We Revolt

We Revolt মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্

21/06/2026

নেতা কল দিয়া বলে আওয়ামীলীগ মিসিল করবে তাদের প্রতিহত করতে হবে!!
উত্তরে কর্মী ও বলে দিছে বাড়ি গাড়ি আপনি করছেন আপনি যাইয়া প্রতিহত করেন।

18/06/2026
07/05/2026

২০১৫ সালের এক অস্থির সময়ে, কিছু তরুণ গড়ে তুলেছিল একটি অনলাইন সংগঠন। তাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পক্ষে সত্য তুলে ধরা এবং ক্ষমতাসীন ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকা।

তখন সময়টা সহজ ছিল না।
ফেসবুকে একটি পোস্ট দিলেও মামলা, রাতের অন্ধকারে তুলে নেওয়া, কিংবা পরিবারের ওপর চাপ—সবই ছিল নিত্যদিনের ঘটনা। তবুও সংগঠনটির সদস্যরা ভয়কে উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল।
কিন্তু ২০১৮ সালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে।

চারদিকে গ্রেফতার, গুম, হামলা আর নির্যাতনের খবর। সেই সময় সংগঠনের কয়েকজন নেতা হঠাৎ করেই পদত্যাগ করেন। কেউ বললেন,
— “বিএনপি আর কোনোদিন ক্ষমতায় আসবে না।”
কেউ নিজেদের নিরাপদ রাখতে সংগঠনের সাথে সব সম্পর্ক অস্বীকার করলেন।

তারপর তারা নিজেদের কর্মজীবন ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পড়লেন।
সংগঠনটির একজন সমন্বয়ক ছিলেন খুব আলোচিত। তাকে ফ্যাসিস্ট সরকারের পেটোয়া বাহিনী গ্রেফতার করে। নির্যাতনের পর তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। বিদেশে গিয়ে তিনি উল্টো সংগঠনের কার্যক্রম বন্ধ করার হুমকি দিতে থাকেন। শুধু তাই নয়, বিভিন্ন সময়ে দলের হাইকমান্ড নেতৃত্বের বিরুদ্ধেও লিখালিখি করেন। এমনকি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ব্যঙ্গ করে “পাউন্ড তারেক রহমান” বলেও সম্বোধন করতেন।

কিন্তু গল্পের আসল শক্তি ছিল অন্য জায়গায়।
যারা থেকে গিয়েছিল, তারা ছিল নীরব যোদ্ধা।
মামলা, জেল, নির্যাতন, চাকরি হারানোর ভয়—সবকিছু সহ্য করেও তারা অনলাইনে লড়াই চালিয়ে গিয়েছিল। কেউ রাত জেগে পোস্ট করেছে, কেউ গোপনে ভিডিও বানিয়েছে, কেউ আবার নিজের পরিচয় লুকিয়ে সরকারের অপকর্ম তুলে ধরেছে।
সময় বদলাতে শুরু করল।

একদিন শেখ হাসিনার পতন হলো।
দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পাল্টে গেল।
আর তখনই ফিরে আসতে শুরু করল সেই পুরোনো লোকগুলো।

যারা একসময় বলেছিল “এই দল আর উঠতে পারবে না”, তারাই এখন নিজেদের সবচেয়ে বড় ত্যাগী কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে লাগল।

যারা ভয় পেয়ে পালিয়ে গিয়েছিল, তারাই এখন সুযোগ-সুবিধার প্রথম সারিতে দাঁড়িয়ে গেল।
আর যারা অন্ধকার সময়ে লড়াই করেছিল, তারা অনেকেই রয়ে গেল নীরবে, আড়ালে।
এই গল্প শুধু একটি সংগঠনের নয়।

এটি সময়ের গল্প।
কারণ দুর্দিনে যারা পাশে থাকে, তারাই প্রকৃত সহযোদ্ধা। আর সুসময় এলে ফিরে আসা মানুষের অভাব কোনোদিনই হয় না।


°মহান জাতীয় সংসদে° আন্দোলন-সংগ্রামে Zia Cyber Force ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের অবদান তুলে ধরার জন্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফ...
03/05/2026

°মহান জাতীয় সংসদে° আন্দোলন-সংগ্রামে Zia Cyber Force ও অনলাইন এক্টিভিস্টদের অবদান তুলে ধরার জন্য বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্যারের প্রতি জিয়া সাইবার ফোর্স-এর পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ।
আপনার এই স্বীকৃতি আমাদের সকল সাইবার যোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করবে এবং ভবিষ্যতের পথচলায় আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যেতে শক্তি যোগাবে।
✿༺༻✿
আমরা শক্তি
আমরা সোর্স
আমরা জিয়া সাইবার ফোর্স
✿༺༻✿


01/04/2026

আগামী ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর অনলাইনভিত্তিক অন্যতম সংগঠন জিয়া সাইবার ফোর্স-এর কেন্দ্রীয় ক...

11/03/2026

zia cyber force এর প্রথম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি মহাসচিব মাননীয় মন্ত্রী জনাব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর____

21/01/2026

গনতন্ত্রের আপোষহীন দেশনেত্রী
বাংলাদেশের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী
দেশ মাতা মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া কে আল্লাহ তায়ালা বেহেশত নসিব করুন। আমিন

লিখাটি ২০২৩ সালের। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক গভীর বেদনাবিধুর অধ্যায় ৩০ শে ডিসেম্বর ২০২৫। আপসহীন নেতৃত্ব, দৃঢ়চেতা ...
03/01/2026

লিখাটি ২০২৩ সালের। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক গভীর বেদনাবিধুর অধ্যায় ৩০ শে ডিসেম্বর ২০২৫। আপসহীন নেতৃত্ব, দৃঢ়চেতা সাহস আর দেশপ্রেমের অনন্য প্রতীক—গণতন্ত্রের দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ ৪২ বছর তিনি রাজনীতি করেছেন শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, জনগণের অধিকার, ভোটের মর্যাদা ও স্বাধীন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে।
এই দীর্ঘ পথচলায় তিনি কখনো আপস করেননি স্বৈরাচারের সঙ্গে, কখনো মাথা নত করেননি অন্যায়ের কাছে। কারাবরণ, নির্যাতন, অসুস্থতা—সবকিছুকে উপেক্ষা করে তিনি বারবার প্রমাণ করেছেন, একজন সত্যিকারের নেতা কেমন হওয়া উচিত। তাই তো তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন—তিনি এ দেশের কোটি মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক, এক জননীসম।

আজ আমাদের কাছে তাঁকে না পাওয়া—এই ভাবনাই হৃদয়কে ভারাক্রান্ত করে। দেশমাতার মতো যিনি আগলে রেখেছিলেন গণতন্ত্রের পতাকাকে, তাঁকে স্মরণ করলেই চোখ ভিজে আসে। তবু এটাই বাস্তবতা, এটাই সৃষ্টির নিয়ম—একদিন সবাইকেই যেতে হয়। এই সত্য মেনে নেওয়া কঠিন হলেও অনিবার্য।

কিন্তু ইতিহাস কাউকে ভুলে না। বেগম খালেদা জিয়া তাঁর ত্যাগ, সাহস ও আপসহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের পাতায়, মানুষের হৃদয়ে।

স্বামী রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে সক্রিয় হন বিএনপ....

জাইমা রহমান, জাফিয়া রহমান এবং জাহিয়া রহমান। দাদা-দাদির কবরের পাশে।
02/01/2026

জাইমা রহমান, জাফিয়া রহমান এবং জাহিয়া রহমান।
দাদা-দাদির কবরের পাশে।

Address

Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when We Revolt posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to We Revolt:

Shortcuts

Share

Category