Md Sazibul Huda

Md Sazibul Huda সত্য প্রকাশে অবিচল।
(39)

চমৎকার সংস্কার করে গেলো তারা!!
26/02/2026

চমৎকার সংস্কার করে গেলো তারা!!

মুসলিম লীগ নেতা ও একাত্তরের রা'জা'কা'র মহিবুল হাসানের কন্যা রিজওয়ানা হাসানের আমলনামা!!

যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই ও আজারবাইজান: সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানার ১২ হাজার কোটি টাকা পাচারের চাঞ্চল্যকর তথ্য!

পরিবেশ রক্ষার স্লোগান, আইনি লড়াইয়ের খ্যাতি এবং সুশীল সমাজের আইকন—এই সবকিছুই কি তবে ছিল ক্ষমতা দখলের সিঁড়ি এবং মহাদুর্নীতির একটি নিখুঁত 'ক্যামোফ্লেজ' বা ছদ্মবেশ? সদ্য বিদায়ি ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) জমা পড়া অভিযোগগুলো বিশ্লেষণ করলে এমন ভয়ংকর সমীকরণই সামনে আসে। শুধু রিজওয়ানা হাসানই নন, বিদায়ি সরকারের দায়িত্ব ছাড়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই পুরো মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে দুদকে রেকর্ডসংখ্যক দুর্নীতির অভিযোগ জমা পড়েছে।

দীর্ঘ অনুসন্ধান এবং দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যগুলো কেবল সাধারণ দুর্নীতির গল্প নয়; বরং এটি রাষ্ট্রযন্ত্র, কূটনৈতিক প্রটোকল এবং পুরনো রাজনৈতিক সিন্ডিকেটকে ব্যবহার করে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা পাচারের এক সুপরিকল্পিত 'ক্রস-বর্ডার মানি লন্ডারিং' বা আন্তঃদেশীয় অর্থ পাচারের ব্লু-প্রিন্ট।

এই অনুসন্ধানের সবচেয়ে চমকপ্রদ এবং গা শিউরে ওঠা দিকটি হলো—বিগত স্বৈরাচারী সরকারের সুবিধাভোগীদের সঙ্গে নতুন সংস্কারকদের গোপন অর্থনৈতিক আঁতাত। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর যখন বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের মন্ত্রী-এমপিদের দুর্নীতির বিচার চাওয়া হচ্ছিল, তখন নেপথ্যে চলছিল অন্য খেলা। দুদকে জমা পড়া অভিযোগ থেকে জানা যায়, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী অত্যন্ত গোপনে সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদের প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের 'কাস্টোডিয়ান' বা পাহারাদার হিসেবে কাজ শুরু করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এটি প্রমাণ করে যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলেও দুর্নীতিবাজ অভিজাত শ্রেণির (Elites) মধ্যে অর্থের বিনিময়ে একটি অদৃশ্য সমঝোতা থাকে। অভিযোগ রয়েছে, এই চুক্তির অংশ হিসেবেই নসরুল হামিদের ওই সম্পদ বিক্রি করে দেওয়া হয় এবং নিরাপদ রুট ব্যবহার করে ৪ হাজার কোটি টাকা যুক্তরাষ্ট্রে পাচার করা হয়।

তিন দেশে অর্থ পাচারের ভৌগোলিক বিস্তৃতি
রিজওয়ানা হাসানের অর্থ পাচারের রুট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, তিনি অত্যন্ত সুচিন্তিতভাবে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন দেশের ইকোনমিক জোনকে বেছে নিয়েছেন:

১. যুক্তরাষ্ট্র (মেগা লন্ডারিং): নসরুল হামিদের সম্পদের ৪ হাজার কোটি টাকার পাশাপাশি, রিজওয়ানা হাসান নিজের ক্ষমতা ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রে আরও প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা পাচার করেছেন। হুন্ডি, ওভার-ইনভয়েসিং এবং শেল কোম্পানির (ভুয়া কোম্পানি) মাধ্যমে এই বিপুল পরিমাণ ডলার পাচার করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রতীয়মান।
২. দুবাই (পারিবারিক নেটওয়ার্ক): অর্থ পাচারের অন্যতম নিরাপদ স্বর্গরাজ্য দুবাইকে তিনি ব্যবহার করেছেন তার আপন বোনের মাধ্যমে। বোনের নামে রাতারাতি খোলা বিশাল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দেশ থেকে প্রায় ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকা পাচার করে বিনিয়োগ করা হয়েছে। পারিবারিক সদস্যকে ব্যবহার করা মানি লন্ডারিংয়ের একটি ক্লাসিক মেথড, যাতে নিজের নাম সরাসরি সামনে না আসে।
৩. আজারবাইজান (কূটনৈতিক প্রটোকলের অপব্যবহার): দুর্নীতির ইতিহাসে সবচেয়ে অভিনব ঘটনাটি ঘটে ২০২৪ সালের নভেম্বরে। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে (COP29) তিনি যান বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের নেতা হিসেবে। রাষ্ট্রীয় খরচে এবং ভিআইপি প্রটোকল নিয়ে তিনি জলবায়ু রক্ষার কথা বলতে গিয়ে বাস্তবে নিজের আখের গুছিয়েছেন। কূটনৈতিক সুবিধার (Diplomatic immunity) আড়ালে তিনি বাকুতে একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং সেখানে থাকা তার আত্মীয়-স্বজনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবৈধভাবে ৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেন।

পরিবেশ রক্ষার নামে 'শ্যাডো স্টেট' ও ১০০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ:
দুদকে জমা পড়া আটটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের মধ্যে একটি হলো—পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ[2]। ইসিএ (Ecologically Critical Area) ব্যবস্থাপনা এবং জলবায়ু তহবিলের বিভিন্ন মেগা প্রকল্পের বাজেটকে সুকৌশলে ওভার-ইনভয়েসিং (অতিরিক্ত ব্যয় দেখানো) ও ভুয়া বিল-ভাউচারের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, 'পরিবেশ রক্ষা'র আইনি ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীদের জমি অবৈধভাবে দখলের যে অভিযোগ উঠেছে, তা প্রমাণ করে ক্ষমতা হাতে পেয়ে তিনি রীতিমতো একটি 'শ্যাডো স্টেট' বা ছায়ামুক্তারিতে পরিণত হয়েছিলেন।

সিস্টেমিক লুটপাট: কাঠগড়ায় পুরো মন্ত্রিসভা
দুদকের তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান একাই নন, পুরো অন্তর্বর্তী সরকারই যেন দুর্নীতির এক মহোৎসবে মেতেছিল:

ড. মুহাম্মদ ইউনূস: খোদ সাবেক সরকারপ্রধানের বিরুদ্ধে গ্রামীণ টেলিকম ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যবস্থাপনা, আয়কর ফাঁকি, ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উঠেছে[1]।

আসিফ নজরুল: সাবেক আইন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে ১৮ মাসে টাকার বিনিময়ে বহু জামিন বাণিজ্য (যার মধ্যে গায়ক তাপসের জামিন অন্যতম), বিচারক পদায়নে অনিয়ম এবং সাব-রেজিস্ট্রার বদলি বাণিজ্যের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছে।

আসিফ মাহমুদ: সাবেক যুব ও শ্রম উপদেষ্টার বিরুদ্ধে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ, ঘুষ গ্রহণ এবং 'বিটকয়েন' (ক্রিপ্টোকারেন্সি) ব্যবহারের মাধ্যমে বিদেশে প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ উঠেছে।

অন্যান্য উপদেষ্টা: সাবেক জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের বিরুদ্ধে সামিট গ্রুপসহ বেসরকারি বিদ্যুৎ কোম্পানির সঙ্গে আর্থিক অনিয়ম, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের বিরুদ্ধে টেন্ডার জালিয়াতি ও কেনাকাটায় অনিয়ম এবং তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের বিরুদ্ধে টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স প্রদানে বড় অঙ্কের দুর্নীতির অভিযোগ পুরো সরকারের নৈতিক স্খলনের চিত্রই তুলে ধরে।

এই নজিরবিহীন দুর্নীতির বিষয়ে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, "কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নন। প্রাথমিক দুর্নীতির তথ্য পাওয়া গেলে এবং তা আমলযোগ্য হলে অবশ্যই স্বাধীন তদন্ত হতে হবে। অভিযোগের সত্যতা পেলে দৃষ্টান্তমূলক জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। তবে একইসঙ্গে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।"

তার এই বক্তব্যের বিশ্লেষণাত্মক অর্থ হলো, 'অধিকারকর্মী' বা 'সুশীল সমাজ' থেকে আসা ব্যক্তিরা যখন রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পান, তখন তাদের ওপর নজরদারির কোনো বিকল্প ব্যবস্থা (Checks and balances) ছিল না। এই কাঠামোগত দুর্বলতার সুযোগ নিয়েই তারা দুর্নীতি করেছেন।

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের বিরুদ্ধে ওঠা এই ১২ হাজার কোটি টাকার মানি লন্ডারিং ও দুর্নীতির অভিযোগ বাংলাদেশের ইতিহাসে আস্থার সবচেয়ে বড় সংকট তৈরি করেছে। যারা রাষ্ট্র মেরামতের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন, তারাই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দিয়েছেন। দুদক বর্তমানে এই শত শত অভিযোগের প্রাথমিক যাচাই-বাছাই করছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই বিশাল অঙ্কের পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনা এবং এই 'সাদা কলার' (White-collar) অপরাধীদের আন্তর্জাতিক আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করাই এখন নতুন বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

25/02/2026

কথাগুলো যৌক্তিক...

25/02/2026

নির্বাচনে হেরে গিয়ে বহুরূপী হাবিব মসজিদের ভিতরে যা বললেন!!
゚viralシfypシ゚viralシ

একযুগ আগের আমি!
25/02/2026

একযুগ আগের আমি!

23/02/2026

খেলাটা অসাধারণ ছিল!!
゚viralシfypシ゚viralシ

27/01/2026

ইনসাফ ইনসাফ, ডিম থেরাপি ডিম থেরাপি। নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারীকে ডিম দিয়ে আপ্যায়ন!
゚viralシfypシ゚viralシ

ফ্যামিলি কার্ড রাজনীতি: বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা ২০২৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সর...
26/01/2026

ফ্যামিলি কার্ড রাজনীতি: বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা

২০২৩ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন শেখ হাসিনা সরকার ১ কোটি পরিবারের মধ্যে ‘স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের উদ্যোগ নেয়। কর্মসূচিটি নিখুঁত—এমন দাবি কেউই করে না। কিন্তু এটুকু মানতেই হয়, এটি রাষ্ট্রের ভেতরে থাকা একটি বাস্তব উদ্যোগ—যার বাজেট আছে, ফাইল ছিল, অফিস ছিল, এমনকি জবাবদিহির ঝামেলাও ছিল। ঠিক এই ‘ঝামেলাগুলো’ এড়িয়ে গিয়ে বিএনপি সম্প্রতি ঘোষণা দিয়েছে—তারা ক্ষমতায় এলে ৫০ লক্ষ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেবে। ঘোষণাটি শুনে মনে পড়ে যায়, নির্বাচনের মৌসুম এলেই আমাদের রাজনীতিতে কল্পনার ডানা কীভাবে হঠাৎ গজিয়ে ওঠে। এ বিষয়টি নিয়েই আজকের বিশ্লেষণ...

★সংখ্যার বেলুন ও বাস্তবতার পিন:

৫০ লক্ষ—সংখ্যাটা মন্দ নয়। গোল, ঝকঝকে, মঞ্চে বলার জন্য একদম পারফেক্ট। কিন্তু এই বেলুনে একটু বাস্তবতার পিন ছোঁয়ালেই যা হয়, সেটাই বিএনপির প্রতিশ্রুতির দশা। কারা এই ৫০ লক্ষ? কীভাবে নির্বাচন হবে? কোন তালিকা ধরে? কোন ডেটাবেসে?—এসব প্রশ্নের উত্তর নেই। মনে হয়, ক্ষমতায় এলেই হঠাৎ করে ৫০ লক্ষ পরিবার রাষ্ট্রের আকাশ থেকে ঝরে পড়বে। এটি নীতিনির্ধারণ নয়, এটি রাজনৈতিক কল্পবিজ্ঞান।

★স্মার্ট কার্ড, না স্মার্ট বক্তব্য?:

আওয়ামী লীগ সরকারের ফ্যামিলি কার্ড অন্তত ‘স্মার্ট’ শব্দটির ভার বইছে—ডিজিটাল শনাক্তকরণ, এনআইডি সংযোগ, সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয়। মাঠপর্যায়ে সমস্যাও আছে, তবু কাঠামো আছে। আর বিএনপির কার্ড? সেটি এখনো বক্তব্যেই আটকে আছে—কাগজে নেই, সার্ভারে নেই, এমনকি ধারণাপত্রেও নেই। মনে হয়, এটি এমন এক কার্ড, যা শুধু মাইকে ধরলেই দেখা যায়।

★টাকার প্রশ্নে অলৌকিক নীরবতা:

রাষ্ট্র চালাতে গেলে একটি বিরক্তিকর প্রশ্ন বারবার ফিরে আসে—টাকা আসবে কোথা থেকে? সরকারের কর্মসূচিতে অন্তত বাজেট বক্তৃতায় এই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। বিএনপির ৫০ লক্ষ পরিবারের কার্ডে অর্থ আসবে কোথা থেকে—এই প্রশ্নটি কৌশলে এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। হয়তো ধরে নেওয়া হয়েছে, ক্ষমতায় গেলে অর্থ নিজেই হাজির হবে। রাজনীতিতে বিশ্বাস থাকতে পারে, কিন্তু অর্থনীতিতে অলৌকিকতার ওপর ভরসা চলে না।

★পুরোনো অভ্যাস, নতুন স্লোগান:

বিএনপির এই ঘোষণা আসলে নতুন কিছু নয়। এটি সেই পুরোনো অভ্যাসেরই আপডেটেড ভার্সন—ক্ষমতার বাইরে থাকলে প্রতিশ্রুতির বন্যা, ক্ষমতার ভেতরে থাকলে বাস্তবতার খরা। যে দল অতীতে সামাজিক নিরাপত্তাকে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দিতে পারেনি, তাদের কাছ থেকে আজ এমন ফ্যামিলি কার্ডের গল্প শোনা রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্রের মতোই লাগে।

সবশেষে বলতে চাই, ফ্যামিলি কার্ড দরিদ্র মানুষের জন্য কোনো নির্বাচনী খেলনা নয়। এটি রাষ্ট্রীয় নীতি, যার সঙ্গে জড়িয়ে আছে অর্থ, প্রশাসন ও দায়বদ্ধতা। তাই পরিকল্পনাহীন, বাজেটহীন, কাঠামোহীন ৫০ লক্ষ পরিবারের প্রতিশ্রুতি সামাজিক দায় নয়—এটি নির্বাচনী মৌসুমে ওড়ানো আরেকটি সংখ্যার বেলুন মাত্র। প্রশ্ন হলো, ভোটের দিন শেষে সেই বেলুনে কি আদৌ বাতাস থাকবে, নাকি আগের মতোই হাওয়া হয়ে যাবে?

゚viralシfypシ゚viralシ

শুভ জন্মদিন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রতিভূ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর অভিভাবক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উবায়দুল মোকতাদির চৌধুর...
20/01/2026

শুভ জন্মদিন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতির প্রতিভূ, ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসীর অভিভাবক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি, মাননীয় গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী।

17/01/2026

সাবাশ!
゚viralシfypシ゚viralシ

বিএনপিতে ফিরিয়ে নেওয়া হলো জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে একরামুজ্জামানকে! ゚viralシfypシ゚viralシ
13/01/2026

বিএনপিতে ফিরিয়ে নেওয়া হলো জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য এ কে একরামুজ্জামানকে!
゚viralシfypシ゚viralシ

12/01/2026

বহুরূপী মৌলভী।

12/01/2026

এ বক্তব্যের মাধ্যমে প্রতীয়মান হলো, বিএনপি-জামায়াত প্রকৃত অর্থেই নারী বিদ্বেষী, অশিক্ষিত ও পশ্চাৎপদমুখী।
゚viralシfypシ゚viralシ

Address

Dhaka
1209

Telephone

+8801785926943

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Sazibul Huda posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Sazibul Huda:

Shortcuts

Share