Royal News Tv

Royal News Tv সত্য প্রকাশের অঙ্গিকার, দেশ ও জাতির অহংকার

জয়পুরহাটে ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃজয়পুরহাট শহরের একটি বেসরকারি ক্লিন...
09/08/2026

জয়পুরহাটে ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাট শহরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রসবের সময় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তদন্তে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে জেলা সিভিল সার্জনের কার্যালয়। কমিটিকে আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে এ কমিটি গঠন করা হয়। এরআগে শনিবার (৮ আগস্ট) পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শিশুটির বাবা মোস্তাফিজুর রহমান কাজল এ বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা. মো. আল মামুন।

তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে ৪০০ শয্যার জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. সরদার রাশেদ মোবারককে। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- একই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা. নাসিমা আক্তার নীনা এবং ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু, গাইনি) ডা. মোর্শেদা খাতুন স্বপ্না।

​অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, গাইনি চিকিৎসক নূর-উন নাহার নাজমীর পরামর্শে গত ৩ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে প্রসবের জন্য কাজলের স্ত্রী মোছা. রহিমা খাতুনকে জয়পুর ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) নেওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, তার স্ত্রী দীর্ঘ সময় প্রসব বেদনায় কাতর থাকায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার জন্য চিকিৎসককে বারবার অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তা না করে চিকিৎসক ও নার্সরা স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা করেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা চলে। একপর্যায়ে চিকিৎসক ও নার্সসহ চার-পাঁচজন তার স্ত্রীর হাত-পা চেপে ধরে শিশুটিকে টেনে বের করার চেষ্টা করেন। এতে শিশুটির শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ক্ষত হয়। পরে শিশুটি জন্ম নিলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় কিছুক্ষণ পর মারা যায় বলে অভিযোগ করেন কাজল।

মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে আমার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে রোববার দুপুরে জয়পুর ক্লিনিকে গিয়ে ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলমকে তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

সিভিল সার্জন ডা. মো. আল মামুন বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জয়পুরহাটে ৭ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণের মামলায় একজনের মৃ*ত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত
13/07/2026

জয়পুরহাটে ৭ম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণের মামলায় একজনের মৃ*ত্যুদন্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত

11/07/2026

জয়পুরহাট সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা ব্যর্থ, শূন্যরেখায় বিজিবির পাহারায় তিনজন

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে আবারও ভারত থেকে তিনজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী ...
11/07/2026

জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভুটিয়াপাড়া সীমান্ত দিয়ে আবারও ভারত থেকে তিনজনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে স্থানীয় গ্রামবাসী ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ওই তিনজনকে নিয়ে বিজিবি সীমান্তের ২৭৫/৮-এস সাব-পিলারের শূন্যরেখায় অবস্থান করছে।
শনিবার (১১ জুলাই) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে ভুটিয়াপাড়া সীমান্তের পশ্চিম রামকৃষ্ণপুর এলাকার ২৭৫/৮-এস সাব-পিলার দিয়ে একজন বৃদ্ধ ও দুই নারীকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ।

স্থানীয় গ্রামবাসী ও বিজিবি সূত্রে জানা যায়, ভোরে সীমান্তের লাইটপোস্টের আলো নিভিয়ে বিএসএফ সদস্যরা তিনজনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টের পেয়ে গ্রামবাসীরা তাদের আটক করে বিজিবিকে খবর দেন। পরে বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে নিয়ে শূন্যরেখায় অবস্থান নেন। বর্তমানে সেখানে বিজিবি সদস্যরা কড়া পাহারায় রয়েছেন।

আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন নড়াইল জেলার বাসিন্দা হাফিজুর রহমান (৬৫), নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নাসিমা বেগম (৫০) এবং নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার শিউলি খাতুন (৩৫)। প্রাথমিকভাবে তাদের পরিচয় এভাবেই জানা গেছে।

স্থানীয় ধলাহার ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সফিকুল ইসলাম বলেন, ভোরে বিএসএফ তিনজনকে পুশইনের চেষ্টা করলে গ্রামবাসীরা তা প্রতিহত করেন। পরে বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, মোট পাঁচজনকে পুশইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। এর মধ্যে তিনজনকে আটক করা গেলেও বাকি দুজন কোথায় আছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবি স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, কোনো অবস্থাতেই বাংলাদেশে জোরপূর্বক পুশইন করতে দেওয়া হবে না। বিজিবির পক্ষ থেকে বিএসএফকে বলা হয়, যেহেতু ওই ব্যক্তিরা ভারতে অবস্থান করছিলেন, তাই তাদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া বিএসএফের দায়িত্ব। বৈঠক শেষে বিএসএফ সদস্যরা তিনজনকে শূন্যরেখায় রেখেই ফিরে যায়।

বর্তমানে তিনজনই শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। বিজিবি সদস্যরা সেখানে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এক পঙ্গু ও অসহায় বাবাকে জীবন্ত মাটিচাপা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের ভেতর গোপনে বিশাল গর্ত (কব...
10/07/2026

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এক পঙ্গু ও অসহায় বাবাকে জীবন্ত মাটিচাপা দিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের ভেতর গোপনে বিশাল গর্ত (কবর) খোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর মাদকাসক্ত ছেলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোস্তাকিম (২৫) নামের ওই তরুণকে হাতেনাতে আটক করে গণপিটুনি দিয়েছেন এলাকাবাসী।

গত বুধবার (৮ জুলাই) উপজেলার বানিয়াচাপড় গ্রামে গা শিউরে ওঠার মতো ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বানিয়াচাপড় গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম (৪৮) পাঁচ বছর আগে গাছ থেকে পড়ে গিয়ে মেরুদণ্ড ভেঙে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। কোমর থেকে দুই পা অবশ হয়ে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিছানাগত। বড় মেয়ে সুরাইয়া আক্তার এমএ পাস করলেও পরিবারের জীবিকার তাগিদে মা ও অন্য ভাইবোনদের নিয়ে পার্শ্ববর্তী বগুড়ার দুপচাঁচিয়া শহরে ফুচকা বিক্রি করেন। আর পঙ্গু সালাম নিজের টিনশেড মাটির বাড়ির খোলা বারান্দায় বড় ছেলে মোস্তাকিমের তত্ত্বাবধানে থাকতেন।

অভিযোগ রয়েছে, প্রথম দিকে মোস্তাকিম বাবার সেবা করলেও ধীরে ধীরে সে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং বাবার ওপর চড়াও হতে থাকে। মাদকের টাকার জন্য প্রায়ই পঙ্গু বাবাকে মারধর করত এবং হত্যার হুমকি দিত। গত কয়েক দিন ধরে মোস্তাকিমের সন্দেহজনক আচরণ দেখে ভয় পেয়ে যান বাবা সালাম। মোস্তাকিম একা একা ঘরের ভেতর বালতি হাতে কী যেন করছিল। গত বুধবার দুপুরের দিকে সালাম তাঁর চাচাতো ভাই রাজুকে ডেকে ঘরের ভেতর দেখার অনুরোধ করেন। রাজু ঘরের দরজা খুলে ভেতরের এক কোণে প্রায় ৫ ফুট প্রস্থ ও ৭ ফুট গভীর একটি বিশাল গর্ত দেখতে পান। একই সঙ্গে পুরো ঘরজুড়ে মাটিভর্তি বস্তা এবং অন্য ঘরের মেঝেতে কাদা-মাটির স্তূপ প্রস্তুত রাখা দেখতে পান।

ঘটনা জানাজানি হলে স্থানীয় গ্রামবাসী মোস্তাকিমকে আটক করে রশি দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে মোস্তাকিমকে মাদকাসক্ত দাবি করে এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর মা ও বড় বোন এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাঁকে ছাড়িয়ে নিয়ে দ্রুত গ্রাম ত্যাগ করেন।

গ্রামের বাসিন্দা রাজু আহমেদ বলেন, মোস্তাকিম তার পঙ্গু বাবাকে গোপনে জীবন্ত পুঁতে রাখার জন্যই এই গর্ত খুঁড়েছে এবং মাটিচাপা দেওয়ার জন্য কাদা প্রস্তুত করেছে। পরিবার ও সমাজের কাছে বোঝা হয়ে যাওয়া বাবাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে ভুক্তভোগী আব্দুস সালাম বলেন, আমাকে মাটিচাপা দিয়ে হত্যা করার জন্যই আমার ছেলে গোপনে ঘরের ভেতর গর্ত খুঁড়েছে। আমার কাছে প্রতিদিন বাইরের লোকজন আসত। নুন থেকে পান খসলেই সে আমাকে গালাগালি করত। হাতে যা থাকত, তাই নিয়ে মারতে আসত। মাঝেমধ্যেই হত্যা করার হুমকি দিত। বিষয়টি জানাজানি না হলে হয়তো আমার আর কেউ খোঁজই পেত না। আমি ছেলের জন্য খুব ভয় পাই। আল্লাহর কাছে মৃত্যুর জন্য কান্নাকাটি করি, কিন্তু মৃত্যু তো হয় না। আমি আর বাঁচতে চাই না। জীবনে অনেক কষ্ট করে চার সন্তানকে মানুষ করেছি। সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নিজের সম্পদ বিক্রি করে চিকিৎসাও করাইনি। এখন আমার স্ত্রীও আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। পৃথিবীতে আমার আসলে কেউ নেই।

এ সময় তিনি বেঁচে থাকা পর্যন্ত প্রশাসনের কাছে নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

তবে মোস্তাকিমের বড় বোন সুরাইয়া বেগম দাবি করেন, আমার ভাই নেশাগ্রস্ত, এটা ঠিক। তবে বাবাকে হত্যার জন্য গর্ত খোঁড়ার বিষয়টি সঠিক নয়। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ থাকতে পারে। আমরা থানায় অভিযোগ করব। পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা বের করুক।

এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. আব্দুল করিম বলেন, বিষয়টি মৌখিকভাবে শুনেছি। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মায়ের মৃত্যুর কারণে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে জানাজায় অংশ নিয়েছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলোচিত কয়েদি আবু হায়াত। শুক্রবা...
10/07/2026

মায়ের মৃত্যুর কারণে প্যারোলে মুক্তি পেয়ে জানাজায় অংশ নিয়েছেন জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার আলোচিত কয়েদি আবু হায়াত।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্যারোলে মুক্তি পাওয়ার পর মায়ের দাফন সম্পন্ন শেষে পুনরায় তাঁকে জয়পুরহাট কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

কারাগার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আবু হায়াতের মা তাহেরা বেগম (৬৫) গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে আবু হায়াত প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানান। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আজ শুক্রবার তাঁকে ২ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়।

ক্ষেতলাল উপজেলার আলমপুর গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে আবু হায়াত দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন মামলায় জয়পুরহাট কারাগারে বন্দি ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র, চুরি, ছিনতাইসহ একাধিক ডাকাতি মামলা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি তাকে অস্ত্র মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে কারাসুত্রে জানা গেছে।

পুলিশ ও কারা কর্তৃপক্ষের কঠোর নিরাপত্তায় আবু হায়াত তাঁর নিজ গ্রামে মায়ের জানাজা ও দাফন কার্যে অংশ নেন। দাফন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরপরই তাঁকে পুনরায় জয়পুরহাট জেলা কারাগারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্যারোলে মুক্তির নিয়ম অনুযায়ী ২ ঘন্টার জন্য কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে জানাজা শেষে আসামিকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জয়পুরহাট জেলা কারাগারের জেলার তোফায়েল আহম্মেদ খাঁন জানান, অস্ত্র মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আবুল হায়াতের মায়ের মৃত্যুতে তার আবেদন ভিত্তিতে জানাযায় অংশ নেওয়ার জন্য ২ ঘন্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

কালাইয়ে ৩০ প্রতিবন্ধীর হাতে হুইল চেয়ার তুলে দিলেন প্রতিমন্ত্রীজয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় অসহায় ও অসচ্ছল ৩০ জন প্রতিবন্ধী ব...
04/07/2026

কালাইয়ে ৩০ প্রতিবন্ধীর হাতে হুইল চেয়ার তুলে দিলেন প্রতিমন্ত্রী

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় অসহায় ও অসচ্ছল ৩০ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির মাঝে হুইল চেয়ার বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় কালাই বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপকারভোগীদের হাতে হুইল চেয়ার তুলে দেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, বর্তমান সরকার দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে এবং সুষম উন্নয়নে কাজ করছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা সমাজের বোঝা নন। যথাযথ সুযোগ-সুবিধা, প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা পেলে তারাও দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম। তিনি আরও বলেন, মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সামাজিক দায়িত্বের অংশ এবং এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সহায়ক।

‘ব্যালেন্স উইদাউট কমপ্রোমাইজ’ স্লোগানকে সামনে রেখে সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে আল-খায়ের ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মিসেস নাজমা আরা বারী, কালাই থানা বিএনপির আহ্বায়ক মো. ইব্রাহিম হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মৌদুদ আলম সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিএসবি ও আরআইবির প্রতিনিধিরা।

হুইল চেয়ার পেয়ে উপকারভোগী ও তাঁদের স্বজনরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, এই সহায়তা তাঁদের চলাচল সহজ করার পাশাপাশি স্বাভাবিক জীবনযাপনে নতুন আশার সঞ্চার করবে।

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেইদুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সত্যিকারের গণরায় বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নে...
04/07/2026

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে গণরায় বাস্তবায়নের বিকল্প নেই

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সত্যিকারের গণরায় বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জয়পুরহাট-১ আসনের জামায়াতের এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ। শনিবার বিকালে শহীদ ডাক্তার আবুল কাশেম ময়দানে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার, সুশাসন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১১ দলীয় ঐক্যের ডাকা এক গণমিছিল ও সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ দেশের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, বাংলার মানুষ বারবার ধোঁকা খেয়েছে। ৪৭ সালে কোরআন-সুন্নাহর ভিত্তিতে দেশ পরিচালনার স্লোগানে জনগণ রায় দিলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। এরপর ২৪ বছরের মাথায় শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে ভাতের ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠায় এ জাতি জীবন দিয়ে দেশ স্বাধীন করে। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তিনি গণতন্ত্র হত্যা করে একদলীয় শাসন কায়েম করেন, যা জাতি প্রত্যাখ্যান করেছিল। তিনি বলেন, বারবার আন্দোলনের পর দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন না হওয়ায় এ দেশের মানুষ বারবার ধোঁকা খেয়েছে।

সাম্প্রতিক গণঅভ্যুত্থানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ৯০-এর স্বৈরাচার এবং ২৪-এর ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন হয়েছে। গত ১৫ বছরে বড় বড় রাজনৈতিক আন্দোলনে সরকারের পতন না হলেও ৩৬ দিনের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য কমিটিতে যেসব সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তা তারা ঠিক রাখেনি। এখন তারা অক্ষরে অক্ষরে সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও, বাস্তবে সুকৌশলে মূল সিদ্ধান্তগুলো বাদ দিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে যে জুলাই সনদ ছাপানো হয়েছে তা সঠিক নয়। তিনি অভিযোগ করেন, তারা সাময়িক সুবিধার জন্য দাবি মেনে নিলেও এখন তা অবাস্তব বলছে। শুরুতেই জাতিকে ধোঁকা দেওয়া এসব ধোঁকাবাজরা জাতির কোনো কল্যাণ করতে পারবে না।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, যারা ময়দানে আন্দোলন করেছে সেই জামায়াতে ইসলামী, বিশেষ করে যুবসমাজ ও এনডিপি-সহ সবার আজকের দাবি একটাই- জুলাই আন্দোলনের গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও মাদক উল্লেখ করে তিনি বলেন, এদের খুঁজে বের করা সহজ; কারণ ক্ষমতাসীনদের আশ্রয় ছাড়া এসব অপরাধ ও মাদকের ব্যবসা সম্ভব নয়। অবিলম্বে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মানুষ রক্ত দিয়েছে কোনো চাঁদাবাজের চোখ দেখার জন্য নয়।

সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে এমপি ফজলুর রহমান সাঈদ বলেন, হাজারো ছাত্র-জনতা কোনো ধোঁকাবাজকে ক্ষমতায় বসানোর জন্য রক্ত দেয়নি। গণরায় বাস্তবায়ন না করলে এবং অপরাধ বন্ধ না করলে জনগণ আপনাদের মেনে নেবে না। জাতির সাথে আবারও ধোঁকাবাজি করা হলে এ জাতি পুনরায় রাস্তায় নামবে। ১৭ বছরের আন্দোলনে সরকারের পরিবর্তন হয়েছে এবং জাতি কোনো দুর্নীতিবাজ দেখতে চায় না—এ কথা তিনি সংসদেও বারবার বলেছেন বলে উল্লেখ করেন। সময় থাকতে হুঁশিয়ার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণকে মূল্যায়ন করে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজমুক্ত দেশ গড়তে হবে। যতদিন জনতার আন্দোলনের প্রকৃত রায় বাস্তবায়ন না হবে, ততদিন রাজপথের এই আন্দোলন থেকে সরে না যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

জেলা ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে আয়োজিত এ সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া, সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশিদ, রাশেদুল আলম সবুজ, জেলা নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম কবির, জেলা খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারি আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।

ক্লান্ত দুপুরে ভাতের সঙ্গে যদি থাকে সর্ষে তেলের ঝাঁঝ আর ছোট মাছের ঘরোয়া স্বাদ, তাহলে খাবারের তৃপ্তি যেন কয়েক গুণ বেড়ে...
03/07/2026

ক্লান্ত দুপুরে ভাতের সঙ্গে যদি থাকে সর্ষে তেলের ঝাঁঝ আর ছোট মাছের ঘরোয়া স্বাদ, তাহলে খাবারের তৃপ্তি যেন কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

পুষ্টিগুণে ভরপুর ছোট মাছ দিয়ে তৈরি চচ্চড়ি যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি সহজেই তৈরি করা যায় অল্প সময়ে। সর্ষে তেলের অনন্য সুবাস ও মসলার সঠিক মিশেলে এই পদটি হয়ে উঠতে পারে দুপুরের খাবারের বিশেষ আকর্ষণ। জেনে নিন, কীভাবে সহজে তৈরি করবেন সর্ষে তেলে ছোট মাছ চচ্চড়ি।

উপকরণ
ছোট মাছ ৪০০ গ্রাম
সর্ষের তেল প্রয়োজনমতো
পেঁয়াজকুচি ১ কাপ
রসুনবাটা ১ চা-চামচ
কাঁচামরিচ ফালি ৮-১০ ফালি (স্বাদমতো)
সর্ষে বাটা ১ টেবিল চামচ
হলুদ ও মরিচবাটা আধা চা-চামচ করে
টমেটোকুচি ১টি
ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ
লবণ স্বাদমতো

রাজকীয় সাজে অপরূপ পরীমনি
03/07/2026

রাজকীয় সাজে অপরূপ পরীমনি

Address

Uttara Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Royal News Tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Royal News Tv:

Shortcuts

Share