Fleecebd

Call Directions Website Contact the business

Fleecebd Muslimah learning platform

19/05/2026

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা (মেয়েদের জন্য)

১। আপনি যদি যথেষ্ট সচেতন না হন, তাহলে বেশিরভাগ মানুষ আপনাকে ঠকানোর চেষ্টা করবে। সেটা হতে পারে বাজার করার ক্ষেত্রে খারাপ ফলটা আপনাকে দিলো, ১০০ টাকার জিনিস আপনাকে ২০০ টাকায় বিক্রি করবে। তাই কোনো কিছু কেনার আগে অনলাইনে প্রাইস জেনে এরপর যাবেন। আর অফলাইনে কয়েকটা জায়গায় দাম যাচাই করে কিনবেন।

২। আপনার ভাই, আত্মীয়রা আপনাকে সম্পত্তির ক্ষেত্রে ঠকাবে। তাই বাবা এবং হাজবেন্ড বেঁচে থাকতে থাকতেই সম্পত্তির হিসাবনিকাশ বুঝে নিবেন। অন্তত কোথায় কী আছে এবং কীভাবে নিজের অধিকার আদায় করা যাবে সেটা জেনে রাখবেন।

৩। নিজের টাকার হিসাব নিজে রাখুন। বাবার কাছ থেকে হোক, হাজবেন্ডের কাছ থেকে হোক— টাকা কোথায় যাচ্ছে সেটা জানুন। "আমি অংকে কাঁচা" এই অজুহাত দিয়ে নিজের financial awareness বন্ধ রাখাটা একটা dangerous habit।

৪। Social media-তে সবাই perfect life শো করে। তাই অন্যের relationship, beauty বা lifestyle দেখে নিজের লাইফকে ছোট ভাববেন না। Camera roll আর বাস্তব জীবন এক না।

৫। নিজের হাজবেন্ডকে কখনোই অন্য কারো সাথে কম্পেয়ার করবেন না। যখন থেকে এই কাজটা শুরু করবেন, ধরে নিবেন আপনাকে সে আর ঠিক ১০০/১০০ তে ভালোবাসে না।

৬। সব সিক্রেট বেস্ট ফ্রেন্ড, মা-বোনকে বলতে যাবেন না। মানুষ চেঞ্জ হয়, সিচুয়েশন চেঞ্জ হয়। এই সিক্রেট হতে পারে নিজের ম্যারিটাল লাইফের পার্সোনাল বিষয়।

৭। কাউকে নিজের খোলামেলা ছবি পাঠাবেন না। সেটা আপনার বয়ফ্রেন্ড, হাজবেন্ড, বেস্ট ফ্রেন্ড কাউকে না। কেউ "একবার দেখেই ডিলিট করে দিবে" না। কোনো বিবাহিত পুরুষের সাথে ইটিশ পিটিশ করার চেষ্টা করবেন না। এতে আপনাদের দুইজনের লাইফই হেল হবে। আর কেউ এমনটা করার ধান্ধা করলে তাকে শুরুতেই ব্লক করবেন। সম্ভব হলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে কালপ্রিটকে চিনিয়ে দিবেন। আমি মনে করি এদের সোশ্যাল শেমিং এর দরকার আছে।

৮। বিয়ের সময় ছেলের কাছ থেকে unrealistic expectations রাখবেন না। সেটা দেনমোহর, বিয়ের পরবর্তী খরচ, বাড়ি-গাড়ি, টাইম, ইত্যাদি সব ব্যাপারে। আপনার বাবার যেই জিনিস করতে ৫০ বছর লাগছে, আপনি কীভাবে সেই জিনিস ২৫-৩০ বছরের একটা ছেলের থেকে এক্সপেক্ট করেন?

-collected

অনেক মানুষ সম্পর্ক ভাঙে না। তারা শুধু দায়িত্ব নেওয়া বন্ধ করে দেয়।মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Emotional Responsibility Avoidan...
01/03/2026

অনেক মানুষ সম্পর্ক ভাঙে না। তারা শুধু দায়িত্ব নেওয়া বন্ধ করে দেয়।

মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Emotional Responsibility Avoidance। যখন কেউ নিজের অনুভূতি, সিদ্ধান্ত বা আচরণের প্রভাব স্বীকার করতে চায় না, তার ব্রেইন দায় এড়ানোকেই নিরাপদ পথ হিসেবে ধরে নেয়। ফলে তার ভেতরে এই বিশ্বাসটা ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে -
“আমি দায়ী নই, পরিস্থিতিই এমন ছিল।”

গবেষণায় দেখা যায়, যারা নিজের কাজের প্রভাব মেনে নিতে পারে না, তাদের ব্রেইনে externalization bias শক্তিশালী হয়। দোষ বাইরে ঠেলে দিলে, নিজেকে নির্দোষ রাখা সহজ হয়ে যায়।
এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় Blame-Shifting Reinforcement।
এই ধরনের ক্ষতি খুব নীরবে হয়। এখানে চিৎকার নেই।
এখানে অশ্রু নেই। এখানে বিদায়ের দৃশ্যও নেই। আছে শুধু -
ভুলের দায় না নেওয়া। আছে “তুমিই বেশি ভাবছো” বলা।
আছে অনুভূতিকে তুচ্ছ করে দেওয়া।

Neuroscience বলে,
যখন মানুষ বারবার নিজের দায় অস্বীকার করে, তার ব্রেইন শেখে দায় না নেওয়াই মানসিক নিরাপত্তা। এই জায়গায় কাজ করে Self-Justification Mechanism। নিজেকে ভালো মানুষ ভাবার জন্য সে বলে - “আমি ইচ্ছা করে কিছু করিনি।” “আমি এমন মানুষ না।” “সবকিছু আমার উপর চাপিয়ে দিচ্ছো।”

ফলাফল কী হয়?
প্রথমবার ভুল ঢাকতে অস্বস্তি হয়। দ্বিতীয়বার ব্যাখ্যা তৈরি হয়।
তৃতীয়বার আর অনুশোচনা থাকে না। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Moral Evasion Pattern। এখানে মানুষ ধীরে ধীরে নিজের নৈতিক দায়বদ্ধতা ঝরিয়ে ফেলে। সম্পর্ক ভাঙতে সবসময় প্রতারণা লাগে না। অনেক সময় শুধু দায়িত্ব না নিলেই যথেষ্ট।

এজন্য এমন মানুষ প্রায়ই বলে -“আমি তো কিছু করিনি।”
কিন্তু Psychology বলে কিছু না করাটাই ছিল সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত। আমাদের চারপাশে এমন অনেক মানুষ আছে, যারা কাউকে আঘাত না দেওয়ার ভান করে, কিন্তু সবচেয়ে গভীর ক্ষত রেখে যায়।

আপনার জীবনে কি এমন কেউ আছে?

– Move On

28/12/2025

কিছু ছেলে দেশের জন্য জীবন দিয়ে দেয় আর কিছু ছেলে অন্য মেয়েদের পাল্লায় সুখের সংসার নষ্ট করে বউকে ডিভোর্স দেয়।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fleecebd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fleecebd:

Shortcuts

Share