Motographer Usha

Motographer Usha Motographer Usha ! I don’t just ride to reach places, i ride to feel them.
(1)

I wander to feel the world, and i capture it not just with a camera, but through the quiet lens of my heart.

📍 Explorer | 🏍️ Rider | 📸 Storyteller

Frozen Serenity❄️
08/03/2026

Frozen Serenity❄️

এই তো জীবন,যাক না যেদিকে যেতে চায় প্রান🌿
03/03/2026

এই তো জীবন,
যাক না যেদিকে যেতে চায় প্রান🌿

26/02/2026

স্বার্থপর মানুষ!

Enjoying a beautiful day at Rainya Tugun🍃
25/02/2026

Enjoying a beautiful day at Rainya Tugun🍃

EBC সফরনামা | পর্ব–৫🏔️ পরদিনের যাত্রা শুরু হলো ধীরে ধীরে উঁচুতে ওঠার মাধ্যমে। পথিমধ্যেই দেখা হয়ে গেল Saleh Akram Zink এর...
23/02/2026

EBC সফরনামা | পর্ব–৫🏔️
পরদিনের যাত্রা শুরু হলো ধীরে ধীরে উঁচুতে ওঠার মাধ্যমে। পথিমধ্যেই দেখা হয়ে গেল Saleh Akram Zink এর সাথে। কিছু সময় ওর সাথে আড্ডা দিয়ে আবার রউনা দিলাম। লাঞ্চের জন্য পৌঁছালাম পাংবোচে গ্রামে ৪,০০০ মিটার,পাংবোচে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বড় শেরপা বসতি।

বিকেলের পথে প্রকৃতির রূপ বদলে গেল। সবুজ হারিয়ে গিয়ে জায়গা নিল তুষারে ঢাকা শুকনো, রুক্ষ, নির্জন পাহাড়। আমরা এগিয়ে চললাম ডিংবোচের দিকে ৪,৪০০ মিটার উচ্চতায়। আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রি-লাইনের ওপরে আছি আমরা,গারমিনে অক্সিজেন লেভেল মেপে দেখলাম না সব ঠিকঠাক আছে শরীর ঠিকভাবে অ্যাক্লিমাটাইজ করছে কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য !
যেহেতু এখানে আমাদের দুদিন থাকতে হবে,তাই মনটা বেশ প্রফুল্ল ছিল। পরের দিন অ্যাক্লিমাটাইজেশন হাইক-এ তেমন চাপ ছিল না। পুরো সময়টা লজে আড্ডা আর মাস্তিতে কাটিয়ে দিলাম। এই আড্ডায় আমাদের সাথে জয়েন করেছিল ইন্ডিয়ান দুবান্ধবী এর মাঝে একজনের নাম ছিল-Simple😊
-2025⛰️
📌 Milingo (3,937m / 12,917 ft) ➝ Dingboche (4,400m / 14,435 ft)

আমি পাহাড়ের মতো হতে চাই⛰️হোক সেটা কেওক্রাডং কিংবা মাউন্ট এভারেস্ট উচ্চতা দিয়ে নয়, নিজের স্বকীয়তায় আলাদা হতে চাই। ঝড...
13/02/2026

আমি পাহাড়ের মতো হতে চাই⛰️
হোক সেটা কেওক্রাডং কিংবা মাউন্ট এভারেস্ট উচ্চতা দিয়ে নয়, নিজের স্বকীয়তায় আলাদা হতে চাই। ঝড় আসুক, তবুও দাঁড়িয়ে থাকব।
বৃষ্টি নামুক, কুয়াশা ঢাকুক, তবুও নিজের আকার হারাব না !

আমার জীবনেও থাক ভুল, থাক ভাঙাচোরা পথ, থাক ক্লান্তি, থাক থমকে যাওয়া কিছু দিন। কিন্তু গল্পটা যেন নকল না হয়, কারও ছায়া হয়ে নয়
নিজের মতো করে গড়বো প্রতিটি অধ্যায়।

Motographer Usha | The Lone Wolf 🐺

আজ গিয়েছিলাম পারস্য সভ্যতার বিস্ময়কর এক পাখির সন্ধানে🐦হযরত সুলাইমান (আ:) এর বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিল এই পাখি। তিনি পশুপাখির ভা...
11/02/2026

আজ গিয়েছিলাম পারস্য সভ্যতার বিস্ময়কর এক পাখির সন্ধানে🐦

হযরত সুলাইমান (আ:) এর বিশ্বস্ত সঙ্গী ছিল এই পাখি। তিনি পশুপাখির ভাষা বুঝতেন এবং যুদ্ধ ও রাজনীতিতে তাদের সহায়তা নিতেন। দুর্গম পথ ও পানির উৎস খুঁজে সৈন্যদলকে পথ দেখাতো এই পাখি যার নাম "হুদহুদ"

হুদহুদ একটি ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় গুরুত্বসম্পন্ন পাখি। প্রাচীন পারস্যে একে সততার প্রতীক ধরা হতো, ইউরোপে চোর এবং এস্তোনিয়ায় মৃত্যুর প্রতীক হিসেবে দেখা হতো। পবিত্র কুরআন ও বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনীতেও এর উল্লেখ রয়েছে।

📍বর্ডার লাইন কুমিল্লা॥

ডিম পাহাড় পার হয়ে নামাজের বিরতি শেষে আবার যাত্রা শুরু করলাম আলিকদমের উদ্দেশে। সময় গড়িয়ে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত প্রায় ৮টা গন্...
06/02/2026

ডিম পাহাড় পার হয়ে নামাজের বিরতি শেষে আবার যাত্রা শুরু করলাম আলিকদমের উদ্দেশে। সময় গড়িয়ে সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত প্রায় ৮টা গন্তব্য Meghchura Hill Retreat,তখন আমরা পৌঁছে গেলাম মারায়ংতং এর রাস্তায়⛰️

রিসোর্টের রাস্তা ঠিকভাবে চেনা না থাকায় স্থানীয় একজনের কাছে দিকনির্দেশনা চাইলে তিনি আমাদের একটি বাঁশঝাড়ের ভেতরের রাস্তা দেখিয়ে দিলেন। আমি তখন একটু পিছিয়ে পড়েছিলাম, তাই আমার টিম আগেই সেই ট্র্যাকে ঢুকে পড়ে। কিছুক্ষণ পর আমিও সেই রাস্তায় ঢুকলাম। বাকিরা আমার জন্য অপেক্ষা করছিল।

পরে সবাইকে পাশ কাটিয়ে আমি সামনে এগিয়ে যেতে শুরু করলাম। আর ঠিক তখনই খেলাম প্রথম ধাক্কা সামনে দেখি একটি বাঁশের সাঁকো! সেটি পার হওয়ার জন্য ডান পাশের সরু অংশ ধরতেই পেছনের চাকা সাঁকোর ওপর উঠল, আর সাথে সাথেই সাঁকোর বাঁশ খুলে পড়ে গেল। বুকের ভেতরটা কেমন জানি কেঁপে উঠল।

তবুও সামনে এগোতেই থাকলাম। কিন্তু মনে হচ্ছিল পথ আর শেষই হচ্ছে না। চারপাশ অন্ধকার, নির্জন, আর আমরা যেন অজান্তেই একটা ঘোরের ভেতর ঢুকে পড়েছি। একপর্যায়ে একটি জায়গায় সবাইকে দাঁড় করিয়ে আমি নিজে সামনে গিয়ে রাস্তা দেখতে লাগলাম।

ডাউনহিল থাকার কারনে বাইক থামানোই যাচ্ছিল না কোথাও দাঁড় করানোর মতো জায়গা পাচ্ছিলাম না। অনেকটা পথ নামার পর অবশেষে একটি জায়গা পেলাম, সেখান থেকে একা একাই কষ্ট করে বাইক ঘুরিয়ে আবার আমাদের টিমের কাছে ফিরে এলাম।

উপরে উঠে এসেই টিমের সবচেয়ে ছোট মেম্বারটাকে রীতিমতো গালাগালি করলাম। মাথায় তখন একটাই কথা
“এইটা কোনো রাস্তা হতেই পারে না, আমরা ভুল রাস্তায় চলে আসছি!”

কিন্তু উপায় না দেখে আবারও সেই বাঁশঝাড়ের রাস্তায় উঠলাম। সেখানে উঠে দূরে মারাইয়ংতং জাদির দিকে আগুন জ্বলতে দেখলাম। আগুনের পাশে দুজন লোক ছিল। আমি সামনে গিয়ে তাদের একজনকে বাইকে তুলে নিয়ে এলাম, কারণ আমাদের সঠিক রাস্তা দেখানোর জন্য কাউকে দরকার ছিল।
তাকে জিজ্ঞেস করতেই সে বলল,
রাস্তা এইটাই, চলেন আমি আপনাদের দেখিয়ে দিয়ে আসি।

তার কথায় আবারও ভরসা করে আগের সেই ভয়ংকর রাস্তা ধরে এগোতে লাগলাম। কিন্তু সামনে অপেক্ষা করছিল আরও বড় বিপদ। একটি ডাউনহিল নামতে গিয়ে আমি কোনোভাবেই আমার বাইকের ট্র্যাকশন পাচ্ছিলাম না। তার ওপর চারপাশ অন্ধকার, সামনে কিছুই পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিল না। পরিস্থিতি বুঝে আমি বাইকটাকে ডান পাশের একটি ছোট টিলার ওপর ফেলে দিই, যাতে বড় কোনো দুর্ঘটনা না ঘটে।

ঠিক নিচেই ছিল Meghchura Hill Retreat তবুও আমাদের কারও কাছে কিছুই স্বাভাবিক মনে হচ্ছিল না। কেমন যেন অস্বস্তিকর একটা অনুভূতি চারপাশে ভর করে ছিল। মনে হচ্ছিল, এই জায়গাটা আজ আমাদের যেতে দিচ্ছে না।

শেষ পর্যন্ত সবাই সেখানেই দাঁড়িয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম এখান থেকে এখনই চলে যাবো।

সবাই বাইক ঘুরিয়ে আবার উপরের দিকে উঠতে শুরু করলাম।
আর ঠিক এখান থেকেই শুরু হলো আমাদের যাত্রার সবচেয়ে বড় বিপত্তি…

Royal Enfield–এর ব্যাটারি বসে গেছে। স্টার্ট দেওয়ার জন্য ধাক্কা দিতে হবে, কিন্তু আশপাশে এমন কোনো সমতল রাস্তা নেই যেখানে পুশ স্টার্ট দেওয়া যায়। শেষমেশ বাইকটাকে একটু উঁচু টিলার ওপর তুলে, সেখান থেকে নিচে নামিয়ে জোরে গতি নিয়ে স্টার্ট দিতে সক্ষম হলাম।

আর দেরি না করে আমরা আবার উপরের দিকে উঠতে লাগলাম। এদিকে বাকি তিনটি বাইক তখনও বাঁশঝাড়ের কাছে দাঁড়িয়ে, আমাদের অপেক্ষায়।

ঠিক সেই সময় নতুন আরেক ঝামেলা। টূটূল মামার CBX বাইক নিজে নিজেই স্টার্ট নিচ্ছে, আবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। আমি বিরক্ত
হয়ে ধমক দিয়ে বললাম, মামা, চাবি অফ করেন না কেন ?

মামা শান্তভাবে বললেন,
“চাবি তো বন্ধই”

আমি আবারও জোর দিয়ে বললাম,
ভাল করে চাবি বন্ধ করেন !

তখন মামা দুই হাত তুলে বললেন,
এই দেখেন… আমি তো কিছুই করছি না ! আরে কি মহা মুশকিলেই না পরলাম...

তখনই বুঝলাম এটা সেল্ফ কন্টাক্ট ইস্যু। এর মাঝেই আবার অদ্ভুতভাবে অয়নের হেলমেটে বারবার যেন কেউ নখের আঁচড় দিচ্ছিল🥶
আর কিছু করার না দেখে সেখান থেকে সবাই নিচে নেমে এলাম! প্রায় ৩ ঘণ্টা কাবিরাজি চালানোর পর অবশেষে বাইক স্টার্ট করতে পারলাম।

আর দেরি না করে আমরা রওনা দিলাম কক্সবাজারের পথে। তখন রাত প্রায় ১টা। আলিকদমে সেনাবাহিনী আমাদের আটকিয়ে রাখলো বেশ কিছু সময়। সব যাচাই-বাছাই শেষে ছাড় পেলাম।

শেষ পর্যন্ত রাত ২টা ৩০ মিনিটে গিয়ে পৌঁছালাম আমাদের গন্তব্যে।

এই জায়গাটায় আমাদের সঙ্গে যা কিছু ঘটেছিল, সবই কেমন যেন অস্বাভাবিক মনে হচ্ছিল। কোনো কিছুর স্পষ্ট প্রমান না থাকলেও, প্রতিটা ঘটনার ভেতরেই আমি অন্য কিছুর আভাস পাচ্ছিলাম। মনে হচ্ছিল, এই জায়গাটা আজ আমাদের জন্য নয়।
বিশেষ করে আমি ওদের কে বেশি ডিস্টার্ব করসি😆

সব মিলিয়ে, রহস্যে ঘেরা এই মুহূর্তগুলো আমাদের জন্য ছিল
নতুন এক অভিজ্ঞতা। হয়তো পথটা কঠিন ছিল,
কিন্তু আল্লাহ তায়ালার পরিকল্পনা কখনোই ভুল হয় না
তিনি যা করেন, সবই আমাদের ভালোর জন্যই করেন।
আলহামদুলিল্লাহ...
Team Alpha

যেখানে সব ক্লান্তি এসে থেমে যায়🌿
04/02/2026

যেখানে সব ক্লান্তি এসে থেমে যায়🌿

হারিয়ে গিয়েছি এইতো জরুরী খবর...Team Alpha/...
29/01/2026

হারিয়ে গিয়েছি এইতো জরুরী খবর...
Team Alpha/...

Ready to Roll🏍️
22/01/2026

Ready to Roll🏍️

Breathtaking🏔️
14/01/2026

Breathtaking🏔️

Address

Comilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Motographer Usha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Motographer Usha:

Share

Bio

Photographer, Vlogger, Motorcyclist, Adventurer.

I’m Bangladeshi solo traveler - currently on a mission to travel the NorthEast India motorbike !

The adventure has only just begun…

Relevant Notable Photography Awards.