Md Mohi Uddin

Md Mohi Uddin Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Md Mohi Uddin, Comilla.
(1)

প্রিয় দ্বীনি ভাই
রাসুলুল্লাহ (ﷺ)বলেছেনঃ
আল্লাহর শপথঃ-
তোমার চেষ্টার দ্বারা যদি আল্লাহ একটি লোক কে ও, হেদায়েত দান করেন, তবে তা হবে তোমার জন্য এক পাল লাল উটের চাইতে ও উত্তম।

মানবিক প্লাটফর্মঃ
আদ দ্বীন হেল্প ফাউন্ডেশন এর সাথে থাকুন৷

11/06/2026

৭৭ । সূরা আল-মুরসালাত | Al-Mursalat | سورة المرسلات আয়াতঃ ৫০

শানে নুযূল: (৭৭) আল-মুরসালাত (মক্কায় অবতীর্ণ) :

আবদুল্লাহ ইবনে-মাসউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা এক গুহায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে উপস্থিত ছিলাম ইত্যবসরে সূরা মুরাসালাত অবতীর্ণ হল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সূরাটি আবৃত্তি করলেন আর আমি তা শুনে মুখস্থ করলাম। সূরার মিষ্টতায় তার মুখমন্ডল সতেজ দেখাচ্ছিল। হঠাৎ একটি সাপ আমাদের উপর আক্রমণোদ্যত হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে হত্যা করার আদেশ দিলেন। আমরা সাপের দিকে অগ্রসর হলাম, কিন্তু তা পালিয়ে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমরা যেমন তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ হয়েছ, তেমনি সেও তোমাদের অনিষ্ট থেকে নিরাপদ হয়েছে। [বুখারী: ৩৩১৭, মুসলিম: ২২৩৪]

এটি মাক্কী সূরা। যেমন, বুখারী ও মুসলিম শরীফে বর্ণিত হয়েছে; ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন যে, আমরা নবী (সাঃ)-এর সাথে মিনায় একটি গুহায় ছিলাম। এ সময় রসূল (সাঃ)-এর উপর সূরা মুরসালাত অবতীর্ণ হয়। তিনি সূরাটি পাঠ করছিলেন আর আমি তাঁর কাছ থেকে তা গ্রহণ করছিলাম। হঠাৎ করে সেখানে একটি সাপ এসে গেল। তিনি বললেন, তোমরা ওকে মেরে ফেল। কিন্তু সে (সাপটি) দ্রুত অদৃশ্য হয়ে গেল। তিনি বললেন, ‘‘তোমরা তার অনিষ্ট থেকে এবং সে তোমাদের অনিষ্ট হতে বেঁচে গেল।’’ (বুখারীঃ সূরা মুরসালাত এর তফসীর, মুসলিমঃ সাপ প্রভৃতি মারার অধ্যায়।) নবী (সাঃ) কখনো কখনো মাগরিবের নামাযেও এই সূরা পাঠ করেছেন। (বুখারীঃ আযান অধ্যায়, মাগরিবে ক্বিরাআত পড়ার পরিচ্ছেদ, মুসলিমঃ নামায অধ্যায়, ফজরে ক্বিরাআত পাঠ করার পরিচ্ছেদ)

بِسْمِ اللَّهِ الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ
وَ الۡمُرۡسَلٰتِ عُرۡفًا ۙ﴿۱﴾ فَالۡعٰصِفٰتِ عَصۡفًا ۙ﴿۲﴾ وَّ النّٰشِرٰتِ نَشۡرًا ۙ﴿۳﴾ فَالۡفٰرِقٰتِ فَرۡقًا ۙ﴿۴﴾ فَالۡمُلۡقِیٰتِ ذِکۡرًا ۙ﴿۵﴾ عُذۡرًا اَوۡ نُذۡرًا ۙ﴿۶﴾ اِنَّمَا تُوۡعَدُوۡنَ لَوَاقِعٌ ؕ﴿۷﴾ فَاِذَا النُّجُوۡمُ طُمِسَتۡ ۙ﴿۸﴾ وَ اِذَا السَّمَآءُ فُرِجَتۡ ۙ﴿۹﴾ وَ اِذَا الۡجِبَالُ نُسِفَتۡ ﴿ۙ۱۰﴾ وَ اِذَا الرُّسُلُ اُقِّتَتۡ ﴿ؕ۱۱﴾ لِاَیِّ یَوۡمٍ اُجِّلَتۡ ﴿ؕ۱۲﴾ لِیَوۡمِ الۡفَصۡلِ ﴿ۚ۱۳﴾ وَ مَاۤ اَدۡرٰىکَ مَا یَوۡمُ الۡفَصۡلِ ﴿ؕ۱۴﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۱۵﴾ اَلَمۡ نُهۡلِکِ الۡاَوَّلِیۡنَ ﴿ؕ۱۶﴾ ثُمَّ نُتۡبِعُهُمُ الۡاٰخِرِیۡنَ ﴿۱۷﴾ کَذٰلِکَ نَفۡعَلُ بِالۡمُجۡرِمِیۡنَ ﴿۱۸﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۱۹﴾ اَلَمۡ نَخۡلُقۡکُّمۡ مِّنۡ مَّآءٍ مَّهِیۡنٍ ﴿ۙ۲۰﴾فَجَعَلۡنٰهُ فِیۡ قَرَارٍ مَّکِیۡنٍ ﴿ۙ۲۱﴾ اِلٰی قَدَرٍ مَّعۡلُوۡمٍ ﴿ۙ۲۲﴾ فَقَدَرۡنَا ٭ۖ فَنِعۡمَ الۡقٰدِرُوۡنَ ﴿۲۳﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۲۴﴾ اَلَمۡ نَجۡعَلِ الۡاَرۡضَ کِفَاتًا ﴿ۙ۲۵﴾ اَحۡیَآءً وَّ اَمۡوَاتًا ﴿ۙ۲۶﴾ وَّ جَعَلۡنَا فِیۡهَا رَوَاسِیَ شٰمِخٰتٍ وَّ اَسۡقَیۡنٰکُمۡ مَّآءً فُرَاتًا ﴿ؕ۲۷﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۲۸﴾ اِنۡطَلِقُوۡۤا اِلٰی مَا کُنۡتُمۡ بِهٖ تُکَذِّبُوۡنَ ﴿ۚ۲۹﴾ اِنۡطَلِقُوۡۤا اِلٰی ظِلٍّ ذِیۡ ثَلٰثِ شُعَبٍ ﴿ۙ۳۰﴾ لَّا ظَلِیۡلٍ وَّ لَا یُغۡنِیۡ مِنَ اللَّهَبِ ﴿ؕ۳۱﴾ اِنَّهَا تَرۡمِیۡ بِشَرَرٍ کَالۡقَصۡرِ ﴿ۚ۳۲﴾ کَاَنَّهٗ جِمٰلَتٌ صُفۡرٌ ﴿ؕ۳۳﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۳۴﴾ هٰذَا یَوۡمُ لَا یَنۡطِقُوۡنَ ﴿ۙ۳۵﴾ وَ لَا یُؤۡذَنُ لَهُمۡ فَیَعۡتَذِرُوۡنَ ﴿۳۶﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۳۷﴾ هٰذَا یَوۡمُ الۡفَصۡلِ ۚ جَمَعۡنٰکُمۡ وَ الۡاَوَّلِیۡنَ ﴿۳۸﴾ فَاِنۡ کَانَ لَکُمۡ کَیۡدٌ فَکِیۡدُوۡنِ ﴿۳۹﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۴۰﴾اِنَّ الۡمُتَّقِیۡنَ فِیۡ ظِلٰلٍ وَّ عُیُوۡنٍ ﴿ۙ۴۱﴾ وَّ فَوَاکِهَ مِمَّا یَشۡتَهُوۡنَ ﴿ؕ۴۲﴾ کُلُوۡا وَ اشۡرَبُوۡا هَنِیۡٓــًٔۢا بِمَا کُنۡتُمۡ تَعۡمَلُوۡنَ ﴿۴۳﴾ اِنَّا کَذٰلِکَ نَجۡزِی الۡمُحۡسِنِیۡنَ ﴿۴۴﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۴۵﴾ کُلُوۡا وَ تَمَتَّعُوۡا قَلِیۡلًا اِنَّکُمۡ مُّجۡرِمُوۡنَ ﴿۴۶﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۴۷﴾ وَ اِذَا قِیۡلَ لَهُمُ ارۡکَعُوۡا لَا یَرۡکَعُوۡنَ ﴿۴۸﴾ وَیۡلٌ یَّوۡمَئِذٍ لِّلۡمُکَذِّبِیۡنَ ﴿۴۹﴾ فَبِاَیِّ حَدِیۡثٍۭ بَعۡدَهٗ یُؤۡمِنُوۡنَ ﴿۵۰﴾

11/06/2026

এমন অনেকে আছেন– যারা যোহর, আসর, মাগরিব, ইশা'র নামাজ ঠিকমতো পড়তে পারলেও, ঘুমের কারণে দিনের পর দিন সময়মতো ফজর পড়তে পারে না। যা খুবই ভয়ংকর! কেননা রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ফজরের নামাজ সম্পর্কে কঠিন সতর্কবাণী দিয়েছেন, তিঁনি বলেছেন– “মুনাফিকদের জন্য সবচেয়ে ভারী নামাজ হলো ইশা ও ফজরের নামাজ।” (সহীহ বুখারি : ৬৫৭)

ঘুমকে অজুহাত বানিয়ে ফজর ছেড়ে দেওয়া ধীরে ধীরে হৃদয়কে গাফেল করে দেয়, আর গাফলতি মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে দূরে সরিয়ে নেয়। প্রকৃত মুমিন তো সে-ই, যে ঘুমের আরামের চেয়েও দয়াময় রবের ডাককে অধিক গুরুত্ব দেয় এবং সময়মতো নামাজ আদায় করে।

মাহমুদুল হাছান

10/06/2026

ফেতনার এই জামানায় কথাগুলো আপনার জীবন পরিবর্তন করে দিবে|
Sheikh Ahmadullah
শায়েখ আহমাদুল্লাহ

10/06/2026

৭৬ । সূরা আল-ইনসান (আদ-দাহর) | Al-Insan | سورة الانسان আয়াতঃ ৩১

শানে নুযূল: (৭৬) আল-ইনসান (আদ-দাহর) মদীনায় অবতীর্ণ :

সূরা ‘আল-ইনসান’ এর অপর নাম সূরা আদ-দাহর। সাহাবায়ে কিরাম সূরাটিকে সূরা “হাল আতা আলাল ইনসান” বলতেন। [দেখুন, বুখারী: ৮৮০; মুসলিম: ৮৭৯] এতে মানব সৃষ্টির আদি-অন্ত, কর্মের প্রতিদান ও শাস্তি, কেয়ামত জান্নাত ও জাহান্নামের বিশেষ বিশেষ অবস্থার উপর বিশুদ্ধ ও সাবলীল ভঙ্গিতে আলোকপাত করা হয়েছে। হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম শুক্রবার দিন ফজরের সালাতে “সূরা আলিফ লাম মীম তানযীল আস-সাজদাহ” এবং “হাল আতা আলাল ইনসান” সূরা পড়তেন। [বুখারী: ৮৯১, মুসলিম: ৮৮০, ৮৭৯]

09/06/2026

জান্নাত লাভের আমলঃ
হুযাইফা [রাদিয়াল্লাহু আনহু] থেকে বর্ণিত,
একদা রসূলুল্লাহ্‌ (ﷺ) কে আমার বুকে লাগালাম। অতঃপর তিনি বললেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টিলাভের উদ্দেশ্যে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ বলে এবং সেটাই তার শেষ কথা হয় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। যে একদিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে সিয়াম রাখে এবং সেটাই তার শেষ আমল হয় তবে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে কিছু সাদকাহ করে এবং সেটা তার শেষ কর্ম হয় তবে সেও জান্নাতে প্রবেশ করবে। [আহমাদ ২৩৩২৪]

08/06/2026

৭৫ । সূরা আল-ক্বিয়ামাহ | Al-Qiyama | سورة القيامة আয়াতঃ ৪০

08/06/2026

একজন মু'মিনের ১০টি গুরুত্বপূর্ণ নফল সালাতঃ
১। তাহাজ্জুদ সালাতঃ
রাকআত সংখ্যা: ২ রাকআত করে যত ইচ্ছা।
সময়ঃ ইশার সালাতের পর থেকে সুবহে সাদিকের পূর্ব পর্যন্ত; রাতের শেষ তৃতীয়াংশ সবচেয়ে উত্তম।
*ফজিলতঃ* আর রাতের কিছু অংশে তাহাজ্জুদ আদায় করুন, যা আপনার জন্য অতিরিক্ত ইবাদত। আশা করা যায়, আপনার রব আপনাকে মাকামে মাহমূদে প্রতিষ্ঠিত করবেন। [সূরা বনি ইসরাঈল৭৯] [সহীহ বুখারী: ১১২০]

২। ইশরাকের সালাতঃ
রাকআত সংখ্যাঃ ২ রাকআত।
সময়: সূর্য উদয়ের প্রায় ১৫-২০ মিনিট পর।
ফজিলতঃ রাসূল ﷺ বলেছেন, যে ব্যক্তি জামাআতে ফজরের সালাত আদায় করে, অতঃপর সূর্যোদয় পর্যন্ত আল্লাহর জিকির করে এবং এরপর ২ রাকআত সালাত আদায় করে, সে পূর্ণ হজ ও উমরার সওয়াব পায়। [সুনানে তিরমিযী: ৫৮৬]

৩। সালাতুদ-দুহা (চাশতের সালাত)
রাকআত সংখ্যাঃ সর্বনিম্ন ২ রাকআত; ৪, ৬ বা ৮ রাকআত পর্যন্ত আদায় করা যায়।
*সময়ঃ* সূর্য যখন উত্তপ্ত হয় এবং সূর্যের উত্তাপে বালি মাটি গরম হয়ে যায় তখন থেকে যোহরের ওয়াক্ত হওয়ার আগ পর্যন্ত পড়া যাবে।

ফজিলতঃ রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ হে আদম সন্তান! দিনের প্রথম ভাগে আমার জন্য চার রাক‘আত নামায আদায় কর, আমি তোমার দিনের শেষ পর্যন্ত প্রয়োজন পূরণ করে দিব। [জামে' আত-তিরমিজি-৪৭৫]
গুরুত্বঃ সালাতুদ দুহা আদায় করতে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সাহাবী আবু হুরাইরা (রাঃ) কে ওয়াসিয়াত করেছেন। [সহীহ বুখারী - 1178]

৪। সালাতুল ইস্তিখারাঃ
রাকআত সংখ্যা: ২ রাকআত।
সময়: নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত যেকোনো সময়ে।
ফজিলত:জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,আল্লাহ্‌র রাসূল (ﷺ) আমাদের সব কাজে ইস্তিখারাহ শিক্ষা দিতেন। যেমন পবিত্র কুরআনের সূরা সমূহ আমাদের শিখাতেন। তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন কাজের ইচ্ছা করলে সে যেন ফরজ নয় এমন দু’রাক’আত সালাত আদায় করার পর এ দু’আ পড়ে। [সহীহ বুখারী: ১১৬২]

৫। সালাতুত তাসবীহঃ
রাকআত সংখ্যা: ৪ রাকআত।
সময়: নিষিদ্ধ সময় ব্যতীত যেকোনো সময়ে।
ফজিলত: এ সালাতে বিশেষ পদ্ধতিতে তাসবীহ পাঠ করা হয়। হাদীসে এর বিশেষ ফজিলতের কথা বর্ণিত হয়েছে এবং প্রথম ও শেষ, অতীত ও বর্তমান, ইচ্ছা ও অনিচ্ছাকৃত, ছোট ও বড় এবং প্রকাশ্য ও গোপন সমস্ত গুনাহ ক্ষমার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। [সুনানে আবূ দাউদ: ১২৯৭]

৬। তাহিয়্যাতুল উযূঃ
রাকআত সংখ্যা: ২ রাকআত।
সময়: উযূ করার পর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ শুকানোর পূর্বে।
ফজিলত: আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেছেনঃ ‘যে ব্যক্তি আমার মত উযূ করবে, অতঃপর দু’রাক’আত সালাত আদায় করবে, যাতে দুনিয়ার কোন খেয়াল করবে না, তার পূর্বের গুনাহ্ ক্ষমা করে দেয়া হবে। [সহীহ বুখারী: ১৫৯]

৮। সালাতুল ইস্তিসকাঃ
রাকআত সংখ্যা: ২ রাকআত।
সময়:অনাবৃষ্টি বা খরার সময়।
ফজিলত: আল্লাহর নিকট বৃষ্টি ও রহমত প্রার্থনার জন্য এ সালাত আদায় করা হয়। রাসূল ﷺ নিজেও এ সালাত আদায় করেছেন। [সহীহ বুখারী: ১০২৪]

৯। সালাতুল কুসুফ (সূর্যগ্রহণের সালাত)
রাকআত সংখ্যা:২ রাকআত।
সময়:সূর্যগ্রহণ শুরু হওয়া থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত।
ফজিলত: সূর্যগ্রহণ আল্লাহর নিদর্শনসমূহের একটি। এ সময় সালাত, দু‘আ, জিকির ও ইস্তিগফার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। [সহীহ বুখারী: ১০৪৪]

১০। সালাতুল খুসুফ (চন্দ্রগ্রহণের সালাত)
রাকআত সংখ্যা:২ রাকআত।
সময়: চন্দ্রগ্রহণ শুরু হওয়া থেকে শেষ হওয়া পর্যন্ত।
ফজিলত: চন্দ্রগ্রহণের সময় আল্লাহর স্মরণ, সালাত, দু‘আ ও তওবার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়। [সহীহ বুখারী: ১০৪৪] [সহীহ মুসলিম: ৯১১]

Daily Islam

07/06/2026

মৃ*ত্যুর স্মরণ পাপাচার থেকে বাঁচিয়ে রাখে, কঠোর হৃদয় কোমল করে, হাসি-তামাশা মিটিয়ে দেয় এবং দুনিয়ায় আপতিত সকল বিপদ-আপদ তুচ্ছ করে তোলে।

— ইমাম কুরতুবি (রহি.)
[সূত্র : আত তাযকিরাহ, পৃ. ১৩৩]

Address

Comilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Mohi Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share