Sabnam Jabin Stories

Sabnam Jabin Stories Leaving a bit of sparkle everywhere I go �

মেয়েদের বলছি—সংসারে চব্বিশ ঘণ্টার চাকরানি হয়ে যাবেন না।সংসার করবেন, ভালোবাসবেন, স্বামী-সন্তানের যত্ন নেবেন—এটাই স্বাভা...
30/08/2026

মেয়েদের বলছি—সংসারে চব্বিশ ঘণ্টার চাকরানি হয়ে যাবেন না।

সংসার করবেন, ভালোবাসবেন, স্বামী-সন্তানের যত্ন নেবেন—এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত শুধু সবার কাজ করে যাবেন, আর নিজের জন্য থাকবে না একটুও সময়, সম্মান কিংবা মূল্য।

মনে রাখবেন, আপনি একজন মানুষ, শুধু একজন গৃহকর্মী নন।
আপনারও ক্লান্তি আছে, আপনারও ইচ্ছা আছে, আপনারও স্বপ্ন আছে।

সবাইকে খুশি করতে গিয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলবেন না।
যে সংসারে আপনার শ্রমকে স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয়, সেখানে মাঝে মাঝে নিজের মূল্যটা বুঝিয়ে দিতে হয়।

সংসারে সাহায্য করা ভালোবাসা,
কিন্তু নিজেকে অবহেলা করা কোনো ভালোবাসা নয়।

তাই মেয়েদের বলছি—সংসার সামলান, কিন্তু নিজের জীবনটাকেও সামলান।
ভালো স্ত্রী, ভালো মা, ভালো বউমা হওয়ার পাশাপাশি নিজের কাছেও ভালো একজন মানুষ হয়ে থাকুন। ❤️

30/08/2026

সব মহারানীর ইচ্ছে সে কোথায় থাকবে🤣

সবার মা যদি এত ভালো হয়, তাহলে ভয়ংকর শাশুড়িগুলো কোথা থেকে আসে?একটা প্রশ্নের উত্তর আজও খুঁজে পাই না…প্রতিটি শাশুড়িই তো...
30/08/2026

সবার মা যদি এত ভালো হয়, তাহলে ভয়ংকর শাশুড়িগুলো কোথা থেকে আসে?

একটা প্রশ্নের উত্তর আজও খুঁজে পাই না…

প্রতিটি শাশুড়িই তো কারও না কারও মা।
প্রতিটি শাশুড়িই একদিন একজন মেয়ের মা ছিলেন।
তাহলে নিজের মেয়ের জন্য যে মা সম্মান, ভালোবাসা আর নিরাপত্তা চান—অন্যের মেয়ে ঘরে আসার পর সেই মেয়েটার জীবনটাই কেন বিষিয়ে ওঠে?

নিজের মেয়ে ভুল করলে—
“বাচ্চা, বুঝতে পারেনি।”

আর ছেলের বউ একই ভুল করলে—
“এই মেয়েটার চরিত্রই খারাপ!”

নিজের মেয়ে স্বামীর সঙ্গে অভিমান করলে—
“আমার মেয়েটা কষ্ট পেয়েছে।”

আর ছেলের বউ কাঁদলে—
“নাটক করছে!”

নিজের মেয়ে সংসারে কথা বললে—
“অধিকার আছে।”

আর ছেলের বউ নিজের মতামত দিলে—
“বেশি কথা বলতে শিখেছে!”

এই দ্বিমুখী মানসিকতাটাই অনেক সংসার ভাঙার শুরু।

শাশুড়ি হওয়া অপরাধ নয়।
কিন্তু শাশুড়ি হয়ে অন্যের মেয়েকে প্রতিদিন ছোট করা, অপমান করা, নিয়ন্ত্রণ করা আর ছেলের ভালোবাসা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে দেওয়া—এটা কোনো মায়ের গৌরব হতে পারে না।

কারণ একটা কথা মনে রাখবেন—

আপনি যে মেয়েটাকে আজ “পরের মেয়ে” ভাবছেন,
সে-ই হয়তো আপনার ছেলের সবচেয়ে বড় সুখের কারণ।

আর একদিন আপনার মেয়ের ঘরেও যদি কেউ তাকে একইভাবে কষ্ট দেয়, তখন যেন আপনার নিজের কথাগুলোই আপনার কানে ফিরে না আসে।

মেয়ের শাশুড়ি হওয়ার আগে,
মনে রাখুন—আপনিও একজন মা।
আর মায়ের সবচেয়ে বড় পরিচয় হওয়া উচিত “মমতা”, ক্ষমতা নয়।

ভদ্রতা দেখাতে গিয়ে সম্মান হারাচ্ছেন না তো?ভদ্র মানুষ হওয়া খুব সুন্দর একটি গুণ।কিন্তু মনে রাখবেন—ভদ্রতা মানে এই নয় যে,...
29/08/2026

ভদ্রতা দেখাতে গিয়ে সম্মান হারাচ্ছেন না তো?

ভদ্র মানুষ হওয়া খুব সুন্দর একটি গুণ।
কিন্তু মনে রাখবেন—ভদ্রতা মানে এই নয় যে, কেউ আপনাকে বারবার অপমান করবে আর আপনি শুধু চুপ করে থাকবেন।

অনেক সময় আমরা সম্পর্ক বাঁচাতে গিয়ে নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিই।
কেউ খারাপ ব্যবহার করলেও হাসিমুখে সহ্য করি, অন্যায় করলেও প্রতিবাদ করি না—শুধু মানুষ কী বলবে, সম্পর্কটা নষ্ট হবে কি না, সেই ভয়ে।

কিন্তু একটা সময়ের পর মানুষ আপনার নীরবতাকে ভদ্রতা নয়, দুর্বলতা ভাবতে শুরু করে।

আপনি কাউকে সম্মান করবেন, বিনয়ী থাকবেন—কিন্তু নিজের সম্মানের সীমাটাও ঠিক করে রাখবেন।
কারণ যে মানুষ আপনার ভদ্রতার মূল্য বোঝে না, তার কাছে বারবার নিজেকে ছোট করার কোনো প্রয়োজন নেই।

চুপ থাকা সবসময় মহত্ত্ব নয়,
কখনো কখনো নিজের সম্মানের জন্য “না” বলতে পারাটাই সবচেয়ে বড় ভদ্রতা।

তাই ভদ্র থাকুন, ভালো থাকুন—
কিন্তু কারও আচরণের কারণে নিজের আত্মসম্মানটা হারিয়ে ফেলবেন না।
মানুষকে সম্মান করতে গিয়ে নিজেকে অসম্মান করার নাম ভদ্রতা নয়।

29/08/2026

আয় VS ব্যায়

পুরুষ মানুষ তার কষ্ট কাউকে বলতে পারে না…! 💔একজন মেয়ে কষ্ট পেলে তার স্বামীকে বলতে পারে,বাবা-মাকে বলতে পারে,বোন কিংবা বান...
29/08/2026

পুরুষ মানুষ তার কষ্ট কাউকে বলতে পারে না…! 💔

একজন মেয়ে কষ্ট পেলে তার স্বামীকে বলতে পারে,
বাবা-মাকে বলতে পারে,
বোন কিংবা বান্ধবীর কাছে মন খুলে কাঁদতে পারে।

কিন্তু একজন পুরুষ?

সে কষ্ট পেলেও কাকে বলবে?

বাবা-মাকে বলতে গেলে ভাবে—
“তারা চিন্তা করবে।”

স্ত্রীকে বলতে গেলে ভাবে—
“আমি দুর্বল হয়ে যাচ্ছি না তো?”

বন্ধুকে বলতে গেলে ভাবে—
“পুরুষ মানুষ হয়ে এত আবেগ দেখালে কী ভাববে?”

তাই সে চুপ করে থাকে।

দিনভর হাসে, কাজ করে, সংসারের দায়িত্ব পালন করে।
সবাই ভাবে—মানুষটা ভালোই আছে।

কেউ জানে না, রাতের নীরবতায় সেই মানুষটাই হয়তো নিজের সাথে যুদ্ধ করছে।

একজন নারী কাঁদলে অনেক সময় কেউ না কেউ তাকে জড়িয়ে ধরে বলে—
“কী হয়েছে? আমাকে বলো।”

কিন্তু একজন পুরুষ কাঁদতে চাইলেও
তার আগে তাকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়—
“তুমি তো পুরুষ, তোমাকে শক্ত থাকতে হবে।”

এই একটা কথার আড়ালে কত পুরুষ যে প্রতিদিন নিজের কষ্ট চাপা দিয়ে বেঁচে থাকে, তার হিসাব কেউ রাখে না।

পুরুষেরও অভিমান হয়।
পুরুষেরও ভয় হয়।
পুরুষেরও মন ভেঙে যায়।
পুরুষেরও কখনো ইচ্ছে করে কারও সামনে শিশুর মতো কাঁদতে।

শুধু তার কষ্টটা প্রকাশ করার নিরাপদ জায়গা থাকে না।

তাই আপনার জীবনের পুরুষ মানুষটাকে শুধু উপার্জন করার মানুষ হিসেবে দেখবেন না।
তার মুখের হাসির আড়ালটাও একটু দেখুন।

কখনো তাকে জিজ্ঞেস করুন—
“তুমি সত্যিই ভালো আছো তো?”

হয়তো সে প্রথমে বলবে, “হ্যাঁ, ভালো আছি।”
কিন্তু একটু পাশে বসে থাকুন…
হয়তো অনেকদিন পর সে বলতে শুরু করবে—
“আমি আসলে ভালো নেই…” 💔

আর সেই মুহূর্তে তাকে উপদেশ দেবেন না।
শুধু পাশে থাকুন।

কারণ অনেক পুরুষের জীবনে
সবার কষ্ট শোনার মানুষ থাকে,
কিন্তু নিজের কষ্টটা শোনার মতো একজন মানুষও থাকে না। 🥀

পুরুষের একাধিক বিয়ে নিয়ে বাংলাদেশে আইন কী বলে?অনেকেই মনে করেন, একজন মুসলিম পুরুষ চাইলে আগের স্ত্রী থাকা অবস্থায় যেকোন...
28/08/2026

পুরুষের একাধিক বিয়ে নিয়ে বাংলাদেশে আইন কী বলে?

অনেকেই মনে করেন, একজন মুসলিম পুরুষ চাইলে আগের স্ত্রী থাকা অবস্থায় যেকোনো সময় নিজের ইচ্ছায় আরেকটি বিয়ে করতে পারেন। কিন্তু বিষয়টি এতটা সহজ নয়।

বাংলাদেশের Muslim Family Laws Ordinance, 1961-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, কোনো পুরুষের একটি বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় আরেকটি বিয়ে করতে হলে Arbitration Council-এর পূর্ব লিখিত অনুমতি নেওয়ার বিধান রয়েছে।

অর্থাৎ, আগের বিয়ে থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাইলে নির্ধারিত আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

প্রক্রিয়াটি কী?

একজন পুরুষ দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি চাইলে তাকে সংশ্লিষ্ট Chairman-এর কাছে লিখিত আবেদন করতে হয়। আবেদনে প্রস্তাবিত বিয়ের কারণ এবং বিদ্যমান স্ত্রী/স্ত্রীদের সম্মতি বা মতামতসহ নির্ধারিত তথ্য দিতে হয়।

এরপর Arbitration Council বিষয়টি বিবেচনা করে। আইনে Council-এর অনুমতি ছাড়া পরবর্তী বিয়ে করার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট আইনি পরিণতির বিধান রয়েছে।

আগের স্ত্রীর সম্মতি কি বাধ্যতামূলক?

এখানে একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া দরকার—আইনের ভাষায় আগের স্ত্রীর সরাসরি সম্মতিকে একমাত্র শর্ত হিসেবে বলা হয়নি। বরং Arbitration Council-এর পূর্বানুমতির বিধান রয়েছে এবং Council গঠনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান স্ত্রী/স্ত্রীদের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থাও রয়েছে।

তাই “স্ত্রী রাজি না হলে কোনোভাবেই দ্বিতীয় বিয়ে করা যাবে না”—এভাবে সরলভাবে বলা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে কী হতে পারে?

Arbitration Council-এর পূর্বানুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে ওই বিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যায়—এমন কথা বলা ঠিক নয়। তবে স্বামীর ওপর আইনে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ও অন্যান্য আইনগত দায় সৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষ করে, বিদ্যমান স্ত্রী বা স্ত্রীদের সম্পূর্ণ দেনমোহর অবিলম্বে পরিশোধযোগ্য হয়ে যেতে পারে এবং আইনে নির্ধারিত শাস্তির ব্যবস্থাও রয়েছে।

তাহলে কি পুরুষের একাধিক বিয়ে আইনত বৈধ?

মুসলিম ব্যক্তিগত আইনের কাঠামোর মধ্যে একাধিক বিয়ের সুযোগ থাকলেও বাংলাদেশে এটি শর্তহীন বা নিয়ন্ত্রণহীন অধিকার নয়।

আইন মূলত নিশ্চিত করতে চায় যে একজন পুরুষ আগের বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় নতুন বিয়ে করার আগে নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অধিকার ও স্বার্থ বিবেচনায় আসে।

তাই—

“পুরুষ চাইলেই যখন খুশি দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে”—এই ধারণা সঠিক নয়।

আবার,

“বাংলাদেশে দ্বিতীয় বিয়ে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ”—এটিও সঠিক নয়।

আইনের বিষয়টি বুঝতে হলে দেখতে হবে—বিয়ে কোন ধর্মীয় আইনের অধীনে হয়েছে, আগের বিয়ে বহাল আছে কি না, Arbitration Council-এর অনুমতি নেওয়া হয়েছে কি না এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আইনগত বিষয় কী।

একজন নারীর জন্য বিষয়টি কেন গুরুত্বপূর্ণ?

একজন নারী যখন বিয়ে করেন, তখন তার সঙ্গে শুধু আবেগের সম্পর্ক তৈরি হয় না; তৈরি হয় ভরণপোষণ, দেনমোহর, উত্তরাধিকারসহ বিভিন্ন আইনগত অধিকার ও দায়িত্বের সম্পর্ক।

তাই স্বামী যদি গোপনে বা আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে আরেকটি বিয়ে করেন, তাহলে স্ত্রী পরিস্থিতি অনুযায়ী আইনজীবীর মাধ্যমে নিজের অধিকার ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে পারেন।

বিয়ে কোনো খেলনা নয়।
একটি বিয়ের সঙ্গে একজন মানুষের জীবন, সম্মান, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ জড়িত।

পুরুষের যেমন আইনগত অধিকার রয়েছে, তেমনি সেই অধিকারের সঙ্গে আইনগত দায়িত্বও রয়েছে।

আইন জানা মানে কাউকে বিয়ে থেকে আটকানো নয়—আইন জানা মানে নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হওয়া।

28/08/2026

এই হলো সেই🤣

যাকে মানুষ ঠকায়, তাকে সৃষ্টিকর্তা জিতিয়ে দেনযাকে মানুষ ঠকায়, তার কষ্টটা হয়তো মানুষ দেখে না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা ঠিকই ...
28/08/2026

যাকে মানুষ ঠকায়, তাকে সৃষ্টিকর্তা জিতিয়ে দেন

যাকে মানুষ ঠকায়, তার কষ্টটা হয়তো মানুষ দেখে না, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা ঠিকই দেখেন। কেউ বিশ্বাস করে ঠকেছে, কেউ ভালোবেসে প্রতারিত হয়েছে, কেউ আপন মানুষ ভেবে নিজের সবটুকু দিয়ে শেষে শূন্য হাতে দাঁড়িয়েছে।

কিন্তু মনে রাখবেন—মানুষের অন্যায় কখনোই সৃষ্টিকর্তার অগোচরে থাকে না। আজ যে আপনাকে ঠকিয়ে হাসছে, কাল হয়তো সেই মানুষটিই নিজের কর্মের ফলের সামনে দাঁড়াবে।

আপনি প্রতিশোধ নেবেন না। কারণ নিষ্ঠুর মানুষ হতে পারে মানুষ, সৃষ্টিকর্তা কখনো নিষ্ঠুর নন। তিনি সময় নেন, কিন্তু হিসাব ভুল করেন না।

তাই কেউ আপনাকে ঠকালে ভেঙে পড়বেন না। আপনার চোখের প্রতিটি অশ্রু, আপনার নীরবতার প্রতিটি কষ্ট এবং আপনার সহ্য করা প্রতিটি অন্যায়ের হিসাব তিনি জানেন।

হয়তো আজ আপনি হেরেছেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত জয়টা আপনারই হবে। কারণ মানুষ ঠকাতে পারে, কিন্তু সৃষ্টিকর্তার বিচারে কেউ জিততে পারে না।

আজ নয় তো কাল, মানুষ তার কর্মের ফল অবশ্যই পাবে। কারণ জীবন কখনো কাউকে ঠকায় না—শুধু হিসেবটা মেলাতে একটু সময় নেয়।আপনি কা...
27/08/2026

আজ নয় তো কাল, মানুষ তার কর্মের ফল অবশ্যই পাবে। কারণ জীবন কখনো কাউকে ঠকায় না—শুধু হিসেবটা মেলাতে একটু সময় নেয়।

আপনি কাউকে কষ্ট দিয়েছেন, অবহেলা করেছেন, ঠকিয়েছেন কিংবা অন্যায় করেছেন—হয়তো আজ তার কোনো ফল দেখতে পাচ্ছেন না। তাই বলে ভাববেন না যে হিসেব শেষ হয়ে গেছে।

সময় নীরব, কিন্তু খুব নিখুঁত হিসাবরক্ষক।
যে অশ্রু আপনি কারও চোখে এনেছেন, যে কষ্ট দিয়েছেন, যে অন্যায় করেছেন—একদিন না একদিন তার প্রতিফল আপনার জীবনেও ফিরে আসবে।

তাই প্রতিশোধ নেওয়ার দরকার নেই।
চুপ থাকুন, নিজের পথে চলুন।
কারণ কর্মের বিচার মানুষ করে না, সময় নিজেই করে।

আজ নয় তো কাল—হিসেব ঠিকই মিলবে। ❤️

Address

Dhaka
1214

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sabnam Jabin Stories posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sabnam Jabin Stories:

Shortcuts

Share