C/O Nobody

Directions

C/O Nobody এই পৃথিবীতে সবচাইতে আনকমন বস্তু হচ্ছে কমনসেন্স।
(1)

আল্লাহ বাচাইসে এই ভদ্রমহিলা জিসানের মা না। তাহলে এই রেজাল্ট করা ওর পক্ষে সম্ভব হতো না। কোথায় রেজাল্ট নিয়ে একটু প্রশংসা...
12/08/2026

আল্লাহ বাচাইসে এই ভদ্রমহিলা জিসানের মা না। তাহলে এই রেজাল্ট করা ওর পক্ষে সম্ভব হতো না। কোথায় রেজাল্ট নিয়ে একটু প্রশংসা করবে, তা না। কেনো নাম্বার কাটা গেলো সে হিসাব নিচ্ছে। প্রথমে ভেবেছিলাম মজা করে বলছে। আরেকজন উনার কমেন্টে রিপ্লাই করাতে ঝগড়া লেগে গেলো। উনি নাকি একজন সন্তানের মা হিসেবে জিজ্ঞেস করতে পারে এ কথা। আপু, আপনার সন্তান যত ভালো রেজাল্টই করুক, আপনার কারণে আজীবন সে হীনমন্যতায় ভোগবে।

আস্তিক বনাম নাস্তিক: বিশ্বাসের স্বাধীনতা, অবিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদাপৃথিবীতে যত মানুষ, তত রকম চিন্তা। কেউ ...
08/08/2026

আস্তিক বনাম নাস্তিক: বিশ্বাসের স্বাধীনতা, অবিশ্বাসের স্বাধীনতা এবং মানুষের মর্যাদা

পৃথিবীতে যত মানুষ, তত রকম চিন্তা। কেউ আল্লাহকে বিশ্বাস করেন, কেউ ভগবানকে, কেউ ঈশ্বর বা গডকে। আবার কেউ মনে করেন, এই মহাবিশ্বকে ব্যাখ্যা করার জন্য কোনো অতিপ্রাকৃত সত্তায় বিশ্বাস করার প্রয়োজন নেই। এই ভিন্নতা কোনো সমস্যা নয়; বরং মানুষের চিন্তার স্বাভাবিক বৈচিত্র্য।

কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা অনেক সময় একজন মানুষকে তাঁর চরিত্র দিয়ে নয়, তাঁর বিশ্বাস দিয়ে বিচার করি। কেউ যদি ধর্মে বিশ্বাস না করেন, অনেকেই ধরে নেন তিনি নিশ্চয়ই নৈতিকতাহীন, ধর্মবিদ্বেষী বা খারাপ মানুষ। আবার কেউ ভিন্ন ধর্ম অনুসরণ করলে, তাঁকে অনেক সময় এমনভাবে দেখা হয় যেন তিনি "ভুল মানুষ"।

আমার কাছে এই দুই ধারণাই ভুল।

একজন মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করেন—এটি তাঁর ব্যক্তিগত বিশ্বাস। আরেকজন মানুষ ধর্মে বিশ্বাস করেন না—এটিও তাঁর ব্যক্তিগত অবস্থান। এই দুইয়ের কোনোটিই নিজে নিজে একজন মানুষকে ভালো বা খারাপ বানিয়ে দেয় না।

আমরা প্রায়ই "নাস্তিক" শব্দটিকে এমনভাবে ব্যবহার করি, যেন এটি কোনো অপরাধের পরিচয়। অথচ নাস্তিক হওয়ার অর্থ কেবল এতটুকুই—তিনি কোনো ঈশ্বর বা অতিপ্রাকৃত শক্তির অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না। এর অর্থ এই নয় যে তিনি সততায় বিশ্বাস করেন না, মানুষের প্রতি দায়বদ্ধ নন, ভালোবাসা বোঝেন না বা ন্যায়বিচারের মূল্য দেন না।

একজন নাস্তিকও নিজের পরিবারকে ভালোবাসতে পারেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে পারেন, সত্য কথা বলতে পারেন এবং নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকতে পারেন। ঠিক যেমন একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষও মানবিক, সৎ এবং মহান হতে পারেন।

তাই একজন মানুষের পরিচয় তাঁর বিশ্বাস দিয়ে নয়, তাঁর আচরণ দিয়ে হওয়া উচিত।

একজন দুর্নীতিবাজ, প্রতারক বা নিষ্ঠুর মানুষ যদি ধর্মীয় পরিচয় বহন করেন, তাহলে তাঁর ধর্মীয় পরিচয় তাঁকে ভালো মানুষ বানিয়ে দেয় না। আবার একজন সৎ, ন্যায়পরায়ণ ও মানবিক মানুষ যদি নাস্তিক হন, তাহলে তাঁর অবিশ্বাস তাঁকে খারাপ মানুষ বানিয়ে দেয় না।

আমাদের উচিত মানুষের বিচার তাঁর কাজ দিয়ে করা—তাঁর বিশ্বাস দিয়ে নয়।

একইভাবে, একজন ধর্মবিশ্বাসী মানুষের বিশ্বাসকে উপহাস করাও যেমন অন্যায়, তেমনি একজন নাস্তিককে শুধু তাঁর অবিশ্বাসের কারণে ঘৃণা করা, অপমান করা বা সমাজের জন্য বিপজ্জনক মানুষ হিসেবে তুলে ধরাও অন্যায়। সম্মান যদি চাই, তাহলে সেই সম্মান সবার জন্যই হতে হবে।

আরেকটি বিষয় নিয়ে আমার ব্যক্তিগত একটি উপলব্ধি আছে।

পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি ধর্মের অনুসারীই বিশ্বাস করেন, একমাত্র তাঁদের ধর্মই সত্যের পথ। এটি তাঁদের ধর্মীয় বিশ্বাস, এবং সেই বিশ্বাস ধারণ করার পূর্ণ অধিকার তাঁদের আছে। কিন্তু সেই বিশ্বাস প্রকাশের ভাষাও গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক সময় আমরা এমনভাবে কথা বলি—"যারা আমার ধর্মে বিশ্বাস করে না, তারা সবাই জাহান্নাম/নরকে যাবে", "তারা কখনো মুক্তি পাবে না।"

আমি মনে করি, এই ধরনের বাক্য অন্য মানুষের বিশ্বাসকে অস্বীকার করে এবং তাঁদের সম্পর্কে এমন একটি চূড়ান্ত রায় দিয়ে দেয়, যেটি দেওয়ার অধিকার আমাদের কারও নেই।

যদি কেউ নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা বলতে চান, তাহলে তিনি বলতে পারেন—

"আমার ধর্ম আমাকে শিক্ষা দেয়, আমি যদি এই বিশ্বাস থেকে সরে যাই, তাহলে আমার জন্য এমন পরিণতি হতে পারে। তাই আমি এই বিশ্বাস অনুসরণ করি।"

এখানে নিজের বিশ্বাসের কথা বলা হচ্ছে, অন্যের ভাগ্য নির্ধারণ করা হচ্ছে না। আমার কাছে এই পার্থক্যটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বিশ্বাস ব্যক্তিগত হতে পারে, কিন্তু সম্মান হওয়া উচিত সর্বজনীন।

আমরা সবাই যদি নিজের বিশ্বাসকে সম্মান করতে চাই, তাহলে অন্যের বিশ্বাস কিংবা অবিশ্বাসের অধিকারকেও একইভাবে সম্মান করতে হবে। স্বাধীনতা কখনো একপাক্ষিক হতে পারে না। আমি আমার বিশ্বাস প্রকাশ করব, কিন্তু অন্যের ভিন্ন বিশ্বাস প্রকাশের অধিকার অস্বীকার করব—এটি স্বাধীনতার চেতনার সঙ্গে যায় না।

আমরা সবাই একইভাবে ভাবব—এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মতভেদ থাকবে, বিতর্ক থাকবে, যুক্তি থাকবে। কিন্তু সেখানে যেন অপমান না থাকে, বিদ্বেষ না থাকে, ব্যক্তিগত আক্রমণ না থাকে। কারণ যুক্তি মানুষকে ভাবতে শেখায়, আর ঘৃণা শুধু মানুষকে মানুষ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমি ধর্মের বিরুদ্ধে নই। আবার নাস্তিকতার পক্ষেও কোনো প্রচারণা করছি না।

আমি শুধু বলতে চাই—ধর্মবিশ্বাসী হওয়া যেমন অপরাধ নয়, তেমনি নাস্তিক হওয়াও অপরাধ নয়। এই দুটোই মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয়। একজন মানুষের চরিত্রের সনদ নয়।

শেষ পর্যন্ত একজন মানুষকে মূল্যায়ন করা উচিত তাঁর সততা, ন্যায়বোধ, মানবিকতা, দায়িত্ববোধ এবং অন্য মানুষের প্রতি তাঁর আচরণ দিয়ে। আমরা হয়তো কোনো দিন একই বিশ্বাসে পৌঁছাতে পারব না। কিন্তু আমরা যদি একে অপরের ভিন্ন বিশ্বাসকে সম্মান করতে শিখি, যদি একজন মানুষকে তাঁর বিশ্বাসের আগে মানুষ হিসেবে দেখতে শিখি, তাহলে সমাজে ঘৃণা কমবে, সহনশীলতা বাড়বে, আর আমাদের ভবিষ্যৎ হবে আরও সুন্দর।

সবশেষে, আমার একটি বিশ্বাস আছে।

ঈশ্বরে বিশ্বাস করা একজন মানুষের অধিকার। ঈশ্বরে বিশ্বাস না করাও একজন মানুষের অধিকার। কিন্তু একজন মানুষকে শুধু তাঁর বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের কারণে ছোট করা—কোনোটিই আমাদের অধিকার নয়।

কারণ মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় তার ধর্ম নয়, তার অধর্মও নয়।

মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয়—সে কতটা মানুষ।

- এমএনএইচ টুটুল

゚

05/07/2026

এই ভিডিওটা সেই সব বাংলাদেশের ব্রাজিলিয়ান রেফারীর জন্য, যারা বলে ক্যাপ ভার্দের সাথে মেসির গোলটা অফসাইড ছিলো। তোমাদের জন্য শুধু বল পাস দেয়ার অংশটুকুই এখানে দিলাম। এর বেশি দিলে আবার তোমাদের মাথা আওলাইয়া যাইবো😁

#ভোদাই

স্পোর্টস ডেস্ক | সেভেন আপবিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে জার্মানি। আর এই খবর...
30/06/2026

স্পোর্টস ডেস্ক | সেভেন আপ

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ টাইব্রেকারে প্যারাগুয়ের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে জার্মানি। আর এই খবর প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই ব্রাজিল দলের ড্রেসিং রুমে নাকি বেজে উঠেছে—"বেঁচে গেছি!" ধ্বনি। যদিও ব্রাজিল ফুটবল ফেডারেশন আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু স্বীকার করেনি, তবে নির্ভরযোগ্য "চা-স্টল সূত্র" জানিয়েছে, দলের অনেকেই স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, জার্মানি যদি রাউন্ড অব সিক্সটিনে উঠতে পারত, তাহলে নকআউট পর্বে তাদের মুখোমুখি হতে হতো ব্রাজিলকে। আর এই সম্ভাবনাই নাকি ব্রাজিল শিবিরে সবচেয়ে বড় দুশ্চিন্তার কারণ ছিল।

কারণটা নতুন কিছু নয়। ফুটবল ইতিহাসের সেই বহুল আলোচিত 'সেভেন আপ' ঘটনার স্মৃতি এখনো ব্রাজিল সমর্থকদের মনে তাজা। তাই জার্মানির বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ মানেই—সোশ্যাল মিডিয়ায় মিমের বন্যা, সমর্থকদের নিদ্রাহীন রাত, আর গোলপোস্টের সামনে ব্রাজিলের রক্ষণভাগের কাঁপুনি!

একজন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্রাজিল সমর্থক বলেন,
"জার্মানি বাদ পড়েছে শুনে মনে হলো যেন পরীক্ষার আগের রাতে ঘোষণা এসেছে—পরীক্ষা বাতিল!"

এদিকে ব্রাজিল দলের এক কাল্পনিক কর্মকর্তা হাসতে হাসতে বলেন,
"আমরা প্রতিপক্ষকে ভয় পাই না। তবে কিছু কিছু স্কোরলাইনকে সম্মান করি!"

বিশ্ব ফুটবলের পরিসংখ্যানবিদদের ভাষায়, জার্মানির বিদায়ে সবচেয়ে বেশি স্বস্তি পেয়েছে হয়তো ব্রাজিলের গোলরক্ষকরাই। কারণ আরেকটি 'সেভেন আপ' শিরোনাম নিয়ে সারা বিশ্বের ট্রল পেজগুলোকে নতুন করে ব্যস্ত হওয়ার সুযোগ আর থাকল না।

অন্যদিকে ব্রাজিল সমর্থকদের দাবি, এবার তাদের দল নিশ্চিন্তে পরের ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে পারবে। অন্তত স্কোরবোর্ডে ৭ সংখ্যাটা দেখলেই বুক ধড়ফড় করার দিনগুলো আপাতত শেষ!

সেভেন আপের বিশেষ মন্তব্য:

"জার্মানি বিদায় নিয়েছে, কিন্তু 'সেভেন আপ' স্মৃতি এখনো ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে গ্যাসভরা কোমল পানীয়!"

মা...পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট শব্দগুলোর একটি, অথচ সবচেয়ে বড় আশ্রয়ের নাম।ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মুহূর্তের মধ্যেই সবক...
27/06/2026

মা...

পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট শব্দগুলোর একটি, অথচ সবচেয়ে বড় আশ্রয়ের নাম।

ভেনেজুয়েলার ভয়াবহ ভূমিকম্পে মুহূর্তের মধ্যেই সবকিছু বদলে যায়। চারদিকে ভবন ধসে পড়ছে, মানুষ প্রাণ বাঁচাতে ছুটছে, মৃত্যুর আতঙ্ক গ্রাস করছে সবাইকে। কিন্তু সেই বিভীষিকার মাঝেও একজন মা নিজের দুই বছরের ছোট্ট মেয়েকে শক্ত করে বুকের মধ্যে জড়িয়ে ধরে রেখেছিলেন। তিনি জানতেন না তিনি বাঁচবেন কি না, কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চেষ্টা করেছিলেন যেন তাঁর সন্তানের গায়ে কোনো আঘাত না লাগে।

উদ্ধারকর্মীরা যখন ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সেখানে পৌঁছান, তখন দেখতে পান মায়ের নিথর দেহ। কিন্তু তাঁর বুকের ভেতর, সেই শেষ আলিঙ্গনের নিরাপদ আশ্রয়ে অলৌকিকভাবে বেঁচে আছে ছোট্ট মেয়েটি। নিজের জীবন দিয়ে তিনি সন্তানকে পৃথিবীতে বাঁচিয়ে রেখে গেছেন।

হয়তো এটাই "মা" হওয়ার সবচেয়ে নিখুঁত সংজ্ঞা।
মায়েরা কখনো হিসাব করে ভালোবাসে না। তারা ভাবে না নিজের জীবন আগে, না সন্তানের জীবন আগে। তাদের কাছে সন্তানের এক ফোঁটা হাসি নিজের হাজারটা কষ্টের চেয়েও বড়। তাই পৃথিবীর ইতিহাসে অসংখ্যবার দেখা গেছে—যেখানে মৃত্যু সামনে দাঁড়িয়ে, সেখানেও একজন মা নিজের বুকটাকেই সন্তানের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয় বানিয়ে দেন।

এই পৃথিবীতে অনেক সম্পর্কের সংজ্ঞা বদলে যায়, অনেক ভালোবাসা সময়ের সঙ্গে ফিকে হয়ে যায়। কিন্তু একজন মায়ের ভালোবাসা কখনো বদলায় না। সে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শুধু একটাই চায়—"আমার সন্তানটা যেন বেঁচে থাকে, ভালো থাকে।"

পৃথিবীর সব মায়ের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।
তোমাদের ঋণ কোনোদিন শোধ হবার নয়। ❤️

#মা

22/06/2026

GOAT

22/06/2026

আমরা পেনাল্টিতে গোল দেয়া ছেড়ে দিয়েছি

আর্জেন্টিনার প্রতিটি খেলার আগে ব্রাজিলের সাপোর্টাররা যে স্বপ্ন দেখে 😂😂😂😂🤣😂😂😂
22/06/2026

আর্জেন্টিনার প্রতিটি খেলার আগে ব্রাজিলের সাপোর্টাররা যে স্বপ্ন দেখে 😂😂😂😂🤣😂😂😂

13/06/2026

আমার ক্লাস থ্রি এর পুলা তার বন্ধুদের কাছ থাইকা এইসব শুইনা আসছে।

Address

Daudkandi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when C/O Nobody posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share