13/11/2020
ং_আয়কর_রিটার্ন
TIN এখন eTIN যেটা ১২ সংখ্যার এবং
নতুন নিয়ম অনুযায়ী TIN যাদের আছে তাদের সবার রিটার্ন জমা দিতে হবে।
যারা TIN নিয়েছে শুধুমাত্র Credit কার্ড নিতে বা জমি বিক্রি করতে কিন্তু করযোগ্য আয় নাই, তাদের রিটার্ন না দিলেও হবে।
১ জুলাই ২০২০-এর পরে রেজিস্ট্রেশন করা TIN-এর ক্ষেত্রে আগামী বছরে রিটার্ন জমা দিতে হবে।
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী ইত্যাদি পেশাজীবীদের TIN নেয়া এবং রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক।
রিটার্ন জমা দেয়া মানে কিছু ফেরত দেয়া না বা টাকা বা টাক্স দেয়া না। রিটার্ন দিলেই ট্যাক্স দিতে হয় না। করযোগ্য আয় থাকলে ট্যাক্স দিতে হয় এবংআয় যত বেশি স্ল্যাব অনুযায়ী তত বেশি ট্যাক্স হিসাব হবে। করযোগ্য আয় না থাকলে ট্যাক্স হবে শূন্য।
এ বছর যে যত আয় করলে কর দিতে হবে -
পুরুষঃ ৩ লক্ষ,
মহিলা এবং ৬৫+ বয়সের যে কেউঃ ৩ লক্ষ ৫০ হাজার, প্রতিবন্ধীঃ ৪ লক্ষ ৫০ হাজার এবং
মুক্তিযদ্ধাঃ ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার।
২০২০-২১ করবর্ষের রিটার্ন জমা দিতে হবে ৩০ নভেম্বর ২০২০-এর মধ্যে। রিটার্ন ফর্মে আয়, ব্যয় এবং সম্পদের হিসাব দিতে হয়, এক্ষেত্রে সেটা হবে ১ জুলাই ২০১৯ থেকে ৩০ জুন ২০২০-এর হিসাব।
রিটার্ন পূরণ করা ফর্ম জমা দিতে হবে যার যার কর সার্কেল অফিসে, যার ঠিকানা TIN-এর কাগজে লেখা আছে।
নিজের ঠিকানা পরিবর্তন হলেও TIN-এর কাগজে লেখা কর অফিসেই রিটার্ন জমা দিতে হবে, রিটার্ন ফর্মে নিজের নতুন ঠিকানা লেখা যাবে। কর সার্কেল পরিবর্তন করা যায়, সেক্ষেত্রে বর্তমান অফিসে গিয়ে আবেদন করতে হয় এবং ট্যাক্স ফাইল ট্রান্সফার হয়।
এ বছর কর মেলা হবে না এবং অনলাইন সিস্টেম ডাউন হয়ে আছে তাই অফিসে গিয়েই জমা দিতে হবে।
আয় দেখানর জন্য
#ব্যাংক স্টেটমেন্ট,
#স্যালারি সার্টিফিকেট ইত্যাদি জমা দিতে হয়। #সম্পদের হিসাবের সাথে প্রমাণ হিসাবে ব্যাংক স্টেটমেন্ট,
#কোন সেভিংস থাকলে সেটার স্টেটমেন্ট, জমির দলিল এসব সাপোর্টিং কাগজ জমা দিতে হয়।
সারা বছরে বিভিন্ন জায়গায় যেসব কর কেটে রাখে যেমন #ব্যাংকের_অ্যাকাউন্টে বা #গাড়ির_ফিটনেস করার সময়, সেগুলো সমন্বয় করা যায়।
#সঞ্চয়পত্র_কিনলে_যা_কর_কেটে রাখে সেটাই চূড়ান্ত, তার বাইরে কর হিসাব করতে হয়না, বরং কর রেয়াত পাওয়া যায়।
যাদের কোন আয় নাই তাদের যদি TIN থাকে তাহলে রিটার্ন জমা দিতে হবে। সেক্ষেত্রে ফর্মে আয় দেখাতে হবে শূন্য বা কিছু আয় থাকলে সেটা দেখানো যাবে (৩ লাখের নিচে হলেই হলো) এবং কর হবে শুন্য। সম্পদ কিছু থাকলে দেখানো যাবে। তারপর সেই ফর্ম জমা দিয়ে প্রাপ্তি স্বীকার স্লিপটা রেখে দিলেই হলো। যেসব কাগজ জমা দিয়েছেন তার একটা কপি রাখতে হবে।
নিজে জমা দিতে যেতে না পারলে অন্য কেউ গিয়ে জমা দিয়ে আসতে পারবে। ডাকে বা কুরিয়ারে পাঠানো যায় না কারন সেক্ষেত্রে প্রাপ্তিস্বীকার স্লিপ আপনাকে ট্যাক্স অফিস থেকে পাঠানোর ব্যবস্থা নাই।
রিটার্ন সময়মতো না দিলে যে জরিমানা হয় -
(১) আগেরবার আপনি যত টাকা কর দিয়েছেন, তার ১০ শতাংশ কিংবা ৫ হাজার টাকা। এই দুটির মধ্যে যার পরিমাণ বেশি হবে, সেটাই ভিত্তি জরিমানা।
(২) এরপর দৈনিক হিসাবে ৫০ টাকা করে জরিমানা দিতে হবে।
(৩) তার সাথে এবার যে কর নির্ধারিত হবে, সেই করের ওপরে প্রতি মাসে ২ শতাংশ সরল সুদ বসবে।
আরো বিস্তারিত তথ্য জানতে http://nbr.gov.bd/ ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।©ধন্যবাদ শরিফ ভাই।
The National Board of Revenue (NBR) is the apex authority for tax administration in Bangladesh. It was established by the father of the nation Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman under President's Order No. 76 of 1972.