কবিতা 02

কবিতা 02 সবাই ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন

03/06/2025

আপনি যদি একজন প্রকৃত মানুষ হন, তাহলে এই দৃশ্য আপনার বিবেককে নাড়িয়ে দেবে।
গাজার মায়েরা মাটি থেকে ময়দা কুড়িয়ে অনাহারী সন্তানদের খাওয়াচ্ছেন।
মানবতা আজ কোথায়?"

--

"If you are truly a human being, this scene will shake your conscience.
Mothers in Gaza are picking flour from the ground to feed their starving children.
Where is humanity today?"

21/05/2025

ফোনের চার্জ শেষ মানে আজকাল জীবনের চার্জ শেষ!
চ্যাটও নেই, কলও নেই, শুধু আমি আর আমার রেফ্রিজারেটর।

21/05/2025

আমার ঘুম ভেঙেছে সকাল ৭টায়,
তবে বিছানা ছেড়েছি দুপুর ১২টায়।
– এটাই আত্ম-নিয়ন্ত্রণ, নিজেকে নিজে সময় দেওয়া!

21/05/2025

পুরুষ মানুষ

পুরুষ মানুষ কাঁদে না,
এই কথাটুকু মুখে মুখে ফেরে,
তবু তার চোখে জমে ওঠা ক্লান্তি,
নিরবে বালিশ ভিজিয়ে ফেরে।

সে দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে থাকে,
ভাঙে না, দুলে না, কাঁপে না কিছুতেই,
অভিযোগের পাল্লায় সে যতই ভারি হোক,
সে জবাব দেয় না, চুপ থাকে নিজেই।

তারো তো স্বপ্ন ছিল—ছোট্ট, নিঃশব্দ কিছু,
ভালোবেসে হাত ধরা, একটুখানি ছুঁয়ে থাকা,
কিন্তু তার স্বপ্ন গুলোও পরে যায় দায়িত্বের পেছনে,
অসংখ্য বোঝার নিচে চাপা পড়ে থাকা।

সে মেলে না হাত, সে চায় না কিছু,
শুধু ভেতরে জমে ওঠে ক্ষয়,
জানালার পাশে দাঁড়িয়ে চুপচাপ,
সে ভাবে—“এই তো জীবন, এই তো সত্য রয়।”

পুরুষ মানুষ—লোকে ভাবে পাথর,
তবু ভিতরে সে নরম তুলোর মতোই,
ভাঙে সে, জোড়ে ধরে নিজেকে,
শুধু কেউ দেখে না, কেউ জানে না, কেউ কাঁদে না তার জন্যই।

কবিতা 02

21/05/2025

“আমি শুধু মেয়ে বলে...”

মা বলেছিল, “তুই আসবি আমার আলো হয়ে”,
তবু চারপাশ ফিসফিস করেছিল—“আহা, আরেকটা মেয়ে তো হয়েছে!”

ছোট্ট আমি হাঁটতাম বাবার আঙুল ধরে,
আর রাস্তায় লোকেরা বলত—“মেয়ে তো, সাবধানে রাখবেন ওরে।”
খেলনা পছন্দ হতো গাড়ি, বই, রঙের ঝিলিক,
তবু হাতে ধরিয়ে দিত চুল বাঁধার লালচে ক্লিপ।

স্কুলে যখন বলতাম—আমি ডাক্তার হব,
হাসি পেত কারও কারও—“মেয়ে হয়ে এত বড় স্বপ্ন কেন ভাবিস তব?”
ক্লাসের সেরা হয়েও শুনতাম, “ভালো জামাই জুটবে”,
যেন স্বপ্ন মানেই সংসারের চৌকাঠে থেমে যাবে!

তরুণী হতেই আমার শরীর হলো বিচারসভা,
চোখের চাহনিতে হয়ে গেলাম অপরাধী, বিনা দোষে দোষী পাথর-ছোড়া সভা।
রাস্তা, বাস, বাজার—সবখানে আতঙ্কের ছায়া,
আমি খালি ভয় পাই না, আমি প্রতিদিন মরতে মরতে বাঁচা মেয়ে—ছায়া।

বিয়েতে বলেছিলাম—আমি একটু গড়তে চাই নিজেকে,
জবাব এলো—“স্বামীর পেছনে থাকাই মেয়ের বড় কাজ, জানিস না বোকা মেয়ে কি রে?”
ঘুম ভাঙে সন্তানের কান্নায়, ঘুম আসে না ক্লান্তিতে,
তবু বলে—“তুই তো সারাদিন ঘরেই থাকিস, কষ্টটা কোথায় তোর জীবনে?”

জীবনের প্রতিটা ধাপে আমাকে প্রমাণ করতে হয়—
আমি ভালো, আমি নির্দোষ, আমি ‘যোগ্য’—এই পবিত্র যুদ্ধে ক্ষয়ে যাই ক্ষয়।
আমি শুধু মেয়ে বলেই, আমার ইচ্ছে দোষ, আমার নীরবতা দোষ, আমার সাহস পাপ,
তবু আমি প্রতিদিন দাঁড়াই, গর্জে উঠি—আবার ভোর হয়, আবার জীবন খাপ।

কবিতা 02

21/05/2025

“ওরা তো মানুষ ছিল”

রাস্তার ধারে কাঁথা জড়ানো শরীর,
শীত কি কাঁপায়, না অনাহারে তনু নিঃসাড়?
পাশ দিয়ে হেঁটে যায় দামি জুতা-পরা পা,
কেউ থামে না, কেউ জিজ্ঞেস করে না—“খাচ্ছেন, মা?”

ছেলেটার চোখে খেলা নেই, কালি শুধু,
স্কুলের বই নয়, হাতে ইট, পাথর, গামলা কটু।
বয়স তার হয়তো সাত কিংবা আট,
তবু মাথায় বোঝা, স্বপ্ন নাই, দিনরাত।

ভিক্ষে করা বৃদ্ধের হাতটা কাঁপে,
চোখে তার না-ফেলা কান্না জমে আছে চাপে।
একটা কয়েনের আশায় সে তাকিয়ে থাকে,
আমরা ফিরি মুখ—ব্যস্ত আমাদের “নিউজফিড” দেখা থাকে।

দোষ কাকে দেবো? সরকার, সমাজ, না নিজেকে?
আমরাও তো দেখি, জেনেও চুপ থাকি নিষ্ক্রিয় ভীড়ে ঢেকে।
মনে হয়—ওরা “অন্য কেউ”, ওরা আলাদা জাত,
ভুলে যাই, একদিন আমরাও হতে পারি সেই রাস্তাঘাট।

ওরাও তো মানুষ ছিল, স্বপ্ন ছিল চোখে,
আমরা কেড়ে নিয়েছি সব—নির্বাক থেকে, কপট ঢেকে।
ভালোবাসা কি শুধুই স্ট্যাটাসে পোস্ট?
না কি কারও ঠান্ডা রাত কাঁথা দিয়ে ঢেকে দেওয়াটাও এক ধরণের কষ্ট?

কবিতা 02

20/05/2025

“বাবার জুতা জোড়া”

বারান্দার কোণে পড়ে আছে জুতা জোড়া,
বাবার অফিস যাওয়ার, কেমন যেন থেমে পড়া।
ধুলোর আস্তর, তবুও চেনা গন্ধ,
মনে হয় বাবা এখনই ডাকবেন – “এই যে, সন্ধ্যাবন্ধ!”

সেই ঘড়িটা, সেই কলম, সেই পুরনো ব্যাগ,
সবই তো আছে, শুধু নেই বাবার ধ্বনি-সুরের রাগ।
ছোটবেলায় যার আঙুল ধরে হাঁটতাম,
আজ সেই হাত খুঁজি, যখন চোখ ভিজে যাই চুপচাপ।

"বাবা, তোমার ক্লান্ত মুখটা, এখন বড় আপন লাগে,
তোমার ধমকেও আজ মনে হয় ভালোবাসার ছায়া মেখে আছে।
তুমি তো চুপ করে সব সহে যেতে,
আমরা বুঝিনি, কত কষ্ট চেপে রেখেছিলে বুকে!”

একজোড়া জুতা, যেন একজোড়া গল্প,
যেখানে আছে ত্যাগ, ভালোবাসা, নীরব সল্প।
বাবা তো বলে যেত না, শুধু করে যেত কাজ,
আজ বুঝি, একজন ‘বাবা’ মানে—একটা ছায়া, একটা সাজ।

কবিতা 02

20/05/2025

“মায়ের শেষ চিঠি”

চুপচাপ বসে আছি, দুপুর গড়িয়ে যায়,
টেবিলের কোণে এখনো মায়ের চিঠিখানা ছায়।
হাতের লেখা কাঁপা, কাগজটা পুরনো,
তবু প্রতিটি শব্দ যেন বলে, “আমি আছি তো!”

“বাবা, খেয়ো ঠিক করে, রাতে দেরি করিস না,
পেট ভরে না খেলেই তো লাগে ঘরটা শূন্যতা।
জামাটা শুকিয়ে গেছি, শীতে একটু সাবধানে,
তুই কাঁপলে আমার বুকটা তো কাঁপে আনমনে।”

“কারও কথা শুনে কেঁদে ফেলিস না,
তোর চোখের জল আমার ঘুম কেড়ে নেয় না।
ভালো থাকিস রে, মা তো থাকবেই পাশে,
চোখ বন্ধ করলেই দেখবি, আমি আছি নিঃশ্বাসে।”

শব্দগুলো দোলে, গাল বেয়ে নামে জল,
একটি চিঠি—তবু মায়ের ভালোবাসা অতল।
থাকে না মানুষ, থেকে যায় কথা,
মায়ের সেই চিঠি আজও দেয় মাথায় হাতটা।

কবিতা 02

25/03/2025

Gaza Palestine 🇵🇸

24/03/2025

যারা খেলাধুলা নাচগান নিয়ে ব্যস্ত থাকেন,
তারা যেন এই ভিডিও খানা দেখেন,
প্রকৃত খেলা কারা খেলে দেখুন‌।

Address

Dhaka
1100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কবিতা 02 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category