Sb Shafiq Mix Media

Sb Shafiq Mix Media Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sb Shafiq Mix Media, Video Creator, Cumilla.

18/04/2026

আসসালামু আলাইকুম …..আমাদের

বেগম রোকেয়া হাসপাতালের পক্ষ থেকে সবাইকে জানাই
আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ

আমরা বিশ্বাস করি—মানবসেবা হলো সবচেয়ে বড় ইবাদত
সেই চেতনাকে সঙ্গে নিয়েই বেগম রোকেয়া হাসপাতাল কাজ করে যাচ্ছে
আপনাদের পাশে থাকার জন্য💚💚💚
আমাদের হাসপাতালের তিনজন জনপ্রিয় ডাঃ

দেশের স্বনামধন্য শিশু বিশেষজ্ঞ ও কনসালটেন্ট
এ.কে.এম গোলাম সামদানী (রাব্বী)

ডা. কামরুল হাসান সোহেল
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম)
এম.ফিল (বিএসএমএমইউ), পিজিটি (মেডিসিন)
বিএমডিসি রেজি. নং: ৪৪৭৬৯
সহকারী পরিচালক (এক্স), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা

আছেন ডাঃ মোঃ রবিউল হাসান,,
এমবিবিএস ( সিইউ ) এফসিজিপি( ফ্যামিলি মেডিসিন) ডি, এম, ইউ ( আল্টা ) সিসিডি,, ( ডায়াবেটিস বারমেড ) এমসি জিপি,, ( চম ও যৌন ) ( ডি, ও সি ( চম ও যৌন ) ফেলোশীপ ইন, সেক্রয়াৱ মেডিসিন ( ইন্ডিয়া ) ট্রেইনড, ইন, বোটোক্র,ফিলার পিলিং, ফলো ভামাটোসাজারি (থাইল্যান্ড) এডভান্স ট্রেনিং অন কালার ও ভপলার ফিটাল, অ্যানোমলি,, মাসকুলোসে্কলেটাল ( আল্ট্রাসনোগ্রাফি),,
রেজি : নং - এ - ৭৯০২৫।

17/04/2026

সুস্থতার পথে নির্ভরযোগ্য সঙ্গী 💚
আমাদের বেগম রোকেয়া হসপিটাল প্রাইভেট লিমিটেড
17/04/2026 রোজ শুক্রবার।

✨  শুভ নববর্ষ! ✨
13/04/2026

✨ শুভ নববর্ষ! ✨

আজ আমরা এমন এক মহৎ ব্যক্তি সম্পর্কে জানবো, যিনি ছিলেন বিংশ শতকের একজন বিখ্যাত সুফি সাধক। তার প্রভাব এতটাই বেশি যে, বাংলা...
04/04/2026

আজ আমরা এমন এক মহৎ ব্যক্তি সম্পর্কে জানবো, যিনি ছিলেন বিংশ শতকের একজন বিখ্যাত সুফি সাধক। তার প্রভাব এতটাই বেশি যে, বাংলাদেশের কোণে কোণে তো বটেই, সমগ্র বিশ্বে তার অসংখ্য আশেক রয়েছেন, তার নামের ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।

গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান আল হাসানী ওয়াল হোসাইনী (রহঃ) আমাদের প্রিয় নবিজী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর ২৮তম বংশধর। তিনি ১৮৬৫ সালে, ১২৭০ বঙ্গাব্দের ২৯শে আশ্বিন চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার মাইজভাণ্ডার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মাইজভাণ্ডারী তরিকার মহান প্রবর্তক হযরত সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ)[১৮২৬-১৯০৬] এর ভাইয়ের ছেলে।

তাদের পূর্বপুরুষ হযরত সৈয়দ হামিদউদ্দিন গৌরী (রহঃ), ১৫৭৫ সালে তৎকালীন গৌড়ের প্রধান বিচারক হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য আরব থেকে বাংলায় আসেন।

পরবর্তীতে তারই বংশধারা ক্রমান্বয়ে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। মাইজভাণ্ডার গ্রামের নাম অনুসারে তাদের নামের শেষে মাইজভাণ্ডারী নামটি যুক্ত হয়েছে এবং এ তরিকার নামও 'তরিকা-এ-মাইজভাণ্ডারীয়া' হয়েছে।

গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান আল হাসানীকে তার আশেকানরা গভীর ভালোবাসায়- 'বাবাভাণ্ডারী' বলে ডাকতেন। তাই তিনি "বাবাভাণ্ডারী" নামটিতেই বিশ্বজুড়ে পরিচিত।

তার চেহারা মুবারক এতটাই সুন্দর ছিলো যে, সকলে তাকে দেখে গভীর বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকতেন। তার মুখমণ্ডল থেকে সর্বদা নূরের জ্যোতি নিঃসরিত হতো। তাকে শুধু এক পলক দেখেই অনেক অমুসলিম, ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন।

তার জন্মের পর গাউসুল আযম সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর কাছে নেয়া হলে, গাউসুল আযম হযরত সৈয়দ আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) শিশুকে দেখে বললেন,

"এ শিশু আমার বাগানের শ্রেষ্ঠ প্রস্ফুটিত গোলাপ। হযরত ইউসুফ (আঃ) এর মত অপরূপ সৌন্দর্য তার চেহারায় বিরাজমান। তোমরা তার যত্ন নাও। আমি তার নাম 'গোলামুর রহমান' রাখলাম।"

শৈশব থেকেই তিনি ছিলেন ব্যতিক্রম। তার দোলনা, কারো সাহায্য ছাড়া এমনিতেই দোল খেতো। তিনি শিশু অবস্থায়ও কখনো বিছানা নষ্ট করতেন না। তার প্রয়োজন হলে তার চেহারায় কিছু লক্ষণ দেখে তার মা বুঝতে পারতেন। তার জন্মের পর তার পরিবারে বরকত বাড়তে থাকে। সে বছর ব্যাপক ফসল উৎপাদিত হয়েছিলো। দুগ্ধজাত গরু থেকে অভাবনীয় দুধ পাওয়া যেতে থাকে। এ সমৃদ্ধির জন্য সকলে এ শিশুকে খোদার এক বিশেষ রহমত হিসেবে বিবেচনা করতে থাকেন। তবে তার জন্মের আগেই, তার মাকে গাউসুল আযম আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) বলেছিলেন,

"তুমি পীরানে পীর সাহেবের মাতা।"

যখন তিনি গর্ভে ছিলেন তখনও তার মা স্বপ্নে হযরত খাদিজা (রাঃ), হযরত ফাতিমা (রাঃ), হযরত মরিয়ম (আঃ) হযরত আছিয়া (আঃ) এর মতো মহীয়সী নারীদের পক্ষ থেকে সুসংবাদ পেয়েছিলেন।

শৈশবে পারিবারিক ফোরকানিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হলে, মাদরাসার শিক্ষক তার অসাধারণ মেধা দেখে, তার সম্পর্কে ভবিষ্যদ্বানী করেন যে, "তিনি একজন বড় আলেম ও অলিয়ে কামেল হবেন।"

ফোরকানিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা শেষ করে তিনি চট্টগ্রাম মুহসেনিয়া মাদরাসায় ভর্তি হন। ছাত্রাবস্থায় তিনি একটি বাড়িতে গৃহশিক্ষক হিসেবে থাকতেন। গভীর রাতে তিনি অত্যন্ত গোপনীয়তা রক্ষা করে একাকী বেড়িয়ে যেতেন। একটি মসজিদে গিয়ে নামাযে ইমামতি করতেন। তার পেছনে নামায পড়তেন সাদা পোশাকের সুন্দর চেহারার কিছু মানুষ। মূলত এরা ছিলেন ফেরেশতা বা পবিত্র কোন সত্তা। ফজরের সময় শুরু হতে হতে তারা চলে যেতেন।

বাবাভাণ্ডারী সারাবছরই রোজা রাখতেন। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও ক্লাসে ১ম স্থানের অধিকারী ছিলেন।

২৫ বছর বয়সে যখন মাদ্রাসার জামাতে উলার ফাইনাল পরীক্ষা দিতে বসেন, তিনি খোদায়ী প্রেমে, আধ্যাত্নিকতার এমন এক পর্যায়ে পৌঁছলেন যে জ্ঞান হারিয়ে ফেললেন। তাকে মাইজভাণ্ডার শরীফে নিয়ে আসা হলো। যিনি মহান আল্লাহর অসীম প্রেমের ও জ্ঞানের মহাসমুদ্রে অবগাহন করতে চলেছেন, তার জন্য পৃথিবীর সাধারণ শিক্ষার প্রয়োজন হয় না।

তিনি গাউসুল আযম আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর ঘরের কাছে সবসময় পড়ে থাকতেন। দিনের পর দিন না খেয়ে থাকতেন। সারাদিন কুরআন তিলাওয়াত করতেন। এক দৃষ্টিতে গাউসুল আযম আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর দিকে তাকিয়ে থাকতেন। তার চরণযুগল ধরে আঁকড়ে রাখতেন। এভাবে খোদা ও মুর্শিদের প্রেমে তিনি বিলীন হয়ে যেতে লাগলেন। পার্থিব কোন ধ্যান-জ্ঞান তার মাঝে দেখা যায় না।

হঠাৎ একদিন তিনি গাউসুল আযম আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর ইশারায় ঘর থেকে বের হয়ে গহীন জঙ্গলে, উঁচু পাহাড়ের দুর্গম গুহায় একাকী আল্লাহর ধ্যান করতে থাকলেন। এভাবে তিনি দীর্ঘ ১২টি বছর একাকী ধ্যান করেছেন।

তিনি নদী, সমুদ্র পাঁড়ি দিয়ে নির্জন স্থানগুলোতে যেতেন। এসব স্থানে কোন মানুষের আনাগোনা ছিলো না। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় পাওয়া যায়, বনের হিংস্র বাঘ, হায়না, সাপ, কুকুর তার চারপাশে এসে বসে থাকতো। তার বসার স্থান থেকে এক ধরনের উজ্জ্বল আলো বিচ্ছুরিত হতো। অনেক সাদা পোশাকধারী তার সাথে এসে সাক্ষাৎ করে আবার অদৃশ্যে মিলিয়ে যেতেন। গহীন পাহাড়ে এ ঘটনাগুলো দেখে অসংখ্য চাকমা, মারমা, উপজাতি অমুসলিমরা তার হাতে হাত রেখে ইসলাম গ্রহণ করেন। তার স্মৃতিবিজড়িত স্থানসমূহ এখনও ভক্ত আশেকান ও গবেষকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ স্থান এবং পর্যটনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এভাবে গভীর সাধনার পরে, একদিন গাউসুল আযম আহমদউল্লাহ্ মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এর নির্দেশে তাকে খোঁজার জন্য ও ফিরিয়ে আনার জন্য লোক পাঠানো হয়। ১২ বছর পর মাইজভাণ্ডার দরবারে তিনি ফিরে আসলেন। কিন্তু কারো সাথে কথা বলতেন না। চাদর পেঁচিয়ে নিজেকে লুকিয়ে রাখতেন। যখন ইচ্ছা হতো দু এক কথা বলতেন বা চাদরটি সরিয়ে নিজের অপূর্ব রূপ দেখাতেন।

তার আধ্যাত্নিক ক্ষমতা ছিলো অভাবনীয়। কেউ তার কাছে এসে দোয়াপ্রার্থী হয়ে খালি হাতে ফিরতো না। মূলত মহান আল্লাহ্ তার প্রিয় বান্দাদের দোয়া ফিরিয়ে দেন না বলেই আল্লাহর অলিগণের কাছে গেলে মানুষের মনের আকাঙ্খা আল্লাহ্ পূরণ করেন।

বাবাভাণ্ডারীকে এক নজর দেখার জন্য বিশ্বের নানা স্থান থেকে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলে দলে দলে আসতে থাকলেন। তাকে দেখে দেখে এবং তার আধ্যাত্নিক ক্ষমতায় অভিভূত হয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষ ইসলাম গ্রহণ করতে থাকেন।

ইমামে আহলে সুন্নাত শেরে বাংলা আজিজুল হক আল ক্বাদেরী (রহঃ) বাবাভাণ্ডারী (কঃ) ক্বেবলা ক্বাবার সুউচ্চ মর্যাদার প্রমাণ পেয়ে তার কিতাবে বাবাভাণ্ডারীর উচ্চ মর্যাদা সম্পর্কে লিখে গেছেন।
এ ছাড়া বঙ্গবন্ধু, পল্লিকবি জসীমউদ্দিন, একুশে পদকপ্রাপ্ত সাধক রমেশ শীল, শেরে বাংলা একে ফজলুল হক, আহমদ ছফা, ডক্টর মুহাম্মদ এনামুল হক, আহমদ শরীফের মত প্রখ্যাত ব্যক্তিবর্গ তার মহৎ মর্যাদা সম্পর্কে বলে গেছেন।

অনেক দেশি-বিদেশি গবেষক বাবাভাণ্ডারী ও মাইজভাণ্ডারী মানবতাবাদী দর্শন সম্পর্কে গবেষণা করে যাচ্ছেন। তার মধ্যে জার্মানির হাইডেলবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. হ্যান্স হার্ডারের "Sufism and Saint Veneration in Contemporary Bangladesh: The Maijbhandaris of Chittagong"

গাউসুল আযম বাবাভাণ্ডারী এর আধ্যাত্নিক প্রভাব অত্যন্ত বিস্তৃত। আজ সমগ্র বিশ্বে তার বংশধর, খলিফা ও আশেকানদের মাধ্যমে ইসলাম, সুফিবাদ ও মানবতার আলো ছড়িয়ে পড়েছে।

১৯৩৭ সালের ৫ এপ্রিল, ১৩৪৩ বঙ্গাব্দের ২২শে চৈত্র, ২২ মহররম তিনি মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে গমন করেন।

তার মেঝো শাহজাদা হযরত সৈয়দ আবুল বশর আল হাসানী মাইজভাণ্ডারী (কঃ) তার জানাযায় ইমামতি করেন।

আজও প্রতিবছর তার জন্মবার্ষিক ওফাত দিবস উদযাপিত হয় বিশ্বজুড়ে মহাসমারোহে। মাইজভাণ্ডার দরবারে ভক্ত আশেকানদের ঢল নামে। মহান আল্লাহই তার প্রিয় বান্দাদেরকে এভাবে সম্মানিত করেন এবং তাদের সমাধিস্থলকে আলোকিত রাখেন।

এ বিষয়ে হযরত জালালুদ্দিন রুমি (রঃ) বলেন,

"তোমরা দেখো! মহান আল্লাহ্ তার বন্ধুদের স্থানগুলোকে কীভাবে আলোকিত করে রেখেছেন! এ আলো কোন সাধারণ আলো নয়, খোদার নূরের আলো।"

The Sufi Voice

পবিত্র ওরশ মোবারকআগামী ৫ই এপ্রিল ২০২৬ ইং,২২শে চৌত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,রোজ রবিবার হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান ...
01/04/2026

পবিত্র ওরশ মোবারক
আগামী ৫ই এপ্রিল ২০২৬ ইং,২২শে চৌত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,রোজ রবিবার হযরত গাউছুল আজম শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান ( প্রকাশ বাবা ভান্ডারী ) কেবলা কাবা'র পবিত্র বাষিক ওরশ শরীফ মাইজভান্ডার দরবার শরীফে অনুষ্ঠিত হইবে

22/03/2026

আমার প্রিয় গানটি 🙏

21/03/2026

ঈদ মোবারক 💝💝💝💝💝

দেশ ও প্রবাসের সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।                          (ঈদ মোবারক)
20/03/2026

দেশ ও প্রবাসের সকলকে ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা।
(ঈদ মোবারক)

17/03/2026

অনেক বছর পর সবাই মিলে একসঙ্গে
মাছ ধরতে আসলাম 🐟🐋🐋🐟
আলহামদুলিল্লাহ দেশিয় অনেক মাছ পেয়েছি 💚

🙏🤎🙏
14/03/2026

🙏🤎🙏

Address

Cumilla

Telephone

+8801715709911

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sb Shafiq Mix Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sb Shafiq Mix Media:

Share

Category