30/08/2026
আমরা আসলে কোনদিকে যাচ্ছি! see more....
১. আমাদের শেখানো হচ্ছে ২ টার বেশি সন্তান নেওয়া যাবে না আর ওইদিকে তাদের ১০ টার নিচে সন্তান নেই। ১০+ সন্তান তাদের। তারা যদিও জন্ম বিরতি দিতে চায় তাহলেও তাদের ধর্মগুরুর থেকে অনুমতি নিতে হতো।
২. তারা সাধারণ ই*হুদি মানে নিজের ধর্মের লোকের সাথে ছাড়া কথা বলে না বা পছন্দ করে না। আর আমাদের জ্ঞান দেওয়া হচ্ছে বিশ্ব সম্প্রতির প্রতি।
৩. তারা দিনের বেশির ভাগটা সময় ই দিচ্ছে ধর্মের জ্ঞান অর্জনের জন্য। তারা বলতে রিজিক নিয়ে এতো চিন্তা করার কিছু নাই। ঈশ্বর ই ব্যবস্থা করে দিবে। অথচ আমাদের দিন দিন বস্তুবাদী বানানো হচ্ছে। যার কাছে যত টাকা সে তত বেশি ভালো মানুষ।
৪. তারা ইন্টারনেট ইউস করে না। তারা স্পেশাল একটা ফোন যেইটা দিয়ে জাস্ট কল করা যায়। এমনকি টেক্সট ও করা যায় না। তারা ইন্টারনেট কে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর মনে করে।
৫. তারা তাদের মেয়েদের শালীনভাবে চলতে বাধ্য করে। তারা সেইটা মেনেও চলে। তাদের চুল ঢেকে রাখতে হয়। এমনকি স্বামীর সামনেও। পুরো শরীর ই তারা ঢেকে চলে। আর এইদিকে আমাদের মেয়েদের স্টাইলের নামে, ফ্যাশানের নামে কি বিকৃত পোশাকের ট্রেন্ড চালু করেছে তা আর বলতে হবে না। যে যত বেশি ছোট বা অশ্লীল পোশাক পড়বে সে তত বেশি স্মাট ও ফ্যাশান সচেতন।
৬. তাদের আশেপাশে কোথায় কোনো ব্যানারে বা বিজ্ঞাপনের ব্যানারে কোনো মেয়ের ছবি নাই। তারা তাদের প্রজন্মের জন্য ক্ষতিকর মনে কররমে এইগুলোকে। আর এইদিকে আমাদের মুসলিম দেশগুলোতে মেয়েদের ছাড়া কোনো বিজ্ঞাপন ই তৈরি হয় না। সৌন্দর্য প্রকাশের নামে বেহায়াপনা।
৭. তাদের বাসায় টিভি নাই। তারা দেখে না।
৮. হাসিদিক সম্প্রদায়দের মার্কেটে বিখ্যাত বিখ্যাত ব্যান্ডের কোনো সপ নাই। তারা এইগুলো থেকে না কিনে নিজের সম্প্রদায়ের দেওয়া দোকান থেকে কেনে। তারা তাদের ভাইদের সহযোগিতা করে। এইদিকে মুসলিম দেশ বিশেষ করে বাংলাদেশে নিজের লোকাল দোকানকে ধ্বংস করে বিদেশে ব্যান্ড প্রমোট করে জাস্ট শোআপের জন্য।
৯. বেশি অবাক লেগেছে যে তারা কোনো সেলেব্রিটিদের চিনে না। তারা Elon Musk কে চেনে না, তারা Michel Jackson কে চেনে না এমনকি তারা Cristiano Ronaldo কেও চিনে না। অথচ আমাদের মুসলিম ছেলেরা আজ মিউজিক ও ওয়েব সিরিজের পিছনে ঘন্টার পরে ঘন্টা সময় নষ্ট করতেছে।
তারা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো চিনে না অথচ এই বিশ্বকাপে আমার দেশের সোনা ছেলেরা এইসব কা/ফিরদের জন্য ১২ জন জী-বন গে-ছে। আত্ন/হ-ত্যা পর্যন্ত করেছে তাও বউ বাচ্চা রেখে।
১০. পুরুষদের সবাইকে দাঁড়ি রেখে দিতে হয়। এটা বাধ্যতামূলক। অথচ ফ্যাশান ও স্মার্টের নামে আমাদের ক্লিন সেভ করা শিখানো হচ্ছে।
১১. টুপির মতো যেইটা আছে সেইটা তারা সারাক্ষণ পড়ে থাকে। এমনকি গোসল ও ঘুমের সময়েও। আর এইদিকে পাঞ্জাবি ও টুপিকে ট্রিট করা হচ্ছে ক্ষ্যাত পোশাক হিসেবে।
সামারিঃ পুরো ভিডিও দেখার পরে নিজের কাছে একটা কথা ই মনে হয়েছে যে আমরা আছি ঘোরের ভিতরে। আমাদেরকে তারা পুতুল নাচাইতেছে।
এর আগে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম যে, কোনো ই*হু*দি অন্যে কোনো ই*হুদিকে টাকার সুদের উপরে দেয় না। তারা তাদেরকে কর্জে হাসানা দেয়। অথচ পৃথিবীর পুরো সুদের সিস্টেমটাই তারা নিয়ন্ত্রণ করে।
আমরা আসলে বোকার সর্গে বাস করতেছি।