Rashida

Rashida নিজের সবটা দিয়ে নিজেকে ভালো রাখো, নিজের জন্য বাঁচো। সবাই পেইজটাকে ফলো দিবেন। সাপোর্ট করবেন সবাই

শুভ দুপুর কেমন আছেন সবাই
13/08/2026

শুভ দুপুর কেমন আছেন সবাই

12/08/2026

আমার ভাগ্যটা অদ্ভুব।

আমিও সালমান শাহ র ভক্ত। সেই ছোট বেলা থেকে। আমিও চাই অপরাধী র বিচার হোক।।
12/08/2026

আমিও সালমান শাহ র ভক্ত। সেই ছোট বেলা থেকে। আমিও চাই অপরাধী র বিচার হোক।।

12/08/2026

মা মেয়ে কেমন হলো ❤️❤️💗💖💓

ডায়েটে আছি শুভ দুপুর 🥰💥
12/08/2026

ডায়েটে আছি শুভ দুপুর 🥰💥

৯ আগস্ট ২০২৬ সকালে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে আটক করা হয়...
11/08/2026

৯ আগস্ট ২০২৬ সকালে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরব যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ডনকে আটক করা হয়।

সালমান শাহ হত্যা মামলায় আসামি হওয়ার কারণে তার ওপর আদালত ও ইমিগ্রেশনের পক্ষ থেকে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা (স্টপ লিস্ট) ছিল। তিনি বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করার চেষ্টা করলে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং পরবর্তীতে সিআইডির হাতে হস্তান্তর করে।
​ সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়ে আদালতে সোপর্দ করেছে এবং মামলার পুনঃতদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

​সালমান শাহ্‌র মৃত্যু (৬ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬) নিয়ে প্রথমে অপমৃত্যু মামলা হলেও তার পরিবার (বিশেষ করে মা নীলা চৌধুরী) শুরু থেকেই এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করে আসছিলেন।

​২০২০ সালে পিবিআই (PBI) তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টিকে 'আত্মহত্যা' হিসেবে উল্লেখ করে।
​তবে সালমান শাহর পরিবার সেই প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন/রিভিশন রিট দায়ের করে।
​২০২৫ সালের অক্টোবরে সেশন কোর্ট সালমান শাহর পরিবারের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে এবং হত্যা মামলা হিসেবে নতুন করে সিআইডি বা বিচারিক তদন্তের নির্দেশ দেয়।

​সেই সাথে মামলার এজহারভুক্ত ১১ জন আসামির ওপর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ডন সেই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকার কারণেই বিমানবন্দরে ধরা পড়েন।

​সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা এই মামলার ১ নম্বর প্রধান আসামি! ​সামিরা সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সিলিং ফ্যান সম্পর্কিত ট্রমার কথা, যা তার ব্যক্তিগত অনুভূতির দিক নির্দেশ করে।

ডনের গ্রেপ্তারের মাধ্যমে স্পষ্ট যে, এই মামলার এজহারভুক্ত অন্য সব আসামি (সামিরা, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ অন্যান্যরা) আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারিতে রয়েছেন। তাদের কারোরই বিদেশযাত্রার সুযোগ নেই।
​ এখন পুরো ঘটনা নতুন করে তদন্ত করছে। তদন্ত কর্মকর্তা প্রয়োজনে সামিরাকে সিআইডি কার্যালয়ে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ বা সমন পাঠাতে পারেন।

তদন্তে নতুন তথ্য বা সাক্ষ্য-প্রমাণ উঠে এলে ডনের মতো সামিরাকেও পুলিশ যেকোনো সময় গ্রেপ্তার করতে পারে। আইনি পথ হিসেবে সামিরাকে হয়তো আদালতে গিয়ে আগাম জামিন (Anticipatory Bail) আবেদন করতে হবে অথবা আইনি লড়াই চালাতে হবে।

পুনঃতদন্ত শেষ হলে সিআইডি আদালতে একটি সম্পূরক চার্জশিট (Supplementary Chargesheet) জমা দেবে। সেখানে যদি সামিরা বা ডনসহ অন্য আসামিদের যুক্ত থাকার সুনির্দিষ্ট প্রমাণ মেলে, তবে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।

​সামিরার ট্রমার কথা ব্যক্তিগত আবেগের জায়গায় থাকলেও, আদালত ও তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি বর্তমানে এটিকে একটি সক্রিয় হত্যা মামলা হিসেবে বিবেচনা করছে। ডনের গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে ২৯ বছর পর এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম ও নতুন তদন্ত আবার জোর গতি লাভ করল।🤔🤔🤔🥹🥹

11/08/2026

এই জীবন নিয়ে আফসোস নেই 😭😭😭😭

শুভ দুপুর 🥰💥
11/08/2026

শুভ দুপুর 🥰💥

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rashida posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share