17/07/2026
অর্থনীতি বিভাগের সাবেক এক ছাত্রের ওয়াল থেকে-
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. আইনুল ইসলাম ,এই নামের ব্যক্তিটি দোসর হয়ে কোন ব্যক্তির কি কি ক্ষতি করেছেন সেটা আমার অজানা, কিন্তু আমার চোখের সামনে হাজারো শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করেছেন, এই অপরাধের শাস্তিই হয়তো পাচ্ছেন। কারণ,
১। তিনি চেয়ারম্যান হয়ে ৫/৬ বছরের অনার্সকে মাত্র ৪ বছরে নামিয়ে এনেছেন, দেড়-দুই বছর সেশনজটকে তিনি বিদায় জানিয়ে শিক্ষার্থীদের অফুরন্ত ক্ষতি করেছেন। তারা আদুভাই হতে পারছেন নাহ 😭
২। ক্লাস টিচাররা যখন খেয়ালখুশিমত শিক্ষার্থীদের মিডে গণহারে শূন্য দিতো, তিনি চেয়ারম্যান হয়ে সেই প্রথা ভেঙে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতায় নাম্বার দেওয়ার অভ্যাস করতে ক্লাস টিচারদের রীতিমতো বাধ্য করেছেন। যার ফলে শিক্ষার্থীরা মিডে অবাস্তব ফেইল করা থেকে মুক্ত হয়েছে, এটা ত অন্নপাপ।
৩। তিনি চেয়ারম্যান হওয়ার পর একজন শিক্ষার্থীকেও সার্টিফিকেট ছাড়া ডিপার্টমেন্ট ছাড়তে হয়নি, যেখানে আমাদের ব্যাচেরই ৫-৬ জন অনার্স শেষ করতে পারেন নাই এবং ৪৬ জন ফেইল করে পরের ব্যাচে চলে গিয়েছিলো। ক্লাস টিচারের স্বপ্নের দোষ হওয়ার মতো বিশাল কারণে যখন ক্লাস অফ থাকতো কিন্তু শিক্ষার্থীরা ক্লাসে এসে পড়তেন, তখন তিনি স্বপ্রণোধিত হয়ে ক্লাস নিয়েছেন। এটা ত অনেক বড় অপরাধ।
৪। উনার ইমিডিয়েট আগের চেয়ারম্যানের সাথে দেখা করার জন্য অফিস রুমে আবেদন দিতে হইতো, কিন্তু উনি সেই প্রথা ভেঙে শিক্ষার্থীদের সকল সমস্যা শুনতেন এবং যেকোনো প্রয়োজনে উনার সাথে কথা বলার একসেস পেতেন সবাই। এটা ত অনুচিত! চেয়ারম্যানের হ্যাডম ত ভেঙে গেছে, এটা ত নিকৃষ্ট অপরাধ।
৫। অর্থনীতি পড়ে সিজিপিএ-৩ পাওয়া যেখানে বহু শিক্ষার্থীর দুঃস্বপ্ন হয়ে গিয়েছিলো এবং প্রতিটি সেমিস্টারেই ইম্প্রুভমেন্ট খেয়ে শিক্ষার্থীরা বাঁকা হয়ে যেতো। সেখানে তিনি চেয়ারম্যান হয়ে গণহারে ইম্প্রুভমেন্ট উদাও করে দিলেন এবং সিজিপিএ ৩.৫০ বা তার বেশি পাওয়ার শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়িয়ে দিলেন।
এইভাবে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করায় উনাকে আজকের করা অপমান শতভাগ যৌক্তিক 🔥
বি:দ্র: ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি ডিপার্টমেন্টে বিদ্যমান এবং গত সপ্তাহে উনাকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন করা হয়েছে তাও বিএনপি সরকারের আমলে এবং বিএনপিপন্থী ভিসির আমলে। তাহলে কি উনাকে অপমান করার জন্যই ডিন বানানো হয়েছে?
পুনশ্চঃ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের এই বালের রাজনীতি নিষিদ্ধ করুন, শিক্ষক মানে শুধুই শিক্ষক; বিএনপিপন্থী শিক্ষক,আওয়ামীপন্থী শিক্ষক আর জামায়াতপন্থী শিক্ষক হিসেবে আর একজনও পরিচিতি না পাক।
সাবেক শিক্ষার্থী
অর্থনীতি বিভাগ, জবি।