10/04/2026
গতকাল একটা ভিডিও দেখলাম…
সত্যি বলতে—নিজেকে সামলাতে পারিনি, চোখে পানি চলে আসছিলো।
ভাবতেও পারিনি মানুষ এতটা নিষ্ঠুর হতে পারে।
একটা অসহায় কুকুর—জীবন বাঁচানোর জন্য ছটফট করছিলো পানির মধ্যে।
জায়গাটা ছিলো খান জাহান আলী মাজারের পুকুর।
কেউ একজন ইচ্ছা করে ওটাকে কুমিরের সামনে ছেড়ে দিয়েছে—শুধু “মজা” দেখার জন্য!
আর সবচেয়ে কষ্টের বিষয় কী জানো?
চারপাশে অনেক মানুষ ছিলো…
কিন্তু কেউ এগিয়ে আসেনি।
সবাই দাঁড়িয়ে ছিলো,
মোবাইল বের করে ভিডিও করছিলো—
যেন এটা কোনো বিনোদন, কোনো লাইভ শো!
কুকুরটা বারবার বাঁচার চেষ্টা করছিলো,
পানির ওপর উঠতে চাইছিলো…
কিন্তু পারছিলো না।
শোনা গেছে, তার পা বাঁধা ছিলো।
একটু সাহস করে কেউ হাত বাড়ালেই হয়তো বাঁচানো যেতো…
কিন্তু না—মানুষ দেখছিলো, আর রেকর্ড করছিলো।
একসময় কুমিরটা ধীরে ধীরে কাছে আসে…
আর তারপর—সব শেষ।
একটা প্রাণ ধীরে ধীরে শেষ হয়ে গেলো,
আর মানুষ সেটা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলো।
সবচেয়ে অবাক লাগার বিষয়—
এই ঘটনার সময়ই পাশে মসজিদে আজান হচ্ছিলো।
শুধু এটুকুতেই শেষ না—
এই জায়গায় নাকি “মানত” এর নামে নিয়মিত
মুরগি, ছাগল এগুলোও কুমিরের সামনে ছেড়ে দেওয়া হয়।
কিছু মানুষ তো এমনও করছে—
কুমিরের সামনে গিয়ে সেজদা দিচ্ছে! (নাউজুবিল্লাহ)
সত্যি বলতে—
২০২৬ সালে এসেও এমন দৃশ্য দেখতে হবে, এটা কখনো কল্পনাও করিনি।
আমরা আসলে কেমন মানুষ হয়ে যাচ্ছি?
আল্লাহ আমাদের হেদায়েত দান করুন…
আর আমাদেরকে সত্যিকারের মানুষ হওয়ার তাওফিক দিন ;(