JWnews Bangla বাংলা

JWnews Bangla বাংলা সত্য প্রকাশে সর্বদা নির্ভীক, নির্ভয়

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মতবিনিময় সভায় ছাত্র জমিয়ত নেতা মঈন ইসলাম বিগত জুলাই বিপ্লব পূর্ববর্তী ১৫ বছরে বাংলাদেশের মা...
30/10/2024

জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের মতবিনিময় সভায় ছাত্র জমিয়ত নেতা মঈন ইসলাম

বিগত জুলাই বিপ্লব পূর্ববর্তী ১৫ বছরে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ঢাবির সিনেটে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক কমিশনের প্রধান ভলকার তুর্কের মতবিনিময় সভায় অংশগ্রহণ করেছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মঈন ইসলাম।

এই সভায় আলেম প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত হওয়া অপরজন হচ্ছেন ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশের সাবেক সদস্য মাওলানা আশরাফ মাহদী। তারা জুলাই বিপ্লবে আলেমসমাজের ভুমিকা তুলে ধরেছেন।

শাইখে ইমামবাড়ি (রাহ)-এর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা: সংক্ষিপ্ত আলোকপাত-০১---------------------------------------------...
20/10/2024

শাইখে ইমামবাড়ি (রাহ)-এর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা: সংক্ষিপ্ত আলোকপাত-০১
-------------------------------------------------
মুফতী খন্দকার হারুনুর রশীদ
-------------------------------------------------
শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল মোমিন শাইখে ইমামবাড়ি রাহমাতুল্লাহি আলাইহি [ জন্ম-১৯৩০ : ইন্তেকাল- ২০২০] বাংলাদেশের একজন শীর্ষ আলেম, রাজনীতিবিদ এবং আওলাদে রাসূল আল্লামা শাহ সাইয়েদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রাহ) থেকে ইজাযতপ্রাপ্ত খলীফা ও কামেল পীর ছিলেন। ইলমে হাদীস, ইলমে তাফসীর, ইসলামী ফিকহ ও আকায়েদ ইত্যাদিতে সুপণ্ডিত এবং ইলমে মারেফাত তথা তাসাউফ ও আত্মশুদ্ধির ময়দানে একজন প্রাজ্ঞ দীক্ষাগুরু ছিলেন। হযরতের বহুমাত্রিক যোগ্যতা ও পাণ্ডিত্যময় যাপিত জীবনের কর্মসমাহারে সর্বশেষ রাজনৈতিক অঙ্গনে জাতীয় নেতৃত্বের পর্বটি ছিলো এক বিস্ময়কর অধ্যায়। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সভাপতি ছিলেন এবং এই দায়িত্বে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করেন।

বাংলাদেশে জমিয়তের রাজনীতিতে একটি অদৃশ্য সাংবিধানিক অলিখিত ধারা তৈরি হয়ে ছিলো যে, সবসময়ই দলীয় সভাপতি থাকবেন শাইখুল ইসলাম, আওলাদে রাসূল, আল্লামা শাহ সাইয়েদ হুসাইন আহমদ মাদানী (রাহ)-এর কোনো খলীফা কিংবা সরাসরি শাগরেদ। এর বাইরে যাওয়া যাবে না। সাবেক কেন্দ্রীয় মহাসচিব শাইখুল হাদীস মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (রাহ)-এর মতে-- সময়ের দাবি অনুযায়ী নিয়মের এই ধারাপরিক্রমা আমাদের জন্য রক্ষা করা জরুরি নয়। এটা আজীবন রক্ষা করা সম্ভবও নয়। পাশাপাশি পূর্ববাংলায় জমিয়তের দ্বিতীয় স্থপতি হিসেবে মূল্যায়ন ও কৃতজ্ঞতাস্বরূপ জমিয়তের জনক (বাবায়ে জমিয়ত) খ্যাত মাওলানা শাইখ আশরাফ আলী বিশ্বনাথী (রাহ)-কে সেই নিয়মের বাইরে এসে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ২০০৫ খ্রিস্টাব্দে মাওলানা শাইখ আশরাফ আলী বিশ্বনাথী (রাহ) ইন্তেকাল করলে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন বাংলা ভাষায় ইসলামী সাহিত্যের দিকপাল, আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব, মাসিক মদীনা সম্পাদক মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ)।

হযরত মাওলানা শাইখ আশরাফ আলী বিশ্বনাথী (রাহ)-এর ইন্তেকালের পর জমিয়তের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ ও তরুণ নেতাদের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ)-কে পাবার জোরালো প্রত্যাশা রাখতেন। তবে কর্মবীর মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ) এব্যাপারে বিশেষ কোনো আগ্রহ পোষণ করতেন না। পল্টনের অফিসে তখন হযরত খান সাহেব হুজুর (রাহ)-এর সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে একাধিকবার কথা বলারও আমার সুযোগ হয়েছিলো। হযরত মাওলানা মুহিউদ্দীন খান (রাহ) তাসাউফ ও তরীকতের সিলসিলায় 'মাদানী সনদে' হযরত শাইখে ইমামবাড়ি রাহ)-এর ইজাযতপ্রাপ্ত ছিলেন। সংখ্যায় অল্প হলেও কেন্দ্রীয় জুনিয়র ও তরুণ নেতৃবৃন্দের একটি অংশ সভাপতি হিসেবে শাইখুল হাদীস হযরত মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (রাহ)-কে কামনা করতেন। এভাবেই কেন্দ্রীয় কাউন্সিলের সময়কাল ঘনিয়ে আসে। শাইখুল হাদীস মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (রাহ) এবং অন্যান্য সিনিয়র নেতৃবৃন্দ সম্মিলিতভাবে তখন খলীফায়ে মাদানী আল্লামা আব্দুল মোমিন শাইখে ইমামবাড়ি (রাহ)-কে কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করেন।

এক বিকেলে জমিয়ত মহাসচিব ঢাকা থেকে নিজ এলাকায় এসেছেন। তিনি চারদলীয় জোট সরকারের মাননীয় এমপি। এশার নামায তিনি বাড়ি থেকে জামেয়ার মসজিদে এসে আদায় করছেন। নামাযের পর মসজিদ থেকে বেরিয়ে-- জামেয়া ইমদাদিয়া মাদানীনগর, মনিরামপুর, যশোর-এর পুকুর পারের উত্তর-গ্যালারিতে বসেছিলাম আমরা কয়েকজন। সকলেই জামেয়ার শিক্ষক। উদ্দেশ্য ছিলো-- জনাবের সাথে সাক্ষাৎ করে যারযার কামরায় চলে যাওয়া। এবার জামেয়ার সম্মানিত মুহতামিম ও শাইখুল হাদীস মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস (রাহ) ধীর গতিতে মসজিদ থেকে বেরিয়ে এসে আমাদের সম্মুখে বসলেন। আমিও তখন জামেয়ার শিক্ষক। আমাদের সালামের জবাব দিয়ে মোসাফাহা শেষে তিনি আমাকে সম্বোধন করে বলতে লাগলেন--

আমার তো একটা মজবুত ধারণা ছিলো যে, আমাদের ইমামবাড়ির হযরত দীর্ঘকাল যাবত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন একটি মফস্বল এরিয়ায় অজপাড়াগাঁয়ে বসবাস করে আসছেন বিধায় তিনি এদেশের জাতীয় রাজনীতির তেমনকিছু বুঝবেন কি না? আর বুঝলে কতোটুকুইবা বুঝবেন; সাংগঠনিকভাবে কতোটুকু সচেতনতা রাখবেন! ফলে সকল কাজ এবং সিদ্ধান্তের ভার আমাকেই বহন করে যেতে হবে। আর তিনি থাবেন আমাদের সবার মুরুব্বি হিসেবে বরকতের জন্য সদর হয়ে কিন্তু এই কয়দিনে হযরতের সাথে থাকার সুবাদে আমার ধারণা সম্পূর্ণরূপে পাল্টে দিয়েছেন তিনি। আমি গভীরভাবে লক্ষ্য করলাম-- তিনি অত্যন্ত সচেতন। বিজ্ঞ ও প্রাজ্ঞ। চিন্তাশীল ও দূরদর্শী। এবং আল্লাহর ওলী মানুষ। আমি ভাবছি এগুলো হযরত শাইখুল ইসলাম মাদানী (রাহ)-এর জলজ্যান্ত কেরামত। আসলে হযরত শাইখুল ইসলামের সকল খোলাফা একইরকম যোগ্যতার অধিকারী। হযরত মুফতী সাহেব (রাহ)-এর মুখনিঃসৃত কথাগুলো শোনার পর শাইখুল হাদীস আল্লামা আব্দুল মোমিন শাইখে ইমামবাড়ি (রাহ)-এর ব্যাপারে আমার আগ্রহ আরো বহুগুণ বেড়ে যায়। হযরতের সাহচর্য ও সংস্পর্শ পাওয়ার জন্য আরো উদগ্রীব হয়ে উঠি।

সত্যিই আজীবন গ্রামীণ পরিবেশে বসবাস করা এই মনীষী জাতীয় নেতৃত্ব কিংবা রাজনীতির ক্ষেত্রে এক অবিস্মরণীয় এবং নজিরবিহীন যোগ্যতা, দূরদর্শিতা ও সচেতনতার মূর্তপ্রতীক ছিলেন। এটা আমরা তীব্র থেকে তীব্রতর ভাবে উপলব্ধি করেছি। তিনি জমিয়তের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমে সারা দেশ সফর করার কর্মসূচি গ্রহণ করেন। দক্ষিণ বঙ্গের বৃহত্তর খুলনা, রাজধানী ঢাকা এবং সিলেটে আমিও ছিলাম সফরসঙ্গী কাফেলার একজন। বেশিরভাগ সময়ে হযরত আমাকে একেবারে পাশেই বসাতেন। সেই সুযোগে নানা বিষয়ে হযরতের নিকট গভীর থেকে জানতে চেষ্টা করতাম। অশীতিপর বৃদ্ধ বয়সে সমগ্র বাংলাদেশ সফরের এই কষ্টসাধ্য অভিযাত্রায় কোনো প্রতিনিধি দল না দিয়ে নিজেই নেমে পড়া প্রসঙ্গে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জবাবে বলেছিলেন-- সবাই মিলে আসলাফ ও আকাবিরের এই দলটির গুরুদায়িত্ব যখন আমার কাঁধে তুলে দিয়েছেন এবং আমি তা মেনে নিয়ে গ্রহণ করেছি তাই আমার কর্তব্য হয়ে গিয়েছে যে, অন্তত স্বাধীনতা পরবর্তী বিগত তিনযুগে আমাদের দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম ও অবস্থা বাংলাদেশের কোন জেলায় কীরকম পরিস্থিতিতে রয়েছে তা সরাসরি প্রত্যক্ষ করা। আর নিজ পর্যবেক্ষণ এবং বিবেচনার আলোকে যেখানে যেই অবস্থা স্পষ্ট হবে সেখানে সেই পরিস্থিতি থেকে দলীয় কর্মতৎপরতা আরো গতিশীল করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

সেদিনকার এমন জবাব থেকেই মূলত হযরতের সাংগঠনিক জ্ঞান ও প্রজ্ঞা, যোগ্যতা ও দূরদর্শিতা প্রথমবারের মতো সরাসরি কিঞ্চিৎ হলেও উপলব্ধি করতে সক্ষম হই। এখান থেকেই হযরতের প্রতি আমার আগ্রহ আরো হাজারো গুণ বেড়ে যায় এবং আনুগত্যের ঘনিষ্ঠতা তৈরি হতে থাকে। (চলবে... তাই কপি না করে শেয়ার করবেন। ধন্যবাদ।)

মান্দাক্ব জমিয়তের কাউন্সিল ও সিরাত মাহফিল সম্পন্ন। সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা ফয়সল আহমদ ...
07/10/2024

মান্দাক্ব জমিয়তের কাউন্সিল ও সিরাত মাহফিল সম্পন্ন।

সভাপতি মাওলানা লুৎফুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা ফয়সল আহমদ

গেলো ৩ অক্টোবর ২০২৪ ইংরেজি, রোজ বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ০৯ ঘটিকায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, সৌদি আরব আল বাহা জেলার মান্দাক্ব থাকা শাখার কাউন্সিল ও সিরাত মাহফিল শাখার সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম সাহেবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক হাফিজ ফয়সাল আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় সিরাত আলোচনা এবং কর্মীদের দিকনির্দেশনা প্রদান করেন আলবাহা জমিয়তের উপদেষ্টা মাওলানা মুফতি রুহুল আমীন, সৌদি আরব জমিয়তের সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা জাকারিয়া আহমদ, আল বাহা জমিয়তের সহ সভাপতি মাওলানা লোক্বমান আহমদ ক্বাসিমী, মাওলানা লুৎফুর রহমান মাওলানা আব্দুর রহমান আজমী, মাওলানা নজমুদ্দীন রহমান।

আলবাহা জমিয়তের নেতৃবৃন্দের পরামর্শে মাওলানা লুৎফুর রহমান কে সভাপতি, হাফিজ মাওলানা ফয়সল আহমদ কে সাধারণ সম্পাদক, মাওলানা মারুফ আহমদ কে সাংগঠনিক সম্পাদক,জনাব ইয়াকুল আলীকে আর্থ সম্পাদক ও হাফিজ মোহাম্মদ আলীকে প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করেন সৌদি আরব জমিয়তের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, আল বাহা জমিয়তের সাধারণ সম্পাদক আল আমীন আস সাদীক।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ মাওলানা শাহবাজ ক্বসিমী, জনাব হানিফ আলী, জনাব আবুল কাশিম, জনাব জনাব শফিক মিয়া, জনাব আজির উদ্দীন, জনাব ইয়াকুব আলী, জনাব নুরুল ইসলাম, জনাব ওয়াসিম মিয়া, জনাব মনির হুসাইন, জনাব আল আমীন, প্রমুখ।

এসময় জমিয়তের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সদস্যফরম পূর্ণ করে জমিয়তে যোগদান করেন, জনাব আবুল কাশিম এবং জনাব ইয়াকুব আলী।

বাংলাদেশে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর ভাঙাগড়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।এদেশে প্রাচীন ইসলামী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত "জমিয়ত"।১৯৮...
27/09/2024

বাংলাদেশে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর ভাঙাগড়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

এদেশে প্রাচীন ইসলামী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত "জমিয়ত"।

১৯৮০ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি লালকুঠি হলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কাউন্সিলিং অনুষ্ঠানে শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কে জমিয়তের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।

১৯৮১ সালে ২৯ নভেম্বর শায়েস্তা খান হলে হাফেজ্জি হুজুর রহ. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ঘোষণা দেন। পরে শাইখুল হাদীস সাহেব স্বীয় উস্তাদ হাফেজ্জি হুজুরের দল খেলাফত আন্দোলনে যোগ দেন। হাফেজ্জি হুজুরের জীবদ্দশায় শাইখুল হাদীস সাহেব বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জৈষ্ঠ্য নায়েবে আমীর হিসেবে ছিলেন। হাফেজ্জি হুজুরের ইন্তেকালের পর দলের আমীর নিযুক্ত হন তারই জৈষ্ঠ্য পুত্র কারী শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ সাহেব রহ.।

হাফেজ্জি হুজুরের ইন্তেকালের পর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খেলাফত আন্দোলন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক ভাগ সাহেবজাদা কারী শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফ সাহেবের নেতৃত্বাধীন, আরেকভাগ শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন।

১৯৮৯ সালে ৮ ডিসেম্বর ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন, অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের‌ সাহেবের নেতৃত্বাধীন ইসলামী যুবশিবির ও ভাসাসৈনিক অধ্যক্ষ মাসউদ খানের নেতৃত্বাধীন মাওলানা ভাসানীর ন্যাপের একাংশ একীভূত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গঠন করেন।

১৯৯০ সালে ৭ টি ইসলামী দলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ইসলামী ঐক্যজোট। এতে অংশ নেয়, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ও ফারায়েজি আন্দোলন।

১৯৯৬ সালে নির্বাচনের আগে ইসলামী ঐক্যজোটের একমাত্র সংসদ সদস্য খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা উবায়দুল হক সাহেবকে সংসদ থেকে পদত্যাগ করানোর সিদ্ধান্ত নেয় জোটের শরিক দলগুলো। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঐক্যজোট থেকে বেরিয়ে যায় খেলাফত মজলিস। পরে আবার জোটে যোগ দেয়। ঐ সময় ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন চরমোনাইয়ের মরহুম পীর সাহেব মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করিম রহ.। তখন মহাসচিব ছিলেন মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব।‌

১৯৯৭ সালে ইসলামী মোর্চা নিয়ে ঐক্যজোটে যোগ দেন মুফতি ফজলুল হক আমিনী সাহেব রহ.। জোটে যোগ দিয়েই মহাসচিব হন তিনি। জোটের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন শাইখুল হাদীস সাহেব।

১৯৯৮ সালে বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত হয় চারদলীয় জোট। এই জোটে ইসলামী ঐক্যজোটের যাওয়া না যাওয়া নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে মতোবিরোধ তৈরি হয়। চরমোনাই পীর সাহেবের নেতৃত্বাধীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন শুরু থেকেই চারদলীয় জোটে না যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। শাইখুল হাদীস সাহেব ও মুফতি আমিনী সাহেবের নেতৃত্বে সে বছরই ইসলামী ঐক্যজোট আট দফা দাবি নিয়ে চারদলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত হন। তাদের নারি নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার প্রেক্ষিতে ঐক্যজোট ছেড়ে যায় অন্যতম শরিক দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন।

ঐক্যজোটের প্রথমে মহাসচিব ও পরবর্তী সময়ে চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯৯৬ এর নির্বাচনের পর ইসলামী ঐক্যজোটে আমরা শক্তভাবে ১০ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করি। এই ১০ দফা নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে তার সেনানিবাসে সাক্ষাৎ করি, চরমোনাই পীর সাহেব আমাদের সাথে যাননি। দফাগুলো দেখে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, 'এত কঠিন ইসলাম আমরা মানতে পারব না'। ১৯৯৯ সালে চারদলীয় জোটের সাথে শরিক হওয়ার ডাক আসে তখনো পীর সাহেব চরমোনাই যাননি।

তিনি আরো বলেন, আসলে ইসলামী ঐক্যজোট চারদলীয় জোটে পরিকল্পিতভাবে মজলিসে শূরায় পরামর্শ করে অংশগ্রহণ করা হয়নি, বরং এমনিতেই করা হয়েছিল। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সাহেব রহ. এর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল। তখনো পীর সাহেব চরমোনাই অংশগ্রহণ করেননি। তার সিদ্ধান্তকে ভুল বলা যাবে না। আমিও তো অনেকদিন অংশগ্রহণ করিনি চারদলীয় জোটে। চারদলীয় জোটে যেয়েও ইসলামী দলগুলো ততটা উপকৃত হতে পারেনি, জামায়াত যতটা উপকৃত হয়েছে। জোটের শক্তি কাজে লাগিয়ে জামায়াত নিজেদেরকে সংহত করেছে। ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো জোটে ছিল, সভায় সমাবেশে বক্তৃতা দিতো। তবে জোটের শক্তি ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে নিজেদের সংহত করেনি। এখনো যারা বিভিন্ন দলের সঙ্গে আছে, তারাও করছে না।

ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নারি নেতৃত্ব মেনে নিবে না বলে পাঁচটি দলের সমন্বয়ে জাতীয় পার্টির সাথে ঐক্যজোট গঠন করে নাম দেয় ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এতে অংশ নেয়, জাতীয় পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল ও মুসলিম লীগ। এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ ফজলুল করিম রহ. ঘোষণা করেন, ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্দেশ্য হলো, একটি ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করা।

২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। তখন মন্ত্রীসভায় থাকা না থাকা নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে আধিপত্যের লড়াই বাঁধে। একদিকে অবস্থান নেন জোটের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদীস সাহেব, অপরদিকে মহাসচিব মুফতি আমিনী সাহেব। শাইখুল হাদীস সাহেবকে বাদ দিয়ে মুফতি আমিনী সাহেব নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করে নতুন ঐক্যজোট গঠন করেন এবং মহাসচিব হিসেবে সাথে নেন নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবকে। অপরদিকে শাইখুল হাদিস সাহেব মুফতি আমিনী সাহেবকে বহিষ্কার করে নিজে চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকেন এবং এ আর এম আব্দুল মতিনকে মহাসচিব বানান। এই বিভাজনে ইসলামী ঐক্যজোটের চারটি দল মুফতি আমিনী সাহেবের নেতৃত্বে থাকে এবং শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন থাকে শুধু খেলাফত মজলিস।

২০০৪ সালে মুফতি আমিনী সাহেবসহ ঐক্যজোট ও সরকারের একটি দল পাকিস্তান সফরে গেলে মহাসচিব মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব চেয়ারম্যানকে অবহিত না করেই বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান। দেশে এসে মুফতি আমিনী সাহেব বৈঠক ডাকলে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব। তবে তার দল নেজামে ইসলাম পার্টির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকেই জোটের নেতারা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবকে মহাসচিব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেবকে মহাসচিব মনোনীত করেন। এই ঘটনার পরপরই মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব নতুন ঐক্যজোট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করে নতুন নেজামে ইসলাম পার্টি গঠন করেন। তিনি নিজে দলটির চেয়ারম্যান থাকেন এবং মিসবাহুর রহমান চৌধুরীকে মহাসচিব বানান।

২০০৫ সালে মিসবাহুর রহমান চৌধুরী এই জোট ত্যাগ করে নতুন জোট গড়ার ঘোষণা দেন এবং প্রথমে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সাহেবের জামাতা মাওলানা নুরুল ইসলাম খানকে পরে হাফেজ যাকারিয়াকে মহাসচিব বানান। শেষ দুটি জোট ঢিমেতালে কিছুদিন চলার পর নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। মিসবাহুর রহমান চৌধুরী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাওলানা নুরুল ইসলাম খান ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি নামে নতুন একটি দল ঘোষণা করেন।

২০০৫ সালে খেলাফত মজলিসও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একটি ভাগ অধ্যক্ষ মাওলানা ইসহাক সাহেবের নেতৃত্বে খেলাফত মজলিস নামে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে থেকে যায়। অপর ভাগটি শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বে জোট থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নাম ধারণ করে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাথে আওয়ামী লীগের একটি চুক্তি হয়, নানাবিধ চাপের মুখে সেই চুক্তি বাতিলও হয়ে যায়।

মজলিসের প্রতিষ্ঠাতাকালীন থেকে অদ্যাবধি মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের সাহেব এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০০৫ সালের ঘটনাবলী যারা জানেন, তারা অবশ্যই স্বীকার করতে বাধ্য হবেন, মজলিস ভাঙ্গার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী হচ্ছেন সেসব নেতা, যারা পরবর্তী সময়ে শাইখুল হাদীস সাহেব ও তার দল ছেড়ে নতুন দল গঠনের চেষ্টা করেছেন বা অন্য কোন দলে যোগদান করেছেন। সেসব লোকই শাইখুল হাদীস সাহেবকে সামনে রেখে নিজেদের মতলব হাসিল করার মানসে সংগঠনে ভাঙ্গন ধরান। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তাদের কেউ কেউ সবার আগে শাইখুল হাদীস সাহেবকে ছেড়ে নতুন দল গঠন করেছেন। তদুপরি আরও যারা এই ভাঙ্গনের সাথে যুক্ত ছিলেন, তাদের অনেকেই আবার সে দল ছেড়ে অন্য আরেক দলে যোগ দিয়েছেন। আবার শাইখুল হাদীস সাহেবের ব্যক্তিত্বের কারণে যারা সেখানে ছিলেন, তাদের কেউ কেউ আমাদের সাথে যোগ দিয়েছেন। আর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শাইখুল হাদীস সাহেবের পরিবার কেন্দ্রিক দল হিসেবে হয়তো টিকে থাকবে, যেভাবে হাফেজ্জি হুজুরের দল খেলাফত আন্দোলন টিকে আছে। ২০০৫ সালে তাদের অনেকেরই ধারণা ছিল, আমাদের ছেড়ে তারা অনেক দূরে যেতে পারবেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন, তাদের সে ধারণা সঠিক নয়। তাই হতাশ হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।

২০০৮ সালে ইসলামী ঐক্যজোট একটি দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পায়। এবছরই জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পায় এবং বিএনপির জোট ছেড়ে দেয়।

২০১২ সালে মুফতি আমিনী রহ. এর ইন্তেকালের পর মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব চেয়ারম্যান এবং মুফতি ফয়জুল্লাহ সাহেব মহাসচিব হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়।

২০১৬ সালে ৭ জানুয়ারি ইসলামী ঐক্যজোটের কাউন্সিলিং অনুষ্ঠানে বিএনপির সঙ্গ ত্যাগ করে। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায়ই জোটের ভাইস-চেয়ারম্যান ও নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আব্দুর রকিব বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে যেয়ে নিজেকে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান দাবি করে এবং ঐক্যজোট বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায়নি বলেও জানান। নিজেদেরকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএনপি ত্যাগ করলেও ইসলামী ঐক্যজোট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ নেয়।

২০১৮ সালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। ২০১৮ সালে ১০ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব রহ. কে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব। তিনি লিখিত বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলার বৈঠকে মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানান। দল থেকে বহিষ্কারের একদিন পর মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব ১২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এতে মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব সভাপতি ও মুফতি শেখ মুজিবুর রহমানকে মহাসচিব করে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়। মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবের ইন্তেকালের পর তার নেতৃত্বাধীন দলে আবার ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়।

২০১৮ সালে ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গণফোরামের সভাপতি ড. কামালকে আহ্বায়ক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে নতুন জোটের ঘোষণা হয়। এতে অংশ নেয় গণফোরাম, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (মাওলানা নূর হুসাইন কাসেমী রহ.) ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস রহ.)

দ্রষ্টব্য, এই ভাঙ্গাগড়া এবং টুকরো টুকরো হয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার পিছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হলো-- পদ পদবী, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্রিক।

ভরপুর সফলতা কামানা করছি।
25/09/2024

ভরপুর সফলতা কামানা করছি।

আব বাহা জমিয়তের অভিষেক ও সিরাত মাহফিল সম্পন্ন।গেলো ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৯ ঘটিকায় আল বাহাস্থ দলীয় কার্যালয়ে, শা...
21/09/2024

আব বাহা জমিয়তের অভিষেক ও সিরাত মাহফিল সম্পন্ন।

গেলো ১৯ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৯ ঘটিকায় আল বাহাস্থ দলীয় কার্যালয়ে, শাখার সভাপতি মাওলানা রফিকুল ইসলাম সাহেবর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আল আমীন আস সাদীকের সঞ্চালনায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, সৌদি আরব আল বাহা শাখার অভিষেক ও সিরাত মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে গেলো সেশনের অডিট পেশ ও বক্তব্য রাখেন সৌদি আরব জমিয়ত ও আল বাহা জমিয়তের উপদেষ্টা মাওলানা মুস্তফা আহমদ, বক্তব্য রাখেন সৌদি আরব জমিয়তের সিনিয়র সহ সভাপতি ও আল বাহা জমিয়তের সাবেক সভাপতি মাওলানা জাকারিয়া আহমদ, আল বাহা জমিয়তের সিনিয়র সহ সভাপতি মাওলানা আইয়ুব আহমদ, সহ সভাপতি মুফতি লোক্বমান আহমদ ক্বাসিমী, মাওলানা ইলিয়াস আহমদ, মাওলানা লুৎফুর রহমান মাওলানা আব্দুর রহমান আজমী, মাওলানা আশিকুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক মাওলানা মাহফুজুর রহমান মুফিজ, হাফিজ মাওলানা ফয়সাল আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল করিম ও হাফিজ সাইদুল হক্ব।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাখার সহ সভাপতি হাফিজ মনির হোসাইন, মাওলানা নজমুদ্দীন রহমান, সহ সাধারণ সম্পাদক মাওলানা হাসান আহমদ, মাওলানা সাদিক আহমদ, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা শিব্বীর আহমদ উসমান, মাওলানা মারুফ আহমদ, যুব বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ খালেদ আহমদ, জনাব ফিরুজ আলম, অর্থ সম্পাদক হাফিজ মাওলানা আব্দুর রহমান, জনাব আজির উদ্দীন, প্রচার সম্পাদক হাফিজ নুরুল্লাহ সহ প্রচার সম্পাদক এম ইমরান আহমদ, শামছুজ জামান, হাফিজ ইয়াহইয়া, সাহিত্য সম্পাদক আবুল হাসানাত, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক হাফিজ আহমদ আলী, কার্যনির্বাহী সদস্য মাওলানা হাসান বিন ইলিয়াস, মাওলানা হুসাইন বিন ইলিয়াস, জনাব নাজমুল ইসলাম, জনাব উমর সিদ্দিক, মাওলানা আব্দুল মালিক, হাফিজ ইমাম উদ্দীন, প্রমুখ।

ভরপুর সফলতা কামনা করছি
18/09/2024

ভরপুর সফলতা কামনা করছি

আগামীকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সৌদি আরবের আল-বাহা শাখার অভিষেক ও সীরাত মাহফিল।
18/09/2024

আগামীকাল (১৯ সেপ্টেম্বর) বৃহস্পতিবার জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সৌদি আরবের আল-বাহা শাখার অভিষেক ও সীরাত মাহফিল।

সীমানা জুড়ে পাঁচিল তুলেছো উঠোন করেছো আঁটো । বাইরে রেখেছো ইয়া বড়ো গেট মনের দরজা খাটো । যতদিন ছিলো হাঁড়িগুলো বড়ো পিসি কাকা...
15/09/2024

সীমানা জুড়ে পাঁচিল তুলেছো
উঠোন করেছো আঁটো ।
বাইরে রেখেছো ইয়া বড়ো গেট
মনের দরজা খাটো ।

যতদিন ছিলো হাঁড়িগুলো বড়ো
পিসি কাকা কাকিমাতে ,
হাসিতে গল্পে দিন কেটে যেতো
ঝোলে ঝালে আলু ভাতে ।

পাশাপাশি বাড়ি বোঝাই যেতো না
কার সীমা কত দূর ।
এ বাড়ির গান উঠোন পেরিয়ে
ও বাড়ি তুলতো সুর ।

এ বাড়ির গাছে ফুল ফল হলে
ও বাড়িতে যেতো আধা ।
হেঁসেলের ঘরে চিনি কম হলে
চেয়ে আনা ছিলো বাঁধা ।

এ বাড়ির খুড়ো ও-বাড়ি চা খেতো
ও বাড়ির খুড়ো ভাত ।
এ বাড়িতে কোনো ঝামেলা মেটাতে
ও বাড়ি বাড়াতো হাত ।

আজকে সবার বড়ো বড়ো বাড়ি
পাঁচিলে লাগানো কাঁচ ।
এ বাড়ির কারো হৃদয় ভাঙলে
ও বাড়ি পায়না আঁচ ।

বড়ো বাড়ি আর ছোটো পরিবার
চেয়েছিলো বুঝি তারা ।
এ বাড়িতে কেউ মারা গেলে তাই
ও বাড়ি দেয়না সাড়া ।

-'ইচ্ছে কথা'
লেখিকা :- মহুয়া বিশ্বাস।

বাংলাদেশে জমিয়তের প্রথম সভাপতিআল্লামা তজম্মুল আলী লাউড়ীর হুজুর রাহ.দেশ ও জাতির খেদমতের জন্য যে সব মনীষী আজীবন ত্যাগ তিতী...
14/09/2024

বাংলাদেশে জমিয়তের প্রথম সভাপতি
আল্লামা তজম্মুল আলী লাউড়ীর হুজুর রাহ.

দেশ ও জাতির খেদমতের জন্য যে সব মনীষী আজীবন ত্যাগ তিতীক্ষা প্রদর্শন করে জাতির সামনে উজ্জ্বল নক্ষত্র হিসাবে প্রস্ফুটিত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে একজন ছিলেন শায়খ মাওলানা তজম্মুল আলী লাউড়ীর হুজুর। সিলেটে জন্মগ্রহণ করে তিনি সিলেটী হতে পারেননি। কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ যশোর জেলার লাউড়ী মাদরাসায় প্রিন্সিপ্যাল ও শায়খুল হাদীস ছিলেন, তাই তাকে লাউড়ী হুজুর বলা হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের সর্বপ্রাচিন ইসলামী দল জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর ১৯৭৪ সালে কমিটি গঠিত হলে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।

জন্ম: তিনি সিলেট জেলার বিয়ানী বাজার উপজেলার পঞ্চখণ্ড পরগনার আংগুরা গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ১৯১৪ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম মাওলানা শরাফত আলী।

শিক্ষা: গ্রামের মক্তবে পবিত্র কোরআন শরীফ ও পঞ্চখন্ড প্রাইমারী স্কুলে প্রাথমিক প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে তার মামার বাড়ীতে অবন্থান করে বাহাদুরপুর মাদ্রাসায় পড়াশুনা করেন। অতঃপর তিনি সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসায় ভর্তি হন। সেখানে কৃতিত্বের সাথে কামিল (টাইটেল) পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। হয়রতের বর্ননা মতে- এ সময় কুতবে আলম হযরত শায়খুল ইসলাম মাদানী রাহ. সিলেট নয়াসড়ক মসজিদে এতেকাফ করতেন। তিনি এবং তার বাল্যবন্ধু ও সাথী খলীফায়ে মাদানী আল্লামা আব্দুল জলীল বদরপুরী দুজন বাইসাইকেল মাধ্যম হযরতের খেদমতে যেতেন। এর দ্বারা হযরতের প্রতি তাদের আকর্ষণ হয়ে যায়। তাই রামাযান পর তারা দুজন ১৯৪১ সালে উপমহাদেশের শ্রেষ্ঠ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দারুল উলুম দেওবন্দ গমন করেন। দেওবন্দে ভর্তি হয়ে হাদীসের সর্বোচ্চ ডিগ্রী লাভ করেন। সেখানে ২বছর সুনামের সাথে লেখাপড়া কালে উপমহাদেশের সেরা ইসলামী ব্যক্তিত্ব শায়খুল ইসলাম কুতবুল আলম আল্লামা সাইয়্যিদ হুছাইন আহমদ মদনী (রাহ.), শায়খুল আদব আল্লামা এজাজ আলী (রাহ.), আল্লামা ইব্রাহিম বলিয়াভী (রাহ.) প্রমুখের সাহচর্য লাভে ধন্য হন।

কর্ম জীবন: কর্ম জীবনে হাদীসের দরস প্রদান ছিল শায়খ তজম্মুল আলীর (রাহ.) নেশা ও পেশা। দীর্ঘ অর্ধ শতাব্দী কালের ও বেশী সময় পবিত্র হাদীসের খেদমত আঞ্জাম দেন। দারুল উলুম থেকে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর প্রথমে সিলেট গোলাপগঞ্জের বারকুট মাদ্রাসায় শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি কর্ম জীবনের সূচনা করেন। জামেয়া কাছিমুল উলুম দরগাহে হযরত শাহজালাল সিলেট ও বিয়ানী বাজারের বাহাদুরপুর মাদ্রাসায় কিছুদিন শিক্ষকতা করেন। ১৯৪৩ সাল থেকে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত একাধারে ৪০বছর যশোর জেলার মনিরামপুর থানার লাউড়ী রামনগর আলিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন। যশোর থেকে আসার পর ঢাকার যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় সুনাম ও দক্ষতার সাথে ২ বছর মুহতামিম ও শায়খুল হাদীসের দায়িত্ব পালন করেন।
আধ্যাত্মিক সাধনা: আধ্যাত্মিকতার ক্ষেত্রে তিনি এক জন উচুঁ h শায়খে তরীকত, ওলীয়ে কামেল ছিলেন। এক্ষেত্রে আধ্যাত্মিক জগতের মুকুটহীন সম্্রাট আওলাদে রাসুল শায়খুল ইসলাম হযরত মাওলানা সাইয়্যিদ হোসাইন আহমদ মদনী (রাহ.) এর হাতে বায়আত গ্রহণ করেন। তাজকিয়ায়ে, ক্বলবের মেহনতের চুড়ান্ত ফলস্বরূপ আপন শায়খ কুতবে আলম মদনী (রাহ.) কর্তৃক তরীকতের ইজাযত বা খেলাফত প্রাপ্ত হন।

হজ্ব ও ভ্রমণ: মরহুমের একমাত্র ছেলে মাওলানা আবু ছাঈদ মোঃ ইয়াহইয়া কর্তৃক প্রাপ্ত তথ্য মতে ১৯৫১ সালে তিনি সর্বপ্রথম পবিত্র হজ্বব্রত পালন করেন। অতপর পর্যায় ক্রমে ২৫ বার পবিত্র মক্কা মদীনা জিয়ারতের সৌভাগ্য লাভ করেন। তিনি সৌদিআরব, ইংল্যান্ড, আমেরিকা, ভারত, পাকিস্তানসহ বিভিন্ন রােষ্ট্র তাবলীগী সফর করেন।

রাজনৈতিক জীবন: ইসলামী আন্দোলন তথা রাজনৈতিক ময়দানে স্বীয় মুর্শিদ, স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্নিপুরুষ শায়খুল ইসলাম আল্লামা সায়্যিদ হোসাইন আহমদ মাদানী (রাহ.) এর স্বার্থক উত্তরসুরী ছিলেন। তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর সাথে জড়িত ছিলেন। বৃটিশ খেদাও আন্দোলনে ও গুরুত্ব পূর্ণ অবদান রাখেন। ১৯৭৪ সালের জানুয়ারী মাসে ঢাকার দারুল উলুম মাদানিয়া যাত্রাবাড়ী মাদ্রাসায় উলামা ও সূধীবৃন্দের এক সন্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে শায়খ মাওলানা তজম্মুল আলী লাউড়ীর হুজুরকে সভাপতি এবং মাওলানা মুফতী শাহ আহরারুজ্জামান বানিয়াচঙ্গীকে সাধারণ সম্পাদক করে বাংলাদেশে প্রথম জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম গঠন করা হয়। ১৯৭৪ সালের ২৯ শে অক্টোবর পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। অতঃপর ১৯৯০ সালে তিনি জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় প্রধান পৃষ্ঠপোষক নির্বাচিত হন। মৃত্যু পর্যন্ত তিসি এপদে বহাল ছিলেন।

রচনাবলী: সাহিত্যের ক্ষেত্রে আলেম সমাজের দুর্বলতার দিক নিয়ে তিনি ভাবতেন। ইসলামী সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চার জন্য সাগরিদদের পরামর্শ দিতেন। ছাত্রদের মধ্যে লেখা-লেখির উৎসাহ-প্রেরনা দিতেন। এ ক্ষেত্রে নিজেও সচেষ্ট ছিলেন। শায়খুল হাদীস উবায়দুল্লাহ ফারুক বলেন- ‘লাউড়ি হুজুর একজন দক্ষ সংগঠক ও ভাল সাহিত্যিক ছিলেন’। তিনি একজন লেখক হিসেবে পরিচিত। তার লিখিত প্রথম বই হলো- ১. ‘গোমর ফাঁক, ২. মাকামে আম্বিয়া ও সাহাবা, ৩. মোনাজাতে মকবুল, ৪. সালাসিলে ত্যায়্যিবা (বাংলা)। ৪. তিনি শেষ জীবনে তার একটি আত্মজীবনী ও লিখেছিলেন যার কিছু কিছু আমাদেরকে পড়ে শুনিয়েছিলেন।

সন্তানাদি : পারিবারিক জীবনে তিনি ২ সন্তানের জনক ছিলেন। তারা হলেন যথাক্রমে রায়হানা বেগম ও মাওলানা আবু ছাইদ মোঃ ইয়াহইয়া। একমাত্র মেয়ে রায়হানা বেগমের সাদী হয় বিয়ানীবাজারের শাহবাগে এবং একমাত্র পুত্র মাওলানা আবু ছাইদ মোঃ ইয়াহইয়া ১৯৫১ সালে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি কুয়েতে কর্মরত অবস্থায় গত ১৩.০৮.২০০৫ সালে ইন্তেকাল করেন। তিনি ৫ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে যান। ছেলেরা হলেন- আবুল কালাম, আবু তাহের, আবু নাসের, আবু নাঈম ও আবু ছালিম। শেষোক্ত দুজন সিলেট দরগাহ মাদ্রাসায় অধ্যয়নরত।
শাগরিদ: দীর্ঘ অর্ধশতাব্দী কালে শিক্ষকতার জীবনে হযরত লাউড়ী হুজুর (রাহ.) অসংখ্য ছাত্র, উক্ত শাগরিদ রেখে গেছেন। কাজী মুতাসিম বিল্লাহ (রাহ.) বলেন- হুজুরের শাগরিদের সংখ্যা ২০ হাজারেরও বেশী। বাংলাদেশ কওমী মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড আজাদ দ্বীনী এদারায়ে আলিমের মহাসচিব মাওলানা হুছাইন আহম্মদ বারকুটি, শায়খুল হাদীস মুফতী মোঃ ওয়াককাস এম. পি. ঢাকা মালিবাগ মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওঃ কাজী মুতাসিম বিল্লাহ (রাহ.), মাওলানা কমর উদ্দীন আগিরামী (রাহ.), মাওলানা শাহ ইউনুস, মাওলানা আব্দুল হামিদ বারকুটি, সিলেট দরগাহ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল হান্নান প্রমূখ তার ছাত্রদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

খলীফা: তিনি যাদেরকে খেলাফত প্রদান করেছেন তারা হলেন:- মাওলানা ফরীদ উদ্দীন- যশোর, মাওলানা জালাল উদ্দীন (রঃ) যশোর, মাওলানা ইউসুফ (রঃ) যশোর, মাওলানা কাজী মুতাসীম বিল্লাহ- মুহতামিম ও শায়খুল হাদীস জামিয়া শরইয়াহ মালিবাগ, ঢাকা, মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস এম. পি, মুফতী আব্দুল মজীদ- যশোর, মাওলানা শিহাবুদ্দীন- যশোর, মাওলানা ঈমান আলী - যশোর, মাওলানা আব্দুল মান্নান (রঃ) - খুলনা, মাওলানা রফিক উল্লাহ- যশোর, মাওলানা আব্দুল আলিম দেওবন্দী, কুড়িগ্রাম।
ব্যক্তিত্ব: তিনি যশোহরে অত্যন্ত মর্যাদাবান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। মুফতী ওয়াক্কাস সাহেব প্রথম যখন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হন তখন তিনি প্রত্যেক এলাকায় সফর করেছেন। তার উপস্থিতি ও বয়ান মুফতী সাহেব নির্বাচিত হবার প্রধান শক্তি ছিল। হুজুরের বর্ননামতে এই খরর গুয়েন্দা সূত্রে তৎকালিন প্রেসিডেন্ট এরশাদের কাছে পৌঁছে। লাউড়ি হুজুর তখন সিলেটের তার গ্রামের বাড়ী আঙ্গুরাতে অবস্থান করতেন। প্রেসিডেন্ট এরশাদ সিলেট সার্কিট হাউসে হুজুরকে যথা সম্মানে আমন্ত্রণ করে মুফতী সাহেবকে জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়ানোর আবেদন করেন। হুজুর সম্মত হওয়ায় তাকে ধর্মপ্রতিমন্ত্রি বানানো হয়।

ইন্তেকাল: ২০০৬ ঈসায়ী সালের ৪ঠা ফেব্র“য়ারী, ২২শে মাঘ ১৪১২ বাংলা, রোজ শনিবার রাত ৯.৩০ মিনিটে সিলেট শহরে তার নিজস্ব বাস ভবন ‘‘মদনী মঞ্জিল ২০/৩ ফাজিল চিশত’’-এ-র্বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন। পরদিন রবিবার বেলা ২.৩০ মিনিটের সময় সিলেট সরকারী আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজার ইমামতি করেন তার খলীফা ও প্রিয় ছাত্র জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব সাবেক ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শায়খুল হাদীস মাওলানা মুফতী মুহাম্মদ ওয়াক্কাস এম. পি.। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের কেন্দ্রীয় সভাপতি শায়খুল হাদীস মাওলানা আব্দুল মোমিন শায়খে ইমামবাড়ী, খলিফায়ে মদনী শায়েখ আব্দুল হক গাজীনগরী, আল্লামা আমীন উদ্দীন শায়খে কাতিয়া, আযাদ দ্বীনী এদারায়ে তালীম বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা হুছাইন আহমদ বারকুটি, লাউড়ী মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতী আব্দুল ওয়াদুদ, মাওলানা কাজি মুতাসিম বিল্লাহ প্রমুখ জানাযায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাকে তার পারিবারিক কবরস্থান আংগুরায় দাফন করা হয়।

পরিশেষে মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর রুহানী ফয়ূজাত দ্বারা আমাদের মুস্তাফিজ করার জন্য দুআ করছি।

JWnews Bangla বাংলা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when JWnews Bangla বাংলা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to JWnews Bangla বাংলা:

Share