Tanha’s Update News

Tanha’s Update News Hlw everyone 🌻Assalamu alaikum .. This is my new page so stay with me🌻✨
(1)

মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের BG-338 ফ্লাইটে ওমরাহ শেষে যাত্রীরা ঢাকায় ফেরেন। সেখানে জামায়াতের কয়েকজন নেতা ও সংসদ সদস্যও ছ...
03/10/2026

মদিনা থেকে বাংলাদেশ বিমানের BG-338 ফ্লাইটে ওমরাহ শেষে যাত্রীরা ঢাকায় ফেরেন। সেখানে জামায়াতের কয়েকজন নেতা ও সংসদ সদস্যও ছিলেন। বিমানবন্দরে নেমে লাগেজ, ট্রলি ও জমজমের পানি পেতে প্রায় তিন ঘণ্টা পর্যন্ত বিলম্ব হয় বলে চারজন এমপি অভিযোগ করেন। পরে বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, জমজমের পানি বেল্টে পৌঁছাতে কনটেইনার অফলোডিং ও দায়িত্বগত/পরিচালনাগত গাফিলতি হয়েছিল। এই বিলম্ব নিয়ে সাবেক এমপি ও জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ক্ষুব্ধ হন। বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদের সঙ্গে তাঁর উত্তপ্ত বাকবিতণ্ডা হয়।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে আখতারুজ্জামানকে কর্মকর্তাকে “ঘাড় ধরে বের করে দেব” এবং “মা**ইর খাইতে চান?”মামলার এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি এক নিরাপত্তাকর্মীকে গালাগাল ও শারীরিকভাবে আঘাত করেন এবং সাধারণ যাত্রীদের জমজমের পানির বোতলও ছুড়ে ফেলেন। এগুলো মামলার অভিযোগ, আদালতে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বলা ঠিক হবে না। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি, মারধরসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা হয় এবং ২ অক্টোবর তাঁকে ডিবি গ্রেপ্তার করে। আজ ৩ অক্টোবরের সর্বশেষ প্রতিবেদনে দেখা যাচ্ছে, তাঁকে আদালতে নিয়ে এক দিনের রিমান্ড দেওয়া হয়েছে।

**“প্রিয় সন্তান রুফাইদ আল রাওনাফ—তোমার জন্য বাবার কিছু কথা…”** 💔২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার সকালটা আমাদের জীবনে এমন এক ব...
03/10/2026

**“প্রিয় সন্তান রুফাইদ আল রাওনাফ—তোমার জন্য বাবার কিছু কথা…”** 💔

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার সকালটা আমাদের জীবনে এমন এক বাস্তবতা নিয়ে এসেছিল, যার জন্য আমরা কেউই প্রস্তুত ছিলাম না। মুহূর্তের মধ্যেই আমাদের পরিচিত পৃথিবীটা যেন বদলে গেল। তোমার ছোট্ট জীবনে নেমে এলো এমন এক শূন্যতা, যার অর্থ তুমি হয়তো এখনো পুরোপুরি বুঝতে পারছো না।

আজ ২৯ সেপ্টেম্বর। হয়তো তুমি এখনো ভাবছো—ঘরটা এত নীরব কেন? প্রতিদিন যে মা তোমাকে আদর করে ঘুম পাড়াতেন, যার হাতের খাবার ছাড়া খেতে চাইতে না, সেই মা আজ কোথায়?

একদিন তুমি বড় হবে। তখন হয়তো আজকের এই দিনগুলোর অনেক কিছু জানতে চাইবে। তাই আজ তোমার জন্য এই কথাগুলো লিখে রাখছি।

জীবন সবসময় আমাদের ইচ্ছেমতো গল্প লেখে না। কখনো কখনো খুব আপন মানুষও এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, যার পর একটি সাজানো সংসার মুহূর্তেই ভেঙে যায়। সম্পর্কের ভাঙন কখন, কোন কারণে কিংবা কোন পরিস্থিতিতে আসে—তা আগে থেকে কেউ বলতে পারে না।

তোমার মা আজ আমাদের জীবন থেকে দূরে চলে গেছেন। এই বিচ্ছেদের পেছনে যে কারণই থাকুক, একটা বিষয় তুমি কখনো মনে করো না—**এটার জন্য তুমি দায়ী।**

তুমি আমাদের জীবনের কোনো ভুলের ফল নও। তুমি ছিলে, আছো এবং সবসময়ই থাকবে আমাদের জীবনের সবচেয়ে সুন্দর আশীর্বাদ। ❤️

স্বামী হিসেবে আমি হয়তো অনেক ভুল করেছি। হয়তো তোমার মায়ের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারিনি। আমারও হয়তো অনেক সীমাবদ্ধতা ছিল। কিন্তু একজন বাবা হিসেবে তোমার প্রতি আমার ভালোবাসায় কোনো কমতি ছিল না, ভবিষ্যতেও থাকবে না।

তোমার মায়ের প্রতি আমার মনে অভিমান, কষ্ট কিংবা রাগ থাকতেই পারে। কিন্তু তোমার কাছে তিনি সবসময় তোমার **মা** হয়েই থাকবেন। আমি কখনো চাই না আমার কষ্টের কারণে তোমার ছোট্ট মনে মায়ের প্রতি ঘৃণা জন্ম নিক।

হয়তো এখন থেকে আমাদের পথটা একটু কঠিন হবে। তোমাকে একা হাতে বড় করে তোলা সহজ হবে না। তোমার মায়ের শূন্যতা আমি কখনো পূরণ করতে পারব কি না জানি না। কিন্তু তোমাকে ভালোবাসার ক্ষেত্রে কোনোদিন কার্পণ্য করব না।

তোমার হাসিতে আমি হাসব, তোমার কান্নায় তোমাকে জড়িয়ে ধরব। তোমার স্বপ্নগুলোকে নিজের স্বপ্ন মনে করে পাশে থাকব। তুমি যেন একজন ভালো মানুষ হয়ে বড় হও—সৎ, মানবিক, বিনয়ী ও চরিত্রবান—এটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় চাওয়া।

মনে রেখো বাবা, পৃথিবী যত কঠিনই হোক, তোমার জন্য তোমার বাবার দরজা সবসময় খোলা থাকবে।

তুমিই এখন আমার বেঁচে থাকার সবচেয়ে বড় কারণ। আমরা দুজন মিলে আমাদের ছোট্ট পৃথিবীটাকে আবার গুছিয়ে নেব। হয়তো আগের মতো হবে না, কিন্তু নতুনভাবে হাসতে শিখব।

আর একটা কথা—যেদিন আমি বুড়ো হয়ে যাব, আমার হাতটা একটু শক্ত করে ধরে রেখো। জীবনের শেষ সময়টুকু যেন তোমার হাত ধরেই কাটাতে পারি। আর যেদিন আল্লাহর কাছে ফিরে যাব, সেদিনও আমার শেষ দোয়াগুলোর একটিতে তুমি থাকবে।

কারণ তুমি শুধু আমার সন্তান নও—
**তুমি আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভালোবাসা, আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব এবং আমার বেঁচে থাকার অনুপ্রেরণা।**

পুরো পৃথিবীর এক পাশে আর তুমি অন্য পাশে থাকলে, আমি কোনো দ্বিধা ছাড়াই তোমাকেই বেছে নেব। তোমার জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে লড়ে যাব।

আল্লাহ তোমাকে নেক হায়াত, সুন্দর ভবিষ্যৎ এবং সুখী জীবন দান করুন।

**ইতি,
তোমার বাবা।** ❤️

এই ভদ্রলোক হয়তো লাইলি-মজনু কিংবা শিরী-ফরহাদের ভালোবাসাকেও হার মানিয়ে দিয়েছেন! 💔প্রায় তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন ...
30/09/2026

এই ভদ্রলোক হয়তো লাইলি-মজনু কিংবা শিরী-ফরহাদের ভালোবাসাকেও হার মানিয়ে দিয়েছেন! 💔

প্রায় তিন মাস আগে মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রী নিখোঁজ হয়ে যান। প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে পেতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে বেড়িয়েছেন তিনি। করেছেন পোস্টারিং, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চালিয়েছেন ব্যাপক খোঁজ। কিন্তু কোনোভাবেই স্ত্রীর সন্ধান মিলছিল না।

অবশেষে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিওতে স্ত্রীকে দেখতে পান তিনি। জানতে পারেন, নারীটি রয়েছেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায়। আর কোনো দেরি না করে ছুটে যান সেখানে।

কিন্তু এরপরের দৃশ্যটা যেন কোনো সিনেমার চিত্রনাট্যকেও হার মানায়! 😢

গাড়ি থেকে নেমেই রাস্তার পাশে ময়লার মধ্যে পড়ে থাকা স্ত্রীকে দেখতে পান তিনি। এরপর চিৎকার করতে করতে ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরেন তাকে।

দীর্ঘ তিন মাস একই কাপড়ে রাস্তায় পড়ে ছিলেন সেই নারী। শরীরের বিভিন্ন অংশে পচন ধরেছিল, চারপাশে ছিল তীব্র দু*র্গন্ধ। এমন অবস্থায় কাছে যাওয়াটাও যেখানে কঠিন, সেখানে স্বামীর চোখে তখন এসবের কিছুই যেন বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি।

তার চোখে ছিল শুধু হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষটিকে ফিরে পাওয়ার আনন্দ। ❤️

চাইলে হয়তো সমাজের প্রচলিত কথায় কান দিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করতে পারতেন। কেউ হয়তো বলত, “বউ তো হারিয়েই গেছে, আর কত খুঁজবে?”

কিন্তু তিনি থামেননি।

একদিন, দুইদিন নয়—টানা তিন মাস ধরে খুঁজেছেন তার স্ত্রীকে। আর যেদিন তাকে ফিরে পেলেন, সেদিন স্ত্রীর অপরিচ্ছন্নতা, শরীরের দুর্গন্ধ কিংবা অসুস্থ চেহারা—কোনোটাই তার ভালোবাসার সামনে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা হয়তো মানুষের বাহ্যিক অবস্থাটা দেখে না; মানুষটাকেই দেখে। ❤️

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার এই ঘটনাটি যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—সব পুরুষ ভালোবাসা ভুলে যায় না। কিছু মানুষ সত্যিই এমনভাবে ভালোবাসে, যেখানে হারিয়ে যাওয়া প্রিয় মানুষটিকে ফিরে পাওয়াই হয়ে ওঠে জীবনের সবচেয়ে বড় পাওয়া। ❤️

#পাগল #ভালোবাসা #স্বামী

চুরির মিথ্যা অপবাদে এক বাবাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল। আর সেই অসহায় বাবার মুখে নিজ হাতে খাবার তুলে দিচ্ছিল তার ...
27/09/2026

চুরির মিথ্যা অপবাদে এক বাবাকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়েছিল। আর সেই অসহায় বাবার মুখে নিজ হাতে খাবার তুলে দিচ্ছিল তার ছোট্ট মেয়ে তুবা। হৃদয়বিদারক সেই দৃশ্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। 💔
তবে জানা যায়, সেই বাবা অনিক শিকদার প্রকৃতপক্ষে চোর নন।
একসময় অনিক শিকদারের পরিবার ছিল বেশ স্বচ্ছল। কিন্তু বাবার অসুস্থতা ও দীর্ঘদিনের চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে ধীরে ধীরে নিঃস্ব হয়ে পড়ে পুরো পরিবার। আর্থিক ও মানসিক চাপের মধ্যে একসময় নেশায় জড়িয়ে পড়েন অনিক। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে স্থানীয় একটি মাদকচক্র তাকে আরও গভীরভাবে এই অন্ধকার জগতে ঠেলে দেয় বলে জানায় সংশ্লিষ্টরা।
তবে এই হৃদয়বিদারক ঘটনা সামনে আসার পর মানবিকতার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে পাশে দাঁড়ায় WAB Foundation।
ভিডিওটি দেখার পর বিষয়টির সত্যতা যাচাই করতে WAB বরিশাল টিমকে জানানো হয়। এরপর সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবকরা ছুটে যান ঘটনাস্থলে এবং খুঁজে বের করেন ছোট্ট তুবাকে।
বয়সে ছোট হলেও তুবা অত্যন্ত মিষ্টি ও বুদ্ধিদীপ্ত। তার একটাই চাওয়া—বাবার জন্য একটি সম্মানজনক কর্মসংস্থান। অন্যদিকে অনিক শিকদারও চান অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে।
তাকে নতুন জীবনের পথে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছে WAB Foundation। এ বিষয়ে উজিরপুর থানা পুলিশের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়। কথা হয় উজিরপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) ফারুক সাহেবের সঙ্গে। তিনি সংগঠনের উদ্যোগে সম্মতি জানান এবং বিষয়টি সার্বিকভাবে তদারকির আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাটি নিয়ে খোঁজখবরও শুরু করেন।
অনিক শিকদার জানিয়েছেন, গ্রামাঞ্চলে জীবিকা নির্বাহের জন্য তার একটি অটোভ্যান প্রয়োজন। তার এই চাওয়াকে গুরুত্ব দিয়ে WAB Foundation-এর পক্ষ থেকে তাকে একটি অটোভ্যান কিনে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে—যাতে তিনি সম্মানের সঙ্গে উপার্জন করে পরিবারের দায়িত্ব নিতে পারেন।
শুধু তাই নয়, ছোট্ট তুবার পড়াশোনার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নেওয়ারও আগ্রহ প্রকাশ করেছে সংগঠনটি, ইনশাআল্লাহ। ❤️
একটি ভাইরাল ভিডিও দিয়ে শুরু হওয়া এই গল্প এখন যেন নতুন আশার গল্প।
কারণ কখনো কখনো একজন মানুষের জীবনে একটু সহায়তা, একটু মানবিকতা আর নতুন করে শুরু করার একটি সুযোগই বদলে দিতে পারে পুরো একটি পরিবারের ভবিষ্যৎ। 💔❤️‍🩹

😭 এই ঘটনার আসলে কোনো ব্যাখ্যা হয় না… 😓💔ঘটনাটি বরিশালের বামরাইল বন্দরের বাজারের। রাতে সেখানে এক ব্যক্তিকে চুরির অভিযোগে ...
26/09/2026

😭 এই ঘটনার আসলে কোনো ব্যাখ্যা হয় না… 😓💔
ঘটনাটি বরিশালের বামরাইল বন্দরের বাজারের। রাতে সেখানে এক ব্যক্তিকে চুরির অভিযোগে আটক করে স্থানীয়রা। পরে তাকে মারধর করে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে, আর সবাই অপেক্ষা করছিল পুলিশের আসার জন্য।
ভোর হওয়ার আগেই খবরটি ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে তার ৮/৯ বছরের ছোট্ট মেয়েটি।
এসে সে দেখে—বাবা দুর্বল হয়ে বসে আছেন। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন। চারপাশে মানুষের ভিড়।
মেয়েটি প্রথমে বাবার কাছে গিয়ে কাঁদতে থাকে। এরপর বাবার শরীরে যেখানে যেখানে আঘাতের চিহ্ন, ছোট্ট হাত দিয়ে সেসব জায়গা আলতো করে মুছে দিতে থাকে।
কিন্তু এরপর যা ঘটল, সেটাই হয়তো পুরো ঘটনার সবচেয়ে হৃদয়স্পর্শী দৃশ্য। 💔
ছোট্ট মেয়েটির মনে হলো, তার বাবার হয়তো ক্ষুধা লেগেছে।
সে পাশের একটি দোকানে গিয়ে নিজের মতো করে একটি পাউরুটি আর এক কাপ চা কিনে আনে। এরপর বাবার সামনে বসে চায়ের মধ্যে রুটি ভিজিয়ে ভিজিয়ে বাবার মুখে তুলে দিতে থাকে।
বাবা লজ্জায় মাথা উঁচু করতে পারছিলেন না। আর মেয়েটি এসবের কিছুই বুঝছিল না। সে শুধু জানত—তার বাবা কষ্টে আছেন, হয়তো ক্ষুধার্ত। তাই বাবাকে খাওয়াতে হবে।
দৃশ্যটি দেখে উপস্থিত মানুষের মনও নরম হয়ে আসে। যারা কিছুক্ষণ আগেও তাকে মারধর করছিল, তারাই তখন বলতে থাকে—
“খা রুটি খা… ছোট্ট মেয়েটা দিচ্ছে, খা। আর মারব না।”
বাবা সত্যিই দোষী কি না, সেই বিচার তখনও হয়নি। কিন্তু ৮/৯ বছরের ওই শিশুর কাছে এসবের কোনো অর্থ নেই।
তার কাছে তিনি কোনো ‘অভিযুক্ত’ নন—
তিনি শুধু তার বাবা। ❤️‍🩹
বাবার ভুল, বাবার লজ্জা কিংবা পৃথিবীর চোখে তার পরিচয়—এসবের কিছুই সে বোঝে না। সে শুধু বোঝে, তার বাবার কষ্ট হচ্ছে। তার বাবা ক্ষুধার্ত।
সন্তানের কাছে বাবা-মায়ের জায়গাটা বোধহয় এমনই।
পৃথিবী যখন একজন মানুষকে অপরাধী হিসেবে দেখে, একটি ছোট্ট সন্তান তখনও তাকে শুধু ‘বাবা’ হিসেবেই দেখে। 💔

#বাবা #সন্তান #মেয়ে #চোর #অপরাধী

**“আব্বু, আমাদের জাহাজে মি*সাইল হা*মলা হয়েছে… দোয়া করো। হয়তো আর যোগাযোগ করতে পারব না।”**বাবার কাছ থেকে আসা এমন একটি অ...
25/09/2026

**“আব্বু, আমাদের জাহাজে মি*সাইল হা*মলা হয়েছে… দোয়া করো। হয়তো আর যোগাযোগ করতে পারব না।”**

বাবার কাছ থেকে আসা এমন একটি অডিও বার্তাই মুহূর্তের মধ্যে আতঙ্কে ডুবিয়ে দেয় চট্টগ্রামের একটি পরিবার। 💔

ঘটনাটি চট্টগ্রাম নগরের এনায়েতবাজারের বাসিন্দা **মো. আমান উল্লাহকে** ঘিরে।

অসুস্থ ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন তাঁর ছেলে মো. সাকিব আমান। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মা ও আরও দুই ভাই। পথেই হোয়াটসঅ্যাপে বাবার নম্বর থেকে আসে সেই ভয়ংকর অডিও।

অডিওতে আমান উল্লাহকে বলতে শোনা যায়—

**“আব্বু, আব্বু… আমাদের জাহাজে মি*সাইল অ্যাটাক হইছে। দোয়া করো আব্বু… হয়তো আর কমিউনিকেশন করতে পারব না।”**

বাবার কণ্ঠে এমন আতঙ্কের কথা শুনে গাড়ির ভেতর মুহূর্তেই নেমে আসে নীরবতা। তিন ভাই বুঝতে পারেন, বাবার জাহাজ বড় ধরনের বিপদের মধ্যে পড়েছে।

মাকে যেন বিষয়টি জানানো না হয়, সেটাই চেয়েছিলেন পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু অডিওটি লাউড স্পিকারে বাজতে থাকায় শেষ পর্যন্ত মায়ের কানেও পৌঁছে যায় সেই কণ্ঠ।

এরপর আর কান্না থামাতে পারেননি তিনি। গাড়ির মধ্যেই ভেঙে পড়েন মা।

কিন্তু তখনও পরিবারের কেউ জানতেন না—আমান উল্লাহ কোথায় আছেন, তিনি আদৌ নিরাপদে আছেন কি না।

আমান উল্লাহ **‘এমভি কেপ দাও’** নামের একটি বাল্ক ক্যারিয়ারে প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে কর্মরত। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ভারতের উদ্দেশে যাওয়ার পথে ওমানের মুসান্দাম উপকূলের কাছাকাছি জাহাজটি হামলার শিকার হয়।

হামলার পর জাহাজের ইঞ্জিনকক্ষে আ*গুন ধরে যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে উদ্ধার অভিযানে এগিয়ে আসে ওমানের রয়্যাল নেভি। জাহাজে থাকা **২৭ জন নাবিককেই উদ্ধার করা হয়।**

তবে হামলায় একজন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, জাহাজের পেছনের অংশে ইঞ্জিন ও নাবিকদের থাকার জায়গার কাছে পরপর দুটি আঘাত লাগে। এতে আমান উল্লাহর কেবিনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

তবে ভাগ্যক্রমে হামলার সময় নিজের কেবিনে ছিলেন না তিনি। দায়িত্ব পালন করছিলেন নিয়ন্ত্রণকক্ষে।

পরে উদ্ধার করে তাঁকে ওমানে নেওয়া হয়। কিন্তু হামলার পর একটা সময় পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

আর সেই সময়টুকুই পরিবারের কাছে হয়ে ওঠে অসহনীয়।

একদিকে বাবার শেষ অডিওর মতো শোনানো সেই কথা—

**“হয়তো আর কমিউনিকেশন করতে পারব না…”**

অন্যদিকে কোনো ফোন নেই, কোনো খবর নেই। প্রতিটি মুহূর্ত যেন পরিবারের কাছে অসীম দীর্ঘ হয়ে উঠেছিল।

অবশেষে আসে স্বস্তির খবর। আবারও পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন আমান উল্লাহ।

জানা যায়, তিনি বেঁচে আছেন এবং নিরাপদে রয়েছেন। বর্তমানে তিনি ওমানে আছেন।

ছেলে সাকিব আমান বলেন, **“আব্বু এখন নিরাপদে আছেন। তাঁকে ওমানে রাখা হয়েছে।”**

কয়েক মিনিটের একটি অডিও বার্তা যে পরিবারটিকে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর আশঙ্কায় কাঁদিয়েছিল, শেষ পর্যন্ত সেই পরিবারই পেল স্বস্তির সংবাদ।

বাবার কণ্ঠে ছিল আতঙ্ক, ছিল হয়তো শেষবার কথা বলার আশঙ্কা।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কা সত্যি হয়নি।

**আমান উল্লাহ বেঁচে আছেন—একটি পরিবারের কাছে এর চেয়ে স্বস্তির খবর আর কী হতে পারে! ❤️
**

#চট্টগ্রাম #ওমান #প্রবাসী

গরুর মাংস দিয়ে গরম গরম খিচুড়ি খাবে—৭ বছরের ছোট্ট মিমের চাওয়া ছিল এতটুকুই। 💔কিন্তু সেই ছোট্ট ইচ্ছেটাই কি তার জন্য এত ব...
24/09/2026

গরুর মাংস দিয়ে গরম গরম খিচুড়ি খাবে—৭ বছরের ছোট্ট মিমের চাওয়া ছিল এতটুকুই। 💔
কিন্তু সেই ছোট্ট ইচ্ছেটাই কি তার জন্য এত বড় অপরাধ হয়ে গেল? 😰

মায়ের কথা শুনে নানীর বাড়িতে গিয়েছিল মিম। সেখান থেকে ফ্রিজে রাখা মাংসের প্যাকেট হাতে নিয়ে কতটা খুশি হয়েই না নিজের বাড়ির দিকে ফিরছিল শিশুটি।

হয়তো মনে মনে ভাবছিল—বাড়ি গিয়ে মায়ের সঙ্গে পছন্দের খাবারটা খাবে।
কিন্তু কে জানত, সেই পথেই লুকিয়ে আছে তার জীবনের শেষ অধ্যায়!

বাড়িতে আর ফেরা হলো না মিমের। নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর পাশের একটি নির্জন ঝোপ থেকে উদ্ধার করা হয় তার নিথর দে%হ।

যে ছোট্ট হাত দুটো কিছুক্ষণ আগেও মায়ের জন্য গরুর মাংসের প্যাকেট ধরে ছিল, সেই হাত দুটো আজ আর নড়বে না।
মিম আর কোনোদিন মায়ের কাছে ফিরে এসে বলবে না—“মা, খিচুড়ি দাও।” 💔

একদিকে নানীর কান্না, অন্যদিকে মা-বাবার বুকফাটা আহাজারি—একটি শিশুর এমন পরিণতি সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন।

প্রশ্ন একটাই—একটা ৭ বছরের শিশুও যদি আপনজনের বাড়ি থেকে নিজের বাড়িতে ফেরার পথে নিরাপদ না থাকে, তাহলে আমাদের শিশুদের নিরাপত্তা কোথায়?

মিমের মতো প্রতিটি শিশুর নিরাপদে বেড়ে ওঠার অধিকার আছে। তাদের নিরাপত্তা শুধু পরিবারের নয়, আমাদের সবার দায়িত্ব।

একটি নিষ্পাপ প্রাণ ঝরে যাওয়ার পর নয়, তার আগেই যদি আমরা নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দিই—তবেই হয়তো আরেকটি মিমকে হারানোর কান্না শুনতে হবে না। 💔

#শিশুহত্যা #গরুরমাংস

পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁইটা একটু ভালো করার স্বপ্ন ছিল মেহেদী হাসানের। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ...
23/09/2026

পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁইটা একটু ভালো করার স্বপ্ন ছিল মেহেদী হাসানের। সেই স্বপ্ন পূরণ করতে টাকা জমাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু ঢাকায় কাজের উদ্দেশ্যে পা রাখার পরদিনই সব স্বপ্ন থেমে গেল। 💔

মেহেদী ছিলেন বাকপ্রতিবন্ধী। মুখে কথা বলতে না পারলেও ইশারায় নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতেন। আর পরিবারের জন্য কিছু করার তাগিদটা ছিল তাঁর প্রবল।

পড়াশোনার পাশাপাশি নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের ফাঁকে কাগজ দিয়ে ফুল তৈরি করে মেলায় বিক্রি করতেন। অল্প অল্প করে সঞ্চয় করছিলেন—লক্ষ্য ছিল আসন্ন ঈদের আগেই গ্রামের জরাজীর্ণ বাড়িটা মেরামত করা।

সেই লক্ষ্য নিয়েই সোমবার রাতে গ্রাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন মেহেদী। কিন্তু ঢাকায় এসে নতুন কর্মস্থলে কাজ শুরু করার সুযোগটুকুও আর পেলেন না।

একটি গাড়ির ধাক্কায় অকালে প্রাণ হারালেন তিনি। সঙ্গে যেন নিভে গেল তাঁর পরিবারকে ঘিরে থাকা ছোট্ট একটি স্বপ্নও। 😢

ঘটনার পর বিষয়টি নিয়ে আরও প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, গাড়িতে থাকা মূল তরুণকে শুরুতে আসামি না করে তাঁর সঙ্গে থাকা চালকের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করা হয়। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার পর ওই তরুণকে আটক করে পুলিশ।

অভিযুক্ত তরুণের বাবা বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং-৭৭৭-এর সিনিয়র পাইলট ক্যাপ্টেন ফজলে মাহমুদ—এমন তথ্যও বিভিন্ন প্রতিবেদনে এসেছে।

মেহেদী আর কোনোদিন তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে আসবেন না। যে ছেলেটা নিজের কষ্টের টাকা জমিয়ে বাবা-মায়ের ভাঙা ঘরটা ঠিক করতে চেয়েছিল, আজ সেই ছেলেটাই নেই।

প্রশ্ন একটাই—মেহেদীর পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষতির বিচার কি তারা পাবেন?

আইনের চোখে সবার অধিকার সমান হওয়ার কথা। তাই মেহেদীর পরিবারও ন্যায়বিচারের প্রত্যাশা করতেই পারে।

ঘটনাটির শেষটা কী হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

#মৃত্যু #মেহেদিহাসান #সড়কদূর্ঘটনা

‼️১০ বছরের একটি শিশুর সঙ্গে এমন নি*র্মম আচরণ—এর বিচার কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলুন!** মেয়েটি মাত্র ক্লাস ফাইভের ছাত্রী। ...
22/09/2026

‼️১০ বছরের একটি শিশুর সঙ্গে এমন নি*র্মম আচরণ—এর বিচার কী হওয়া উচিত, আপনারাই বলুন!** মেয়েটি মাত্র ক্লাস ফাইভের ছাত্রী। অথচ দীর্ঘদিন ধরে ২৩ বছর বয়সী ফয়সাল তাকে উ*ত্ত্যক্ত করে আসছিল এবং প্রেমের প্রস্তাবও দিচ্ছিল বলে অভিযোগ। ঘটনাটি বরগুনার বেতাগীর। গত শনিবার রাতে মেয়েটি বাথরুমে গেলে দরজার ফাঁক দিয়ে হা*ত ঢুকিয়ে তাকে স্প*র্শ করার চেষ্টা করে ফয়সাল। ভয়ে শিশুটি চিৎকার দিলে সে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। পরিবার বিষয়টি জানিয়ে ৯৯৯-এ ফোন করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও অভিযোগ অনুযায়ী অভিযুক্তকে গ্রেফতার না করে স্থানীয় মেম্বারের উপস্থিতিতে সালিশের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। সালিশের সময় অভিযুক্তের মা পুলিশে অভিযোগ করার কারণে ভয়ভীতি দেখিয়েছিলেন বলেও পরিবারের অভিযোগ। এরপরের ঘটনাটি আরও নির্মম। পরদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় স্কুলের সীমানার ভেতরেই শিশুটির ওপর হামলা চালায় ফয়সাল। এলোপাতাড়ি মা*রধ*রের ফলে তার সামনের তিনটি দাঁত উ*পড়ে যায় এবং আরও দুটি দাঁত ভে*ঙে যায়। ভাবুন একবার—একটি ১০ বছরের শিশু, যে এখনো পৃথিবীটাকে নিরাপদ মনে করার বয়সে আছে, সে বাড়ির বাথরুমেও নিরাপদ নয়, আবার নিজের স্কুলেও নিরাপদ নয়! 💔 সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, প্রথম অভিযোগের পরই যদি যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতো, তাহলে কি দ্বিতীয়বার শিশুটির ওপর এমন হামলার সুযোগ তৈরি হতো? অভিযুক্ত ফয়সাল বর্তমানে পলাতক বলে জানা গেছে। তাকে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি প্রথম অভিযোগের পর কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল, কেন সালিশে বিষয়টি মীমাংসা করা হলো এবং সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা কী ছিল—এসব বিষয়ও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত হওয়া দরকার। একটি শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু তার পরিবারের দায়িত্ব নয়। একটি শিশুকে রক্ষা করতে ব্যর্থতার প্রতিটি ঘটনা আমাদের সমাজ ও আইন প্রয়োগের ব্যবস্থার জন্যই বড় সতর্কবার্তা।

#শিশু #নির্যাতন #হয়রানি #বরগুনা

💔 মক্কার আকাশে আর শোনা যাবে না সেই পরিচিত কণ্ঠে ফজরের আজান!পবিত্র মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম বিন আদেল আল-মা...
21/09/2026

💔 মক্কার আকাশে আর শোনা যাবে না সেই পরিচিত কণ্ঠে ফজরের আজান!
পবিত্র মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন শেখ ইব্রাহিম বিন আদেল আল-মাদানি আর আমাদের মাঝে নেই। সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেমে আসে শোকের ছায়া।
তাঁর মৃত্যুর খবর শুনে অনেকেই খুঁজতে থাকেন সেই মায়াময় কণ্ঠে দেওয়া ফজরের আজানের রেকর্ড। মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে মসজিদুল হারামে তাঁর আজান ও তাকবিরের অডিও-ভিডিও। যেন মানুষ শেষবারের মতো তাঁর কণ্ঠ শুনে স্মৃতিতে ধরে রাখতে চাইছেন। 😢
শেখ ইব্রাহিম আল-মাদানি ছিলেন মসজিদুল হারামের ২৪ জন প্রধান মুয়াজ্জিনের একজন। নির্ধারিত দায়িত্ব অনুযায়ী আজান দেওয়ার পাশাপাশি ইমামের তাকবির মুসল্লিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার কাজও করতেন তিনি। এ কারণেই পবিত্র মসজিদের অসংখ্য মুসল্লির কাছে তাঁর কণ্ঠ ছিল অত্যন্ত পরিচিত।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও তিনি মসজিদুল হারামে ফজরের আজান দিয়েছিলেন। সেটিই হয়তো পবিত্র কাবার সামনে তাঁর জীবনের শেষ আজান হয়ে থাকবে। ভাবতেই বুকটা ভারী হয়ে আসে! 💔
১৯৭৬ সালে মদিনায় জন্ম নেওয়া শেখ ইব্রাহিম আল-মাদানি মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুয়াজ্জিন হিসেবে আজান দেওয়া শুরু করেন বলে জানা যায়। পরবর্তীতে মসজিদুল হারামের মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে দীর্ঘদিন তাঁর সুমধুর কণ্ঠে আজান শোনানোর সুযোগ পান মুসল্লিরা।
আজ তিনি নেই, কিন্তু তাঁর কণ্ঠে ভেসে আসা সেই হৃদয়ছোঁয়া আজান রয়ে যাবে অসংখ্য মানুষের স্মৃতিতে। একজন মুয়াজ্জিনের কণ্ঠ থেমে গেলেও তাঁর আজানের স্মৃতি হয়তো বহু হৃদয়ে বেঁচে থাকবে। 🤍
আল্লাহ তাআলা তাঁকে ক্ষমা করুন, তাঁর কবরকে নূরে ভরিয়ে দিন এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন। আমিন। 🤲😢

Address

Bhola, Barishal
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tanha’s Update News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tanha’s Update News:

Shortcuts

Share