Creative Pen

Creative Pen Nurjahan Begum
Content creator
Author.

03/01/2026

শস্য ক্ষেত।


১৩০.বাংলায় নাম: ধান, 🌾ইংরেজিতে নাম: Rice এবং এর বৈজ্ঞানিক নাম: Oryza sativa.🌾ধানের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (Scientific...
03/01/2026

১৩০.
বাংলায় নাম: ধান, 🌾
ইংরেজিতে নাম: Rice এবং
এর বৈজ্ঞানিক নাম: Oryza sativa.

🌾ধানের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (Scientific Classification) নিম্নরূপ—

রাজ্য (Kingdom): Plantae

বিভাগ (Division): Angiospermae

শ্রেণী (Class): Monocotyledonae

বর্গ (Order): Poales

পরিবার (Family): Poaceae

গণ (Genus): Oryza

প্রজাতি (Species): Oryza sativa

🌾এই শ্রেণী বিন্যাস থেকে বোঝা যায় যে ধান একবীজপত্রী আবৃতবীজী উদ্ভিদ এবং ঘাস পরিবারভুক্ত।

🌾ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্যশস্য এবং এ দেশের কৃষি, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।পৃথিবীর অর্ধেকেরও বেশি মানুষের প্রধান খাদ্য হিসেবে ধান ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলো—বাংলাদেশ, ভারত, চীন, জাপান, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে ধানের গুরুত্ব অপরিসীম।

🌾ধান মূলত একবর্ষজীবী ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ। এটি উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালো জন্মায় এবং প্রচুর পানির প্রয়োজন হয়। বাংলাদেশে আউশ, আমন ও বোরো—এই তিন মৌসুমে ধান চাষ করা হয়। ধান গাছের কাণ্ড চিকন ও লম্বা, পাতা সরু ও লম্বাটে এবং শীষের মধ্যে ধানের দানা থাকে। কাঁচা অবস্থায় একে ধান বলা হয়, খোসা ছাড়ালে চাল এবং রান্না করার পর ভাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

🌾ধান মানবদেহের শক্তির প্রধান উৎস। এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা (কার্বোহাইড্রেট) থাকে, যা দেহে শক্তি জোগায়। এছাড়া ধানে অল্প পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং খনিজ লবণ থাকে। চালের কুঁড়া বা ভুষি থেকে তেল উৎপাদন করা হয়, যা স্বাস্থ্যসম্মত তেল হিসেবে পরিচিত। ধানের খড় গবাদিপশুর খাদ্য ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

🌾অর্থনৈতিক দিক থেকেও ধান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ধান চাষের সঙ্গে জড়িত। ধান উৎপাদনের ওপর দেশের খাদ্য নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভর করে। উন্নত জাতের ধান, সেচ ব্যবস্থা ও আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ধানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।

🌾সবশেষে বলা যায়, ধান শুধু একটি খাদ্যশস্য নয়, বরং এটি বাঙালির জীবনধারা, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের দৈনন্দিন জীবনে ধানের গুরুত্ব চিরকাল অপরিসীম হয়ে থাকবে।🌾



#ধান




Picture: Creative Pen

১২৯.বাংলা নাম: খেসারি ডাল,ইংরেজিতে নাম : Grass pea Dal. বৈজ্ঞানিক নাম; Lathyrus sativus.খেসারি ডালের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বি...
01/01/2026

১২৯.

বাংলা নাম: খেসারি ডাল,
ইংরেজিতে নাম : Grass pea Dal.
বৈজ্ঞানিক নাম; Lathyrus sativus.

খেসারি ডালের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (Scientific Classification) নিম্নরূপ—

রাজ্য (Kingdom): Plantae

বিভাগ (Division): Angiospermae

শ্রেণী (Class): Dicotyledonae

বর্গ (Order): Fabales

পরিবার (Family): Fabaceae

গণ (Genus): Lathyrus

প্রজাতি (Species): Lathyrus sativus

এই শ্রেণী বিন্যাস থেকে বোঝা যায় যে খেসারি ডাল একটি দ্বিবীজপত্রী আবৃতবীজী উদ্ভিদ এবং ডালজাতীয় ফসলের অন্তর্ভুক্ত।

খেসারি ডাল বাংলাদেশের একটি পরিচিত ডালজাতীয় খাদ্যশস্য। এটি বিশেষ করে গ্রামবাংলায় দীর্ঘদিন ধরে চাষ ও ভক্ষণ হয়ে আসছে। দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের কিছু অঞ্চলে খেসারি ডালের চাষ লক্ষ্য করা যায়। বাংলাদেশে এটি সাধারণত রবি মৌসুমে চাষ করা হয়।

খেসারি গাছ মূলত একবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ। এটি তুলনামূলকভাবে কম উর্বর জমিতেও জন্মাতে পারে এবং খরা ও জলাবদ্ধতা—উভয় পরিস্থিতি সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। এ কারণেই কৃষকদের কাছে খেসারি ডাল একটি সহনশীল ফসল হিসেবে পরিচিত। খেসারি গাছের পাতা সরু ও লম্বাটে, ফুল সাধারণত নীলচে বা হালকা বেগুনি রঙের হয়। এর ফল শুঁটির মতো এবং প্রতিটি শুঁটির ভেতরে কয়েকটি গোলাকার বা চ্যাপ্টা বীজ থাকে, যেগুলো শুকিয়ে খেসারি ডাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

খেসারি ডাল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরের গঠন ও শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এছাড়া এতে শর্করা, খাদ্য আঁশ (ফাইবার), ক্যালসিয়াম, লোহা ও কিছু ভিটামিন বিদ্যমান। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য এটি একটি সাশ্রয়ী প্রোটিন উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে অতিরিক্ত ও দীর্ঘমেয়াদি খেসারি ডাল গ্রহণ স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে—এ কারণে পরিমিত পরিমাণে খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

খেসারি ডালের অর্থনৈতিক গুরুত্বও কম নয়। এটি কম খরচে চাষযোগ্য এবং অনুৎপাদনশীল জমিকে কাজে লাগাতে সহায়ক। পাশাপাশি ডালজাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় এটি মাটিতে নাইট্রোজেন সংযোজন করে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি করে।

সবশেষে বলা যায়, খেসারি ডাল একটি পুষ্টিকর ও সহনশীল খাদ্যশস্য। সঠিক জ্ঞান ও পরিমিত ব্যবহারের মাধ্যমে এটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষি ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।



#খেসারি


Picture: Creative Pen

01/01/2026

গ্ৰামীন সৌন্দর্য উপভোগ।

Happy New Year, 2026.কচু শাকে প্রচুর আয়রন আছে।
31/12/2025

Happy New Year, 2026.
কচু শাকে প্রচুর আয়রন আছে।

১২৮.বাংলা নাম: ছোলা, ইংরেজিতে নাম : Chickpea বা Bengal gram.বৈজ্ঞানিক নাম : Cicer arietinum।ছোলার বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্য...
31/12/2025

১২৮.

বাংলা নাম: ছোলা,
ইংরেজিতে নাম : Chickpea বা Bengal gram.
বৈজ্ঞানিক নাম : Cicer arietinum।

ছোলার বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (Scientific Classification) নিম্নরূপ—

রাজ্য (Kingdom): Plantae

বিভাগ (Division): Angiospermae

শ্রেণী (Class): Dicotyledonae

বর্গ (Order): Fabales

পরিবার (Family): Fabaceae

গণ (Genus): Cicer

প্রজাতি (Species): Cicer arietinum

এই শ্রেণী বিন্যাস থেকে বোঝা যায় যে ছোলা একটি দ্বিবীজপত্রী আবৃতবীজী উদ্ভিদ এবং ডালজাতীয় ফসলের অন্তর্ভুক্ত।

ছোলা বাংলাদেশের একটি পরিচিত ও পুষ্টিকর ডালজাতীয় খাদ্যশস্য। এটি সাধারণত নাশতা, ইফতার ও বিভিন্ন রান্নায় ব্যবহৃত হয়। দক্ষিণ এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে ছোলার চাষ ব্যাপকভাবে করা হয়। বাংলাদেশেও রবি মৌসুমে ছোলার আবাদ হয়ে থাকে।

ছোলা গাছ মূলত একবর্ষজীবী ঝোপালো উদ্ভিদ। এটি শুষ্ক ও নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ভালো জন্মায় এবং তুলনামূলকভাবে কম পানিতে চাষ করা যায়। ছোলা গাছের কাণ্ড শক্ত, পাতা যৌগিক ও সূক্ষ্ম লোমশ। ফুল সাধারণত সাদা, হালকা গোলাপি বা বেগুনি রঙের হয়। ফল শুঁটির মতো এবং প্রতিটি শুঁটির ভেতরে এক বা দুইটি গোলাকার বীজ থাকে, যা পরিপক্ব হলে ছোলা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ছোলা পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রয়েছে, যা দেহের গঠন ও শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক। এছাড়া ছোলায় শর্করা, স্বাস্থ্যকর চর্বি, খাদ্য আঁশ (ফাইবার), ক্যালসিয়াম, লোহা, ম্যাগনেশিয়াম ও ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বিদ্যমান। নিয়মিত ছোলা খেলে হজম শক্তি বাড়ে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমে। নিরামিষভোজীদের জন্য ছোলা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন উৎস।

ছোলার অর্থনৈতিক গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য। এটি কম খরচে চাষযোগ্য এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, কারণ ছোলা গাছের শিকড়ে নাইট্রোজেন স্থিরকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে। ফলে ফসল আবর্তনে ছোলা একটি উপকারী শস্য।

সবশেষে বলা যায়, ছোলা শুধু একটি জনপ্রিয় খাদ্যশস্যই নয়, বরং এটি পুষ্টি, কৃষি ও অর্থনীতির দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষম খাদ্য নিশ্চিত করতে ছোলার ভূমিকা অপরিসীম।




#ছোলা

Picture Credit: Creative Pen

আসসালামুয়ালাইকুম।শুভ সকাল। ゚
30/12/2025

আসসালামুয়ালাইকুম।
শুভ সকাল।

১২৭.বাংলা নাম : মাসকলাই ডাল।ইংরেজিতে নাম: Black gram.বৈজ্ঞানিক নাম: Vigna mungo.মাসকলাই ডালের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (...
29/12/2025

১২৭.

বাংলা নাম : মাসকলাই ডাল।
ইংরেজিতে নাম: Black gram.
বৈজ্ঞানিক নাম: Vigna mungo.

মাসকলাই ডালের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস (Scientific Classification) নিম্নরূপ—

রাজ্য (Kingdom): Plantae

বিভাগ (Division): Angiospermae

শ্রেণী (Class): Dicotyledonae

বর্গ (Order): Fabales

পরিবার (Family): Fabaceae

গণ (Genus): Vigna

প্রজাতি (Species): Vigna mungo

এই শ্রেণী বিন্যাস থেকে বোঝা যায় যে মাসকলাই ডাল একটি দ্বিবীজপত্রী আবৃতবীজী উদ্ভিদ এবং ডালজাতীয় উদ্ভিদের পরিবারভুক্ত।

---

মাসকলাই ডাল বাংলাদেশের একটি পরিচিত ও জনপ্রিয় ডালজাতীয় খাদ্যশস্য। এটি প্রোটিনসমৃদ্ধ হওয়ায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় মাসকলাই ডালের গুরুত্ব অনেক। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কায় মাসকলাই ডালের চাষ ব্যাপকভাবে করা হয়।

মাসকলাই গাছ মূলত একবর্ষজীবী লতানো বা ঝোপালো উদ্ভিদ। এটি উষ্ণ ও নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে ভালো জন্মায় এবং তুলনামূলকভাবে কম পানিতে চাষ করা যায়। বাংলাদেশে খরিফ ও রবি—উভয় মৌসুমেই মাসকলাই ডাল চাষ হয়। মাসকলাই গাছের পাতা তিন খণ্ড বিশিষ্ট, ফুল ছোট এবং হালকা বেগুনি বা হলুদাভ রঙের হয়। এর ফল শুঁটির মতো এবং প্রতিটি শুঁটির ভেতরে কয়েকটি কালো রঙের বীজ থাকে, যেগুলো থেকেই মাসকলাই ডাল পাওয়া যায়।

মাসকলাই ডাল পুষ্টিগুণে অত্যন্ত সমৃদ্ধ। এতে প্রচুর পরিমাণে উদ্ভিজ্জ প্রোটিন রয়েছে, যা শরীরের গঠন ও ক্ষয়পূরণে সহায়তা করে। এছাড়া এতে শর্করা, খাদ্য আঁশ (ফাইবার), ক্যালসিয়াম, লোহা, ফসফরাস এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্স বিদ্যমান। মাসকলাই ডাল হজমে সহায়ক এবং নিয়মিত গ্রহণ করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। নিরামিষভোজীদের জন্য এটি প্রোটিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস। মাসকলাই দিয়ে পিঠা, আমিরত্তি, লাবরা রান্না করে খাওয়া হয়।

মাসকলাই ডালের অর্থনৈতিক গুরুত্বও উল্লেখযোগ্য। এটি চাষে তুলনামূলক কম খরচ লাগে এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে, কারণ ডালজাতীয় উদ্ভিদ মাটিতে নাইট্রোজেন সংযোজন করতে সক্ষম। ফলে ফসল পর্যায়ক্রমে চাষের ক্ষেত্রে মাসকলাই ডাল বিশেষভাবে উপকারী।

সবশেষে বলা যায়, মাসকলাই ডাল শুধু একটি সুস্বাদু খাদ্যই নয়, বরং এটি পুষ্টি, কৃষি ও অর্থনীতির দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি শস্য। দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে মাসকলাই ডাল অন্তর্ভুক্ত করলে সুস্থ ও শক্তিশালী জীবনযাপন সম্ভব।




#মাসকলাই
Picture Credit: Creative Pen

শুভ দুপুর।ঠান্ডা, ঠান্ডা আবহাওয়ায় সরিষা ক্ষেতে।
28/12/2025

শুভ দুপুর।
ঠান্ডা, ঠান্ডা আবহাওয়ায় সরিষা ক্ষেতে।

১২৬.বাংলা নাম: গোলমরিচ ।ইংরেজি নাম : Black Pepper.বৈজ্ঞানিক নাম: Piper nigrum.---গোলমরিচ একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যব...
26/12/2025

১২৬.
বাংলা নাম: গোলমরিচ ।
ইংরেজি নাম : Black Pepper.
বৈজ্ঞানিক নাম: Piper nigrum.

---

গোলমরিচ একটি অত্যন্ত পরিচিত ও বহুল ব্যবহৃত মসলা, যা প্রাচীনকাল থেকেই মানবসভ্যতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এটি ঔষধি গুণের জন্যও সুপরিচিত। গোলমরিচকে মসলার রাজা বলা হয়, কারণ এর ঝাঁঝালো স্বাদ ও সুগন্ধ খাবারকে করে তোলে আকর্ষণীয় ও রুচিকর।

এটি মূলত একটি লতানো উদ্ভিদ, যা উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুতে ভালোভাবে জন্মায়। গোলমরিচ গাছ সাধারণত অন্য গাছ বা খুঁটির উপর ভর করে বৃদ্ধি পায়। এর ফল প্রথমে সবুজ রঙের হয়, পরে শুকালে কালো রঙ ধারণ করে—এই শুকনো ফলই আমরা মসলা হিসেবে ব্যবহার করি।

গোলমরিচের উৎপত্তিস্থল দক্ষিণ ভারতের মালাবার উপকূল বলে ধারণা করা হয়। বর্তমানে ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া ও ব্রাজিলসহ বহু দেশে গোলমরিচ চাষ করা হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে গোলমরিচ একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।

গোলমরিচের বৈজ্ঞানিক শ্রেণী বিন্যাস

রাজ্য (Kingdom): Plantae

বিভাগ (Division): Magnoliophyta

শ্রেণী (Class): Magnoliopsida

বর্গ (Order): Piperales

পরিবার (Family): Piperaceae

গণ (Genus): Piper

প্রজাতি (Species): Piper nigrum

গোলমরিচে উপস্থিত প্রধান রাসায়নিক উপাদান হলো পাইপারিন (Piperine), যা এর ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য দায়ী। এই উপাদান হজমশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং শরীরের বিপাকক্রিয়া উন্নত করে। আয়ুর্বেদ ও ইউনানী চিকিৎসায় গোলমরিচ সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, বদহজম ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এছাড়া এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়ক।

রান্নায় গোলমরিচ প্রায় সব ধরনের খাবারে ব্যবহার করা হয়—সুপ, তরকারি, মাংস, সালাদ এমনকি কিছু পানীয়তেও। অল্প পরিমাণ গোলমরিচ খাবারের স্বাদ বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তবে অতিরিক্ত ব্যবহার শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই পরিমিত ব্যবহারই উত্তম।

সবশেষে বলা যায়, গোলমরিচ শুধু একটি সাধারণ মসলা নয়; এটি স্বাদ, স্বাস্থ্য ও অর্থনীতির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কৃষিপণ্য। এর সঠিক ব্যবহার আমাদের খাদ্যাভ্যাসকে যেমন সমৃদ্ধ করে, তেমনি সুস্বাস্থ্যের পথও সুগম করে।

সাদা ও কালো গোলমরিচ একই গাছ থেকে এলেও এদের পার্থক্য আসে তোলার সময় প্রক্রিয়াজাত করনে।



#গোলমরিচ
Picture Credit: Creative Pen

16/09/2025

রেশমি চুড়ি।
রেশমি চুড়ি শুধু অলংকার নয়, এটি ভালোবাসা, সৌন্দর্য ও মায়ার প্রতীক।
゚ @
#কবিতা



15/09/2025

যুদ্ধ নয়, শান্তি চাই।
যুদ্ধ নয়, ভালোবাসা ও মানবতার আলোয় ভরা শান্তিময় পৃথিবীই মানুষের প্রকৃত কামনা।



#কবিতা



Address

Dhaka

Telephone

+8801779314476

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Creative Pen posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Creative Pen:

Share