28/09/2026
একাকীত্ব কাটাতে ২২ বছরের কলেজ ছাত্রীকে বিয়ে করলেন ৬৬ বছর বয়সের শরিফুল চাচা!..
লালমনিরহাটের পাটগ্রামে ৬৬ বছর বয়সী শরিফুল চাচার সঙ্গে ২২ বছর বয়সী কলেজছাত্রী আইরিন আক্তারের বিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২২ মার্চ তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়েতে মোহরানা নির্ধারণ করা হয় ১০ লাখ টাকা।
জানা গেছে, আইরিন ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনায় ভালো ছিলেন। পরিবারের আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শরিফুল চাচা। শুধু পড়াশোনায় সহযোগিতাই নয়, আইরিনের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তাঁর নামে প্রায় ৬ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট করে দেওয়ার কথাও প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শরিফুল চাচার ভাষ্য, আইরিনের সঙ্গে তাঁর আগে কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। তিনি শুধুমাত্র মানবিক দিক থেকে মেয়েটির পড়াশোনায় সহযোগিতা করতেন। একপর্যায়ে আইরিন নিজেই তাঁকে বিয়ের কথা জানান। পরে বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে বিয়েতে সম্মতি দেন তিনি।
অন্যদিকে আইরিন জানান, ছোটবেলা থেকেই শরিফুল চাচা তাঁর পড়াশোনায় সহযোগিতা করেছেন। পরবর্তীতে অন্যত্র তাঁর বিয়ের কথা উঠলে তিনি আশঙ্কা করেন, বিয়ের পর হয়তো পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন না। সেই পরিস্থিতি বিবেচনা করেই শরিফুল চাচাকে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান আইরিন।
আইরিনের দাবি, এই সিদ্ধান্তে তাঁর ওপর কোনো চাপ ছিল না। দুজনের সম্মতিতেই তাঁরা বিয়ে করেছেন। শুরুতে তাঁর বাবা রাজি না থাকলেও পরবর্তীতে মেয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নেন বলে প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
৬৬ বছরের শরিফুল চাচা আর ২২ বছরের আইরিন—দুজনের বয়সের ব্যবধান ৪৪ বছর। আর এই বয়সের ব্যবধানই বিয়ের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবচেয়ে বেশি আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। কেউ বিষয়টিকে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ এত বড় বয়সের ব্যবধান নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।
তবে শরিফুল চাচা ও আইরিন দুজনের বক্তব্যই স্পষ্ট—জেনে-বুঝেই, নিজেদের সম্মতিতেই তাঁরা এই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
আপনার কী মনে হয়—বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এত বড় পার্থক্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
আপনার মতামত জানাতে পারেন মন্তব্যে।
#লালমনিরহাট