Qn Media

Qn Media media News And Official New Will me on This Page

মাত্র ১৩ বছরেই চমকে দিল আরিকা, কৃষিজ বর্জ্য থেকেই নিরাপদ খাবারের নতুন ভাবনাবয়স মাত্র ১৩ বছর। যে বয়সে অনেকেই খেলাধুলা আ...
02/09/2026

মাত্র ১৩ বছরেই চমকে দিল আরিকা, কৃষিজ বর্জ্য থেকেই নিরাপদ খাবারের নতুন ভাবনা
বয়স মাত্র ১৩ বছর। যে বয়সে অনেকেই খেলাধুলা আর পড়াশোনার গণ্ডিতে ব্যস্ত, সেই বয়সেই বিজ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধানের পথ খুঁজছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত কিশোরী আরিকা কুন্ডু।
যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটার বাসিন্দা আরিকার উদ্ভাবনী প্রকল্পের নাম ‘LIGNEX’। ফেলে দেওয়া চিনাবাদামের খোসাকে কাজে লাগিয়ে ফল ও সবজিতে থাকা ক্ষতিকর কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ কমানোর সম্ভাব্য একটি পদ্ধতি নিয়ে কাজ করেছে সে।
আরিকার প্রকল্পের মূল ভাবনাটি বেশ অভিনব। কৃষিজ বর্জ্য হিসেবে সাধারণত যে চিনাবাদামের খোসা ফেলে দেওয়া হয়, সেটিকেই কাজে লাগিয়ে এমন একটি উপাদান তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে, যা ফল ও সবজিতে থাকা কিছু ক্ষতিকর রাসায়নিক উপাদান শোষণ করতে পারে।
অর্থাৎ, একই উদ্যোগে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার দিকে নজর দেওয়া হয়েছে—খাদ্যকে আরও নিরাপদ করার সম্ভাবনা এবং কৃষিজ বর্জ্যের পুনর্ব্যবহার।
মাত্র ১৩ বছর বয়সেই এমন একটি বৈজ্ঞানিক চিন্তা নজর কেড়েছে বিচারকদেরও। আরিকা জায়গা করে নিয়েছে 2026 3M Young Scientist Challenge-এর সেরা ১০ ফাইনালিস্টের তালিকায়। এই প্রতিযোগিতায় সে এখন ২৫ হাজার মার্কিন ডলারের পুরস্কারের জন্য লড়ছে।
তবে আরিকার গল্পের সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণার জায়গাটি হয়তো তার বয়স। বিজ্ঞান যে শুধু গবেষণাগারে বসে থাকা বিশেষজ্ঞদের বিষয় নয়, কৌতূহলী একটি কিশোর মনও যে নতুন সমস্যার নতুন সমাধান খুঁজে দিতে পারে—আরিকার উদ্যোগ যেন তারই উদাহরণ।
আজ যে চিন্তাটি মাত্র ১৩ বছরের এক কিশোরীর হাতে পরীক্ষার পর্যায়ে রয়েছে, ভবিষ্যতে সেটিই হয়তো নিরাপদ খাদ্য ও পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে আরও বড় কোনো সমাধানের পথ খুলে দিতে পারে।
বড় পরিবর্তনের জন্য সবসময় বড় বয়সের প্রয়োজন হয় না। কখনও কখনও একটি ছোট্ট প্রশ্ন, একটু কৌতূহল আর মানুষের উপকার করার ইচ্ছাই হয়ে উঠতে পারে বড় কোনো পরিবর্তনের প্রথম ধাপ।
সূত্র:
2026 3M Young Scientist Challenge
3M Young Scientist Challenge-এর প্রকাশিত তথ্য

এবার ফিরলে একা ফিরব না’—দেব-শুভশ্রীর নস্ট্যালজিয়া উসকে প্রকাশ্যে ‘দেশু ৭’-এর টিজারঅপেক্ষার অবসান। অবশেষে প্রকাশ্যে এল ব...
02/09/2026

এবার ফিরলে একা ফিরব না’—দেব-শুভশ্রীর নস্ট্যালজিয়া উসকে প্রকাশ্যে ‘দেশু ৭’-এর টিজার
অপেক্ষার অবসান। অবশেষে প্রকাশ্যে এল বহু প্রতীক্ষিত ‘দেশু ৭’-এর টিজার। মাত্র দেড় মিনিটের প্রচার ঝলকেই অ্যাকশন, আবেগ, রহস্য আর পুরোনো দিনের রোম্যান্স—সব মিলিয়ে দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন উত্তেজনা।
দীর্ঘ ১২ বছরের ব্যবধান। এর মধ্যে বদলে গেছে অনেক কিছু। বদলে গিয়েছেন দেবও। অথচ পুরোনো সম্পর্কের স্মৃতি যেন কোথাও রয়ে গেছে। টিজারে শুভশ্রীর সঙ্গে দেবের মুখোমুখি মুহূর্তগুলোতেই সেই আবেগের ইঙ্গিত মিলেছে।
টিজারের একটি দৃশ্যে শুভশ্রীর রক্তমাখা হাত আঁকড়ে ধরেও দেবের পরিচিত মানুষটি যেন তাঁকে চিনতে পারছেন না। তাঁর মনে প্রশ্ন—যে দেবকে তিনি একসময় চিনতেন, আজকের মানুষটি কি সত্যিই সেই দেব?
এরপরই গল্পে আসে অ্যাকশনের ঝড়। কখনও বন্দুক হাতে, কখনও আগুনের আবহে—দেবকে দেখা যায় একেবারে নতুন, আরও তীব্র অবতারে। টিজারের বড় অংশজুড়ে তাঁর অ্যাকশন দৃশ্যই দর্শকদের নজর কেড়েছে।
তবে শুধু অ্যাকশন নয়, ‘দেশু ৭’-এর টিজারে ফিরে এসেছে দেব-শুভশ্রীর সেই বহু পরিচিত অনস্ক্রিন রসায়নের ঝলকও। নদীর পাড়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা কিংবা বাইকে দু’জনের মুহূর্ত—সবকিছুতেই যেন ফিরে এসেছে পুরোনো দিনের স্মৃতি।
লাদাখের পাহাড়ি সৌন্দর্যের মধ্যে তাঁদের কয়েকটি দৃশ্য দর্শকদের মনে করিয়ে দিয়েছে ‘পরাণ যায় জ্বলিয়া রে’ ও ‘চ্যালেঞ্জ’-এর মতো ছবিতে দেখা জনপ্রিয় জুটির রসায়ন। দীর্ঘ বিরতির পর তাঁদের একসঙ্গে দেখার সুযোগই তাই ভক্তদের কাছে বাড়তি আবেগের হয়ে উঠেছে।
নতুন অবতারে অনির্বাণ
টিজারের আরেক বড় চমক অনির্বাণ ভট্টাচার্য। ধোঁয়ায় ঘেরা পরিবেশে তাঁর প্রবেশেই বোঝা যায়, গল্পে তাঁর চরিত্রের গুরুত্ব কম নয়।
বড় চুল, চোখে রোদচশমা আর গম্ভীর উপস্থিতিতে অনির্বাণকে একেবারে ভিন্ন রূপে দেখা গেছে। তাঁর চরিত্রের রহস্য পুরোপুরি প্রকাশ না করেই টিজারটি দর্শকদের কৌতূহল আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
দেবের বিপরীতে অনির্বাণের এই নতুন অবতার ‘দেশু ৭’-এর অন্যতম আকর্ষণ হতে চলেছে বলেই মনে করছেন দর্শকদের একাংশ।
শেষ সংলাপেই বাড়ল উত্তেজনা
তবে সব চমককে ছাপিয়ে টিজারের শেষ মুহূর্তটি যেন সবচেয়ে বেশি আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
শুভশ্রীর কণ্ঠে শোনা যায়, ‘তুমি ফিরে যাও দেব।’
এর জবাবে দেবের সংলাপ—
‘এবার ফিরলে একা ফিরব না, তোমাকে নিয়ে ফিরব।’
এই কয়েকটি শব্দেই যেন বদলে গেছে টিজারের আবহ। পুরোনো সম্পর্ক কি নতুন গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হতে চলেছে? দেব কেন ফিরে এসেছে? আর শুভশ্রীর চরিত্রের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কই বা কোন দিকে যাবে—এমন একাধিক প্রশ্ন রেখে শেষ হয়েছে টিজার।
উল্লেখযোগ্য বিষয়, ২২৪ দিন আগে লাইভে এসে ‘দেশু ৭’-এর ঘোষণা করেছিলেন দেব। এরপর থেকেই ছবিটি নিয়ে দর্শকদের মধ্যে ছিল অপেক্ষা। সম্প্রতি দেব ও শুভশ্রীর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টেও নতুন চমকের ইঙ্গিত মিলেছিল।
অবশেষে সেই অপেক্ষার উত্তর মিলল টিজারে।
অ্যাকশনের ঝাঁঝ, পুরোনো প্রেমের স্মৃতি, রহস্যময় গল্প এবং দেব-শুভশ্রীর বহু প্রতীক্ষিত জুটি—সব মিলিয়ে ‘দেশু ৭’ ঘিরে এখন থেকেই তৈরি হয়েছে বাড়তি কৌতূহল।
এখন শুধু অপেক্ষা পর্দায় গল্পটি কীভাবে এগোয়, তা দেখার।
‘দেশু ৭’ মুক্তি পাবে আগামী ১৬ অক্টোবর।

‘আমার বাবার অনেক টাকা, সুগার ড্যাডির দরকার নেই’—বিয়ে নিয়ে যা বললেন প্রিয়ন্তী উর্বীঅভিনয়ের জগতে পা রাখার পর থেকেই নিজ...
02/09/2026

‘আমার বাবার অনেক টাকা, সুগার ড্যাডির দরকার নেই’—বিয়ে নিয়ে যা বললেন প্রিয়ন্তী উর্বী
অভিনয়ের জগতে পা রাখার পর থেকেই নিজের কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিজীবন নিয়েও আলোচনায় রয়েছেন ছোট পর্দার পরিচিত মুখ প্রিয়ন্তী উর্বী। সম্প্রতি দীপ্ত প্লেতে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘অপলাপ’। এতে নেতিবাচক একটি চরিত্রে অভিনয় করে নতুন করে দর্শকের নজর কেড়েছেন তিনি। সামনে বড় পর্দাতেও দেখা যেতে পারে এই অভিনেত্রীকে।
সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ব্যক্তিজীবন, অভিনয় এবং বিয়ে নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন প্রিয়ন্তী। সেখানে জীবনসঙ্গী প্রসঙ্গেও নিজের ভাবনার কথা জানান তিনি।

বিয়ে নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রিয়ন্তী জানান, অর্থ-সম্পদের প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ নেই। এমনকি জীবনসঙ্গীর কাছ থেকেও বাড়ি-গাড়ি কিংবা বিপুল অর্থের প্রত্যাশা করেন না তিনি।

হাস্যরসের ছলে অভিনেত্রী বলেন, ‘এমনিতেই আমার বাবার অনেক টাকা, আমার সুগার ড্যাডির দরকার নেই।’ তাঁর এই মন্তব্য নিয়েই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

নিজের বর্তমান জীবনযাপন নিয়েও কথা বলেন প্রিয়ন্তী। তাঁর ভাষ্য, কাজ, পরিবার, ঘুম ও শরীরচর্চা—এসব নিয়েই বর্তমানে তাঁর ব্যস্ততা। নতুন করে কারও আগমন তাঁর জীবনে খুব একটা প্রয়োজন বলে মনে করেন না তিনি।

তবে ভবিষ্যতে যদি জীবনসঙ্গী বেছে নেন, তাহলে কেমন মানুষ চান—সেটিও স্পষ্ট করেছেন এই অভিনেত্রী।

প্রিয়ন্তীর পছন্দের মানুষ হতে হলে ভালো রসবোধ, ভদ্রতা ও ব্যক্তিত্ব থাকতে হবে। অর্থসম্পদ তাঁর কাছে মুখ্য নয়। এমনকি জীবনসঙ্গীর আর্থিক অবস্থাও তাঁর কাছে বড় বিষয় নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

অভিনেত্রীর কথায়, তিনি নিজে উপার্জন করেই সন্তুষ্ট থাকতে চান। জীবনসঙ্গী ভালো মানুষ হলেই তাঁর কাছে সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

অল্প সময়েই পরিচিতি
অভিনয়জীবনের সময়কাল খুব বেশি না হলেও এরই মধ্যে দর্শকের নজরে এসেছেন প্রিয়ন্তী উর্বী। চরকির অ্যান্থলজি সিনেমা ‘কোথায় পালাবে বলো রূপবান’-এ রূপবান চরিত্রে অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি।
এরপর ‘ক্যাফে ডিজায়ার’ ও ‘ইন্টার্নশিপ’-এর মতো কাজেও তাঁকে দেখা গেছে। সামনে বড় পর্দায় তাঁর উপস্থিতি নিয়ে দর্শকদের আগ্রহও তৈরি হয়েছে।

২০১৯ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন প্রিয়ন্তী। পরবর্তী সময়ে বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। এখন পর্যন্ত ২০টির বেশি বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেছেন বলে জানা যায়।

২০২১ সালের মার্চে অনিরুদ্ধ রাসেলের ‘ভেজা বিড়াল’ নাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেন তিনি।

মাত্র কয়েক বছরের পথচলায় অভিনয়ের পাশাপাশি নিজের স্পষ্ট ও অকপট কথাবার্তার কারণেও আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন প্রিয়ন্তী উর্বী। বিয়ে ও জীবনসঙ্গী নিয়ে তাঁর সাম্প্রতিক মন্তব্যও সেই আলোচনাকে আরও উসকে দিয়েছে।

সূত্র:
দীপ্ত প্লে
চরকি
প্রিয়ন্তী উর্বীর সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকার

বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, বরসহ আহত ৪নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কে...
02/09/2026

বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, বরসহ আহত ৪
নাটোরের বাগাতিপাড়ায় বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বরসহ চারজন আহত হয়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, সংঘর্ষের সময় বরকে মারধর করে বাসরঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়। তবে বাসরঘর ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার জয়ন্তীপুর গ্রামে মিন্টু আলী শাহের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিন্টু আলী শাহের ছেলে আরাফাত শাহ (২১)-এর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ছোটময়না গ্রামের আব্দুল মজিদের মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়েকে কেন্দ্র করে টানা দুই দিন ধরে বাড়িতে সাউন্ড বক্সে উচ্চ শব্দে গান বাজানো ও নাচ-গানের আয়োজন চলছিল।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রথম দিন একই গ্রামের আব্দুল আওয়াল শাহ বিষয়টি বরের বাবাকে জানালে তিনি শব্দ কমিয়ে দেন। কিন্তু পরদিন রাতেও আবার উচ্চ শব্দে গান বাজানো শুরু হলে আব্দুল আওয়াল শাহ তাঁর ছেলেসহ কয়েকজনকে নিয়ে বিয়েবাড়িতে যান।
এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, হামলাকারীরা বর আরাফাত শাহকে মারধর করে বাসরঘর থেকে বের করে দেন। এ সময় ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুরেরও অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, অতিথিদের উদ্দেশে আপত্তিকর মন্তব্যও করা হয়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আব্দুল আওয়াল শাহ। তাঁর দাবি, দুই দিন ধরে উচ্চ শব্দে গান বাজানোর কারণে এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবন ব্যাহত হচ্ছিল। তাঁরা শুধু গান বন্ধ করার জন্য বলতে গিয়েছিলেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা চলছে।
নাটোরের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেন বলেন, বিয়েবাড়িতে উচ্চ শব্দে গান বাজানোকে কেন্দ্র করে নিজেদের স্বজনদের মধ্যেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বরপক্ষের কয়েকজনকে মারধরের ঘটনা ঘটলেও বাসরঘর ভাঙচুরের অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময়ের জন্য উত্তেজনা তৈরি হলেও বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র:
স্থানীয় ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর আলমের বক্তব্য
নাটোরের পুলিশ সুপার আমজাদ হোসেনের বক্তব্য
স্থানীয়দের বক্তব্য

বিতে প্রথমে কী দেখলেন? আপনার স্বভাব-ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মিলতে পারে মজার কিছু ইঙ্গিতএকটি ছবির দিকে তাকিয়ে দু’জন মানুষ কখ...
02/09/2026

বিতে প্রথমে কী দেখলেন? আপনার স্বভাব-ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে মিলতে পারে মজার কিছু ইঙ্গিত
একটি ছবির দিকে তাকিয়ে দু’জন মানুষ কখনও কখনও সম্পূর্ণ ভিন্ন দুটি বিষয় দেখতে পারেন। এটাই অপটিক্যাল ইলিউশনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। চোখের সামনে একই ছবি থাকলেও আমাদের মস্তিষ্ক সেটিকে কীভাবে গ্রহণ করছে, তার ওপর নির্ভর করে প্রথম দেখায় ধরা পড়তে পারে ভিন্ন ভিন্ন অবয়ব।
সম্প্রতি এমনই একটি অপটিক্যাল ইলিউশনের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ছবিটিতে লুকিয়ে রয়েছে দুটি ভিন্ন অবয়ব। দাবি করা হচ্ছে, আপনি প্রথমে কোন অবয়বটি দেখতে পাচ্ছেন, তার সঙ্গে আপনার স্বভাবের কিছু বৈশিষ্ট্যের মিল থাকতে পারে।
তবে মনে রাখা ভালো, এটি মূলত মজার একটি ব্যক্তিত্বভিত্তিক অপটিক্যাল ইলিউশন। এটিকে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত ব্যক্তিত্ব পরীক্ষা হিসেবে নেওয়া উচিত নয়।
ছবিতে আসলে কী রয়েছে?
ছবিটির দিকে প্রথমবার তাকালে কারও চোখে ধরা পড়তে পারে এক নারীর অবয়ব। আবার কেউ প্রথম দেখাতেই দেখতে পারেন একজন পুরুষের মুখ।
নারীর অবয়বটিতে দেখা যায়, একপাশ ফিরে চুল ছড়িয়ে বসে থাকা একজন নারীকে। অন্যদিকে, একটু ভিন্নভাবে তাকালে সেই একই ছবির রেখাগুলো মিলিয়ে তৈরি হয় একজন পুরুষের মুখ—লম্বা নাক এবং ঢেউ খেলানো চুলসহ।
এখন প্রশ্ন হলো, আপনি প্রথমে কোনটি দেখেছেন?
প্রথমে যদি নারীকে দেখে থাকেন
যদি ছবিতে সবার আগে আপনার চোখে নারীর অবয়বটি ধরা পড়ে, প্রচলিত এই অপটিক্যাল ইলিউশন ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপনি তুলনামূলকভাবে সহানুভূতিশীল, উদার ও ইতিবাচক মানসিকতার মানুষ হতে পারেন।
আপনি অন্যের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করেন এবং সহজে কাউকে বিচার করে ফেলেন না। ভুল হলে ক্ষমা করে দেওয়ার মানসিকতাও আপনার মধ্যে থাকতে পারে।
জীবনে কঠিন পরিস্থিতি এলেও আপনি নিজেকে সামলে নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পছন্দ করেন। নিজের পছন্দের কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ ও মনোযোগও বেশ গভীর হতে পারে।
অর্থাৎ, আপনার কাছে সম্পর্ক, মানবিকতা এবং ইতিবাচক মনোভাব জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ—এমনটাই ইঙ্গিত করে এই মজার ব্যক্তিত্ব বিশ্লেষণ।
প্রথমে যদি পুরুষের মুখ দেখে থাকেন
অন্যদিকে, ছবিতে প্রথমেই যদি আপনার চোখে পুরুষের মুখটি ধরা পড়ে, তাহলে প্রচলিত ব্যাখ্যা অনুযায়ী আপনি ব্যক্তিগত বিষয় নিজের মধ্যেই রাখতে পছন্দ করেন।
আপনার জীবনের সব কথা সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার অভ্যাস নাও থাকতে পারে। নিজের অনুভূতি, চিন্তা কিংবা ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা প্রকাশ করার আগে আপনি অনেকটাই ভেবে নেন।
অনেকের কাছে এমন মানুষ কিছুটা চুপচাপ বা অন্তর্মুখী মনে হতে পারেন। কিন্তু তার অর্থ এই নয় যে তাঁরা মানুষের প্রতি উদাসীন। বরং নিজের ভেতরের জগতটিকে ব্যক্তিগত রাখতেই তাঁরা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
এই ব্যাখ্যা অনুযায়ী, এমন মানুষ সাধারণত সৎ, পরিশ্রমী এবং নিজের দায়িত্বের প্রতি সচেতন হয়ে থাকেন।
আপনার ক্ষেত্রে কোনটি মিলল?
একই ছবিতে দু’টি অবয়ব—কিন্তু প্রথম দেখায় আপনার চোখে কোনটি ধরা পড়ল, সেটিই এই অপটিক্যাল ইলিউশনের মজার বিষয়।
তবে ব্যক্তিত্ব অনেক জটিল বিষয়। একটি ছবি বা এমন কোনো অনলাইন পরীক্ষা দিয়ে একজন মানুষের পুরো স্বভাব-চরিত্র নির্ধারণ করা সম্ভব নয়। তাই এটিকে নিছক মজার একটি মনস্তাত্ত্বিক খেলা হিসেবেই উপভোগ করা ভালো।
আপনি প্রথমে নারীকে দেখেছেন, নাকি পুরুষের মুখ?
আপনার উত্তরটি মিলছে কি না, জানাতে পারেন মন্তব্যে।
সূত্র:
Aaj Tak Bangla
TikTok-এ Mia Yilin-এর শেয়ার করা অপটিক্যাল ইলিউশন ভিডিও

১৯ বার ব্যর্থতা, তবুও থামেননি—২০তম প্রচেষ্টায় CA ঋদ্ধির স্বপ্নপূরণদশম শ্রেণিতে মাত্র ৪৩ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। একসময় ...
02/09/2026

১৯ বার ব্যর্থতা, তবুও থামেননি—২০তম প্রচেষ্টায় CA ঋদ্ধির স্বপ্নপূরণ
দশম শ্রেণিতে মাত্র ৪৩ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। একসময় অনেকেই মনে করেছিলেন, পড়াশোনায় হয়তো খুব বেশি দূর এগোতে পারবেন না। কিন্তু সেই ধারণাকেই নিজের অধ্যবসায় ভুল প্রমাণ করেছেন ঋদ্ধি সুদ্রানিয়া।
২০০৫ সালে নতুন করে পড়াশোনায় মন দেন তিনি। এরপর একে একে B.Com, M.Com এবং MH-SET সম্পন্ন করেন। পরে কলেজে লেকচারার হিসেবে শিক্ষকতা শুরু করেন। তবে নিজের শিক্ষাজীবনের সেখানেই থামতে চাননি ঋদ্ধি। শিক্ষকতা করতে করতেই স্বপ্ন দেখেন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট বা CA হওয়ার।
২০১৩ সালে CA পড়া শুরু করলেও ব্যক্তিগত কারণে মাঝপথে সেই যাত্রা থেমে যায়। ২০১৫ সালে আবারও নতুন উদ্যমে শুরু করেন প্রস্তুতি।
তারপর শুরু হয় কঠিন এক অধ্যায়।
একবার নয়, দু’বার নয়—টানা ১৯ বার পরীক্ষায় সফল হতে পারেননি ঋদ্ধি।
তবুও প্রতিবারই নতুন করে প্রস্তুতি নিয়েছেন। কারণ, নিজের ছাত্রছাত্রীদের তিনি সবসময় শেখাতেন—ব্যর্থতা এলেও চেষ্টা থামানো যাবে না। তাই নিজের জীবনেও সেই বিশ্বাসকে ধরে রেখেছিলেন।
পরিবারের নানা সীমাবদ্ধতা এবং একের পর এক ব্যর্থতার মধ্যেও পরিবারের সমর্থন তাঁকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। দীর্ঘ অপেক্ষা, পরিশ্রম আর ধৈর্যের পর অবশেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত।
৬ জুলাই ২০২৫—২০তম প্রচেষ্টায় CA ফাইনাল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ঋদ্ধি সুদ্রানিয়া।
যে ছাত্রীকে একসময় মাত্র ৪৩ শতাংশ নম্বরের কারণে অবমূল্যায়ন করা হয়েছিল, আজ তাঁর পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে একটি নতুন অর্জন—CA ঋদ্ধি সুদ্রানিয়া।
ঋদ্ধির গল্পের সবচেয়ে বড় শিক্ষা তাঁর ফলাফল নয়, বরং বারবার ব্যর্থ হওয়ার পরও আবার উঠে দাঁড়ানোর মানসিকতা।
জীবনে কতবার হোঁচট খেয়েছি, সেটি হয়তো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। গুরুত্বপূর্ণ হলো—প্রতিবার পড়ে যাওয়ার পর আমরা আবার উঠে দাঁড়ানোর সাহস রাখি কি না।
ব্যর্থতা পথের শেষ নয়। কখনও কখনও সেটিই সাফল্যের পথে আরও দৃঢ়ভাবে এগিয়ে যাওয়ার শিক্ষা হয়ে ওঠে।
সূত্র: ঋদ্ধি সুদ্রানিয়ার প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার ও তাঁর CA সাফল্য নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন।

মাত্র ২১ বছরেই IIT দিল্লিতে PhD! ছোট শহরের জাহ্নবীর অসাধারণ যাত্রাহরিয়ানার সামালখার ছোট্ট শহর থেকে উঠে এসে মাত্র ২১ বছর...
02/09/2026

মাত্র ২১ বছরেই IIT দিল্লিতে PhD! ছোট শহরের জাহ্নবীর অসাধারণ যাত্রা
হরিয়ানার সামালখার ছোট্ট শহর থেকে উঠে এসে মাত্র ২১ বছর বয়সে IIT দিল্লির PhD প্রোগ্রামে সুযোগ পেয়েছেন জাহ্নবী পানওয়ার। তাঁর এই পথচলা শুধু একাডেমিক সাফল্যের গল্প নয়, বরং স্বপ্নকে বড় করে দেখার এক অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ।
জাহ্নবীর শিক্ষাজীবনের শুরুটাই ছিল অন্যরকম। মাত্র ১১ বছর বয়সে দশম শ্রেণি এবং ১৩ বছর বয়সে দ্বাদশ শ্রেণি সম্পন্ন করেন তিনি। এরপর ১৬ বছর বয়সে স্নাতক এবং মাত্র ১৮ বছরেই ইংরেজিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
তবে দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার পরও শেখার আগ্রহ থামেনি। ১৯ বছর বয়সে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ শুরু করার পাশাপাশি গবেষণা, লেখালেখি ও বই প্রকাশের সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন জাহ্নবী।
এবার তাঁর শিক্ষাজীবনে যুক্ত হয়েছে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। মাত্র ২১ বছর বয়সেই IIT দিল্লিতে PhD গবেষণার সুযোগ পেয়েছেন তিনি। লোকসাহিত্য-সম্পর্কিত একটি বিষয় নিয়ে সেখানে গবেষণা করার পথে এগোচ্ছেন জাহ্নবী।
শিক্ষাজীবনে UGC-NET-এ সাফল্যের পাশাপাশি GATE পরীক্ষাতেও উত্তীর্ণ হয়েছেন তিনি। একের পর এক অর্জন তাঁর মেধা, অধ্যবসায় এবং শেখার প্রতি গভীর আগ্রহেরই পরিচয় দেয়।
তবে জাহ্নবীর গল্পের সবচেয়ে অনুপ্রেরণার দিকটি তাঁর বয়স নয়। বরং কৌতূহল, শেখার ইচ্ছা এবং নিজের লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থাকার মানসিকতাই তাঁর পথচলাকে বিশেষ করে তুলেছে।
ছোট শহর থেকে শুরু করেও বড় স্বপ্ন দেখা যায়। সুযোগ হয়তো সবার জীবনে সমানভাবে আসে না, কিন্তু শেখার আগ্রহ আর নিরন্তর চেষ্টা মানুষকে নিজের সীমা অতিক্রম করার শক্তি দিতে পারে।
জাহ্নবীর যাত্রা তাই তরুণদের জন্য একটি সুন্দর বার্তা—
শুরুটা ছোট হতে পারে, কিন্তু স্বপ্নের পরিধি কখনও ছোট হতে হয় না।
সূত্র: জাহ্নবী পানওয়ারের প্রকাশ্য সাক্ষাৎকার ও শিক্ষাজীবনসংক্রান্ত প্রতিবেদন; IIT Delhi-সংক্রান্ত প্রকাশ্য তথ্য।

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কতটা হলে ভালো? গবেষণা কী বলছেদাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত—এই...
02/09/2026

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কতটা হলে ভালো? গবেষণা কী বলছে
দাম্পত্য জীবনে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত—এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোনো উত্তর নেই। কারও ক্ষেত্রে সমবয়সী হওয়া সম্পর্ককে সহজ করে, আবার অনেক দম্পতির ক্ষেত্রে ১০-১৫ বছর বা তারও বেশি বয়সের ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও সুন্দরভাবে সংসার গড়ে ওঠে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়সের পার্থক্য কিছু ক্ষেত্রে দুজনের চিন্তাভাবনা ও জীবনযাপনের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে দীর্ঘস্থায়ী ও সুখী দাম্পত্যের জন্য বয়সের ব্যবধানের চেয়ে পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, বোঝাপড়া, যোগাযোগ এবং মানসিক পরিপক্বতা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কম হলে অনেক সময় তাঁদের জীবনযাপন, সামাজিক অভিজ্ঞতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মিল খুঁজে পাওয়া সহজ হয়। তবে বয়সের ব্যবধান বেশি হলেই সম্পর্ক দুর্বল হবে—এমন কোনো নিয়ম নেই। দুজনের মূল্যবোধ ও জীবনের লক্ষ্য কাছাকাছি হলে বড় বয়সের পার্থক্যও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

অন্যদিকে, বয়সের ব্যবধান যখন অনেক বেশি হয়, তখন ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, জীবনযাত্রা, কর্মজীবন কিংবা সন্তান নেওয়ার সময় নিয়ে মতপার্থক্যের সম্ভাবনা কিছুটা বাড়তে পারে। তাই এমন সম্পর্কে পারস্পরিক আলোচনা ও বোঝাপড়া আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

গবেষণায় বয়সের ব্যবধান ও দাম্পত্য সন্তুষ্টির মধ্যে কিছু সম্পর্কের ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও, এগুলোকে সবার জন্য প্রযোজ্য কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম হিসেবে দেখা যায় না। কারণ একটি সম্পর্কের সাফল্য কেবল বয়সের সংখ্যায় নির্ধারিত হয় না।

সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে অবশ্য বয়সের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন। বিশেষ করে নারীর প্রজননক্ষমতা বয়সের সঙ্গে পরিবর্তিত হয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে গর্ভধারণ ও গর্ভাবস্থার কিছু ঝুঁকিও বাড়তে পারে। পুরুষের ক্ষেত্রেও বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রজননক্ষমতায় কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে বয়সের পাশাপাশি ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য ও চিকিৎসকের পরামর্শকেও গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

সবশেষে বলা যায়—

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য যতটা নয়, তাঁদের মানসিক দূরত্ব কতটা—সেটিই একটি সম্পর্কের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

একজন আরেকজনকে সম্মান করেন, বিশ্বাস করেন, কঠিন সময়ে পাশে থাকেন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে একইসঙ্গে এগিয়ে যেতে চান—তাহলে বয়সের ব্যবধান অনেক সময়ই কেবল একটি সংখ্যা হয়ে থাকে।

সূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক; ২০১৭ সালের অস্ট্রেলীয় গবেষণার উল্লেখিত তথ্য।

পদবি নয়, পরিচয় হোক মানুষ হিসেবে—সৃজনীর ৪০০-তে ৪০০-এর সাফল্যের সঙ্গে আরও এক বার্তাISC পরীক্ষায় ৪০০-তে ৪০০ নম্বর পেয়ে ...
02/09/2026

পদবি নয়, পরিচয় হোক মানুষ হিসেবে—সৃজনীর ৪০০-তে ৪০০-এর সাফল্যের সঙ্গে আরও এক বার্তা
ISC পরীক্ষায় ৪০০-তে ৪০০ নম্বর পেয়ে নজর কেড়েছেন সৃজনী। অসাধারণ ফলের পাশাপাশি তাঁর একটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তও নতুন করে আলোচনায় এসেছে—নিজের নাম থেকে পারিবারিক পদবি বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
কেন এমন সিদ্ধান্ত?

সৃজনীর বক্তব্য, তিনি এমন একটি সমাজের স্বপ্ন দেখেন, যেখানে জাতি, ধর্ম, লিঙ্গ কিংবা আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে মানুষের মধ্যে বিভাজন থাকবে না। তাঁর কাছে মানুষের পরিচয়ের চেয়ে পদবির গুরুত্ব বেশি নয়। তাই নিজের নামের সঙ্গে এমন কোনও পরিচয় বহন করতে চান না, যা তাঁর চোখে সামাজিক বিভাজনের প্রতীক হয়ে উঠতে পারে।

শুধু নামের ক্ষেত্রেই নয়, পরীক্ষার ফর্মে ধর্মের জায়গাতেও তিনি লিখেছিলেন “Humanism”, অর্থাৎ মানবতাবাদ।

সৃজনীর এই ভাবনাকে তাঁর পরিবারও সম্মান করেছে। জানা যায়, তাঁর মাও স্বামীর পদবি ব্যবহার করেন না।

একজন কিশোরীর এমন চিন্তা হয়তো সবার সঙ্গে এক হবে না। প্রত্যেক মানুষের নিজের বিশ্বাস ও পরিচয় বেছে নেওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে নিজের বিশ্বাসকে এত অল্প বয়সে স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করা এবং তা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রকাশ করার সাহস নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।

৪০০-তে ৪০০ পাওয়া তাঁর মেধার পরিচয়।
আর নিজের বিশ্বাসের পাশে দাঁড়ানোর সাহস তাঁর ব্যক্তিত্বের পরিচয়।

শেষ পর্যন্ত হয়তো মানুষের সবচেয়ে বড় পরিচয় কোনও পদবি, জাতি বা সামাজিক পরিচয়ে নয়—
সে কেমন মানুষ, সেটিই তার সবচেয়ে মূল্যবান পরিচয়। ❤️

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা, সংবাদ প্রতিদিন, The Telegraph India

‘এই পরিণতিটা তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না’, দেবের কথায় আবেগঘন মুহূর্তে শুভশ্রীদীর্ঘ এক যুগ পর আবারও পর্দায় ফিরছে দেব-শ...
02/09/2026

‘এই পরিণতিটা তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না’, দেবের কথায় আবেগঘন মুহূর্তে শুভশ্রী
দীর্ঘ এক যুগ পর আবারও পর্দায় ফিরছে দেব-শুভশ্রী জুটি। ‘দেশু ৭’ ঘিরে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ। তবে সিনেমার আলোচনা ছাপিয়ে সাম্প্রতিক এক লাইভ আড্ডায় উঠে এল তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের কিছু পুরনো স্মৃতিও।
সোমবারের লাইভ অনুষ্ঠানে পাশাপাশি দেখা যায় দেব ও শুভশ্রীকে। সিনেমা নিয়ে নানা কথার পাশাপাশি উঠে আসে তাঁদের পুরনো সম্পর্কের প্রসঙ্গ। একসময় তাঁদের সম্পর্ক ছিল টলিপাড়ার অন্যতম আলোচিত বিষয়। পরবর্তীতে দুজনেই নিজেদের জীবনে এগিয়ে গিয়েছেন এবং আলাদা সংসার গড়েছেন।
আড্ডার এক পর্যায়ে শুভশ্রী জানান, দেবের কাজ ও সিনেমা নিয়ে তিনি এখনও খোঁজ রাখেন। এমনকি দেব পরিচালকের আসনে বসুন—এমন ইচ্ছাও তাঁর ছিল। তবে সেই কথা কখনও সরাসরি বলা হয়নি।
দুজনের কথোপকথনে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, অতীতের সম্পর্কের জায়গায় এখন রয়েছে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌজন্য। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের যেকোনও কথাবার্তা নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা তৈরি হয় বলেও জানান দেব।
এরপর আসে সবচেয়ে আবেগঘন মুহূর্ত। দীর্ঘ ১২ বছর পর একে অপরের মধ্যে কী পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন—এই প্রশ্নের উত্তরে দেব বলেন, শুভশ্রী এখন অনেক বেশি পরিণত। যেকোনও পরিস্থিতি সামলে নেওয়ার মতো মানসিক দৃঢ়তা তাঁর মধ্যে তৈরি হয়েছে।
এরপরই দেব বলেন, “এই ম্যাচিওরিটিটা তখন থাকলে আমরা আলাদা হতাম না। তখন দুজনেই ইনোসেন্ট ছিলাম।”
দেবের এই মন্তব্যে মুহূর্তেই বদলে যায় আড্ডার আবহ। শুভশ্রীও তাঁর দিকে তাকিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান। পরিস্থিতি হালকা করতে দেব মজার ছলে প্রশ্ন করেন, “আবার কেস খেলে তুমি?” হাসিমুখেই পরিস্থিতি সামলে নেন শুভশ্রী।
তবে তাঁদের কথোপকথনে পুরনো সম্পর্কের কোনও তিক্ততার চেয়ে বরং উঠে আসে সময়ের সঙ্গে মানুষের বদলে যাওয়ার গল্প। একসময় যে দুজন একে অপরের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিলেন, বহু বছর পর তাঁদের কথায় সেই অতীতের স্মৃতিরই যেন এক ঝলক ফিরে আসে।
‘দেশু ৭’-এর মাধ্যমে দীর্ঘ বিরতির পর ফের একসঙ্গে কাজ করছেন দেব ও শুভশ্রী। দর্শকদের ভালোবাসা এবং পুরনো স্মৃতির টান—দুই মিলিয়ে এই জুটির নতুন সিনেমাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই তৈরি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন, আনন্দবাজার পত্রিকা, ABP Live বাংলা।

Address

Baridhara
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Qn Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share