19/07/2026
মা'ফি'য়া মহিলা ফাহিমার রোষানলে পড়ে এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে আওয়ামী লীগ যুবলীগ বিএনপি যুবদলের অনেক নেতৃবিন্দ সর্বশান্ত হয়েছে। আওয়ামী লীগের সুসময়ে আওয়ামী ছএ ছায়ায় থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে অসংখ্য মা'ম'লা দিয়েছেন। বিএনপির সময়ে এসে খো'ল'স পাল্টে বিএনপির কিছু নেতাদের ছএ ছায়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর চালাচ্ছেন একের পর এক নি'র্যাতন। ঘটনার সূএপাত ১৭ জুলাই ডিসের ব্যবসার সূএ ধরে রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার ১৩ নং গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের সাবেক ছাএদলের সভাপতি সদ্য বিলুপ্ত হওয়া যুবদলের সাবেক সভাপতি আসাদুল ইসলাম কে তার ডিসের অফিসে রাত ৯ টার পরে কিছু পোলাপান নিয়ে অতর্কিত হা'ম'লা চালায়। এক পর্যায়ে যুবদলের সভাপতি আসাদুল মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। বাজারের লোকজন জানতে পারলে তারা ঘটনাস্থল ত্যা'গ করে। কে এই মা'ফি'য়া ফাহিমা তার আসল পরিচয়ই বা কি কেন ডিস দখলে নেতৃত্ব দিচ্ছে। ডিস ব্যাবসার নেপথ্যের পেছনের ইতিহাস জানতে সরেজমিনে হামিরকুৎসা ও গোয়ালকান্দি ইউনিয়নের জনসাধারণের সাথে হয় তারা জানালেন ভ'য়ং'কর সব তথ্য।
মা'ফি'য়া মহিলা ফাহিমার স্বামী রাজু স্বেচ্ছাসেবক লীগের ২৩ নাম্বার ওয়ার্ডের নেতা ছিলেন। সব সময় পরিচয় দিতেন আমরা রাজশাহীর ছেলে। যাত্রাগাছির পাশে কামার বাড়ির এক মেয়েকে ডিসের বিল তোলার চাকরি দিয়ে নিয়মিত তাকে বউয়ের মত ব্যবহার করত। এলাকার জনগণ হাতেনাতে ধ'রার পরে মা'রপি'ট করে তাকে এলাকা ছাড়া করে। তখন থেকে তার বউ ফাইন এই ডিস ব্যবসার লাইনে নেমে পড়ে। বলছিলাম ২০১৮/১৯ এর কথা। রাজুকে তার বউ ফাহিমা আর ছেলে শাওন ফাহিম এলাকা ছাড়া করে। তারপর এই ডিস লাইন প্রায় ২০/২৫ দিন অকেজো হয়ে পড়ে থাকলে এলাকার মানুষের সাথে কথা বলে ১৪ নং হামিরকুৎসা ইউনিয়নের যুবলীগ নেতা ইমন সহ এলাকার সম্ভ্রান্ত পরিবারের বেকার ছেলেরা ফাহিমার সাথে কথা বলে টাকার বিনিময়ে সমঝোতা করে অচল ডিস ব্যবসা সচল করে। এরপর থেকে বিভিন্ন সময়ে ডিসের দাবি নিয়ে কমপক্ষে তাদের থেকে ১৯- ২০ বার টাকা নিয়েছে। এখানেই এই মা'ফি'য়া মহিলা ক্ষান্ত হয় নি। সে বার বার নানা জনের কাছে থানায় বলে যে ডিশ দখল করে নিয়েছে অমুক তমুক। আসলে বারবার সমঝোতার মাধ্যমে টাকা পয়সা নিয়ে সেই লেখা ছেড়ে দেয় এবং তার মেশিনপত্র সবকিছু দাম নিয়ে সে চলে যায় কিছুদিন পরে আবার দাবি নিয়ে চলে আসে এই মহিলা দেয় শ্রীলতাহানির মামলা। ১০ জন এখনো সেই মা'ম'লার হাজিরা দিচ্ছেন তারা অনেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতা।
ডিস লাইন পারপাসে তিন চার লক্ষ টাকা কৌশলে হাতিয়ে নেয় যুবলীগ নেতা শাহরেজা ইমনের কাছ থেকে ইতিপূর্বে মামলা উঠানোর কথা বলে সঞ্জু তার মাধ্যমে তার সবকিছু টাকা-পয়সা নিয়ে যুবলীগ নেতা ইমনের নামে মামলা করে আবার জেলে ঢুকিয়ে দেয়। তার টাকা নিয়ে পুলিশকে দিয়ে তাকেই জেলে ঢুকায় সে মা'ম'লায় জেলও খেটেছেন। চলে সমঝোতার নামে নাটক। হামিরকুৎসা ইউনিয়নে ডিস লাইনের কন্ট্রোল রুম যে নাজু শাহের মাটিতে তার তার ছেলের ওপরেও মা'ম'লা দিয়েছে এই মা'ফি'য়া মহিলা। তাহেরপুরের বিমলের ডিসের কন্ট্রোল রুমে সমঝোতার নাম করে সেই সময় ১,৬০,০০০ টাকা হাতিয়ে নেয় যুবলীগ নেতাদের থেকে। ২০২৩ সালে ফাহিমা ও তার ছেলে শাওন এবং ফাহিম রাজশাহী থেকে ভাড়াটে ক্যা'ডার নিয়ে এসে হামিরকুৎসা বাজারে হা'ম'লা চালালে একই গ্রামের নামপাড়ার ইসমাইল আ'হ'ত হয়ে ১৫ দিন হাসপাতালে ছিল। উল্টো তাদের নামেই আবার মা'ম'লা ঠুকে দেয়। এক কথায় তার রোষানলে যারা পড়েছে তারা সর্বশান্ত হয়ে গেছে।
যুবদল নেতা আসাদুল ইসলাম যে ডিসের দায়িত্ব পালন করছেন সেটি ফ্যাসিস্ট সরকারের চেয়ারম্যান আলম এর লোকেরা চালাতেন। তাদের সাথে আজ থেকে ৫/৭ বছর আগে সমঝোতা করে টাকা নিয়ে ডিস ব্যবসা তাদের কাছে হস্তান্তর করে। ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগের প'ত'ন হলে ডিস ব্যবসা রেখে আলমের লোকেরা এলাকা ছেড়ে পা'লি'য়ে গেলে ডিসের কন্ট্রোল রুমের যন্ত্রপাতি হরিলুট হয়ে যায়। ১৫ দিনের মত ডিস লাইন অকেজো হয়ে পড়ে থাকলে যুবদল নেতা আসাদুল ইসলাম ৪-৫ লক্ষ টাকা খরচ করে ডিস লাইন নতুন করে সচল করে। ১৭ জুলাই নিজ অফিসের কন্ট্রোল রুমে ছিলেন আসাদুল ইসলাম। ফাহিমা আবার এলাকার ছাএলীগের ছএ ছায়ায় থাকা কিছু ছেলেদের নিয়ে সমঝোতার নামে অতর্কিত হা'ম'লা চালালে ঘটনাস্থলে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে যুবদল নেতা আসাদুল ইসলাম। বাজারের লোকজন হইচই করে ছুটে আসলে ফাহিমারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। এখন পর্যন্ত থানায় এই অপ্রীতিকর ঘটনা নিয়ে কোন অভিযোগ বা মা'ম'লা করেন নি। অভিযোগ উঠেছে দুই ইউনিয়নের দুই ছাএদল নেতার বি'রু'দ্ধেও। আসাদুল ইসলাম অভিযোগ করে আসছেন এই ঘটনায় নেতৃত্ব দিয়েছে সাবেক ছাএলীগের ছএ ছায়ায় বেড়ে ওঠা পারভেজ রানা। ডিসের ব্যবসা নিয়ে দখলদারিত্বের খেলা এই মহিলা আর কত বার খেলবে তা জানতে চায় এলাকার সাধারণ মানুষ।