NUR_Official49

NUR_Official49 বিভিন্ন প্রকার মজার ভিডিও পোস্ট এর মাধ্যে আপনাদের বিনোদনই আমার প্রধান লক্ষ্য
(2)

আমি এই পেজের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রকার-

,
শর্ট ভিডিও , ফানি ভিডিও , কমেডি ভিডিও , পার্সোনাল ব্লগ , ব্লক , টিক টক ভিডিও , স্নেক ভিডিও , রিল ভিডিও , শর্ট ভিডিও , পোষ্ট করব।
তার সাথে ,

যে সকল নিউজ তুলে ধরব আপনার সামনে- যেমন, রাজনৈতিক খবর , খেলার খবর , সাংস্কৃতিক খবর , দেশ ও জনপদের খবর , কৃষি খবর , সত্যি ঘটনা , সকল প্রকার রাজনৈতিক অরাজনৈতিক খবর বিভিন্ন পোস্ট করে থাকি।

NUR_Official49 পেইজে লাইক দিয়ে পাশে থাকবেন।
ধন্যবাদ সবাইকে

11/04/2026

07/04/2026

বাংলাদেশ ক্রিকেট মানেই নাটক 😀😀

নীল আকাশ...
07/04/2026

নীল আকাশ...

কলিজার বন্ধুগুলো...
06/04/2026

কলিজার বন্ধুগুলো...

💥🌅চৈত্রের আগুন💦🔥লেখক: ChatGPTচৈত্র মাস এলেই গ্রামের মানুষজন যেন আগুনের ভেতর বাস করতে শুরু করে। আকাশটা তখন নীল থাকে ঠিকই,...
04/04/2026

💥🌅চৈত্রের আগুন💦🔥
লেখক: ChatGPT
চৈত্র মাস এলেই গ্রামের মানুষজন যেন আগুনের ভেতর বাস করতে শুরু করে। আকাশটা তখন নীল থাকে ঠিকই, কিন্তু সেই নীলের ভেতরে লুকিয়ে থাকে এক অদ্ভুত তাপ—যেন সূর্যটা একটু বেশি কাছাকাছি নেমে এসেছে।
সেই গ্রামের নাম ছিল কাশিপুর। চারদিকে মাঠ, মাঝখানে কয়েকটা কাঁচা রাস্তা, আর ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা টিনের ঘর। চৈত্র মাস পড়তেই মাঠের সবুজ ধীরে ধীরে হলদে হয়ে যায়। ধানের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে, খালি জমির ওপর রোদ পড়লে যেন আগুন ঝলসে ওঠে।
এই গ্রামেই থাকত রফিক। বয়স বারো-তেরো হবে। গায়ের রং রোদে পুড়ে শ্যামলা, চোখ দুটো বড় বড়। তার সবচেয়ে প্রিয় কাজ ছিল দুপুরবেলায় পুকুরে ঝাঁপ দেওয়া। কিন্তু চৈত্র মাসে সেই সুযোগও যেন কমে যায়।
একদিন দুপুরে রফিক মায়ের কাছে গিয়ে বলল,
“মা, আজকে পুকুরে যাবো?”
মা হাঁসফাঁস করতে করতে বললেন,
“এই রোদে? মাথা খারাপ নাকি? দুপুরের রোদে গেলে জ্বর আসবে।”
রফিক মুখ বাঁকিয়ে বারান্দায় বসে রইল। চারদিকে গরমে যেন বাতাসও থেমে গেছে। একটা হালকা হাওয়া এলেই মনে হয় বাঁচা যায়, কিন্তু সেই হাওয়াও যেন চৈত্রে কৃপণ হয়ে যায়।
দূরে তালগাছের পাতাগুলো স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কোনো শব্দ নেই। মাঝে মাঝে শুধু কাকের ডাক—“কা… কা…”—তাও যেন ক্লান্ত।
বিকেলের দিকে রফিকের বন্ধু করিম এল।
“চল, বিলে যাই। একটু বাতাস পাবো।”
রফিকের চোখ জ্বলে উঠল।
“চল!”
দুজনেই খালি পায়ে দৌড় দিল। রাস্তার মাটিটা এত গরম ছিল যে মাঝে মাঝে লাফিয়ে লাফিয়ে যেতে হচ্ছিল। বিলে গিয়ে দেখে পানি কমে গেছে। আগের মতো ভরা নেই। কিন্তু তবুও পানির কাছে গেলে একটু ঠান্ডা লাগে।
করিম বলল,
“দেখছিস? পানি শুকায়া যাইতেছে।”
রফিক চুপ করে তাকিয়ে রইল। তার মনে হলো, শুধু পানি না—এই গরম যেন সবকিছু ধীরে ধীরে শুকিয়ে দিচ্ছে।
হঠাৎ দূরে একটা ধুলোঝড় উঠতে শুরু করল। বাতাস আগে শান্ত ছিল, এখন হঠাৎ করেই যেন রেগে গেছে। ধুলো উড়তে লাগল, গাছের পাতা কাঁপতে লাগল।
“কালবৈশাখী আসতেছে!”—করিম চিৎকার করে উঠল।
দুজনেই দৌড়ে একটা বড় আমগাছের নিচে গিয়ে দাঁড়াল। আকাশের রং বদলে গেল। নীল থেকে ধূসর, তারপর প্রায় কালো। বিদ্যুৎ চমকালো, তারপর গর্জন।
একটু পরেই শুরু হলো ঝড়। প্রচণ্ড বাতাসে গাছ দুলতে লাগল, শুকনো পাতা উড়তে লাগল। রফিকের মনে হচ্ছিল, এই ঝড় যেন চৈত্রের সমস্ত গরম একসাথে ধুয়ে মুছে ফেলতে এসেছে।
তারপরই বৃষ্টি।
প্রথম ফোঁটাটা পড়তেই রফিক চোখ বন্ধ করে দিল। গরম মাটির গন্ধ উঠে এলো—একটা অদ্ভুত মিষ্টি গন্ধ। তারপর টাপুর-টুপুর, তারপর ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল।
রফিক আর করিম বৃষ্টিতে ভিজতে লাগল।
করিম হেসে বলল,
“এইটাই আসল মজা!”
রফিকও হাসল। তার মনে হচ্ছিল, এতদিনের সব কষ্ট, সব গরম—এই বৃষ্টির জলে গলে যাচ্ছে।
বৃষ্টি থামার পর চারদিকে একটা নতুন রূপ। মাটি ভিজে গেছে, গাছগুলো সতেজ হয়ে উঠেছে। বাতাসে ঠান্ডা ছোঁয়া।
রফিক আকাশের দিকে তাকিয়ে বলল,
“চৈত্র যতই গরম হোক, শেষে কিন্তু এমন বৃষ্টি দিতেই হয়।”
করিম মাথা নেড়ে বলল,
“হ্যাঁ, না হলে মানুষ বাঁচতো কিভাবে?”
সন্ধ্যা নেমে এলো। দুজনেই ভেজা শরীর নিয়ে বাড়ির পথে হাঁটতে লাগল। আকাশে তখন লাল আভা, যেন দিনের শেষ আলো।
রফিক মনে মনে ভাবল—চৈত্র মাস শুধু গরমের নয়, অপেক্ষারও। অপেক্ষা—একটু বৃষ্টির, একটু শান্তির।
আর সেই অপেক্ষার পর যখন বৃষ্টি আসে, তখন মনে হয়—জীবনটা আসলে এত কঠিনও না।
চৈত্রের আগুন পুড়িয়ে দেয় ঠিকই, কিন্তু সেই আগুনের ভেতর দিয়েই মানুষ নতুন করে বাঁচার স্বাদ খুঁজে পায়।

Address

Haluaghat, Mymensingh
Dhaka
2261

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when NUR_Official49 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share