20/10/2025
বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ করা হয়েছিল। এই জ-ঘ-ন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁ-ধে রেখে আমার সামনেই ন-র-পি-শা-চ.রা আমার বউকে ধ-র্ষ-ণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন/গ্ন, র-ক্তা/ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কা-ন্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধ-র্ষ-ক'দের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।
তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ-লা-য় দ-ড়ি দিয়ে আ-ত্মহ-ত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধ-র্ষ-কের শাস্তি হয় না কিন্তু ধ/র্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।
আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধ-র্ষ-ণ করা মানুষগুলো হেঁ-টে যেতো তখন ম-রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।
একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিড'ন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সে"ক্স পা-গ-ল। সে"ক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অ-ন্ধ-কার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।
ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শে-ষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ-ত্যু য/ন্ত্র;ণা। কতোটা ক-ষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।
তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃ/ত্যু দিলে আমার বউ এর আ-ত্মা-শা-ন্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভ-য়ং--ক-র আর কষ্টকর মৃ/ত্যু উপহার দেবো।
সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁ-চি-য়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি ন-র-পি-শা-চে-র মতো ব্যবহার করেছিলাম।
ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢু-কি-য়ে-ছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর সমস্ত গায়ে ল'বণ ম'রিচ মাখিয়ে দিয়েছিলাম নিজ হাতে।
দ্বিতীয় দিন তাদেরকে টানা দুই ঘন্টা ধ'র্ষণ করিয়েছিলাম। তারা কান্না করে চিৎকার করেছিল। সহ্য করতে পারছে না। তখন আমি এক পৈ'শাচি'ক আনন্দ ভোগ করেছিলাম।
তৃতীয় দিন আমি তাদের মাথার চুলগুলো টে-নে টে-নে তুলি। এটা করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছিলো। চতুর্থ দিন আমি তাদের কা-ন দুটো প্লা-স দিয়ে টে-নে টে-নে ছিঁ-ড়ে/ছি-লাম। তারা সেদিন আমার কাছে মৃ/ত্যু ভি-ক্ষা চেয়েছিল। খুব করে আকুতি করেছিলো তারা আর স-হ্য করতে পারছে না। মৃ/ত্যু চায় তারা। কিন্তু আমি তাদের মৃ/ত্যু দেয়নি। পঞ্চম দিন আমি তাদের চোখদুটো তু-লে ফে-লি। তুলে ফেলার আগে চোখে ম-রি-চের গুড়া দিয়েছিলাম। তারা পঞ্চম দিনে অ-জ্ঞা-ন হয়ে যায়। আমি ভেবেছিলাম ওরা মা/রা গিয়েছে। তাই নিজের প্রতি অনেক রাগ হয়েছিলো সেদিন। কিন্তু সাতদিনের দিন তাদের জ্ঞা-ন ফিরে। আমি বুঝতে পেরেছিলাম তারা বেশি সময় বাঁ-চ-বে না। তাই তাদের চি-র-ত-রে শে-ষ করার সিদ্বান্ত নেই।
তাদের লি/ঙ্গে/র অর্ধেক কে/টে ফেলেছিলাম। তারপর তাদের বাকি লি/ঙ্গতে আ-গু-ন ধরিয়ে দিয়েছিলাম। সেখান থেকে আস্তে আস্তে পুরো শরীরে আ-গু-ন ছড়িয়ে যায়। তবে অনেক সময় লেগেছিলো তাদের শ-রী-রে আ-গু-ন ছ'ড়াতে। তারা প্রায় বিশ মিনিটের মতো আ-গু-নে পু-ড়ে-ছে আর মৃ/ত্যু যন্ত্র/ণায় চি/ৎকার করেছে।
পুরো সাতদিনে আমি একটা ভিডিও বানাই। সাতান্ন মিনিটের একটা ভিডিও। যেটাতে সাতদিনের ভ-য়ং-ক-র শা-স্তি গুলো রেকর্ড করা ছিলো। আমি জানতাম ভিডিওটা ফেসবুকে ছাড়লে ভাইরাল হবে। তাই ফেসবুকে ছেড়ে দেই।
ভিডিওটা দেখার পর বারো জন ধ/র্ষক আ-ত্ম-হ-ত্যা করে। কিছু মানুষ দেখে স্ট্রো-ক করে। কিছু মানুষ ভিডিওটা দেখার সা-হস পায়নি।
ভিডিওটা দেখার পর ধ'র্ষণ অনেকটা কমে এসেছে।
তবে আদালত আমার ফা-সি-র রায় দিয়েছে। আমি এমন একটা দেশে বাস করি যেখানে ধ-র্ষ-ণ করার জন্য জেল,ফা-সি কিছু হয় না। কিন্তু ধ-র্ষ-ণ-দের শা-স্তি দেওয়ার অপরাধে ঠিকই আদালত আইন প্রয়োগ করে।🙂
©অনিরুদ্ধ গুহ