Divention

Divention A Comprehensive Science Magazine has been published by The Royal Scientific Publications.

"আরে... এইটা তো আগেও ঘটেছে!"আমাদের সবার সাথেই কোনো না কোনো সময় এটা হয়েছে, তাই না?Fতুমি একটা নতুন জায়গায় গেলে, বন্ধুদের স...
04/11/2025

"আরে... এইটা তো আগেও ঘটেছে!"
আমাদের সবার সাথেই কোনো না কোনো সময় এটা হয়েছে, তাই না?F

তুমি একটা নতুন জায়গায় গেলে, বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছো, বা হয়তো রাস্তা দিয়ে হাঁটছ... হঠাৎ করে বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো! মনে হলো, "আরে! এই মুহূর্তটা... এই কথাগুলো, এই গন্ধ, ঠিক এইভাবেই তো আগেও একবার ঘটেছে!"

তুমি যতই ভাবার চেষ্টা করো, মনে করতে পারো না কবে বা কোথায়। কিন্তু অনুভূতিটা এতটাই জোরালো যে গা ছমছম করে ওঠে।

এই অদ্ভুত, রহস্যময় অনুভূতিকেই ফরাসিতে বলে 'দেজা ভ্যু' (Déjà vu), যার মানে হলো "already seen" বা "আগেই দেখা"।

তাহলে, এটা কি সত্যিই অলৌকিক কিছু? অনেকেই ভাবেন এটা হয়তো আমাদেরই অলটারনেটিভ টাইমলাইনের স্মৃতি, অথবা আমরা বুঝি ভবিষ্যৎ আগেই দেখে ফেলেছি! কিন্তু বিজ্ঞান কী বলে?

বিজ্ঞান বলছে, ব্যাপারটা অলৌকিক নয়, বরং এটা আমাদের মস্তিষ্কেরই একটা অদ্ভুত সুন্দর 'খেলা' বা ছোট্ট একটা 'গ্লিচ' (Glitch)! এর পেছনের সবচেয়ে মজার থিওরিটা হলো:

*মস্তিষ্কের 'ফাইল করার' ভুল*
আমাদের মস্তিষ্কের একটা অংশ আছে (হিপ্পোক্যাম্পাস), যার কাজ হলো একটা 'ফাইলিং ক্যাবিনেট'-এর মতো। তুমি যা কিছু দেখছ বা শুনছ, সেগুলোকে সে গুছিয়ে গুছিয়ে 'বর্তমান' বা 'অতীত'-এর ফাইলে জমা রাখে।

সাধারণত, তুমি যখন নতুন কিছু দেখো, সেটা প্রথমে 'বর্তমান' (Short-term memory) ফাইলে যায়, তারপর 'অতীত' (Long-term memory) ফাইলে।

কিন্তু 'দেজা ভ্যু'-এর মুহূর্তে, কোনো কারণে একটা ছোট্ট গণ্ডগোল হয়। তোমার দেখা নতুন দৃশ্যটা 'বর্তমান' ফাইলে না গিয়ে, ভুল করে এক মিলিসেকেন্ডের জন্য সরাসরি 'অতীত'-এর ফাইলে ঢুকে পড়ে!

এর ঠিক পরের মুহূর্তেই, তোমার মস্তিষ্ক সেই দৃশ্যটা আবার ঠিকভাবে 'বর্তমান' ফাইলে পাঠায়। এখন তোমার মস্তিষ্কের মধ্যে একটা যুদ্ধ বেধে যায়! এক অংশ বলছে, "এই তো, এটা তো নতুন ঘটনা!" আরেক অংশ (যেখানে ভুল ফাইলটা ঢুকেছে) সে বলছে, "আরে না না! এটা তো পুরনো স্মৃতি!"

এই দুই সিগন্যালের গণ্ডগোলেই তোমার মনে হয়, "এই নতুন ঘটনাটা... কেন জানি পুরনো লাগছে!"

আরেকটা থিওরি হচ্ছে: *দেখার ছোট্ট 'Delay'*
আরেকটা থিওরি বলে, আমাদের চোখ বা কান থেকে তথ্য মস্তিষ্কে পৌঁছানোর একাধিক পথ আছে। কখনো কখনো, একটা পথ দিয়ে তথ্য আসতে হয়তো এক মিলিসেকেন্ড দেরি হয়ে যায়। তোমার মস্তিষ্ক প্রথম সিগন্যালটা পেয়েই সেটাকে 'দেখে' ফেলে। ঠিক তার পরের মুহূর্তে যখন দ্বিতীয় (দেরি হওয়া) সিগন্যালটা পৌঁছায়, মস্তিষ্ক ভাবে, "আরে, এটা তো একটু আগেই দেখলাম!"... আর সেই 'একটু আগে'-কেই তোমার মন 'অনেক পুরনো' বলে ভুল করে।

তাহলে এটা কি খারাপ? একদমই না! 'দেজা ভ্যু' হওয়া মানে তোমার মস্তিষ্ক একদম সজাগ আছে। এটা প্রমাণ করে, তোমার মস্তিষ্কের 'ভুল ধরার' সিস্টেম (reality-checking system) ঠিকঠাক কাজ করছে। সে বুঝতে পারছে যে এই অনুভূতিটা অদ্ভুত এবং স্বাভাবিক নয়।

তো, পরেরবার 'দেজা ভ্যু' হলে ভয় পেয়ো না। শুধু মুচকি হেসো আর ভেবো, তোমার মস্তিষ্ক তোমার সাথেই কী অদ্ভুত সুন্দর একটা খেলা খেলে ফেললো!

-----------------------------------------
বিজ্ঞানের নিত্য নতুন আবিষ্কার, অমিমাংসিত রহস্যঘেরা দুনিয়ার প্রতি কৌতুহলী পাঠকের জন্য আমরা প্রতিমাসে প্রকাশ করছি ডাইভেনশ বিজ্ঞান ম্যাগাজিন। যেখাবে তুমি পাবে বিজ্ঞানের অসংখ্য অজানা তথ্য, যা তোমার কৌতূহলকে ও জানার আগ্রহকে বাড়িয়ে ‍তুলবে কয়েকগুন।

আমাদের ম্যাগাজিনগুলো দেখতে ভিজিট করো: https://trsp.link/trspmagazines

#বিজ্ঞান #মস্তিষ্ক #মনোবিজ্ঞান #দেজাভ্যু

যখন কেউ একটা সহজ কাজকে গুলিয়ে ফেলে বা করতে পারে না, আমরা প্রায়ই এই কথাটা বলি, "আরে ভাই, এটা তো কোনো রকেট সায়েন্স না!"- ত...
03/11/2025

যখন কেউ একটা সহজ কাজকে গুলিয়ে ফেলে বা করতে পারে না, আমরা প্রায়ই এই কথাটা বলি, "আরে ভাই, এটা তো কোনো রকেট সায়েন্স না!"- তাই না?

এর মানে হলো, কাজটা খুব সহজ; 'রকেট সায়েন্স'-এর মতো মহাজটিল কিছু নয়।

কিন্তু... কখনো ভেবে দেখেছ, এই "রকেট সায়েন্স" (Rocket Science) জিনিসটাকেই কেন আমরা সব কঠিন বিষয়ের 'মাপকাঠি' ধরি? এটা আসলেই এতটা কঠিন কেন? চলো, আজ সেই গল্পটাই একটু সহজ করে শুনি।

প্রথমেই একটা ভুল ভাঙি। অনেকেই ভাবেন রকেট হয়তো মাটি বা বাতাসকে ধাক্কা দিয়ে ওপরে ওঠে। একদমই ভুল। রকেট যদি বাতাসকেই ধাক্কা দিত, তাহলে তো আর মহাকাশের শূন্যে চলতে পারতো না।

রকেট চলে নিউটনের সেই বিখ্যাত 'ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া' সূত্রের ওপর। রকেটের ইঞ্জিন দিয়ে প্রচণ্ড বেগে আগুন আর গ্যাসকে নিচের দিকে ছুড়ে ফেলা হয় (এটা হলো ক্রিয়া)। আর সেই গ্যাসও রকেটকে ঠিক সমান শক্তিতে ওপরের দিকে ঠেলে দেয় (এটাই প্রতিক্রিয়া)। এই ওপরের ধাক্কা বা 'থ্রাস্ট' যখন পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ থেকে বেশি হয়ে যায়, তখনই রকেট মাটি ছেড়ে ওপরে ওঠা শুরু করে।

শুনতে সহজ লাগছে? কিন্তু আসল খেলাটা শুরু হয় এখানে।

মহাকাশে যেতে হলে রকেটকে প্রচণ্ড গতি তুলতে হয় (ঘণ্টায় প্রায় ২৮,০০০ কিমি)। আর এই গতির জন্য দরকার জ্বালানি। প্রচুর জ্বালানি।

মজার (বা দুঃখের) ব্যাপার হলো, এই জ্বালানিরও তো ওজন আছে! তুমি রকেটে যত বেশি জ্বালানি ভরবে, রকেট তত ভারী হবে। আর সেই ভারী রকেটকে তুলতে... ঠিক ধরেছ, আরও বেশি জ্বালানি লাগবে! এই যে এক দুষ্ট চক্র—জ্বালানি ভরতে গিয়ে রকেট ভারী হয়ে যাচ্ছে, আর সেই ভারী রকেটকে তুলতে আবার জ্বালানি লাগছে—একেই বিজ্ঞানীরা বলেন "রকেট সমীকরণের স্বৈরাচার" (Tyranny of the Rocket Equation)।

এই কারণেই একটা রকেটের মোট ওজনের প্রায় ৯০ ভাগই থাকে শুধু জ্বালানি। আমরা টিভিতে যে স্যাটেলাইট বা মহাকাশচারীদের দেখি, সেটা পুরো রকেটের ওজনের তুলনায় কিছুই না।

আচ্ছা, মানলাম উড়লো। কিন্তু এই লক্ষ লক্ষ কেজির একটা আস্ত জিনিস, একটা পিনের মাথার ওপর লাঠি দাঁড় করানোর চেয়েও কঠিনভাবে, সোজা ওপরে ওঠে কীভাবে? একটুও হেলে পড়ে না?

এখানেই হলো আসল কারিগরি। রকেটের ইঞ্জিনগুলো এক জায়গায় শক্ত করে বসানো থাকে না। ওগুলো সামান্য ডানে-বামে ঘুরতে পারে (একে বলে 'গিম্বাল')। রকেটের 'ব্রেইন' (ফ্লাইট কম্পিউটার) প্রতি সেকেন্ডে হাজারবার হিসাব কষে দেখে, রকেটটা একচুলও বেঁকে যাচ্ছে কি না। যেই না একটু হেলে পড়ার উপক্রম হয়, অমনি কম্পিউটার ইঞ্জিনগুলোকে তার উল্টোদিকে সামান্য ঘুরিয়ে দেয়। এই ধাক্কার ফলে রকেট আবার সোজা হয়ে যায়।

শুধু তাই না, রকেটকে লড়তে হয় দুটো চরম পরিস্থিতির সাথে। একদিকে এটি যখন বায়ুমণ্ডল ভেদ করে, তখন ঘর্ষণের ফলে এর বাইরের তাপমাত্রা কয়েক হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে যায়। অন্যদিকে, ওই আগুনের গোলার ঠিক ভেতরেই ট্যাংকে ভরা থাকে মাইনাস ১৮০ ডিগ্রির কনকনে ঠাণ্ডা তরল অক্সিজেন! এই চরম গরম আর চরম ঠাণ্ডাকে একসাথে সামলানো... ভাবো একবার!

তাই, 'রকেট সায়েন্স' আসলে একটা জিনিস নয়। এটা গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন আর নিখুঁত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের এক মহাকাব্য। এখানে একটা ছোট নাট-বল্টুর ভুলেও মুহূর্তে সব শেষ হয়ে যেতে পারে।

তো, পরেরবার যখন কেউ সহজ একটা কাজকে পেঁচিয়ে ফেলবে আর তুমি বলবে, "আরে ভাই, এটা তো রকেট সায়েন্স না!"... তখন তুমি ঠিকই বলবে। কারণ আসল জিনিসটা যে কী, তা তো তুমি জেনেই গেলে!

#রকেটসায়েন্স #মহাকাশ #বিজ্ঞান #প্রযুক্তি #তথ্য

হ্যারি পটারের সেই বিখ্যাত Invisibility Cloak-এর কথা মনে আছে? যা পরলে হ্যারি এক নিমেষেই হয়ে যেত অদৃশ্য। বহুদিন পর্যন্ত ব...
01/11/2025

হ্যারি পটারের সেই বিখ্যাত Invisibility Cloak-এর কথা মনে আছে? যা পরলে হ্যারি এক নিমেষেই হয়ে যেত অদৃশ্য। বহুদিন পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা এমন কিছুকে অসম্ভব বললেও, একদল বিজ্ঞানী সবসময়ই প্রচলিত জ্ঞানকে চ্যালেঞ্জ করে এসেছেন।

পদার্থবিজ্ঞান কী বলে?

আমরা কোনো বস্তুকে তখনই দেখি যখন আলো তাতে বাধা পেয়ে প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে আসে। অদৃশ্য হওয়ার মূলমন্ত্র হলো, বস্তুর ওপর আলোকে পড়তেই না দেওয়া; বরং আলোকে তার চারপাশ দিয়ে বাঁকিয়ে দেওয়া, যাতে মনে হয় বস্তুটি সেখানে নেই-ই!

বর্তমানে অদৃশ্য হওয়ার এই তত্ত্বকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার পথে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় আবিষ্কারের নাম হলো "মেটাম্যাটেরিয়াল" (Metamaterial)।

এই মেটাম্যাটেরিয়াল কী? এটি কীভাবে কাজ করে? হ্যারি পটারের যাদুর চাদর আর পদার্থবিজ্ঞানের এই বিস্ময়কর সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত জানুন "ডাইভেনশন বিজ্ঞান ম্যাগাজিন"-এর জুন ২০২৫ সংখ্যায়।

আর্টিকেলটি পড়তে সংগ্রহ করুন ডাইভেনমন বিজ্ঞান ম্যাগাজিন:

অর্ডার লিংক: https://trsp.link/trspmagazines

মূল্য: মাত্র ৮০ টাকা

(সারা বাংলাদেশে হোম ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি)

আকাশে ভেসে থাকা এই নিঃশব্দ ড্রোনগুলো শত্রু চিহ্নিত করতে পারে, বিশ্লেষণ করতে পারে পরিস্থিতি, এমনকি সিদ্ধান্ত নিতে পারে কখ...
29/10/2025

আকাশে ভেসে থাকা এই নিঃশব্দ ড্রোনগুলো শত্রু চিহ্নিত করতে পারে, বিশ্লেষণ করতে পারে পরিস্থিতি, এমনকি সিদ্ধান্ত নিতে পারে কখন, কোথায়, কাকে আঘাত করা হবে। এমনই এক এআই-চালিত গোপন যোদ্ধার নাম উইংম্যান কমব্যাট ড্রোন। আর এই নতুন যুগের ড্রোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো ”Fury”

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি এই অত্যাধুনিক ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রের Anduril Industries-এর নির্মিত Fury (YFQ-44), যা ১৯ জুন ২০২৫ সালে YFQ-44 কোডনামে Paris Air Show-এ প্রথম প্রদর্শিত হয়।

Fury সহ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, বিজ্ঞানের নিত্য নতুন আবিষ্কার, অমীমাংসিসত রহস্য জানতে সংগ্রহ করুন আমাদের নিয়মিত মাসিক ম্যাগাজিন- Divention বিজ্ঞান ম্যাগাজিন।

আজই সংগ্রহ করতে ভিজিট করুন: https://trsp.link/trspmagazines
মূল্য মাত্র: ৮০ টাকা

সারা বাংলাদেশ হোম ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি।

বিজ্ঞানের অজানা জগতের চমকপ্রদ সব তথ্য, নিত্যনতুন আবিষ্কার, যুগান্তকারী গবেষণা, কিংবা বহুবছরের অমীমাংসিত রহস্য উন্মোচন—সব...
28/10/2025

বিজ্ঞানের অজানা জগতের চমকপ্রদ সব তথ্য, নিত্যনতুন আবিষ্কার, যুগান্তকারী গবেষণা, কিংবা বহুবছরের অমীমাংসিত রহস্য উন্মোচন—সবকিছু নিয়েই প্রতিমাসে প্রকাশিত হচ্ছে আমাদের ডাইভেনশন বিজ্ঞান ম্যাগাজিন।

বিজ্ঞান, গবেষণা ও বিশ্লেষণভিত্তিক লেখায় ভরপুর—Divention-বিজ্ঞান ম্যাগজিন

বিজ্ঞানের বিস্ময়কর জগতে যেতে , এই ম্যাগাজিন হতে পারে তোমার নির্ভরতার নাম

📘 এখনই সংগ্রহ করো — Divention বিজ্ঞান ম্যাগাজিন।

🛒 অর্ডার করতে ভিজিট করো:
👉 https://trsp.link/trspmagazines

পর্যায় সারণির (Periodic Table) প্রথম মৌল কোনটি?সঠিক উত্তর কমেন্ট করুন, আর জিতে নিন Divention বিজ্ঞান সাময়িকী.(কমেন্টে স...
26/10/2025

পর্যায় সারণির (Periodic Table) প্রথম মৌল কোনটি?
সঠিক উত্তর কমেন্ট করুন, আর জিতে নিন Divention বিজ্ঞান সাময়িকী.
(কমেন্টে সঠিক উত্তরদাতাদের মধ্যে থেকে একজনকে বিজয়ী ঘোষনা করা হবে)
📌 গত পর্বের প্রশ্ন ছিল:
ডলফিন কোন পদ্ধতিতে শিকার খুঁজে বের করে?
সঠিক উত্তর: ইকোলোকেশন
বিজয়ী: Monira
🎉 অভিনন্দন!
বিজয়ীকে অনুরোধ করা হচ্ছে তার নাম, ফোন নম্বর এবং ঠিকানা আমাদের পেইজে মেসেজ করে পাঠানোর জন্য।
#সাময়িকী #বিজ্ঞান #ডাইভেনশন

একটি কৌতূহলী ও জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে—TRSP ম্যাগাজিন।প্রতিমাসে প্রকাশিত The Why? ও Divention ম্যাগাজিনে...
25/10/2025

একটি কৌতূহলী ও জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে—TRSP ম্যাগাজিন।

প্রতিমাসে প্রকাশিত The Why? ও Divention ম্যাগাজিনে থাকছে:
🔬 বিজ্ঞান জগতের মজাদার তথ্য
🚀 নিত্য নতুন আবিষ্কার
🧠 বহু বছরের অমিমাংসিত রহস্যের অনুসন্ধান
🌍 বিশ্বরাজনীতি, ইতিহাস, অর্থনীতি ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির বিশ্লেষণ
❓ মানবজীবনের অসংখ্য অজানা প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা

ম্যাগাজিনগুলোর কিছু পৃষ্ঠা পড়ে দেখতে ভিজিট করুন:
👉 http://trsp.link/trspmagazines

23/10/2025

কল্পনা করুন তো, একজন মানুষ যিনি বিদ্যুতের নীল আলোকরশ্মির মধ্যেই দেখতে পেয়েছিলেন আগামীর পৃথিবীকে। তিনি আর কেউ নন, যুগান্তকারী উদ্ভাবক নিকোলা টেসলা। এসি (AC) বিদ্যুৎ ব্যবস্থা থেকে শুরু করে মোটর, ট্রান্সফরমার আর তারবিহীন বিদ্যুৎ সরবরাহের মতো অবিশ্বাস্য সব ধারণা—সবখানেই তাঁর বিস্ময়কর প্রতিভার ছাপ।

তাঁর চিন্তার জগৎ ছিল নীল বজ্রের মতোই শাখা-প্রশাখায় বিস্তৃত আর রহস্যে ঘেরা। সেই রহস্যময় জগতে প্রবেশের চাবিকাঠি নিয়েই আমাদের আজকের আয়োজন। "এক রহস্যময় প্রতিভা- নিকোলা টেসলা" বইটি আপনাকে নিয়ে যাবে সেই পৃথিবীতে, যেখানে টেসলার যুগান্তকারী উদ্ভাবনগুলো আজও ভবিষ্যতের আবিষ্কার বলে মনে হয়।

আপনি কি প্রস্তুত সেই রহস্যময় প্রতিভার জগতে ডুব দিতে? টেসলার জীবন, তাঁর অবিশ্বাস্য আবিষ্কার এবং তাঁর দূরদর্শী চিন্তাভাবনার সাথে পরিচিত হতে আজই সংগ্রহ করুন "নিকোলা টেসলা" বইটি।

অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://trsp.link/Nikola-Tesla

#বই #বিজ্ঞান #উদ্ভাবন #রহস্য #প্রতিভা

✨ এখনো সংগ্রহ করেননি?তাহলে দেরি না করে, স্টক শেষ হওয়ার পূর্বেই সংগ্রহ করুন সেরা বিজ্ঞান ম্যাগাজিন , ডাইভেনশন বিজ্ঞান ম্য...
22/10/2025

✨ এখনো সংগ্রহ করেননি?

তাহলে দেরি না করে, স্টক শেষ হওয়ার পূর্বেই সংগ্রহ করুন সেরা বিজ্ঞান ম্যাগাজিন , ডাইভেনশন বিজ্ঞান ম্যাগাজিন।!

👉 এখই অর্ডার করুন: https://trsp.link/trspmagazines

গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা, সাম্প্রতিক ঘটনা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বুঝতে এখনই সংগ্রহ করুন The Why? ম্যাগাজিন।অর্ডার করতে ...
20/10/2025

গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা, সাম্প্রতিক ঘটনা ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বুঝতে এখনই সংগ্রহ করুন The Why? ম্যাগাজিন।

অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://trsp.link/trspmagazines

দক্ষিণ আফ্রিকার বরেণ্য নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক সংগ্রাম ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিভরা জীবন ছিল এক অনন্য ঘটনা। ২৭ বছর কারাগারে বন্দী থাকলেও তিনি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পুনর্গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন। যিনি বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছেন। নিজের ত্যাগ, দৃঢ়তা আর অবিচল সাহস দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছিলেন স্বাধীনতার প্রতীক, শান্তির দূত এবং মানবতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত। তাঁর নেতৃত্বে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে বর্ণবৈষম্য ও অবিচারের অবসান ঘটে এবং দেশ নতুন অর্থনৈতিক ও সামাজিক দিকনির্দেশনার দিকে অগ্রসর হয়। যদিও তাঁর পদক্ষেপগুলো আন্তর্জাতিক মহলে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে, তবুও সাধারণ মানুষের মাঝে তিনি একজন সাহসী ও প্রগতিশীল নেতার মর্যাদা অর্জন করেছেন।

"দি হুয়াই ম্যাগাজিন"-এর আগস্ট ২০২৫ সংখ্যায়, ”নেলসন ম্যান্ডেলা কীভাবে কারাগারের বন্দী থেকে হয়ে উঠলেন দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি” তার বিস্তারিত গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী আর্টিকেল প্রকাশিত হয়েছে।

এছাড়াও থাকছে বিভিন্ন গবেষণা ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা এবং সাম্প্রতিক ঘটনা।

বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বুঝতে এখনই সংগ্রহ করুন।

অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://trsp.link/trspmagazines

মূল্য মাত্র: ১০০ টাকা ।
হোম ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি

মানবজাতির ইতিহাসে যুদ্ধ এক ভয়ংকর নাম। প্রযুক্তি বিকাশের সাথে তা আরও ভয়ংকর ও ধ্বংসাত্মক হয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় যুদ্ধ...
20/10/2025

মানবজাতির ইতিহাসে যুদ্ধ এক ভয়ংকর নাম। প্রযুক্তি বিকাশের সাথে তা আরও ভয়ংকর ও ধ্বংসাত্মক হয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় যুদ্ধ শুধু কৌশলেই নয়, প্রযুক্তিতে হয়েছে আরো নিখুঁত, আরো ঘাতক।

যদিও আমরা শান্তিকামী, তবে বাস্তবতা হলো, শান্তিকে টিকিয়ে রাখতে প্রয়োজন আত্মরক্ষা ও ক্ষমতা। তাই প্রতিটি রাষ্ট্রের উচিত, নিজেকে রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রস্তুত থাকা।

যুদ্ধক্ষেত্রের লড়াই কতভাবেই না হতে পারে। কিন্তু পানির নিচে লুকিয়ে থেকেও যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে যে যুদ্ধযান তার নাম সাবমেরিন। 🚢🌊

আমাদের 'ডাইভেনশন' জুলাই ২০২৫ সংখ্যার প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি পর্বে থাকছে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী "Akula Class Submarine” নিয়ে বিস্তারিত লেখা। এছাড়াও আছে বিজ্ঞানের নানা অজানা তথ্য ও নিত্য নতুন আবিষ্কারের গল্প।

আপনার সংখ্যাটি অর্ডার করতে ভিজিট করুন: https://trsp.link/trspmagazines

#ডাইভেনশন #প্রতিরক্ষা_প্রযুক্তি #সাবমেরিন #বিজ্ঞান #আকুলা_ক্লাস

ডাইভেনশনঃ বিজ্ঞান সামিয়কী।বিজ্ঞানের অজানা জগতের চমকপ্রদ সব তথ্য, নিত্যনতুন আবিষ্কার, যুগান্তকারী গবেষণা, কিংবা বহুবছরের ...
19/10/2025

ডাইভেনশনঃ বিজ্ঞান সামিয়কী।

বিজ্ঞানের অজানা জগতের চমকপ্রদ সব তথ্য, নিত্যনতুন আবিষ্কার, যুগান্তকারী গবেষণা, কিংবা বহুবছরের অমীমাংসিত রহস্য উন্মোচন—সবকিছু নিয়েই প্রতিমাসে প্রকাশিত হচ্ছে আমাদের ডাইভেনশন বিজ্ঞান ম্যাগাজিন।

আজই সংগ্রহ করে নাও তোমার কপিটি।
অর্ডার করতে ভিজিট করো: https://trsp.link/trspmagazines

মূল্য মাত্র: ৮০ টাকা
হোম ডেলিভারি চার্জ সম্পূর্ণ ফ্রি।

Address

32, Purana Paltan
Dhaka-1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Divention posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Divention:

Share

Category