The Morning News

The Morning News Coming Soon

১০-এর পর ৬, তবুও জয়ের দেখা নেই বাংলাদেশের মেয়েদেরক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের দুঃস্বপ্ন যে...
17/09/2026

১০-এর পর ৬, তবুও জয়ের দেখা নেই বাংলাদেশের মেয়েদের

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের দুঃস্বপ্ন যেন কাটছেই না। প্রথম ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ গোলের রেকর্ড ব্যবধানে হারের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় পরাজয় সঙ্গী হয়েছে লাল-সবুজের মেয়েদের। এবার দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হেরেছে মারিয়া মান্ডা-ঋতুপর্ণা চাকমাদের দল।

জাপানের ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশকে চাপে রাখে দক্ষিণ কোরিয়া। একের পর এক আক্রমণে বাংলাদেশের রক্ষণকে ব্যস্ত রাখে তারা। ১৬ মিনিটে কিম মিনজির গোলে এগিয়ে যায় কোরিয়ানরা। গোল হজমের পরও চাপ কাটিয়ে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ৪২ মিনিটে জং দাবিন ব্যবধান দ্বিগুণ করলে ২-০ গোলে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে দক্ষিণ কোরিয়া। আক্রমণের গতি বাড়িয়ে বাংলাদেশের রক্ষণভাগকে কার্যত দিশেহারা করে তোলে তারা। ৬৫ মিনিটে চো ইউরি তৃতীয় গোলটি করেন। এরপর মাত্র দুই মিনিটের ব্যবধানে আরও দুই গোল। ৭৭ মিনিটে জি সোয়ুন এবং ৭৯ মিনিটে হিয়ন সেউলগি গোল করলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-০।

শেষ মুহূর্তেও থামেনি দক্ষিণ কোরিয়ার আক্রমণ। যোগ করা সময়ের প্রথম মিনিটে, অর্থাৎ ৯০+১ মিনিটে কো ইউজিন বাংলাদেশের জালে ষষ্ঠ গোলটি করেন। শেষ পর্যন্ত ৬-০ গোলের বড় হার নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে আগের ম্যাচে প্রথমার্ধেই সাত গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয়ার্ধে আরও তিন গোল। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে প্রথমার্ধে দুই গোল খাওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে আরও চারবার বল জালে জড়ায়। ফলে দুই ম্যাচে বাংলাদেশের জালে জমা পড়েছে মোট ১৬ গোল।

পরপর দুই ম্যাচে বড় হার বাংলাদেশের এশিয়ান গেমস মিশনকে কঠিন করে তুলেছে। এখন পরের ম্যাচে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজেদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়াই মারিয়া মান্ডা, ঋতুপর্ণা চাকমাদের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বৃষ্টিতে অনুশীলন পণ্ড, তবু সেমিফাইনালের পথে বাংলাদেশক্রীড়া প্রতিবেদক : চীনের বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্য জ্যোতি-সোবহানাদের, ম্যা...
16/09/2026

বৃষ্টিতে অনুশীলন পণ্ড, তবু সেমিফাইনালের পথে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : চীনের বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্য জ্যোতি-সোবহানাদের, ম্যাচ পরিত্যক্ত হলেও রয়েছে পরের ধাপে যাওয়ার সুযোগ
নাগোয়ায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে কাঙ্ক্ষিত অনুশীলন করতে পারেনি বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল। থেমে থেমে বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন বাদ দিয়ে সামান্য ফিটনেস সেশনের পর ফুটবল মাঠেই প্রস্তুতি শেষ করতে হয়েছে জ্যোতি-সোবহানাদের। এর মধ্যেই আগামীকাল চীনের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

টোকিওতে সকাল থেকেই ছিল মেঘলা আকাশ, সঙ্গে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। তবে রাজধানীর তুলনায় নাগোয়ায় বৃষ্টির তীব্রতা ছিল বেশি। ফলে পূর্বনির্ধারিত অনুশীলন পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হয় বাংলাদেশ দল।
নাগোয়া থেকে দলের ম্যানেজার গোলাম ফাইয়াজ বলেন, ‘নাগোয়ায় বৃষ্টির জন্য পূর্ণাঙ্গ অনুশীলন করা সম্ভব হয়নি। আমরা সামান্য ফিটনেস ট্রেনিংয়ের পর ফুটবল মাঠে অনুশীলন শেষ করতে বাধ্য হয়েছি।’

চীনের বিপক্ষে জয়ের লক্ষ্য: শক্তিমত্তার বিচারে চীন বাংলাদেশের তুলনায় পিছিয়ে থাকলেও ম্যাচটিকে কোনোভাবেই হালকাভাবে নিচ্ছে না বাংলাদেশ। জয় তুলে নিয়ে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করাই দলের মূল লক্ষ্য। পদকের প্রত্যাশা নিয়েই এবারের আসরে এসেছে জ্যোতি-সোবহানারা।

দলের ব্যাটার সোবহানা মুস্তারী বলেন, ‘আমরা গতবার পদক জিতেছিলাম। এবারও পদক জয়ের লক্ষ্যেই এসেছি।’

বৃষ্টিতে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে কী হবে?
অনুশীলনের পাশাপাশি আগামীকালের ম্যাচ নিয়েও রয়েছে বৃষ্টির শঙ্কা। নাগোয়ায় গত কয়েক দিন ধরেই বৃষ্টি হচ্ছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ম্যাচের দিনও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি মাঠে গড়াবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা।

তবে ম্যাচ পরিত্যক্ত হলে বাইলজ অনুযায়ী র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ পরবর্তী ধাপে যাওয়ার সুবিধা পেতে পারে। বিষয়টি নিশ্চিত করে গোলাম ফাইয়াজ বলেন, ‘খেলা না হলে র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দল পরবর্তী ধাপে যাবে। সেই হিসেবে বাইলজ অনুযায়ী কাল বৃষ্টিতে ম্যাচ না হলে বাংলাদেশের সেমিফাইনালে যাওয়ার কথা।’

অর্থাৎ বৃষ্টি বাংলাদেশের প্রস্তুতিতে বাধা হয়ে দাঁড়ালেও ম্যাচের ফল নির্ধারণে একই আবহাওয়া হয়ে উঠতে পারে বাড়তি সুবিধার কারণ। তবে কোনো সমীকরণের ওপর নির্ভর না করে মাঠে নেমেই জয় নিশ্চিত করে সেমিফাইনালের টিকিট কাটতে চাইবে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

জুনিয়র এশিয়ার সাফল্য, এবার এশিয়ান গেমসে শারিকাদের অগ্নিপরীক্ষাক্রীড়া প্রতিবেদক : এক মঞ্চে সাফল্যের উচ্ছ্বাস শেষ না হতেই ...
16/09/2026

জুনিয়র এশিয়ার সাফল্য, এবার এশিয়ান গেমসে শারিকাদের অগ্নিপরীক্ষা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এক মঞ্চে সাফল্যের উচ্ছ্বাস শেষ না হতেই আরেক মঞ্চে কঠিন লড়াই। চীনের হুলুনবুইরে জুনিয়র এশিয়া কাপে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দেওয়া বাংলাদেশ নারী হকি দল এবার পাড়ি জমিয়েছে জাপানে। বয়সভিত্তিক আসরে সাফল্যের আত্মবিশ্বাস সঙ্গে নিয়ে জাতীয় দলের জার্সিতে এশিয়ান গেমসের বড় পরীক্ষায় নামতে প্রস্তুত শারিকা সাফা রিমনরা।

জুনিয়র এশিয়া কাপে বাংলাদেশের হয়ে আলো ছড়িয়েছেন শারিকা। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতিও পেয়েছেন তিনি। ক্যারিয়ারে প্রথমবার এমন পুরস্কার পেয়ে আনন্দিত এই তরুণ খেলোয়াড়। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়েও দলের সাফল্যই তাঁর কাছে বড়।

শারিকা বলেন, ‘টপ স্কোরারের ক্রেস্টটা যখন নিই, তখন সত্যিই অনেক খুশি হয়েছিলাম। এটা আমার প্রথমবার। তাই আনন্দটা আরও বেশি ছিল।’
জুনিয়র এশিয়া কাপে শক্তিশালী জাপানের বিপক্ষেও লড়াইয়ের মানসিকতা দেখিয়েছে বাংলাদেশ। হকিতে জাপানের দীর্ঘ ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার তুলনায় বাংলাদেশের পথচলা অনেকটাই নতুন। তারপরও ম্যাচের একটা সময় পর্যন্ত জাপানের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করেছে বাংলাদেশ—এটাকেই নিজেদের জন্য বড় প্রাপ্তি মনে করছেন শারিকা।

‘জাপানের হকি ইতিহাস অনেক বড়। আমাদের হকি যাত্রা তুলনামূলকভাবে নতুন। তারপরও জাপানের সঙ্গে আমরা ফাইট করেছি। একটা সময় পর্যন্ত ম্যাচের মধ্যেই ছিলাম’—বলেন তিনি।

বাংলাদেশের মেয়েদের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের দীর্ঘদিনের একসঙ্গে পথচলা। দলের অধিকাংশ খেলোয়াড়ই বিকেএসপিতে প্রায় ছয় বছর ধরে একসঙ্গে অনুশীলন করছেন। ফলে মাঠে একে অন্যের সঙ্গে বোঝাপড়াটা বেশ ভালো। এর সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে নতুন কোচ জাইলস বনেটের কৌশল। তাঁর অধীনে নতুন ধরনের হকি ও কৌশল রপ্ত করছেন মেয়েরা।

তবে এই দলের ভিত গড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের কোচ রাজু স্যারের অবদানও স্মরণ করছেন শারিকা। তাঁর হাত ধরেই দলের ভিত্তি শক্ত হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

তবে পথটা একেবারে মসৃণ নয়। বয়সভিত্তিক প্রতিটি পর্যায়ে পর্যাপ্ত খেলোয়াড় না থাকায় একই খেলোয়াড়দের অনূর্ধ্ব-১৭, ১৮, ২০, ২১ হয়ে সিনিয়র দল পর্যন্ত খেলতে হচ্ছে। এতে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতায় অন্য অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে বাংলাদেশ।

সীমাবদ্ধতা থাকলেও আত্মবিশ্বাসে ঘাটতি নেই শারিকাদের। চীন থেকে জাপানে যাওয়া দলের ১৩ খেলোয়াড়ের সঙ্গে দেশে থাকা আরও পাঁচজন যোগ দিচ্ছেন। এতে দলের শক্তি ও বোঝাপড়া আরও বাড়বে বলে আশা করছেন শারিকা।

চীনের ঠান্ডা আবহাওয়ায় টানা ১৫ দিন খেলে আসায় জাপানের পরিবেশেও মানিয়ে নিতে খুব একটা সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন তিনি। তবে এশিয়ান গেমসের পর নিয়মিত অনুশীলন ও ক্যাম্প ধরে রাখাটাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

জুনিয়র এশিয়া কাপের সাফল্য এখন অতীত। সামনে জাতীয় দলের হয়ে আরও বড় মঞ্চ। প্রতিপক্ষ শক্তিশালী, অভিজ্ঞতাও সীমিত। তবু ভয় নয়—লড়াই করেই নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণ করতে চায় শারিকা সাফা রিমনদের বাংলাদেশ। জুনিয়র এশিয়ার সাফল্য এবার কতটা বড় মঞ্চে ছাপ ফেলতে পারে, জাপানেই মিলবে তার নতুন পরীক্ষা।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত বিশেষায়িত শিশুদের স্কু...
15/09/2026

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ বিমান বাহিনী পরিচালিত বিশেষায়িত শিশুদের স্কুল ‘ব্লু স্কাই’ পরিদর্শন

ঢাকা ,১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ : জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান আজ মঙ্গলবার (১৫-০৯-২০২৬) ঢাকা সেনানিবাসস্থ বাংলাদেশ বিমান বাহিনী কর্তৃক পরিচালিত বিশেষায়িত শিশুদের স্কুল ‘ব্লু স্কাই’ পরিদর্শন করেন।
ডা. জুবাইদা রহমান অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে তাঁকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (BAFWWA) ও আদার্স' উইমেন অ্যান্ড চিলড্রেন ক্লাব (OWCC) এর সভাপতি সালেহা খান। এসময়, ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীগণ প্রধান অতিথিকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। পরিদর্শনকালে, ডা. জুবাইদা রহমান স্কুলের বিভিন্ন শ্রেণি কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য পরিচালিত বিভিন্ন থেরাপি কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। এসময়, তিনি স্কুলে পরিচালিত হাইড্রোথেরাপি, ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি, সাইকোলজি ও মিউজিক থেরাপি কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ২৮ জন শিক্ষক ও থেরাপিস্ট বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপনে সহায়তার লক্ষ্যে ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের এসকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এ সময় ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলের অধ্যক্ষ স্কুলের শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম, থেরাপি সুবিধা, মেডিকেল ইমার্জেন্সি ব্যবস্থাসহ সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রধান অতিথিকে অবহিত করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (বাফওয়া)-এর উদ্যোগে ২০২১ সালে ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে সর্বোচ্চ পাঁচজন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক ও একজন সিস্টার/ব্রাদারের মাধ্যমে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে ২০২১ সাল থেকে অদ্যাবধি বহু সংখ্যক বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী মূলধারার শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে। এছাড়া, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমের আওতায় ইতোমধ্যে কিছু সংখ্যক শিশুকে সহকারী থেরাপিস্ট হিসেবেও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

পরবর্তীতে, প্রধান অতিথি বাংলাদেশ বিমান বাহিনী মহিলা কল্যাণ সমিতি (বাফওয়া)-এর বিভিন্ন কার্যক্রমের একটি অংশ ‘বাফওয়া কর্নার’ পরিদর্শন করেন। এসময়, তিনি বাফওয়া ক্রাফটস অ্যান্ড বুটিক, বাফওয়া দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ প্রকল্প এবং বাফওয়া ইন্ডাস্ট্রিয়াল হোমের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের তৈরি বিভিন্ন হস্তশিল্প সামগ্রী অবলোকন করেন। পরিদর্শন শেষে, ডা. জুবাইদা রহমান ‘ব্লু স্কাই’ স্কুল-এর বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু ও বাফওয়া গোল্ডেন ঈগল নার্সারির শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত ও স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে আয়োজিত এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন। ডা. জুবাইদা রহমান ‘ব্লু স্কাই’ স্কুলে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য প্রদত্ত বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা এবং নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাফওয়া গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন ।

উক্ত অনুষ্ঠানে, সহকারী বিমান বাহিনী প্রধান (প্রশাসন), বাফওয়া কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভানেত্রীবৃন্দ ও অন্যান্য সদস্যবৃন্দ, বাফওয়া এ কে খন্দকার ও বাশার-এর সভানেত্রী ও সহ-সভানেত্রীবৃন্দসহ বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ ও সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মাঠে ছিলেন প্রাচীর, এখন ক্রীড়াঙ্গনের কাণ্ডারি আমিনুল হকমো. মজিবুর রহমান : একসময় গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাংলাদেশের...
15/09/2026

মাঠে ছিলেন প্রাচীর, এখন ক্রীড়াঙ্গনের কাণ্ডারি আমিনুল হক

মো. মজিবুর রহমান : একসময় গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে ছিলেন বাংলাদেশের কোটি ফুটবলপ্রেমীর শেষ ভরসা। প্রতিপক্ষের একের পর এক আক্রমণ, গ্যালারির চাপ আর ম্যাচের কঠিন মুহূর্ত—সবকিছুর সামনে বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়েছেন তিনি। তাঁর হাতের দুর্দান্ত সেভে বহুবার বেঁচেছে বাংলাদেশের গোলপোস্ট, বদলে গেছে ম্যাচের ভাগ্য। জাতীয় দলের সাবেক তারকা গোলরক্ষক ও অধিনায়ক আমিনুল হক এখন আর শুধু মাঠের নায়ক নন; সময়ের স্রোতে তিনি উঠে এসেছেন দেশের ক্রীড়াঙ্গনের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে।

গোলবারের নিচে তাঁর যে দৃঢ়তা ছিল, নেতৃত্বেও যেন তারই প্রতিফলন। খেলোয়াড়ি জীবনের অভিজ্ঞতা, মাঠের বাস্তবতা এবং দীর্ঘদিনের ক্রীড়াঙ্গন-সংশ্লিষ্টতা এখন তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি। একজন ফুটবলার থেকে ক্রীড়া প্রশাসনের দায়িত্বশীল ব্যক্তি হয়ে ওঠার এই পথচলা তাই নিছক পদ-পদবির পরিবর্তন নয়; এটি এক ক্রীড়াবিদের দীর্ঘ সংগ্রাম ও অর্জনের গল্প।

২০১০ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ১১তম দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবল দলের নেতৃত্বে ছিলেন আমিনুল হক। ঘরের মাঠে সেই আসরে তাঁর নেতৃত্বে দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দেয় বাংলাদেশ।

ফাইনালে আফগানিস্তানকে ৪-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে অপরাজিত চ্যাম্পিয়ন হয় লাল-সবুজের দল। অধিনায়ক আমিনুলের হাতে উঠে আসে সাফল্যের মুকুট। বাংলাদেশের ফুটবলে সেই সাফল্য আজও বিশেষ এক অধ্যায় হয়ে আছে।
তবে মাঠের আমিনুল আর মাঠের বাইরের আমিনুল—দুই পরিচয়ের মধ্যেই রয়েছে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য: মানুষের সঙ্গে তাঁর সহজ যোগাযোগ।

১৯৯৪ সালের এপ্রিল থেকে সাংবাদিকতা জীবনে ক্রীড়াঙ্গনকে কাছ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে এই প্রতিবেদকের। সেই সময় থেকেই আমিনুল হককে চেনা। দেশের ফুটবলের নানা ঘটনা, জাতীয় দলের সাফল্য-ব্যর্থতা এবং তারকা খেলোয়াড়দের নিয়ে প্রতিবেদন করতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বহুবার কথা বলার সুযোগ হয়েছে। তখন তিনি ছিলেন মাঠের অন্যতম পরিচিত মুখ। গোলপোস্টে যেমন ছিলেন আত্মবিশ্বাসী, সাংবাদিকদের সঙ্গেও ছিলেন তেমনি আন্তরিক ও প্রাণবন্ত।

তারকা খ্যাতি কখনো তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে দূরে সরিয়ে দেয়নি। বরং পরিচিত-অপরিচিত সবার সঙ্গে সহজভাবে মিশে যাওয়ার অসাধারণ ক্ষমতাই তাঁকে আলাদা করে তুলেছে। মাঠে কঠিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লড়াই করলেও মাঠের বাইরে তাঁর আচরণে ছিল বন্ধুত্বপূর্ণ উষ্ণতা।

সময় বদলেছে। শেষ হয়েছে তাঁর খেলোয়াড়ি অধ্যায়। কিন্তু থেমে থাকেননি আমিনুল হক। মাঠের অভিজ্ঞতাকে সঙ্গে নিয়ে প্রবেশ করেছেন ক্রীড়া প্রশাসনের বৃহত্তর পরিসরে। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তাঁর সামনে এসেছে আরও বড় চ্যালেঞ্জ—দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়ন, তরুণ প্রতিভার বিকাশ এবং খেলাধুলাকে আরও এগিয়ে নেওয়া।

একজন সাবেক খেলোয়াড় যখন নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আসেন, তখন প্রত্যাশাটাও থাকে বেশি। কারণ তিনি জানেন একজন খেলোয়াড়ের প্রস্তুতির কষ্ট, জানেন সাফল্যের আনন্দ, আবার খুব কাছ থেকে চেনেন ব্যর্থতার যন্ত্রণা। মাঠের বাস্তব অভিজ্ঞতা তাই ক্রীড়া প্রশাসনে তাঁর অন্যতম বড় সম্পদ।

গোলপোস্টের নিচে দাঁড়িয়ে একসময় প্রতিপক্ষের গোল ঠেকিয়েছেন আমিনুল হক। এখন তাঁর সামনে দায়িত্ব আরও বড়—দেশের ক্রীড়াঙ্গনের সম্ভাবনাকে এগিয়ে নেওয়া। সময়ের সঙ্গে বদলেছে তাঁর অবস্থান, বদলায়নি মানুষের সঙ্গে তাঁর সহজ সম্পর্ক।

মাঠের অতন্দ্র প্রহরী থেকে ক্রীড়াঙ্গনের নেতৃত্বে—আমিনুল হকের এই যাত্রা তাই শুধু একজন ফুটবলারের গল্প নয়; এটি একজন ক্রীড়াবিদের অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার দীর্ঘ পথচলার গল্প।

হঠাৎ অসুস্থ সোনালি দিনের নায়ক মাহমুদ কলি, চাইলেন সবার দোয়াবিনোদন প্রতিবেদক : একসময় তাঁর নামেই প্রেক্ষাগৃহে উঠত উচ্ছ্বাস।...
15/09/2026

হঠাৎ অসুস্থ সোনালি দিনের নায়ক মাহমুদ কলি, চাইলেন সবার দোয়া

বিনোদন প্রতিবেদক : একসময় তাঁর নামেই প্রেক্ষাগৃহে উঠত উচ্ছ্বাস। পর্দায় তাঁর উপস্থিতিই ছিল দর্শকের বাড়তি আকর্ষণ। অ্যাকশন, রোমান্স কিংবা পারিবারিক গল্প—বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে সোনালি দিনের দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন জনপ্রিয় নায়ক মাহমুদ কলি। সেই প্রিয় তারকাই এবার অসুস্থ। নিজের সুস্থতার জন্য ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে চেয়েছেন দোয়া।

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন আশি-নব্বই দশকের জনপ্রিয় এই চলচ্চিত্র তারকা। তাঁর অসুস্থতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে চলচ্চিত্র অঙ্গনে। প্রিয় নায়কের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন তাঁর অগণিত ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী।

নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মাহমুদ কলি লিখেছেন, ‘প্রিয় বন্ধু, বিনীতভাবে দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থনা করছি।’
তাঁর সংক্ষিপ্ত এই বার্তাই ভক্তদের মধ্যে তৈরি করেছে নানা উদ্বেগ। তবে ঠিক কী কারণে তিনি অসুস্থ হয়েছেন কিংবা বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা কেমন—এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

সুদর্শন চেহারা, সুঠাম দেহ আর নিজস্ব স্টাইল—সব মিলিয়ে বাংলা চলচ্চিত্রে আলাদা এক আবহ তৈরি করেছিলেন মাহমুদ কলি। তাঁর সিনেমা মানেই ছিল দর্শকের বাড়তি আগ্রহ। অ্যাকশন থেকে রোমান্স, পারিবারিক গল্প থেকে বিনোদনধর্মী সিনেমা—বিভিন্ন ঘরানায় নিজের অভিনয় প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন তিনি।

‘লাভ ইন সিঙ্গাপুর’, ‘দেশ বিদেশ’, ‘নেপালি মেয়ে’, ‘গোলমাল’, ‘শ্বশুরবাড়ি’, ‘সুপারস্টার’, ‘গ্রেফতার’, ‘খামোশ’, ‘মহান’ ও ‘মা বাপ’সহ অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন মাহমুদ কলি। বিশেষ করে বিদেশে শুটিং করা তাঁর সিনেমাগুলো নিয়ে দর্শকের মধ্যে ছিল আলাদা আগ্রহ।

সত্তরের দশকের শেষ দিকে চলচ্চিত্রে পা রাখেন এই অভিনেতা। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে অভিনয় করেছেন ৬১টি চলচ্চিত্রে। শাবানা, ববিতা, রোজিনা, অলিভিয়া, দিতি, চম্পা, অঞ্জনা ও সূচরিতাসহ সে সময়ের জনপ্রিয় বহু নায়িকার বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি।

তবে শুধু অভিনয় নয়, চলচ্চিত্রশিল্পীদের অধিকার ও কল্যাণের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন মাহমুদ কলি। বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও একাধিক মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

সময় বদলেছে, বদলেছে চলচ্চিত্রের ভাষা ও তারকার প্রজন্ম। কিন্তু সোনালি দিনের দর্শকের মনে মাহমুদ কলির জায়গা এখনো অমলিন।

যে নায়ক একসময় পর্দায় লাখো দর্শককে আনন্দ দিয়েছেন, আজ তাঁর জন্যই উঠছে দোয়ার হাত। ভক্তদের প্রত্যাশা—সব অসুস্থতা কাটিয়ে দ্রুত সুস্থ হয়ে ফিরবেন প্রিয় নায়ক মাহমুদ কলি।

মহান আল্লাহ তাঁকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করুন—এই প্রার্থনা তাঁর অগণিত ভক্তের, আমিন।

১০ গোলের ধাক্কায় এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের মেয়েদের দুঃস্বপ্নের শুরুক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দ...
14/09/2026

১০ গোলের ধাক্কায় এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের মেয়েদের দুঃস্বপ্নের শুরু

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের শুরুটা হলো চরম হতাশায়। শক্তিশালী উত্তর কোরিয়ার সামনে দাঁড়াতেই পারেনি লাল-সবুজের মেয়েরা। ওসাকার নাগাই স্টেডিয়ামে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে ১০-০ গোলের বিশাল ব্যবধানে হেরে মাঠ ছাড়তে হয়েছে পিটার বাটলারের দলকে। শুধু এশিয়ান গেমসেই নয়, বাংলাদেশের নারী ফুটবলের ইতিহাসেও এটি সবচেয়ে বড় পরাজয়।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশের রক্ষণে একের পর এক আক্রমণ চালায় তিনবারের এশিয়ান গেমস চ্যাম্পিয়ন উত্তর কোরিয়া। মাত্র পাঁচ মিনিটেই জন রয়োং জংয়ের গোলে এগিয়ে যায় তারা। পাঁচ মিনিট পর একই খেলোয়াড়ের দ্বিতীয় গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ২-০। এরপর উত্তর কোরিয়ার আক্রমণের সামনে পুরোপুরি ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে বাংলাদেশের রক্ষণ।

প্রথমার্ধেই আরও পাঁচবার বাংলাদেশের জালে বল পাঠায় উত্তর কোরিয়া। বিরতিতে ৭-০ গোলের ব্যবধানেই বোঝা যায়, ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ কতটা একতরফা ছিল। বাংলাদেশের মেয়েরা প্রতিপক্ষের বক্সের আশপাশে যাওয়ার সুযোগও খুব কম পেয়েছে। আক্রমণ তো দূরের কথা, নিজেদের রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত থাকতে হয়েছে তাদের।

বিরতির পরও একই চিত্র। ৫১ মিনিটে রাই সং এবং ৬০ মিনিটে জং জুম গোল করে ব্যবধান বাড়ান। শেষ দিকে বাংলাদেশের গোলরক্ষক মিলি কয়েকটি ভালো সেভ করে আরও বড় বিপর্যয় ঠেকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ৮৫ মিনিটে কুম জংয়ের গোলের পর ম্যাচের শেষদিকে হান জিন হংয়ের কোনাকুণি শটে দশমবারের মতো বাংলাদেশের জাল কাঁপে।

এই হারেই ভেঙে গেছে বাংলাদেশের নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় পরাজয়ের পুরোনো রেকর্ড। ২০১৩ সালে থাইল্যান্ডের কাছে ৯-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এতদিন সেটিই ছিল দেশের নারী ফুটবলের সবচেয়ে বড় হার। এবার উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ ব্যবধানে হেরে সেই লজ্জার রেকর্ড নতুন করে লিখল বাংলাদেশ।

বড় এই হারের পর কোচ পিটার বাটলারের দল নির্বাচন ও কৌশল নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ম্যাচের আগে তরুণ খেলোয়াড়দের বড় মঞ্চে সুযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন বাটলার। সেই পরিকল্পনায় মোমিতা খাতুন, অর্পিতা বিশ্বাস ও সুরভী আফরিনের মতো তরুণরা একাদশে সুযোগ পান। অন্যদিকে নিয়মিত একাদশের ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা, শিউলি আজিম ও শামসুন্নাহার ছিলেন শুরুতে বাইরে।

দ্বিতীয়ার্ধে অভিজ্ঞ ঋতুপর্ণা ও মনিকা মাঠে নামলেও ততক্ষণে ম্যাচ বাংলাদেশের হাতের বাইরে চলে গেছে। কয়েক মাস আগে নারী এশিয়ান কাপেও উত্তর কোরিয়ার কাছে ৫-০ গোলে হেরেছিল বাংলাদেশ। এবার সেই ব্যবধান দ্বিগুণ হওয়ায় দলের সামর্থ্য ও প্রস্তুতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এশিয়ান গেমসে বাংলাদেশের অভিযান এখনো শেষ হয়নি। বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে বাটলারের দল। এরপর ২১ সেপ্টেম্বর মিয়ানমারের বিপক্ষে খেলবে তারা। গ্রুপের সেরা দুই দল সরাসরি কোয়ার্টার ফাইনালে উঠবে। তিন গ্রুপের সেরা তৃতীয় হওয়া আরও দুটি দলও শেষ আটে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

উত্তর কোরিয়ার কাছে এই ১০ গোলের হার তাই শুধু একটি ম্যাচের পরাজয় নয়—বাংলাদেশের নারী ফুটবলের জন্য বড় এক সতর্কবার্তা। এখন দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়িয়ে নিজেদের সামর্থ্য দেখানোই বাটলার ও তাঁর শিষ্যদের সামনে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
ছবি: সংগৃহীত

জর্ডানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে বাংলাদেশক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল বাছাইয়ের আগে প্রস্তুতিটা যেন স...
14/09/2026

জর্ডানকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাসে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-১৭ নারী ফুটবল বাছাইয়ের আগে প্রস্তুতিটা যেন স্বপ্নের মতোই হলো বাংলাদেশের মেয়েদের। জর্ডান সফরের দুই প্রস্তুতি ম্যাচেই স্বাগতিকদের হারিয়ে বাছাইপর্বের লড়াইয়ে নামার আগে নিজেদের সামর্থ্যের জানান দিয়েছে লাল-সবুজের দল। দ্বিতীয় ও শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে রোববার আম্মানের জেএফএ মাঠে বাংলাদেশ জিতেছে ২-০ গোলে। দুটি গোলই করেছেন আলপি আক্তার।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলেছে বাংলাদেশ। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে একের পর এক আক্রমণ সাজিয়েছে মেয়েরা। ম্যাচের ২০ মিনিটে সেই আক্রমণের সুফলও আসে। আলপি আক্তারের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ।

গোলের পরও থামেনি বাংলাদেশের আক্রমণ। জর্ডানের রক্ষণে চাপ বাড়িয়ে ৩৪ মিনিটেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন আলপি। নিজের দ্বিতীয় গোল করে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন এই ফরোয়ার্ড। এরপরও সুযোগ তৈরি করেছে বাংলাদেশ, তবে আর গোলের দেখা পায়নি কোনো দল।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে জর্ডান। আক্রমণে গতি বাড়ালেও বাংলাদেশের জমাট রক্ষণভাগ ভাঙতে পারেনি স্বাগতিকরা। গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় জর্ডানের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশের মেয়েরা।

এই জয়ের আগে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেও জর্ডানকে বড় ব্যবধানে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই ম্যাচে স্বাগতিকদের ৫-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল লাল-সবুজের দল। অর্থাৎ দুই ম্যাচে জর্ডানের জালে সাত গোল দিয়েছে বাংলাদেশ, বিপরীতে একটিও গোল হজম করেনি।

এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগে টানা দুই জয় তাই শুধু ফলাফল নয়, বাংলাদেশের মেয়েদের আত্মবিশ্বাসেও যোগ করেছে নতুন মাত্রা। আক্রমণভাগের কার্যকারিতা, মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ এবং রক্ষণভাগের দৃঢ়তা—সব মিলিয়ে জর্ডান সফর থেকে ইতিবাচক বার্তাই পেয়েছে দল।

এখন প্রস্তুতি ম্যাচের সাফল্য পেছনে ফেলে মূল মিশনে চোখ বাংলাদেশের। জর্ডানের বিপক্ষে পাওয়া আত্মবিশ্বাসকে বাছাইপর্বের মঞ্চে কাজে লাগিয়ে এশিয়ান কাপের পথে এগিয়ে যেতে চায় লাল-সবুজের মেয়েরা।

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে বাস্তবতা মেনেই মাঠে লড়াইয়ে বাংলাদেশক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ ন...
13/09/2026

দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে বাস্তবতা মেনেই মাঠে লড়াইয়ে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : এশিয়ান গেমসে কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। সোমবার দুপুর ১টায় এশিয়ার অন্যতম শক্তিশালী দল দক্ষিণ কোরিয়ার মুখোমুখি হবে লাল-সবুজের মেয়েরা।

প্রতিপক্ষের শক্তি ও নিজেদের সামর্থ্যের ব্যবধানটা যে বিশাল, ম্যাচের আগেই তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধান কোচ পিটার জেমস বাটলার।
দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন না বাটলার। বরং বাস্তবতা মেনে মাঠে নেমে নিজেদের সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দেওয়াকেই বড় লক্ষ্য হিসেবে দেখছেন তিনি। কোচের চোখে দুই দলের ফুটবলের পার্থক্য ‘আকাশ-পাতাল’।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে বাটলার বলেন, ‘নিজেদের প্রতি সৎ থেকে বলতে গেলে এই ম্যাচে আমাদের জয়ের বিন্দুমাত্র সম্ভাবনাও কেউ দেখছে না। বাস্তবতাও হয়তো সেটাই। বাংলাদেশের ফুটবলের সঙ্গে কোরিয়ার ফুটবলের কোনো তুলনা চলে না। দুই দেশের ফুটবলের তফাতটা আসলে আকাশ-পাতাল।’

তবে প্রতিপক্ষের শক্তি মেনে নিলেও লড়াইয়ের আগে আত্মসমর্পণ করতে নারাজ বাংলাদেশ কোচ। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটিকে তিনি দেখছেন নিজেদের উন্নতি ও অভিজ্ঞতা অর্জনের বড় সুযোগ হিসেবে। শক্তিশালী দলের বিপক্ষে মেয়েরা কতটা নিজেদের মেলে ধরতে পারে, সেটিই এখন বাটলারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

দলের লক্ষ্য সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘কালকের ম্যাচটা আমাদের জন্য শেখার, দলের মর্যাদা রক্ষা করার এবং মাঠে একটি ইতিবাচক পারফরম্যান্স তুলে ধরার লড়াই। যেন মেয়েরা এই অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে। আমাদের মূল লক্ষ্য হলো নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেওয়া।’

এশিয়ান গেমসের মতো বড় মঞ্চে দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য নিঃসন্দেহে কঠিন চ্যালেঞ্জ। প্রতিপক্ষের গতি, দক্ষতা, কৌশল ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সঙ্গে লড়াই করতে হবে বাংলাদেশের মেয়েদের। তাই ফলাফলের চেয়ে নিজেদের পারফরম্যান্সের মান, শৃঙ্খলা এবং লড়াইয়ের মানসিকতাকেই সামনে রাখছেন বাটলার।

জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে বড় কোনো প্রত্যাশা না থাকলেও মাঠে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার প্রত্যয় বাংলাদেশের। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষায় লাল-সবুজের মেয়েরা কতটা প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে, সেটিই এখন দেখার অপেক্ষা।

এশিয়া কাপের মূল আসরে হিমালয়ের দেশ৪৪ রানে ইউএইকে হারিয়ে নেপালের প্রিমিয়ার কাপ জয়ক্রীড়া প্রতিবেদক:শিরোপার সঙ্গে এশিয়া কাপে...
13/09/2026

এশিয়া কাপের মূল আসরে হিমালয়ের দেশ
৪৪ রানে ইউএইকে হারিয়ে নেপালের প্রিমিয়ার কাপ জয়

ক্রীড়া প্রতিবেদক:
শিরোপার সঙ্গে এশিয়া কাপের টিকিটও নিশ্চিত করল নেপাল। সংযুক্ত আরব আমিরাতকে ৪৪ রানে হারিয়ে এসিসি পুরুষদের প্রিমিয়ার কাপের চ্যাম্পিয়ন হয়েছে হিমালয়ের দেশটি। এই জয়ের ফলে তিন বছর পর আবারও এশিয়া কাপের মূল আসরে খেলার সুযোগ পেল নেপাল।

কুয়ালালামপুরের বায়ুয়েমাস ওভালে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। ওপেনার আসিফ শেখের দুর্দান্ত সেঞ্চুরিতে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ৩১৩ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে তারা।

১০৬ বলে ১০২ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলেন আসিফ। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১১টি চার ও দুটি ছক্কা।
নেপালের ইনিংসে আসিফের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন রোহিত পাউডেল ও গুলশান ঝাও। রোহিত করেন ৪০ রান, আর গুলশানের ব্যাট থেকে আসে ৫২ রান। ইউএইর হয়ে ইবরার আহমেদ ৬২ রানে শিকার করেন চার উইকেট।

জয়ের জন্য ৩১৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালোই করেছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তানিশ সুরি মাত্র ২৮ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন। তবে নেপালের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণের সামনে বেশিক্ষণ সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি ইউএই। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় তাদের ব্যাটিং লাইনআপ।

নেপালের হয়ে কারান কেসি ৪৯ রানে তিনটি এবং ললিত রাজবংশী ৪৩ রানে দুটি উইকেট নেন। এক প্রান্ত আগলে রেখে রাহুল চোপড়া সেঞ্চুরি করলেও সতীর্থদের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা পাননি। শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভারে ২৬৯ রানেই থেমে যায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইনিংস। ফলে ৪৪ রানের জয় নিয়ে প্রিমিয়ার কাপের শিরোপা নিশ্চিত করে নেপাল।

ব্যাট হাতে ম্যাচজয়ী পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি পেয়েছেন আসিফ শেখ। দুর্দান্ত সেঞ্চুরির জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতে। পুরো টুর্নামেন্টে ১৭ উইকেট নিয়ে সিরিজসেরা হয়েছেন নেপালের লেগ স্পিনার সন্দীপ লামিচানে।

এশিয়া কাপে এটি নেপালের দ্বিতীয় অংশগ্রহণ হতে যাচ্ছে। ২০২৩ সালে প্রথমবারের মতো এশিয়ার সবচেয়ে বড় ক্রিকেট আসরে খেলেছিল তারা। এবার প্রিমিয়ার কাপের শিরোপা জিতে আবারও সেই মঞ্চে ফেরার সুযোগ পেল নেপাল।

আগামী এশিয়া কাপে ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মতো পূর্ণ সদস্য দেশের বিপক্ষে মাঠে নামার সম্ভাবনাও রয়েছে নেপালের। ফলে এই শিরোপা নেপালের ক্রিকেটে নতুন আত্মবিশ্বাসের পাশাপাশি বড় দলগুলোর বিপক্ষে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণেরও বড় সুযোগ এনে দিয়েছে।

Address

95, Motijheel C/A (2nd Floor)
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Morning News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share