Update 24

Update 24 Redefining news in the digital era. We don't just share facts; we shape perspectives.

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা তার জন্মস্থান যশোরের বিজয়নগরে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন।...
18/07/2026

আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অভিনেত্রী ববিতা তার জন্মস্থান যশোরের বিজয়নগরে একটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। সম্প্রতি তিনি নিজের দাদাবাড়িতে গিয়ে মসজিদের জমি চূড়ান্ত করে এসেছেন।

মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে ববিতা বলেন, "বহুদিন ধরেই নিজের গ্রামের মানুষের জন্য একটি স্থায়ী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ইচ্ছা লালন করে আসছি। চার-পাঁচ বছর ধরে এই স্বপ্নটা দেখছি। একদিন সবাইকে পৃথিবী ছেড়ে চলে যেতে হবে, তাই চলে যাওয়ার আগে একটি ভালো কাজ করে যেতে চাই।"

তিনি জানান, খুব শিগগিরই মসজিদের নকশা তৈরি করে নির্মাণকাজ শুরু করা হবে।

আমাদের চারপাশে এমন কত মানুষ ঘুরে বেড়ায়, যারা বাইরে অসম্ভব শক্ত কিন্তু ভেতরে প্রতিনিয়ত এক একটা যুদ্ধ হেরে যায়। ডেমরা পুলি...
18/07/2026

আমাদের চারপাশে এমন কত মানুষ ঘুরে বেড়ায়, যারা বাইরে অসম্ভব শক্ত কিন্তু ভেতরে প্রতিনিয়ত এক একটা যুদ্ধ হেরে যায়। ডেমরা পুলিশ লাইনের তরুণ কনস্টেবল সাইদুল ইসলামও ছিলেন তেমনই একজন ‘যোদ্ধা’। স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের যন্ত্রণা সইতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নেওয়া এই তরুণ মৃত্যুর ঠিক কয়েক ঘণ্টা আগে ফেসবুকে লিখে গেছেন এক নির্মম বাস্তবতার কথা।

যারা মনে কষ্ট চেপে রেখে রোজ সকালে হাসিমুখে বর্ম পরে বাইরে বের হন, সাইদুলের এই কথাগুলো যেন তাদেরই ভেতরের লুকানো হাহাকার:

"মন-হৃদয়টা আর বাজে না, পুরোপুরি শেষ, একদম নিঃশব্দ একটা কবরখানা। ভেতরে আর কোনো শব্দ নেই... তবু আমি অভিনয় করি প্রতিদিন। সকালে ঘুম থেকে উঠে চোখে পানি মুছে ঠোঁটে হাসির রং লাগাই, বন্ধুদের আড্ডায় সবচেয়ে জোরে হাসি, স্ট্যাটাসে লিখি 'নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত', সবাইকে দেখাই আমি কত স্ট্রং।

কেউ বোঝে না এই স্ট্রংনেসটা আসলে একটা ইউনিফর্ম, যুদ্ধের ময়দানে পরে থাকা মিথ্যে বর্ম! বাইরে মেডেল ঝোলে, আর ভেতরে রক্ত ঝরে...। অনেক চেয়েছি শক্ত হতে, নিজেকে বুঝিয়েছি 'যা গেছে তা গেছে', নতুন করে শুরু করেছি একশো বার। কিন্তু মন তো কাগজ না যে চাইলেই নতুন পাতা পাওয়া যায়! এটা মাংসের টুকরো, যেখানে নামটা খোদাই হয়ে আছে— যতই ঘষি, দাগটা থেকে যায়।

তাই আমি আবার সকালে উঠি, আবার স্ট্রং সাজি, আবার মানুষকে দেখাই আমার কিছু হয়নি; আর রাতে আবার হেরে যাই স্মৃতির কাছে, নিজের কাছে, নিজের মিথ্যের কাছে। যদি কোনোদিন সত্যি স্ট্রং হতে পারি, সেদিন তোমাকে চিঠি লিখবো না, শুধু নিজেকে বলবো 'যুদ্ধটা শেষ পর্যন্ত জিতেছি'। কিন্তু আজ? আজও আমি হেরে যাচ্ছি, দিনশেষে তোমার স্মৃতির কাছে।"

দিনের আলোয় যিনি দেশের সুরক্ষায় ইউনিফর্ম পরে দায়িত্ব পালন করতেন, রাতের অন্ধকারে নিজের সেই ‘মিথ্যে বর্ম’ খুলে আবেগের কাছে হেরে গেলেন। এই সমাজ শুধু বাইরের হাসিটাই দেখে, পেছনের ইউনিফর্ম বা মেডেলটাই গোনে; কিন্তু সেই বর্মের নিচে রোজ রাতে একটা মানুষের মন কীভাবে তিলে তিলে কবরখানা হয়ে যায়, তা কেউ দেখে না।

"দিনে যুদ্ধ, রাতে পরাজয়; বাইরে আগুন, ভেতরে ছাই। একটা শেষ হয়ে যাওয়া মন নিয়ে রোজ বেঁচে থাকার মিথ্যে অভিনয়..."মৃত্যুর ...
18/07/2026

"দিনে যুদ্ধ, রাতে পরাজয়; বাইরে আগুন, ভেতরে ছাই। একটা শেষ হয়ে যাওয়া মন নিয়ে রোজ বেঁচে থাকার মিথ্যে অভিনয়..."

মৃত্যুর আগে নিজের ফেসবুক আইডিতে এভাবেই মনের জমানো সব ক্ষত উগরে দিয়েছিলেন তরুণ পুলিশ সদস্য সাইদুল ইসলাম (২১)। প্রেমের সম্পর্কের পর ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু সেই ভালোবাসার বন্ধন স্থায়ী হয়নি। স্ত্রীর সাথে চূড়ান্ত বিচ্ছেদের পর মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছেন ডেমরা পুলিশ লাইনে কর্মরত এই কনস্টেবল।

গত বৃহস্পতিবার রাতে ডেমরা পুলিশ লাইন্সের ৯ তলার নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস দেন সাইদুল। পরে সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে শুক্রবার ভোরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি মাত্র ৫ মাস আগে ফেনীর এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান সাইদুল বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেছিলেন। নিহতের বাবা মোহাম্মদ সাদেক জানান, ছেলেকে নিয়ে তাদের স্বপ্ন ছিল আকাশচুম্বী, কিন্তু এক মুহূর্তেই সব শেষ হয়ে গেল।

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে একটি ভিডিও পোস্ট করেন সাইদুল, যা ছিল তার জীবনের শেষ আকুতি। ভিডিওতে দেখা যায়, আইনজীবীর সামনে বিচ্ছেদের দলিলে স্বাক্ষর করছেন তারা। ক্যাপশনে সাইদুল লিখেছেন—

"কত তুচ্ছ বাহানা দিয়ে মানুষ একটা গভীরতম সম্পর্কের ইতি টানে! তুমি না বলছিলা মৃত্যু ছাড়া তুমি কখনোই আমাকে ছেড়ে যাবে না? আমি হাজার বার সুযোগ দিয়েছি। কিন্তু তুমি প্রতিবারই আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছো মানুষকে এতটাও বিশ্বাস করতে হয় না, যে বিশ্বাস করলে নিজেই আর বাঁচার সুযোগ থাকে না।"

পোস্টের একদম শেষে নিজের বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে এই তরুণ লিখেন— "দুঃখিত আম্মু আব্বু, আপনাদের ছেলে আর নিতে পারতেছে না। আর তিলে তিলে মরার শক্তি আমার নাই। মাপ করবেন আপনাদের অযোগ্য ছেলেকে।"

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও ডেমরা পুলিশ লাইন্সে দুই দফা জানাজা শেষে সাইদুলের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদর উপজেলার লেমুয়া উত্তর চাঁদপুর গ্রামে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এই ঘটনায় ডেমরা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে সাইদুলের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি জব্দ করেছে পুলিশ।

দিনের আলোয় যিনি দেশের সুরক্ষায় ‘যোদ্ধা’ সেজে বর্ম পরে থাকতেন, রাতের অন্ধকারে আবেগের কাছে হেরে গিয়ে চিরতরে নীরব হয়ে গেলেন সেই তরুণ প্রাণ।

মুশতাকের দাবি, তিশা বেশ অগোছালো, গুছিয়ে চলা তার ডিকশনারিতেই নেই। কেননা, সে নিজের পোশাক খুব একটা ধুতে চায় না; চিপস, চকলেট...
18/07/2026

মুশতাকের দাবি, তিশা বেশ অগোছালো, গুছিয়ে চলা তার ডিকশনারিতেই নেই। কেননা, সে নিজের পোশাক খুব একটা ধুতে চায় না; চিপস, চকলেট খেয়েও খোসাগুলো বিছানার পাশেই ফেলে রাখে।

18/07/2026

এক অসাধারণ শাশুড়ির গল্প!

13/07/2026

বোবা মানুষ কথা বলে কীভাবে?

“কাম না পাইলে ছাত্রদের লগে আন্দোলনে গিয়া সরকার পতন ঘটাইয়া ঘরে ফিরমু। কিন্তু সরকার পতন ঠিকই হইল, আমার স্বামী তো আর ফিরলো ...
08/07/2026

“কাম না পাইলে ছাত্রদের লগে আন্দোলনে গিয়া সরকার পতন ঘটাইয়া ঘরে ফিরমু। কিন্তু সরকার পতন ঠিকই হইল, আমার স্বামী তো আর ফিরলো না।”

জরাজীর্ণ ঘরের বারান্দায় বসে আহাজারি করতে করতে কথাগুলো বলছিলেন চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ সাব্বির ইসলামের স্ত্রী ফরিদা আক্তার। ৫ আগস্ট সকালে ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হন কারখানা শ্রমিক সাব্বির। আন্দোলনের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও তার পরিবারটির ভাগ্যে জোটেনি স্থায়ী মাথা গোঁজার ঠাঁই; কাটছে চরম অনিশ্চয়তা ও দারিদ্র্যে।

নিজের ভিটেমাটি না থাকায় নেত্রকোনার আটপাড়ার বানিয়াজান গ্রামে অন্যের জমিতে দাফন করা হয় সাব্বিরকে। চার সন্তান নিয়ে স্ত্রী ফরিদা এখন আশ্রয়হীন। সময়মতো ভাড়া দিতে না পারায় এরই মধ্যে বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে তাদের। ১২ বছর বয়সী বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ছেলে আর বড় মেয়ে লিজাকে নিয়ে এখন আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের বারান্দায় দিন কাটছে ফরিদার। অভাবের কারণে সন্তানদের লেখাপড়াও বন্ধ। বাবার স্মৃতি আঁকড়ে ধরে বড় মেয়ে লিজা আক্তারের আক্ষেপ, "সবাই তো এমপি-মন্ত্রী হইছে! আমার বাবার কী হইছে? আমরা তো অহন খেতে পরতে পারি না, আমরার খবর কেউ নেয় না!"

দিনমজুর সাব্বির ইসলাম প্রায় সাত বছর আগে নিজের কুঁড়েঘরটি ভেঙে যাওয়ার পর সপরিবারে ঢাকায় এসে তেলের কারখানায় কাজ নেন। আন্দোলনে কারখানা বন্ধ হলে তীব্র সংকটে পড়েন তারা। ৫ আগস্ট সকালে বাজার করার টাকা জোগাতে কাজের খোঁজে বের হয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিলে যোগ দেন সাব্বির। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাভারের বাইপাইল এলাকায় মাথায় গুলি লেগে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জুলাই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ২০২৪ সালে ৫ লাখ টাকা সহায়তা এবং পরবর্তীতে সরকারের পক্ষ থেকে মোট ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র করে দেওয়া হয়েছে পরিবারটিকে। তবে স্থায়ী বাসস্থান না থাকায় এই সহায়তার পরও তাদের কষ্ট লাঘব হচ্ছে না। স্থানীয়দের দাবি, উপজেলা সদরের খাসজমি বন্দোবস্ত করে পরিবারটিকে একটি ঘর দেওয়া হোক। আটপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহনূর রহমান জানান, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী পরিবারটিকে খাসজমিসহ একটি স্থায়ী ঘরের ব্যবস্থা করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

08/07/2026

নাম্বারের জন্য স্যারকে 'আব্বু' ডেকেছে শিক্ষার্থী

07/07/2026

রোনালদোর বিদায়ে আইশোস্পিডের কান্না!

07/07/2026

মায়ের জন্য খু'ন করলো চার ছেলে!

Address

11/A, Road No/01, Kallyanpur, Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Update 24 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Update 24:

Shortcuts

Share