Alauddin Sohag

Alauddin Sohag পৃথিবী আমার আসল ঠিকানা নয়,
মরন একদিন মুছে দেবে সকল রঙ্গিন পরিচয়।।
(1)

প্রকৃতির এই নিয়মটি বড্ড নিখুঁত। আপনি আজ অন্যের জন্য যে গর্তটি খুঁড়ছেন, কাল সময়ের ফেরাতে সেই গর্তেই আপনাকে নিজেকে পড়তে হব...
30/05/2026

প্রকৃতির এই নিয়মটি বড্ড নিখুঁত। আপনি আজ অন্যের জন্য যে গর্তটি খুঁড়ছেন, কাল সময়ের ফেরাতে সেই গর্তেই আপনাকে নিজেকে পড়তে হবে। এটাই চিরন্তন সত্য।

​আমরা অনেকেই ভাবি, আড়ালে আবডালে অন্যের ক্ষতি করলে বোধহয় কেউ তা জানতে পারবে না। নিজের স্বার্থের জন্য অন্যের পথ কাটলে, কাউকে টেনে নিচে নামালে কিংবা অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে হয়তো আমরা জিতে যাব। কিন্তু সত্যি বলতে, মহাবিশ্বের একটা নিজস্ব বিচারব্যবস্থা আছে, যাকে আমরা বলি ‘কর্মফল’।

​কেন কর্মফল থেকে পালানো অসম্ভব?

​যা দেবেন, তাই ফেরত পাবেন: আপনি বাতাসে একটা বল ছুড়ে মারলে সেটা যেমন আপনার দিকেই ফিরে আসে, মানুষের কর্মও ঠিক তেমনই। কাউকে দেওয়া মানসিক কষ্ট, ধোঁকা বা অন্যায়—সবকিছুই সুদে-আসলে একদিন নিজের কাছেই ফিরে আসে।

​অন্যের ক্ষতি কখনো নিজের উন্নতি আনে না: কাউকে নিচে নামিয়ে নিজে ওপরে ওঠার চেষ্টা করাটা সাময়িক আনন্দের হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে তা কেবল পতনেরই কারণ হয়।

​সময় সব হিসাব চুকিয়ে দেয়: আজ হয়তো আপনার সময় ভালো যাচ্ছে, তাই মনে হচ্ছে পার পেয়ে গেলেন। কিন্তু মনে রাখবেন, সময় সবার এক যায় না। নিয়তি যখন হিসাব মেলাতে বসে, তখন পালানোর কোনো পথ থাকে না।

​"অন্যের জন্য গর্ত খুঁড়লে, তাতে নিজেকেই পড়তে হয়।"

— এই পুরোনো প্রবাদটি কেবল কথার কথা নয়, এটি হাজার বছরের চেনা এক বাস্তবতার দলিল।

​তাই আসুন, হিংসা আর প্রতিহিংসার পথ পরিহার করি। কাউকে সাহায্য করতে না পারি, অন্তত কারো ক্ষতির কারণ না হই। কারণ দিনশেষে আমাদের করা প্রতিটি কর্মের হিসাব আমাদেরকেই বুঝিয়ে দিতে হবে।

​আজকের বপন করা বীজই নির্ধারণ করবে আগামীকালের ফসল। তাই ভালো কিছু করুন, ভালো কিছু ছড়ান। প্রকৃতি আপনাকে কখনো হতাশ করবে না।

24/05/2026

আপনার শিশু আপনি ছাড়া কারও কাছে নিরাপদ নয় ..!!
শিশুরা অবুঝ ,, ওরা সবাইকে বিশ্বাস করে, কিন্তু আপনারা কাউকে বিশ্বাস করবেন না, শিশুদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে।

24/05/2026

ডার্ক সাইকোলজি: মানুষের মনকে আজীবন গোলাম বানিয়ে রাখার সবচেয়ে ক্রূর মেকানিজম!

বিজ্ঞান বলে, আপনি যদি কোনো খাঁচার ইঁদুরকে প্রতিদিন ঠিক সময়মতো খাবার দেন, সে একসময় অলস হয়ে যাবে। কিন্তু আপনি যদি তাকে কোনোদিন খাবার দেন, আর কোনোদিন না দিয়ে ক্ষুধার্ত রাখেন—তবে সে ওই খাবারের আশায় খাঁচার চারপাশে পাগলের মতো ২৪ ঘণ্টা ছটফট করতে থাকবে।

টক্সিক ম্যানিপুলেটররা মানুষের মন নিয়ে হুবহু এই খেলাটাই খেলে। একে বলা হয় 'Intermittent Reinforcement' বা 'Breadcrumbing'

আপনার জীবনের সেই চেনা মানুষটার কথা ভাবুন তো। সে দিনের পর দিন আপনাকে অবহেলা করে, মেসেজের রিপ্লাই দেয় না, আপনার অস্তিত্বকে পাত্তাই দেয় না। কিন্তু ঠিক যখন আপনি ক্লান্ত হয়ে তার থেকে চিরতরে দূরে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন—অমনি হুট করে সে একদিন অসম্ভব ভালোবাসা দেখায়, আপনাকে দামি গিফট দেয় বা খুব সুন্দর করে কথা বলে। আপনি ভাবেন, "না, মানুষটা আসলে আমাকে ভালোবাসে!" আর আপনি আবার তার খাঁচায় ফিরে যান।

কিন্তু শকিং সত্য হলো—সেই একটুখানি ভালোবাসা কোনো অনুশোচনা ছিল না, ওটা ছিল আপনাকে লাইনে টিকিয়ে রাখার একটা সাইকোলজিক্যাল টোপ (Bait)

•আসক্তি তৈরি করা: সে আপনাকে কখনো পেট ভরে খেতে দেবে না, আবার খিদেয় মরতেও দেবে না। এই একটু পাওয়া আর না-পাওয়ার দোলাচল আপনার মগজে তীব্র ডোপামিন হরমোন রিলিজ করে, যা আপনাকে ড্রাগের চেয়েও মারাত্মকভাবে তার প্রতি আসক্ত করে তোলে।
•বিচ্ছেদের ভয় উধাও: সে খুব ভালো করে জানে, আপনাকে সারাক্ষণ টর্চার করলে আপনি একদিন পালিয়ে যাবেন। তাই আপনি যখনই পালানোর বর্ডার পার হতে যান, সে আলতো করে ভালোবাসার একটা "রুটির টুকরো" আপনার সামনে ছুড়ে দেয়।
•ফলাফল: আপনি একটা অন্তহীন গোলকধাঁধায় বন্দি। আপনি আজীবন তার অবহেলা মুখ বুজে সহ্য করছেন—কেবল ওই মাঝেমধ্যে পাওয়া একটুখানি অলীক ভালোবাসার আশায়।

আজই ডার্ক সাইকোলজির এই কুৎসিত মেকানিজমটা ঠান্ডা মাথায় নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে দেখুন। যে মানুষটা আপনাকে মানসিক শান্তিতে বাঁচতেও দেয় না, আবার চলেও যেতে দেয় না—সে আপনাকে ভালোবাসে না, সে আসলে আপনার আত্মসম্মানকে বন্দি করে নিজের ইগো স্যাটিসফাই করছে। অন্যের ছুড়ে দেওয়া এই সস্তা দয়ার কণার অপেক্ষায় নিজের মূল্যবান জীবনটাকে আর কতদিন এভাবে খাঁচায় আটকে রাখবেন?

23/05/2026
আজকে রামিসা না হয়ে যদি তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমান যদি ধর্ষণের শিকার হতো, তাহলে বিচার নিশ্চই হতো, তখন রাষ্ট্র, প্রশাস...
22/05/2026

আজকে রামিসা না হয়ে যদি তারেক রহমানের মেয়ে জায়মা রহমান যদি ধর্ষণের শিকার হতো, তাহলে বিচার নিশ্চই হতো, তখন রাষ্ট্র, প্রশাসন, মিডিয়া সকলে সরব হতো।

তাহলে আমাদের মা-বোন, সন্তানদের বেলায় এই নীরবতা কেন?

ন্যায়বিচার কি শুধু ক্ষমতাবানদের জন্য?

ধর্ষকের পরিচয় নয়, অপরাধটাই মুখ্য হওয়া উচিত।
প্রতিটি ধর্ষণের বিচার সমানভাবে নিশ্চিত করতে হবে—ভুক্তভোগী যে পরিবারেরই হোক না কেন।
রাষ্ট্রের দায়িত্ব সকল নাগরিকের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা, কোনো বিশেষ শ্রেণির নয়।”

রামিসার ঘটনার পরেও সরকার যদি আইন সংশোধন না করে। তাহলে আমাদের সন্তানের নিরাপত্তার জন্য আইন নি'জের হা'তে তু'লে নিতে বাধ্য ...
22/05/2026

রামিসার ঘটনার পরেও সরকার যদি আইন সংশোধন না করে। তাহলে আমাদের সন্তানের নিরাপত্তার জন্য আইন নি'জের হা'তে তু'লে নিতে বাধ্য হ'বো।

22/05/2026

ধ'র্ষণের বিচার করতে না পারলে, আদালত গুলো ভেঙে পতি'তালয় বানিয়ে দাও।
ধ'র্ষণ কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে।

এমন মানুুষরূপী নরপিচাসরা জাহিলিয়াত যুুগকে ও হার মানিয়েছে 😭😭আফসোস যে দেশে মুসলমানদের হাতে ক্ষমতা থাকার পরও দেশে আল্লাহর আ...
21/05/2026

এমন মানুুষরূপী নরপিচাসরা জাহিলিয়াত যুুগকে ও হার মানিয়েছে 😭😭

আফসোস যে দেশে মুসলমানদের হাতে ক্ষমতা থাকার পরও দেশে আল্লাহর আইন মোতাবেক উপযুক্ত অপরাধের বিচার হচ্ছে না, শেষ বিচারের দিনে এমন পাপী মুসলমানরা আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবে।

এই দেশে কোরআন হাদিস মোতাবেক যদি আইন চালু থাকতো তাহলে এতক্ষণে রামিসার হত্যাকারীর মৃত্যুদন্ড কার্যকর হয়ে যেতো।

আফসোস আমরা নির্লজ্জ কাপুরুষ জাতি।

Address

Cumilla
3500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alauddin Sohag posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Alauddin Sohag:

Share