Dreams Of Mahbub

Dreams Of Mahbub This is Mahbub alam, sharing my life events, experience, thoughts of my mind with you.
(5)

12/09/2026

অন্তর প্রশান্ত হয়ে যায়🫀
প্রশান্তিময় তেলাওয়াত🌸

18/02/2026

রমাদান মুবারাক 🌙✨
রহমতের ছায়ায় ঢেকে যাক আমাদের জীবন, ক্ষমায় ভরে উঠুক প্রতিটি আমল।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেদায়েত দান করুন—আমিন।

এই গল্পটা পড়লে হয়তো আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।১০০ বছর বেঁচে থাকা যায় না, যদি প্রতিদিনের জীবনটাই না হয় শান্ত।শহর থেকে অ...
22/01/2026

এই গল্পটা পড়লে হয়তো আপনি নতুন করে বাঁচতে শিখবেন।

১০০ বছর বেঁচে থাকা যায় না, যদি প্রতিদিনের জীবনটাই না হয় শান্ত।

শহর থেকে অনেক দূরের গ্রামের এক কোণে ছিল একটা ছোট কুঁড়েঘর।

সেখানে থাকতেন এক বৃদ্ধ-সবাই তাকে ডাকত আব্দুল কাকা নামে।

বয়স? কেউ বলে ৯০, কেউ বলে ১০৫।

কিন্তু আশ্চর্য বিষয়-তার চোখে এখনো আলো, মুখে হাসি, পায়ে শক্তি, আর মনে শান্তি।

একদিন এক তরুণ ডাক্তারকে 'Curiosity' নিয়ে গেলাম তার কাছে।

বললাম-কাকা, আপনি এত বছর কীভাবে এত তরতাজা আছেন?"

তিনি হেসে বললেন, - "বাবা, শরীর নয়, আগে মন বাঁচাতে হয়। শরীর তো মনে চালিত।"

আর দেরি না করে, আমি খাতায় লিখতে শুরু করলাম-

১. শরীর নয়, কোষকে বাঁচাও- তিনি বললেন, "আমি রাত ১০টার মধ্যে ঘুমাই, ভোরে ফজরের আজানে উঠি।
ঘুমই আমার ঔষধ।"

সপ্তাহে দুই দিন দুপুরে না খেয়ে শুধু পানি খাই-"খালি পেটে শরীর পুরনো ময়লা ফেলে দেয়," বললেন তিনি। চিনি?
চিনি মানে বিষ-আমার নাতি চিনি খায়, আমি খেজুর খাই।"

২. 'Silent killer' তিনটা এড়াও- "রাগ, চিন্তা আর ভয়-এই তিনটা জিনিস মানুষকে বুড়ো করে দেয়। রক্তচাপও তাই বাড়ে।"

৩. প্রাকৃতিক খাবারই আসল ওষুধ- তার দুপুরের খাবার: ভাত, সবজি, মাছ, জলপাই তেল, রসুন। বললেন, "খাবার যদি প্যাকেটের ভিতরে আসে, তা আমার নয়।"

৪. মানসিক শান্তি সবচেয়ে বড় চিকিৎসা-প্রতিদিন বিকেলে গাছের নিচে বসে ধ্যান করতেন। বললেন, "ক্ষমা করলেই শরীর হালকা হয়। যে রাগ পোষে, সে নিজের আয়ু কমায়।"

৫. শরীর নড়াচড়া করো- তিনি হাঁটতেন প্রতিদিন ৫-৬ কিলোমিটার, কারও সঙ্গ ছাড়াই। বললেন, "যে শরীর চলে না, সে মনেও থেমে যায়।"

৬. রক্ত পরিষ্কার রাখো- সকালে লেবুর পানি, রাতে গরম পানি। ওমেগা-৩ খাবার তার নিয়মিত। বছরে একবার করে চেকআপ করান।

৭. ভালোবাসা ও সম্পর্ক- বৃদ্ধ হলেও স্ত্রীকে "আমার জীবনের শান্তি" বলে ডাকতেন। পরিবারের সবাই তার চারপাশে হাসতো। তিনি বললেন, "যে ভালোবাসা পায় না, সে ওষুধেও বাঁচে না।"

৮. প্রকৃতির সাথে সংযোগ রাখো- প্রতিদিন ভোরে উঠেই উঠোনে গাছপালা ছুঁতেন। "প্রকৃতি আমার ডাক্তারের মতো," বললেন তিনি।

৯. শেখা বন্ধ করো না- ৯৫ বছর বয়সেও কোরআন ওষুধের মতো পড়তেন। যে শেখা থামায়, সে মরতে শুরু করে.!

১০. আত্মিক শান্তি ও কৃতজ্ঞতা- "আমি প্রতিদিন আল্লাহকে ধন্যবাদ দিই-আজও চোখে আলো আছে, পায়ে হাঁটতে পারি। তার চোখে তখন এমন এক আলো, যা শত ওষুধেও পাওয়া যায় না।

শেষে তিনি বললেন,

"মানুষ মরতে ভয় পায়, কিন্তু আমি প্রতিদিন নতুনভাবে বাঁচি।"

আমি নীরবে মাথা নোয়ালাম। বুঝলাম- দীর্ঘায়ুর রহস্য কোনো ওষুধে নয়, বরং জীবনের নিয়মে লুকিয়ে আছে।

শেষে বিদায়ে- ঘুম + প্রাকৃতিক খাবার ব্যায়াম শান্ত মন + কৃতজ্ঞ আত্মা" ১০০ বছরেরও বেশি জীবন যদি আল্লাহ পাক কবুল করেন। সংগৃহিত

কিভাবে একজন নারী পরকিয়া থেকে ফিরে আসবে? (তাওবার পথ)১/ খাঁটি তাওবা (তাওবাতুন নাসূহা)তাওবার ৪ শর্ত: গুনাহ ছেড়ে দেওয়া,অনুত...
15/01/2026

কিভাবে একজন নারী পরকিয়া থেকে ফিরে আসবে? (তাওবার পথ)

১/ খাঁটি তাওবা (তাওবাতুন নাসূহা)
তাওবার ৪ শর্ত: গুনাহ ছেড়ে দেওয়া,অনুতপ্ত হওয়া,আর না করার দৃঢ় প্রতিজ্ঞা,গুনাহের সব রাস্তা বন্ধ করা

কুরআন:হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা করো। (সূরা তাহরীম: ৮)

২/ হারাম সম্পর্ক সম্পূর্ণ ছিন্ন করা
নাম্বার ব্লক, যোগাযোগ বন্ধ, সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ন্ত্রণ।

হাদিস: যা তোমাকে সন্দেহে ফেলে তা ছেড়ে দাও।
(তিরমিজি: ২৫১৮)

৩/ সালাত ও কুরআনের সাথে সম্পর্ক গড়া

কুরআন: নিশ্চয়ই সালাত অশ্লীলতা ও মন্দ কাজ থেকে বিরত রাখে। (সূরা আনকাবুত: ৪৫)

৪/ আল্লাহভীতি জাগ্রত করা (মুরাকাবাতুল্লাহ)
একান্তে মনে করা আল্লাহ আমাকে দেখছেন।

কুরআন: তিনি চোখের খেয়ানত ও অন্তরের গোপন বিষয় জানেন।(সূরা গাফির: ১৯)

৫/ স্বামীর সাথে সম্পর্ক সংশোধনের চেষ্টা
সংলাপ, দোয়া, ধৈর্য সবকিছু হালাল পথে।
দোয়া:
رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ
হে আমাদের রব! আমাদের স্ত্রীদের আমাদের চোখের শীতলতা বানিয়ে দিন। (সূরা ফুরকান: ৭৪)
আল্লাহর রহমতের সুসংবাদ

কুরআন: হে আমার বান্দারা! যারা নিজেদের উপর জুলুম করেছো, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না। (সূরা যুমার: ৫৩)

যে আন্তরিকভাবে ফিরে আসে—আল্লাহ শুধু ক্ষমাই করেন না, বরং গুনাহকে নেকিতে রূপান্তর করেন।
সূরা ফুরকান: ৭০

পরকিয়া কোনো নারীর স্বভাব নয়
এটা দ্বীনি শূন্যতা, আবেগিক ক্ষুধা ও শয়তানের ধোঁকা।
ইসলাম দোষ দেয় না
ফিরে আসার পথ দেখায়।

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Md Mahabub Alam Nuri কে ফলো দিয়ে রাখুন!

বিবাহ করেও যিনা করতেছেন না তো ?? এর বহু কারণ রয়েছে। আজ একটা বলি—অনেক নারীরা স্বামীকে তালাক দিয়ে আরেক স্বামীকেবিবাহ করছ...
12/01/2026

বিবাহ করেও যিনা করতেছেন না তো ??

এর বহু কারণ রয়েছে। আজ একটা বলি—
অনেক নারীরা স্বামীকে তালাক দিয়ে আরেক স্বামীকে
বিবাহ করছে। কারণ ১৮ নং কলামকে কাজি নিজে
অনুমতি দেয়। অথচ বউ একজনের, কিন্তু অনুমতি দিচ্ছে
অন্যজন। তাই উক্ত তালাক সহীহ হয় না।

যার ফলে এইভাবে ২য় স্বামীর সাথে বিবাহ সহীহ হয় না,
আর এর ফলে এমন সম্পর্ক হারাম হচ্ছে। সন্তানাদি হারাম হচ্ছে। নাউযুবিল্লাহ। তাই তালাকের বিধান জেনে বুঝে দেয়া জরুরী।

আর বিবাহিত নারীর ২য়/৩য় বিবাহের সময় পূর্বের তালাক আদৌও হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত জেনে বুঝে নেয়া জরুরী।

১৮ নং কলাম সম্পর্কে এক ভাইয়ের প্রশ্ন—
বিবাহের মজলিসে কাবিননামার ১৮ নং ধারা তথা
স্ত্রীকে তালাক প্রদানের অধিকার প্রদান সম্পর্কে কোনো
আলোচনা হয়নি; বরং কাজী সাহেব ফরম পূরণ করে বরেরস্বাক্ষর নিয়ে কাবিন শেষ করেন। এরপর শরয়ী নিয়মেবিবাহ সম্পন্ন হয়।

প্রায় দুই বছর যাবত আলাদা থাকার পর মেয়ে পক্ষ বিবাহভঙ্গ করতে চাচ্ছে। প্রশ্ন হল, স্ত্রী এখন বিবাহ ভেঙ্গে দিতেপারবে কি না? অর্থাৎ বর্তমান সরকারি আইন অনুসারে সে ডিভোর্স করতে পারবে, শরয়ী দৃষ্টিতে এটা সহীহ হবে কি না?

1 উত্তর—
প্রশ্নের মূল উত্তরের আগে জানা দরকার যে, শরীয়তের
দৃষ্টিতে তালাকের ক্ষমতা রয়েছে শুধু স্বামীর। তবে স্ত্রীকে
স্বামী কতৃর্ক তালাক গ্রহণের ক্ষমতা প্রদান করা হলেই
স্ত্রীও নিজ নফসের উপর তালাক গ্রহণ করতে পারে। কিন্তু যদি এধরনের ক্ষমতা না দেওয়া হয় তাহলে স্ত্রী নিজের উপর তালাক কার্যকর করতে পারবে না। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা অর্পণ করা হলে শরীয়তের পরিভাষায় একে তাফউইজ তালাক বলে। আর স্বামী তারস্ত্রীকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা তখনই দিতে পারবে যখন তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে যাবে। তাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার আগে কোনো পাত্র পাত্রীকে তালাক গ্রহণের অনুমতি দিলেও তা ধর্তব্য হবে না। কারণ, বিয়ের আগে পাত্র নিজেই তালাক প্রয়োগের ক্ষমতা রাখে না। সুতরাংসে অন্যকে কীভাবে অধিকার দিবে? শরীয়তের উপরোক্ত নীতির আলোকে সুস্পষ্টভাবে বোঝা গেল যে, প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে যেহেতু কাবিননামাটি পূরণ এবং তাতে স্বাক্ষর হওয়ার কাজ বিবাহের আকদের পূর্বেই সংগঠিত হয়েছে তাই বিবাহের আগে কাবিননামার ১৮ নং ধারায় স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের যে অধিকার দেওয়া হয়েছে শরীয়তের দৃষ্টিতে তা গ্রহণযোগ্য নয়। সুতরাং প্রশ্নের বর্ণনামতে সত্য যদি কাবিননামাটি বিয়ের আগেই সম্পন্ন করা হয়ে থাকে তাহলে এই ক্ষমতাবলে স্ত্রী নিজে তালাক গ্রহণ করতে পারবে না, যদি করে তবে দেশীয় আইনে তা কার্যকর ধরা হলেও শরীয়তে সেই তালাক ধর্তব্য নয়। এতে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হবে না ।

উল্লেখ্য, যদি ওই দম্পতির মাঝে সমঝোতা ও মনের
মিল না হয় এবং মহিলাটি ওই ব্যক্তির কাছে থাকতে
কিছুতেই ইচ্ছুক না হয় তাহলে স্বামীর জন্য উক্ত স্ত্রীকে
আটকে রাখাও ঠিক হবে না; বরং এক্ষেত্রে তার উচিত হল মৌখিকভাবে মহিলাটিকে তালাক গ্রহণের ক্ষমতা দিয়ে দেওয়া। যদি সে তা না করে তাহলে ওই মহিলা আদালতের আশ্রয় নিয়ে এবং সঠিক ঘটনাবলী জানিয়ে বিষয়টির সুরাহা করতে পারে। ©️

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Md Mahabub Alam Nuri কে ফলো দিয়ে রাখুন!

যিনার ধারে কাছেও যেও না: কুরআন ও হাদিসের কঠোর সতর্কবার্তাইসলাম মানুষের চরিত্র, লজ্জা ও পবিত্রতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে...
10/01/2026

যিনার ধারে কাছেও যেও না: কুরআন ও হাদিসের কঠোর সতর্কবার্তা

ইসলাম মানুষের চরিত্র, লজ্জা ও পবিত্রতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়েছে। যেসব গুনাহ মানুষের নৈতিকতা ধ্বংস করে দেয়, যিনার গুনাহ তার মধ্যে অন্যতম। যিনা শুধু একটি ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি সমাজ, পরিবার এবং ঈমান—সবকিছুকে ধ্বংস করে দেয়। কুরআন ও সহিহ হাদিসে যিনার ভয়াবহ পরিণতি বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ এই ধ্বংসাত্মক গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে।

যিনা কী? শুধু অবৈধ শারীরিক সম্পর্কই কি যিনা?

অনেকেই মনে করে, কেবল বিবাহবহির্ভূত শারীরিক সম্পর্কই যিনা। কিন্তু ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে যিনার অর্থ অনেক ব্যাপক। হাদিসের ভাষায় যিনা বহু স্তরে বিভক্ত, এবং এর সূচনা হয় অন্তর ও দৃষ্টির গুনাহ দিয়ে। মূল যিনায় পৌঁছানোর আগেই মানুষ ধাপে ধাপে বিভিন্ন প্রকার যিনায় লিপ্ত হয়ে পড়ে।

হাদিস অনুযায়ী যিনার বিভিন্ন প্রকার

রাসূলুল্লাহ ﷺ স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মানুষের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের মাধ্যমেও যিনা সংঘটিত হয়। বেগানা নারী বা পুরুষের প্রতি কুদৃষ্টি দেওয়া হলো চোখের যিনা। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা বা শোনা হলো জিহ্বা ও কানের যিনা। বিবাহ ছাড়াই কাউকে স্পর্শ করা হাতের যিনা। ব্যভিচারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা। এমনকি যিনার কল্পনা করা, আকাঙ্ক্ষা পোষণ করা—এগুলো মনের যিনা। শেষ পর্যন্ত লজ্জাস্থান হয় এই সব কিছুকে বাস্তবে পূর্ণতা দেয়, অথবা তা থেকে বিরত থাকে।
— (সহিহ বুখারি, সহিহ মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

আমাদের ভয়ংকর ভুল ধারণা

দুঃখজনক হলেও সত্য, আমরা যিনার এই সব প্রাথমিক স্তরকে গুনাহই মনে করি না। আমরা শুধু শেষ ধাপকেই যিনা বলে থাকি। অথচ চোখের দৃষ্টি, কথাবার্তা, চলাফেরা এবং কল্পনার মাধ্যমেই শয়তান ধীরে ধীরে মানুষকে মূল যিনার দিকে নিয়ে যায়। আত্মসমালোচনা করে দেখা উচিত—আমরা কি এসবের কোনো একটির সাথেও জড়িত নই?

যিনা স্পষ্ট হারাম—কুরআনের ঘোষণা

আল্লাহ তাআলা যিনাকে শুধু হারামই করেননি, বরং এর ধারের কাছেও যেতে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেন—
“তোমরা যিনার কাছেও যেয়ো না। নিশ্চয়ই তা অশ্লীল কাজ এবং নিকৃষ্ট পথ।”
— (সূরা বনি ইসরাইল, আয়াত: ৩২)

এই আয়াত প্রমাণ করে, যিনার দিকে নিয়ে যায়—এমন সব রাস্তা, পরিবেশ ও সম্পর্ক থেকেও দূরে থাকা ফরজ।

যিনার ভয়াবহ শাস্তি: নবী ﷺ–এর স্বপ্ন

রাসূলুল্লাহ ﷺ এক ভয়ংকর স্বপ্নের বর্ণনা দিয়েছেন। তিনি বলেন, তিনি একটি চুলা সদৃশ গর্ত দেখেছেন, যার নিচে আগুন জ্বলছিল এবং ভেতরে নগ্ন নারী-পুরুষ চিৎকার করছিল। আগুনের শিখা উঠলে তারাও উপরে উঠে আসছিল, আর আগুন কমলে আবার নিচে নেমে যাচ্ছিল। এ অবস্থা চলতেই থাকছিল। যখন তিনি জিবরাইল (আ.)–কে জিজ্ঞেস করলেন, এরা কারা—তখন উত্তর দেওয়া হলো, এরা হলো অবৈধ যৌনাচারকারী নারী ও পুরুষ।
— (সহিহ বুখারি)

যিনাকারীর দুর্গন্ধে জাহান্নামবাসী অতিষ্ঠ হবে

হাদিসে আরও এসেছে, যিনাকারীর লজ্জাস্থান থেকে এমন দুর্গন্ধ বের হবে, যা সহ্য করতে না পেরে জাহান্নামবাসীরাও অস্থির হয়ে উঠবে। তাদের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য দেওয়া হবে পচা, দুর্গন্ধযুক্ত পানীয়। এটি কেবল শাস্তি নয়; বরং দুনিয়ায় গোপনে করা পাপের প্রকাশ্য লাঞ্ছনা।

আমাদের করণীয়

আজ সমাজে প্রেমিক-প্রেমিকা নামে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে স্বাভাবিক বানিয়ে ফেলা হয়েছে, অথচ এসব সম্পর্কই যিনার দিকে নিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় দরজা। একজন মুমিনের উচিত দৃষ্টি সংযত করা, কথাবার্তায় পবিত্রতা বজায় রাখা, অশ্লীল পরিবেশ ও সম্পর্ক থেকে দূরে থাকা এবং হালাল বিবাহের পথে অগ্রসর হওয়া।

উপসংহার ও দোয়া

যিনা শুধু একটি গুনাহ নয়, এটি ঈমানকে ধ্বংস করার এক ভয়ংকর পথ। তাই যিনার প্রতিটি স্তর থেকে নিজেকে রক্ষা করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে প্রকাশ্য ও গোপন সব ধরনের গুনাহ থেকে হেফাজত করুন, চোখ, মন ও অন্তরকে পবিত্র রাখার তাওফিক দান করুন—আমিন।

(সংগৃহিত)

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে Md Mahabub Alam Nuri কে ফলো দিয়ে রাখুন!

02/01/2026

শুক্রবার যায় শুক্রবার আসে, কিন্তু আমার ভাইর বিচার হয় না 😔
হাদি...

02/01/2026

হাসনাতকে দেখে দৌরে এসে জড়িয়ে ধরলেন এক ভক্ত

31/12/2025

বারো টা বাজে—নফস হাসে,
ঈমান কাঁদে নিঃশ্বাসে।
এক রাতের উল্লাসে মত্ত,
কবর ডাকে—তুই প্রস্তুত তো..?

আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাই কে
আজকের রাতের সকল অশ্লীল
কার্যকলাপ থেকে হেফাজত করুন

থার্টি ফার্স্ট নাইট (31st Night – ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন) : ইসলামের অবস্থান।বর্তমান সময়ে ৩১ ডিসেম্বর রাতে যাকে 31st Night ...
31/12/2025

থার্টি ফার্স্ট নাইট (31st Night – ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন) : ইসলামের অবস্থান।
বর্তমান সময়ে ৩১ ডিসেম্বর রাতে যাকে 31st Night (ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন) বলা হয়—সে রাতে কাউন্টডাউন, গান-বাদ্য, আতশবাজি, বেপর্দা ও অপচয় ব্যাপকভাবে হয়ে থাকে।
" ইসলামের দৃষ্টিতে এ ধরনের পালন জায়েয নয় "
এ বিষয়ে পাঁচটি পয়েন্ট নিয়ে কথা বলবো ইনশাআল্লাহ।
১-এটি বিজাতীয় সংস্কৃতির অনুকরণ (Tashabbuh – সাদৃশ্য গ্রহণ)
থার্টি ফার্স্ট নাইট কোনো ইসলামী আমল বা দিবস নয়; এটি সম্পূর্ণ অমুসলিম সংস্কৃতির অংশ।
রাসূল ﷺ বলেছেন:
مَنْ تَشَبَّهَ بِقَوْمٍ فَهُوَ مِنْهُمْ
“যে ব্যক্তি কোনো জাতির অনুকরণ করে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত।”
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস নং ৪০৩১)

🔹 ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকে চার মাযহাবের অবস্থান (Four Madhhab View):
ফিকহি দৃষ্টিকোণ থেকে চার মাযহাবের ইমামগণ একমত যে—
কাফিরদের বিশেষ ধর্মীয় বা সাংস্কৃতিক উৎসব পালনে অংশগ্রহণ করা, তাদের অনুকরণ করা বা সে দিনকে বিশেষভাবে উদযাপন করা " নাজায়েয"।
(ক) হানাফি মাযহাব:
কাফিরদের উৎসবের দিনে বিশেষ আমল বা আনন্দ প্রকাশ করা হারাম।
(ইবনু আবিদীন, রদ্দুল মুহতার, খণ্ড ৬, পৃষ্ঠা ৩৫৮)
(খ) মালিকি মাযহাব:
অমুসলিমদের উৎসবে অংশগ্রহণ করা বা তা সম্মান করা নিষিদ্ধ।
(আল-কুরতুবি, আল-জামি‘ লি আহকামিল কুরআন, সূরা আল-ফুরকান ২৫:৭২-এর তাফসির)
(গ) শাফি‘ই মাযহাব:
কাফিরদের উৎসবের সঙ্গে সাদৃশ্য রাখা তাশাব্বুহ, যা শরিয়তসম্মত নয়।
(ইমাম নববী, আল-মাজমু‘ শরহুল মুহায্যাব, খণ্ড ৪, পৃষ্ঠা ৪৪৪)
(ঘ) হাম্বলি মাযহাব:
অমুসলিমদের উৎসবে উপস্থিত থাকা বা তা উদযাপন করা হারাম।
(ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইকতিদাউস সিরাতিল মুস্তাকীম, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৫২৯)
# ফলাফল (Consensus):
চার মাযহাবের ফিকহি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী—
থার্টি ফার্স্ট নাইট সহ যে কোনো অমুসলিম উৎসব উদযাপন করা শরিয়তসম্মত নয়।

২- ইসলামে উৎসব মাত্র দুইটি (Only two Eids – কেবল দুই ঈদ)
হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাযিয়াল্লাহু আনহু) বর্ণনা করেছেন:
“যখন রাসূলুল্লাহ ﷺ মদিনায় পৌঁছালেন, তখন মদিনাবাসীদের ছিল জাহেলী যুগের দুইটি দিন, যেগুলিতে তারা খেলা‑ধুলা ও আনন্দ‑উল্লাস করত।
নবী ﷺ জিজ্ঞেস করলেন: ‘এ দু’টি দিন কী?’
তারা বলল: ‘আমরা এই দুটি দিনে জাহেলীয়াতের সময় আনন্দ‑খুশি করতাম।’
তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন
إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَبْدَلَكُمْ بِهِمَا خَيْرًا مِنْهُمَا يَوْمَ الْفِطْرِ وَيَوْمَ الأَضْحَى
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের জন্য এ দু’টি দিন থেকে ভাল দু’টি দিন দিয়েছেন—
ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা।”
(সুনানে নাসায়ী, হাদিস: ১৫৫৬)

এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয়েছে যে পুর্বের আনন্দ‑উল্লাস ছিল ধর্মবহির্ভূত জাতিগত ঐতিহ্য, যা ইসলামে কোনো ধর্মীয় মর্যাদা পায় না। তাই নবী ﷺ ঘোষণা করলেন ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা—এগুলো হলো মুমিনদের বৈধ আনন্দ ও উৎসবের দিন, যা গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত (রোযা ও হজ) শেষ হওয়ার পর আসে, এই ছাড়া অন্য কোন দিন আনন্দ উল্লাসের দিন হতে পারেনা।

৩- বাস্তবতা (Reality – বর্তমান চিত্র)
আজকের সমাজে এই রাতে কি ঘটে।
১- নামাজে গাফিলতি।
২- বেপর্দা ও অবাধ মেলামেশা।
৩- গান, নাচ, নেশা।
৪- আতশবাজি ও অর্থের অপচয়।
অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন—
إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ
“নিশ্চয়ই অপচয়কারীরা শয়তানের ভাই।”
(সূরা বনি ইসরাইল (১৭:২৭))

৪- “আমি তো শুধু কাউন্টডাউন দেখি”—এর জবাব
যে কাজ—
১- অমুসলিম উৎসবের অংশ।
২- উদযাপনের নিয়তে করা।
সেটিও অনুকরণের মধ্যে পড়ে, যদিও গুনাহকে ছোট মনে হয়।
রাসূল ﷺ বলেছেন—
“যে ব্যক্তি আমাদের ছাড়া অন্যদের পথ অনুসরণ করে, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।”
(সুনান তিরমিযি, হাদিস নং ২৬৯৫)

৫- একজন মুসলিমের করণীয় (Better alternative – উত্তম বিকল্প):
এই রাতকে গুনাহের রাত বানানোর বদলে করা যেতে পারে—
১- মুহাসাবা (নিজের আমলের হিসাব)।
২- তাওবা ও ইস্তিগফার।
৩- নফল নামাজ।
৪- কুরআন তিলাওয়াত।
৫- নতুন বছরে গুনাহ ছাড়ার দৃঢ় নিয়ত।
এ ব্যাপারে আল্লাহ বলেন—
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا تُوبُوا إِلَى اللَّهِ تَوْبَةً نَصُوحًا
“হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহর কাছে খাঁটি তাওবা কর।”
(সূরা তাহরীম (৬৬:৮))

শেষ কথা:
একজন মুমিনের সম্মান হলো—সে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী জীবন যাপন করবে, বিজাতীয় সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করবে না।
اللَّهُمَّ اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ
হে আল্লাহ! আমাদের সরল পথে পরিচালিত করুন। আমীন।

Address

Cumilla

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dreams Of Mahbub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share