27/09/2024
বাংলাদেশে ইসলামি রাজনৈতিক দলগুলোর ভাঙাগড়ার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।
এদেশে প্রাচীন ইসলামী রাজনৈতিক দল হিসেবে পরিচিত "জমিয়ত"।
১৯৮০ সালে ২৫ ফেব্রুয়ারি লালকুঠি হলে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ কাউন্সিলিং অনুষ্ঠানে শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ. কে জমিয়তের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করা হয়।
১৯৮১ সালে ২৯ নভেম্বর শায়েস্তা খান হলে হাফেজ্জি হুজুর রহ. বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের ঘোষণা দেন। পরে শাইখুল হাদীস সাহেব স্বীয় উস্তাদ হাফেজ্জি হুজুরের দল খেলাফত আন্দোলনে যোগ দেন। হাফেজ্জি হুজুরের জীবদ্দশায় শাইখুল হাদীস সাহেব বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জৈষ্ঠ্য নায়েবে আমীর হিসেবে ছিলেন। হাফেজ্জি হুজুরের ইন্তেকালের পর দলের আমীর নিযুক্ত হন তারই জৈষ্ঠ্য পুত্র কারী শাহ আহমদুল্লাহ আশরাফ সাহেব রহ.।
হাফেজ্জি হুজুরের ইন্তেকালের পর অভ্যন্তরীণ কোন্দলে খেলাফত আন্দোলন দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। এক ভাগ সাহেবজাদা কারী শাহ আহমাদুল্লাহ আশরাফ সাহেবের নেতৃত্বাধীন, আরেকভাগ শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন।
১৯৮৯ সালে ৮ ডিসেম্বর ঢাকা ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন আয়োজন করে শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন খেলাফত আন্দোলন, অধ্যাপক আহমদ আব্দুল কাদের সাহেবের নেতৃত্বাধীন ইসলামী যুবশিবির ও ভাসাসৈনিক অধ্যক্ষ মাসউদ খানের নেতৃত্বাধীন মাওলানা ভাসানীর ন্যাপের একাংশ একীভূত হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস গঠন করেন।
১৯৯০ সালে ৭ টি ইসলামী দলের সমন্বয়ে গঠিত হয় ইসলামী ঐক্যজোট। এতে অংশ নেয়, খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন ও ফারায়েজি আন্দোলন।
১৯৯৬ সালে নির্বাচনের আগে ইসলামী ঐক্যজোটের একমাত্র সংসদ সদস্য খেলাফত মজলিস নেতা মাওলানা উবায়দুল হক সাহেবকে সংসদ থেকে পদত্যাগ করানোর সিদ্ধান্ত নেয় জোটের শরিক দলগুলো। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঐক্যজোট থেকে বেরিয়ে যায় খেলাফত মজলিস। পরে আবার জোটে যোগ দেয়। ঐ সময় ঐক্যজোটের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন চরমোনাইয়ের মরহুম পীর সাহেব মুফতি সৈয়দ মোহাম্মদ ফজলুল করিম রহ.। তখন মহাসচিব ছিলেন মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব।
১৯৯৭ সালে ইসলামী মোর্চা নিয়ে ঐক্যজোটে যোগ দেন মুফতি ফজলুল হক আমিনী সাহেব রহ.। জোটে যোগ দিয়েই মহাসচিব হন তিনি। জোটের চেয়ারম্যান ছিলেন তখন শাইখুল হাদীস সাহেব।
১৯৯৮ সালে বিএনপির নেতৃত্বে গঠিত হয় চারদলীয় জোট। এই জোটে ইসলামী ঐক্যজোটের যাওয়া না যাওয়া নিয়ে শরিক দলগুলোর মধ্যে মতোবিরোধ তৈরি হয়। চরমোনাই পীর সাহেবের নেতৃত্বাধীন ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন শুরু থেকেই চারদলীয় জোটে না যাওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন। শাইখুল হাদীস সাহেব ও মুফতি আমিনী সাহেবের নেতৃত্বে সে বছরই ইসলামী ঐক্যজোট আট দফা দাবি নিয়ে চারদলীয় জোটের অন্তর্ভুক্ত হন। তাদের নারি নেতৃত্ব মেনে নেওয়ার প্রেক্ষিতে ঐক্যজোট ছেড়ে যায় অন্যতম শরিক দল ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
ঐক্যজোটের প্রথমে মহাসচিব ও পরবর্তী সময়ে চেয়ারম্যান মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ১৯৯৬ এর নির্বাচনের পর ইসলামী ঐক্যজোটে আমরা শক্তভাবে ১০ দফা পরিকল্পনা গ্রহণ করি। এই ১০ দফা নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সাথে তার সেনানিবাসে সাক্ষাৎ করি, চরমোনাই পীর সাহেব আমাদের সাথে যাননি। দফাগুলো দেখে বেগম খালেদা জিয়া বলেছিলেন, 'এত কঠিন ইসলাম আমরা মানতে পারব না'। ১৯৯৯ সালে চারদলীয় জোটের সাথে শরিক হওয়ার ডাক আসে তখনো পীর সাহেব চরমোনাই যাননি।
তিনি আরো বলেন, আসলে ইসলামী ঐক্যজোট চারদলীয় জোটে পরিকল্পিতভাবে মজলিসে শূরায় পরামর্শ করে অংশগ্রহণ করা হয়নি, বরং এমনিতেই করা হয়েছিল। মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সাহেব রহ. এর ভূমিকা সবচেয়ে বেশি ছিল। তখনো পীর সাহেব চরমোনাই অংশগ্রহণ করেননি। তার সিদ্ধান্তকে ভুল বলা যাবে না। আমিও তো অনেকদিন অংশগ্রহণ করিনি চারদলীয় জোটে। চারদলীয় জোটে যেয়েও ইসলামী দলগুলো ততটা উপকৃত হতে পারেনি, জামায়াত যতটা উপকৃত হয়েছে। জোটের শক্তি কাজে লাগিয়ে জামায়াত নিজেদেরকে সংহত করেছে। ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো জোটে ছিল, সভায় সমাবেশে বক্তৃতা দিতো। তবে জোটের শক্তি ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে নিজেদের সংহত করেনি। এখনো যারা বিভিন্ন দলের সঙ্গে আছে, তারাও করছে না।
ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন নারি নেতৃত্ব মেনে নিবে না বলে পাঁচটি দলের সমন্বয়ে জাতীয় পার্টির সাথে ঐক্যজোট গঠন করে নাম দেয় ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এতে অংশ নেয়, জাতীয় পার্টি, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি, প্রগতিশীল জাতীয়তাবাদী দল ও মুসলিম লীগ। এই জোটের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম পীর সাহেব চরমোনাই মুফতি সৈয়দ ফজলুল করিম রহ. ঘোষণা করেন, ইসলামী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্দেশ্য হলো, একটি ইসলামী সরকার প্রতিষ্ঠা করা।
২০০১ সালে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। তখন মন্ত্রীসভায় থাকা না থাকা নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে আধিপত্যের লড়াই বাঁধে। একদিকে অবস্থান নেন জোটের চেয়ারম্যান শাইখুল হাদীস সাহেব, অপরদিকে মহাসচিব মুফতি আমিনী সাহেব। শাইখুল হাদীস সাহেবকে বাদ দিয়ে মুফতি আমিনী সাহেব নিজেকে চেয়ারম্যান ঘোষণা করে নতুন ঐক্যজোট গঠন করেন এবং মহাসচিব হিসেবে সাথে নেন নেজামে ইসলাম পার্টির নির্বাহী সভাপতি মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবকে। অপরদিকে শাইখুল হাদিস সাহেব মুফতি আমিনী সাহেবকে বহিষ্কার করে নিজে চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকেন এবং এ আর এম আব্দুল মতিনকে মহাসচিব বানান। এই বিভাজনে ইসলামী ঐক্যজোটের চারটি দল মুফতি আমিনী সাহেবের নেতৃত্বে থাকে এবং শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বাধীন থাকে শুধু খেলাফত মজলিস।
২০০৪ সালে মুফতি আমিনী সাহেবসহ ঐক্যজোট ও সরকারের একটি দল পাকিস্তান সফরে গেলে মহাসচিব মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব চেয়ারম্যানকে অবহিত না করেই বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান। দেশে এসে মুফতি আমিনী সাহেব বৈঠক ডাকলে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব। তবে তার দল নেজামে ইসলাম পার্টির অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকেই জোটের নেতারা মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেবকে মহাসচিব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়ে মাওলানা আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেবকে মহাসচিব মনোনীত করেন। এই ঘটনার পরপরই মুফতি ইজহারুল ইসলাম চৌধুরী সাহেব নতুন ঐক্যজোট প্রতিষ্ঠার ঘোষণা করে নতুন নেজামে ইসলাম পার্টি গঠন করেন। তিনি নিজে দলটির চেয়ারম্যান থাকেন এবং মিসবাহুর রহমান চৌধুরীকে মহাসচিব বানান।
২০০৫ সালে মিসবাহুর রহমান চৌধুরী এই জোট ত্যাগ করে নতুন জোট গড়ার ঘোষণা দেন এবং প্রথমে মাওলানা মুহিউদ্দীন খান সাহেবের জামাতা মাওলানা নুরুল ইসলাম খানকে পরে হাফেজ যাকারিয়াকে মহাসচিব বানান। শেষ দুটি জোট ঢিমেতালে কিছুদিন চলার পর নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। মিসবাহুর রহমান চৌধুরী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মাওলানা নুরুল ইসলাম খান ইউনাইটেড ইসলামিক পার্টি নামে নতুন একটি দল ঘোষণা করেন।
২০০৫ সালে খেলাফত মজলিসও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। একটি ভাগ অধ্যক্ষ মাওলানা ইসহাক সাহেবের নেতৃত্বে খেলাফত মজলিস নামে বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটে থেকে যায়। অপর ভাগটি শাইখুল হাদীস সাহেবের নেতৃত্বে জোট থেকে বের হয়ে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস নাম ধারণ করে। ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাথে আওয়ামী লীগের একটি চুক্তি হয়, নানাবিধ চাপের মুখে সেই চুক্তি বাতিলও হয়ে যায়।
মজলিসের প্রতিষ্ঠাতাকালীন থেকে অদ্যাবধি মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের সাহেব এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ২০০৫ সালের ঘটনাবলী যারা জানেন, তারা অবশ্যই স্বীকার করতে বাধ্য হবেন, মজলিস ভাঙ্গার জন্য প্রত্যক্ষভাবে দায়ী হচ্ছেন সেসব নেতা, যারা পরবর্তী সময়ে শাইখুল হাদীস সাহেব ও তার দল ছেড়ে নতুন দল গঠনের চেষ্টা করেছেন বা অন্য কোন দলে যোগদান করেছেন। সেসব লোকই শাইখুল হাদীস সাহেবকে সামনে রেখে নিজেদের মতলব হাসিল করার মানসে সংগঠনে ভাঙ্গন ধরান। কিন্তু দুর্ভাগ্য, তাদের কেউ কেউ সবার আগে শাইখুল হাদীস সাহেবকে ছেড়ে নতুন দল গঠন করেছেন। তদুপরি আরও যারা এই ভাঙ্গনের সাথে যুক্ত ছিলেন, তাদের অনেকেই আবার সে দল ছেড়ে অন্য আরেক দলে যোগ দিয়েছেন। আবার শাইখুল হাদীস সাহেবের ব্যক্তিত্বের কারণে যারা সেখানে ছিলেন, তাদের কেউ কেউ আমাদের সাথে যোগ দিয়েছেন। আর বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস শাইখুল হাদীস সাহেবের পরিবার কেন্দ্রিক দল হিসেবে হয়তো টিকে থাকবে, যেভাবে হাফেজ্জি হুজুরের দল খেলাফত আন্দোলন টিকে আছে। ২০০৫ সালে তাদের অনেকেরই ধারণা ছিল, আমাদের ছেড়ে তারা অনেক দূরে যেতে পারবেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে তারা হয়তো বুঝতে পেরেছেন, তাদের সে ধারণা সঠিক নয়। তাই হতাশ হয়ে অন্যত্র চলে গেছেন।
২০০৮ সালে ইসলামী ঐক্যজোট একটি দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পায়। এবছরই জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধন পায় এবং বিএনপির জোট ছেড়ে দেয়।
২০১২ সালে মুফতি আমিনী রহ. এর ইন্তেকালের পর মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী সাহেব চেয়ারম্যান এবং মুফতি ফয়জুল্লাহ সাহেব মহাসচিব হিসেবে সিদ্ধান্ত হয়।
২০১৬ সালে ৭ জানুয়ারি ইসলামী ঐক্যজোটের কাউন্সিলিং অনুষ্ঠানে বিএনপির সঙ্গ ত্যাগ করে। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায়ই জোটের ভাইস-চেয়ারম্যান ও নেজামে ইসলাম পার্টির সভাপতি মাওলানা আব্দুর রকিব বেগম খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে যেয়ে নিজেকে ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান দাবি করে এবং ঐক্যজোট বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট ছেড়ে যায়নি বলেও জানান। নিজেদেরকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএনপি ত্যাগ করলেও ইসলামী ঐক্যজোট ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পক্ষ নেয়।
২০১৮ সালে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশও দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। ২০১৮ সালে ১০ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে অবস্থিত দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহসভাপতি মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব রহ. কে দল থেকে বহিষ্কারের ঘোষণা দেন দলটির সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা উবায়দুল্লাহ ফারুক সাহেব। তিনি লিখিত বক্তব্যে কেন্দ্রীয় মজলিসে আমেলার বৈঠকে মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবকে দল থেকে বহিষ্কারের কথা জানান। দল থেকে বহিষ্কারের একদিন পর মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব ১২১ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেন। এতে মুফতি ওয়াক্কাস সাহেব সভাপতি ও মুফতি শেখ মুজিবুর রহমানকে মহাসচিব করে কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদ গঠিত হয়। মুফতি ওয়াক্কাস সাহেবের ইন্তেকালের পর তার নেতৃত্বাধীন দলে আবার ভাঙ্গন সৃষ্টি হয়।
২০১৮ সালে ১৩ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে গণফোরামের সভাপতি ড. কামালকে আহ্বায়ক করে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে নতুন জোটের ঘোষণা হয়। এতে অংশ নেয় গণফোরাম, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, নাগরিক ঐক্য, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, খেলাফত মজলিস, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (মাওলানা নূর হুসাইন কাসেমী রহ.) ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম (মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস রহ.)
দ্রষ্টব্য, এই ভাঙ্গাগড়া এবং টুকরো টুকরো হয়ে ছিন্নভিন্ন হয়ে যাওয়ার পিছনে বিভিন্ন কারণ রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কারণ হলো-- পদ পদবী, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আধিপত্য বিস্তার কেন্দ্রিক।