JamilJarif

JamilJarif কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার জন্য সকলের সহযোগিতা নিয়েকাজ করে যেতে চাই

23/09/2025
 #বালাইনাশক_ব্যবহারে_জরুরি_পরামর্শঃ বালাইনাশক (পেস্টিসাইড/ইনসেক্টিসাইড/হার্বিসাইড) ব্যবহারের পর কতদিন পর ফসল খাওয়া নিরা...
14/08/2025

#বালাইনাশক_ব্যবহারে_জরুরি_পরামর্শঃ

বালাইনাশক (পেস্টিসাইড/ইনসেক্টিসাইড/হার্বিসাইড) ব্যবহারের পর কতদিন পর ফসল খাওয়া নিরাপদ তা বোঝানোর জন্য ডায়মন্ড আকৃতির রঙিন চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। এটি আসলে Pre-Harvest Interval (PHI) বা ফসল কাটার আগে অপেক্ষার সময় নির্দেশ করে।

বিস্তারিত ব্যাখ্যা: বাংলাদেশে কৃষি বালাইনাশক বোতল/প্যাকেটের গায়ে ডায়মন্ড (♦) আকারের একটি চিহ্ন থাকে এবং তার ভেতরে বা নিচে নির্দিষ্ট রঙ দেওয়া হয়।
প্রতিটি রঙের সাথে নির্দিষ্ট সময়সীমা যুক্ত থাকে — এটি বলে দেয় ওই ওষুধ ব্যবহারের পর ন্যূনতম কতদিন অপেক্ষা করলে ফসল নিরাপদে খাওয়া যাবে।

রঙের অর্থ ও সময়সীমা
1. সবুজ রঙ (Green)
ন্যূনতম অপেক্ষা: ৭ দিন (১ সপ্তাহ)
অর্থ: কম বিষাক্ত, দ্রুত ভেঙে যায়, এক সপ্তাহ পর ফসল খাওয়া নিরাপদ।

2. হলুদ রঙ (Yellow)
ন্যূনতম অপেক্ষা: ১৫ দিন (২ সপ্তাহ)
অর্থ: মাঝারি বিষাক্ত, ফসল কাটার আগে অন্তত ১৫ দিন অপেক্ষা করতে হবে।

3. নীল রঙ (Blue)
ন্যূনতম অপেক্ষা: ২১ দিন (৩ সপ্তাহ)
অর্থ: তুলনামূলক বেশি বিষাক্ত, ভেঙে যেতে সময় লাগে, অন্তত ৩ সপ্তাহ অপেক্ষা জরুরি।

4. লাল রঙ (Red)
ন্যূনতম অপেক্ষা: ৩০–৩৫ দিন (৪–৫ সপ্তাহ)
অর্থ: খুব বেশি বিষাক্ত, দীর্ঘ সময় ধরে ফসলের মধ্যে থেকে যেতে পারে, অন্তত ১ মাস বা তার বেশি অপেক্ষা করতে হবে।

কেন এই সময়সীমা মেনে চলা জরুরি
বালাইনাশকে থাকা রাসায়নিক অবশিষ্টাংশ (Residue) মানবদেহে গেলে বিষক্রিয়া, দীর্ঘমেয়াদি রোগ, ক্যান্সার, স্নায়ুর সমস্যা ইত্যাদি হতে পারে।

নির্দিষ্ট সময় পরেই রাসায়নিক ভেঙে যায় বা ক্ষতিকর মাত্রার নিচে নেমে আসে।

FAO এবং WHO-এর নির্দেশনা অনুসারে প্রতিটি দেশে সর্বোচ্চ অবশিষ্টাংশ সীমা (MRL) নির্ধারণ করা আছে।

প্রয়োগের সময় করণীয়
1. ওষুধ ব্যবহারের আগে অবশ্যই বোতল বা প্যাকেটের লেবেল ভালোভাবে পড়তে হবে।

2. ডায়মন্ড চিহ্নের রঙ দেখে PHI সময় মনে রাখতে হবে।

3. সময়সীমা শেষ হওয়ার আগে ফসল কাটা বা বাজারজাত করা যাবে না।

4. ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (PPE) ব্যবহার করে স্প্রে করতে হবে।

5. অবশিষ্ট ওষুধ ও খালি বোতল/প্যাকেট নিরাপদে ধ্বংস করতে হবে।

12/05/2025

📍 ব্রি ধান১০৩ এর চাষ পদ্ধতি ও জিবনচক্র A to Z জেনে বুঝে চাষ করুন তাহলে লাভবান হবেন!

✅ জীবনকাল: ১২৮-১৩৩ দিন
✅ ফলন: ২০-২৫ মন(৩৩শতকে)
✅ রোপন দূরত্ব:১০×৮ ইঞ্চি
✅ প্রতি গোছায় কুশির সংখ্যা: ২-৩ টি
✅ রোপন গভীরতা: ১-১.৫ ইঞ্চি

✅ স্তরভিত্তিক বিভাজন:
স্তর-০ঃ বীজের অংকুরোদগম থেকে চারা পর্যন্ত ২ দিন)
স্তর-১ঃ বীজতলায় চারা অবস্থা ২০-২৫ দিন
স্তর-২ঃ রোপন ও রিকোভারি স্তর ৫ দিন
স্তর-৩ঃ কুশি বৃদ্ধি স্তর ৪১-৪৬ দিন
(কুশি বৃদ্ধি স্তরে তিনবার ইউরিয়া সার এবং একবার মিউরেট অব পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হয়।)
স্তর-৪ঃ পিআই স্তর/কাইচ থোর স্তর ১০ দিন
স্তর-৫ঃ থোর স্তর ১০ দিন
স্তর-৬ঃ শীষ উদগমন ও ফুল ফোটা স্তর ১০ দিন
স্তর-৭ঃ দুধ স্তর ১০ দিন
স্তর-৮ঃ মন্ড বা ডাফ স্তর ১০ দিন
স্তর-৯ঃ পরিপক্ক স্তর ১০ দিন

✅ বিঘা প্রতি সার প্রয়োগমাত্রা ও সুনির্দিষ্ট সময়:
জমি চাষের শুরুতে পর্যাপ্ত পরিমাণে পঁচা গোবর ছিটিয়ে দিতে হবে এবং জমিতে শেষ চাষ দেওয়ার সময় ৮ কেজি এম‌ওপি, ১১-১২ কেজি টিএসপি/ডিএপি, ১০-১২ কেজি জীপসাম এবং ১কেজি জিংক সালফেট সার মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। জিংক সার আলাদা ছিটাবেন।

#প্রথম_কিস্তি_সার_উপরি_প্রয়োগ_সময়:
ধানের চারা রোপনের ১০ দিন পর ৮ কেজি ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করবেন।

#২য়_কিস্তি_সার_উপরি_প্রয়োগ_সময়:
ধানের চারা রোপনের ২০-২৫ দিন পর ৮ কেজি ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করবেন।

#৩য়_কিস্তি_সার_উপরি_প্রয়োগ_সময়:
ধানের চারা রোপনের ৩৫-৪০ দিন পর ৮ কেজি ইউরিয়া সার এবং ৭ কেজি মিউরেট অব পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করবেন।
⚠️ সার প্রয়োগের সময় জমিতে ছিপছিপে পানি থাকালে সার দ্রুত কাজ করে।

এহসান আহমদ জামিল
উপসহকারী কৃষি অফিসার

সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে JamilJarif আইডি লাইক কমেন্ট বা শেয়ার করে পাশে থাকুন।

#ধানের #চাষ

08/05/2025

Ahsan Ahmad Jamil

06/05/2025

📌 রোপা আমন মৌসুমে চাষযোগ্য ধানের উচ্চ ফলনশীল ও জনপ্রিয় ২৫ টি জাত ও জীবনকাল ❗

জাতের নাম:::::::::::::::: জীবনকাল
১. বি আর ২২ ১৫০ দিন
২. ব্রি ধান ২৩ ১৫০ দিন
৩. ব্রি ধান ৩৪ ১৩৫ দিন
৪. ব্রি ধান ৪৯ ১৩৫ দিন
৫. ব্রি ধান ৫১ ১৪২-১৫৭ দিন
৬. ব্রি ধান ৫২ ১৪০-১৫৫ দিন
৭. ব্রি ধান ৬২ ১০০ দিন
৮. ব্রি ধান ৭১ ১১৫ দিন
৯. ব্রি ধান ৭২ ১২৫ দিন
১০. ব্রি ধান ৭৫ ১১৫ দিন
১১. ব্রি ধান ৭৯ ১৩৫ দিন
১২. ব্রি ধান ৮০ ১৩০ দিন
১৩. ব্রি ধান ৮৭ ১২৭ দিন
১৪. ব্রি ধান ৯০ ১২২ দিন
১৫. ব্রি ধান ৯১ ১৫৬ দিন
১৬. ব্রি ধান ৯৩ ১৩৪ দিন
১৭. ব্রি ধান ৯৪ ১৩৪ দিন
১৮. ব্রি ধান ৯৫ ১২৫ দিন
১৯. ব্রি ধান ১০৩ ১২৮-১৩৩ দিন
২০. ব্রি হাইব্রিড ধান ৪ ১১৮ দিন
২১. ব্রি হাইব্রিড ধান ৬ ১২০ দিন
২২. বিনা ধান ৭ ১১০-১২০ দিন
২৩. বিনা ধান ১১ ১৩০-১৩৫ দিন
২৪. বিনা ধান ১৭ ১১২-১১৮ দিন
২৫. বিনা ধান ২০ ১৪৮-১৫৩ দিন

এই জাত গুলোর মাঝে সবচেয়ে জনপ্রিয় জাতগুলো হলো: ব্রি ধান ৪৯, ব্রি ধান ৭১, ব্রি ধান ৩৪, ব্রি ধান ৮৭ ও ব্রি ধান ১০৩

পরবর্তী পোস্টের মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে রোপা আমন ধানের প্রতিটি জাতের চাষ পদ্ধতি A to Z তথ্য তুলে ধরা হবে ইনশাআল্লাহ।

এহসান আহমদ জামিল
উপসহকারী কৃষি অফিসার

#ধানের #চাষ #আধুনিক #প্রযুক্তি

28/04/2025

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

পেঁপে বাগানে সঠিক শিডিউল অনুসরণ করে সার প্রয়োগ করলে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পেঁপে ধরে✅ চারা রোপণের আগে সার প্রয়োগ শিডিউ...
23/04/2025

পেঁপে বাগানে সঠিক শিডিউল অনুসরণ করে সার প্রয়োগ করলে গোড়া থেকে আগা পর্যন্ত পেঁপে ধরে

✅ চারা রোপণের আগে সার প্রয়োগ শিডিউল:
চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পূর্বে প্রতি গর্তের মাটিতে পঁচা গোবর ১০ কেজি,টিএসপি/ডিএপি ৭০-৮০গ্রাম, জিপসাম২৫-৩০ গ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ২০ গ্রাম, জিংক ৫-১০ গ্রাম ও বোরন ৫-১০ গ্রাম মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।
জিংক সার আলাদা মিশিয়ে দিবেন।

✅ চারা রোপণের পর সার প্রয়োগ শিডিউল:
💊 ৩০-৩৫ দিন পর ১ম ডোজ:
গাছ প্রতি ইউরিয়া ৫০ গ্রাম ও এমওপি ৫০
গ্রাম গোড়া থেকে ১০-১২ ইঞ্চি দূরে মাটির
সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
💊 ৬০-৬৫ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ:
গাছ প্রতি ইউরিয়া ৫০ গ্রাম এবং ডিএপি ৫০
গ্রাম গোড়া থেকে ১-১.৫ ফুট দূরে মাটির
সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
💊 ৯০-৯৫ দিন পর তৃতীয় ডোজ:
গাছ প্রতি ইউরিয়া ৮০-৯০ গ্রাম গোড়া
থেকে ১.৫ ফুট দূরে মাটির সাথে মিশিয়ে
দিতে হবে।
💊 ১২০-১৩০ দিন বয়সে চতুর্থ ডোজ:
গাছ প্রতি ইউরিয়া ১০০ গ্রাম, ডিএপি
৫০-৬০ গ্রাম এবং বোরন ১০ গ্রাম গোড়া
থেকে ১.৫-২ ফুট দূরে মাটির সাথে মিশিয়ে
দিতে হবে।

🔴 বিঃদ্রঃ চারা রোপণের পর চারার বৃদ্ধি কম হলে বা গাছের গ্রোথ কম থাকলে সারের সাথে বায়োফার্টি অথবা মিরাকেল গ্রোথ ব্যবহার করলে বৃদ্ধি দ্রুত হয়।

⚠️ সতর্কতা: জামির উর্বরতা কম থাকলে প্রচুর পরিমাণে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে!

এহসান আহমদ জামিল
উপসহকারী কৃষি অফিসার

সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে JamilJarif আইডি অনুসরণ করুন।


#পেপে #চাষ #পদ্ধতি #সার #ব্যবস্থাপনা

📌 পেপের মোজাইক ভাইরাস রোগ দমনে করণীয় কি⁉️✅ রোগ হবার আগে কি কি করণীয় ⁉️১. জাব পোকা ও সাদা মাছি এ রোগের বাহক তাই      পে...
23/04/2025

📌 পেপের মোজাইক ভাইরাস রোগ দমনে করণীয় কি⁉️

✅ রোগ হবার আগে কি কি করণীয় ⁉️
১. জাব পোকা ও সাদা মাছি এ রোগের বাহক তাই
পেঁপে গাছ সাদা মাছি ও জাব পোকা মুক্ত রাখতে
স্প্রে শিডিউল অনুসরণ করতে হবে।
২. ভাইরাসমুক্ত বীজ বা চারা ব্যবহার করতে হবে।

✅ আক্রান্ত গাছে কী করণীয় ⁉️
মোজাইক রোগে আক্রান্ত গাছ ভালো হয়না
বরং অন্যান্য গাছে রোগ ছড়িয়ে যেতে পারে
তাই গাছ তুলে পুড়িয়ে ফেলাই উত্তম।
তবে কোন কোন কৃষকের জমিতে প্রতি লিটার
পানিতে ৩-৪ গ্রাম সালফার ৮০% ব্যবহার করে
দেখা গেছে গাছ ভালো হয়েছে।

⚠️ মোজাইক রোগ দমনে স্প্রে শিডিউল:
১ম বার ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক
প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২-৩ মিলি
২য় বার থায়ামেথোক্সাম গ্রুপের কীটনাশক প্রতি
১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম
৩য় বার এসিটামিপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক প্রতি
১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম
পর্যাক্রমে ৭-১০ দিন পরপর চলবে.....

এহসান আহমদ জামিল
উপসহকারী কৃষি অফিসার

সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে JamilJarif আইডি অনুসরণ করুন।

📌বৈশাখ মাসে কৃষকের কি কি করণীয়⁉️১.  বোরো ধান ৮০% পরিপক্ক হলেই দ্রুত কর্তন       করে নিরাপদে রাখুন।২. যে সকল জমি এখন ফুল...
23/04/2025

📌বৈশাখ মাসে কৃষকের কি কি করণীয়⁉️
১. বোরো ধান ৮০% পরিপক্ক হলেই দ্রুত কর্তন
করে নিরাপদে রাখুন।
২. যে সকল জমি এখন ফুল অবস্থায় আছে, ফুল
ফোটা শেষ হলে নাটিভো অথবা স্ট্রমিন অথবা
ব্লাস্টিন স্প্রে করুন।
৩. ১৫ বৈশাখ পর্যন্ত তোষা পাটের বীজ বপন করা
যায়। তাই যথাসম্ভব দ্রুত বীজ বপন করতে হবে।
৪. আউশ ধানের বীজতলা তৈরি ও বীজ বপনের
সময় এখন। রোপা আউশ বন্যা মুক্ত আংশিক
সেচনির্ভর মাঝারি উঁচু ও মাঝারি নিম্ন জমি
আবাদের জন্য নির্বাচন করতে হবে। রোপা
আউশ ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান৪৮,
ব্রি ধান৯৮ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান ৭
৫. বসতবাড়ির বাগানে ডাঁটা, কলমিশাক, পুঁইশাক,
করলা, ঢেঁড়শ, বেগুন, পটল চাষের জন্য
উদ্যোগ নিতে হবে।
৬. মাদা তৈরি করে চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, ধুন্দল, শশা,
মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়ার বীজ বুনে দিতে হবে।
৭. এ মাসে কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা
ব্যাপকভাবে ভাবে ক্ষতি করে থাকে। এ ক্ষেত্রে
কুমড়াজাতীয় ফসলের মাছিপোকা দমনের
জন্য পানি বিহীন সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ ব্যবহার
করতে হবে । কুমড়া জাতীয় সব সবজিতে কৃত্রিম
পরাগায়ন করতে হবে।
৮. গ্রীষ্মকালিন টমেটো চাষ করতে চাইলে
বারি টমেটো-৪, বারি টমেটো-৫, বারি টমেটো-৬,
বারি টমেটো-১০, বারি হাইব্রিড টমেটো-৪,
বারি হাইব্রিড টমেটো-৮,বিনাটমেটো-৩,
বিনাটমেটো-৪ চাষ করতে পারেন।

⚠️এই সময়ে অতি বৃষ্টি, শিলা বৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল, আকস্মিক বন্যার সম্ভাবনা খুবই বেশি ফলে কৃষকরা সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে ফসলের ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে তাই কৃষক ভাইয়েরা সবসময় নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

এহসান আহমদ জামিল
উপসহকারী কৃষি অফিসার

সময়োচিত কৃষি বিষয়ক পরামর্শ পেতে JamilJarif আইডি লাইক,কমেন্ট ও শেয়ার করে সাথে থাকুন।

Address

Cumilla

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JamilJarif posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share