Sunbangla

Sunbangla Bangladesh TV Stations on your iPhone, iPad, iPod Touch, Android, Blackberry, and other app-enabled mobile phones.

Get in touch via the Contact Us below if you're interested in these apps. Also, find the top new songs, playlists, and music on our website!

ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে : চিকিৎসকরাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন কুর্মিটোলা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতী...
07/01/2020

ঢাবি ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে : চিকিৎসক
রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন কুর্মিটোলা এলাকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে।

ওই ছাত্রীর মেডিকেল টেস্টের পর সোমবার (৬ জানুয়ারি) দুপুর আড়াইটার দিকে একথা জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ।

তিনি বলেন, ওই ছাত্রীর হাত, পা ও গালে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। গলায় আঙুলের চিহ্ন পেয়েছি। এতে মনে হয়েছে, তাকে গলা চেপে ধরা হয়েছিল। হাতে যে আঘাত দেখা গেছে, সেটা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল বলে মনে হচ্ছে। তবে মাথায় কোনো গুরুতর আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়নি।

ডা. সোহেল মাহমুদ বলেন, নারী ডাক্তারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে ধর্ষণের আলামত পেয়েছি।একজন নাকি একাধিক ব্যক্তি দ্বারা ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে, তা নিশ্চিত হতে আলামত সংগ্রহ করেছি। সেগুলোর ডিএনএ অ্যানালাইসিস ও টেস্ট সম্পন্ন করতে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট আসার পর তখন বোঝা যাবে একজনের হাতে নাকি গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন তিনি।


গত রোববার (৫ জানুয়ারি) বিকেলে কুর্মিটোলায় ওই ছাত্রী ধর্ষণের শিকার হন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ক্ষণিকা’ নামের দোতলা বাসে (ঢাবি-টঙ্গী রুট) বাড়ি ফিরছিলেন। কুর্মিটোলায় বাস থেকে নেমে যাওয়ার পর তাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রী বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহান হক বলেন, মামলার এজাহারে মেয়েটিকে একজন ধরে নিয়ে ধর্ষণ করে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

05/01/2020
জিৎ নাকি আবির কার প্রেমে মজলেন নুসরাত?জিৎ নাকি আবির কার প্রেমে মজলেন নুসরাত?নিখিল জৈনর সঙ্গে বিয়ের পর সংসদ ও সংসার সামলে...
05/01/2020

জিৎ নাকি আবির কার প্রেমে মজলেন নুসরাত?

জিৎ নাকি আবির কার প্রেমে মজলেন নুসরাত?
নিখিল জৈনর সঙ্গে বিয়ের পর সংসদ ও সংসার সামলে অভিনয়ে ফিরেছেন লোকসভার সাংসদ ও কলকাতার জনপ্রিয় নায়িকা নুসরাত। সম্প্রতি ‘অসুর’ নামের একটি ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। ছবিতে নুসরাতের বিপরীতে অভিনয় করেছেন দুই নায়ক জিৎ ও আবির চ্যাটার্জি।

শুক্রবার ভারতে মুক্তি পেয়েছে তাদের অভিনীত এই সিনেমাটি। এই সিনেমায় জিৎ নাকি আবির, কার প্রেমে মজেছেন নুসরাত তা জানতে হলে দেখতে হবে সিনেমাটি।

ছবির প্রসঙ্গে ভারতীয় গণমাধ্যমকে নুসরাত বলেন, ‘অনেকে ভেবেছিল আমি শুধু রাজনীতি করব। কিন্তু আমি অভিনয়ে ফিরেছি। অসুরের মাধ্যমে আমাকে আবারও দর্শকের সামনে নিয়ে এসেছে নির্মাতা পাভেল। ওকে ধন্যবাদ। আমার শ্বশুরবাড়ি, বাপের বাড়ির অনেকে ছবি দেখতে এসেছে। মিমিকে খুব মিস করছি। ও কলকাতা থাকলে নিশ্চয়ই আসত।’
‘অসুর’ মূলত একটি প্রেমকাহিনি। কাইজান, বোধি ও অদিতি- তিন কলেজের বন্ধুর গল্প তুলে ধরা হয়েছে ছবিতে। কাইজানের চরিত্রে অভিনয় করেছেন করছেন জিৎ। বোধির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আবির চট্টোপাধ্যায়।

স্কুলছাত্রী ঐশীর আত্মহত্যা নিয়ে বাবার হৃদয়বিদারক স্ট্যাটাস ভাইরালস্কুলছাত্রী ঐশী আত্মহত্যা করেছেন গত ১১ নভেম্বর। মেয়ের ম...
05/01/2020

স্কুলছাত্রী ঐশীর আত্মহত্যা নিয়ে বাবার হৃদয়বিদারক স্ট্যাটাস ভাইরাল
স্কুলছাত্রী ঐশী আত্মহত্যা করেছেন গত ১১ নভেম্বর। মেয়ের মৃত্যুর প্রায় এক মাস পর গত ২৬ ‍ডিসেম্বর ফেসুবকে এক হৃদয়বিদারক স্ট্যাটাস দেন বাবা আহমেদ রাশিদ জয়। সেই স্ট্যাটাসে তিনি মেয়ের আত্মহত্যার কারণ তুলে ধরেন। মেয়ের অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু নিয়ে ফেসবুকে আবারও এক হৃদয়বিদারক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঐশীর বাবা। পাঠকদের জন্য স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘ঐশীর সমাধিতে আমি প্রতিদিন আসি। গতকালই (৩১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯) ভেবে রেখেছিলাম আজ (১ জানুয়ারি, ২০২০) খুব সকাল সকাল এসে ঐশীকেই প্রথম বলবো, 'Happy New Year Ma.'

কবরস্থানে ঢোকা মাত্রই ভেঙে পড়লাম। ২০১৯ থেকে ২০২০, মনে হল ঐশী আরো দূরে চলে গেল। কান্নাভেজা কয়েকটি ফুল আর অনেক দোয়া দিয়ে ওকে উইশ করলাম। বুকের ভিতর কেমন যেন করছিল। খুব ইচ্ছে করছিল ঐশীকে জড়িয়ে ধরে বলি, Happy New Year Ma. সেই সুযোগ আমার নেই, আল্লাহ নিয়ে গেছেন ওকে।
২০১৯ এর ১লা জানুয়ারিতেও ঐশী, দ্রাবিড় আর ওদের মা'কে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানিয়ে দিন শুরু করেছিলাম। কখনো কল্পনাও করিনি ২০২০ এর একই দিনে ঐশীকে তার সমাধিতে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাতে হবে।

জীবনে আসলে কোন কিছুই granted বা given না। এই সেদিনও আমার সদা হাস্যোজ্জল ছোট ভাই, বাংলাদেশ ব্যাংকের মিন্টু সকাল ৭টার দিকে তার স্ত্রী আর তিন সন্তান নিয়ে কি সুখেই না গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এক মুহূর্তের দুর্ঘটনায় মিন্টু তার দুই মেয়েকে নিয়ে চলে গেল না ফেরার দেশে। বেঁচে রইল তার অভাগা স্ত্রী আর ছোট ছেলে। কারো জীবনেই কোন কিছু ডেফিনিট না, গ্রান্টেড না। এটাই সত্য।

আমার আর ঐশীর মা'র আপাতত আর কোন নতুন বছর হ্যাপি অনুভূতি নিয়ে শুরু হবে না। প্রতিটি নতুন বছরেই মনে হবে ঐশী আরো দূরে চলে যাচ্ছে। অনেক দূরে। কিন্তু হয়ত বছর কুড়ি পর থেকে নতুন বছরগুলো আমার কাছে হ্যাপি মনে হতে লাগবে। তখন মনে হবে এবার আমিই আস্তে আস্তে ঐশীর কাছে এগিয়ে যাচ্ছি। এভাবে একদিন চলে যাবো, দেখবো ঐশী আমার জন্য দাঁড়িয়ে আছে। আমাকে দেখেই চিৎকার দিয়ে বলবে, "বাবা তুমি আসছো?" বলেই ও দৌঁড়ে ছুটে আসবে আমার দিকে। আমি সেই দিনটার স্বপ্ন দেখি ভীষণ রকম।

আর আমাদের ছেলে দ্রাবিড় স্বপ্ন দেখছে, "When bubu will be back then she will tell us how does the sky looks like." - মেসেজ লিখছে WhatsApp এ। দেখুক না যে যার মত স্বপ্ন।

এরমধ্যেও দ্রাবিড়ের দিকে তাকিয়ে আমাদের বেঁচে থাকা। ঘুম থেকে উঠলেই দ্রাবিড়কে জড়িয়ে ধরে বলব, 'Happy New Year Baba. May Allah bless you Drabeer.'

অনেক ইচ্ছে থাকতেও আজ ঐশীকে জড়িয়ে ধরতে পারলাম না। আপনাদের উপর আল্লাহর রহমত আছে। ধরুন না জড়িয়ে ছেলে মেয়েদের। জোরে চেপে ধরুন আর বলুন, Happy New Year! আর যাদের শুধু বাবা মা আছে, জড়িয়ে ধরো তাদের। বলো, Happy New Year! দাবি করলাম আর কি।

আর আমাদের ঐশীর জন্য অনেক অনেক দোয়া।

এর আগে, ২৬ ‍ডিসেম্বর যে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন ঐশীর বাবা আহমেদ রাশিদ জয়

‘আমাদের মেয়ে ঐশী আল্লাহর কাছে চলে যায় ১১ নভেম্বর। প্রথম কয়েক দিন কোনো হুঁশ ছিল না। কিছুই বুঝতে পারছিলাম না মেয়েটি কেন এভাবে চলে গেল? ওর স্কুলের ভিপি আমাকে লিখেছে, ‘‘I cannot tell you how shocked and saddened I am, in fact the whole school is, on hearing of the very tragic demise of the lovely girl, who was so friendly and full of life.’’ কি ভুল করলাম আমরা? মেয়েকে কি ঠিকমত আদর করি নাই? কোনো কষ্ট দিয়েছি?

স্কুলে কেউ খুব কষ্ট দিয়েছে? পরীক্ষার চাপ? সাইকিয়াট্রিস্ট ট্রিটমেন্ট চলছিল, ডিপ্রেশনের হাইডোজ ওষুধ আর ১২টা কাউন্সেলিং সেশন চলেছে, তারপরেও আত্মহত্যা করল! ওর সাইকিয়াট্রিস্টও ওইদিন আমার এক কলিগকে ফোনে বলেছে, ‘বুঝলাম না, অ্যান্টি সুইসাইডাল ওষুধ খাচ্ছিল তারপরেও এটা করলো!’ আমরা কিছুই মিলাতে পারছিলাম না।

ঐশী চলে যাওয়ার পর দিন থেকে আমাদের হারেস মামা বারবার বলছিল, ‘‘অ্যান্টি ডিপ্রেশন মেডিসিন তো সুইসাইডাল টেনডেন্সি বাড়ায়, বিশেষ করে Prozac। তোদের ডাক্তার কিছু বলে নাই?” পরে Prozac নিয়ে কিছুটা পড়লাম, দেশে-বিদেশে অনেক ডাক্তারের সঙ্গে কথা বললাম, ওষুধের রেগুলেশন আর লিফলেট পড়লাম। ঐশীর সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গেও আলাপ করলাম। তারপর ব্যাপারটা যখন বুঝলাম, ততক্ষণে পৃথিবীর কঠিনতম ভার আর কষ্ট আমাদের জেঁকে বসেছে।

আমি বিষয়টি এখানে শেয়ার করছি। কারণ, আমি চাই না আর কোনো বাবা-মা’র কপালে সারা জীবনের দুর্বিসহ কষ্ট আসুক। সবাই মনোযোগ দিয়ে পড়বেন। আর কেউ যেন ভুল না করেন। যে ভুলের মূল্য স্রেফ কয়েকটা জীবনের মূল্যের সমান। আমার জীবন দিয়েও এই ভুল শুধরাতে পারব না।

আগস্ট মাসের ২০ তারিখের দিকে ঐশী ওর মাকে বলছিল, মা আমি পড়তে চাচ্ছি কিন্তু কিছুতেই মন লাগাতে পারছি না। যা পড়ি ভুলে যাচ্ছি। ঐশী কেঁদেছিল সেদিন। ওর মা আমার সঙ্গে আলাপ করে সাইকিয়াট্রিস্ট কাউন্সেলিং নিয়ে যাবে কিনা। আমি বলি নিয়ে যাও।

২৪ আগস্ট ঐশীকে আমাদের বাবার বয়সী এক সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে নেয়া হলো। বললাম সব। সেই সাইকিয়াট্রিস্ট এবং তার অ্যাসিস্ট্যান্ট, অল্প বয়সী এক মেয়ে ডাক্তার প্রেসক্রিপশনে ঐশীর ব্যাপারে লিখলেন, “Procrastination, not focusing on anything, attention down, Memory problem.”

উনারা ঐশীকে প্রথম দিন থেকেই Prozac-20mg (anti depression) দিনে ২টা করে, Cavinton-(brain booster) ৩টা করে, Mirtaz (ঘুমের) ১টা করে ওষুধ দেয়। পরে Ritalin (Mood enhancer) দেয়।

এগুলো চলে সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখ পর্যন্ত। সঙ্গে চলে উনাদের কাছে তিন দফা কাউন্সেলিং। আমাদের ১৭ বছরের ঐশী, যে জীবনেও হাত বা তার আঙুল কাটে নাই, সেই মেয়ে সেপ্টেম্বরের ১২ তারিখে একরকম হাসতে হাসতে প্রথম সুইসাইডের চেষ্টা করে অনেকগুলো স্লিপিং পিল খেয়ে। সঙ্গে সঙ্গে অ্যাপোলো হাসপাতালের ইমার্জেন্সিতে নিয়ে গিয়ে ওকে বাঁচানো হয়, আর ওর সাইকিয়াট্রিস্টকে ফোনে জানানো হয়। তারা বললেন, সুস্থ হলে আমাদের কাছে নিয়ে আসেন।

সেপ্টেম্বরে ১৬ তারিখে ঐশীকে আবার নিয়ে গেলাম। সাইকিয়াট্রিস্ট সব ওষুধের ডোজ বাড়িয়ে দিলেন। Prozac করা হল ৩টা (৬০ মি.গ্রা.), যোগ করলেন Luraprex 40 mg ২টা (bipolar disorder and schizophrenia), সঙ্গে Cavinton ৬টা, Mirtaz ১টা, ঈন্ডেভার ৩টা আর Ritalin-২টা।

ঐশীর মা প্রায়ই টেলিফোনে ওই মেয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট ডাক্তারকে বলত, ‘‘ওকে এখনও ৩টা করে প্রোজ্যাক দিচ্ছেন, ওরতো ডিপ্রেশন লাগে না। ‘জবাব দিল, ‘‘না আছে। আমরা চেহারা দেখে বুঝতে পারি।’’

এভাবে আড়াই মাস মোট ১২ দফা কাউন্সেলিং আর এই সমস্ত হাই ডোজের ওষুধ চলার পর, নভেম্বরের ১১ তারিখে আমার ‘lovely girl, friendly and full of life’ ঐশী মা স্কুল থেকে ফিরে এসে নিজেই আল্লাহ কাছে চলে যায়। যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে আমাকে WhatsApp করে, “can you bring cherry from unimart today? Or tomorrow.”

কিছুদিন পর থেকে Prozac নিয়ে পড়া শুরু করলাম। আমেরিকার FDA, Prozac-এর ব্যাপারে WARNING: SUICIDALITY AND ANTIDEPRESSANT DRUGS: Increased risk of suicidal thinking and behavior in children, adolescents, and young adults taking antidepressants। Anyone considering the use of PROZAC or any other antidepressant in a child, adolescent, or young adult must balance this risk with the clinical need.

এটাকে ব্ল্যাক বক্স WARNING বলা হয়। এ ছাড়াও Luraprex ওষুধের লিফলেটে বলা আছে, Precautions: It can cause increase suicidal thoughts and behaviors in adolescents and young adults.

অর্থাৎ সুইসাইড warning লাগানো দুইটা ওষুধ Prozac (60mg) আর Luraprex (80 mg) হাই ডোজ চলেছে দুই মাসের ওপরে। উনারা আমাদের এই সমস্ত ওয়ার্নিং নিয়ে কিছুই বলেননি।

ঐশী চলে যাওয়ার কয়েক দিন পরে পরিবারের কয়েকজন গেলাম সেই সাইকিয়াট্রিস্ট আর তার সহকারী নারী ডাক্তারের কাছে। কথোপকথন ছিল এরকম (সংক্ষিপ্ত)-

স্যার, ঐশীকে আমরা এখানে নিয়ে আসলাম ও (ঐশী) পড়তে পারছিল না। আপনি ওকে ANTIDEPRESSANT DRUGS দিলেন কেন?

-আসলে ওর যে এটেনশন কম, ফোকাস কম, এগুলাই ডিপ্রেশনের লক্ষণ।

ঠিক আছে স্যার কিন্তু প্রোজ্যাক যে দিলেন স্যার, সেটা আগস্ট মাস থেকে খাওয়ার পর সেপ্টেম্বরে ও প্রথম সুইসাইড এটেম্পট করলো, আর প্রোজ্যাকের ব্যাপারেতো ব্ল্যাক বক্স ওয়ার্নিং দেয়া ছিল যে বাচ্চারা এই ওষুধ খেলে তাদের সুইসাইডাল চিন্তা বাড়ায়। এ ব্যাপারে আমাদেরতো কিছুই বলেননি। তারপর ওর প্রথম এটেম্পট। এরপর আপনি দিলেন ডোজ বাড়িয়ে। সাথে লুরাপ্রেক্স ও দিলেন!

-আসলে প্রোজ্যাক খুব ভালো ওষুধ, বেস্ট ANTIDEPRESSANT DRUGS ওয়ার্ল্ডের। ম্যাক্সিমাম পারমিসেবল ডোজ দিয়েছিলাম ৬০ মিগ্রা। কিন্তু পারলাম না। ৪১ বছরের মধ্যে আমার প্রথম রোগী এভাবে চলে গেল। Extremely sorry, আমি আসলে এই ব্ল্যাক বক্স ওয়ার্নিং-এর ব্যাপারে জানতাম না!

আর আপনি যে বলেছিলেন, ঐশীর এন্টি সুইসাইডাল ওষুধ চলছিল সেটা কোনটা?

-প্রোজ্যাকই তো এন্টি সুইসাইডাল। এটা সবাই জানে।

মানে? যেটার ব্যাপারে সুইসাইডাল ওয়ার্নিং দেওয়া আছে সেটা এন্টি সুইসাইডাল?

উনার কোনো জবাব নেই। ডাক্তার সাহেব এক পর্যায়ে আমাদের বোঝানের চেষ্টা করেন যে ডিপ্রেশনে থেকেই মানুষ সুইসাইড করে। যদি তাই হয়, তাহলেতো আড়াই মাস ধরে পৃথিবীর বেস্ট এন্টি ডিপ্রেসেন্ট ওষুধের ম্যাক্সিমাম ডোজ চলার পর ঐশীর তো খুব ভালো মেজাজে থাকার কথা।

এরপর আসলে আর কোনো কথা থাকে না। কিছুক্ষণ পরে আমরা কাঁদতে কাঁদতে ডাক্তারের ওখান থেকে চলে আসলাম। আসার সময় চিৎকার করে বললাম, কিছুই পড়েন না, কোনো খোঁজখবর রাখেন না। পারবেন আমার মেয়েকে ফেরত দিতে?

দুই দিন পরে আমি গুলশানে ওষুধের দোকানে গিয়ে প্রোজ্যাকের লিফলেট নিয়ে আসলাম দেখার জন্য, সেখানে আসলে কী লেখা আছে। এগুলো লেখা-

Prozac is not for use In children and adolescents under 18.

WARNING & PRECAUTIONS: Thoughts of su***de and worsening of your depression or anxiety disorder. Patients under 18 have an increased risk of side effects such as su***de attempt, suicidal thoughts and hostility (predominantly aggression, oppositional behaviour and anger) when they take this class of medicines. Information from clinical trials has shown an increased risk of suicidal behaviour in adults aged less than 25 years with psychiatric conditions who were treated with an antidepressant.

Use in children and adolescents aged 8 to 18 years with depression:

Treatment should be started and be supervised by a specialist. The starting dose is 10 mg/day. After 1 to 2 weeks, your doctor may increase the dose to 20 mg/day. The dose should be increased carefully to ensure that you receive the lowest effective dose.

ঐশীর প্রোজ্যাক-এর ডোজ শুরু করে প্রথম দিন থেকেই তাও আবার ৪০ মি.গ্রা। পরে বাড়িয়ে করে ৬০ মি.গ্রা। কোথায় পেলেন ডাক্তার সাহেব বাচ্চাদের ক্ষেত্রে ম্যাক্সিমাম পারমিসেবল ডোজ ৬০ মি.গ্রা? ওষুধ কোম্পানি বলছে সর্বোচ্চ ২০ মি.গ্রা।

অর্থাৎ ডাক্তার সাহেব আর তার অ্যাসিস্ট্যান্ট যেই ওষুধ প্রতিনিয়ত শত শত রোগীদের দেন তার লিফলেট পড়েন না? এটাকি সম্ভব? আমার স্রেফ মনে হল হাতুড়ে দুই ডাক্তার শিক্ষিতের বেশে ঢাকায় বসে চিকিৎসা দিচ্ছে আর কারিকারি হারাম টাকা কামাচ্ছে।

আর আমিও আমার মেয়ে চলে যাওয়ার পর সব পড়ে ফেললাম! যখন ওষধ চলছিল কিছুই পড়ি নাই। শুধু ডাক্তারের ওপর বিশ্বাস করেছিলাম। আমার এই ভুলের এত চড়া মূল্য দিতে হবে কখনো কল্পনাও করিনি।

পরে আমরা এই প্রেসক্রিপশন দেশে বিদেশে অনেক ডাক্তারকে দেখিয়েছি। বিদেশে সাইকিয়াট্রিস্ককে দেখিয়েছি। তাদের অনেকেই বলেছেন এটা আসলে medicine induced su***de. কেউ অবাক হয়েছেন বাচ্চাকে কীভাবে প্রোজ্যাক দেয়! কেউ ডোজ নিয়ে বলেছেন-দিনে ৩টা করে প্রোজ্যাক কীভাবে দিল? কোরিয়ান এক ডাক্তার আমার বন্ধুকে বলেছে, একটা ছোট বাচ্চাকে এক বয়স্ক বদ্ধ পাগলের ওষধ দিয়েছে! লন্ডন থেকে এক ডাক্তার বলেছে, এটা জাস্ট পলি মেডিসিন ম্যাল্প্র্যাক্টিস।

মেয়েটা আড়াই মাস ধরে বয়স্ক বদ্ধ পাগলের হাই ডোজের ওষুধ খেয়ে না জানি কতটা কষ্ট পেয়েছে। কিছু বলেনিও তার বাবা মাকে। এভাবে মেয়েটি চলে গেল না ফেরার দেশে। সন্তানহারা আমরা এখন শুধু দোয়া চাই ওর জন্য, আর চাই যেন আর কোনো বাচ্চার ঐশীর মত অবস্থা না হয়। এতেই মনে হয় ঐশীর আত্মা খুশি হবে।

আপনাদের কাছে আমাদের অনুরোধ, কোনো বাচ্চাকে ANTIDEPRESSANT DRUGS শুরু করার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করবেন, এই ওষুধ কেন দিচ্ছেন? এটা না খেলে কী হবে? খেলে কি সাইড এফেক্ট হবে? কতদিন খাবে? আর অবশ্যই অবশ্যই ওষধের লিফলেট পড়বেন। এই ভুল আর কেউ করবেন না প্লিজ। ওষুধের লিফলেট পড়তে কিন্তু ২-৩ মিনিটের বেশি লাগে না। আসলে যেকোনো ওষুধেরই লিফলেট পড়বেন।

আমি প্রতিদিন সকালে ঐশীর কবরে যাই। ওর জন্য দোয়া করি মন থেকে। আমার খুব ভারি কান্নায় আল্লাহ কাছে বিচার চাই। আর ঐশীকেও বলি, তোর অনেক স্বপ্ন ছিল মা। বিদেশে পড়তে যাবি। ডে-কেয়ার সেন্টার দিবি। তোর বাবাকে ক্ষমা করে দিস মা, একজন ডাক্তারকে বেশি বিশ্বাস করেছিল। বাবা একদম বুঝে নাইরে মা। একদিন আবার দেখা হবে আমাদের চারজনের। ততদিন ভালো থাকিস মা।

ঐশী আত্মহত্যা করেনি।’

বাণিজ্য মেলায় ভোক্তাকে প্রতারিত করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা২৫তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অ...
04/01/2020

বাণিজ্য মেলায় ভোক্তাকে প্রতারিত করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা
২৫তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের স্টল দেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত অধিদপ্তরের দুই টিম সার্বক্ষণিক কাজ করছে।

কোনো প্রতিষ্ঠান নকল পণ্য বিক্রি ও অতিরিক্ত দাম রাখলে অভিযোগ করে এর প্রতিকার পাবেন গ্রাহকেরা। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের স্টলে অভিযোগ করলেই এ প্রতিকার পাওয়া যাবে।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের গবেষণাগারের পরীক্ষক রিয়াদুল ইসলাম জানান, নকল পণ্য, দাম বেশি রাখাসহ গ্রাহক প্রতারিত হলে এ স্টলে অভিযোগ করতে পারবেন। অভিযোগ প্রমাণিত করলেই পাবেন তাৎক্ষণিক প্রতিকার। মেলায় আমাদের দুইটি টিম কাজ করছে। যেকোনো গ্রাহক অভিযোগ করলে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেবো।

মালিককন্যার গায়েহলুদে মেতেছেন দেড় হাজার পোশাককর্মীগার্মেন্ট কর্মীদের গায়ে অভিন্ন পোশাক। নারী কর্মীরা হলুদ রঙে বর্ণিল। মা...
04/01/2020

মালিককন্যার গায়েহলুদে মেতেছেন দেড় হাজার পোশাককর্মী
গার্মেন্ট কর্মীদের গায়ে অভিন্ন পোশাক। নারী কর্মীরা হলুদ রঙে বর্ণিল। মাথার খোপায় শোভা পাচ্ছে ফুল। পুরুষ কর্মীদের গায়েও অভিন্ন রঙের পোশাক। হাতেগোনা কিছু কর্মীর নয়। বরং একটি পোশাক কারখানার প্রায় দেড় হাজার শ্রমিকের অভিন্ন পোশাক। এটি কোনো পারিবারিক প্রোগ্রাম নয়, একটি গার্মেন্টের মালিকের কন্যার বিয়ের গায়েহলুদের এমন আয়োজন। গায়েহলুদে শ্রমিকদের দেওয়া স্বর্ণের গহনা পরানো হয়েছে মালিকের কন্যার গলায়।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের নাসিরাবাদ শিল্প এলাকার ইন্ডিপেন্ডেন্ট গার্মেন্টে এ গায়েহলুদের আয়োজন করা হয়।

মালিকের মেয়ের গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে নেচে গেয়ে উৎসবে মেতেছেন শ্রমিকরা। গায়েহলুদ অনুষ্ঠানে শুধু পোশাকে নয়, খাবারেও ছিল আভিজাত্য। মোরগ পোলাও, ডিম কারি, কোপ্তা, বোরহানি, জর্দা বাদ যায়নি কিছু। এদিন, মালিক-শ্রমিক সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করেছে ইন্ডিপেনডেন্ট গার্মেন্ট।
গায়েহলুদ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে চারদিকে যেন ছড়িয়ে পড়েছিল উচ্ছ্বাস। গার্মেন্ট কন্যারা সবাই ‘হলুদ বাটো, মেন্দি বাটো’, ‘লীলাবালি লীলাবালি…সাজাইবো তোরে’ গানের তালে তালে যেভাবে সুন্দর করে নাচছিলেন, যে কেউ হয়তো বলবে তাদের কোনো সখী অথবা বোনের বিয়ে হচ্ছে।

র‌্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ১০ জুয়াড়ি আটক।।গত ০২/০১/২০২০ তারিখ আনুমানিক ২০০০ ঘটিকার সময় র...
04/01/2020

র‌্যাব-১০ এর বিশেষ অভিযানে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ১০ জুয়াড়ি আটক।।
গত ০২/০১/২০২০ তারিখ আনুমানিক ২০০০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১০, সিপিসি-৩ এর কোম্পানি কমান্ডার মেজর মোহাম্মদ আনিসুজ্জামান এর নেতৃত্বে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে ১০ জন জুয়াড়িকে আটক করেন। আটককৃত ব্যক্তিদের নাম ১। বাবুল (২৭), পিতা-মৃত আফসার খান, ২) মোঃ অমিত হাসান (২০), ৩) মোঃ সুমন (২২), ৪) মোঃ জসিম শেখ (২৮), ৫) মোঃ শাহাব্দ্দুীন (৩৫), ৬) মোঃ পায়েল (২৮), ৭) সাইদুল্লাহ (৩৫), ৮) নুর আলম (৩৫), ৯) মোঃ শাহকামাল (৩২), ১০) মোঃ কিবরিয়া (২৭), বলে জানা যায়। এসময় তাদের নিকট থেকে ০১ টি টেলিভিশন, নগদ ১৫,৬৫০/- টাকা, ০৯ টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

আটককৃত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ডিএমপি ঢাকার মোহাম্মদপুর থানায় সোপার্দ করা হয়েছে।

দু'পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমার কার্যক্রম শেষ করবে, প্রত্যাশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরনিয়মনীতির মধ্যে থেকে বিদেশি মেহমানদের ভ...
04/01/2020

দু'পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমার কার্যক্রম শেষ করবে, প্রত্যাশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
নিয়মনীতির মধ্যে থেকে বিদেশি মেহমানদের ভিসা দেওয়া হবে এবং দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমার কার্যক্রম শেষ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার বিকেলে গাজীপুরের টঙ্গীর বিশ্ব ইজতেমা ময়দানে ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমার সার্বিক ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম অবহিতকরণ ও আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভায় তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সভাপতিত্বে এ মতবিনিময় সভা অুনষ্ঠিত হয়।

সভায় গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম তরিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ধর্ম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ সিনিয়র সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, পুলিশের মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ, গাজীপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার মো: আনোয়ার হোসেন, গাজীপুরের পুলিশ সুপার শামসুন্নাহার। এ ছাড়াও সভায় বিশ্ব ইজতেমার দুই পর্বের পাঁচজন করে দশজন শীর্ষ মুরুব্বিসহ বিভিন্ন বিভাগের দায়িত্বশীল কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরও বলেছেন, নিয়মনীতির মধ্যে থেকে বিদেশি মেহমানদের ভিসা দেওয়াসহ ইজতেমার দুই পর্ব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ার আশা প্রকাশ করেন।
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, ইজতেমার বিবদমান দুই গ্রুপের কোন বিরোধমূলক মন্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। দুই পক্ষই শান্তিপূর্ণভাবে ইজতেমার কার্যক্রম শেষ করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

র‌্যাবের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার পাশাপাশি মুসল্লিদের যাতায়াতের জন্য শাটল যানবাহনের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীর মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।

এদিকে, সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও মুসল্লিদের সুবিধার্থে পুলিশ ও র‌্যাবের পক্ষ থেকে আলাদা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ খোলা হয়েছে। নিরাপত্তায় থাকছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ১৬ হাজার সদস্য। র‌্যাব ও পুলিশের মোট ২৪টি ওয়াচ টাওয়ার স্থাপনসহ নেয়া হয়েছে ৫ স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা।

সমাপনী পরীক্ষার রেজাল্টের জন্য আত্মহত্যা কেন?বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। নিউজে দেখলাম, পঞ্চম শ্রেণি, অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পর...
04/01/2020

সমাপনী পরীক্ষার রেজাল্টের জন্য আত্মহত্যা কেন?
বিষয়টা সত্যিই দুঃখজনক। নিউজে দেখলাম, পঞ্চম শ্রেণি, অষ্টম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষার রেজাল্টের খবর শুনে কয়েকজন পরীক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।

জিপিএ-৫ না পেলে কিংবা অকৃতকার্য হলে যে আত্মহত্যাও করা যায়, এই কনসেপ্ট এই বাচ্চাদের মাথায় কিভাবে ঢুকেছে সেটাই বুঝতে পারছি না।

পঞ্চম কিংবা অষ্টম শ্রেণির রেজাল্ট দিয়ে কি এমন আসে যায়? এই রেজাল্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য মানদণ্ড ধরা হয় না। চাকরি পেতেও সামান্য কোন সহায়তা করবে না। তাহলে এতো দুশ্চিন্তা কেন এই পরীক্ষার ফলাফলের জন্য?
তবে পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করা উচিত। ছোট ছোট বাচ্চাদের উপর আপনাদের অহেতুক প্রত্যাশার পাহাড় চাপিয়ে দেবেন না। পরীক্ষার চাপে এমনিতেই শৈশব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এখন ফলাফলের জন্য যদি জীবনটাই চলে যায়, তাহলে সেটা অপূরণীয় ক্ষতি।

বাচ্চারা যদি অকৃতকার্য হয় কিংবা জিপিএ-৫ না পায়, তাদের বকাবকি, মারধর করা থেকে বিরত থাকুন। অন্যের সঙ্গে তুলনা করবেন না। ভবিষ্যতে ভালো করার জন্য উৎসাহ দিন এবং এই ফলাফল যে পুরোপুরি গুরুত্বহীন, সেটা বুঝতে সাহায্য করুন।

লেখক: উপ-পরিচালক, বাংলাদেশ ব্যাংক।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

হাতিরঝিলে 'মানব কুকুর' বানানোর সেই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশহাতিরঝিলের পূর্বানুমতি বা কোনরকম অবহিতকরণ ব্যতিরেকেই বাংলাদেশের সংস্ক...
02/01/2020

হাতিরঝিলে 'মানব কুকুর' বানানোর সেই ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ
হাতিরঝিলের পূর্বানুমতি বা কোনরকম অবহিতকরণ ব্যতিরেকেই বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিরোধী এ ধরনের পারফর্মেন্স আর্ট প্রদর্শন করায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন টুটুল চৌধুরী ও আফসানা হাসান সেঁজুতি। সোমবার ফেসবুক পেজে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অফিস এ তথ্য জানিয়েছে। পরবর্তীতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না বলেও সেঁজুতি ও টুটুল মৌখিক ও লিখিতভাবে জানিয়েছেন।

02/01/2020
02/01/2020
02/01/2020

সান বাংলা ফেইসবুক পেইজে সবাইকে স্বাগত, বেশি বেশি লাইক কমেন্ট ও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন নতুন নতুন বন্ধুদের মাঝে, এবং সংযুক্ত হোন সান বাংলা ফেইসবুক পেইজে।

02/01/2020

News video-2020

Address

Kamalapur
Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sunbangla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sunbangla:

Share