Mc.Humayun Rashid Rana.

Mc.Humayun Rashid Rana. Student

18/10/2025

বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে গন/ধ/র্ষণ করা হয়েছিল। এই জঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছু করতে পারিনি। আমাকে বেঁধে রেখে আমার সামনেই ন.রপিশাচ.রা আমার বউকে ধ'র্ষণ করেছিল। আমি অনেক আকুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আকুতি পৌছায়নি। ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসুস্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসুস্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন/গ্ন, র'ক্তা/ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো। তাঁর কান্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি। সে অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি ধ'র্ষক'দের শাস্তির জন্য দৌড়াদৌড়ি করতে থাকি। একসময় তাদের গ্রেফতার করা হয়। তবে কেস চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যায় বিচার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।

তিনমাস পর তারা জামিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ'লায় দ'ড়ি দিয়ে আ"ত্মহ'ত্যা করা। চিঠিতে লিখে গিয়েছিল।
এই দেশে ধ'র্ষকের শাস্তি হয় না কিন্তু ধ/র্ষিতার মানসিক শাস্তি ঠিকই হয়।

আমার সামনে দিয়ে যখন আমার বউকে ধ"র্ষণ করা মানুষগুলো হেঁটে যেতো তখন ম'রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্রভাবশালী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।

একটা মেয়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কিড'ন্যাপ করি। কারণ ওরা ছিলো সে"ক্স পাগল। সে"ক্সের জন্য কোনো মেয়ে বললে যেখানেই হোক না চলে যেতো। চারজন মানুষকে একা কিডন্যাপ করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম একজাতীয় স্প্রে যেটা নাকে ধরলে চব্বিশ ঘন্টা অজ্ঞান থাকবে।
ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অন্ধকার রুমের ভিতর হাত পা বাঁধা অবস্থায় পড়েছিল।

ওদের জ্ঞান ফেরার পরেই আমি ছুটে যাই ওদেরকে চিরতরে শেষ করে দেওয়ার জন্য। কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ'ত্যু য/ন্ত্রণা। কতোটা কষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হাসপাতালের বেডে কতোটা যন্ত্রণা সহ্য করেছিল।

তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুইমিনিটের মৃ/ত্যু দিলে আমার বউ এর আত্মা শান্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ংকর আর কষ্টকর মৃ/ত্যু উপহার দেবো।

সাতদিন ওদেরকে আমি বাঁচিয়ে রেখেছিলাম। সাতদিন ওদের সাথে আমি নর"পিশা"চের মতো ব্যবহার করেছিলাম।

ওদের শরীরের প্রতি ইঞ্চি পরপর শুই ঢু'কিয়ে'ছিলাম। শুই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছিদ্র করেছিলাম। তারপর স

30/12/2024
20/07/2023

- সিজদার সবচেয়ে অসাধারণ বিষয় হলো"😇

- আপনি চুপিসারে জমিনে ফিসফিস করে বলছেন, আর স্বয়ং আল্লাহ তা শুনছেন!🥰

- সুবহানাল্লাহ!❤️🥀

23/03/2023

"বা- সর রাতের স্বামী-স্ত্রীর se'c'ret কথপোকথন"

*স্ত্রী -আপনি বি-ড়ি খান.?

*স্বামী - হ খাই.!

*স্ত্রী -দিনে কয়ডা করে খান.?

*স্বামী-০৫টা করে খাই.!

*স্ত্রী - কয় টেকা করে.?

*স্বামী -১২ টেকা.!

*স্ত্রী - কয় বছর ধরে খান.?

*স্বামী -০৭ বছর ধরে.!
*স্ত্রী - আপনে পুতিদিন ০৫ টা বিড়ি খান ১২ টেকা দামের, তালে হয় ১২×০৫=৬০ টেকা,মাসে হয় ৬০×৩০=১৮০০ টেকা, বছরে হয় ১৮০০×১২=২১৬০০ টেকা, আর ০৭ বছরে হয় ২১৬০০×০৭=১৫১২০০ টেকা, দেখছেন কত টেকা.?
এই টেকা দিয়ে বিড়ি না খায়ে টেকা জমে থুলে আজকে আপনের একটা হুন্ডো থাকলো নি বুচ্ছেন.!

*স্বামী - তুমি বিড়ি খাও.?
*স্ত্রী - না খাই না.!
*স্বামী - তালে তোমার হুন্ডোটা দেও আমি একটু বাহিরে থেকে ঘুরে আসি আর একটা বিড়ি খায়ে আসি. 😝😝

🤣🤣🤣
22/03/2023

🤣🤣🤣

04/08/2022

অবশেষে বৃদ্ধাশ্রমেই আশ্রয় হলো জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবীণ অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের

তিন সন্তানের মধ্যে মেয়ে সবার বড়, নাম রেজিনা ইয়াছমিন আমেরিকা প্রবাসী।
বড় ছেলে উইং কমান্ডার (অব.) ইফতেখার হাসান। ছোট ছেলে রাকিব ইফতেখার হাসান অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী। জীবনে এত কিছু থাকার পরও আজ তার দু’চোখে অন্ধকার। থাকেন আগারগাঁও প্রবীণ নিবাসে।

দীর্ঘ ১৭ বছর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন সুনামের সঙ্গে।
২০০৬ সালে অবসর নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক (অব.) ড. এম আব্দুল আউয়াল (৭০)। অবসরের পর কিছুদিন ভালোই চলছিল তার। অধ্যাপক আব্দুল আউয়ালের সংসারে দুই ছেলে, এক মেয়ে।

আব্দুল আউয়াল জানান, শিক্ষকতার আগে ১৯৬৫-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ এটমিক এনার্জিতে চাকরি করেছি। এরপর শিক্ষকতা। জীবনে অনেক টাকা-পয়সা উপার্জন করেছি।
২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছি। এর পর ছেলে-মেয়েরা আমার খোঁজখবর নেওয়া বন্ধ করে দেয়।

কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটে নিজের ফ্ল্যাট ছিল আব্দুল আউয়ালের। এছাড়া পল্লবীতেও বেশ কিছু জমি ছিল। কিন্তু এসব বড় ছেলে কৌশলে বিক্রি করে টাকা পয়সা নিজের অ্যাকাউন্টে জমা করেছেন, আক্ষেপ করেই বলেন অধ্যাপক আউয়াল।

তিনি বলেন, ওরা আমাকে এতো কষ্ট দেয় কেন। আমাকে নিয়ে এতো ছলচাতুরি করে কেন? বলতে বলতে ডুকরে কেঁদে উঠেন অধ্যাপক। তিনি বলেন, আমি কি এই জন্য এতো কষ্ট করে ওদের মানুষ করেছিলাম?

অধ্যাপক আউয়াল বলেন, চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর কিছু দিন বড় ছেলের সঙ্গেই থাকতাম। ছেলের সংসারে থাকার সময় জানতে পারি ছেলে ও বউয়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো যাচ্ছে না। একদিন বাসায় থাকা অবস্থায় বউয়ের মুখে গালি শুনে বাসা থেকে নেমে আসি। আর ফিরে যাইনি। ওরাও কেউ খোঁজ নেয়নি।

ছোট ছেলে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে আসে ২০১৪ সালে। এসে মিরপুর-১ নম্বরে একটি দোকানে আমার সঙ্গে দেখা করে কথা বলে। সেখানে গেলে আমাকে জানায় তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। আমি ওর বাবা অথচ আমাকে জানালও না যে বিয়ে করতে যাচ্ছে। বিয়ে করে আবার চলে যাবে, একথা শুনে ছেলের বউকে দেখতে চান তিনি। কিন্তু তার সাথে দেখা করা যাবে না বলে জানায় ছেলে।

এ অধ্যাপক আফসোসের সুরে বলছিলেন, অথচ এই ছেলের পড়ালেখার জন্যও পেনশনের টাকা থেকে ২৬ লাখ পাঠিয়েছি। সেই ছেলেও আমাকে কোনো দিন ফোন করে না। মাঝে মাঝে ইমেইলে চিঠি লেখে।

অতি উচ্চ শিক্ষিত হতে গিয়ে আমরা দিন দিন আরও অমানুষ হয়ে যাচ্ছি। অথচ অন

কিছু  আবেগ অনুভূতি।
08/07/2022

কিছু আবেগ অনুভূতি।

14/04/2022

শিক্ষক:তুমি কি কোন লোহার
দোকানে গিয়েছো? ছাত্রী:জি,
গিয়েছি।।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :খোলা মেলা।
শিক্ষক:তুমি কি রুপার দোকানে
গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি স্বর্ণের দোকানে
গিয়েছো?
ছাত্রী :জি হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কিভাবে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা রুপার চেয়েও বেশী
সংরক্ষণ করে রাখা হয়।
শিক্ষক:তুমি কি হীরার দোকানে
গিয়েছো?
ছাত্রী :হ্যাঁ গিয়েছি।
শিক্ষক:তা কেমনে রাখা হয়?
ছাত্রী :তা স্বর্ণের চেয়েও বেশী
গুরুত্ব সহকারে ঢেকে রাখা হয়।
শিক্ষক:কেন জান?
ছাত্রী :কেননা তার দাম অত্যন্ত বেশী
তাই।যেন তাতে ময়লা না লাগে।
শিক্ষক মুচকি হেঁসে বললেন: ইসলামে
মহিলাদের মান ও সম্মান হীরার
চেয়েও অনেক অনেক বেশী। তাই তুমি
পর্দায় থাকবে।
ছাত্রী :সর্ট ড্রেসে সমস্যা কি স্যার?!
শিক্ষক:যারা তোমাকে সর্ট ড্রেস
পরতে বলছে, তারা তোমাকে লোহার
মত ব্যবহার করতে চাচ্ছে।তারা
তোমার শরীরে দাগ দেবে, ময়লা
লাগাবে, মরিচা ফেলবে। তারপর ছুড়ে
ফেলে দেবে ডাস্টবিনে।ওরা
কোনদিন তোমাকে সৌন্দর্যময় হীরা
ভাববে না, বরং ভাববে ব্যবহারেরর
লোহা। যা সাময়িক ব্যবহারের পর
ফেলে দেবে। তাই একটু বিবেক বুদ্ধি
দিয়ে ভেবে দেখ, তোমার মান সম্মান
ও ভবিষ্যৎ এর কথা । মনে রাখবে এই
দুনিয়াই কিন্তু শেষ নয়, আখিরাত বলেও
কিছু একটা আছে।

Address

Moheshkhali
Cox's Bazar
5555

Telephone

+8801306805587

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mc.Humayun Rashid Rana. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share