17/02/2026
সকল প্রোপাগাণ্ডা*কারীদের বিরু*দ্ধে ওপেন চ্যালেঞ্জ-
আমার মসজিদ কেন্দ্রিক জুলু*মকে বৈধতা দেয়ার জন্য গতকাল থেকে একটি লেখা ব্যাপকভাবে ছড়ানো হচ্ছে। আদ্যোপান্ত মিথ্যায় ভরপুর এ লেখাটিই যেন তাদের একমাত্র পুজি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফলে জামায়াতের অনলাইন এক্টিভিস্টদের প্রায় সকলেই লেখাটি শেয়ার দিয়ে আমাকে দায়ী করার চেষ্টা করছেন। অবাক হলাম শ্রদ্ধেয় মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বাশার ভাইয়ের মতো মানুষজনও এসব প্রোপাগাণ্ডায় শরিক হচ্ছেন!!
পারিবারিক ও ব্যক্তিগত কিছু একান্ত ব্যস্ততা থাকায় জবাবি পোস্ট করতে না পারলে একাধিক জনের কমেন্টে ওই লেখককে আমার সাথে সরাসরি ডিবেটের আহবান জানিয়েছি। কিন্তু এখনো কোন জবাব পাইনি জানিনা কেয়ামতের আগে পাই কিনা!? কারণ পুরো লেখাটাই মিথ্যা ও প্রোপাগাণ্ডা।
১ ম পয়েন্ট - লেখায় দাবি করা হয়ে আমি সভাপতি সাহেবকে জামায়াত বানিয়ে দিয়েছি মূলত তিনি জাতীয়তাবাদী!।" ব্যাপারটা মোটেও সঠিক নয়। বরং তিনি নিজেই আমার কাছে আল্লাহর ঘর মসজিদে বসে জামায়াত সমর্থনের কথা জানিয়েছেন। তাছাড়া সাইন্সল্যাবে কর্মকর্তা কর্মচারী সবাই জানেন যে তিনি কোন মত ও পথের।
২ পয়েন্ট - লেখায় দাবি করা হয়েছে তিনি সাইন্সল্যাবের চেয়ারম্যান! " লেখক ভদ্রলোক নিছক প্রোপাগাণ্ডাকারী এবং বাস্তব জ্ঞান যে তার একদমই শূন্যের কোঠায় এ দাবী তার প্রমাণ।
কারণ সাইন্সল্যাবের বর্তমান চেয়ারম্যান হলেন একজন নারী। নাম ড. সামিনা আহমেদ। এবার বুঝুন কথিত সাংবাদিকের জ্ঞানের অবস্থা কী?
৩ য় পয়েন্ট - আমি লেখা সরিয়ে নিয়েছি!" আমি কোন লেখা সরাইনি। সমস্ত লেখা আমার টাইমলাইনে আছে।
৪ র্থ পয়েন্ট - আমি গত ৩ মাস জুমা পড়াতে যাইনা! বারবার আমাকে নোটিশ করা হয়েছে! "
আমি গত ২৩ শে জানুয়ারিও জুমা পড়িয়েছি এবং নামাজ শেষে কথা বলে ১৩ তারিখের জুমাসহ লিখিত ছুটি নিয়ে এসেছি। বিগত প্রায় ১ যুগেও কোন বিষয়ে আমাকে একটি নোটিশও দিতে হয়নি। এ ইস্যুতে তো প্রশ্নই উঠেনা।
৫ম পয়েন্ট - সরকারি মসজিদের নিয়মানুযায়ী আমাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে "।
সাইন্সল্যাব সরকারি প্রতিষ্ঠান হলেও মসজিদটি সরকারি নয়। ফলে এখানকার খতিব,ইমাম,মুয়াজ্জিন খাদেম কেউই সরকারি নিয়মানুযায়ী সুযোগ - সুবিধা পাননা। এখানকার কারো চাকুরীই সরকারি নয়,আমারও না।।
সুতরাং সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিয়ম এখানে আওড়ানোর সুযোগ নেই।
আমি এ লেখার মাধ্যমে প্রোপাগাণ্ডাকারী ও তার সহযোগীদের সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরাসরি ডিবেটের আহবান জানিয়ে শেষ করছি।
অনেকের মনে প্রশ্ন আমি এ ইস্যুতে এতো সরব কেন? শুধুই একটি চাকুরির জন্য?
না,মোটেও না। আল্লাহর উপর ভরসা করে বলতে পারি আল্লাহ তায়ালা আমার রিজিকের আরও উত্তম ব্যবস্থা করে রেখেছেন। জুমা পড়ানোর জন্যও মসজিদের ব্যবস্থা হয়ে যাবে,ইনশাআল্লাহ।
কিন্তু আমি একটি গোষ্ঠীর মুখোশ উন্মোচন করতে চাচ্ছি। তারা আমাদের জন্য কতটা ভয়ংকর তা পরিস্কার করতে চাচ্ছি।
৫ ই আগস্টের পরপরই বহু মসজিদ-মাদ্রাসা,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ইসলামী ফাউন্ডেশন ও ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন জায়গা থেকে কওমি দেওবন্দি উলামায়ে কেরাম,দাঈ ও শুভাকাঙ্ক্ষীদেরকে বিতারিত করে নিজেদের লোকবল প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে তা অনেকের কাছেই পরিস্কার।
সবশেষ শিকার ছিলাম আমি। তাই আমি এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি। আমি চাই যেন কোন ঘরানার আলেমই এমন জুলুমের শিকার না হন।