06/04/2026
পৃথিবী ঘুমিয়ে ছিল, ঘুম ভেঙ্গে দেখল ইরানের হাতে উ. কোরিযার ৫০০ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক (পরমাণু ওয়ারহেড বহনে সক্ষম) মিসাইল! পুরনো মধ্যপ্রাচ্যের মৃত্যু হয়েছে, জানাজা বাকি
গত রাতে পৃথিবী যখন ঘুমিয়ে ছিল, গোটা মধ্যপ্রাচ্য শুধু না, সমগ্র পৃথিবীর নিরাপত্তা পরিকাঠামো মৌলিকভাবে বদলে দিয়েছে ইরান...এভাবেই তথ্যটা দেওয়া শুরু করেন ইরানের বেসরকারি মুখপাত্র প্রফেসর মারান্দি খুবই অবাক হলাম যে কেউ এখনো এটা পাবলিশ করেনি! অথচ খবরটা পাওয়ামাত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা পরিষদ ৯ ঘন্টার মিটিংয়ে বসেছিল।
এই ঘটনা ইররিভারসিবল। দুনিয়ার মাথাব্যথাঅলা সব ডিফেন্স মিনিস্ট্রির জন্য এটা একটা দুঃস্বপ্ন। আমেরিকা নিশ্চিত করেছিল, ইসরায়েলের চেয়ে উন্নত অস্ত্র কারো কাছে থাকবে না। সেই প্রতিশ্রুতি ধসে গেল। ইসরায়েলের দিক থেকে পরমাণু হামলার স্যামসন অপশনকে মোকাবিলা করার সামর্থ্য পেল ইরান। কারণ এদের প্রতিটিই নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহনে সক্ষম! যদিও ইরানি কর্মকর্তারা এটা স্বীকার বা অস্বীকার কোনোটাই করেনি।
৫০০ আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালেস্টিক মিসাইল (ICBM) ইরানের হাতে চলে এসেছে। উত্তর কোরিয়ার তৈরি Hwasong-18 intercontinental ballistic missiles — North Korea's most advanced solid-fuel ICBM এর মালিক এখন ইরান। এ ধরনের অস্ত্রের বাজারে এটাই সর্বাধুনিক। ইরানের নিজস্বগুলির সাথে উত্তর কোরিয়ার ৫০০ টির তুলনায় স্যাম চাচার হাতে সারা দুনিয়ার জন্য আছে মাত্র ৪০০ আইসিবিএম। গণহত্যাকারীদের মিসাইলগুলি ভূমিতে আটকা। ইরানেরগুলি মোবাইল, ট্রাকে করে যেকোনো জায়গায় নেওয়া যায়, লুকিয়ে রাখা যায়। হাজরায়েলের অ্যারো ৩ আর আমেরিকার থাড ক্ষেপনাস্ত্রের চেয়ে এদিক থেকে এটা এগিয়ে।
গত ১৪ মাস ধরে এই অস্ত্র হস্তান্তর যে হচ্ছে, তা সমগ্র পশ্চিমা ইনটিলেজেন্স বুঝতেই পারেনি। পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে সেরা নজরদারি মেকানিজম সম্পূর্ণ বোকা বনে গেছে। তারা তাকিয়ে ছিল ভুল দিকে।
মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে এত বড় অস্ত্র হস্তান্তর আর ঘটেনি। এই মিসাইলগুলি সকর ই্ওরোপিয় রাজধানীসহ খোদ যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত করতে সক্ষম। এগুলি চলে সলিড ফুয়েলে, ফলে যেকোনো সময় উত্ক্ষেপনের জন্য তৈরি। এই মিসাইল আকাশে ওড়ার মাত্র এক সেকেন্ড আগে হিট সিগনেচার ছাড়ে বলে শত্রুরা বুঝতে পারার আগেই এগুলি শত্রুর নিশানায় রওনা হয়ে গেছে। অন্যদিকে হাজরা-মেরিকারগুলি চলে তরল জ্বালানিতে, যা রেডি করতে সময় লেগে যায়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূ্র্ণ হলো, এই হুয়াসং-১৮ মিসাইলগুলি পারমাণবিক ওয়ারহেড বহনে সক্ষম। ইরান স্বীকার না করলেও ইরানের হাতে আসা এই ৫০০ আইসিবিএম-এর মধ্যে যে পারমানবিক ওয়ারহেড লাগানো নাই, তা বলা যায় না।
এই মিসাইলগুলি রাডার বা জিপিএস বা স্যাটেলাইট দিয়ে গাইডেড হয় না। গাইডেড হয় আকাশের নক্ষত্রের অবস্থান দিয়ে। তাই কোনো প্রযুক্তি দিয়ে এগুলিকে শণাক্ত করা বা ইলেকট্রনিকালি জ্যাম করা সম্ভব না। এর একুরেসি রেইট ১০০-১৫০ মিটার।
মিসাইলগুলি ইতিমধ্যে সারা ইরানজুড়ে মোতায়েন করা হয়ে গেছে বলে জানাচ্ছেন প্রফেসর মারান্দি। উপসাগরীয় রাষ্ট্রগুলি দ্রুতগতিতে ইরানের সাথে আপসে আসার জন্য ব্যতিব্যস্ত হয়ে গেছে।
মিসাইলগুলি স্থলপথে চীন হয়ে, মধ্য এশিয়া পেরিয়ে ইরানে আনা হয়েছে ১৪ মাস ধরে। বুঝতেই পারেন, ইরান কতটা প্রস্তুত। ইরানের হাতে তুরুপের তাস যে আরো আছে, তা হয়তো স্থলযুদ্ধ শুরু হলে দেখা যাবে, আদৌ সেই সাহস যদি এপস্টেইনন ক্লাস করে।
নিশ্চিত পরমাণু হামলার মুখে ইরানের হাতে রয়েছে পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা।
গত রাতে পুরনো মধ্যপ্রাচ্যের মৃত্যু হয়েছে। জানাজা হবে যুদ্ধ শেষে। সিন্নি পাকাবে ইয়েমেন!
এই লিখাটি সংগ্রহ করা, যদি তথ্য সঠিক হয়। তাহলে পৃথিবীর জন্য খারাপ কিছু ইংগিত করছে চলমান যুদ্ধ। তাই সকল শান্তিকামী মানুষের উচিত যুদ্ধ বন্ধে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়া এবং যুদ্ধের ক্ষতি থেকে বাচার জন্য অগ্রিম কার্যক্রম শুরু করা৷