27/02/2026
অগণিত বার মেসওয়াক: সাহাবী আমের ইবনে রবিআ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে রোজা অবস্থায় এত বেশি সংখ্যকবার মেসওয়াক করতে দেখেছি যা আমি গণনা করে শেষ করতে পারব না" (তিরমিজি : ৭২৫)।
প্রত্যেক নামাজের আগে: রাসুল (সা.) বলেছেন, "যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে প্রত্যেক নামাজের আগে মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম" (বুখারি : ৮৮৭)। এর মধ্যে রমজানের ফরজ ও তারাবির নামাজও অন্তর্ভুক্ত।
দিনের যেকোনো সময়: রোজা থাকা অবস্থায় দিনের শুরুতে, শেষে বা দুপুরে যেকোনো সময় মেসওয়াক করা জায়েজ এবং এটি সুন্নত। তবে শাফেয়ী মাযহাব মতে, দুপুরের পর মেসওয়াক করা মাকরূহ মনে করা হয়।
উত্তম আমল: আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি রেওয়ায়েতে বলা হয়েছে যে, মেসওয়াক করা রোজাদারের সর্বোত্তম আমলগুলোর একটি।
সতর্কতা: মেসওয়াক করার সময় যেন ডালের কোনো অংশ বা রস গলার ভেতরে চলে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।