Sadaqat

Sadaqat Hello everyone i am Imran.Wellcome to farming door. this is our agriculture page.Ours work with agriculture, gardening, farming,etc.

We have given priority to organic farming,organic agriculture, organic gardening etc To protect the soil of the world.

27/02/2026

অগণিত বার মেসওয়াক: সাহাবী আমের ইবনে রবিআ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, "আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে রোজা অবস্থায় এত বেশি সংখ্যকবার মেসওয়াক করতে দেখেছি যা আমি গণনা করে শেষ করতে পারব না" (তিরমিজি : ৭২৫)।

প্রত্যেক নামাজের আগে: রাসুল (সা.) বলেছেন, "যদি আমার উম্মতের জন্য কষ্টকর মনে না করতাম, তবে প্রত্যেক নামাজের আগে মেসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম" (বুখারি : ৮৮৭)। এর মধ্যে রমজানের ফরজ ও তারাবির নামাজও অন্তর্ভুক্ত।

দিনের যেকোনো সময়: রোজা থাকা অবস্থায় দিনের শুরুতে, শেষে বা দুপুরে যেকোনো সময় মেসওয়াক করা জায়েজ এবং এটি সুন্নত। তবে শাফেয়ী মাযহাব মতে, দুপুরের পর মেসওয়াক করা মাকরূহ মনে করা হয়।

উত্তম আমল: আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত একটি রেওয়ায়েতে বলা হয়েছে যে, মেসওয়াক করা রোজাদারের সর্বোত্তম আমলগুলোর একটি।
সতর্কতা: মেসওয়াক করার সময় যেন ডালের কোনো অংশ বা রস গলার ভেতরে চলে না যায়, সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি।

26/02/2026

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা পরম দয়ালু ও অতিশয় মেহেরবান। কুরআনের ১১৪টি সূরার মধ্যে ১১৩টি সূরাই শুরু হয়েছে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ দিয়ে, যা আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় যে তাঁর দয়া সবকিছুর উপরে।
আল্লাহর রহমত নিয়ে কিছু মূল কথা নিচে আলোচনা করা হলো:

১. তাঁর রহমত সবকিছুকে পরিবেষ্টন করে আছে:
আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, “আমার রহমত সব বস্তুকে পরিবেষ্টন করে আছে।” (সূরা আরাফ: ১৫৬)। অর্থাৎ জগতের প্রতিটি সৃষ্টিই আল্লাহর দয়ায় বেঁচে আছে। আমরা যে নিঃশ্বাস নিচ্ছি, আহার করছি—এসবই তাঁর রহমতের ফল।

২. রহমতের ১০০ ভাগের ১ ভাগ:
রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, আল্লাহ তাঁর রহমতকে ১০০ ভাগে ভাগ করেছেন। তার মধ্যে মাত্র ১ ভাগ রহমত তিনি দুনিয়ায় জিন, মানুষ, পশু-পাখি ও সব প্রাণীর মাঝে দান করেছেন। এই এক ভাগ দয়ার কারণেই মা তাঁর সন্তানকে ভালোবাসেন এবং বনের পশু তার বাচ্চার প্রতি মায়া দেখায়। বাকি ৯৯ ভাগ রহমত আল্লাহ কিয়ামতের দিন তাঁর মুমিন বান্দাদের জন্য তুলে রেখেছেন। (সহীহ বুখারী ও মুসলিম)।

৩. তওবাকারীর প্রতি বিশেষ দয়া:
মানুষ ভুলবশত গুনাহ করে ফেলে, কিন্তু আল্লাহ এতটাই দয়ালু যে তিনি বান্দার তওবার জন্য অপেক্ষা করেন। আল্লাহ বলেন, “হে আমার বান্দাগণ! যারা নিজেদের ওপর জুলুম করেছ (গুনাহ করেছ), তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ সব গুনাহ ক্ষমা করে দেন।” (সূরা যুমার: ৫৩)।

৪. বিচার দিবসে আল্লাহর রহমত:
পরকালে কারো আমলই জান্নাতে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট হবে না যদি না আল্লাহর রহমত সাথে থাকে। এমনকি প্রিয় নবী (সা.)-ও বলেছিলেন যে, আল্লাহর রহমত ছাড়া কেউ জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না। অর্থাৎ আমাদের মুক্তি সম্পূর্ণভাবে তাঁর মেহেরবানির ওপর নির্ভরশীল।

উপসংহার:
আল্লাহর রহমত সীমাহীন। আমরা যেন কখনোই তাঁর দয়া থেকে নিরাশ না হই। ছোট-বড় সব প্রয়োজনে তাঁর রহমত প্রার্থনা করা এবং সেই সাথে তাঁর সৃষ্টির প্রতি দয়া দেখানো আমাদের উচিত, কারণ যারা জমিনবাসীর প্রতি দয়া করে, আসমানবাসী (আল্লাহ) তাদের প্রতি দয়া করেন।

25/02/2026

রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর রমজানের প্রধান আমলগুলো সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো:
১. অধিক দান-সদকা: তিনি রমজানে প্রবাহিত বাতাসের চেয়েও বেশি দান করতেন।
২. কুরআন চর্চা: প্রতি রাতে জিবরাঈল (আ.)-এর সাথে কুরআন তিলাওয়াত ও পর্যালোচনা করতেন।
৩. কিয়ামুল লাইল: দীর্ঘ সময় নিয়ে তারাবি ও তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন।
৪. সেহরি ও ইফতার: শেষ সময়ে বরকতময় সেহরি খেতেন এবং দ্রুত ইফতার করতেন।
৫. ইতিকাফ: রমজানের শেষ ১০ দিন মসজিদে ইতিকাফ করে লাইলাতুল কদর তালাশ করতেন।
৬. শেষ দশকে কঠোর সাধনা: শেষ দশ দিন আসলে তিনি রাত জেগে ইবাদত করতেন এবং পরিবারের সবাইকে জাগিয়ে তুলতেন।

24/02/2026

দ্বীনের মূল নির্যাস হলো আল্লাহর আনুগত্য করা এবং সেই আনুগত্যের সঠিক পদ্ধতি হিসেবে মহানবী (সা.)-এর দেখানো পথ বা সুন্নাহ অনুসরণ করা।
ইসলামের এই মৌলিক ধারণাকে সংক্ষেপে এভাবে ব্যাখ্যা করা যায়:
১. আল্লাহর হুকুম (ইবাদত): মানুষের জীবনের প্রতিটি কাজ যখন আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হয়, তখন সেটিই ইবাদত বা দ্বীন। নামাজের পাশাপাশি আমাদের আচার-আচরণ, ব্যবসায়িক লেনদেন এবং সামাজিক সম্পর্কগুলোও আল্লাহর বিধান অনুযায়ী হওয়াই দ্বীনের দাবি।

২. নবির তরীকা (সুন্নাহ): আল্লাহর নির্দেশগুলো কীভাবে পালন করতে হবে, তার জীবন্ত নমুনা হলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)। তিনি যেভাবে নামাজ পড়েছেন, যেভাবে মানুষের সাথে ব্যবহার করেছেন—সেই পদ্ধতি বা সুন্নাহ অনুসরণ না করলে আল্লাহর হুকুমগুলো সঠিকভাবে পালন করা সম্ভব নয়।

সহজ কথায়, আল্লাহর হুকুম হলো আমাদের লক্ষ্য, আর নবির তরীকা হলো সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর একমাত্র সঠিক রাস্তা।

দ্বীন পালনের ক্ষেত্রে আপনার কাছে কোন বিষয়টি সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়?

23/02/2026

আল্লাহ তাআলাকে খুশি করার জন্য সবচেয়ে ছোট ও শ্রেষ্ঠ প্রশংসা হলো:
১. আলহামদুলিল্লাহ (الحمد لله): এর অর্থ—সব প্রশংসা আল্লাহর। এটি আল্লাহর কাছে সবচেয়ে প্রিয় বাক্য।
২. সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি (سبحان الله وبحمده): এর অর্থ—আল্লাহ পবিত্র এবং তাঁরই সব প্রশংসা। মহানবী (সা.) বলেছেন, এই বাক্যটি আল্লাহর কাছে অত্যন্ত পছন্দনীয়।

সংক্ষেপে পরামর্শ: আপনি যখনই কোনো নেয়ামত পাবেন বা খুশি হবেন, মন থেকে শুধু 'আলহামদুলিল্লাহ' বলবেন—এতেই আল্লাহ রাব্বুল আলামিন অনেক খুশি হন।

20/02/2026

১.আল্লাহ এমন এক সত্তা যাঁর কোনো শুরু বা শেষ নেই, তিনি অভাবমুক্ত এবং সৃষ্টির কোনো সীমাবদ্ধতা তাঁকে স্পর্শ করতে পারে না; তাঁর এই অনন্য পবিত্রতা মানুষের কল্পনা ও উপলব্ধিরও ঊর্ধ্বে।
২. আসমান ও জমিনের যা কিছু আছে সবই নিরন্তর তাঁর মহিমা ঘোষণা করছে, আর যখন একজন মুমিন তাঁর এই শ্রেষ্ঠত্ব হৃদয়ে গেঁথে নেয়, তখন দুনিয়ার সব মোহ তুচ্ছ হয়ে যায় এবং আল্লাহর প্রতি ভালোবাসা ও ইমান পূর্ণতা পায়।

20/02/2026

রমজানে কোনো রোজাদারকে ইফতার করালে মহান আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত মর্যাদা ও সওয়াব দান করেন। হাদিস অনুযায়ী এর প্রধান ৩টি বড় পুরস্কার হলো:
রোজাদারের সমান সওয়াব: যে ব্যক্তি কোনো রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে ওই রোজাদারের সমান সওয়াব পাবে। তবে এতে মূল রোজা পালনকারীর সওয়াব থেকে বিন্দুমাত্র কমানো হবে না।
গুনাহ মাফ: রোজাদারকে ইফতার করানো গুনাহ মাফের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
জাহান্নাম থেকে মুক্তি: হাদিসে উল্লেখ আছে যে, এটি ব্যক্তিকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে বা মুক্তির কারণ হয়।
কিছু বিশেষ তথ্য:
সামান্য জিনিসেও পূর্ণ সওয়াব: রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, এই সওয়াব পেতে যে বিশাল আয়োজন করতে হবে তা নয়; বরং একটি খেজুর, এক ঢোক পানি বা সামান্য দুধ দিয়ে ইফতার করালেও আল্লাহ এই সওয়াব দান করবেন।
ফেরেশতাদের দোয়া: যারা হালাল খাবার দিয়ে ইফতার করান, রমজানে ফেরেশতারা এবং শবে কদরের রাতে হযরত জিবরাইল (আ.) তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা (ইস্তিগফার) করেন।

19/02/2026

রমজান মাস দোয়া কবুলের এক বিশেষ ও বরকতময় সময়। মহান আল্লাহ এই মাসে বান্দার ডাক খুব দ্রুত কবুল করেন। নবী করীম (সা.) বলেছেন, "রমজান মাসে প্রত্যেক মুসলিমের দোয়া কবুল করা হয়" (মুসনাদ আহমদ)।
রমজান মাসে দোয়া কবুলের বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সময় নিচে দেওয়া হলো:
ইফতারের আগ মুহূর্ত: রোজা ভাঙার ঠিক আগের সময়টি দোয়া কবুলের জন্য অত্যন্ত কার্যকর। হাদিস অনুযায়ী, ইফতার করার সময় রোজাদারের দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না।
সেহরির শেষ সময় বা রাতের শেষ প্রহর: তাহাজ্জুদ ও সেহরির সময়টি দোয়া কবুলের জন্য সর্বোত্তম। এ সময় মহান আল্লাহ দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বান্দার প্রার্থনা মঞ্জুর করেন।
লাইলাতুল কদর: রমজানের শেষ দশ দিনের বেজোড় রাতগুলোতে (বিশেষ করে শবে কদরে) দোয়া করলে তা নিশ্চিতভাবে কবুল হওয়ার আশা রাখা যায়।
আজান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়: প্রত্যেক নামাজের আজান ও ইকামতের মাঝখানে দোয়া করা হলে তা কবুল হয়।
জুমার দিন: রমজান মাসের জুমার দিনগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে, বিশেষ করে আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত সময়টি দোয়া কবুলের একটি বিশেষ মুহূর্ত।
পুরো রোজার সময়: একজন রোজাদার যতক্ষণ রোজা অবস্থায় থাকেন, ততক্ষণই তার দোয়া আল্লাহর কাছে পৌঁছাতে থাকে।
দোয়া কবুলের কিছু শর্ত ও আদব:
১. একাগ্রতা ও দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে দোয়া করা।
২. হালাল খাবার ও উপার্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া।
৩. নিজের পাপের জন্য অনুতপ্ত হয়ে তওবা করা।
৪. রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করে দোয়া শুরু ও শেষ করা।

18/02/2026

রমজান মাসে প্রতিটি নেক আমলের সওয়াব অন্য সময়ের তুলনায় অনেক গুণ বেশি দেওয়া হয়। হাদিস অনুযায়ী, এই মাসে ইবাদতের সওয়াব বৃদ্ধির বিষয়টি নিচে তুলে ধরা হলো:
সাধারণ সওয়াব বৃদ্ধি: স্বাভাবিক সময়ে একটি নেক আমলের সওয়াব ১০ থেকে ৭০০ গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়। তবে রমজান মাসে এই সওয়াব ৭০ গুণ বা তারও বেশি বৃদ্ধি পাওয়ার কথা বিভিন্ন বর্ণনায় এসেছে।

নফল ও ফরজ আমলের মর্যাদা: রমজানে একটি নফল ইবাদত অন্য মাসের একটি ফরজের সমান সওয়াব বহন করে এবং একটি ফরজ ইবাদত অন্য সময়ের ৭০টি ফরজের সমান সওয়াব প্রদান করে । (উল্লেখ্য: এই নির্দিষ্ট ‘৭০ গুণ’ সংক্রান্ত হাদিসটির সূত্র নিয়ে মুহাদ্দিসদের মধ্যে কিছুটা আলোচনা থাকলেও রমজানে সওয়াব বহুগুণ বৃদ্ধির বিষয়টি সর্বজনস্বীকৃত)।
রোজার বিশেষ প্রতিদান: আল্লাহ তাআলা হাদিসে কুদসিতে বলেছেন, "রোজা আমারই জন্য এবং আমি নিজেই এর প্রতিদান দেব" । অর্থাৎ রোজার সওয়াব কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি অগণিত ।
লাইলাতুল কদরের সওয়াব: রমজানের শেষ দশকের বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে যেকোনো একটি রাতে ইবাদত করলে তা ১,০০০ মাসের (প্রায় ৮৩ বছর চার মাস) ইবাদতের চেয়েও বেশি সওয়াব এনে দেয়।
দান-সদকার সওয়াব: রমজানে দান করলে তার সওয়াব অন্য সময়ের চেয়ে বহুগুণ বেশি হয় । এমনকি নবীজি (সা.) এই মাসে বাতাসের চেয়েও বেশি দ্রুত দানশীল হয়ে উঠতেন।
ওমরাহর সওয়াব: রমজান মাসে একটি ওমরাহ পালন করা আল্লাহর রাসুল (সা.)-এর সাথে হজ করার সমতুল্য সওয়াব বহন করে ।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sadaqat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share