Islamic World

09/07/2025

সুদ কি? সুদ কেন ইসলামে হারাম।?

ইসলামী অর্থনীতিতে সুদ (রিবা) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং নিষিদ্ধ বিষয়। কুরআন ও হাদিসে সুদকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে এবং এর ভয়াবহ পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে। কেন সুদ নিষিদ্ধ, তার পেছনে গভীর নৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যুক্তি রয়েছে।
সুদ (রিবা) কী?
আভিধানিকভাবে 'রিবা' শব্দের অর্থ বৃদ্ধি, অতিরিক্ত, বাড়তি বা বেশি। ইসলামী পরিভাষায়, রিবা হলো কোনো ঋণ বা বিনিময়ের উপর শর্তযুক্ত অতিরিক্ত বা বাড়তি অর্থ গ্রহণ করা, যা কোনো প্রকৃত পণ্য বা সেবার বিনিময়ে নয়। সহজভাবে বলতে গেলে, ঋণের উপর যে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়, সেটাই সুদ।
সুদের প্রধানত দুটি প্রকার রয়েছে:
* রিবা আল-নাসিয়াহ (ঋণভিত্তিক সুদ): এটি হলো ঋণের উপর ধার্যকৃত অতিরিক্ত অর্থ, যা একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর পরিশোধ করতে হয়। এটিই প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দেখা যায়।
* রিবা আল-ফাদল (বিনিময়ভিত্তিক সুদ): এটি হলো একই জাতীয় দুটি বস্তুর বিনিময়ে কম ও বেশি নেওয়া, যেখানে গুণগত মান বা পরিমাণের তারতম্য থাকে। যেমন, ভালো খেজুরের বিনিময়ে খারাপ খেজুর বেশি পরিমাণে নেওয়া।
কুরআন ও হাদিসের আলোকে সুদের নিষেধাজ্ঞা
কুরআন ও হাদিসে সুদকে দ্ব্যর্থহীনভাবে হারাম ঘোষণা করা হয়েছে। এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ উদ্ধৃতি নিচে দেওয়া হলো:
কুরআনের আয়াতসমূহ:
* সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৭৫:
"যারা সুদ খায়, তারা (কিয়ামতের দিন) এমনভাবে দাঁড়াবে, যেমন শয়তান যাকে স্পর্শ করে তাকে পাগল করে দেয়। এটা এ কারণে যে, তারা বলে: ক্রয়-বিক্রয় তো সুদেরই মতো। অথচ আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন এবং সুদকে হারাম করেছেন। অতএব, যার কাছে তার রবের পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে এবং সে বিরত হয়েছে, তবে যা গত হয়েছে তা তার। আর তার ব্যাপার আল্লাহর এখতিয়ারে। আর যারা ফিরে যাবে, তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। তারা সেখানে চিরকাল থাকবে।"
(এই আয়াতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে যে, সুদ খাওয়াকে আল্লাহ তায়ালা শয়তানের স্পর্শে পাগল হওয়ার সাথে তুলনা করেছেন এবং ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল ও সুদকে হারাম ঘোষণা করেছেন।)
* সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৭৬:
"আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং সাদাকাকে বাড়িয়ে দেন। আর আল্লাহ কোনো অকৃতজ্ঞ পাপীকে পছন্দ করেন না।"
(এই আয়াতে আল্লাহ তায়ালা সুদের বরকত নষ্ট করে দেওয়ার এবং সাদাকার বরকত বাড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।)
* সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৭৮-২৭৯:
"হে মুমিনগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যা অবশিষ্ট আছে, তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা মুমিন হও। আর যদি তোমরা তা না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা শুনে নাও। আর যদি তোমরা তাওবা করো, তবে তোমাদের মূলধন তোমাদেরই থাকবে। তোমরা জুলুম করবে না এবং তোমাদের উপরও জুলুম করা হবে না।"
(এই আয়াতগুলো সুদের ব্যাপারে চূড়ান্ত সতর্কবাণী। সুদ না ছাড়লে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণার মতো কঠোর হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।)
* সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩০:
"হে মুমিনগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ খেয়ো না এবং আল্লাহকে ভয় করো, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পারো।"
(যদিও এই আয়াতে চক্রবৃদ্ধি সুদের কথা বলা হয়েছে, তবে এর দ্বারা সাধারণ সুদও হারাম বোঝানো হয়েছে। কারণ, চক্রবৃদ্ধি সুদ সাধারণ সুদেরই একটি বর্ধিত রূপ।)
হাদিসের আলোকে:
* জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত:
"রাসূলুল্লাহ (সা.) সুদ গ্রহণকারী, সুদ প্রদানকারী, সুদের চুক্তি লেখক এবং তার দুই সাক্ষীর উপর লানত (অভিসম্পাত) করেছেন। তিনি বলেছেন: তারা সবাই সমান।"
(সহীহ মুসলিম)
(এই হাদিসটি সুদের সাথে জড়িত সকল পক্ষকে সমানভাবে পাপী সাব্যস্ত করেছে, যা সুদের ভয়াবহতা প্রমাণ করে।)
* আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত:
"রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: মানুষের উপর এমন এক সময় আসবে যখন তারা সুদ খাবেই। যদি সে সরাসরি সুদ নাও খায়, তবে সুদের ধোঁয়া তাকে স্পর্শ করবেই।"
(আবু দাউদ, ইবনে মাজাহ)
(এই হাদিসটি সুদের ব্যাপকতা এবং এর থেকে বেঁচে থাকা কঠিন হওয়ার ইঙ্গিত দেয়, তবে এর থেকে বিরত থাকার গুরুত্বও তুলে ধরে।)
* আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত:
"রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: সুদ সত্তরটি পাপের সমান। এর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো নিজের মায়ের সাথে জিনা করা।"
(আল-মুস্তাদরাক আলাস সাহীহাইন, বায়হাকী)
(এই হাদিসটি সুদের পাপের ভয়াবহতা বোঝানোর জন্য একটি উপমা হিসেবে এসেছে, যা সুদের প্রতি ইসলামের চরম ঘৃণা প্রকাশ করে।)
কেন সুদ নিষিদ্ধ? (এর পেছনের যুক্তি)
ইসলামে সুদ নিষিদ্ধ করার পেছনে শুধুমাত্র ধর্মীয় আদেশই নয়, বরং গভীর নৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক যুক্তিও বিদ্যমান।
১. নৈতিক যুক্তি:
* অন্যায্য উপার্জন: সুদ হলো বিনা পরিশ্রমে, বিনা ঝুঁকি এবং বিনা বিনিয়োগে অন্যের সম্পদ থেকে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করা। এটি এক ধরনের জুলুম ও শোষণ।
* লোভ ও স্বার্থপরতা বৃদ্ধি: সুদভিত্তিক লেনদেন মানুষকে আরও বেশি লোভী ও স্বার্থপর করে তোলে। এটি মানুষকে অন্যের দুর্বলতার সুযোগ নিতে উৎসাহিত করে।
* শ্রমের অবমূল্যায়ন: সুদ শ্রম ও বিনিয়োগের গুরুত্বকে হ্রাস করে। মানুষ পরিশ্রম না করে শুধু অর্থের বিনিময়ে অর্থ উপার্জনের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
২. সামাজিক যুক্তি:
* সম্পদের অসম বন্টন: সুদ ধনীকে আরও ধনী করে এবং গরিবকে আরও গরিব করে তোলে। এটি সমাজের সম্পদ মুষ্টিমেয় কিছু লোকের হাতে কেন্দ্রীভূত করে, যা সামাজিক বৈষম্য বৃদ্ধি করে।
* দারিদ্র্য বৃদ্ধি: দরিদ্র ও অভাবী মানুষ, যাদের ঋণের প্রয়োজন হয়, তারা সুদের কারণে ঋণের জালে আটকে পড়ে এবং তাদের দারিদ্র্য আরও বেড়ে যায়।
* সামাজিক অস্থিরতা: সম্পদের অসম বন্টন এবং শোষণের কারণে সমাজে ক্ষোভ ও অস্থিরতা সৃষ্টি হয়, যা সামাজিক সংহতি নষ্ট করে।
* উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করা: সুদ উদ্যোক্তাদের নিরুৎসাহিত করে। কারণ, একজন উদ্যোক্তা যখন ব্যবসা শুরু করেন, তখন তাকে লাভের পাশাপাশি লোকসানের ঝুঁকিও বহন করতে হয়। কিন্তু সুদভিত্তিক ঋণে তাকে লাভ হোক বা লোকসান, নির্দিষ্ট হারে সুদ পরিশোধ করতেই হয়, যা তার উপর বাড়তি বোঝা চাপায়।
৩. অর্থনৈতিক যুক্তি:
* উৎপাদনশীল বিনিয়োগে বাধা: সুদ উৎপাদনশীল বিনিয়োগের পরিবর্তে অলস অর্থ সঞ্চয় এবং ঋণের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনে উৎসাহিত করে। এটি অর্থনীতির প্রকৃত উৎপাদনশীলতাকে ব্যাহত করে।
* অর্থনৈতিক সংকট: সুদভিত্তিক অর্থব্যবস্থা অর্থনৈতিক বুদবুদ (bubbles) এবং আর্থিক সংকটের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত ঋণ এবং সুদের বোঝা অর্থনীতিকে অস্থিতিশীল করে তোলে।
* ঝুঁকি বণ্টনের অভাব: ইসলামী অর্থনীতিতে ঝুঁকি বণ্টন (risk sharing) একটি মৌলিক নীতি। মুদারাবা ও মুশারাকার মতো চুক্তিতে লাভ-লোকসান উভয়ই বণ্টিত হয়। কিন্তু সুদে সমস্ত ঝুঁকি ঋণগ্রহীতার উপর চাপানো হয়, যা অর্থনৈতিক ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।
* মুদ্রাস্ফীতি: অতিরিক্ত সুদের হার মুদ্রাস্ফীতিকে বাড়িয়ে দিতে পারে, কারণ উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং পণ্যের দাম বেড়ে যায়।
ইসলামী অর্থনীতিতে সুদের বিকল্প হিসেবে হালাল উপার্জনের বিভিন্ন পদ্ধতি উৎসাহিত করা হয়েছে, যেমন - ব্যবসা (মুদারাবা, মুশারাকা, মুরবাহা), ইজারা (লিজ), যাকাত, সাদাকা, ওয়াকফ ইত্যাদি। এই পদ্ধতিগুলো ঝুঁকি বণ্টন, ন্যায়বিচার এবং সামাজিক কল্যাণ নিশ্চিত করে, যা একটি স্থিতিশীল ও ভারসাম্যপূর্ণ অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য।

09/04/2024
15/03/2024

Listen beautiful recitation of Surah Maryam





25/02/2024
24/02/2024

সূরা হাশর
সূরা আল-হাশর‌(আরবি ভাষায়: الحشْر) আল কুরআনের ৫৯ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ২৪। সূরা আল-হাশর‌ মদীনায় অবতীর্ণ হয়েছে।

নামকরণ
এই সূরাটির দ্বিতীয় আয়াতের أَخْرَجَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مِنْ دِيَارِهِمْ لِأَوَّلِ الْحَشْرِ বাক্যাংশের الْحَشْرِ অংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরার মধ্যে الْحَشْرِ (‘হাশর‌’) শব্দটি আছে এটি সেই সূরা।
(তথ্যসূত্র উইকিপিডিয়া)

17/11/2023

surah al Burj

02/11/2023

হাদীস শরীফ বাংলা মর্মবাণীঃ
★সবচেয়ে নিকৃষ্ট সে-ই, যার দুর্ব্যবহারের জন্যে অন্যেরা তাকে এড়িয়ে চলে। -আয়েশা (রা); বোখারী।

★মহাবিচার দিবসে একজন বিশ্বাসীর সবচেয়ে মূল্যবান নেকি হবে তার সদাচারন। - আবু দারদা (রা); তিরমিজী।



28/09/2023

হাদীস শরীফ বাংলা মর্মবাণীঃ
★হে আল্লাহর রসুল! আমরা ইসলাম গ্রহণ করেছি, আপনার সাথে প্রাণান্ত সংগ্রাম করেছি। আমাদের চেয়েও অগ্রগামী কেউ হবে কি? নবীজী (স) জবাবে বলেন, হাঁ, হবে। যারা আমার পরে জন্মগ্রহণ করবে এবং আমাকে না দেখেই সত্যিকার বিশ্বাস করবে। —আবু ওবায়দা (রা); আহমদ, মেশকাত।


28/09/2023

সূরা তারিক্ব (রাতের আগন্তুক)

সূরা আত-তারিক্ব (আরবি ভাষায়: الطّارق‎) আল কুরআনের ৮৬ তম সূরা, এর আয়াত অর্থাৎ বাক্য সংখ্যা ‌১৭; তবে এতে কোন রূকু তথা অনুচ্ছেদ নেই। সূরা আত-তারিক্ব মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।


এই সূরাটির প্রথম আয়াতের الطَّارِق বাক্যাংশ থেকে এই সূরার নামটি গৃহীত হয়েছে; অর্থাৎ, যে সূরাটি الطَّارِق (‘তারিক্ব‌’) শব্দটি রয়েছে এটি সেই সূরা।

28/09/2023

হাদীস শরীফ বাংলা মর্মবাণীঃ
★তোমরা যারা আমাকে দেখে বিশ্বাস স্থাপন করেছ, তারা অবশ্যই আশীর্বাদপ্রাপ্ত। আর যারা আমাকে কখনো দেখে নি, কিন্তু বিশ্বাস করেছে, তারা তোমাদের চেয়ে সাত গুণ আশীর্বাদপ্রাপ্ত। —আনাস ইবনে মালেক (রা); আহমদ।



(Sas)

26/09/2023

সূরা আ’লা
সূরা আল আ'লা পবিত্র কুরআনের ৮৭ তম সূরা; এতে আয়াত সংখ্যা ১৯টি এবং রূকুর সংখ্যা ১টি। এই সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ হয়েছে।

শানে নূযুল
ফজিলত
আয়াতসমূহ
এই সূরাটিতে ১৯টি আয়াত রয়েছে।সেগুলো তালিকাকারে দেওয়া হলঃ

سَبِّحِ اسْمَ رَبِّكَ الْأَعْلَى পবিত্রতা বর্ণনা করুন আপনার সেই প্রভুর নামে যে সর্বোচ্চ।
‎*الَّذِي خَلَقَ فَسَوَّىٰ যিনি সৃষ্টি এবং সুবিন্যস্ত করেছেন।
‎*وَالَّذِي قَدَّرَ فَهَدَىٰ এবং যিনি সুপরিমিত এবং পথ প্রদর্শন করেছেন।
‎*وَالَّذِي أَخْرَجَ الْمَرْعَىٰ এবং যিনি তৃণাদি উত্‍পন্ন করেছেন।
*فَجَعَلَهُ غُثَاءً أَحْوَى ‎অতঃপর আমি আপনাকে পড়াতে থাকব যাতে আপনি না ভোলেন।
‎‏سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنْسَى তবে আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত।
إِلَّا مَا شَاءَ اللَّهُ إِنَّهُ يَعْلَمُ الْجَهْرَ وَمَا يَخْفَى নিশ্চয়ই তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন সকল বিষয়।
*وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَى আর আমরা তোমাকে সরল পথের জন্য সহজ করে দেব।
*فَذَكِّرْ إِنْ نَفَعَتِ الذِّكْرَى অতএব তুমি উপদেশ দাও যদি উপদেশ ফলপ্রসূ হয়।
*سَيَذَّكَّرُ مَنْ يَخْشَى সত্বর উপদেশ গ্রহণ করবে, যে ব্যক্তি ভয় করে।
*وَيَتَجَنَّبُهَا الْأَشْقَى আর তা উপেক্ষা করবে যে নিতান্ত হতভাগা।
*الَّذِي يَصْلَى النَّارَ الْكُبْرَى যে প্রবেশ করবে মহা অগ্নিতে।
*ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَى অতঃপর সেখানে সে মরবেও না, বাঁচবেও না।
*قَدْ أَفْلَحَ مَنْ تَزَكَّى নিশ্চয়ই সফল হয় সেই ব্যক্তি, যে পরিশুদ্ধ হয়।
*وَذَكَرَ اسْمَ رَبِّهِ فَصَلَّى‏ এবং তার প্রভুর নাম স্মরণ করে। অতঃপর ছালাত আদায় করে।
*بَلْ تُؤْثِرُونَ الْحَيَاةَ الدُّنْيَا বস্ত্ততঃ তোমরা দুনিয়াবী জীবনকে অগ্রাধিকার দিয়ে থাক।
*وَالْآخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَى‏ অথচ আখেরাত হ’ল উত্তম ও চিরস্থায়ী।
*إِنَّ هَذَا لَفِي الصُّحُفِ الْأُولَى নিশ্চয়ই এটা লিপিবদ্ধ ছিল পূর্ববর্তী কিতাব সমূহে-
*صُحُفِ إِبْرَاهِيمَ وَمُوسَى ইবরাহীম ও মূসার কিতাবসমূহে।

Address

60/20, B , Dhalpur
Dhaka
1204

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic World posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share