15/09/2026
ভারতের যত র এর এজেন্ট, মোদীর অবৈধ বীজ সবগুলোকে বলে দিও, ১৯৪৮ সালে মৃত্যু হয় এক মুসলিম শাসক মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর। ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের সাথে মোহাম্মদ আলী জিন্নার কোন সম্পর্ক নেই। তবে যে মাদারবোর্ডরা ডাকসু ভবনে হামলা করে জিন্নাহর ছবি ভাঙলো, তারা বাংলাদেশকে অখণ্ড ভারত করার উদ্দেশ্যেই ভাংলো। তাদের এই স্বপ্ন ইনশাআল্লাহ কখনোই পূরণ হবে না।
ভারতের পা চাটা দালাল মাদারবোর্ডেরা জানেই না, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ, ১৯৪৭ সালে একগুঁয়েমি করে ব্রিটিশদের কাছ থেকে পূর্ব পাকিস্তান ও পাকিস্তান আদায় করে নিয়েছিলেন।নয়তো আজ বাংলাদেশে থাকতো ভারতের কোন এক অবহেলিত প্রদেশ হিসাবে।
ভারতের দালানের বাচ্চাদের আরো বলে দিও,
👉ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমানদের একজন জিন্নাহ ছিলেন বলেই হিন্দু ব্রাহ্মণ জমিদারের বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কোন মুসলমানের সন্তানকে জুতা খুলে হাতে নিতে হয় না।
👉মসজিদ ভেঙে মন্দির বানানো হয় না। শতাব্দীর আমলে মসজিদ দখল করে মসজিদের ভিতর মূর্তি স্থাপন করা হয় না।
👉মসজিদ থেকে মাইক খুলে আজান বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয় না। বোরকা হিজাব পর্দা নিয়ে নারীদের নিষেধ করে না।
👉মুসলিম পরিচয়ের কারণে কোন জায়গায় অপমানিত হতে হয় না। প্রধানমন্ত্রী প্রধান বিচারপতি হতে সমস্যা হয় না।
👉একজন জিন্না ছিলেন বলেই কেরানী ও চাষাদের পুত্র কাগন একটি ভূখণ্ডের সর্বোচ্চ আসনে বসতে পেরেছে সম্মানের সাথে।
👉জিন্নাহ ছিল বলেই, আমাদেরকে আজ রাস্তায় ধরে জোর করে জয় শ্রীরাম বলতে বাধ্য করে না।
👉জিন্নাহ ছিল বলেই, এখনো নির্বিঘ্নে বাংলাদেশে বসে গরুর মাংস খেতে পারি।
মোটকথা, মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছাড়া পাকিস্তান তৈরি হতো না। আর পাকিস্তান তৈরি না হলে বাংলাদেশে কখনোই তৈরী হতো না।
আজকে মাদারবোর্ড এরা মোহাম্মদ আলী জিন্নার ছবি ভাংছিস তারা কি জিন্নাহর এই ইতিহাস গুলো জানিস।