসী অবস্থান নিয়েছে।

এই ৩১ দফা কর্মসূচির প্রতিটি স্তম্ভ একটি গভীর সংকটের প্রতিক্রিয়া। যেমন—গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা, যেখানে জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিত করে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা, যেখানে দলীয়করণমুক্ত বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আইনের শাসন নিশ্চিত করা হবে। অর্থনৈতিক বৈষম্য হ্রাস করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ধনী-গরিবের ব্যবধান কমে আসে এবং সবাই সমান সুযোগ পায়।

নারীর ক্ষমতায়ন, যুব সমাজের কর্মসংস্থান, শিক্ষার মানোন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, পরিবেশ রক্ষা, এবং প্রযুক্তিনির্ভর প্রশাসন—সবকিছুই এই অঙ্গীকারের অন্তর্ভুক্ত। প্রতিটি দফা যেন একটি স্বপ্নের প্রতিচ্ছবি, যেখানে একটি মানবিক রাষ্ট্রের ভিত্তি গড়ে তোলা হবে।

এই কর্মসূচির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো "রেইনবো নেশন"—একটি সম্প্রীতিমূলক রাষ্ট্রসত্তা, যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু সহিংসতা বা প্রতিহিংসার রাজনীতি থাকবে না। এটি দক্ষিণ আফ্রিকার Truth and Reconciliation Commission-এর আদলে একটি জাতীয় পুনর্মিলনের প্রস্তাব, যেখানে রাজনৈতিক দল, সামাজিক গোষ্ঠী, এবং মতাদর্শের মধ্যে সংলাপ ও বোঝাপড়ার মাধ্যমে স্থিতিশীলতা গড়ে তোলা হবে।

এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএনপি একটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চায়—যেখানে বিরোধিতা থাকবে, কিন্তু তা হবে গঠনমূলক; যেখানে মতের ভিন্নতা থাকবে, কিন্তু তা হবে সম্মানজনক; এবং যেখানে রাষ্ট্র হবে জনগণের, জনগণের জন্য, এবং জনগণের দ্বারা পরিচালিত।

#দেশপ্রেম, #ন্যায়বিচার #ও #গণতন্ত্রের #প্রতি #অঙ্গীকারে #অনড়!
#সত্যের #পথে #দৃঢ় #অবস্থান, #দেশ #ও #জনগণের #প্রতি #অকুণ্ঠ #সমর্থন!
#কাজী #দিদারুল #আলম
#জাতীয়তাবাদী #অনলাইন #এক্টিভিস্ট
#ভাউকসার #বরুড়া #কুমিল্লা

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।প্রিয় দেশবাসী এবং প্রবাসে অবস্থানরত ভাই ও বোনেরা,বাংলাদেশের ইতিহাসের এক...
04/10/2025

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহু।

প্রিয় দেশবাসী এবং প্রবাসে অবস্থানরত ভাই ও বোনেরা,

বাংলাদেশের ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে আমরা দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি আজ এমন এক সময় পার করছে, যখন গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, এবং জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের সম্মিলিত প্রয়াস অপরিহার্য। এই মুহূর্তে, আপনাদের প্রতি আমার হৃদয় নিঃসৃত আহ্বান—আসুন, আগামী এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর মনোনীত প্রার্থীদের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে একটি নতুন সূচনা ঘটাই।

ধানের শীষ প্রতীক শুধু একটি নির্বাচনী চিহ্ন নয়—এটি আমাদের সংগ্রামের প্রতীক, আমাদের স্বপ্নের প্রতীক। এটি সেই প্রতিশ্রুতি বহন করে, যেখানে জনগণের মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়, যেখানে রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই—
যেখানে একজন কৃষক তার ফসলের ন্যায্য মূল্য পায়,
যেখানে একজন শ্রমিক তার ঘাম ঝরানো পরিশ্রমের সম্মান পায়,
যেখানে একজন ছাত্র-ছাত্রী নির্ভয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে,
যেখানে একজন মা তার সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে নিশ্চিন্ত থাকতে পারে।

এই বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রয়োজন একটি জনবান্ধব সরকার, একটি গণতান্ত্রিক নেতৃত্ব, একটি সাহসী পরিবর্তন। বিএনপি সেই পরিবর্তনের অগ্রদূত। ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে আপনি শুধু একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত করছেন না—আপনি একটি আদর্শকে বেছে নিচ্ছেন, একটি ভবিষ্যৎকে আলোকিত করছেন।

আপনার একটি ভোট পারে—

গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে
আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে
জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে
উন্নয়নকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে
একটি সুন্দর, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে

প্রিয় ভাই ও বোনেরা,
এই আহ্বান শুধু একটি রাজনৈতিক বার্তা নয়—এটি একটি মানবিক আবেদন, একটি জাতীয় দায়িত্ব। আসুন, আমরা একসাথে এগিয়ে যাই। ধানের শীষে ভোট দিয়ে আমরা গড়ে তুলি একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, এবং মানবিক বাংলাদেশ।

বিজয় হোক জনগণের, বিজয় হোক গণতন্ত্রের।
বাংলাদেশ বাঁচুক, বাংলাদেশ জিতুক।
#এয়োদশ_জাতীয়_সংসদ_নির্বাচন #ধানের_শীষ #বিএনপি #কাজী_দিদারুল_আলম

Address

Comilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kazi Didarul Alam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kazi Didarul Alam:

Share