31/08/2026
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, সত্যি করে বলবে? শেষ কবে তুমি মনোযোগ দিয়ে পড়তে বসেছো?
যদি তুমি মধ্যবিত্ত ঘরের সন্তান হও, দুপুরবেলা ক্লাসের পর গোসল শেষে খাবার খেয়ে তুমি অন্যের ছেলে মানুষ করতে যাও। অন্যের সন্তানদের মানুষ করার মহান দায়িত্ব শেষ হতে রাত ৯ টা থেকে ১০ টা বেজে যায়। এরপর তোমার নিস্তব্ধ শরীর ফেসবুক ইউটিউবের স্ক্রলে ডুব দেয়। একপর্যায়ে তোমার স্ক্রলে বিরক্ত লাগে, তখন ঘুমিয়ে পড়ো।
পরদিন সকালে সেই বোরিং লেকচার শোনতে যেতে হয়, যে লেকচারের সিলেবাস বানানো হয়েছিল ২০ বছর আগে। তোমার সম্মানিত শিক্ষকগণ কখনো চিন্তা করার প্রয়োজন মনে করেন না, এই সিলেবাস আদৌ তোমার মুখে ভাত ও অসুস্থ পিতা-মাতার ঔষধ কিনে দিতে পারবে কিনা। তোমার শিক্ষকগণ তোমাকে হল, খাবার ও ক্লাসরুম কিছুই দিতে পারেনা। একটা বিষয় কিন্তু দিতে পারে। সেটা কী জানো? নাম্বার কম দিতে পারে। নাম্বার বেশি দিলে তুমি যদি আবার কোথাও স্কলারশিপ পেয়ে যাও। সমস্যা না? তুমি মিডটার্মে ৬ নাম্বার পেলে ৫ নাম্বার দিয়ে থাকে, কখনো ৭ দেয় না। ইনজাস্টিস হয়ে যাবে।
অনার্স মাস্টার্সে ৬০ মাসে ৬০ লক্ষ টাকারও উর্ধ্বে বেতন নেওয়ার পরে তোমার শিক্ষকরা তোমাকে ৬০০০ টাকার বেতন পাওয়ার নিশ্চয়তা এনে দিতে পারে না। পাঁচ বছর কী যথেষ্ট নয় উপার্জনে সক্ষম করে তোলার জন্য? পড়াশোনা শেষ করে তোমাকে আবারও হাজার দুশ্চিন্তা, দুর্দশা ও অনিশ্চয়তা নিয়ে চাকরির পড়া পড়তে হয়। মামা-চাচা আছে তো চাকরির সুপারিশ করার জন্য?