ASK Dr. Arafat

ASK Dr. Arafat MBBS, SMLE (KSA)
CCD diabetology,
PGT in Critical Care Medicine,
FCGP Family Medicine
ADVANCED TRAINID IN EMERGENCY AND MINOR SURGERY

04/08/2026

ইউকে আসার পর বুঝেছি বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা তুলনামূলক ভাবে স্বর্গ!

প্রথমে আমি আমার এক্সপেরিয়েন্সই শেয়ার করি! এখানে আসার আগে আমার স্কিন ছিল গ্লাস স্কিনের মতন। ব্রণের সমস্যা ছিলনা বললেই চলে।

এখানে আসার পরই আমার হেয়ারফল যেমন বাড়লো, তেমনি মুখে একনে উঠে ভ রে যেতে লাগলো। আর যেহেতু প্রেসক্রিপশন ছাড়া তেমন কোনো ওষুধ ও কেনা যায়না, তাই ভাবলাম ডার্মাটোলজিস্ট দেখাই।

কিন্তু এখানে ডিরেক্ট ডার্মাটোলজিস্ট দেখানো যায় না। আগে জিপিকে দেখালাম।তিনি কিছু বেইজলাইন টেস্ট দিলেন। সেগুলোর রিপোর্ট আসলো এক মাস পরে। এক মাস পরে আবার সেই জিপিকেই দেখলাম।

এবার তিনি বললেন-"আমি তো ডার্মাটোলজিস্ট না, তাউই আমি তোমাকে এই সমস্যার জন্য কোনো ওষুধ বা সিরাম প্রেসক্রাইব করতে পারবোনা।"
এরপরে তিনি ডার্মাটোলজিস্টের কাছে রেফার করলেন আমাকে। এবার আসলো মেইন ধামাকা!

সিরিয়াল দেয়ার বারোমাসের মধ্যে আমি একজন ডার্মাটোলজিস্টকে দেখাতে পারবো।মানে আজকে থেকে একবছর পরেও যদি আমার সিরিয়াল আসে,তাহলে তখনই আমাকে দেখবে, এর আগে না! এখন যে হারে চুল পরছে, মনে হচ্ছে ডাক্তার দেখাতে দেখাতে মাথায় আর চুল ই থাকবেনা!

এবার বলি অন্যদের অভিজ্ঞতার কথা।

আমাদের বাড়িওয়ালা, ব্রিটিশ ভদ্রলোক। চোখের ছানির অপারেশন করবেন। কয়েক দফায় ডাক্তার দেখানোর পরে উনাকে একটা ডেট দেয়া হলো অপারেশনের। সেই ডেটে তিনি গেলেন, পাঁচ ঘন্টা অপেক্ষা করলেন। এরপরে উনাকে জানানো হলো- "আজকে অপারেশন হবেনা, আবার ডাক্তার দেখিয়ে সিরিয়াল নিতে হবে।"

পরিচিত এক আপুর প্র্যাগনেন্সির সময় ডেলিভারি ডেটের অনেক আগেই পানি ভেঙে গেলো।আমি ইন্টার্ন থাকা অবস্থায় গাইনীতে এইরকম রোগীদের যে চিকিৎসা দিয়েছি,আপুটা এই ফার্স্ট ওয়ার্ল্ড কান্ট্রির একটা সরকারি হাসপাতালেও সেই চিকিৎসা পায়নি।উনাকে কিছুক্ষণ অবজার্ভেশনে রেখে কোনো ওষুধ না দিয়েই বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হলো।একদিন পরে উনার জ্বর উঠলো, ইমার্জেন্সি হাসপাতালে ভর্তি করানো লাগলো, এবং ইনফেকশন বাচ্চা পর্যন্ত ছড়িয়ে বাচ্চার মেনিনজাইটিস হয়ে গেলো। জন্মের পরে একমাস বাচ্চাকে এনআইসিইউতে রাখতে হলো।

হাজব্যান্ডের এক মিউচুয়াল ফ্রেন্ড ফুটবল খেলতে গিয়ে মাথা ফা টি য়ে ফেলেছিল।আটটা সেলাই লাগলো।আর প্যারাসিটামল প্রেসক্রাইব করে বাসায় পাঠিয়ে দেয়া হলো। কোনো এন্টিবায়োটিক বা হাই ডোজের ব্যথার ওষুধ দেয়া হলোনা। বাসায় ফিরে উনার তীব্র ব্যথা +ইনফেকশন হয়ে জ্বর চলে আসলো!

হাজব্যান্ডের আরেক কলিগের হাজব্যান্ড বাইক এক্সিডেন্ট করে ফ্র্যাকচার নিয়ে হাসপাতালে গেলো।এই ফ্র্যাকচার, ব্লিডিং আর ব্যথা নিয়ে আট ঘন্টা সিরিয়ালে থাকার পরে ডাক্তার উনাকে দেখলো।

এমন হাজারটা উদাহরণ দিতে পারবো। হাজব্যান্ডের এক ব্রিটিশ কলিগ আমাদের দেশে কত সুলভ মূল্যে এবং কত ফাস্ট ডাক্তার দেখানো যায় শুনে বললো-"তাহলে তো তোমরা বেহেশতে থাকো!আমিও তোমাদের দেশে গিয়ে ডাক্তার দেখাতে চাই!"

আর আমাদের দেশে ডাক্তাররা একটা স্ট্রোক কিংবা হার্টএটাকের রোগী আসলে দৌড়ে গিয়ে চিকিৎসা দেয়,হাসপাতালে ওষুধের সাপ্লাই না থাকলে নিজ খরচে ওষুধ আনিয়ে আগে রোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা করে, তাও দিনশেষে ডাক্তাররাই হয় কসাই, ডাক্তাররাই খায় মা ই র।

©Safia Binta Ahmed

03/08/2026
👂 “ডাক্তার, ও সারারাত কান ধরে কাঁদছে…”আজ OPD-তে এক ছোট্ট রোগীকে নিয়ে তার পরিবার খুব উদ্বিগ্ন অবস্থায় এসেছিলেন। অভিযোগ ...
03/08/2026

👂 “ডাক্তার, ও সারারাত কান ধরে কাঁদছে…”

আজ OPD-তে এক ছোট্ট রোগীকে নিয়ে তার পরিবার খুব উদ্বিগ্ন অবস্থায় এসেছিলেন। অভিযোগ একটাই—গত রাত থেকে প্রচণ্ড কানব্যথা। ব্যথার কারণে ঠিকমতো ঘুমাতে পারেনি, খেতেও চাইছিল না।

প্রথমে সাধারণ কানের সংক্রমণ মনে হলেও, শিশুটির অস্বস্তি দেখে আরও ভালোভাবে কানের ভেতর পরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

ধীরে ধীরে কানের ভেতর পর্যবেক্ষণ করতেই দেখা গেল—সমস্যার আসল কারণ অন্য কিছু। কানের গভীরে একটি foreign body আটকে ছিল।

সঠিক যন্ত্রের সাহায্যে খুব সতর্কতার সঙ্গে সেটি বের করে আনার পর মুহূর্তেই শিশুটির অস্বস্তি অনেকটা কমে গেল। বাবা-মায়ের মুখের স্বস্তির হাসিটাই যেন দিনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।

এ ধরনের ক্ষেত্রে অনেকেই বাসায় কটন বাড, চুলের ক্লিপ বা অন্য কিছু দিয়ে বস্তুটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু এতে সেটি আরও ভেতরে চলে যেতে পারে, এমনকি কানের পর্দাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

শিশুর হঠাৎ তীব্র কানব্যথা সব সময় ইনফেকশনের কারণে হয় না। কখনো কখনো এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এমন একটি ছোট্ট কারণ, যা শুধু সঠিকভাবে পরীক্ষা করলেই ধরা পড়ে।

👉 শিক্ষণীয় বিষয়:
শিশুদের যদি হঠাৎ কানব্যথা, কান খোঁচানো, কান্নাকাটি বা শুনতে সমস্যা শুরু হয়, তাহলে ঘরে বসে কটন বাড বা অন্য কিছু দিয়ে বের করার চেষ্টা করবেন না। এতে বস্তুটি আরও ভেতরে চলে যেতে পারে বা কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। দ্রুত একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

আজকের ছোট্ট রোগীর হাসিমুখটাই মনে করিয়ে দিল—চিকিৎসায় শুধু ওষুধ নয়, ধৈর্য আর সঠিক পর্যবেক্ষণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। 🤍

Alarming ❗❗❗
29/07/2026

Alarming ❗❗❗

টুথপেস্ট এর মাল্টোপ্লাস্টিক বলতে কি বুঝায়?? মানবদেহের জন্য এটা কতটা ক্ষতিকর??? মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) বলতে ৫ ম...
27/07/2026

টুথপেস্ট এর মাল্টোপ্লাস্টিক বলতে কি বুঝায়?? মানবদেহের জন্য এটা কতটা ক্ষতিকর???

মাইক্রোপ্লাস্টিক (Microplastic) বলতে ৫ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট আকারের প্লাস্টিকের কণা বোঝায়। এর মধ্যে অনেক কণা এতটাই ক্ষুদ্র (ন্যানোপ্লাস্টিক) যে খালি চোখে দেখা যায় না। এগুলো বিভিন্ন প্লাস্টিকজাত পণ্য ভেঙে তৈরি হতে পারে, আবার কিছু পণ্যে ইচ্ছাকৃতভাবেও ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা (microbeads) যোগ করা হতো।
যদি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক থাকে এবং ব্রাশ করার সময় তা মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে সম্ভাব্য ক্ষতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

যদি ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক টুথপেস্টের মাধ্যমে নিয়মিত শরীরে প্রবেশ করে, তাহলে গবেষণার ভিত্তিতে সম্ভাব্য যেসব ক্ষতি হতে পারে তা হলো।

সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি

প্রদাহ (Inflammation)
মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরের বিভিন্ন টিস্যুতে প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।
অক্সিডেটিভ স্ট্রেস
কোষের ক্ষতি বাড়াতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে বিভিন্ন রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

অন্ত্রের ক্ষতি
অন্ত্রের উপকারী জীবাণুর ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে এবং অন্ত্রের প্রাচীরের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ব্যাহত হতে পারে।

হরমোনের ভারসাম্যে প্রভাব
কিছু প্লাস্টিকে থাকা রাসায়নিক (যেমন BPA বা কিছু phthalates) অন্তঃস্রাবী গ্রন্থির স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত করতে পারে।

যকৃত (লিভার) ও কিডনির ওপর প্রভাব
প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় লিভার ও কিডনিতে ক্ষতির ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, তবে মানুষের ক্ষেত্রে এখনও নিশ্চিত প্রমাণ সীমিত।

হৃদ্‌রোগের সম্ভাব্য ঝুঁকি
কিছু গবেষণায় মাইক্রোপ্লাস্টিক রক্তনালীতে পাওয়া গেছে এবং হৃদ্‌রোগের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্কের ইঙ্গিত মিলেছে, কিন্তু কারণ-প্রমাণ সম্পর্ক এখনও প্রতিষ্ঠিত নয়।

প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব
প্রাণী গবেষণায় প্রজনন ক্ষমতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব দেখা গেছে। মানুষের ক্ষেত্রে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার পরিবর্তন
ইমিউন সিস্টেমের স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়ায় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হয়।
টুথপেস্ট ব্যবহারের ক্ষেত্রে কী করবেন?
Microplastic-free বা plastic microbeads free লেখা টুথপেস্ট বেছে নিন।
উপাদানের তালিকায় Polyethylene (PE), Polypropylene (PP), Polyethylene terephthalate (PET) ইত্যাদি থাকলে সতর্ক থাকুন।
টুথপেস্ট গিলে ফেলা এড়িয়ে চলুন, বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে।
সারসংক্ষেপ: মাইক্রোপ্লাস্টিক স্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগের বিষয় হলেও, টুথপেস্টের মাধ্যমে যে পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিক শরীরে প্রবেশ করে তা থেকে মানুষের কী মাত্রার ক্ষতি হয়—এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্ত নেই। তবুও অপ্রয়োজনীয় সংস্পর্শ কমানো এবং মাইক্রোপ্লাস্টিক-মুক্ত টুথপেস্ট ব্যবহার করা একটি নিরাপদ ও যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ।

তথ্যটি শেয়ার করে মানুষকে সচেতন করতে পারেন।

21/07/2026


(ক্যালিস্থেনিকস)

ক্যালিস্থেনিকস হলো এমন এক ধরনের স্ট্রেংথ ট্রেনিং বা শক্তি বাড়ানোর ব্যায়াম, যা বাইরের কোনো ভারী সরঞ্জামের পরিবর্তে শরীরের নিজস্ব ওজনকে কাজে লাগিয়ে করা হয়।

🚩মৌলিক ক্যালিসথেনিক্স ব্যায়াম:

✅পুশ-আপ (Push-ups):

উপুড় হয়ে শুয়ে হাত দিয়ে মাটি ঠেলে শরীর ওপরে তুলুন।

এটি বুকের ও হাতের পেশি শক্ত করে।

✅স্কোয়াট (Squats):

দাঁড়িয়ে চেয়ারে বসার মতো করে নিতম্ব নিচে নামান এবং আবার সোজা হয়ে দাঁড়ান।

এটি পায়ের জন্য দারুণ।

✅পুল-আপ (Pull-ups):

কোনো শক্ত বার (bar) বা রড ধরে ঝুলে পড়ুন।
এরপর থুতনি বার পর্যন্ত ওপরে তুলুন।

এটি পিঠের পেশি তৈরি করে।

✅প্ল্যাঙ্ক (Plank):

কনুইয়ের ওপর ভর দিয়ে শরীর সোজা করে মেঝের ওপর কিছুক্ষণ স্থির থাকুন।

এটি পেটের মেদ কমায় ও কোর (core) শক্ত করে।

🚩কিভাবে শুরু করবেন?

নতুনরা প্রতিটি ব্যায়াম ১০ থেকে ১৫ বার করতে পারেন।

এমনভাবে শুরু করুন যেন শরীর ব্যথা না পায়।

🚩প্রধান বৈশিষ্ট্য ও সুবিধা:

✅উপকরণ:

কোনো ভারী ওজনের ডাম্বেল বা মেশিনের প্রয়োজন হয় না।

✅মূল্য ও স্থান:

ঘরে, পার্কে বা ভ্রমণের সময় বিনা খরচে যেকোনো জায়গায় সহজে অনুশীলন করা যায়।

🚩শারীরিক উপকারিতা:

✅পেশি শক্তিশালী হয়:

পুশ-আপ, পুল-আপ বা স্কোয়াটের মতো ব্যায়ামগুলো শরীরের মূল পেশিগুলোকে (Core muscles) মজবুত করে।

✅ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে:

এটি প্রচুর ক্যালোরি পোড়াতে সাহায্য করে। এর ফলে শরীরের অতিরিক্ত মেদ ঝরে যায় এবং ওজন কমে।

✅শারীরিক ভারসাম্য ওড়ে:

এই ব্যায়ামগুলো শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সঠিক সমন্বয় তৈরি করে, যা দৈনন্দিন কাজগুলোকে সহজ করে দেয়।

✅নমনীয়তা বাড়ে:

ক্যালিসথেনিক্সে শরীরের প্রতিটি জয়েন্ট বা অস্থিসন্ধি সচল থাকে ও হাড়ের গঠন উন্নত হয়।

এতে শরীর আরও ফ্লেক্সিবল বা নমনীয় হয়।

✅হৃদযন্ত্র ভালো থাকে:

এটি নিয়মিত করলে হৃদস্পন্দন বাড়ে, যা শ্বাস-প্রশ্বাস এবং রক্ত সঞ্চালন প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে।

✅মানসিক স্বাস্থ্য ভালো থাকে:

খোলা জায়গায় প্রকৃতির মাঝে ক্যালিসথেনিক্স করলে মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হয়।

🩺 উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্য...
15/07/2026

🩺 উচ্চ রক্তচাপ (High Blood Pressure) নীরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি হৃদরোগ, স্ট্রোক, কিডনি সমস্যা ও চোখের ক্ষতির কারণ হতে পারে।

✅যা করবেন:

•নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন
•কম লবণ খান
•তেল-চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত করুন
•প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
•ধূমপান ও অ্যালকোহল থেকে দূরে থাকুন
•পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ করুন

❗যে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে:

•মাথাব্যথা
•মাথা ঘোরা
•বুক ধড়ফড় করা
•শ্বাসকষ্ট
•দৃষ্টিতে ঝাপসা দেখা

📌 মনে রাখুন:
রক্তচাপ ১৪০/৯০ mmHg বা তার বেশি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

নিজে সচেতন হোন, পরিবারকেও সচেতন করুন।
💙 সুস্থ থাকুন, নিয়মিত রক্তচাপ পরীক্ষা করুন।

অনলাইন চিকিৎসা সেবার জন্য ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

#উচ্চ_রক্তচাপ #স্বাস্থ্য_সচেতনতা #রক্তচাপ_নিয়ন্ত্রণ

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা (Obesity) বর্তমানে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। এটি শুধু বাহ্যিক পরিবর্তন আনে না, বরং ডায়াবেটিস, উচ্চ...
12/07/2026

অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা (Obesity) বর্তমানে একটি বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি। এটি শুধু বাহ্যিক পরিবর্তন আনে না, বরং ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ফ্যাটি লিভার, জয়েন্টের ব্যথা ও ঘুমের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

স্থূলতার প্রধান কারণগুলো:

🍔 অতিরিক্ত ক্যালোরিযুক্ত খাবার
🥤 কোমল পানীয় ও জাঙ্ক ফুড
🛋️ শারীরিক পরিশ্রমের অভাব
😴 অনিয়মিত ঘুম
😟 মানসিক চাপ

সুস্থ থাকতে যা করবেন:

🥗 প্রতিদিন সুষম খাবার খান
🚶‍♂️ অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন
💧 পর্যাপ্ত পানি পান করুন
🍟 ভাজাপোড়া ও প্রক্রিয়াজাত খাবার কমান
😴 নিয়মিত ও পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করুন

#স্থুলতা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

যেকোনো চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রয়োজনে ইনবক্স এ যোগাযোগ করুন

যেটা খেয়াল করলাম সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে বেশিরভাগ আক্রান্ত প্রবাসীরা! হ্যাঁ গত কিছুদিন ধরে এতো বেশি রোগী আমাকে তাদের কষ্ট ...
04/07/2026

যেটা খেয়াল করলাম সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে বেশিরভাগ আক্রান্ত প্রবাসীরা! হ্যাঁ গত কিছুদিন ধরে এতো বেশি রোগী আমাকে তাদের কষ্ট শেয়ার করেছেন তা অবিশ্বাস্য! আজকে জানাবো কেনো প্রবাসীরা বিদেশে গেলে এরোগে আক্রান্ত হয়!

বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য (যেমন Saudi Arabia, United Arab Emirates, Qatar, Kuwait) বা শীতপ্রধান দেশে থাকা অনেক বাংলাদেশি প্রবাসীই সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের সমস্যা বেশি অনুভব করেন। যদিও এ বিষয়ে শুধুমাত্র প্রবাসীদের নিয়ে বড় গবেষণা সীমিত, তবে কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ রয়েছে:

❤️আবহাওয়ার পরিবর্তন
অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া (মধ্যপ্রাচ্য) বা অত্যন্ত ঠান্ডা ও শুষ্ক আবহাওয়া (ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা) ত্বকের স্কিন ব্যারিয়ার দুর্বল করে।
এতে প্রদাহ বাড়ে এবং সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের উপসর্গ তীব্র হতে পারে।

❤️এয়ার কন্ডিশনড পরিবেশ
অনেক প্রবাসী দিনে ৮–১২ ঘণ্টা এসি-যুক্ত কর্মস্থলে থাকেন।
এসির কারণে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যায়, ত্বক শুষ্ক হয় এবং রোগ বেড়ে যেতে পারে।

❤️মানসিক চাপ (Stress)
কাজের চাপ, পরিবার থেকে দূরে থাকা, অনিয়মিত ঘুম এবং মানসিক উদ্বেগ সেবোরিক ডার্মাটাইটিসের পরিচিত ট্রিগার।

❤️ঘুমের অনিয়ম
নাইট শিফট, দীর্ঘ কর্মঘণ্টা এবং অপর্যাপ্ত ঘুম রোগের প্রদাহ বাড়াতে পারে।

❤️খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন
ফাস্টফুড, উচ্চ চর্বিযুক্ত খাবার, কম শাকসবজি ও ফল খাওয়ার প্রবণতা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে প্রদাহ বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

❤️ভিটামিন D-এর ঘাটতি
যদিও বাইরে রোদ থাকে, অনেক প্রবাসী সারাদিন ঘরের ভেতরে বা এসির মধ্যে কাজ করেন। ফলে ভিটামিন D-এর ঘাটতি হতে পারে, যা ত্বকের রোগকে প্রভাবিত করতে পারে।
❤️পানির ধরন
অনেক দেশে হার্ড ওয়াটার (ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম বেশি) ব্যবহৃত হয়। এটি সংবেদনশীল ত্বকে জ্বালাপোড়া ও শুষ্কতা বাড়াতে পারে।

❤️Malassezia ইস্টের বৃদ্ধি
সেবোরিক ডার্মাটাইটিসে Malassezia নামের স্বাভাবিক ত্বকের ইস্ট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিবেশ, ঘাম, ত্বকের তেল, স্ট্রেস ও রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার পরিবর্তনের কারণে এর প্রতি প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়া বেড়ে যেতে পারে।
কেন দেশে এলে অনেকের সমস্যা কমে?

অনেক রোগী বলেন "বাংলাদেশে ছুটিতে এলে ভালো থাকে, আবার প্রবাসে ফিরে গেলে বাড়ে"—তার সম্ভাব্য কারণ:

বাতাসের আর্দ্রতা বেশি থাকা।
মানসিক চাপ কমে যাওয়া।
পর্যাপ্ত ঘুম।
পরিচিত খাদ্যাভ্যাসে ফিরে আসা।
পরিবারের সঙ্গে থাকার মানসিক স্বস্তি।
এসিতে কম সময় থাকা।
❤️লক্ষণ
🖤সাদা বা হলুদ রঙের খোসা
🖤ত্বক লাল হয়ে যাওয়া
🖤চুলকানি
🖤মাথার ত্বকে তেলতেলে খুশকি
🖤মুখে হলে জ্বালাপোড়া

❤️চিকিৎসা (ম্যানেজমেন্টই মূল)
এটা পুরোপুরি সারে না, তবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

❤️লাইফস্টাইল ও যত্ন
🖤স্ট্রেস কমানো
🖤নিয়মিত মুখ ও মাথা পরিষ্কার
🖤তেল বা ভারী কসমেটিক এড়িয়ে চলা
🖤খুব গরম পানি ব্যবহার না করা
🖤শীতে ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার

❤️কখন সতর্ক হবেন
🖤রোগ দীর্ঘদিন ধরে চলমান থাকলে

আমার কাছ থেকে অনলাইনে চিকিৎসা নিতে চাইলে ইনবক্সে নক দিন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ এ নক দিন
+9660501608321

ফার্মের মুরগীর দ্রুত ওজন বাড়ার জন্য যেই মেডিসিন(হেভি মেটাল) খাওয়ানো হয় তা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর। কিন্তু ভালো খবর হচ্ছে...
03/07/2026

ফার্মের মুরগীর দ্রুত ওজন বাড়ার জন্য যেই মেডিসিন(হেভি মেটাল) খাওয়ানো হয় তা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর।
কিন্তু ভালো খবর হচ্ছে , মুরগির লিভার ও কিডনির মাধ্যমে ৭০% মেডিসিন নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়। বাকি ৩০% এর কিছু অংশ মুরগীর হার্ট, লিভার, হাড় ও চামড়ায় জমা হয়।

এজন্য আপনি যদি ফার্মের মুরগী রান্না বা খাওয়ার সময়, এই অংশ গুলো পরিহার করেন তাহলে কিন্তু ফার্মের মুরগী খেলেও খুব একটা ক্ষতি হচ্ছে না।

আপনি যদি সতর্ক না হন, তাহলে শেষ বয়সে আপনার কিডনি দুটি নষ্ট হয়ে যাবে এবং মৃত্যুর আগেই এক কষ্টের জীবন অতিবাহিত করবেন।

©

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ASK Dr. Arafat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category