MSB আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে এক মুসাফির। 🕋
যাপিত জীবনের উপলব্ধি আর দ্বীনি ভাবনার কিছু প্রতিফলন। 🖋️
— মোঃ সোলায়মান বখশ

পবিত্র আশুরার আমল ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ: জেনে নিন সঠিক সুন্নাহ! 🌙✨​মহররম মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ "আশুরা" ইসলামের ইতিহাসে অত্য...
25/06/2026

পবিত্র আশুরার আমল ও বর্জনীয় বিষয়সমূহ: জেনে নিন সঠিক সুন্নাহ! 🌙✨

​মহররম মাসের ১০ তারিখ অর্থাৎ "আশুরা" ইসলামের ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই বরকতময় দিনে মহান আল্লাহ তাআলা উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য আমল ও গুনাহ মাফের এক চমৎকার সুযোগ রেখেছেন। আসুন জেনে নিই এই দিনের মূল আমল এবং বর্জনীয় বিষয়গুলো:

​১. আশুরার প্রধান আমল: রোজা রাখা

​আশুরার দিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ফজিলতপূর্ণ ইবাদত হলো রোজা রাখা।

​গুনাহ মাফের সুসংবাদ: আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, "আশুরার দিনের রোজার ব্যাপারে আমি আল্লাহর কাছে আশা করি যে, তিনি এর মাধ্যমে পূর্ববর্তী এক বছরের গুনাহ (ছোট গুনাহ) ক্ষমা করে দেবেন।" (সহিহ মুসলিম)।

​কয়টি রোজা রাখবেন: ইহুদিদের ধর্মীয় রীতির সাথে সাদৃশ্য পরিহার করার জন্য রাসুল (সা.) আশুরার রোজার সাথে মিলিয়ে তার আগে বা পরে আরও একটি রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই সবচেয়ে উত্তম হলো মহররম মাসের ৯ ও ১০ তারিখ রোজা রাখা। কোনো কারণে ৯ তারিখে না পারলে ১০ ও ১১ তারিখ রোজা রাখবেন।

​২. অন্যান্য করণীয় ও আমল

​রোজা রাখার পাশাপাশি নিজের আমলনামা ভারী করতে এই দিনে নিচের কাজগুলো বেশি বেশি করতে পারেন:

​🤲 তওবা ও ইস্তিগফার: আশুরার দিনটি আল্লাহ তাআলা কর্তৃক দোয়া কবুল ও তওবা মঞ্জুরের একটি বিশেষ দিন। তাই বেশি বেশি আল্লাহর কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চান।

​📖 নফল ইবাদত ও জিকির: সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি নফল নামাজ পড়া, কুরআন তিলাওয়াত করা এবং সুবহানাল্লাহ, আলহামদুল্লাহ, আল্লাহু আকবার পাঠ করা উত্তম।

​🤝 দান-সদকা করা: অসহায় ও দরিদ্র মানুষকে নিজের সাধ্যমতো অর্থ বা খাদ্য দিয়ে সাহায্য করা অত্যন্ত সওয়াবের কাজ।

​👨‍👩‍👧‍👦 পরিবারের প্রতি উদারতা: সাধ্য অনুযায়ী পরিবারের জন্য ভালো খাবারের ব্যবস্থা করা একটি সুন্দর ও প্রশংসনীয় আমল।

​🚫 আশুরায় যা বর্জনীয় (কুসংস্কার)

​আশুরাকে কেন্দ্র করে সমাজে কিছু ভুল প্রথা প্রচলিত আছে, যা শরিয়তসম্মত নয় এবং এগুলো থেকে দূরে থাকা জরুরি:

​বুক বা গা চাপড়ে মাতম করা, শরীর রক্তাক্ত করা বা কৃত্রিম শোক প্রকাশ করা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

​তাজিয়া মিছিল বের করা বা কৃত্রিম কারবালার মাজার তৈরি করা ইসলাম সমর্থন করে না।

​মূল কথা: ইসলামে মনগড়া কোনো ইবাদতের স্থান নেই। আশুরার মূল এবং সবচেয়ে সুনিশ্চিত ইবাদত হচ্ছে সঠিক নিয়মে নফল রোজা রাখা এবং আল্লাহর দরবারে খাঁটি মনে তওবা করা।

​আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে সঠিক সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন। 🤲

​ #আশুরা

আমরা সবাই জীবনে কোনো না কোনো এক "ইঁদুর দৌড়ে" শামিল হয়ে আছি। দিন-রাত এক করে ছুটছি ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স আর স্ট্যাটা...
10/06/2026

আমরা সবাই জীবনে কোনো না কোনো এক "ইঁদুর দৌড়ে" শামিল হয়ে আছি। দিন-রাত এক করে ছুটছি ক্যারিয়ার, ব্যাংক ব্যালেন্স আর স্ট্যাটাসের পেছনে। আমাদের এই অন্ধ দৌড় দেখে মনে হয়, আমরা বোধহয় এই দুনিয়াতেই চিরকাল থেকে যাব। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছি— দরকারের অতিরিক্ত জিনিসের পেছনে এই যে মরিয়া হয়ে ছুটা, আলটিমেটলি এটার লাভটা কী?

​পবিত্র কুরআনের সূরা তাকাসুর আমাদের এই আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড় ক্রাইসিসটাকে একদম আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এখানে আল্লাহ তায়ালা কোনো বস্তুর সমালোচনা করেননি, বরং মানুষের একটা মনস্তাত্ত্বিক রোগকে তুলে ধরেছেন, যার নাম 'তাকাসুর'— অর্থাৎ "অন্যের চেয়ে আমার বেশি লাগবে" নামক এক অসুস্থ প্রতিযোগিতা। একটা ভালো ফোন বা গাড়ি থাকার পরও অন্যেরটা দেখে নিজের ভেতর যে অস্থিরতা তৈরি হয়, এই মানসিকতাই আমাদের আসল সত্য থেকে অন্ধ করে রেখেছে।

​সবচেয়ে চমৎকার এবং চোখ খুলে দেওয়ার মতো রিয়ালাইজেশনটা আসে যখন এই সূরায় কবরে যাওয়াকে বলা হয়েছে "ভিজিট" বা "জিয়ারত" করা (হাত্তা যুরতুমুল মাক্বাবির)। মানুষ যেমন এয়ারপোর্টের ট্রানজিট লাউঞ্জে বা রেলস্টেশনের ওয়েটিং রুমে ক্ষণিকের জন্য অপেক্ষা করে, কবরটাও আসলে ঠিক তেমন একটা ওয়েটিং রুম। এটা কোনো স্থায়ী ঠিকানা নয়।

​অথচ আমাদের বোকামিটা দেখুন! আমরা এমন একটা ট্রানজিট লাউঞ্জের জন্য জীবনের সব শক্তি আর সময় ব্যয় করে আয়োজন করছি, যেখানে আমরা মাত্র কিছুদিনের জন্য থাকব। দুনিয়ার এই সাময়িক চাকচিক্য আমাদের আখেরাতের ফাইনাল এক্সামের কথাই ভুলিয়ে দিয়েছে। আমরা ভাবি আমাদের জীবনে অভাব অনেক; কিন্তু আসলে আমাদের বড় সমস্যা অভাব না, আমাদের সমস্যা হলো আমরা একটা ভুল ট্র্যাকে দৌড়াচ্ছি।

​চট্টগ্রামের টিকিট কেটে ভুল করে সিলেটের এসি ট্রেনে উঠে বসলে যেমন গন্তব্যে পৌঁছানো যায় না, ঠিক তেমনি পরকালকে ভুলে দুনিয়ার পেছনে অন্ধ হয়ে ছুটলে জীবনের শেষ স্টেশন (কবর)-এ পৌঁছানোর পর আমাদের সব অর্জনের ভ্যালু এক নিমেষে 'জিরো' হয়ে যাবে।

​দুনিয়াতে কেউ কখনো পার্মানেন্টলি 'সেটেল' হতে পারে না, যতক্ষণ না সে কবরের ওই ট্রানজিট লাউঞ্জে গিয়ে পৌঁছায়। আসুন, এই অন্ধ প্রতিযোগিতা থেকে একটু থামি। নিজেকে জিজ্ঞেস করি— আমরা আসলে কোন গন্তব্যের দিকে ছুটছি?










​ #জীবনবোধ
​ #সূরা_তাকাসুর
​ #বাস্তবতা
​ #পরকালের_প্রস্তুতি
​ #ইসলামিক_ভাবনা
​ #মৃত্যু_স্মরণ
​ #ক্ষণস্থায়ী_দুনিয়া
​ #আত্মশুদ্ধি

টাকা কি কখনো একটা মায়ের খালি কোল ফিরিয়ে দিতে পারে? কিংবা একটা বাবার বুকফাটা আর্তনাদ থামাতে পারে? কখনোই না!​আদ্-দ্বীন হাস...
07/06/2026

টাকা কি কখনো একটা মায়ের খালি কোল ফিরিয়ে দিতে পারে? কিংবা একটা বাবার বুকফাটা আর্তনাদ থামাতে পারে? কখনোই না!

​আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অবহেলায় মারা যাওয়া ছয়টি নবজাতকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত এসেছে। আইনি বা প্রাতিষ্ঠানিক জায়গা থেকে হয়তো এটি একটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ, কিন্তু দিনশেষে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে বুকটা কেঁপে ওঠে। ৮০ লাখ কেন, ৮০ কোটি টাকা দিলেও কি ওই নিষ্পাপ শিশুদের ফিরিয়ে আনা সম্ভব? কোনো অর্থই সন্তানের শোক ভোলানোর শক্তি রাখে না।

​আমাদের চিকিৎসা খাতের এই অবহেলা আর গাফিলতি কবে বন্ধ হবে? আমরা আর কোনো বাবা-মায়ের এমন করুণ পরিণতি দেখতে চাই না। এই ক্ষতিপূরণ যেন কেবল একটি আইনি প্রক্রিয়া বা সংখ্যার হিসাব হয়ে না থাকে, বরং দেশের প্রতিটি হাসপাতালের জন্য একটা কঠোর শিক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। হাসপাতালের বেডে বা ইনকিউবেটরে অবহেলার কারণে যেন আর একটি শিশুকেও অকালে চলে যেতে না হয়।

​চিকিৎসা সেবার নামে যেকোনো ধরণের গাফিলতির বিরুদ্ধে কঠোর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। মহান আল্লাহর কাছে প্রতিটি শোকসন্তপ্ত পরিবারের জন্য ধৈর্য্য এবং নিষ্পাপ শিশুগুলোর আত্মার শান্তি কামনা করি। 🤲💔

🌍 বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্ব: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এবার জোরালো বৈশ্বিক চাপের সুযোগ! 🇧🇩​দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও জা...
06/06/2026

🌍 বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্ব: রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে এবার জোরালো বৈশ্বিক চাপের সুযোগ! 🇧🇩

​দীর্ঘ ৪০ বছর পর আবারও জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (UNGA) সভাপতির মর্যাদাপূর্ণ আসনে বসতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ২০২৬ সালের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে আমাদের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অভিজ্ঞ কূটনীতিবিদ ড. খলিলুর রহমানের এই ঐতিহাসিক জয় কেবল একটি বড় বৈশ্বিক অর্জনই নয়, বরং এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মানবিক ও অর্থনৈতিক সংকট—"রোহিঙ্গা সমস্যা" সমাধানের জন্য এক অভূতপূর্ব সুযোগ!

​১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে অনন্য মানবিক উদাহরণ তৈরি করেছে, তার দীর্ঘমেয়াদী বোঝা আমাদের অর্থনীতি, পরিবেশ এবং নিরাপত্তার ওপর দিন দিন বাড়ছে। তবে এবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের মূল মঞ্চের নিয়ন্ত্রণ বাংলাদেশের হাতে থাকায়, বিশ্বমঞ্চে আমরা বেশ কিছু কৌশলগত সুবিধা আদায় করতে পারব:

​📌 আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রোহিঙ্গা ইস্যু: সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে ড. খলিলুর রহমান বিশ্বনেতাদের বার্ষিক সাধারণ অধিবেশনে রোহিঙ্গা এজেন্ডাটিকে অন্যতম শীর্ষ অগ্রাধিকার হিসেবে মূল আলোচনার টেবিলে ধরে রাখতে পারবেন।

​📌 মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বৃদ্ধি: রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সসম্মানে এবং দ্রুত নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের পক্ষে বিশ্বজুড়ে জোরালো জনমত তৈরি করা এবং মিয়ানমারের জান্তা সরকারের ওপর নতুন ও কঠোর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা বা রেজুলেশন পাস করানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবে।

​📌 মানবিক ফান্ড সচল রাখা: বৈশ্বিক বিভিন্ন যুদ্ধ ও নতুন সংকটের কারণে যেন রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য বরাদ্দ আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা বা ফান্ড কমে না যায়, তা নিশ্চিত করতে দাতা দেশগুলোর সাথে সরাসরি নীতিনির্ধারণী লিয়াজোঁ করার চমৎকার প্ল্যাটফর্ম এখন আমাদের সামনে।

​বিশ্বের ১৯৩টি সদস্য দেশের এই "বিশ্ব সংসদে" বাংলাদেশের এই নেতৃত্ব আমাদের কূটনৈতিক সামর্থ্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। আশা করি, এই ঐতিহাসিক সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী ও টেকসই বহুপাক্ষিক সমাধান সুগম হবে।

​গর্বিত বাংলাদেশ, এগিয়ে যাক বিশ্বমঞ্চে! ✊🇧🇩

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটা সহজ-সরল হিসাব। গ্রাহকেরা এখন যে পথে হাঁটছেন, তা শুধু ওই ব্যাংকের একার ক্ষতি ...
01/06/2026

ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একটা সহজ-সরল হিসাব। গ্রাহকেরা এখন যে পথে হাঁটছেন, তা শুধু ওই ব্যাংকের একার ক্ষতি না, পুরো দেশের অর্থনীতির জন্যই একটা মস্ত বড় ধাক্কা হতে যাচ্ছে।

​সামনে নতুন সরকারের (তারেক রহমান সরকার) জন্য দেশ চালানো আসলেই মস্ত বড় চ্যালেঞ্জ। কিন্তু ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ যদি এখনো সেই বিতর্কিত এস আলমের হাতেই থাকে, তবে দেশ মূলত দুইটা বড় বিপদের মুখে পড়বে:

​১. হুন্ডির দাপট ও রেমিট্যান্সে ধস 📉
আমাদের দেশের অর্থনীতি মূলত প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের ওপর ভর করেই টিকে আছে। আর এই রেমিট্যান্সের সিংহভাগ আসে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে, যার গ্রাহকদের একটা বড় অংশ জামায়াত সমর্থিত। ক্ষোভ থেকে তারা এখন বৈধ পথ ছেড়ে আবার হুন্ডির দিকে ঝুঁকছেন। ইতোমধ্যে এই ধারা শুরুও হয়ে গেছে, যার স্পষ্ট প্রভাব এই জুনের রেমিট্যান্স প্রবাহের খতিয়ানেই টের পাওয়া যাবে।

​২. গণহারে আমানত প্রত্যাহার ও তারল্য সংকট 💸
সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টের টাকা দখলদার এস আলম আর 'পটিয়া বাহিনী'র পেটে চালান করতে একদমই রাজি না। ফলে ব্যাংকে টাকা জমানো তো দূরের কথা, সবাই নিজেদের জমানো টাকা তুলে নিচ্ছে। (যেমন কোনো রিস্ক না নিয়ে আমি নিজেও আমার বউয়ের অ্যাকাউন্ট থেকে সব টাকা অলরেডি অন্য ব্যাংকে ট্রান্সফার করে ফেলেছি!) এখন সবাই যদি এভাবে একসাথে টাকা তোলা শুরু করে, তবে ব্যাংকে তীব্র টাকা সংকট (তারল্য সংকট) দেখা দেবে এবং পুরো ব্যাংকিং সিস্টেমটাই ধসে পড়বে।

​মূল প্রশ্নটা যেখানে:
এমনিতেই দেশের অর্থনীতি এখন হাবুডুবু খাচ্ছে। এই অবস্থায় নতুন সরকার কি শেষমেশ পটিয়া বাহিনী আর এস আলমকে বাঁচাতে গিয়ে পুরো দেশটাকেই আরেকটা বড় বিপদে ফেলে দেবে? এটাই এখন দেখার বিষয়! -_-

​ #দেশ_ও_অর্থনীতি

25/05/2026

আসসালামু আলাইকুম। আজ রাস্তায় চলার সময় চোখের সামনে এই দুর্ঘটনাটি দেখলাম। একটি সিএনজি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মূলত উল্টো রাস্তা দিয়ে একটা ফলের ভ্যান আসায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে। তবে আল্লাহর অশেষ রহমতে মুরুব্বী চাচা অল্পের জন্য বড় কোনো আঘাত পাননি, উনি সুস্থ আছেন। আমাদের সবারই রাস্তায় চলাচলের সময় আরও অনেক বেশি সাবধান হওয়া উচিত। আসুন, সবাই ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলি এবং নিরাপদে যাতায়াত করি।

🚨 ভাগে কুরবানি দেওয়ার আগে এই জরুরি বিষয়টি কি আপনি জানেন? 🚨​অনেকেই আমরা একা একটি গরু কুরবানি দিতে পারি না বলে, কয়েকজন মিল...
24/05/2026

🚨 ভাগে কুরবানি দেওয়ার আগে এই জরুরি বিষয়টি কি আপনি জানেন? 🚨

​অনেকেই আমরা একা একটি গরু কুরবানি দিতে পারি না বলে, কয়েকজন মিলে ভাগে বা শরিকে কুরবানি দিই। কিন্তু পার্টনার নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি মারাত্মক ভুলের কারণে আপনার পুরো কুরবানিটি বাতিল হয়ে যেতে পারে!

​একটি অত্যন্ত জরুরি প্রশ্ন ও তার সমাধান নিচে সহজভাবে তুলে ধরা হলো:

​❓ প্রশ্ন: ভাগে কুরবানি দেওয়ার সময় কোনো একজন অংশীদারের (পার্টনারের) আয়ের উৎস যদি সম্পূর্ণ হারাম হয়, তবে কি বাকি সবার কুরবানি বাতিল হবে?

​👉 উত্তর: হ্যাঁ, বাতিল হয়ে যাবে।
আপনার নিজের টাকা ১০০% হালাল হওয়া সত্ত্বেও, আপনার ওই পার্টনারের হারাম টাকার কারণে পুরো পশুর কুরবানিটি আল্লাহর দরবারে কবুল হবে না।

​🛑 কেন সবার কুরবানি বাতিল হবে?

​১️⃣ পুরো পশুটি একটি একক ইবাদত: ইসলামী শরিয়তের নিয়ম অনুযায়ী, একটি বড় পশুতে যখন একাধিক ব্যক্তি শরিক হয়, তখন পুরো পশুটি একটি একক ইবাদত হিসেবে গণ্য হয়। তাই পশুর একটি অংশের টাকাও যদি হারাম (যেমন: সুদ, ঘুষ, দুর্নীতি বা অবৈধ ব্যবসা) থেকে আসে, তবে পুরো কুরবানিটাই অপবিত্র ও ত্রুটিপূর্ণ হয়ে যায়।

​২️⃣ আল্লাহর নির্দেশ: আমাদের প্রিয় নবী রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন—
​"আল্লাহ তাআলা পবিত্র, তিনি পবিত্র (হালাল) জিনিস ছাড়া অন্য কিছু গ্রহণ করেন না।" (সহীহ মুসলিম)

​💡 তাহলে এই মুহূর্তে আমাদের করণীয় কী?

​✅ পার্টনার নির্বাচনে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকুন: যার উপার্জন পরিষ্কার হালাল এবং যার নিয়ত শুধু আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা, কেবল তাদের সাথেই ভাগে কুরবানি দিন। আয়ের উৎস নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ থাকলে তার সাথে শরিক হবেন না।

​✅ সবচেয়ে নিরাপদ উপায় (একা কুরবানি দেওয়া): সন্দেহজনক পার্টনারদের সাথে বড় পশু ভাগে দেওয়ার চেয়ে, নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী একা একটি ছাগল, ভেড়া বা দুম্বা কুরবানি দেওয়া অনেক বেশি নিরাপদ এবং উত্তম। এতে কোনো পাপ বা ঝুঁকির সুযোগ থাকে না।

​✅ পরিবারের ভেতর ভাগ করুন: যদি গরুই কুরবানি দিতে চান, তবে বাইরের মানুষ না নিয়ে নিজেদের পরিবারের হালাল উপার্জনকারী সদস্যদের নিয়ে ভাগ করে নিতে পারেন।

​আমাদের কষ্টার্জিত হালাল টাকা এবং কুরবানি যেন আল্লাহর দরবারে কবুল হয়, সেই চেষ্টা আমাদেরই করতে হবে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে সহীহ বুঝ দান করুন। আমীন।

​ #কুরবানি

আগে ল্যাদাকালে বৃষ্টি নামলে মনে হইতো ঈদ আইছে! পাড়ার সব পোলাপান এক হইয়া মাঠে ফুটবল নিয়া নাইমা পড়তাম। ঠিক যেমন রাতে কারেন্...
13/05/2026

আগে ল্যাদাকালে বৃষ্টি নামলে মনে হইতো ঈদ আইছে! পাড়ার সব পোলাপান এক হইয়া মাঠে ফুটবল নিয়া নাইমা পড়তাম। ঠিক যেমন রাতে কারেন্ট গেলে পুরা এলাকার মানুষ রাস্তায় আইসা 'লোডশেডিং উৎসব' পালন করতো।
​আর এখন? বৃষ্টি নামলে রোমান্টিকতা তো দূরে থাক, মেজাজটা এমন তিরিক্ষি হয় যে মনে হয় মেঘগুলারে ধইরা দুইটা থাপ্পড় দিই! অফিসের ইস্ত্রি করা শার্ট নষ্ট, রাস্তায় কাদা, আর জ্বর-সর্দি-কাশির যমদূত তো পিছে লেগেই আছে। এইসব ডরে কয়েক বছর বৃষ্টির সাথে কোনো সম্পর্কই রাখি নাই।

​কিন্তু হঠাৎ মাথায় আসলো—আরে ভাই, বাঁচুমই কয়দিন? অফিসের কাপড় আর জ্বরের ভয়ে ঝুম বৃষ্টির এই রাজকীয় মজা মিস করুম? কক্ষনো না! জ্বর আসলে আসবো। এই ৪৪ ডিগ্রি গরমের দেশে জ্বর তো আসলে একটা 'প্রাকৃতিক এসি'! ফ্যান-এসি ছাড়াই শরীর পুরা কুল কুল থাকে। ভাবতাছি এই 'বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী' অসুখের লাইগা ডিনেস এওয়ার্ডের আবেদন করুম! 😂
​এখন টেকনিক পাল্টাইছি—অফিসে এক সেট ব্যাকআপ ড্রেস আর হেয়ার ড্রায়ার পার্মানেন্টলি রাইখা দিছি। এখন যাওয়ার পথে ভিজলে 'ব্যাকআপ' আছে, আর আসার পথে ভিজলে তো কথাই নাই—বাইক নিয়া হুুদাই এদিক-ওদিক ঘুইরা ভিজি।

​তয় একটা জিনিস খেয়াল করছি, আমার মতো এই 'ইচ্ছা কইরা ভেজা' পাবলিকের সংখ্যা কম না। বাইক চালানোর স্টাইল দেখলেই বুঝা যায় কে বিপদে পড়ছে আর কার শখ জাগছে। এদের মধ্যে আবার কিছু আছে চরম লেভেলের শয়তান! সাইড দিয়া যাওয়ার সময় এমন জোরে টান দেয় যে রাস্তার সব পানি আইসা আপনারে 'গোসল' করায়া দিবো। রাস্তার ওইগুলা যে আসলে 'পাবলিক টয়লেটের পানি'—এই চিন্তাটা যদি ইগনোর করতে পারেন, তাইলে পুরা ব্যাপারটাই চরম মজার! 🌊🏍️

​ #বৃষ্টি_বিলাস #ঢাকাইয়া_জীবন

গরীব হওয়ার একটা প্যারা আছে—মাঝেমধ্যে অনেক কিছুতেই 'অশিক্ষিত' থাইকা যাইতে হয়! -_-​যাইহোক, শখ কইরা আর হুজুগে পইড়া তো 'সিফু...
01/05/2026

গরীব হওয়ার একটা প্যারা আছে—মাঝেমধ্যে অনেক কিছুতেই 'অশিক্ষিত' থাইকা যাইতে হয়! -_-
​যাইহোক, শখ কইরা আর হুজুগে পইড়া তো 'সিফুড' (Seafood) অর্ডার কইরা ফেললাম। এখন প্লেটের দিকে তাকায়া ভাবতাছি, এই বস্তু খায় কেমনে? পুরাটা কি চাবায়া খামু নাকি শুধু ভিতরের ঝোলটা গিলে ফেলমু?
​আর যদি শুধু ভিতরের মালটাই খাইতে হয়, তবে উপরের এই শক্ত খোলস দিয়া কী করে? কামড় দিয়া কি দাঁত ভাঙমু নাকি এইডারে চামুচ হিসেবে ব্যবহার করুম? কেউ জানলে একটু আওয়াজ দিয়েন তো, ইজ্জত নিয়া টানাটানি পড়ার আগেই অপারেশন শেষ করতে চাই! 🤔😂

​ #হুজুগে_খাদক #বিপদে_বিলাসবহুল_খাবার

অকটেন ১৩৫ টাকা থেকে কমে যখন ১২০ হইলো, তখন কি বাজারের একটা জিনিসের দামও কমছে? কিংবা বাসের ভাড়া? উত্তর হইলো— না! কিন্তু আজ...
19/04/2026

অকটেন ১৩৫ টাকা থেকে কমে যখন ১২০ হইলো, তখন কি বাজারের একটা জিনিসের দামও কমছে? কিংবা বাসের ভাড়া? উত্তর হইলো— না! কিন্তু আজকে সেই দাম যখন ১৪০ টাকা হইলো (আগের চেয়ে মাত্র ৫ টাকা বেশি), তখন দেখবেন কালকে থেকেই তেলের 'ছুতায়' সবকিছুর দাম আবার রকেটের গতিতে বাড়বে।

​আমাদের দেশের সিস্টেমটাই এমন—দাম বাড়ানোর বাহানা পাইলে কেউ ছাড়ে না। এমনকি সিএনজিতে চলা গাড়িও কালকে থেকে বলবে "ভাই তেলের দাম বাড়ছে, ভাড়া তো একটু বেশি দেওয়াই লাগে!" আসলে সবাই এখানে নিজের আখের গুছাইতে ব্যস্ত।

​এই অরাজকতা নিয়ে মাথা ঘামায়া লাভ নাই, কারণ আমজনতার কথা ভাবার কেউ নাই। আপাতত তেলের পাম্পে এই ১০-১২ ঘণ্টার যে যন্ত্রণাদায়ক সিরিয়াল, এইটার একটা বিহিত হইলেই বাঁচি। পকেটের টাকা দিয়েও তেল পাওয়ার জন্য যে যুদ্ধ করা লাগে, এইটা দেখার কি কেউ নাই? -_-

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MSB posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share