N Bangla Edition

N Bangla Edition Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from N Bangla Edition, Media/News Company, daudkandi, Daudkandi.

দাউদকান্দিতে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনকুমিল্লার দাউদকান্দিতে শনিবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন হলরুমে জন...
09/07/2025

দাউদকান্দিতে এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে শনিবার (৮ জুলাই) সকালে উপজেলা প্রশাসন হলরুমে জনপ্রিয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে কেক কাটার আয়োজন করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় গণমাধ্যম কর্মী, সরকারি কর্মকর্তা এবং এনটিভির প্রতিনিধি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাঈমা ইসলাম বলেন, "সাংবাদিকেরা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং আমি সব সময় তাদের পাশে থাকবো।" তিনি এনটিভির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও সাফল্য কামনা করেন।

বিশেষ অতিথির প্রতিষ্ঠানে নারী সহকারী কমিশনার (ভূমি) রেদওয়ান ইসলাম এবং মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জুনায়েত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন। স্বাগত বক্তৃতা প্রদান করেন এনটিভি অনলাইনের স্থানীয় প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে গণমাধ্যম কর্মীরা এনটিভির প্রবৃদ্ধি ও সাফল্যের জন্য শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। দাউদকান্দিতে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিরা এ দিনে উপস্থিত ছিলেন, যা এনটিভির প্রতি তাদের ভালোবাসা ও সম্মান প্রদর্শন করে।

এনটিভির ২৩ বছর উদযাপন, একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা, যেখানে আশা করা হচ্ছে চ্যানেলটি আরও বেশি তথ্য ও বিশ্লেষণে দেশের মানুষের জন্য অবদান রাখবে।

পারিশ্রমিক ছাড়াই এক যুগ ধরে কবর খুঁড়ছেন শাকিল-পলাশরাস্টাফ রিপোর্টার :কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এমন একদল মানুষ আছেন, য...
08/06/2025

পারিশ্রমিক ছাড়াই এক যুগ ধরে কবর খুঁড়ছেন শাকিল-পলাশরা

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় এমন একদল মানুষ আছেন, যারা নিঃস্বার্থভাবে যুগ ধরে মানুষের শেষ বিদায়ের সঙ্গী হচ্ছেন। শাকিল, পলাশ ও তাদের কবর খোঁড়ার দলটি দাউদকান্দি পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডের সবজিকান্দি গ্রামের এই যুবকেরা। বিনা পারিশ্রমিকে দীর্ঘ এক যুগ, অর্থাৎ ১২ বছর ধরে তারা এই পুণ্য কাজ করে আসছেন শুধুমাত্র মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে।

এলাকায় কারও মৃত্যুর খবর কানে এলেই আর দেরি করেন না শাকিল, পলাশ ও তাদের দলের সদস্যরা। খুন্তি, কোদাল, দা, চাকু, স্কেল, করাতসহ কবর খোঁড়ার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে তারা তড়িঘড়ি করে ছুটে যান মৃত ব্যক্তির বাড়িতে। সেখানে পৌঁছে তারা মৃতের স্বজনদের পাশে দাঁড়ান এবং বাঁশ কাটা থেকে শুরু করে কবর খোঁড়া ও দাফন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সমস্ত কাজে সহযোগিতা করেন।

এই দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেন মু. পলাশ। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি এই সেবামূলক কাজটি করে আসছেন। তার হাতের ছোঁয়ায় অসংখ্য মানুষের শেষ ঠিকানা হয়েছে সুন্দর ও নিখুঁত। পলাশের এই সুনিপুণ দক্ষতার সুনাম নিজ এলাকাসহ আশপাশের গ্রামগুলোতেও ছড়িয়ে পড়েছে। সমাজের তথাকথিত বিত্তবানরা যেখানে নামমাত্র সমাজসেবক হিসেবে পরিচিতি পেতে চান, সেখানে পলাশ নীরবে-নিভৃতে মানবতার এই চমৎকার কল্যাণমুখী কাজটি নিষ্ঠার সাথে পালন করে যাচ্ছেন। পলাশের মতে, সমাজের ভালো কাজে অংশগ্রহণ করতে পারাটাই তার কাছে বড় প্রাপ্তি।

এলাকাবাসী মু. পলাশ সম্পর্কে অত্যন্ত উচ্চ ধারণা পোষণ করেন। তারা জানান, "মু. পলাশ খুব সহজ-সরল এবং ভালো মনের একজন মানুষ। বর্তমান সময়ে যেখানে ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়া কাউকে কোনো কাজে পাওয়া যায় না, সেখানে পলাশ ভাইয়ের মতো মানুষ খুঁজে পাওয়া সত্যিই বিরল। তিনি বিনা পারিশ্রমিকে মানুষের বাড়িতে গিয়ে কবর খুঁড়ে দিয়ে আসেন, যা এক কথায় অবিশ্বাস্য।"
এই নিঃস্বার্থ সেবার পেছনের কারণ জানতে চাইলে মু. পলাশ মিয়া বলেন, "একটা মানুষ সবকিছু ফেলে দুনিয়া থেকে চলে যাওয়ার পর যখন আর কিছুই থাকে না, তখন তার শেষ ঠিকানাটা একটু সুন্দর হোক- এটাই আমি সব সময় চাই। টাকা-পয়সার জন্য আমি কবর খুঁড়ি না, বরং মনের শান্তি আর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই এই কাজ করি।"

শাকিল, পলাশ ও তাদের দলের এই নিঃস্বার্থ উদ্যোগ সমাজে মানবিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। তাদের এই নীরব সাধনা প্রমাণ করে যে, অর্থ বা খ্যাতির ঊর্ধ্বেও মানুষের জন্য কিছু করার ব্রত আজও কিছু মানুষের হৃদয়ে অমলিন। তাদের এই কাজ অন্যদেরও পরোপকারে উৎসাহিত করবে বলে আশা করা যায়। এই দলটি যেন সমাজের বুকে এক চিলতে নির্মল আলোর দিশারী।

লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু, পিটিয়ে হত্যার অভিযোগস্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় জামায়াতের এক নেতার মৃত্যু হ...
07/06/2025

লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতার মৃত্যু, পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার:
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় জামায়াতের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে, যাকে প্রতিপক্ষের হামলায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার ও দলীয় নেতা-কর্মীরা। নিহত কাউছার আহমেদ (৬০) উপজেলার বাংগাখাঁ ইউনিয়নের রাজিবপুর এলাকার বাসিন্দা এবং জামায়াতের একটি স্থানীয় ইউনিটের সভাপতি ছিলেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, পূর্ব বিরোধের জেরে বৃহস্পতিবার সকালে প্রতিবেশী রিয়াজ হোসেন, বাবুল ও সোহাগের নেতৃত্বে কয়েকজন কাউছার আহমেদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ পরিবারের তিনজন আহত হন। সদর হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পর বিকেলে কাউছার আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
এই ঘটনার পর জামায়াতের নেতা-কর্মীরা অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে। ঢাকা মহানগর উত্তর জামায়াতের সেক্রেটারি ড. রেজাউল করিম এই হত্যাকাণ্ডের জন্য যুবদলের সন্ত্রাসীদের দায়ী করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তবে, জেলা যুবদলের সভাপতি রেজাউল করিম লিটন এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, নিহত ব্যক্তি ও তার পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য জামায়াত মিথ্যাচার করছে এবং এর সাথে যুবদলের কেউ জড়িত নয়।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবদুল মোন্নাফ জানিয়েছেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হামলাজনিত মৃত্যু নাকি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি, অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

29/05/2025

অন্ধকার চিরে এলো আলো, আজহারের মুক্তিতে বিশ্ব জানলো! সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো!

চোখ কপালে নয় মাথায় উঠে যাবে। খু''নি হাসিনার পতনে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন, তারা একটু এদিকে আসুন! জাস্ট চোরের পরিবর্তণ...
27/05/2025

চোখ কপালে নয় মাথায় উঠে যাবে।

খু''নি হাসিনার পতনে যারা তৃপ্তির ঢেকুর তুলছেন, তারা একটু এদিকে আসুন!

জাস্ট চোরের পরিবর্তণ হয়েছে, চুরির পরিবর্তন হয় নাই। হাসিনার আমলে যে সকল হি:ন্দুদের এদেশকে মহা:ভা'রতের অংশ বানানোর জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, তারা সবাই তাদের স্বপদে বহাল আছে! এমনকি সম্প্রতি লেফটেন্যান্ট ইন্তেসারকে চাকরিচ্যুত করা সহ ভয়াবহ কিছু বিষয় দেখতে পাচ্ছি। সম্ভবত ওসি প্রদীপের বিচার‌ও হবে না, যেকোন ছূতোয় সে পালিয়ে যাবে বা বেঁচে যাবে।

হে বিপ্লবীরা! তোমরা যতই টাকা নাও না কেন, ক্ষমতা উল্টে গেলে তোমাদেরকে আলু ভর্তা বানানো হবে! মনে রেখো।

বাংলাদেশ সচিবালয় যখন হাসিনার হিন্দুয়ালয়!
-------------------------------------------------------------------
*সচিব :মাত্র ৩ জন
১. ঊরুন দেব মিত্র, ২. উজ্জ্বল বিকাশ দত্ত, ৩. রণজিত কুমার বিশ্বাস।

* অতিরিক্ত সচিব : মাত্র ৩২ জন
১. স্বপন কুমার সাহা, ২. ভীম চরণ রায়, ৩. জ্ঞানেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ৪. স্বপন কুমার সরকার, ৫. শ্যামল কান্তি ঘোষ, ৬. অমলেন্দু মুখার্জি, ৭. প্রণব চক্রবর্তী, ৮. সিতান ঘোষ সেন. ৯. পরীক্ষিত দত্ত চৌধুরী, ১০. দীলিপ কুমার দাস, ১১. সাইমা পাল দে, ১২. বিজন কুমার বাইসা, ১৩. তাপস কুমার রায়, ১৪. প্রকাশ চন্দ্র দাস, ১৫. অসিত কুমার বসাক এডিসি, ১৬. দীলিপ কুমার বসাক এডিসি, ১৭. জগদীশ রায়, ১৮. সুশান চন্দ্র দাস, ১৯. কামাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ২০. স্বপন কুমার রায়, ২১. পবন চৌধুরী, ২২. তপন কুমার কর্মকার, ২৩. অপরূপ কুমার সরকার, ২৪. আশিস কুমার চৌধুরী, ২৫. অশোক মাধব রায়, ২৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ২৭. জিসনু রায় চৌধুরী, ২৮. নাভাস চন্দ্র মণ্ডল,২৯. ড. আর রাখান চন্দ্র বরমন, ৩০. মোনজ কুমার রায়, ৩১. অমিতাভ চক্রবর্তী, ৩২. শুভাশীষ বোস।

*যুগ্ম সচিব : মাত্র ১৩১ জন

১. পরিমল চন্দ্র সাহা, ২. রতন কুমার সাহা, ৩. চন্দ্রনাথ বসাক, ৪. দীলিপ কুমার শর্মা, ৫. রবীন্দ্রনাথ রায়, ৬. গণেশ চন্দ্র সরকার, ৭. সুকুমার চন্দ্র রায়, ৮. ঈন্না লাল চৌধুরী, ৯. জীবন কুমার চৌধুরী, ১০. কুশলিয়া রানী বাগচি, ১১. তপন চন্দ্র মজুমদার, ১২. মনোজ মোহন মিত্র (এম এম মিত্র), ১৩. বিনয় ভূষণ তালুকদার, ১৪. পরেশ চন্দ্র রায়, ১৫. ড. অরুণা বিশ্বাস, ১৬. নিখিল চন্দ্র দাস, ১৭. অনন্ত কুমার চৌধুরী, ১৮. নারায়ণ চন্দ্র বরমা, ১৯. বিজন কান্তি সরকার, ২০. বিমান কুমার সাবা, এনডিসি, ২১. বিজয় ভট্টাচার্য, ২২. জ্যোতির্ময় সমাদ্দার, ২৩. রবীন্দ্রনাথ শর্মা, ২৪. কমলেশ কুমার দাস, ২৫. বিকাশ চন্দ্র সাবা, ২৬. বিকাশ কিশোরী দাস, ২৭. পতিত পবন বাইদিয়া, ২৮. আনন্দ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৯. প্রশান্ত কুমার রায়, ৩০. অজিত কান্তি দাস, ৩১. মানিক চন্দ্র দে, ৩২. কালিরঞ্জন বরমা, ৩৩. তপন কান্তি শীল, ৩৪. গৌতম কুমার ঘোষ, ৩৫. বাসু দেব আচার্য, ৩৬. মানবিনরা (?) ভৌমিক, ৩৭. গোপাল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য, ৩৮. বাবুল চন্দ্র রায়, ৩৯. পুণ্যাবর্তা চৌধুরী, ৪০. শংকর চন্দ্র রায়, ৪১. মলয় তালুকদার, ৪২. সুশান চন্দ্র রায়, ৪৩. মৃদুল কান্তি ঘোষ, ৪৪. গোকুল চন্দ্র দাস, ৪৫. সুবীর কিশোর চৌধুরী, ৪৬. পরিমল কুমার দেব, ৪৭. বিভাষ চন্দ্র পোদ্দার, ৪৮. শিখা সরকার, ৪৯. মনীন্দ্র নাথ রায়, ৫০. ধীরেন্দ্র (?) চন্দ্র দাস, ৫১. অমরিতা (?) রায়, ৫২. শশী কুমার সিং, ৫৩. সুনীল চন্দ্র পাল, ৫৪. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৫৫. সুপ্রিয় কুমার কুন্দু, ৫৬. মানিক লাল বণিক, ৫৭. জ্যোতির্ময় দত্ত, ৫৮. নারায়ণ চন্দ্র দাস, ৫৯. বিমল চন্দ্র দাস, ৬০. ভোলানাথ দে, ৬১. বাসুদেব গাঙ্গুলী, ৬২. অরুণ কুমার মালাকার, ৬৩. নিমাই চন্দ্র পাল, ৬৪. ড. নমিতা হালদার, ৬৫. সুুভাষ চন্দ্র সরকার, ৬৬. মরণ কুমার চক্রবর্তী, ৬৭. তপন কুমার ঘোষ, ৬৮. পিরায় সাহা, ৬৯. গৌরাঙ্গ চন্দ্র মোহন্ত, ৭০. সুব্রত রায় মিত্র, ৭১. পরিতোষ চন্দ্র দাস, ৭২. দীপক কান্তি পাল, ৭৩. অরজিত চৌধুরী, ৭৪. বনমালী ভৌমিক, ৭৫. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৭৬. দীলিপ কুমার সাহা, ৭৭. ইতি রানী পোদ্দার, ৭৮. স্বপন চন্দ্র পাল, ৭৯. গোপা চৌধুরী, ৮০. অমিত কুমার বাউল, ৮১. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৮২. গাইতা বরতা সাহা, ৮৩. বিশ্বনাথ বণিক, ৮৪. প্রাণেশ চন্দ্র সূত্রধর, ৮৫. শাইমা প্রসাদ বেপারী, ৮৬. সুশান্ত কুমার সাহা, ৮৭. গৌতম কুমার ভট্টাচার্য, ৮৮. রঞ্জিত কুমার সেন, ৮৯. হরিপ্রসাদ পাল, ৯০. তপন চন্দ্র বণিক, ৯১. পার্থপ্রতীম দেব, ৯২. অভিজিত চৌধুরী, ৯৩. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ৯৪. শংকর রঞ্জন সাহা, ৯৫. ড. অর্ধেন্দু শেখর রায়, ৯৬. স্বর্ণকার প্রসাদ দে, ৯৭. প্রণব কুমার নিয়োগী, ৯৮. সন্তোষ কুমার অধিকারী, ৯৯. রমা রানী রায়, ১০০. তন্দ্রা শেখর, ১০১. সীমা সাহা, ১০২. সমরীতা রানী ঘরামী, ১০৩. পুলক রাজন শাহ, ১০৪. তপন কুমার সরকার, ১০৫. কংকাম নীলমণি সিং, ১০৬. মিনু শীল, ১০৭. ধীরেন্দ্র নাথ সরকার, ১০৮. অঞ্জলি রানী চক্রবর্তী, ১০৯. প্রণয় কান্তি বিশ্বাস, ১১০. তরু কান্তি ঘোষ, ১১১. প্রশান্ত কুমার দাস, ১১২. মনোজ কান্তি বড়াল, ১১৩. স্বপন কুমার বড়াল, ১১৪. বিষয় ভূষণ পাল, ১১৫. দীপক চক্রবর্তী, ১১৬. নিখিল রঞ্জন রায়, ১১৭. নন্দ দুলাল বণিক, ১১৮. সঞ্জয় কুমার চৌধুরী, ১১৯. গৌতম আইচ সরকার, ১২০. প্রদীপ রঞ্জন চক্রবর্তী, ১২১. শিবনাথ রায়, ১২২. নারায়ণ চন্দ্র দেবনাথ, ১২৩. লক্ষ্মী চন্দ্র দেবনাথ, ১২৪. জয়তী পাল কুড়ি, ১২৫. জয়তী রানী বর্মণ, ১২৬. সুধাকর দত্ত, ১২৭. রেবা রানী সাহা, ১২৮. বিজন লাল দেব, ১২৯. হীরামণি বাড়ৈ, ১৩০. ড. কৃষ্ণ গাইন, ১৩১. শান্ত কুমার প্রামাণিক।

* উপসচিব : মাত্র ১২৫ জন

১. উত্তম কুমার রায়, ২. বিপুল চন্দ্র রায়, ৩. জগদীশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. তপন কুমার নাথ, ৫. বিকাশ চন্দ্র শিকদার, ৬. ড. নলিন রঞ্জন বসাক, ৭. জয়ন্তী স্যান্নাল, ৮. তপন কান্তি ঘোষ, ৯. রাম চন্দ্র দাস, ১০. প্রণব কুমার ঘোষ, ১১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ১২. কমলা রঞ্জন দাস, ১৩. পাঠান চন্দ্র পণ্ডিত, ১৪. নিতাই পদ দাস, ১৫. উত্পল কুমার দাস, ১৬. নিমাই চন্দ্র বিশ্বাস, ১৭. অজিত কুমার পাল আকা, ১৮. মহাদেব বিশ্বাস, ১৯. বিজয় কুমার দেবনাথ, ২০. সুপ্রকাশ স্যান্নাল, ২১. তাপস কুমার বোস, ২২. জগন্নাথ খোকন, ২৩. শিশির কুমার রায়, ২৪. নন্দিতা সরকার, ২৫. মলয় কুমার রায়, ২৬. স্বপন কুমার ঘোষ, ২৭. কল্লোল কুমার চক্রবর্তী, ২৮. সায়েম কিশোর রায়, ২৯. প্রবীর কুমার চক্রবর্তী, ৩০. দিলীপ কুমার বণিক, ৩১. ননী গোপাল বিশ্বাস, ৩২. অনিল চন্দ্র দাস, ৩৩. নিশ্চিন্ত কুমার পোদ্দার, ৩৪. দুলাল কৃষ্ণ সাহা, ৩৫. শান্ত কুমার সাহা, ৩৬. মৃণাল কান্তি দেব, ৩৭. রাজিব চন্দ্র সরকার, ৩৮. সীতেন্দ্র কুমার সরকার, ৩৯. নীতিশ কুমার সরকার, ৪০. তুলসি রঞ্জন সাহা, ৪১. সুভাস চন্দ্র সাহা, ৪২. মনীন্দ্র কিশোর, ৪৩. সুশান্ত কুমার কুণ্ডু, ৪৪. সত্যজিত্ কর্মকার, ৪৫.অশোক কুমার দেবনাথ, ৪৬. সুবল বোস মণি, ৪৭. ড. তরুণ কান্তি সিকদার, ৪৮. বিশ্বজিত্ ভট্টাচার্য, ৪৯. সঞ্জয় কুমার বণিক, ৫০. সত্যরঞ্জন মণ্ডল, ৫১. ভুবন চন্দ্র বিশ্বাস, ৫২. রঞ্জন কুমার দাস, ৫৩. জয়ন্ত কুমার সরকার, ৫৪. অমিতাভ সরকার, ৫৫. প্রণব কুমার ঘোষ, ৫৬. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫৭. বিকর্ণ কুমার ঘোষ, ৫৮. অরুণ চন্দ্র মহোত্তম, ৫৯. প্রণব কুমার রায়, ৬০. পলাশ কান্তি বালা, ৬১. সুব্রত পাল চৌধুরী, ৬২. দীপক রঞ্জন অধিকারী, ৬৩. শশাঙ্ক সুকুমার ভৌমিক, ৬৪. জনীন্দ্র নাথ সরকার, ৬৫. প্রদীপ কুমার দাস, ৬৬. গৌতম কুমার, ৬৭. শিবানী ভট্টাচার্য, ৬৮. নিতাই চন্দ্র সেন, ৬৯. মলাই চৌধুরী, ৭০. সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, ৭১. রঞ্জিত কুমার, ৭২. কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস, ৭৩. তপন কুমার সাহা, ৭৪. অমল কৃষ্ণ মণ্ডল, ৭৫. নিরঞ্জন দেবনাথ, ৭৬. লিপিকা ভদ্র, ৭৭. সুলেখা রানী বসু, ৭৮. বিদিকা রায় চৌধুরী, ৭৯. দীলিপ কুমার বণিক, ৮০. মনোজ কুমার রায়, ৮১. পরিমল সিং, ৮২. সমরিতা কর্মকার, ৮৩. পিকা রানী বলয়, ৮৪. তপন কুমার বিশ্বাস, ৮৫. ড. সুবাস চন্দ্র বিশ্বাস, ৮৬. গুহলাল সিং, ৮৭. গৌতম চন্দ্র পাল, ৮৮. তন্ময় দাস, ৮৯. বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ, ৯০. প্রদেশ কান্তি দাস, ৯১. মনোরঞ্জন বিশ্বাস, ৯২. অসীম কুমার দে, ৯৩. অজিত কুমার দেবনাথ, ৯৪. পীযূষ কান্তি নাথ, ৯৫. পাঠান কুমার সরকার, ৯৬. সুকুমার চন্দ্র কুণ্ডু, ৯৭. আশিস কুমার সাহা, ৯৮. শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, ৯৯. অজিত কুমার ঘোষ, ১০০. উত্তম কুমার কর্মকার, ১০১. সাইয়ান কুমার দাস, ১০২. সুসানতা কুমার সরকার, ১০৩. বালাই কারিসনা হাজরা, ১০৪. নীরঞ্জন কুমার মণ্ডল, ১০৫. ব্রজগোপাল ভৌমিক, ১০৬. ড. অনিমা রানী নাথ, ১০৭. গুরাথ কুমার সরকার, ১০৮. স্বপন কুমার ভৌমিক, ১০৯. গীতাঞ্জলী চৌধুরী, ১১০. পঙ্কজ কুমার পাল, ১১১. ননী গোপাল মণ্ডল, ১১২. সন্তোষ কুমার পণ্ডিত, ১১৩. শ্যামল কুমার সিংহ, ১১৪. অসীম কুমার বালা, ১১৫. মহেশ চন্দ্র রায়, ১১৬. গৌরী সরকার ভট্টাচার্য, ১১৭. দীপঙ্কর মণ্ডল, ১১৮. অজয় কুমার চক্রবর্তী, ১১৯. সুকাশ কর্মকার, ১২০. স্বপন কুমার মণ্ডল, ১২১. প্রদীপ কুমার সাহা, ১২২. বিজয় রঞ্জন সাহা, ১২৩. বলনাথ পাল, ১২৪. নৃপেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ, ১২৫ সঞ্জীব কুমার দেবনাথ

* সিনিয়র সহকারী সচিব : মাত্র ৫১ জন

১. কিরণ চন্দ্র রায়, ২. দেবাশীষ রায়, ৩. অপর্ণা দে, ৪. শৈলেন্দ্র নাথ মণ্ডল, ৫. রাজীব ভট্টাচার্য, ৬. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ৭. নীরদ চন্দ্র মণ্ডল, ৮. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৯. আনন্দ কুমার বিশ্বাস, ১০. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ১১. পরিমল সরকার, ১২. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ১৩. বেবী রানী কর্মকার, ১৪. রথীন্দ্রনাথ দত্ত, ১৫. সঞ্জয় কুমার নাথ, ১৬. সরোজ কুমার নাথ, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৭. পরিতোষ হাজরা, ১৮. সাতি আকাম সিন, ১৯. দেবজিত সিংহ, ২০. গোপাল চন্দ্র দাস, ২১. নীল রতন সরকার, ২২. কালা চান সিংহ, ২৩. প্রতাপ চন্দ্র বিশ্বাস, ২৪. অতিন কুমার কুণ্ডু, ২৫. ধনাঞ্জয় কুমার দাস, ২৬. দেবেন্দ্র চক্রবর্তী, ২৭. দেবাশীষ নাগ, ২৮. অতুল সরকার, ২৯. অভিজিত রায়, ৩০. সুব্রত কুমার শিকদার, ৩১. অপূর্ব কুমার মণ্ডল, ৩২. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৩৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৩৪. সুজিত কুমার রায়, ৩৫. প্রিয়া সিংধু তালুকদার, ৩৬. অনুপ কুমার তালুকদার, ৩৭. সুব্রত কুমার দে, ৩৮. হিল্লোল বিশ্বাস, ৩৯. দেবময় দেওয়ান, ৪০. মিনাক্ষ্মী বর্মন, ৪১. দেবপ্রসাদ পাল, ৪২. বনানী বিশ্বাস, ৪৩. সঞ্জীব কুমার দেবনাথ, ৪৪. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ৪৫. খোকন কান্তি সাহা, ৪৬. সরবাসটি রায়, ৪৭. সুব্রত পাল, ৪৮. সিদ্ধার্থ শংকর কুণ্ডু, ৪৯. দিবি চন্দ, ৫০. বাদল চন্দ্র হালদার, ৫১. মৃণাল কান্তি দে, ৫২. পঙ্কজ ঘোষ, ৫২. সন্দীপ কুমার সিংহ।

* সহকারী সচিব : মাত্র ৯৬ জন!

১. পল্লব কুমার ব্যানার্জী, ২. গোপাল কৃষ্ণ পাল, ৩. অরুণ কান্তি মজুমদার, ৪. সুকান্ত ভট্টাচার্য, ৫. ড. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৬. তপন কুমার চক্রবর্তী, ৭. পতিত পবন দেবনাথ, ৮. উত্তম কুমার পাল, ৯. সুধীর চন্দ্র রায়, ১০. কানাই লাল শীল, ১১. পরিমল চন্দ্র পাল, ১২. প্রতিভা রানী কুণ্ডু, ১৩. কালচাঁদ সরকার, ১৪. দীলিপ কুমার দেবনাথ, ১৫. পাপিয়া ঘোষ, ১৬. রীনা রানী সাহা, ১৭. অসীম কুমার কর্মকার, ১৮. সুদীপ্ত দাস, ১৯. রাজীব কুমার সরকার, ২০. অপর্ণা ভাইডা, ২১. রমেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, ২২. সন্দীপ কুমার সরকার, ২৩. রাজীব কুমার রায়. ২৪. মল্লিকা দে, ২৫. জ্যোতিকা সরকার, ২৬. শীলবর্তা কর্মকার, ২৭. সুজন চৌধুরী, ২৮. ঝুমুর বালা, ২৯. শঙ্খমালা, ৩০. উত্তম কুমার দে, ৩১. অনিন্দিতা রায়, ৩২. প্রদীপ সিংহ, ৩৩.দেবেন্দ্রনাথ উরন, ৩৪. প্রশ্রান্ত কুমার দাস, ৩৫. মরার্জী দেশাই বর্মণ, ৩৬. শিল্পী রানী রায়, ৩৭. ভাস্কার বিভানাথ বাপ্পী, ৩৮. বিনীতা বিশ্বাস, ৩৯. অপর্ণা দেবনাথ, ৪০. সুবর্ণা সরকার, ৪১. সুজীদ হালদার, ৪২. মৌসুমী সরকার পাখি, ৪৩. রুপালী মণ্ডল, ৪৪. সমর কান্তি বসাক, ৪৫. অমিতাভ পরাগ তালুকদার, ৪৬. পিন্টু ব্যাপারী, ৪৭. উজ্জ্বল কুমার ঘোষ, ৪৮. নমীতা দে, ৪৯.দীপঙ্কর রায়, ৫০. গৌরাঙ্গ কুমার চৌধুরী, ৫১. দীপক কুমার রায়, ৫২. কমল কুমার ঘোষ, ৫৩. দীপঙ্কর রায়, ৫৪. প্রশান কুমার চক্রবর্তী, ৫৫. তুষার কুমার পাল, ৫৬. বিশ্বজিত্ কুমার পাল, ৫৭. প্রভাসু সুমি মৌহান, ৫৮. অনির্বাণ নিয়োগী, ৫৯. মিন্টু চৌধুরী, ৬০. তন্ময় মজুমদার, ৬১. বীথি দেবনাথ, ৬২. শীলু রায়, ৬৩. শম্পা কুণ্ডু, ৬৪. মুকুল কুমার মিত্র, ৬৫. শঙ্কর কুমার বিশ্বাস, ৬৬. অসীম চন্দ্র মল্লিক, ৬৭. বীজন ব্যানার্জী, ৬৮. চিত্রা শিকারী, ৬৯. শিমুল কুমার সাহা, ৭০. জুতন চন্দ্র, ৭১. স্নেহাশীষ দাস, ৭২. নিক্সন বিশ্বাস, ৭৩. মিল্টন চন্দ্র রায়, ৭৪. নির্ঝর অধিকারী, ৭৫. অমিত দেবনাথ, ৭৬. সাসুতি শীল, ৭৭. পরিন্দ্র দেব, ৭৮. আজীন কুমার সরকার, ৭৯. সুমীর বিশ্বাস, ৮০. পূর্বাণী গোলদার, ৮১. প্রণতি বিশ্বাস, ৮২. বিভীষণ কান্তি দাস, ৮৩. পলক কান্তি চক্রবর্তী, ৮৪. ওনমী চক্রবর্তী, ৮৫. বিকাশ বিশ্বাস, ৮৬. জীতেন্দ্র কুমার নাথ, ৮৭. জয়ন্তী রুপা রায়, ৮৮. শতরুপা তালুকদার, ৮৯. রামকৃষ্ণ বর্মণ, ৯০. কল্যাণ চৌধুরী, ৯১. ডিবাংসু কুমার সিনহা, ৯২. সুজতী ধর, ৯৩. মৌসুমী বাইন হিরা, ৯৪. টীনা পাল, ৯৫. সাথী অজিত রায় দাস, ৯৬. সাজুতী দেবনাথ।

*অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৪ জন!

১. সুরেন্দ্র নাথ চক্রবর্তী, ২. অশোক কুমার বিশ্বাস, ৩. স্বপন কুমার রায়, ৪. নারায়ণ দত্ত বর্মা।

*উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ৫ জন

১. অমিতাভ সরকার, ২. রামচন্দ্র দাস, ৩. মনোজ কান্তি বড়াল, ৪. মুকেশ চন্দ্র বিশ্বাস, ৫. মনীন্দ্র কিশোর মজুমদার।

*অতিরিক্ত উপবিভাগীয় কমিশনার : মাত্র ১০ জন!

১. ডা. সুভাস চন্দ্র বিশ্বাস, ২. বিপুল চন্দ্র বিশ্বাস, ৩. গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, ৪. অঞ্জন চন্দ্র পাল, ৫. দীপঙ্কর বিশ্বাস, ৬. কালা চন্দ্র সিনহা, ৭. অনন্দ্র কুমার বিশ্বাস, ৮. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, ৯. প্রকাশ কান্তি চৌধুরী, ১০. দেবজীত্ সিনহা

*উপজেলা নির্বাহী অফিসার : ১৩.

দেবপ্রসাদ পাল, ২. অভিজিত্ রায়, ৩. উত্তম কুমার মণ্ডল, ৪. সুব্রত কুমার দে, ৫. প্রিয়াসিন্ধু তালুকদার, ৬. সুব্রত কুমার শিকদার, ৭. সুব্রত পাল, ৮. অরুণ কুমার মণ্ডল, ৯. দুলাল চন্দ্র সূত্রধর, ১০. বনানী বিশ্বাস, ১১. দেবী চন্দ্র, ১২. মৃনাল কান্তি দে, ১৩. সিদ্ধার্থ সরকার কুণ্ড, ১৪. পঙ্কজ ঘোষ।
নাম না জানা আরও হাজার হাজার সরকারি কর্মকর্তা আছেন।

নো ক্যাপশন।
26/05/2025

নো ক্যাপশন।

26/05/2025
25/05/2025

শেখ হাসিনার বক্তব্য: "২২৭ জনকে হ*ত্যার লাইসেন্স পেয়ে গেছি"

25/05/2025

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে জামায়াত আমিরের আলোচনা: যা জানা গেল

Address

Daudkandi
Daudkandi
3516

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when N Bangla Edition posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share