Palash Bin Azad

Palash Bin Azad Happiness & Wellness Influencer

29/03/2026

শরীর আর মনের কানেকশন টা আসলে কোথায় ?? কিভাবে নিয়ন্ত্রিত হচ্ছেন আপনি?
মানুষের কথা কিভাবে আপনাকে শেষ করে দিচ্ছে ? কিভাবে হবেন আত্মবিশ্বাসী ---- জানতে হলে পুরো ভিডিওটি দেখুন, ইনশাল্লাহ উপকৃত হবেন।

28/03/2026

গত বছর হজ্বের মৌসুমে রাসূল (সঃ) এর রওজার সামনে থেকে আল্লাহর নবীকে ভালোবেসে গাওয়ার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা...... দোয়া চাই।

Palash Bin Azad

মক্কা ক্লক টাওয়ারের উপর থেকে প্রাণের কাবা এর ছবি - আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহু আকবারPalash Bin Azad
28/03/2026

মক্কা ক্লক টাওয়ারের উপর থেকে প্রাণের কাবা এর ছবি - আলহামদুলিল্লাহ।

আল্লাহু আকবার

Palash Bin Azad

আপনাদের মনে আছে, একবার কারওয়ান বাজারের দিকে এক আপুর মাথায় উপর থেকে ইট পড়ে তিনি মারা গিয়েছিলেন.?? আপনাদের মনে আছে, একবার ...
25/03/2026

আপনাদের মনে আছে, একবার কারওয়ান বাজারের দিকে এক আপুর মাথায় উপর থেকে ইট পড়ে তিনি মারা গিয়েছিলেন.??

আপনাদের মনে আছে, একবার উত্তরায় বিআরটি প্রকল্পের ব্রীজের উপরের যে স্লাব বসায় সেটা ক্রেন উল্টে গিয়ে প্রাইভেট কারের উপর পড়ে চাপে পিষ্ট হয়ে একই পরিবারের ৫ জন মারা গিয়েছিলো?

আপনাদের মনে আছে, একবার মেট্রোরেলের বিয়ারিং এর মতো একটা কালো ম্যাগনেট পরে এক ভাই মারা গিয়েছিলো?

আপনাদের মনে আছে, একটা ক্যামেরাম্যান ছেলের থেকে ক্যামেরার ব্যাগ ছিনতাই করতে গিয়ে ওর গলা কেটে দিয়েছিলো পরে ঢাকা মেডিকেলে মারা গেছে?

আপনাদের কি মনে আছে, বরিশালের নথুল্লাবাদে ট্রাকের চাপায় পিষ্ট হয়ে স্বামীর সামনে স্ত্রী আর সম্ভবত সন্তান মারা গিয়েছিলো??

এমন মনে করার অসংখ্য ঘটনা আছে, যেদিন থেকে এগুলো বোঝা শুরু করেছি সেদিন নিশ্চিত ধরে রেখেছি ঘরে কিংবা বাইরে যেকোনো দিন যেকোনো সময় মৃত্যু হাজির হবে, প্রস্তুতি নিতে হবে।

আসলে দোষ কারোর ই না আবার দোষী আমরা সবাই, সুযোগ পেলেও হেয়ালিপনা আর গাফেলতিতে মৃত্যুর ফাঁদ তৈরি করে রাখছি নিজেরাই।

মূর্খ জনসংখ্যা, দূর্নীতিগ্রস্থ রাষ্ট্র ব্যবস্থা আর পাপের ভার আমাদের উপর আল্লাহর তরফ থেকে গজব নিয়ে এসেছে যার বলি হচ্ছে প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষজন।

আজকে বাস পানিতে পড়ে যাওয়া আর মানুষের অস্বাভাবিক এই মৃত্যু কিভাবে সহ্য করবেন??
সবাই ই ভূলে যাবে ৪-৫ দিন চলবে শোকের মাতাম এরপর এই সাইকো জাতি যারা সারাদিন ফেসবুক আর রিলসে ডুবে থাকে মনুষ্যত্ব আর মানবিকতাকে বিসর্জন দিয়ে তারা নতুন ট্রেন্ডে গা ভাসাবে আর রাষ্ট্রের মন্ত্রীরা বলবে এগুলো ২-৪ টা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দিন, হেফাজত করুন দোয়া করি। ভালো থাকুন।

Palash Bin Azad

সুখ, সমৃদ্ধি আর সম্প্রতির বন্ধনে কাটুক আগামীর  দিনগুলো.... Eid Mubarak 🕌Palash Bin Azad
20/03/2026

সুখ, সমৃদ্ধি আর সম্প্রতির বন্ধনে কাটুক আগামীর দিনগুলো.... Eid Mubarak 🕌

Palash Bin Azad

14/03/2026

নিজের বলা কথার কারণেই আপনার আজকে এই অবস্থা

রঙ্গিন এই পৃথিবী ছাড়িতে হইবে      সাধের এই দেহ মাটিতে খাইবে।।।              শূন্য হবে জিন্দেগানীকার লাগিয়া এতো মায়া, এতো...
14/03/2026

রঙ্গিন এই পৃথিবী ছাড়িতে হইবে
সাধের এই দেহ মাটিতে খাইবে।।।
শূন্য হবে জিন্দেগানী
কার লাগিয়া এতো মায়া, এতো চোখের পানি রে মন.....
কার লাগিয়া এতো মায়া এতো চোখের পানি ? 🥹

সন্ধ্যা হলে ডুবিবে বেলা
সাঙ্গ হবে ভবেরই মেলা।।
কেউ বা দিবে আখেরী গোসল।।
কেউ বা আনবে আতরদানি.......
কার লাগিয়া এতো মায়া, এতো চোখের পানি রে মন...
কার লাগিয়া এতো মায়া, এতো চোখের পানি ?

06/03/2026

পূর্ণিমা রাতে হাটতে হাটতে সামান্য গাওয়ার চেস্টা....
ভূলত্রুটি ক্ষমা করবেন।

Palash Bin Azad 🥰

26/02/2026

আজ আরেকটা সিক্রেট বলি। দুআ কবুলের সিক্রেট। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ একবার এক শহরে গেলেন। সেখানে যেতে যেতে রাত হয়ে যায়। তিনি একটা মসজিদে শুয়ে পড়লেন। কিন্তু মসজিদের দারোয়ান এসে ইমামকে না চিনে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে। কিন্তু ইমাম অনুরোধ করলেন রাতটা কাটাতে দেয়ার। সে শুনল না। এমনকি ইমাম আহমাদকে টেনেহিঁচড়ে মসজিদ থেকে বের করে মসজিদে তালা লাগিয়ে দিলো। অগত্যা তিনি এক রুটির দোকানে গিয়ে দোকান মালিকের কাছে অনুমতি চেয়ে সেখানে শুয়ে পড়লেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল হঠাৎ খেয়াল করলেন রুটিওয়ালা প্রত্যেকটা রুটি বেলে হাতে থাবা দিয়ে তন্দুরে লাগাতে লাগাতে বলছে: আস্তাগফিরুল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ!

ইমাম অবাক হলেন। যদিও তিনি এই হাদিস জানেনই যে ইস্তিগফার পড়লে শুধু গুনাহ মাফ হয় তা না। ছোটবড় যাবতীয় দুআও কবুল হয়। তাই তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমাকে দেখলাম অনেক ইস্তিগফার পড়ছো। ভাই! তুমি কি তোমার অত্যাধিক ইস্তিগফারের ফসল পেয়েছো?

রুটিওয়ালা খুবই সাধারণ ভঙ্গিতেই উত্তর দিলো: হ্যাঁ জনাব! আমি যত দুআ করেছি এই পর্যন্ত সব দুআই আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। শুধু একটা দুআ এখনো বাকী।

ইমাম জানতে চাইলেন: কী সেই দুআ?

এরপর রুটিওয়ালা যা বলল তা পড়ে আমি আম্মারুল হক বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছি 'আল্লাহু আকবার' বলে। রুটিওয়ালা কী বললেন জানেন? সে বলল: সেই দুআটা হলো: ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে যেন আল্লাহ পাক আমার এই দুই চোখ দিয়ে দেখায়।

ইয়া সুবহান! আল্লাহু আকবার! ইমাম বললেন: আমিই আহমাদ ইবনে হাম্বল।

আল্লাহ তায়ালা তার এক রুটিওয়ালা বান্দার ইস্তিগফারের পুরষ্কার দিয়ে তার দুআ কবুল করাতে কি আয়োজনটাই না করলেন! ইমাম আহমাদকে সেই শহরে এনে মসজিদ থেকে দারোয়ানকে দিয়ে বের করিয়ে রুটিওয়ালার দোকানে এনে শোয়ালেন। চিন্তা করা যায়!

এজন্যই তো হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

مَن لَزِمَ الاستغفارَ ، جعل اللهُ له من كلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا ، ومن كلِّ هَمٍّ فَرَجًا، ورَزَقَهُ من حيثُ لا يَحْتَسِبُ

যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে আবশ্যিক করে নেবে আল্লাহ তায়ালা তাকে সমস্ত পেরেশানী থেকে উদ্ধার করবেন। সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে শান্তি দেবেন। এমন জায়গা থেকে রিযিক দিবেন যা সে ধারণাও করে না।

[আবু দাউদ ১৫১৮]

এবার বলুন কার কী চাওয়ার আছে আল্লাহর কাছে। ইস্তিগফার করবেন না?

আম্মারুল হক্ব

18/02/2026

পলাশ বিন আজাদের উপলব্ধি -০১

🎯 অর্থের অভাব বা দরিদ্রতা মানুষকে ঈমান হারানোর দিকে অগ্রসর করে।

18/02/2026

আহলান সাহলান
মাহে রমজান

04/07/2025

এই সমাজের একটা বড় অংশ নারীবাদী-সেক্যুলার মানসিকতায় বড় হয়েছে যার ফলে নারীদের সম্পর্কে তাদের কয়েকটি ব্যাসিক ধারণা মস্তিষ্কে ঢুকে গিয়েছে।
সেকুদের দ্বারা ব্রেইন ওয়াশের ফলে তারা মনে করে-

১. নারীরা নিজ ইচ্ছায় পর্দা করে না- বাবা/ভাই/স্বামী পর্দা করতে তাদের জোর করে।

২. মেয়েরা বিয়ের পর বা বিয়ের আগেও উচ্চ শিক্ষা অর্জন করতে চায়। স্বামী তাদেরকে জোর করে বিয়ের পর একাডেমিক জেনারেল পড়াশোনা থেকে দূরে রাখে।

৩. মেয়েরা চাকরি করতে চায়, উপার্জন করতে চায় কিন্তু স্বামীরা তাদেরকে জোর করে ঘরে বসিয়ে রাখে।

তাদের ধারণা কোনো মেয়ের নিজ ইচ্ছা থেকে পড়াশোনা ও চাকরির প্রতি অনিহা সৃষ্টি হতে পারে না। কোনো নারী নিজ ইচ্ছায় পর্দা করতে পারে না।

কিন্তু বর্তমান সমাজের একটা বড় অংশের নারীদের কাছে পর্দা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ যে ঐ নারীর পর্দা এক মূহূর্তের জন্যও ছুটে যাওয়া মানে কেউ তার কলিজা টান দিয়ে ছিঁড়ে ফেলছে এমন অনুভূতি।

অসংখ্য মেয়ে আছে যাদের পড়াশোনা একদমই ভালো লাগে না। বাবা মা এর চাপে পড়ে জোর করে পড়াশোনা করে। বিয়ের পর তারা স্বস্তি পায় এই ভেবে যে এখন আর পড়াশোনা নেই।

এছাড়া দ্বীনে ফেরা অনেক নারী নিজ ইচ্ছায় মাঝপথে উচ্চ শিক্ষার পথ ছেঁড়ে দিয়েছে কিন্তু পরিবারের ক্রমাগত চাপ তাকে সহ্য করতে হয়েছে এমন অনেক উদাহরণ দেখা গিয়েছে।

চাকরি করা বা উপার্জন করা তো খুব আনন্দের বিষয় নয়। এমন তো নয় চাকরি করলে খুব মজা লাগে। ছেলেদের জন্যই এটা একটি মানসিক ও শারীরিক পীড়া। এছাড়া বেকারত্বের হার এই দেশে অনেক, চাইলেও কাজ পাওয়া যায় না। যার ফলে মানসিক কষ্ট বাড়ে কয়েকগুণ। পাশাপাশি একটি মেয়েকে ঘর সামলাতে হয়, সন্তান লালন পালন করতে হবে। বাহির ঘর মিলে একটি মেয়ে কাজ করা মানে তার ওপর দিয়ে যে কি যায় ঐটা ঐ মেয়ে ছাড়া কেউ বুঝে না। এখন এই কষ্টের জগৎকে সব নারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে গ্রহণ করবে এটা ভাবা কি যৌক্তিক কিছু? বরং অধিকাংশ নারীই চায় সে একজন গৃহিণী হোক। সে একজন মা হোক। এটাই অধিকাংশ মেয়েদের চাওয়া। কিন্তু সেকু স্বামী , সেকু বাবা-মা দের চাপ থাকে ঐ নারী যেন চাকরি করে। কারণ তার টাকায় তারা খেতে পারবে এই আর কি!

উপরোক্ত ৩ টি ব্যাপারে উল্টো চিত্র দেখা যায়।

• নারীরা পর্দা করতে চাইলে পরিবার, আত্মীয় স্বজন থেকে বেশিরভাগ সময়ই বাধা আসে। তাকে জোর করা হয় যেন পর্দা না করে।

• মেয়েরা পড়াশোনা করতে না চাইলে পরিবার আত্মীয় স্বজনের চাপ থাকে পড়াশোনা করতেই হবে। এ+ পেতেই হবে। পাবলিকে চান্স পেতেই হবে ব্লা ব্লা ব্লা...

• মেয়েরা চাকরি করতে না চাইলে সমাজের এক অদৃশ্য চাপ তারা অনুভব করে। সেকু স্বামী অসম্মান করে। স্বামীর পরিবার ছোট চোখে দেখে। সমাজ তাকে অসফল বলে। বাবা মা অনেক সময় আশায় থাকে মেয়ের উপার্জনের টাকা খাবে ইত্যাদি ইত্যাদি। সুতরাং চাকরির ক্ষেত্রে মেয়েদের চাপ দেওয়া হয় জোর করা হয়।

সমাজের এই চিত্রটা আমাদের মস্তিষ্কে না আসার কারণ সেকুদের মত আমরা ন্যারেটিভ বিল্ডাপ করতে পারি নি। তারা বছরের পর বছর, যুগের পর যুগ যেভাবে আমাদের ব্রেইন ওয়াশ করে এসেছে। এই মানসিকতা পরিবর্তন করতে অনেক বেশি পজিটিভ স্টেপ প্রয়োজন। নারীদেরই উচিত নারীদের এই ব্যাপার গুলো নিয়ে বেশি বেশি আলোচনা করা।

- Tamjid Hossain Chowdhury

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Palash Bin Azad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Palash Bin Azad:

Shortcuts

Share