A White Elephant

A White Elephant Education is the backbone of a nation.

06/04/2026
15/07/2017

There is a crucial stage for every studen.After completing graduation, this stage started.Do you know why this stage is crucial??

09/07/2017

::::::::জোকারবার্গ'স জোকস বক্স:০১:::::::::
::::::টাইপিস্টঃচার্লি চ্যাপলিন(ইমরান)::::::::
হাবু আবুলের কাছে একটি গরু বিক্রি করে টাকা আদায় করতে পারছে না।বার বার ফোন দিয়ে কোন সাড়া না পেয়ে হাবু আবুলের বাড়ি গেল।
,
হাবুঃকিরে আবুইল্লা তুই আর ফোন ধরছ না কিল্লাই?আর নাম্বার কি তোর মোবাইলে সেইভ ন নি?(উচ্চ স্বরে)
,
আবুলঃহাবু,তুই আরে এই কথা কইতে হারলি?আই তোর নাম্বার ব্রিটিশ আমল তন সেইভ করি রাইখচি।
,
হাবুঃতুই আরে ব্রিটিশ আমল শিখাস,,,,ক্যান?আই যে তুর কাছে শায়েস্তা খার আমলে গরু বিক্রি কইচ্চি হেইডার টাকা কোনাই?(অতি পাকনামি করে)
,
আবুলঃ দোস্ত চরি পর লেইট।এই ল তুর টাকা আর বাকি টাকা ফেরত দিই দিস?
হাবুঃকিরে ৫ টাকা দিছস কিল্লাই? আবার টাকা ফেরত চাস,,,,,তুই আর লগে মজা করতাছস,,, ক্যান???
,
আবুলঃবোকা চেলে,,,,লুল!!!!!!!তুই জানস ন শায়েস্তা খার আমলে একখান গরুর দাম ২ টাকা আছিল।যা বাকি টাকা তুর দিওন লাইগদ ন।,,,,

05/05/2017

কেউ কেউ Facebook, ClashOfClanes কে কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফর বিপর্যয়ের কারন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।তাদের কাছে প্রশ্ন FB, ClashOfClanes কি শুধু কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা খেলে???আবার অনেকে দোষ দিচ্ছেন অদক্ষ শিক্ষকদের।তার মানে শিক্ষকরা এই এক বছরে অদক্ষ হয়ে গেছে।গতবারও তো এই কথিত এই অদক্ষ শিক্ষকদের অধীনেই পাশের হার ছিল ৮৪%।এক বছরে শিক্ষকরা কিভাবে অদক্ষ হয় তা মাথায় ধরে না।যাক এতকথা বলে লাভ নাই।কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের প্রতি একটাই অনুরোধ থাকবে, তোমরা সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সামনের দিকে অগ্রসর হবে।সকলের প্রতি রইল শুভ কামনা।

05/05/2017

মাধ্যমিকের ফল বিপর্যয়ে কুমিল্লা বোর্ডের প্রভাব:::::::::::::::::
শিরোনাম দেখে হয়ত অনেকে অবাক হচ্ছেন।হওয়ারই কথা।কারন কুমিল্লা বোর্ডে ফল বিপর্যয়ের কারনেই SSC তে শতকরা পাশের হার গতবারের তুলনায় ৮% এর মত কমে গেছে।পাশের হার কমে যাওয়া প্রসঙ্গে মাননীয় প্রধানমন্ত্রৃী থেকে শুরু করে শিক্ষামন্ত্রী, কুমিল্লা বোর্ড চেয়ারম্যান এর মন্তব্য ছিল এমন যে " এবারে মূল্যায়নে নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়েছে।এর ফলে পাসের হার কিছুটা কমেছে"।
আসলেই কি পাশের হার কমেছে?আমি বলব না।পাশের হার কমেনি।শুধুমাত্র কুমিল্লা বোর্ডের পাশের হার কমেছে।যার প্রভাব পরেছে সামগ্রিক ফলাফলে।সব বোর্ডের পাশের হার গতবারের তুলনায় হয় ৪%থেকে৫% হ্রাস অথবা বৃদ্ধি পেয়েছে ।কিন্তু কুমিল্লা বোর্ডের পাশের হার আলোকিকভাবে গতবারের তুলনায় প্রায় ২৫% হ্রাস পেয়েছে।তার মানে খাতা মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতিটা মনে হয় শুধুমাত্র কুমিল্লা বোর্ডের উপরই প্রয়োগ করা হয়েছে।আমার মনে হয় না কুমিল্লার শিক্ষার্থীরা, রংপুর, রাজশাহি,বরিশাল,দিনাজপুর,খুলানার শিক্ষার্থীদের চেয়ে কম মেধাবী।তাহলে কেন তাদের ফল বিপর্যয়? খাতা মূল্যায়নের নতুন পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে ভাল কথা কিন্তু অন্যান্য বোর্ডে এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকেই যায়।
কেউ কেউ Facebook, ClashOfClanes কে কুমিল্লা বোর্ডের ফলাফর বিপর্যয়ের কারন হিসেবে উল্লেখ করেছেন।তাদের কাছে প্রশ্ন FB, ClashOfClanes কি শুধু কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা খেলে???আবার অনেকে দোষ দিচ্ছেন অদক্ষ শিক্ষকদের।তার মানে শিক্ষকরা এই এক বছরে অদক্ষ হয়ে গেছে।গতবারও তো এই কথিত এই অদক্ষ শিক্ষকদের অধীনেই পাশের হার ছিল ৮৪%।এক বছরে শিক্ষকরা কিভাবে অদক্ষ হয় তা মাথায় ধরে না।যাক এতকথা বলে লাভ নাই।কুমিল্লা বোর্ডের শিক্ষার্থীদের প্রতি একটাই অনুরোধ থাকবে, তোমরা সকল বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে সামনের দিকে অগ্রসর হবে।সকলের প্রতি রইল শুভ কামনা।
মোঃইমরান হোসেন

01/05/2017

:::::::::::সকলের দৃষ্টি আকর্ষন করছি::::::::::
ফেইসবুকে বিজ্ঞাপন দেখে কেউ বই ক্রয় কিংবা কোচিংয়ে সেন্টারে ভর্তি হবেন না।কথায় আছে "দুষ্টু লোকের মিষ্টি হাসি"।তাদের বিজ্ঞাপন গুলো দেখলে মনে হবে আপনি অল্প পরিশ্রমেই বিসিএস ক্যরাডা হয়ে যাবেন।বিসিএস ক্যাডার হওয়ার ইচ্ছা থাকলে বড় ভাই বা আপুদের পরামর্শ নিন।আমার পরিচিত এক বড় ভাই কোচিং না করেই বিসিএস এর প্রিলি এবং রিটেন পরিক্ষায় উত্তীর্ন হয়ে কিছুদিন আগে ভাইবা দিছে।ওনার তথ্যমতে প্রিলিতে পাশ করতে হলে ভার্সিটি পরিক্ষার সময় যে ইংরেজি, সাধারন জ্ঞান,বাংলা পড়ছেন সেগুলো একটু রিভিউ করেন।তবে বিসিএস এর সিলেবাস সম্পূর্ণ করার জন্য কিছু নতুন বই ক্রয় করতে হবে।যেমন:বিজ্ঞান এর জন্য মাধ্যমিক এর নবম-দশম শ্রেণির সাধারন বিজ্ঞান বই,

27/04/2017

#ছিনতাই_নাকি_ডাকাতি????
গতকাল বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে কুমিল্লা থেকে ব্রাম্মনপাড়ার সিএনজি তে উঠলাম।গাড়িতে বসার সাথে সাথেই দেখলাম এক যুবক পিছন থেকে গাড়ি পিটানো শুরু করছে।তার হাতে সিএনজি ড্রাইভার ২০ টাকা ধরিয়ে দিল।সাথে সাথে গাড়ি পিটানো বন্ধ হয়ে গেল।পর্যাপ্ত যাত্রী উঠার পর সিএনজি চলতে শুরু করল।পালপাড়া দিয়ে যাওয়ার সময় এক লোক দুই হাত প্রসারিত করে গাড়ি থামিয়ে একটি স্লিপ দিল ড্রাইভারকে।এই যাত্রায় ড্রাইভার কর্তৃক ৬০ টাকা দিয়ে গাড়ি আবারো চলতে শুরু করল।কিছুক্ষণ পর ভরাশাল বাজারে আবারো সেই স্লিপ।এবার দেওয়া লাগল ২০ টাকা।এরপর বুড়িচংয়ে আরও ৫০ টাকা দেওয়া লাগল ।ব্রাম্মনপাড়া ও চৌমহনী লাগবে আরও ৬৫ টাকা।একজন ড্রাইভারের কুমিল্লা থেকে ব্রাম্মনপাড়া যেতে অবৈধ জিবি বাবদ দৈনিক খরচ হয় ২১৫ টাকা।মালিকে ৫০০ টাকা ও গ্যাস বিল দিয়ে খুব সামান্য টাকাই অবশিষ্ট থাকে।যা দিয়ে তার সংসার চালানো লাগে।আর একটা কথা বলে রাখা দরকার যে এই জিবির টাকা বাড়ানো হলে বাড়ানো হয় সাধারন যাত্রীর ভাড়া।তার মানে দাড়ায়, জিবির টাকা ড্রাইভার দিলেও এর প্রধান ভুক্তভুগি কিন্তু আমি আপনার মত সাধারন মানুষ।তাই এই অবৈধ চাঁদাবাজিকে এক প্রকারে ডাকাতিও বলা যায়।
জিবির টাকা কে নেয়? এই প্রশ্নের উত্তরে ড্রাইভার ভাই বলল, এই টাকা নাকি এমপি,বড় বড় রাজনৈতিক নেতা, চেয়ারম্যানদের পকেটে যায়।আমার জানা মতে আমাদের এলাকার যেই এমপি ওনি এই টাইপের লোক না।আমি আশা করব আমার ফ্রেন্ডলিস্টের রাজনৈতিক ব্যক্তিরা এই বিষয়টি একটু ভেবে দেখবেন।সমস্যাটার সমাধান করে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের উজ্জল ভাবমুর্তি রক্ষার্থে এগিয়ে আসবেন।এই এলাকা দিয়ে যদি এই অবৈধ জিবি বন্ধ করা যায় তাহলে একদিন দেখবেন আস্তে আস্তে সারাদেশে তা বন্ধ করা যাবে, ইনশাল্লাহ।
মোহাম্মদ ইমরান হোসেন

20/01/2017

ব্রেকআপ অতঃপর ভালবাসা
★★★★★★★★★★★
আমি আর তোমার সাথে রিলেশন কন্টিনিউ করতে পারব না।
আমার অপরাদ?
এত বেশি কথা বলো কেন?কোন অপরাদ নেই।আমার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে।ফাইনাল সেমিস্টার শেষ হওয়ার পরই বিয়ে।
কথাগুলো বলার ফারিয়া চলে গেল।কনক বিশ্বাস ই করতে পারছে না যে ফারিয়া তার সাথে ব্রেকআপ করছে।
এভাবে কিছুদিন চলে গেল।কনকের MBA প্রায় শেষের পথে।এদিকে ফারিয়ার বিবিএ ও প্রায় শেষের পথে।একই ভার্সিটির একই ডিপার্টমেন্টে পড়ে তারা।কিন্তু কনক সামিয়ার থেকে এক বছরের সিনিয়র।
আজকের দিনটা খুব ভিষন্ন লাগছে কনকের।
মাত্র কিছুদিন আগে ফারিয়ার সাথে
ব্রেকআপ হয়েছে তার।আজ মনের ভিষন্নতা
নিয়েই ভার্সিটিতে যাচ্ছে কনক।সার
ক্লাশ নিচ্ছেন।কিন্তু কনকের মন ক্লাশের
দিকে নেই।সে সারাক্ষন শুধু ফারিয়াকেই
ভাবছে।এইতো মাত্র কিছুদিন আগেও একজন
অন্যজনকে ছাড়া থাকতে পারত না।একদিন
কনক ফোন না দিলে কনকের সাথে খুব রাগ
করত ফারিয়।কিন্তু আজ কতদিন হয়ে গেল
কনক ফারিয়াকে কোন ফোন দিচ্ছে না।
দিবেই বা কেন। ফারিয়া নিজেই তো
কনকের সাথে ব্রেকআপ করল।কথাগুলো
ভাবছে আর ফারিয়ার স্মৃতিগুলো মনে
করছে কনক।ঠিক এমন সময় পিছন থেকে
ফাহাদের ডাক।
কনক, ,,,,দেখ দেখ ফারিয়া আসছে।
আজকে ফারিয়াকে খুব সুন্দর লাগছে।কনক
ফারিয়ার দিকে তাকাল।কিন্তু ফারিয়া
একটা হাসি দিয়ে মুখ অন্য দিকে ফিরিয়ে
নিল।এভাবেই চলে যাচ্ছিল তাদের
দিনগুলি।
শেষ ইয়ারের ফাইনাল পরিক্ষা চলছে।
আজকে শেষ পরিক্ষা।পরিক্ষা শেষে কনক
ফারিয়াকে ডাক দিয়ে কিছু বলতে চাইল।
ফারিয়া বলল, ,,,,,যা বলার জলদি বলেন।
আমার কাজ আছে।
কনক ফারিয়াকে জিঙ্গেস করল,,,,,,,
আচ্ছা তুমি এখনো আগের মত রাত বারটার
পর ছাদে যাও????
ফারিয়া রেগে উত্তর দিল আর কিছু
বলবে? ???
না তেমন কিছু বলার নেই।তুমি ভাল থেকো।
কিছু না বলেই ফারিয়া চলে গেল।
রেজাল্টের পর কনক একটি প্রাইভেট
ব্যাংকে ভাল একটি জব পেল।এভাবে ভালই
কাটছিল কনকের চাকরি জীবন।আস্তে
আস্তে ফারিয়াকে ও ভুলে যাচ্ছিল সে।
আজ বৃহঃবার।অফিস থেকে ফেরার পথে
হঠাৎ একটা ফোন দেখে কনক থমকে গেল।
আসলে ফোনটা ছিল ফারিয়ার।
কেমন আছ???
ফারিয়ার মিষ্টি কন্ঠস্বরটা অনেক দিন
পর,,,,,,,
ভাল।তো কি জন্য ফোন দিছো????
কাল তো শুক্রবার তোমার তো অফিস নেই।
কাল আমার সাথে একটু দেখা করতে
পারবে?????
কোথায়???
আমরা আগে সব সময় যেখানে দেখা করতাম
ঠিক সেখানেই।ঠিক চারটায় চলে আসবা।এই
বলে ফারিয়া ফোনটা কেটে দিল।
কেন ফারিয়া ফোন দিল??? কেনইবা কাল
যেতে বলল??? এসব চিন্তায় কনকের ঘুম
আসছে না।
পরের দিন ঠিক চারটার কিছু সময় আগে কনক
তার সেই চিরচেনা পার্কটিতে চলে গেল।
কিছুক্ষন পর ফারিয়াও আসল।কারো মুখে
কোন কথা নেই।আজ ফারিয়াকে অনেক
সুন্দর লাগছিল।সারাবেলা দুজনে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করল।যাবার সময় ফারিয়া ব্যাগ থেকে কি
যেন একটা বাহির করছে। একটি কার্ড
কনকের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ,,,,,সামনের
১৫ তারিখ আমার বিয়ে। তোমার দাওয়াত
রইল।এই বলে সে চলে গেল।কনক কার্ডটি
খুলে দেখল এখানে কনের নাম লেখা আছে কিন্তু বরের নাম লেখা নেই ।
অনেক আশা নিয়ে এসে
একরাস হতাশা নিয়েই বাসায় ফিরে গেল
কনক।আজ থেকে ফারিয়ার নামটি চিরতরে
মন থেকে মুছে ফেলবে বলে ঠিক করল কনক।
বাড়ি থেকে ফোন আসল।
সামনের সপ্তায় কিছুদিন ছুটি নিস। তোর
জন্য মেয়ে দেখতে যাব।পছন্দ হলে বিয়ে হয়ে যাবে।
আচ্ছা ঠিক আছে বলে কনক ফোনটা কেটে
দেয়।
পরের সপ্তাহে বাবার কথামত ছুটি নিয়ে
বাড়ি গেল কনক।একটি নির্দিষ্ট দিন তারা
মেয়ে দেখতে গেল।নাশতা করার পর কনকের
বাবা বলল,,,, যার সাথে সারা জীবন ঘর
করবি তার সাথে একটু কথা বলে
আসো।
কনক অচেনা মেয়েটির রুমে গেল।কিছুক্ষন
কথা বলার পর কনক বলতে লাগল,,,,,
আপনার কন্ঠটা কেমন যেন চেনা চেনা
লাগছে।
ফাজিল এই কয়দিনে আমার কন্ঠও ভুলে গেছছ।তুমি জান না আজকে ১৫ তারিখ?
কনক থমকে গেল ফারিয়াকে দেখে।
জানি তো।আজকে তো তোমার বিয়ে
হওয়ার কথা।
কেন তুমি আমার কার্ডটা পরে দেখনি আজ
আমার বিয়ে না অন্য কিছু????
হুম দেখছি তো। সেখানে শুধু তোমার নাম ছিলো।বরের নাম নেই।
কার্ডের উপরের অংশটা পড়নি?
কনক মানিব্যাগ থেকে ফারিয়ার দেওয়া
কার্ডটি বের করে দেখল যে এটি একটি
জন্মদিনের কার্ড ছিল।
এসবের মানে কি?
সবকিছুই তোমাকে চমকে দিবার জন্য
করেছি।
তাই বলে ৫মাস আমার সাথে কথা না বলে
থাকতে পারলে????
হুম, ,পারছি।কথা বললে তুমি এত তারাতারি
প্রতিষ্ঠিত হতে পরতে?
সেটা অবশ্য ঠিক।
আর কোন কথা নয় এখন শপিংয়ে যাব।রাতে বিয়ে।
রাতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

20/01/2017

আজকের দিনটা খুব ভিষন্ন লাগছে কনকের।
মাত্র কিছুদিন আগে ফারিয়ার সাথে
ব্রেকআপ হয়েছে তার।আজ মনের ভিষন্নতা
নিয়েই ভার্সিটিতে যাচ্ছে কনক।সার
ক্লাশ নিচ্ছেন।কিন্তু কনকের মন ক্লাশের
দিকে নেই।সে সারাক্ষন শুধু ফারিয়াকেই
ভাবছে।এইতো মাত্র কিছুদিন আগেও একজন
অন্যজনকে ছাড়া থাকতে পারত না।একদিন
কনক ফোন না দিলে কনকের সাথে খুব রাগ
করত ফারিয়।কিন্তু আজ কতদিন হয়ে গেল
কনক ফারিয়াকে কোন ফোন দিচ্ছে না।
দিবেই বা কেন। ফারিয়া নিজেই তো
কনকের সাথে ব্রেকআপ করল।কথাগুলো
ভাবছে আর ফারিয়ার স্মৃতিগুলো মনে
করছে কনক।ঠিক এমন সময় পিছন থেকে
ফাহাদের ডাক।
কনক, ,,,,দেখ দেখ ফারিয়া আসছে।
আজকে ফারিয়াকে খুব সুন্দর লাগছে।কনক
ফারিয়ার দিকে তাকাল।কিন্তু ফারিয়া
একটা হাসি দিয়ে মুখ অন্য দিকে ফিরিয়ে
নিল।এভাবেই চলে যাচ্ছিল তাদের
দিনগুলি।
শেষ ইয়ারের ফাইনাল পরিক্ষা চলছে।
আজকে শেষ পরিক্ষা।পরিক্ষা শেষে কনক
ফারিয়াকে ডাক দিয়ে কিছু বলতে চাইল।
ফারিয়া বলল, ,,,,,যা বলার জলদি বলেন।
আমার কাজ আছে।
কনক ফারিয়াকে জিঙ্গেস করল,,,,,,,
আচ্ছা তুমি এখনো আগের মত রাত বারটার
পর ছাদে যাও????
ফারিয়া রেগে উত্তর দিল আর কিছু
বলবে? ???
না তেমন কিছু বলার নেই।তুমি ভাল থেকো।
কিছু না বলেই ফারিয়া চলে গেল।
রেজাল্টের পর কনক একটি প্রাইভেট
ব্যাংকে ভাল একটি জব পেল।এভাবে ভালই
কাটছিল কনকের চাকরি জীবন।আস্তে
আস্তে ফারিয়াকে ও ভুলে যাচ্ছিল সে।
আজ বৃহঃবার।অফিস থেকে ফেরার পথে
হঠাৎ একটা ফোন দেখে কনক থমকে গেল।
আসলে ফোনটা ছিল ফারিয়ার।
কেমন আছ???
ফারিয়ার মিষ্টি কন্ঠস্বরটা অনেক দিন
পর,,,,,,,
ভাল।তো কি জন্য ফোন দিছো????
কাল তো শুক্রবার তোমার তো অফিস নেই।
কাল আমার সাথে একটু দেখা করতে
পারবে?????
কোথায়???
আমরা আগে সব সময় যেখানে দেখা করতাম
ঠিক সেখানেই।ঠিক চারটায় চলে আসবা।এই
বলে ফারিয়া ফোনটা কেটে দিল।
কেন ফারিয়া ফোন দিল??? কেনইবা কাল
যেতে বলল??? এসব চিন্তায় কনকের ঘুম
আসছে না।
পরের দিন ঠিক চারটার কিছু সময় আগে কনক
তার সেই চিরচেনা পার্কটিতে চলে গেল।
কিছুক্ষন পর ফারিয়াও আসল।কারো মুখে
কোন কথা নেই।আজ ফারিয়াকে অনেক
সুন্দর লাগছিল।সারাবেলা দুজনে বিভিন্ন স্থানে ঘুরাঘুরি করল।যাবার সময় ফারিয়া ব্যাগ থেকে কি
যেন একটা বাহির করছে। একটি কার্ড
কনকের হাতে ধরিয়ে দিয়ে বলল, ,,,,,সামনের
১৫ তারিখ আমার বিয়ে। তোমার দাওয়াত
রইল।এই বলে সে চলে গেল।কনক কার্ডটি
খুলে দেখল এখানে কনের নাম লেখা আছে কিন্তু বরের নাম লেখা নেই ।
অনেক আশা নিয়ে এসে
একরাস হতাশা নিয়েই বাসায় ফিরে গেল
কনক।আজ থেকে ফারিয়ার নামটি চিরতরে
মন থেকে মুছে ফেলবে বলে ঠিক করল কনক।
বাড়ি থেকে ফোন আসল।
সামনের সপ্তায় কিছুদিন ছুটি নিস। তোর
জন্য মেয়ে দেখতে যাব।পছন্দ হলে বিয়ে হয়ে যাবে।
আচ্ছা ঠিক আছে বলে কনক ফোনটা কেটে
দেয়।
পরের সপ্তাহে বাবার কথামত ছুটি নিয়ে
বাড়ি গেল কনক।একটি নির্দিষ্ট দিন তারা
মেয়ে দেখতে গেল।নাশতা করার পর কনকের
বাবা বলল,,,, যার সাথে সারা জীবন ঘর
করবি তার সাথে একটু কথা বলে
আসো।
কনক অচেনা মেয়েটির রুমে গেল।কিছুক্ষন
কথা বলার পর কনক বলতে লাগল,,,,,
আপনার কন্ঠটা কেমন যেন চেনা চেনা
লাগছে।
ফাজিল এই কয়দিনে আমার কন্ঠও ভুলে গেছছ।তুমি জান না আজকে ১৫ তারিখ?
কনক থমকে গেল ফারিয়াকে দেখে।
জানি তো।আজকে তো তোমার বিয়ে
হওয়ার কথা।
কেন তুমি আমার কার্ডটা পরে দেখনি আজ
আমার বিয়ে না অন্য কিছু????
হুম দেখছি তো। সেখানে শুধু তোমার নাম ছিলো।বরের নাম নেই।
কার্ডের উপরের অংশটা পড়নি?
কনক মানিব্যাগ থেকে ফারিয়ার দেওয়া
কার্ডটি বের করে দেখল যে এটি একটি
জন্মদিনের কার্ড ছিল।
এসবের মানে কি?
সবকিছুই তোমাকে চমকে দিবার জন্য
করেছি।
তাই বলে ৫মাস আমার সাথে কথা না বলে
থাকতে পারলে????
হুম, ,পারছি।কথা বললে তুমি এত তারাতারি
প্রতিষ্ঠিত হতে পরতে?
সেটা অবশ্য ঠিক।
আর কোন কথা নয় এখন শপিংয়ে যাব।রাতে বিয়ে।
রাতে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো।

18/01/2017

বৃষ্টি ভেজা ভালবাসা
___________________

মুষলধারে বৃষ্টি পরছে।বৃষ্টির মধ্যেই
পার্কের এক কোনে বসে আছে নীলা।বিমর্ষ
মনে একগ্রচিত্তে কি যেন ভাবছে সে।মনে
হচ্ছে বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা তার মনের
দুঃখ কষ্টগুলো ধুয়ে নিয়ে যাচ্ছে।হঠাৎ তার
মাথার উপরে আর বৃষ্টির পানি পরছে না।
বৃষ্টি থামল নাকি থামল না সেদিকে কোন
খেয়ালও নেই তার।একটি কন্ঠ শুনে চমকে
উঠল নীলা।
,,,
এভাবে বৃষ্টিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগতে
পারে।
,
পেছনে ফিরে তাকাতেই নীলা দেখতে
পেল কে যেন একজন তার মাথার উপরে
ছাতা নিয়ে দাড়িয়ে আছে।
,
কে আপনি??? এভাবে ছাতা নিয়ে দাড়িয়ে
আছেন কেন???
,
আপাতত দৃষ্টিতে আমি একজন মানুষ।একজন
মানুষ হয়ে কিভাবে একজন মানুষকে বৃষ্টিতে
বিজতে দেই বলেন?
,,
এভাবে দুজনের মধ্যে অনেক্ষন কথা হলো।
আবির ছিল খুব মজার মানুষ।আবিরের কথা
শুনে নীলার বিমর্ষ মনে হাসির ফোয়ারা
দেখা দিল।
এতক্ষনে বৃষ্টিও থেমে গেছে।,,
,
বৃষ্টি থেমে গেছে।আমি চললাম।
এই বলে নীলা উঠে পরল।
,,
বিমর্ষ মন।কিছুইতো জানা হলো না।
নামটা জানা যাবে???
,
আমি নীলা।আপনি??
,
আমি আবির।একটি কোম্পানিতে জব করি।
এই নিন আমার কার্ড।মন চাইলে স্মরন
করবেন।
,,
এই বলে আবির আর নীলা দুজন দুদিকে চলে
গেল।
,,,
রাত ১২।আবিরের মোবাইল ফোনটি বেজে
উঠল।ফোনের ওপাশ থেকে মিষ্টি কন্ঠ
ভেসে আসল।
হ্যালো,,,, আমি নীলা,,
মনটা খুব খারাপ তাই এত রাতে আপনাকে
বিরক্ত করলাম।
,,,its ok....
কিছুক্ষণ কথা বলার পর,,,,
ও আচ্ছা,,, আপনার Love story কিন্তু এখনো
জানা হলো না।,,
খুব ভালবাসতাম ওকে।ও আমাকে এক বিন্দুও
ভালবাসে নি।ও আমাকে ধোকা দিয়েছে।
এভাবে অনর্গল নিজের প্রেমকাহিনী বলে
যাচ্ছে নীলা।
এক পর্যায়ে কেদে ফেলল সে।
sorry,,,,আপনাকে কাদিয়ে ফেললাম।
আবির নীলাকে শান্তনা দিল।কিছু
রসিকতা করে নীলাকে হাসতে বাধ্য করল
সে।
,
এভাবে দিনে দিনে তাদের মাঝে একটা
ভাল বন্ধুত্ব গরে উঠল।
প্রায়ই তারা বিভিন্ন স্থানে ঘুড়তে যেত।
আপনি থেকে একে অপরকে তুমি করে
ডাকতে শুরু করল।
,,
একদিন রাতে নীলার ফোন।
আবির ফোন রিসিভ করার সাথে সাথেই
ওপাশ থেকে কান্নার আওয়াজ।
কাদছ কেনো???
হঠাৎ প্রচন্ড মাথা ব্যথা।ঘুম ও আসতেছে
না।(কান্নারত অবস্থায়)কি যে করি??
,
সব ঠিক হয়ে যাবে।ঔষধপত্র কিছু কি
আছে????
,
নেই।
,,
খাবারের কিছু আছে???
,
না নেই।মেসে থাকি।এত রাতে খাবার
পাব কোথায়।
,
আচ্ছা ফোন রাখ। আমার খুব ঘুম পাচ্ছে।
তুমিও ঘুমিয়ে যাও।
এই বলে আবির ফোন কেটে দিল।
নীলার অসুস্থতার খবর শুনেও আবির ফোনটা
কেটে দিল।
তাই আবিবের প্রতি কিছুটা বিরক্ত সে।
মাথা ব্যথার করনে ঘুম আসছে না তার।
কখনো বিছানার এপাশ ওপাশ কখনো
দাড়িয়ে থাকা এভাবেই রাত কেটে যাচ্ছে
তার।
হঠাৎ আবিরের ফোন।
হ্যালো,,,
তোমার চোখে ত অনেক ঘুম।ঘুম নষ্ট করে
আমাকে ফোন দেওয়ার কি দরকার ছিল।
,,
বেশি কথা না বলে জানালাটা খোল।
নীলা জানালা খোলে অবাক হয়ে গেল।
আবির নীলার জন্য ব্রেড ও ঔষধ নিয়ে নীচে
দাড়িয়ে আছে।
আগে ব্রেডটা খাবে।তারপর ঔষধ খেয়ে
ঘুমিয়ে পরবে।
এই বলে আবির চলে গেল।ঔষধ খাওয়ার পর
নীলার মাথা ব্যথাও সেরে গেছে।
দিন যতই যাচ্ছে আবির ততই নীলার প্রতি
দূর্বল হয়ে পরছে।মনে মনে তাকে পছন্দ
করলেও ভয়ে প্রকাশ করতে পারছে না।
আজ শুক্রবার।সকালে নীলার ফোন।,,
হ্যালো,,, আজ তো তোমার অফিস নেই।
আমার কিছু কেনাকাটা আছে।তোমার কি
একটু সময় হবে আমার সাথে যাওয়ার???
আবির কোনো সংকোচ না করেই রাজি
হয়ে।
বিকেলের দিকে নীলা আবিরকে নিয়ে
শপিংয়ে যায়।কেনা কাটা শেষ।শপিং
থেকে বের হবার সময় নীলার আরেকটা
ড্রেস পছন্দ হয়।কিন্তু তখন তার কাছে আর
কোনো টাকা ছিল না।আবিরের কাছে ধার
চাইলে আবির টাকা নাই বলে দেয়।
জলদি চলো আমার কাজ আছে।এই বলে
আবির নীলকে গাড়িতে উঠিয়ে দেয়।পরে
নীলার পছন্দকরা ড্রেসটা নিজের টাকায়
কিনে আনে সে।
পরের দিন খুব সকালে আবিরের ফোন।
একটু পার্কের দিকে আসতে পারবে???
,,,
এত সকালে পার্কে কেনো???
,,,
আরে কথা না বাড়িয়ে জলধি আসো তো,,
,
পার্কে গিয়ে নীলা চমকে গেল।
,,কেক গিফট এগোলার মানে কি??/
Happy Birthday To you বলতে লাগল আবির।
আবিরের কান্ড দেখে নীলা আর্শ্চর্য হয়ে
গেল।মনে মনে অনেক খুশি হলো সে। আচ্ছা
তুমি আমার জন্ম তারিখ জানলে
কিভাবে???
তোমার Facebook থেকে।
আবির নীলাকে গাড়িতে তুলে দিয়ে
অফিসে চলে গেল।
রাতে নীলা আবিরের গিফটা খুলে দেখল
যে,, যে ড্রেসটা নীলা টাকার জন্য কিনতে
পারে নি সেই ড্রেসটাই আবির নীলার
জন্মদিনে উপহার দিল।
,,,,
আবির মনস্থির করল,, যে করেই হোক
নীলাকে তার মনের কথা বলতেই হবে।
বিকালে নীলাকে পার্কে দেখা করার জন্য
ফোন দেয় সে।একটা লাল গোলাপ নিয়ে
একটু আগেই এসে আবির।কিছুক্ষন অপেক্ষার
পর নীলা চলে আসে।আবির আজ
দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।যে করেই হোক তার মনের কথা
নীলাকে বলতেই হবে।নীলা আসার পর
আবির নীলাকে গোলাপটি দেয়।তাদের
মাঝে কুশল বিনিময় হয়।আবির কিছু একটা
বলতে চাচ্ছে।তার আগেই নীলা কিছু
বলতেছে।
তোমাকে একটা important কথা বলা হয়নি,,
গতকাল বাড়ি থেকে আব্বুর ফোন আসছিল।
ওনি খুব অসুস্থ।হার্টের রোগী।আমার জন্য
পাত্রও নাকি ঠিক করে ফেলেছেন।সে
অনেক আগে থেকেই নাকি ওনার পছন্দ।
আমি আজ জানলাম।এদিকে আমার
পড়াশুনাও complete হয় নি।আবার রাজি না
হলে আব্বু আরো অসুস্থ হয়ে যাবেন।আমি
এখন কি করব আবির???
,,
নীলার কথা শুনে আবিরের চোখে মুখে
হতাশার ছাপ স্পষ্ট। তার এত দিনের
লালিত স্বপ্ন যেন নিমিষেই শেষ হয়ে
যাচ্ছে।
যেহেতো তোমার বাবা অসুস্থ তাহলে
রাজি হয়ে যাও।
আমিও সেটা ভাবছি।আচ্ছা তুমি ফুল দেবার
সময় কিছু বলতে চাচ্ছিলে।বল কি বলতে
চাও??
,,
কিছু না।আজ উঠি অন্য একদিন কথা হবে।
নীলাকে গাড়িতে উঠিয়ে দিয়ে আবির
বিমর্ষ মনে বাসায় চলে গেল।পরের দিন
নীলা বাড়ি যাওয়ার পূর্বে আবিরের ফোন
বন্ধ পায়।তাই তার সাথে দেখা করতে সে
তার বাসায় যায়।বাসায় আবির ছিল না।
তবে তার ডেস্কের উপর একটা ডায়রি পায়
সে।ডায়রি পড়ে নীলা বুঝতে পারে যে
আবির তাকে অনেক ভালবাসে।ডায়রি পড়ে
আবেগে আপ্লুত হয়ে যায় সে। আবিরের সকল
স্মৃতি নীলার এক নিমিষেই মনে পরে যায়।
বাড়িতে ফোন করে আবির সম্পর্কে সব কিছু
তার বাবা মাকে বলে।তার বাবা নীলার
কথায় রাজি হয়।নীলার মনেও ছিল
আবিরের জন্য অনেক ভালবাসা।বাড়িতে
কথা বলার পর সোজা সে চলে যায়
আবিরের অফিসে।সেখানে গিয়ে জানতে
পারে যে সে কিছুক্ষন আগে ছুটি নিয়ে
বাসায় চলে গেছে।এদিকে তার ফোনটাও
ছিল অফফ। আবার আবিরের বাসায় যায় সে।
কিন্তু এবারো তাকে বাসায় পাওয়া যায়
নি।এদিকে বাহিরে অঝোরে বৃষ্টি পরছিল।
নীলা আবার রিক্সা নিয়ে বের হয়ে গেল
আবিরকে খুজতে।
,,
মুষলধারে বৃষ্টি পরছে।বৃষ্টির মধ্যেই
পার্কের এক কোনে বসে আছে আবির।"
বিমর্ষ মনে একগ্রচিত্তে কি যেন ভাবছে
সে।মনে হচ্ছে বৃষ্টির প্রতিটি ফোটা তার
মনের দুঃখ কষ্টগুলো ধুয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
হঠাৎ তার মাথার উপরে আর বৃষ্টির পানি
পরছে না।বৃষ্টি থামল নাকি থামল না
সেদিকে কোন খেয়ালও নেই তার।একটি
কন্ঠ শুনে চমকে উঠল আবির।
,,,
এভাবে বৃষ্টিতে ভিজলে ঠান্ডা লাগতে
পারে।
শুনে মনে হচ্ছে যেন তার বলা কোন এক
কথার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
,
পেছনে ফিরে তাকাতেই আবির দেখতে
পেল নীলাকে।তার মাথার উপরে
ছাতা নিয়ে দাড়িয়ে আছে সে।
এভাবে কেউ ফুল নিয়ে কেউ বৃষ্টিতে বসে
থাকে??
আবির পেছনে ফিরে নিলাকে দেখতে পেল।
আজ আর কোন ইতস্থ না করে নিলা সরাসরি
বলে ফেলল।
,,Will you marry me??
আবির সাধরে নীলার প্রস্তাব মেনে নিয়ে নীলাকে জরিয়ে দরল।
এটাই ছিল আবির আর নীলার কাছে আসার
গল্প।

Address

Cumilla
3590

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A White Elephant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category