Pixelora

Pixelora ✅ Logo Design

✅ Brand Identity Development

✅ Social Media Post & Banner Design

✅ Business Card & Stationery Design


✅ Presentation & Infographic Design

22/09/2026

মুন এলার্টের পেইজ ঘাটাঘাটি করে নিখোঁজ হওয়া বাচ্চাদের একটা প্যাটার্ণ খুঁজে পেলাম। এদের সবার বয়স ৬ থেকে ১৬ বছরের ভেতর। সবচাইতে বেশী নিখোঁজ হয়েছে ১১-১৩ বছর বয়সী বাচ্চারা।

অর্থাৎ, বাচ্চাগুলোকে র‌্যানডমলি সিলেক্ট করা হচ্ছে না, বয়সের ডেমোগ্রাফিক অনুযায়ী সিলেক্ট করা হচ্ছে। হয়তো এই কাজটা কোনো গ্রুপ বা দল পরিকল্পনা করে করছে। নাহলে যে কোনো বয়সী বাচ্চাই নিখোঁজ হবার কথা ছিলো!

অবশ্য এর আরেকটা কারণ হতে পারে, ৪-৫ বছর পর্যন্ত একটা বাচ্চাকে তার অভিবাবকরা কম্পারেটিভলি বেশী গার্ড দিয়ে রাখে, এর বেশী বয়সী বাচ্চারা সাধারনত স্কুলে থাকে, বিকেলে খেলার মাঠে থাকে, মানে আউটডোরে থাকার প্রবণতা বেশী থাকে বলে তাদের নিখোঁজ হওয়ার সম্ভাবনাও বাড়ে।

(আমি আজ বিকেলে ৩০০ ফিটে একটা ইভেন্টে গিয়েছিলাম, সেখান থেকে বাসায় ফিরতে অনেক রাত হয়েছে, তাই ভীষন ক্লান্ত। নাহলে আমি আরো সময় দিয়ে বয়স ছাড়াও আরো কিছু প্যাটার্ণ খুঁজে বের করার ট্রাই করতাম। যাদের সময় ও আগ্রহ আছে, তারা প্লিজ কাজটা করে কমেন্টের ঘরে আপনাদের ইনসাইট জানাতে পারেন। জাস্ট MUN Alert এর পেইজে গিয়ে ফটো ট্যাবে ক্লিক করলেই পেয়ে যাবেন ওদের আর্কাইভ!)

জানি না আমার এই হাইপোথিসিস কতটা সঠিক, তবে এটুকু জানি, এখনো এই দেশে প্রায় ২১০০ শিশু নিখোঁজ। আর এখনি কোনো প্রটেকটিভ মেজার না নিলে এই সংখ্যাটা বাড়বে বৈ কমবে না।

কিন্তু প্রটেকটিভ মেজার্স কিভাবে নেয়া যায়?

পুলিশ আপনার বাচ্চাকে খুঁজে এনে দেবে, এই আশা করে লাভ নাই, বরং বাচ্চা হারায় যাবার আগেই কিছু মেজার্স নিন, পরে না। যেমনঃ

১) সিসি ক্যামেরাঃ

আপনার ফ্লাটের মেইন গেইট থেকে শুরু করে একদম ভবনের মেইন গেট পযন্ত একাধিক সিসিটিভ ক্যামেরা লাগান। যদি আগে থেকেই লাগানো থাকে, তবে কাল সকালে গিয়েই চেক করবেন যে সবগুলো ক্যামেরা ঠিকঠাক মতো কাজ করে কিনা। ফুটেজ ঠিক মতো সংরক্ষিত থাকে কিনা। এবং কার কাছে এগুলার একসেস থাকে। চাহিবামাত্র যেন সে একসেস পাওয়া যায়।

অপ্রিতমের খুনী ধরা পড়েছে লাশ উদ্ধারের ২ ঘন্টার ভেতর, এবং সেটা সিসি ক্যামের ফুটেজের কল্যানেই। সুতরাং, সিসি ক্যামেরা হচ্ছে এই কেসে আপনার আদি ও আসল বন্ধু।

আমার বাসায় এবং আমার আম্মুর বাড়ীতে উভয় জাগাতেই আমি প্রচুর সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছি, এবং প্রায় প্রতিদিনই বিভিন্ন দরকারে আমাকে রেগুলার ফুটেজ চেক করতে হয়। এই ক্যামেরাগুলো আমাকে বিভিন্ন ইস্যুতে এত বেশী এভিডেন্স ও সারভেইলেন্স দিয়েছে যে, আমার ইনভেস্টমেন্ট বহু আগে ‍উসুল হয়ে গেছে!

শুধু আমার ব্যর্থতা যে আমার শ্বশুড় বাড়িতে সিসি ক্যাম লাগানোর ব্যাপারে রাজি করাতে পারি নাই, উনাদের অনেক প্রাইভেসি, অথচ গত বছর উনাদের ফাঁকা ফ্লাটে বড় ধরনের চুরি হয়েছে। এনিওয়ে।

আপনার বাচ্চা স্কুলে থাকলে ক্লাসরুমে সচল সিসি ক্যামেরা আছে কিনা, ফুটেজ রাখা হয় কিনা, সে ব্যাপারে যতটা সম্ভব নিশ্চিত হউন। দরকার হলে সব গার্ডিয়ানরা মিলে দাবী তুলুন আপনাদেরকে যেন মোবাইলে সিসি ক্যামেরার একসেস দেয়া হয়। দেশে একটা ক্রান্তিকাল চলতেছে, এই সময়ে এইটা খুবই ন্যায্য দাবী, কর্তৃপক্ষ না মানলে বাচ্চাকে আর পড়াবেন না ওখানে।

আরেকটা কথা, শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর দ্রুত CCTV ফুটেজ সংরক্ষণ করা জরুরি। কারণ বেশীরভাগ ক্যামেরায় পুরোনো ফুটেজ অল্প সময়ের মধ্যেই overwrite হয়ে যেতে পারে। তাই দেরী করলে মূল্যবান ফুটেজ হারানোর শংকা থাকে।

২) জিপিএস ট্র্যাকারঃ

আপনার বাচ্চা যদি স্কুল গোয়িং কিড হয়, তাহলে সে সবচে বেশী রিস্কে আছে। অনলাইনে অনেক লোকেশন ট্র্যাকিং ডিভাইস পাওয়া যায়, এগুলা আকারে বেশ ছোট, দামেও সস্তা। মুটামুটি একুরেট কাজ করে।

যেমনঃ MiLi MiTag Android Location Tracker Device, দাম ১ হাজার টাকার নীচে। তবে এগুলা আমি নিজে কখনো ইউজ করি নাই, তাই একুরেসি কেমন জানি না। খুব বাজে রিভিউ নাই যতদূর দেখলাম। তবে নিজ দায়িত্বে যাচাই বাছাই করে কিনবেন, নাহলে ঠকার সম্ভাবনা আছে।

এগুলার একটা আপনার বাচ্চার স্কুলের ব্যাগের ভেতরে সেলাই করে ফিক্স করে লাগিয়ে রাখবেন, বা ব্যাগের ভেতর গোপন পকেট বানিয়ে সেটার ভেতর রাখবেন। এগুলা ব্যাটারিতে চলে, আপনার মোবাইল ফোন থেকেই ঐ স্কুল-ব্যাগের রিয়েল টাইম লোকেশন দেখতে পারবেন। খুব ইজি সেটাপ।

বাজারে আরেক ধরনের ডিভাইস পাওয়া যায়, ওগুলা MiTag এর চাইতেও ছোট, দেড় ইঞ্চি লম্বা, দাম ৬/৭ শত টাকা, ওগুলোর একটা রেখে দিবেন আপনার বাচ্চার স্কুলের পোষাকের গোপন পকেটে সেলাই করে, যাতে করে পকেট থেকে পরে গিয়ে হারিয়ে না যেতে পারে।

মানে পোষাকেরটাকে প্রাইমারি ট্র্যাকার হিসেবে ধরলে, স্কুলে ব্যাগে থাকবে সেকেন্ডারী ট্র্যাকার। আপনি দুটোই ট্র্যাক করবেন।

এছাড়াও অনেক ওয়্যারেবল হাই-টেক আছে, যেমন কিছুদিন আগে একটা রিলসে দেখলাম, বাচ্চাদের জন্য বিশেষায়িত হাত ঘড়ি যা গার্ডিয়ানের মোবাইলে নির্দিষ্ট সময় পর পর বাচ্চার হার্টরেট, ব্লাড প্রেশার এগুলার রিডিং পাঠাবে! এটা অনেক এক্সপেনসিভ গ্যাজেট! কিন্তু এমন ডিভাইস আপনার বাচ্চা নিখোঁজ হওয়ামাত্র তাকে উদ্ধার করতে হেল্প করতে পারে।

৩) জিপিএস ট্র্যাকার লাগানো সত্ত্বেও আপনি চেষ্টা করবেন আপনার বাচ্চাকে স্বশরীরে স্কুল থেকে আনা নেয়া করার। ভুলেও কখনো বাসার বুয়া, দারোয়ান, কেয়ার টেকার, বা রিলেটিভ - এ জাতীয় কাউকে বাচ্চার ব্যাপারে বিশ্বাস করবেন না, তা সে যতই বিশ্বাসযোগ্য ও নির্ভরযোগ্য হোক না কেন। ডোন্ট রিস্ক ইট। সাবধানের মাইর নাই, মানে বাড়তি সাবধানতা অবলম্বন করলে সেটা কখনো বৃথা যায় না।

আপনি যদি হোম মেকার হন, তবে চেষ্টা করবেন বাচ্চার স্কুলের সময়টাতে বাচ্চার স্কুল প্রাংগনেই থাকার, অন্তত আগামী কয়েকটা মাস। বই পড়ে সময় কাটান, বা রিল দেখে, বা ভাবীদের সাথে গল্প করে, কিন্তু আপনি ওখানেই উপস্থিত থাকবেন। আর একটু পর পর ফোনে চেক করবেন যে বাচ্চার লোকেশন ঠিক মতো দেখাচ্ছে কিনা। ক্লাসের ক্যামেরার একসেস থাকলে সেটাও মাঝে মাঝে চেক করবেন।

আর যদি চাকুরীজীবি হন, তাহলে আপনার একমাত্র ভরসা টেকনোলজি, মানে ট্র্যাকার আর সিসি ক্যামেরার লাইভ ফিড। অফিসে বসেও দেখতে পারবেন।

৪) এজুকেট ইউর কিডসঃ

এত সব কিছুর পরেও আপনি আলাদা করে আপনার বাচ্চাকে ট্রেনিং দেন। এটি আজীবন ওর কাজে লাগবে। সে যেন অপরিচিত কারো সাথে না যায়, তাদের দেয়া কিছু না খায়, তাদের কোনো কথা বা রেফারেন্স যেন বিশ্বাস না করে, সন্দেহজক বিহেবিয়ার বা প্যাটার্ণ কিভাবে আইডেন্টিফাই করতে হয় সেগুলো শেখান। কিভাবে ছেলেধরা রা শিকার করে সেগুলো আলোচনা করেন, বাই এনি চান্স হারিয়ে গেলে মাথা ঠান্ডা রেখে কিভাবে কি করতে হবে তার স্টেপ বাই স্টেপ গাইড লাইন দেন আগে থেকে, বাচ্চাকে Home Alone এর মতো কিডস মুভি দেখান, জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস পড়ান। এসব ওকে স্ট্রিট স্মার্ট বানাবে।

৫) সেলফ ডিফেন্সঃ

বাচ্চার বয়স ৮ বছর+ হলে তাকে আত্নরক্ষা, তায়কন্দো এইসব শেখান, সাঁতার শেখান, সাইক্লিং শেখান, বেসিক রান্না বান্না শেখান। এগুলো ওকে দক্ষ ও আত্নবিশ্বাসী করবে। বাচ্চারা খুবই কুইক লার্নার, আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না ঠিকভাবে ট্রেনিং দিলে ওরা কতটা দ্রুত শিখে নেয়!

৬) ফ্যামিলি ইমার্জেন্সি প্রটোকলঃ

আগে থেকেই আপনার পরিবারের একটা ইমার্জেন্সি প্রটোকল বানিয়ে রাখেন। কারণ বাচ্চা কোথাও সময়মতো না পৌঁছালে বা ফোনে পাওয়া না গেলে কে কাকে ফোন করবে, কে স্কুলে যাবে, কে বাসার আশেপাশে খুঁজবে, কে পুলিশে যোগাযোগ করবে—এসব তখন বসে বসে ডিসাইড করার সময় থাকবে না।

বাচ্চাকে একটা ”ফ্যামিলি কোড ওয়ার্ড” শেখান। ধরেন, আপনি কাউকে দিয়ে বাচ্চাকে আনতে পাঠালেন। বাচ্চা শুধু “আম্মু পাঠিয়েছে” শুনেই যেন তার সঙ্গে চলে না যায়। তাকে বলবেন, যে-ই আপনাকে নিতে আসুক, আগে আমাদের নির্ধারিত কোড ওয়ার্ড তাকে বলতে হবে। কোড ওয়ার্ড বলতে না পারলে তার সঙ্গে কোথাও যাবে না। মাঝেমধ্যে কোড ওয়ার্ড পরিবর্তনও করবেন।

বাচ্চা যেন তার বাবা-মার ফোন নাম্বার মুখস্থ বলতে পারে, সেটা এনশিওর করবেন। পারলে নানা-মামা-খালাসহ ২-৩ জন Trusted Emergency Contact-এর নম্বরও তাকে মুখস্থ করান। বাচ্চার বয়স ১০ হলে তাকে বাটন ফোন দিন, সেখানে এগুলা শুধু সেভ করে রাখলে হবে না। ফোন হারিয়ে গেলে বা ব্যাটারি শেষ হয়ে গেলে যেন বাচ্চা অন্তত একজন মানুষের কাছে গিয়ে বলতে পারে, “আমার আব্বুর নাম এই, আম্মুর নাম এই, এই নম্বরে ফোন করেন।”

ওকে এটাও শেখান—”হারিয়ে গেলে লুকিয়ে থাকবে না।” কোনো দোকান, ফার্মেসি, স্কুল, পুলিশ বক্স, নিরাপত্তাকর্মী বা ইউনিফর্ম পরা দায়িত্বশীল মানুষের কাছে যাবে এবং নিজের পরিচয় ও বাবা-মায়ের নাম বলবে। অপরিচিত কেউ “চলো, তোমার বাবা-মায়ের কাছে নিয়ে যাচ্ছি” বললেও তার সঙ্গে একা যাবে না।

৭) বাবা-মায়ের জন্যও একটা নিয়ম থাকা দরকার। বাচ্চা নির্ধারিত সময়ে স্কুল থেকে বের হয়নি, বাসায় ফেরেনি, ফোন বন্ধ—তাহলে “আরেকটু দেখি, হয়তো চলে আসবে” বলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করবেন না। সন্দেহ হলেই বা মনে কু ডাক দিলেই যত দ্রুত সম্ভব অ্যাকশন নিন।

স্কুলে ফোন, ড্রাইভার/অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ, শেষ লোকেশন যাচাই, CCTV ফুটেজ সংরক্ষণ, ট্র্যাকার চেক এবং প্রয়োজন হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে জানানো—সব একসঙ্গে শুরু করতে হবে। কারণ বাচ্চা নিঁখোজ হওয়ার পর Every second counts.

৮) আমার মনে হয়, আমাদের সবচেয়ে বড় ভুল হচ্ছে বাচ্চা হারিয়ে যাওয়ার পর কী করব সেটা ভাবা। বরং আজকেই পরিবারের সবাইকে নিয়ে ১৫ মিনিট বসে ঠিক করুন—আমাদের বাচ্চা আগামীকাল স্কুল থেকে না ফিরলে প্রথম ১০ মিনিটে আমরা কী করব? দরকার হলে নিজেরা মিলে একেকটা কাজ ভাগ করে নিন।

কারণ বিপদের সময় মানুষ নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। কিন্তু আগে থেকে প্র্যাকটিস করা একটা ছোট্ট প্রটোকলই তখন সবচেয়ে বড় হেল্পটা করতে পারে!

৯) বাচ্চাকে প্রতিবার বাসা থেকে বের হওয়ার আগে এই দোয়া পড়ান - “বিসমিল্লাহে তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ, লা-হাওলা ওয়ালা কুয়াতা ইল্লাবিল্লাহ!” ২০০০ সালে একজন অত্যধিক পরহেযগার মানুষ আমাকে এই দোয়াটা শিখিয়েছিলেন, আমি এটা গত ২৬ বছর যাবত আমল করছি, ইনফ্যাক্ট এটা এখন অভ্যাস হয়ে গেছে, আমি না চাইলেও এই দোয়াটা আমি আউটডোরে গেলেই অটোমেটিক আমার মুখ দিয়ে বের হয়, আনমনে বের হয়, আমি নিজেও টের পাই না! (আপনি মুসলিম না হলে যার যার রিচুয়াল পালন করতে পারেন। এটা আপনাকে মেন্টাল স্ট্রেন্থ দিবে, মানে বিপদে পড়লে মনোবল হারাবেন না।)

১০) “প্রথম ৬০ মিনিট” এর জন্য একটা বিশেষ প্রটোকল তৈরি করুনঃ

নিখোঁজ হওয়ার প্রথম ১ টা ঘন্টা খুবই ক্রুশাল! এটাকে স্ট্রাটেজিক্যালি কাজে লাগাতে হবে।

শিশু নিখোঁজ হওয়ার পর আত্মীয়স্বজন সবাই আলাদা আলাদাভাবে খুঁজতে গেলে প্রচুর সময় নষ্ট হয়। দেখা যাবে এক কাজ দুই গ্রুপ দুই ভাবে করতেছে, অথচ অন্য আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কাজ কেউই করতেছে না! এটা যেন না হয় সে জন্য আগে থেকেই গ্রুপ ওয়াইজ কাজ ভাগ করে নেন। যেমনঃ

Team A: শেষ দেখা জায়গা ও আশেপাশের রাস্তায় খুঁজবে।
Team B: বাসস্ট্যান্ড/রেলস্টেশন/রিকশা-স্ট্যান্ড
Team C: আশেপাশের দোকান ও ভবনের CCTV ফুটেজ চেক করবে
Team D: হাসপাতাল/ক্লিনিক/অজ্ঞাত শিশুর তথ্য
Team E: অনলাইন Missing Alert / MUN Alert কে নোটিফাই করবে।
Team F: পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ ও GD/ অভিযোগের অগ্রগতি চেক করবে।

প্রত্যেক টিমের একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত থাকবে। সে বাচ্চার বাবা-মা কে কাজ শেষ রিপোর্ট করবে। আমি বলতেছি না যে এতগুলা টিমই লাগবে, আপনি যতগুলো টিম বানাতে পারেন আর কি! দরকার হলে একটা চেকলিষ্ট বানিয়ে সেটা ধরে ধরে কাজ করেন।

১১) আপনার বাচ্চাকে নিয়ে একদিন আপনার গলিতে থাকা সব মুদি দোকান ও লন্ড্রি দোকানে ঢুঁ মেরে আসতে পারেন, ওদেরকে বলবেন যে আপনার বাচ্চাকে যদি কখনো কোথাও সন্দেহজনক অবস্থায় দেখে (অন্য কারো সাথে, বা কাঁদতেছে,) তাহলে যেন সাথে সাথে আপনাকে ফোন করে জানায়। আপনি ঐ এলাকায় যত বেশী পুরনো বাসিন্দা হবেন, এই কাজে আপনার সফলতার হার তত বেশী।

১২) এইসব কাজে সম্ভব হলে একটা কমিউনিটি গড়ে তোলেন, একটা নেটওয়ার্ক গড়ে তোলেন। তাহলে বিপদে পড়লে কমিউনিটি বা নেটওয়ার্কের সবাই এক যোগে কাজ করতে পারবেন, তাতে করে দ্রুত সমস্যার সমাধান হতে পারে। এছাড়াও, কমিউনিটি একটিভিটিজের ভিজিবিলিটি ভালো, সব গার্ডিয়ানদের বাড়তি সতর্কতামূলক অবস্থান দেখলে এমনিতেই ক্রিমিনালরা ভয় পেয়ে যায়।

মনে আছে, ২০২৪ এর ৫ ই আগষ্টের পর এলাকায় এলাকায় কিভাবে পাহারা বসানো হয়েছিলো এবং সেটা এই শহরের ডাকাতি কিভাবে ম্যাজিকের মতো বন্ধ করে দিয়েছিলো?

যা হোক, আরো কোনো আইডিয়া থাকলে কমেন্টের ঘরে জানাতে পারেন, আমার মাথায় আপাতত এইটুকুই এসেছে...

পুলিশ ভাইদের কাছে অনুরোধ, দেশের এই পরিস্থিতিতে প্রতিটা থানায় শিশু নিঁখোজের কেসগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিন, ২৪ ঘন্টার জন্য ওয়েট কইরেন না! এই প্রটোকল অন্য রেগুলার সময়ের জন্য, এই সময়ের জন্য না! আমার এক ফ্রেন্ডের পুলিশ অফিসার বড় ভাই অনেক বছর আগে একটা কথা বলেছিলেন - ”বাংলাদেশের পুলিশ ধরতে পারবে না এমন কোনো ক্রিমিনাল এই দেশের মাটিতে এখন পর্যন্ত পয়দা হয় নাই। কোনোদিন হবেও না। কিন্তু পলিটিক্যাল ইস্যুতে বা বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় পুলিশ এইটা করতে পারে না!”

©proloy hasan

লেখাটা শেয়ার এবং সেভ করে রাখুন।
ভবিষ্যৎ এ কাজে লাগতে পারে।
অন্য অভিভাবক দের জানার সুযোগ করে দিন।

20/09/2026
আ হা মানুষ!
19/09/2026

আ হা মানুষ!

18/09/2026

পবিত্র কোরআন কেন আমাদের কিছু কথা গোপন রাখতে শিখিয়েছে?
যাকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন, তাকেও কি আপনার জীবনের সব কথা জানানো উচিত?

হযরত ইউসুফ (আ.) তখনও ছোট। একদিন তিনি একটি বিস্ময়কর স্বপ্ন দেখলেন। তিনি সেই স্বপ্নের কথা তাঁর বাবা হযরত ইয়াকুব (আ.)-কে বললেন।

তখন হযরত ইয়াকুব (আ.) তাঁকে এমন একটি কথা বললেন, যা আমাদের জীবনেও অনেক কিছু বদলে দিতে পারে।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“ইয়াকুব বললেন, ‘হে আমার প্রিয় বৎস! তোমার স্বপ্নের কথা তোমার ভাইদের কাছে বলো না। তাহলে তারা তোমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে।’” সূরা ইউসুফ: ৫

একটু খেয়াল করুন।

ইয়াকুব (আ.) কিন্তু বলেননি, “বাবা, কাউকে বিশ্বাস কোরো না।”
তিনি বলেননি, “তোমার ভাইয়েরা তোমাকে হিংসা করে।”

বরং তিনি মানুষের স্বভাব বুঝতেন। নিজের সন্তানদের মানসিকতাও জানতেন। তিনি বুঝেছিলেন, একটি নির্দিষ্ট তথ্য কখনো কখনো মানুষের মনে এমন একটি অনুভূতি জাগিয়ে দিতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত বড় বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

এখানেই আমাদের জন্য বড় একটি শিক্ষা আছে।

প্রজ্ঞা মানে সব কথা সবাইকে বলে দেওয়া নয়। প্রজ্ঞা হলো, কী বলতে হবে, কাকে বলতে হবে এবং কখন বলতে হবে, সেটা বুঝতে পারা।

সব মানুষ আপনার গোপন কথা রাখার মতো নয়। সবাই আপনার স্বপ্ন শোনার মতোও নয়। আবার আপনার জীবনে কী কী নিয়ামত এসেছে, তার সবকিছু সবাইকে জানানোও জরুরি নয়।

হতে পারে, কেউ আপনাকে ভালোবাসে। কিন্তু আপনাকে নিজের চেয়ে ভালো অবস্থানে দেখতে তার ভেতরে অস্বস্তি তৈরি হয়। হতে পারে, সে আপনার খুব কাছের মানুষ, কিন্তু অজান্তেই আপনার সঙ্গে নিজের তুলনা করছে। আপনার সাফল্যে সে হাসছে, অথচ ভেতরে ভেতরে হয়তো কষ্ট পাচ্ছে।

সবসময় সে খারাপ মানুষ, এমন নয়। মানুষ কখনো কখনো নিজের অপূর্ণতা আর তুলনার অনুভূতির ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখতে পারে না।

তাই কারো প্রতি ভালো ধারণা রাখার অর্থ এই নয় যে, নিজের জীবনের সবকিছু তার কাছে বলে দিতে হবে।

আপনার পরিকল্পনা, আয়-উপার্জন, পারিবারিক বিষয়, স্বামী-স্ত্রীর সমস্যা, সন্তানের ব্যক্তিগত কথা, ভবিষ্যতের লক্ষ্য, ভয় বা দুশ্চিন্তা সবকিছু সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার প্রয়োজন নেই।

নিজের গোপনীয়তা রক্ষা করা মানে কাউকে খারাপ মনে করা নয়।

যেমন, নিজের ঘরের দরজা বন্ধ রাখার অর্থ এই নয় যে, বাইরের সবাই চোর!

দুটি বিষয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে।

“আমি চাই না সবাই আমার জীবনের সবকিছু জানুক।” এটা প্রজ্ঞা।

আর,

“আমি কাউকেই বিশ্বাস করি না।” এটা কখনো কখনো ভেতরের কোনো আঘাতের প্রতিক্রিয়া হতে পারে।

এবার হযরত ইউসুফ (আ.)-এর ভাইদের ঘটনাটা একটু খেয়াল করুন।

ঘটনার শুরু হয়েছিল একটি তথ্য থেকে। তারা জানতে পারল, ইউসুফ (আ.) ও তাঁর ভাই বাবার কাছে তাদের চেয়ে বেশি প্রিয়।

এরপর সেই তথ্য পরিণত হলো তুলনায়।

তারা বলল,

“ইউসুফ ও তার ভাই আমাদের পিতার কাছে আমাদের চেয়ে বেশি প্রিয়, অথচ আমরা তো একটি শক্তিশালী দল।” সূরা ইউসুফ: ৮

তুলনা থেকে জন্ম নিল হিংসা। আর সেই হিংসা একসময় ভয়ংকর ষড়যন্ত্রে রূপ নিল।

তারা বলল,

“ইউসুফকে হত্যা করো অথবা তাকে কোনো দূরবর্তী স্থানে ফেলে দাও।” সূরা ইউসুফ: ৯

এরপর সেই ষড়যন্ত্রের পরিণতিতে ইউসুফ (আ.)-কে একটি অন্ধকার কূপে ফেলে দেওয়া হলো।

একটি তথ্য থেকে শুরু হলো তুলনা। তুলনা থেকে জন্ম নিল হিংসা। আর হিংসা থেকে তৈরি হলো ষড়যন্ত্র।

একটু নিজের জীবনের দিকে তাকাই।

আমাদের জীবনে কত সমস্যা শুধু তুলনা থেকেই শুরু হয়েছে!

কত ভাই নিজের ভাইয়ের সঙ্গে তুলনা করতে গিয়ে সম্পর্ক নষ্ট করেছে। কত মানুষ অন্যের সুখ দেখে নিজের জীবনকে অসহ্য মনে করেছে। কত মানুষ বন্ধুর সাফল্যে ভেতরে ভেতরে কষ্ট পেয়েছে।

তাই বিপদ শুধু এই নয় যে, অন্য কেউ আমাদের প্রতি হিংসা করবে। এর চেয়েও বড় বিপদ হলো, অন্যের নিয়ামত দেখে আমাদের হৃদয়ে হিংসা জন্ম নেবে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন,

“তোমরা পরস্পরের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করো না, হিংসা করো না, একে অপরের পেছনে লেগে থেকো না; বরং আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে থাকো।”

তাই হিংসার চিকিৎসা শুধু নিজের নিয়ামত গোপন করা নয়, নিজের হৃদয়কেও পরিষ্কার করা।

আপনার ভাইয়ের কাছে কোনো নিয়ামত দেখলে মনে মনে বলুন, “হে আল্লাহ! তাকে এতে বরকত দিন এবং আপনার অনুগ্রহ থেকে আমাকেও দান করুন।”

এমন ভাববেন না, “ওকে কেন দেওয়া হলো, আমাকে কেন দেওয়া হলো না?”

কারণ আল্লাহ কাউকে দিলে তাঁর ভাণ্ডার কমে যায় না।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“আর তোমরা আল্লাহর কাছে তাঁর অনুগ্রহ প্রার্থনা করো।” সূরা নিসা: ৩২

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

ইউসুফ (আ.) তাঁর স্বপ্ন সবার কাছ থেকে গোপন করেননি। তিনি তাঁর বাবার কাছে স্বপ্নের কথা বলেছেন।

কোরআন বলেনি, “তোমার স্বপ্নের কথা কাউকে বলো না।”

বরং বলা হয়েছে,“তোমার স্বপ্ন তোমার ভাইদের কাছে বলো না।”

অর্থাৎ, গোপনীয়তাও বাছাই করে হতে হবে।

যার কাছে নিরাপদ, তার কাছে বলা যায়। যার ব্যাপারে আশঙ্কা আছে, তার কাছে না বলাই প্রজ্ঞা।

আমাদের জীবনেও তাই সম্পর্কের কিছু সীমারেখা থাকা দরকার।

সবার সঙ্গে সাধারণ বিষয় নিয়ে কথা বলুন। বন্ধুদের সঙ্গে জীবনের কিছু বিষয় ভাগ করুন। আর যাদের সত্যিই বিশ্বস্ত মনে হয়, তাদের কাছে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলো বলুন।

আবার কিছু কথা এমনও আছে, যা শুধু আপনার এবং আল্লাহর মধ্যে থাকাই ভালো।

এটা মুনাফিকি নয়। মানুষকে ঘৃণা করাও নয়। এটা জীবনের শৃঙ্খলা।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে কোরআনের সঠিক বুঝ দান করুন, আমাদের অন্তরকে হিংসা থেকে পবিত্র রাখুন। আমিন।

by Salman Farsi

মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যদন্ড:সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সকলেই আর একান্ত ...
15/09/2026

মহাজ্ঞানী সক্রেটিসের মৃত্যদন্ড:

সক্রেটিসের মৃত্যুদন্ড কার্যকর হবে সন্ধ্যায়। তখনকার নিয়ম অনুযায়ী পরিবারের সকলেই আর একান্ত শিষ্যরা তার চারপাশ ঘিরে আছেন, কারাগারের অন্ধকার ঘরে ! প্রধান কারারক্ষী এসে শেষ বিদায় নিয়ে গেলেন. তার চোখেও অশ্রু টলমল করছে। হায় কি অদ্ভুত শাস্তি! *যে মরবে সে ধীরস্থির ও শান্ত। আর যে মারবে তার চোখে জল।*

‌‌

কারাগার প্রধান বললেন- *"এথেন্সের হে মহান সন্তান- আপনি আমায় অভিশাপ দিবেন না, আমি দায়িত্ব পালন করছি মাত্র"*।.এতবছর কারাগারে কাজ করতে গিয়ে আপনার মতো সাহসী, সৎ ওজ্ঞানী কাউকে আমি কখনো দেখিনি।

‌‌

মৃত্যুর ঠিক আগে সক্রেটিস তার পরিবারের নারী ও শিশুদের চলে যেতে বললেন। সুন্দর পোষাক পরলেন তিনি। শিষ্যরা সবাই কাঁদছে কিন্তু সক্রেটিস যেন বেপরোয়া। মৃত্যুতে কি কিছুই যায় আসে না তার? মৃত্যুদন্ডটা চাইলেই তিনি এড়িয়ে যেতে পারতেন !

‌‌

*তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিলো:- দেবতাদের প্রতি ভিন্নমত প্রকাশ। রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র ও তরুণদের বিপথগামী হতে উৎসাহ প্রদান।*

‌‌

নিয়ম অনুযায়ী খোলা মাঠে তার বিচার বসেছিলো। বিচারক ছিলেন তৎকালীন সমাজের ৫০০ জন জ্ঞানী মানুষ। এদের অনেকেই ছিলেন গ্রীসের রাজার একান্ত অনুগত। সক্রেটিসের মেধা ও বিশেষত তরুণদের কাছে তার জনপ্রিয়তায় জ্বলন ছিলো তাদের।

‌‌

সক্রেটিসকে খতম করার এমন সুযোগ তারা ছাড়বে কেন ?"""""

‌‌

*তবুও হয়তো প্রাণে বেঁচে যেতেন সক্রেটিস, কিন্তু কাঠ গড়ায় দাঁড়িয়েও বিচারকদের নিয়ে উপহাস করতে ভুললেন না। ফলাফল হেমলক লতার বিষপানে মৃত্যু*।

সক্রেটিস নিজেই তার আত্মপক্ষ সমর্থন করেছিলেন। কঠোর যুক্তি দিয়ে বিচারকদের প্রশ্নবাণে জর্জারিত করেছিলেন বিচারকেরা তার একটি প্রশ্নেরও সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেনি।

‌‌‌‌

*মৃত্যুর আগে একমাস কারাগারে বন্দী ছিলেন তিনি। নিয়ম ছিলো এমন। এই একমাসে কারারক্ষীরাও তার জ্ঞানে মুগ্ধ হয়ে গেলো। তারা তাকে পালিয়ে যেতে সাহায্য করতে চাইলো।‌‌সক্রেটিস বিনয়ের সাথে না করে দিলেন। বললেন আজ পালিয়ে গেলে ইতিহাস আমায় কাপুরুষ ভাববে। তিনি মনে করতেন বীরের মতো মৃত্যু অপমানের জীবনের চাইতে শ্রেষ্ঠ বলে* !

‌‌

ঐদিন সন্ধ্যায় প্রধান কারারক্ষী চলে যাওয়ার পরে জল্লাদ এলো পেয়ালা হাতে, পেয়ালা ভর্তি হেমলকের বিষ। সক্রেটিস জল্লাদকে বললেন কি করতে হবে আমায় বলে দাও !n‌জল্লাদ বললো পেয়ালার পুরোটা বিষ পান করতে হবে। একফোঁটাও নষ্ট করা যাবেনা। সক্রেটিস বললেন তবে তাই হোক। তিক্ত বিষের পুরো পেয়ালা তিনি জলের মতো করে পান করে ফেললেন। চারপাশে বসে থাকা শিষ্যরা চিৎকার করে কাঁদছেন, এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ ! তখন জল্লাদ আরও কঠোর নির্দেশটি দিলো। বললো নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে এখন কিছুক্ষণ পায়চারী করতে হবে। যাতে বিষের প্রভাব পুরোটা শরীরে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। হায় হায় করে উঠলেন সবাই।

‌‌

*শুধু ম্লান হাসলেন সক্রেটিস। বললেন আজীবন আইন মেনেছি। মৃত্যুতে আইন ভাঙবো কেন ?* ‌‌দূর্বল পায়ে উঠে দাঁড়িয়ে হাঁটলেন কিছুক্ষণ। যতক্ষণ তার শক্তিতে কুলোয়। এরপর বিছানায় এলিয়ে পড়লেন। *শিষ্যদের বললেন তোমরা উচ্চস্বরে কেঁদোনা। আমায় শান্তিতে মরতে দাও।*

‌‌

জল্লাদের পাষাণ মনেও তখন শ্রদ্ধার ভাব বিনয়ে আর লজ্জায় মাথা নামিয়ে নিলো সে। চাদর দিয়ে নিজের মুখ ঢেকে নিলেন সক্রেটিস।একবার চাদরটা সরালেন। একজন শিষ্যকে ডেকে বললেন প্রতিবেশীর কাছ থেকে একটা মুরগী ধার করেছিলাম আমি। ওটা ফেরত দিয়ে দিও।

‌‌

*ঐদিন সক্রেটিসের মূত্যুর খবর এথেন্সে ছড়িয়ে পড়লে, সাধারণ মানুষেরা বিক্ষোভ মিছিল সহকারে এথেন্সের রাস্তায় নেমে আসে ও সক্রেটিসের বিরুদ্ধে মিথ্যা রায় দেওয়া বিচারকদের পিটিয়ে হত্যা করে। কিছু বিচারক ও জল্লাদ অনুশোচনায় আত্মহত্যা করেছিলো*

‌‌

এই ছিলো তার শেষ কথা। খানিক পরেই অনিশ্চিত যাত্রায় চলে গেলেন মহাজ্ঞানী সক্রেটিস। তার শিষ্যদের মাঝে সেরা ছিলেন প্লেটো। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের এই ঘটনাগুলো প্লেটো তার রচিত বিখ্যাত রিপাবলিক গ্রন্থে লিখে গুরুকে অমর করে গেছেন।

প্রহসনের বিচারে সক্রেটিসের মৃত্যু হয়েছে ঠিকই। কিন্তু মৃত্যু তাকে মারতে পারেনি। শিষ্যদের মাঝে জ্ঞানের আলো দিয়ে বেঁচে রইবেন তিনি অনন্তকাল।

Picture:
Practice Work and client work
Software: Illustrator

সক্রেটিসের স্ত্রী জ্যান্টিপির রাগ ও ঝগড়াঝাঁটি নিয়ে এথেন্সে নানা কথা প্রচলিত ছিল। একবার এক ঝগড়ার সময় জ্যান্টিপি রাগ সহ্য ...
14/09/2026

সক্রেটিসের স্ত্রী জ্যান্টিপির রাগ ও ঝগড়াঝাঁটি নিয়ে এথেন্সে নানা কথা প্রচলিত ছিল। একবার এক ঝগড়ার সময় জ্যান্টিপি রাগ সহ্য করতে না পেরে সক্রেটিসের মাথায় এক বালতি নোংরা পানি ঢেলে দেন। সক্রেটিস এতটুকু রেগে না গিয়ে ভেজা গায়ে মুচকি হেসে বললেন, "আমি আগেই জানতাম, এত বজ্রপাতের পর বৃষ্টি তো নামবেই!"

Picture: Bkash Home Screen Recreation
Software: Figma

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়া                                         (اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَ...
10/09/2026

আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়া
(اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ عِلْمًا نَافِعًا)
অর্থ: "হে আল্লাহ, নিশ্চয়ই আমি আপনার কাছে কল্যাণকর ও উপকারী জ্ঞান প্রার্থনা করছি।"

এটি রাসুলুল্লাহ (সা.) প্রতিদিন ফজরের নামাজের সালাম ফেরানোর পর পড়তেন। পড়ালেখা শুরু করার আগে বা দ্বীনি ও দুনিয়াবি যেকোনো উপকারী জ্ঞান অর্জনের জন্য এটি একটি অন্যতম সেরা দোয়া।

Picture: Food delivery app home screen design!

Software: Figma

এক জনসভায় রাজনীতিবিদ চার্চিলের বক্তৃতা শুনে বিরোধীদলীয় সমর্থক এক নারী বলে উঠলেন, ‘আপনি আমার স্বামী হলে আপনাকে আমি বিষ খা...
07/09/2026

এক জনসভায় রাজনীতিবিদ চার্চিলের বক্তৃতা শুনে বিরোধীদলীয় সমর্থক এক নারী বলে উঠলেন, ‘আপনি আমার স্বামী হলে আপনাকে আমি বিষ খাইয়ে মেরে ফেলতাম।’ চার্চিল তাঁর দিকে তাকিয়ে হেসে বললেন, ‘সেটার বোধ হয় প্রয়োজন পড়ত না। আপনি আমার স্ত্রী হলে আমি নিজেই বিষ খেয়ে মারা যেতাম।’

Picture:
UI Designs
Software: Figma

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pixelora posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Pixelora:

Shortcuts

Share