Mohammad Ruman Howlader

Mohammad Ruman Howlader সব কিছুর জন্য আলহামদুলিল্লাহ।

04/08/2026

টাকা প্রয়োজন না হলেও মাঝেমধ্যে আপনজনের মধ্যে কিছু টাকা ধার চেয়ে পরিক্ষা করে দেখুন পরবর্তী সময়ে কাজে দেবে।

04/08/2026
বজ্রপাত বর্তমানে আমাদের দেশে অন্যতম একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর অনেক মানুষ সঠিক সচেতনতার অভাবে এই...
27/04/2026

বজ্রপাত বর্তমানে আমাদের দেশে অন্যতম একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর অনেক মানুষ সঠিক সচেতনতার অভাবে এই দুর্যোগে প্রাণ হারান। জীবন বাঁচাতে এবং ক্ষয়ক্ষতি কমাতে আমাদের এখনই সচেতন হওয়া জরুরি।
​বজ্রপাত থেকে নিজেকে এবং প্রিয়জনকে রক্ষা করতে নিচে দেওয়া তথ্যগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়ুন ও মেনে চলুন।
​🌩️ বজ্রপাত থেকে বাঁচতে করণীয়: একটি বিস্তারিত নির্দেশিকা
​বজ্রপাত সাধারণত ৩০-৪৫ মিনিট স্থায়ী হয়। এই সময়ে কিছু নিয়ম মেনে চললে আমরা বড় বিপদ এড়াতে পারি।
​১. আকাশের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করুন
​আকাশে কালো মেঘ দেখা দিলে বা মেঘের গর্জন শোনা মাত্রই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিন।
​'৩০-৩০ নিয়ম' মেনে চলুন: বিজলি দেখার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে যদি মেঘের ডাক শোনেন, তবে বুঝবেন বজ্রপাত খুব কাছে হচ্ছে। এমন অবস্থায় দ্রুত বাড়ির ভেতরে চলে যান।
​২. কোথায় আশ্রয় নেবেন?
​সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা হলো কংক্রিটের দালান বা পাকা বাড়ি।
​খোলা জায়গা, বড় গাছ, বিদ্যুতের খুঁটি বা ধাতব টাওয়ারের নিচে দাঁড়াবেন না।
​টিনের চালা বা কাঁচা ঘরের চেয়ে পাকা ঘর অনেক বেশি নিরাপদ।
​যদি গাড়ির ভেতরে থাকেন, তবে জানালার কাঁচ বন্ধ করে ভেতরেই অবস্থান করুন। ধাতব অংশ স্পর্শ করবেন না।
​৩. খোলা মাঠে থাকলে কী করবেন?
​যদি আশেপাশে কোনো নিরাপদ ভবন না থাকে:
​উঁচু গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে সরে যান।
​উবু হয়ে বসুন: দুই হাত কানে দিয়ে মাথা নিচু করে পায়ের আঙ্গুলের ওপর ভর দিয়ে উবু হয়ে বসুন। মাটিতে শুয়ে পড়বেন না, কারণ মাটি দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হতে পারে।
​দলে থাকলে সবাই একে অপরের থেকে অন্তত ১৫-২০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন।
​৪. ঘরের ভেতরে সতর্কতা
​বজ্রপাতের সময় ইলেকট্রনিক ডিভাইস (টিভি, ফ্রিজ, কম্পিউটার) বন্ধ রাখুন এবং প্লাগ খুলে দিন।
​ধাতব কল, পাইপ বা ল্যান্ডলাইন ফোন স্পর্শ করবেন না।
​জানালার পাশে দাঁড়াবেন না বা বারান্দায় যাবেন না।
​বজ্রপাতের সময় গোসল করা বা পানি ব্যবহারের কাজ থেকে বিরত থাকুন।
​৫. জলাশয় থেকে দূরে থাকুন
​বজ্রপাত শুরু হলে মাছ ধরা, নৌকা চালানো বা সাঁতার কাটা বন্ধ করুন। পানি বিদ্যুতের সুপরিবাহী, তাই দ্রুত পানি থেকে উঠে নিরাপদ দূরত্বে চলে যান।
​⚡ বজ্রপাতে কেউ আহত হলে কী করবেন?
​অনেকে মনে করেন বজ্রপাতে আক্রান্ত ব্যক্তিকে ধরলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হতে হয়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
​আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করুন।
​প্রয়োজনে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাস (CPR) দিন।
​আক্রান্ত ব্যক্তির শরীর পুড়ে গেলে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা নিন।
​মনে রাখবেন: সচেতনতাই বজ্রপাত থেকে বাঁচার একমাত্র উপায়। আপনার একটু সতর্কতা আপনার এবং আপনার পরিবারের জীবন বাঁচাতে পারে।
​এই পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও সচেতন করুন। প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ নয়, বরং প্রস্তুতির মাধ্যমেই আমরা নিরাপদ থাকতে পারি। 🏠🛡️

পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগবে?সিজারের আগে মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন পুশ করা হয়, সেই ইনজেকশনটা কে দেন...
26/04/2026

পৃথিবীতে কোনো প্রাণীর সিজার লাগে না, মানুষের কেন লাগবে?

সিজারের আগে মেরুদণ্ডে যে ইনজেকশন পুশ করা হয়, সেই ইনজেকশনটা কে দেন- মহিলা ডাক্তার নাকি পুরুষ ডাক্তার? এই ইনজেকশনের কু-প্রভাবে পরবর্তীতে কী কী ক্ষতি হয় জানেন? সিজারের শতভাগ কাজ কি মহিলা ডাক্তাররাই করেন নাকি কিছু কাজে পুরুষ ডাক্তারের সাহায্য নিতে হয়? এর ফলে পুরুষ ডাক্তার ও গর্ভবতী মহিলা উভয়ে কি (বেপর্দার কারণে) গুনাহগার হচ্ছেন না?

গর্ভবতীকে হাসপাতালে নেওয়ার পর চেক-আপ করে ডাক্তার সাধারণত তিনটি ডায়লগের যে কোনো একটি দিয়ে থাকেন-
১. বাচ্চা পানি-শূন্যতায় আছে।
২. বাচ্চা পেটের ভিতরে পায়খানা করে দিয়েছে।
৩. বাচ্চার পজিশন উল্টো।
এই কথাগুলোর যে কোনো একটা শোনার পর গর্ভবতী এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মানসিক অবস্থা কী হতে পারে- একটিবার চিন্তা করুন তো?

বাংলাদেশের সকল বেসরকারি হাসপাতালের গত পাঁচ বছরের ডেলিভারি রিপোর্ট ঘাঁটলে দেখা যাবে ৯৭% সিজারে ডেলিভারি করানো হয়েছে (বাকিদের ক্ষেত্রে সুযোগ পাই নাই; অল্পের জন্য ফস্কে গেছে)! ১০০ জন মহিলা ডাক্তারের মধ্যে একজন কেউ পাবেন না- যার নিজের সিজার হয়েছে, অথচ সাধারণ মানুষ হাসপাতাল বা ক্লিনিকে যাওয়া মাত্রই সিজার! প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও ব্যবসার জন্য যারা সিজার করে, আল্লাহর কাছে তাদের কঠিন জবাবদিহিতার মুখোমুখি হতে হবে!

সিজারে এতো টাকা বিল আসে কেন, যাচাই করার কোনো উপায় কি আছে? সিজারের শুরুতে এক কার্টুন ঔষধ ও.টি-তে নেওয়া হয়, তার সবগুলোই কি কাজে লাগে? বাকি ঔষধ (আসলে ড্রাগস) যায় কোথায়?

সিজার মানে একটা মায়ের জীবন শেষ; সিজার মানে একজন মায়ের মৃত্যু পর্যন্ত প্রতিবন্ধী হয়ে বেঁচে থাকা! পার্থক্যটা খেয়াল করুন- যাদের নরমাল ডেলিভারি হয়, তাদের নাড়ি ছেঁড়া ধন হয়; কিন্তু যাদের সিজার হয়, তাদের নাড়ি কাটা ধন!

সিজার মানে শুধু পেট কাটা নয়, সাতটা পর্দা কেটে নবজাতককে দুনিয়াতে আনতে হয়। সিজার করানোর সময় এ্যানেসথেসিয়ার জন্য বোঝা যায় না পেট কাটার যন্ত্রণা! খেয়াল করে দেখবেন- আধাঘণ্টার মধ্যে তিনটা স্যালাইন শেষ হয়! কিন্তু মোটা সিরিঞ্জ দিয়ে মেরুদণ্ডে দেওয়া ইনজেকশনটা প্রত্যেক সিজারিয়ান মা-কে সারাজীবন কষ্ট দেয়- মায়েদের শরীরের বিভিন্ন জায়গা অবশ হয়ে থাকে, বসা থেকে উঠতে পারে না, সংসারের যাবতীয় কাজ করতে অনেক কষ্ট হয়!

অবসের মেয়াদ যখন ফুরিয়ে যায়, প্রত্যেকটা মা তখন গলা ছেলা মুরগির মতো ছটফট করতে থাকে। সিজারিয়ান মায়ের শরীরে ২৪ ঘণ্টা একটানা স্যালাইন চলে..! শরীরের কাটা জায়গার ব্যাথার জন্য ক্যানোনিকাল স্যালাইন চলে টানা ৩২ ঘণ্টা! অন্তত দুইদিন শরীরে খিচুনি ও মাথা ভারী হয়ে বিছানায় পরে থাকতে হয় প্রত্যেকটা মাকে।

আমাদের দাদা-দাদী/নানা-নানীর দিকে তাকালে দেখবেন- বুড়ো বয়সেও কত শক্তিশালী? দাদা/নানারা ৮০ বছর বয়সেও অনেক দূর হেঁটে নামাজ পড়তে যাচ্ছেন। অন্যদিকে বাবা/মায়েরা কোমর ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, হাড়ক্ষয় জনিত অসুখে ভুগছেন! দাদী-নানিরা ১০/১২টা বাচ্চার জন্ম দিয়েছেন, আল্লাহর রহমতে তাঁদের তো কোনো সমস্যা হয়নি?

যথাসম্ভব সিজারকে না বলুন..! কথিত করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে সিজারের হার কমেছিল। লকডাউনে দেশে ১ লাখ ৭৫ হাজার শিশুর জন্ম হয়েছে, এর মধ্যে মাত্র ৪% শিশুর জন্ম হয়েছে সিজার করে। বাকি ৯৬% শিশুর জন্ম হয়েছে নরমালে। তখন তো সমস্যা হয়নি? গবেষণায় আরো দেখা গেছে- সিজারের বাচ্চাদের ভবিষ্যতে রোগ-বালাই বেশি হয়। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ার আশঙ্কাও প্রবল!

সিজার ডেলিভারির জন্য অধিকাংশ মায়েরা অর্ধ-পঙ্গু হয়ে যাচ্ছেন। যে কোনো মূল্যে এই অপতৎপরতা ঠেকাতে হবে- মা’কে বাঁচান, বাচ্চাদেরকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে দিন।

আগে গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় আল্লাহর উপর ভরসা রাখতেন, কিন্তু বর্তমানে ভরসা ডাক্তারের উপর। দু-তিন মাস যেতে না যেতেই স্বামীকে বলেন- আমারে চেক-আপ করান, বাচ্চা মনে হয় উল্টা হয়ে আছে। ক্লিনিকে গেলে "কিছু কসাই" ভয়ের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। ফলে গর্ভবতী মা মানসিক ও শারীরিকভাবে আরো দুর্বল হয়ে পড়েন।

আগেকার গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় অনাগত সন্তানের কল্যাণ চিন্তা করে পবিত্র কোরান পড়তেন, নামাজ আদায় করতেন, ঘরে বসে আল্লাহর জিকির করতেন, কিন্তু এখন গর্ভাবস্থায় ২৪ ঘণ্টা ডিশ লাইনে ডুবে থাকে- কুটনামি দেখে! আগের গর্ভবতী মায়েরা গর্ভাবস্থায় সব ধরনের সাংসারিক কাজ করতো, এমনকি ঢেঁকিতে ধান ভানতো। তখনকার গর্ভবতী মা-দের পেট-পিঠ সহজে কোনো পরপুরুষ দেখতে পায়নি। কিন্তু বর্তমানে সবার নজর লাগে, অনেকেই বেপর্দায় চলাফেরা করেন। আসলে নিয়তই ঠিক নাই, সমস্যা তো হবেই..!

আল্লাহ সবাইকে সঠিক বুঝ দান করুন। আমিন!

20/04/2026

“কেউ তার ভাইকে কোনো গুনাহের জন্য তিরস্কার করলে, সে নিজে সেই গু*নাহে লিপ্ত না হওয়া পর্যন্ত মারা যাবে না।”
— (তিরমিজি)

Address

Kawranbazar
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801712275152

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Ruman Howlader posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mohammad Ruman Howlader:

Shortcuts

Share