Saifa&Shefa#

Directions Contact the business

Saifa&Shefa# I love my work. I can make people happy with my work. Everyone pray for me.
(2)

Good morning 🥰
13/10/2026

Good morning 🥰

ইন্না-লিল্লাহ... জীবনের দাম কি ৫৫ হাজার টাকা!ওই যে দুই দিন আগে বিথী আপু মা"রা গেছেন অবশ্যই আপনাদের মনে আছে"ডাক্তার পেটে ...
12/10/2026

ইন্না-লিল্লাহ... জীবনের দাম কি ৫৫ হাজার টাকা!ওই যে দুই দিন আগে বিথী আপু মা"রা গেছেন অবশ্যই আপনাদের মনে আছে"ডাক্তার পেটে গজ রেখে সেলাই করেছিলেন যার ফলাফল ছিলো মৃ/ত্যু চলে গেছে বিথী, রেখে গেছে নিষ্পাপ সন্তান! বিথী হ/ত্যা/র সুষ্ঠু বিচার চাই!✅❤️‍🩹

বিথী আক্তার আজ আর আমাদের মাঝে নেই। তিনি রেখে গেছেন তাঁর সন্তান ও অসংখ্য কষ্টের স্মৃতি। কিন্তু তাঁর মৃ"ত্যু"কে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও প্রশ্নগুলোর সঠিক উত্তর আজও মানুষ জানতে চায়। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হোক এবং সত্য প্রকাশ করা হোক

প্রশ্ন একটাই—একটি প্রাণ হারানোর পরও যদি ন্যায়বিচার না মেলে, তাহলে সাধারণ মানুষ বিচার পাবে কোথায়?

৫৫ হাজার টাকা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে। অনেকেই বলছেন, বিথীর স্বামী টাকা নিয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি কোনো অর্থ লেনদেন হয়েও থাকে, তাহলে সেটি কি একজন মানুষের মৃত্যুর বিচার পাওয়ার অধিকার শেষ করে দেয়? কোনো অর্থের বিনিময়ে কি একটি প্রাণ হারানোর ঘটনা নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলোর সমাধান হয়ে যায়? টাকা লেনদেনের বিষয়টি সত্য হলে, সেটির উদ্দেশ্য ও প্রেক্ষাপটও নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা জরুরি।

যাঁরা ৫৫ হাজার টাকার বিষয়টি নিয়ে নানা মন্তব্য করছেন, তাঁদের বলছি—শুধু অর্থ লেনদেনের কথা তুলে ধরে মূল ঘটনা থেকে মানুষের দৃষ্টি সরিয়ে দেবেন না। টাকাটি কোথা থেকে এসেছে, কেন দেওয়া হয়েছে এবং এর সঙ্গে মৃ*ত্যুর ঘটনার কোনো সম্পর্ক আছে কি না!এসব প্রশ্নের উত্তর প্রমাণের ভিত্তিতে বেরিয়ে আসুক। আবেগ কিংবা অনুমানের ভিত্তিতে কাউকে দো/ষী বা নির্দোষ ঘোষণা করা ঠিক নয় 😊

আমরা প্র''তিশোধ চাই না, আমরা চাই ন্যায়বিচার।
বিথীর মৃ*ত্যুকে ঘিরে যাঁদের বি'রুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ভূমিকা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। কোনো প্রভাব, অর্থ কিংবা সম্পর্ক যেন সুষ্ঠু তদন্তের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায়।

আজ বিথী চলে গেছেন। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া সন্তানটির ভবিষ্যৎ কী হবে? একজন মায়ের শূন্যতা কি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা সম্ভব? একটি পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষ'তির দায় কার—সেই প্রশ্নের উত্তরও আমাদের জানতে হবে।

বিথীর স্বামীর প্রতিও আমাদের প্রশ্ন রয়েছে। যদি তিনি মনে করেন বিথীর মৃ*ত্যুর ঘটনায় অন্যায় হয়েছে, তাহলে আইনগতভাবে ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। তিনি মা*মলা করে থাকলে তদন্তের অগ্রগতি সামনে আসুক, আর মামলা না হয়ে থাকলে বিথীর পরিবার যেন আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ও সহযোগিতা পায়। কে নায়ক, কে খলনায়ক—সেই বিতর্কের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, প্রকৃত সত্য উদ্‌ঘাটন এবং বিথীর মৃ*ত্যুর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

আমরা চাই না, এমন কোনো ঘটনার পর একটি পরিবারকে অসহায় হয়ে কাঁদতে হোক। আমরা চাই না, কোনো মৃ*ত্যুর ঘটনা নিয়ে ওঠা গু'রুতর অভিযোগ অর্থের আলোচনা কিংবা প্রভাবের আড়ালে চাপা পড়ে যাক।

আমাদের দাবি"বিথী আক্তারের মৃ*ত্যুর ঘটনা নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করতে হবে!চিকিৎসায় কোনো অবহেলা বা অনিয়ম হয়ে থাকলে, তার প্রমাণের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ৫৫ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগের সত্যতা ও উদ্দেশ্য তদন্ত করে জনসমক্ষে পরিষ্কার করতে হবে।সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ভূমিকা তদন্ত করে অপরাধ প্রমাণিত হলে উপযুক্ত শা'স্তি নিশ্চিত করতে হবে।
বিথীর পরিবার ও সন্তানের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে ✅

আমরা কারও বি'রুদ্ধে প্রমাণ ছাড়া চূড়ান্ত রায় দিতে চাই না। আমরা চাই, তদন্ত হোক, সত্য প্রকাশ হোক, অপরাধী হলে শা'স্তি হোক এবং নি'র্দোষ কেউ যেন অন্যায়ভাবে হ'য়রা'নির শিকার না হন।

বিথী আক্তারের জন্য বিচার চাই। তাঁর সন্তানের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

একটি প্রা'ণের মূল্য ৫৫ হাজার টাকা নয়, কোনো টাকাই নয়। একজন মানুষের জীবনের ক্ষতি কোনো অর্থ দিয়ে পূরণ করা যায় না। তাই অর্থের হিসাব নয়, আমরা চাই সত্যের প্রতিষ্ঠা ও আইনের সঠিক প্রয়োগ।

সবাই সত্যের পক্ষে কথা বলুন। গু'জব নয়, প্রমাণের ভিত্তিতে বিচার দাবি করুন। বিথীর পরিবারের পাশে দাঁড়ান এবং বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি ছড়িয়ে দিন।

বিচার চাই, ন্যায়বিচার চাই—বিথী আক্তারের মৃ*ত্যুর সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের উপযুক্ত শা/স্তি চাই!সাথে এটাও চাই ডাক্তারে ভুল চিকিৎসায় যেন আর কোন সন্তান মা হারা না হোক এটাই দাবি ✊✅


আমাদের পরিচয় হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে।  ইনস্টাগ্রামে পরিচয় হওয়ার পর ওর সাথে আমার ৩-৪ মাস কথা হয়। কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে আমর...
11/10/2026

আমাদের পরিচয় হয়েছিল ইনস্টাগ্রামে। ইনস্টাগ্রামে পরিচয় হওয়ার পর ওর সাথে আমার ৩-৪ মাস কথা হয়। কথা বলতে বলতে এক পর্যায়ে আমরা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ি।
সম্পর্কে যাওয়ার পর একদিন সে আমাকে বলে যে, বাসা থেকে ঝগড়া করে সে বের হয়ে গেছে এবং তার বান্ধবীর বাসায় গেছে। সেখান থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে সে বলে, "আমি তোমার সাথে দেখা করতে চাই।"
আমি তখন বলি, "তুমি অত দূর থেকে কীভাবে আসবে?"
সে বলে, "আমি একা একাই আসতে পারব, কোনো সমস্যা নেই। তুমি আমাকে লোকেশন পাঠাও, আমি লোকেশন অনুযায়ী চলে আসব।"

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সে একদিন থাকে। এর পরদিন রাতে সে গাড়িতে ওঠে এবং পরদিন সকাল ৬টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছায়। আমি সেখানে গিয়ে তাকে রিসিভ করি। এরপর আমরা একটা রুম বুক করি এবং সেখানে একদিন থাকি।

পরে দেখা যায়, ওর মোবাইলে তার বাবা-মা প্রচুর কল দিচ্ছেন। তখন আমি তাকে বলি, "তুমি আজ বিকেলেই চলে যাও, আমি তোমার টিকিটের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।" এরপর আমি এক্সপ্রেস কাউন্টারে গিয়ে তার জন্য একটি সিঙ্গেল টিকিট কেটে দিই।

পরদিন সাড়ে ৫টার দিকে আমি তাকে গাড়িতে তুলে দিই। কুমিল্লা পৌঁছানো পর্যন্ত তার সাথে আমার লাইভ লোকেশন শেয়ার করা ছিলো এবং ফোনেও কথা হচ্ছিলো। কুমিল্লা পৌঁছানোর পর সে আমাকে ফোন করে বলে, "আমি বাড়ি গিয়ে দেখছি মেইন গেট বন্ধ। আমি বাসায় ঢুকতে পারছি না, আব্বুকে ফোন দিচ্ছি কিন্তু আব্বুর ফোন বন্ধ।"
তখন আমি তাকে বলি, "তুমি দরজার সামনেই কিছুক্ষণ বসে থাকো এবং অন্য কারও ফোন থেকে কল দিয়ে আব্বুকে ডাকো।"
কিন্তু সে বলে, "না, সমস্যা নেই।
আমি আমার এক বন্ধুর বাবার দেখা পেয়েছি, উনার সাথে বন্ধুর বাসায় যাচ্ছি। আজ রাতে সেখানেই থাকব, সকালে বাসায় চলে যাব।"
এ কথা বলেই সে কল কেটে দেয়।

আমি আবার তাকে ভিডিও কল করলে দেখতে পাই সে একটি সিএনজিতে উঠছে।
আমি তাকে বলি, "তুমি সিএনজি থেকে নেমে যাও এবং তোমার বাসার সামনেই গিয়ে বসে থাকো।" এ নিয়ে আমি তাকে কিছুটা বকাবকিও করি। কিন্তু সে আমার কলটি কেটে দেয় এবং লাইভ লোকেশন বন্ধ করে দেয়।

সবশেষে সে আমাকে একটি মেসেজ দিয়ে বলে, "তুমি চিন্তা করো না, আমি আমার এক আঙ্কেলের বাসায় যাচ্ছি, কাল সকালে বাসায় ফিরে যাব।"

পরদিন সকালে সে যেখানে পৌঁছায়, সেখানে সাড়ে ১১টার দিকে আমরা আবার কথা বলি। আমার ধারণা হচ্ছিল সে সিএনজিতেই ছিল। ভিডিও কলে কথা বলার সময় এক লোক তাকে জিজ্ঞেস করে, "কার সাথে কথা বলছ?" সে উত্তর দেয়, "এক বন্ধুর সাথে।" এরপরই কলটি কেটে যায়।
এর পর থেকে তার সাথে আমার আর কোনো যোগাযোগ হয়নি।
পরদিন বিকেলে আমি তার সেই বন্ধুর, যার বাসায় সে ছিল মাধ্যমে জানতে পারি যে, তাকে হ** করা হয়েছে....💔😭

~ তাজমিনের প্রেমিক রাজুর বক্তব্য

কয়েকদিন আগে একটা নিউজ হয়েছিলো না? 'মা তার সন্তানের সাথে থাকতে চায়,কিন্তু সন্তান রাজী না!' এই ভিডিও ক্লিপ সবাই দেখেছিলো। ...
11/10/2026

কয়েকদিন আগে একটা নিউজ হয়েছিলো না? 'মা তার সন্তানের সাথে থাকতে চায়,কিন্তু সন্তান রাজী না!' এই ভিডিও ক্লিপ সবাই দেখেছিলো। কিন্তু এইখানেই কাহিনী শেষ না! আরো কাহিনী আছে!

আসল 'অপরাধী' ওই মহিলা ই! সন্তান কে জড়িয়ে ধরা কান্না করাটা উনার 'অভিনয়!'

আমি শুধু ভাবতেছিলাম এইভাবে কান্না করার পরেও ছেলে এতো স্ট্রং থাকার তো কথা না! নিশ্চয়ই কোনো কারন আছে!
শেষে ছেলেটার একটা কমেন্ট দেখলাম।
ছেলেটা বলতেছিলো ''আমার মা আমাকে বলে যে বউকে ছেড়ে দাও! আমি বলি আমার সন্তান আমার বউয়ের পেটে। তো মা আমাকে বলে তোমাকে আমি একটা ওষুধ দিচ্ছি তুমি ওষুধ খাইয়া বৌমার পেট থেকে বাচ্চা ফেলে দিয়ে তুমি বৌমাকে ছেড়ে দাও!
তখন আমার মেজাজ খারাপ হয়। অনেক কথা বলি। তারপর থেকে আমি আলাদা হয়ে ভাড়া থাকি৷ তারপরেও আমার মা আমার মামার সাথে ষড়যন্ত্র করে আমার বাসায় এসে আমার ওয়াইফ এবং আমার ছেলেকে মে**রে ফেলার চেষ্টা করবে। আমার বউকে আমি বিয়ে করার পর থেকেই আমার মা দেখতে পারে না। আপনারা শুধু এটুকু বোঝেন আমি তার সন্তান, এমনই আমারও তো সন্তান আমার ছেলে তাই আমি বাধ্য হয়ে আমার মাকে এ কথা বলতে বাধ্য হয়েছি
।আরো বলে তুই যদি তোর বউকে না ছেড়ে দিস ও তোর বউয়ের পেটের বাচ্চা না ফেলা দিস,তাইলে আমি তোর সাথে থাকবো না।এই বলে আমার বাসা থেকে চলে গেছে সব জিনিস পাতি নিয়ে!''

আমি তো এই ছেলের কোনো দোষ ই দেখলাম না। তার বউ কে রাখবে না ছাড়বে এইটা বলার উনি কে? উনি কেনো বলবে বাচ্চা মে**রে ফেলতে? উনি ছেলের বউ কে দেখতে পারেনা কিন্তু ছেলে তার বউকে ভালোবাসে, তাইলে কেনো ছাড়বে?
এমন কয়েকটা শ্বাশুড়ি দেখছি আমি যে ছেলেকে বলে তোর বউ কে ছেড়ে দে, তোরে আবার নতুন করে বিয়ে দেওয়াবো।
কেনো বলে? কারন ছেলের বউ কে তার পছন্দ না!

ছেলে জানে তার মা তার সাথে থাকলে তার বউয়ের ক্ষতি করবে, তাই সে মা কে সাথে রাখতে রাজী না। বলছে মায়ের ভরনপোষণ দিবে,কিন্তু সাথে রাখবে না।
ওর জায়গায় তো ও ঠিক আছে। তার মা তার বউ আর সন্তানের জন্য রিস্কি!

আমাদের মিডিয়া শুধু মায়ের কান্না টাই দেখালো,ছেলের কাছে জানতে চায় নাই আপনি কেনো রাখতে চাচ্ছেন না মা কে?

ছেলেটা কে 'বউ পাগল' বলে অনেক কথা বলছে অনেকেই! ছেলের তো দোষ নাই। দোষ একমাত্র তার মায়ের!

মাত্র ৫ মাসের পরিচয়ে কক্সবাজারে থাকা 'রাজু' নামের এক হোটেল বয় এর কাছে চলে যায় কুমিল্লার তাজমিন! ৫ মাস আগে ওই ছেলের সাথে ...
11/10/2026

মাত্র ৫ মাসের পরিচয়ে কক্সবাজারে থাকা 'রাজু' নামের এক হোটেল বয় এর কাছে চলে যায় কুমিল্লার তাজমিন! ৫ মাস আগে ওই ছেলের সাথে ইন্সটাগ্রামে তাদের পরিচয় হয়, তখন থেকেই নিয়মিত কথা হতো!🙂

তাজমিনের হাতে একটা ঘড়ি ছিলো,সেইটা তার বান্ধুবী কে দিয়ে দেওয়ার কারনে তার মা নাকি তাকে বকাবকি করেছে! এই বকার কারনেই সে রাগ করে বাসা থেক্ব বের হয়ে যায়, চলে যায় বান্ধুবীর বাড়িতে!
সেখান থেকে তার 'বয়ফ্রেন্ড' তাকে কক্সবাজার চলে আসতে বলে। বিকাশে টাকাও পাঠায়। এই মেয়ে একা একা কক্সবাজার চলে যায়। হোটেলে উঠে, সেখানে পরিচয় দেয় 'তানজু আক্তার' নামে! সেখানে থেকে এক/দুই রাত থেকে তার বয়ফ্রেন্ড তাকে কুমিল্লার বাসে উঠিয়ে দেয়। তারপর রাতে এসে নামে নূরজাহান হোটেলের সামনে। এরপর ই সিএনজি ঘটনা শুরু!

আমি 'ভিক্টিম ব্লেমিং' করতেছিনা তবে কিছু কথা না বলেও পারা যায় না। সত্যি বলতে তাজমিনের উপরে তার মা বাবার কোনো 'কন্ট্রোল' ই ছিলোনা! সিসিটিভি ফুটেজ বা কক্সবাজারের হোটেলের ফুটেজে তাজমিন কে বেশ 'কনফিডেন্ট' ই লেগেছে! বয়সের কারনে 'বাচ্চা' মনে হলেও তাজমিন আসলে বাচ্চা টাইপের ছিলোনা। এই যে তাজমিন বাড়ি থেকে চলে গেলো, ওর ফ্যামিলি কোনো জিডি পর্যন্ত করে নাই! সাধারণত সন্তান হারিয়ে গেলে মা বাবার যেমন রেসপন্স করে,তাজমিন এর ফ্যামিলি সেইটা করে নাই!

কোনো খোঁজ করা বা থানায় যাওয়া,কিছুই না! ব্যাপার টা বোধহয় তাদের কাছে 'সাধারন' লাগছে! তার মা বললো তাজমিন এর বান্ধুবী খারাপ,এইজন্য তাকে স্কুলে দিতো না!
তাদের এই কথাটা কেও আমার 'সত্যি' বলে মনে হয়নাই। তাদের সন্তানের উপর তাদের নিয়ন্ত্রণ ই ছিলোনা!

আপনার নিজের স্কুল লাইফের কথাই চিন্তা করেন, কোনো দিন একটু দেরি করে বাসায় ফিরলে আপনার মা অস্থির হয়ে যেতো না? বা প্রাইভেট থেকে একটু দেরি করে ফিরলে যদি উল্টাপাল্টা উত্তর দিতেন,আপনার মা আপনাকে কয়েকটা দিতো না? অবশ্যই দিতো
তখন এই মা ই র এর ভয়েই আপনি বাসায় ফিরার জন্য তটস্থ থাকতেন!

অথচ তাজমিন বাসা থেকে চলে যাওয়ার পরেও তাদের কোনো এমন রিয়েকশন ছিলোনা! এটা কেনো?

আমি আবারো বলি,এটা তাজমিন কে ব্লেইম দিচ্ছিনা আমি। আমার প্রশ্ন তার অভিভাবকদের এমন রিয়েকশনে!

আপনার মেয়ে চলে গেলো,এরপর কক্সবাজার চলে গেলো অথচ আপনারা জানলেন ই না!🙂


৭ তারিখ রাত ১১:৪৫ মিনিটে তাজমিন কক্সবাজার থেকে বাসে করে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার নূরজাহান হোটেলের সামনে এসে নামে।রাত ১২:১৫...
10/10/2026

৭ তারিখ রাত ১১:৪৫ মিনিটে তাজমিন কক্সবাজার থেকে বাসে করে কুমিল্লার পদুয়ার বাজার নূরজাহান হোটেলের সামনে এসে নামে।

রাত ১২:১৫ মিনিটের দিকে বাসায় ফেরার জন্য তাজমিন চালক সুমনের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে। রেসকোর্সের বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা থাকলেও বদমাইস সুমন তাকে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় ঘুরিয়ে সময় ক্ষেপণ করে। এরপর শর্টকাট রাস্তার বাহানা দিয়ে গ্রামের একটি নির্জন ও অন্ধকার ধানখেতের পাশে নিয়ে যায়।

নির্জন জায়গায় গাড়ি থামানোর পর তাজমিন বুঝতে পারে সে বিপদে পড়েছে। সে বাঁচার জন্য সিএনজি থেকে নেমে ধানখেতের মধ্য দিয়ে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সুমন পেছনে ধাওয়া করে তাকে ধরে ফেলে। তাজমিন চিৎকার শুরু করলে সুমন নিজের গামছা দিয়ে তাজমিনের গ* পেঁ**য়ে ধরে শ্বা* রোধ করে। মেয়েটি যখন দুর্বল হয়ে পড়ে, তখন সুমন তাকে ধ****ণ করে।
এরপর তাজমিনের মৃ** পুরোপুরি নিশ্চিত করার জন্য সুমন তার মা\ * থা কাদার মধ্যে পা দিয়ে চে*** ধরে রেখে তাকে হ*** করে।

এরপর সুমন তাজমিনের ব্যাগ থেকে তার ব্যবহৃত আইফোনটি চু--রি করে। পুলিশকে বিভ্রান্ত করতে তাজমিনের ব্যাগ ও নিজের সিএনজিটি ঘটনাস্থলেই ফেলে রেখে সে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সে কুমিল্লার বাকরাবাদের একটি পুকুর পাড়ের ঝোপের মধ্যে ফোনটি লুকিয়ে রেখে চট্টগ্রামে গিয়ে আত্মগোপন করে।

বি'পদ টের পেয়ে মৃ**র ঠিক আগমুহূর্তে, বুধবার রাত ২:৫৮ মিনিটে তাজমিন তার বাবার হোয়াটসঅ্যাপে নিজের লাইভ লোকেশন শেয়ার করে উদ্ধারের জন্য একটি বার্তা পাঠিয়েছিল। কিন্তু গভীর রাত হওয়ায় তাজমিনের বাবা ঘুমিয়ে ছিলেন এবং বার্তাটি দেখতে পাননি।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে ৯৯৯-এ কল পেয়ে লালমাই থানা পুলিশ জগতপুর গ্রামের কাদাভর্তি ধানখেত থেকে তাজমিনকে উদ্ধার করে। সকালে ঘুম থেকে উঠে মেসেজটি দেখে তাজমিনের বাবা ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং মেয়েকে শনাক্ত করেন।

সিএনজিচালক সুমনের তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের আইফোনটি উদ্ধার করে...🙃

মা-কে সাথে রাখলে নাকি ছেলে সু*:-  cide করবে! হায় রে কপাল....! 💔বাজান, আমাকে মাফ করে দে… আমাকে তোর সঙ্গে নিয়ে চল। আমি আর ...
10/10/2026

মা-কে সাথে রাখলে নাকি ছেলে সু*:- cide করবে!
হায় রে কপাল....! 💔

বাজান, আমাকে মাফ করে দে… আমাকে তোর সঙ্গে নিয়ে চল। আমি আর তোর বউকে কিছুই বলব না। তবুও আমাকে তোর সঙ্গে নিয়ে চল… 😭
হাত জোড় করে, কান্না করতে করতে একজন মা তার নিজের জন্ম দেওয়া সন্তানের কাছে এভাবেই একটু আশ্রয়ের জন্য ভিক্ষা চাচ্ছেন!

মুন্নি খাতুন...বয়স পঞ্চান্নর কোঠায়। স্বামী মা* গেছেন অনেক আগে। একমাত্র মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। শেষ বয়সে, তাও আবার হৃদরোগে আক্রান্ত এই অসুস্থ মায়ের একমাত্র ভরসা ছিল তার ছেলে সাগর হোসেন।

এই সাগর হোসেন নাগডেমরা ইউনিয়ন পরিষদের একজন গ্রাম পুলিশ!
বিয়ের পর থেকে বউয়ের কথায় নাকি পারিবারিক বিরোধের অজুহাতে নিজের মাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। ভরণপোষণ দেওয়া তো দূরের কথা, মায়ের মুখটাই দেখতে চায় না।
স্থানীয় মানুষজন, মেম্বার-চেয়ারম্যানরা কত বুঝাইছে, সালিস বসাইছে, কাজ হয় নাই। স্বয়ং উপজেলা চেয়ারম্যানও সাগরকে বুঝিয়ে তার মাকে সংসারে ফিরিয়ে দিতে পারেন নাই। শেষমেশ নিরুপায় হয়ে এই অসুস্থ মা ছেলের বিরুদ্ধে বিচার চাইতে সোজা দৌড়ালেন প্রশাসনের দ্বারে। ইউএনও কার্যালয়ে গিয়ে লিখিত কমপ্লেন করলেন।

এরপর যা ঘটলো, সেটা শুনলে আপনার রক্ত গরম হয়ে যাবে! ৮ অক্টোবর ইউএনও সেলিম আহমেদ দুই পক্ষকে ডেকে শুনানিতে বসলেন।
ইউএনও সাহেব সাগরকে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেন, আইনের কথা বললেন, ধর্মের কথা বললেন। কিন্তু ছেলের মন গলবে কী, সে উল্টো চরম বেয়াদবের মতো অনড় হয়ে রইলো!
সে সরাসরি ইউএনও-র মুখের ওপর বলে দিছে,
"মাকে আমার সঙ্গে রাখলে আমি সু*- cide করবো! আমি মাকে সাথে রাখতে পারব না। স্যার, আপনি বলেন মাকে মাসে কত টাকা দিতে হবে, আমি দিবো। কিন্তু মাকে আমার সংসারে নিবো না।"

ভাবেন একবার! যে মা দশ মাস দশ দিন পেটে ধরে দুনিয়ার আলো দেখালো, কত কষ্ট করে বড় করলো, আজ বউ আসার পর সেই মাকে নিজের ঘরে রাখতে গেলে ছেলের নাকি দম আটকে যায়, সু* সা*; ড করতে মন চায়! আর সে মা-কে টাকা দিয়ে বিদায় করতে চায়!

কিন্তু আসল প্রশ্ন হচ্ছে, মায়ের প্রতি ছেলের এমন ক্ষোভ কেন? মায়ের প্রতি একটুও কি মায়া নেই? নিশ্চয়ই ছেলের সংসারে এমন কিছু হয়েছে যার কারণে ছেলে আজ নিজের জন্মদাত্রী মাকে ঘরে নিতে এতটা নারাজ! একটা ছেলের মনে মায়ের প্রতি এতটা বিষ কে ঢাললো? নাকি নিজে সুখে থাকার জন্য মা-কে বোঝা মনে হচ্ছে?

অথচ ওই বৃদ্ধা মা কিন্তু ছেলের কাছে কোনো ফ্ল্যাট-বাড়ি, গাড়ি বা লাখ টাকা চান নাই। কান্নাভেজা চোখে প্রশাসনের সামনে মা শুধু একটা কথাই বলছেন,
"আমি ছেলের কাছে বাড়তি কোনো টাকা-পয়সা চাই না। নুন-পান্তা খেয়েও যদি ছেলের ঘরে শেষ জীবনটা কাটাতে পারি, ওটাই আমার শান্তি।"🥲

ইউএনও সাহেব পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, টাকা দিয়ে পার পাওয়া যাবে না। চাকরি থাক আর যাক, মা-বাবার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান আর চিকিৎসা নিশ্চিত করা সন্তানের আইনি ও নৈতিক বাধ্যবাধকতা। আমাদের দেশের ২০১৩ সালের "পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন" অনুযায়ী এটা চরম অপরাধ। আইন ভাঙলে ১ লাখ টাকা জরিমানা আর ৩ মাসের জেল খাটতে হবে।
ইউএনও সাহেব আপাতত সাগরকে সিদ্ধান্ত বদলানোর জন্য কয়েক দিনের আলটিমেটাম দিয়েছেন। সোজা পথে না আসলে কপালে যে বড় শনি আছে, সেটা বুঝিয়ে দিয়েছেন।

কিন্তু আইনের মারপ্যাঁচ বাদ দেন, মায়ের মন তো! মুন্নি খাতুন এখনো বুক ভরা আশা নিয়ে পথের দিকে তাকিয়ে আছেন, হয়তো কোনো একদিন তার ওই কু* লা* ঙ্গা* র ছেলের মন গলবে, সে এসে মাথায় হাত রেখে বলবে, "মা, চলো বাড়ি যাই"।

ধিক্কার জানাই এমন কু* সন্তানকে!😤



"আমি যখন ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য এটিএম বুথ থেকে কিছু টাকা তুলতে যাচ্ছিলাম, তখন ট্রেনের কর্মকর্তা দাবি করা এক ব্যক্তির ক...
09/10/2026

"আমি যখন ট্রেনের টিকিট কেনার জন্য এটিএম বুথ থেকে কিছু টাকা তুলতে যাচ্ছিলাম, তখন ট্রেনের কর্মকর্তা দাবি করা এক ব্যক্তির কাছে বিশ্বাস করে আমার জিনিসপত্র রেখে গিয়েছিলাম। পরে জানতে পারি, সে আসলে কোনো কর্মকর্তা ছিল না। টাকা তুলে ফিরে এসে দেখি, সে আমার ম্যাকবুক , ক্যামেরাসহ সব জিনিসপত্র নিয়ে উধাও হয়ে গেছে!"

সবচেয়ে স্বস্তির খবর হলো, ক্রিলের পাসপোর্ট এবং মোবাইল ফোনটি উনার নিজের কাছেই ছিলো। ফলে বড় কোনো আইনি জটিলতায় পড়তে হয়নি। তবে উনার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ল্যাপটপে থাকা উনার দীর্ঘদিনের সমস্ত ডেটা এবং ট্রাভেলের মূল্যবান মেমোরিগুলো হারিয়ে।

চুরির পর থেকে পুলিশ এবং ক্রিল কিন্তু হাত গুটিয়ে বসে নেই। ল্যাপটপের লাইভ লোকেশন ট্র্যাক করে তারা চোরের পেছনে পেছনে বাংলাদেশের এক শহর থেকে অন্য শহরে ছুটে বেড়াচ্ছেন! কাজটা অসম্ভব কঠিন হলেও ক্রিলের বিশ্বাস, তারা চোরের একদম কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন।

গত কয়েক ঘণ্টা ধরে ল্যাপটপের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং সিগন্যালটি হারিয়ে গেছে। বর্তমানে তাদের কাছে নির্দিষ্ট কোনো লোকেশন নেই। তবে ক্রিল আশা হারাচ্ছেন না, তিনি বলেছেন, আমরা খুব দ্রুতই একটি নতুন লোকেশন খুঁজে পাব।

এত বড় বিপদে পড়েও এই বিদেশী তরুণ আমাদের পুলিশের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, নাটোর থানায় যাওয়ার পর থেকেই অফিসাররা উনাকে সাহায্য করতে সম্ভাব্য সবকিছু করছেন। হাতে মাত্র একটা সিসিটিভি ফুটেজ আর ফোনের অস্পষ্ট লোকেশন ছাড়া কোনো ক্লু নেই, তাও পুলিশ অফিসাররা উনার জিনিসপত্র উদ্ধার করতে দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

একটা ১৮ বছরের বিদেশী ছেলে আমাদের দেশের ওপর, আমাদের প্রশাসনের ওপর ভরসা রেখে যেভাবে এক শহর থেকে অন্য শহরে চোরের পেছনে দৌড়াচ্ছে,তা সত্যিই দেখার মতো।
আসুন আমরা সবাই দোয়া করি, যেন চোরটা যেখানেই লুকিয়ে থাকুক খুব দ্রুত ধরা পড়ে এবং ছেলেটা তার সাধের ল্যাপটপ ও সমস্ত ডেটা ফেরত পায়! 🖤😓

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সি'জা'রি'য়া'ন অ*পা*রে*শনের পর পেটে গ'জ রেখে সে'লা'ই করে। ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎস...
08/10/2026

ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সি'জা'রি'য়া'ন অ*পা*রে*শনের পর পেটে গ'জ রেখে সে'লা'ই করে। ডা. তামান্না ও ইন্টার্ন চিকিৎসক অরবিন্দের মাধ্যমে বিথী আক্তারের অ/স্ত্রো/প/চা/র করা হয়। ওই অ/স্ত্রো/প/চারের সময় তার পেটের ভেতরে গজ রেখে সে/লা/ই করে দেওয়া হয়েছিল।

এরপর থেকেই শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগতে থাকেন বিথী। গু'রু'তর অ*সু*স্থ হয়ে এক পর্যায়ে তাকে হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়। দীর্ঘ চার মাস নিজের নবজাতক সন্তানকে বুকে জড়িয়ে ধরা তো দূরের কথা সন্তানকে কোলে নেওয়া কিংবা দু/ধ খাওয়ানোর মতো অবস্থাতেও ছিলেন না তিনি। ফলে মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হচ্ছিল তার ছোট্ট সন্তান।

গত ৬ মে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে বিথী আক্তারের সি'জা'রিয়ান অ*স্ত্রো*প*চা*র সম্পন্ন হয়। পরিবারের অভিযোগ, অ*স্ত্রো*প*চা*রের সময় চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে তার পেটের ভেতরে গ'জ থেকে যায়। এরপর থেকেই তার শরীরে তী'ব্র য'ন্ত্র'ণা ও নানা শারীরিক জ'টি'লতা দেখা দেয়।

শারীরিক অবস্থার আ'শ'ঙ্কা'জনক অবনতি হলে প্রথম অ'স্ত্রো'প'চা'রে'র প্রায় দুই মাস পর তাকে আবারও বড় ধরনের অ'স্ত্রো'প'চার করাতে হয়। পরে পেটের নাড়িতে তী'ব্র জ'টি'ল'তা দেখা দিলে তাকে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকতে হয়। এ সময় বাইপাস সার্জারিসহ একাধিক জ'টি'ল চিকিৎসা নিতে হয় তাকে।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার কারণে একসময় ৬১ কেজি ওজনের সুস্থ-সবল বিথী আক্তারের ওজন কমে দাঁড়ায় মাত্র ৩৮ কেজিতে।

অবশেষে দীর্ঘদিন মৃ*ত্যু*র সঙ্গে লড়াই করে না ফেরার দেশে চলে গেলেন রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের ডিপ্লোমা মিডওয়াইফ নার্স বিথী আক্তার (২৫) বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃ**ত্যু** হয়। তার মৃ**ত্যু**র বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্বামী রাকিবুল ইসলাম।😢

সকাল থেকে অনাহারে থাকা এক অসহায় বৃদ্ধ বাবা রেস্টুরেন্টের কাউন্টারে এসে ছলছল চোখে এক টুকরো রুটি চাইছিলেন। দুটি রুটি চাইলে...
08/10/2026

সকাল থেকে অনাহারে থাকা এক অসহায় বৃদ্ধ বাবা রেস্টুরেন্টের কাউন্টারে এসে ছলছল চোখে এক টুকরো রুটি চাইছিলেন। দুটি রুটি চাইলে যদি ফিরিয়ে দেওয়া হয় এই ভয়ে অত্যন্ত সংকোচে কাঁদতে কাঁদতে তিনি মাত্র একটি রুটির আকুতি জানান।

রেস্টুরেন্টের কর্মচারী জিজ্ঞেস করলেন কি হইছে, কাঁদেন ক্যান আপনি? কি হইছে? তখন বৃদ্ধ বললেন খুদা লাগছে, আমাকে রুটি দিবেন? একটা রুটি খাওবেন? স্যার, তখন রেস্টুরেন্ট এর কর্মী করলেন একটা রুটির লাইগা এরকম করা লাগে?

ভাইরাল হওয়া ভিডিওর সেই অসহায় মানুষটির বাড়ি গাইবান্ধায়। জীবিকার সন্ধানে এলেও বার্ধক্যের কারণে কেউ তাকে কাজে নেয়নি। কোনো ছেলে-সন্তান না থাকায় দুই মেয়েকে বিয়ে দিয়ে তিনি আজ নিঃস্ব। সঙ্গে থাকা একটি ব্যাগে কয়েক টুকরো পুরোনো কাপড় ছাড়া আর কিছুই ছিল না।

সারাদিনের ক্ষুধা ও ক্লান্তি নিয়ে একটুখানি খাবারের আশায় পথ চেয়ে থাকা বৃদ্ধ বাবার সেই করুণ দৃষ্টি যে কারও হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়ার মতো।

তবে এই অমানবিক বাস্তবতার মাঝেও মানবতার দৃষ্টান্ত হয়ে এগিয়ে আসে 'আল্লাহর দান হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট'-এর দায়িত্বে থাকা মানবিক যুবকেরা। তারা বৃদ্ধ বাবাকে ফিরিয়ে না দিয়ে পরম মমতায় বসিয়ে পেটপুরে খাবারের ব্যবস্থা করেন।

দুটি রুটি, গরম ডাল-ভাজি ও পানীয় স্ব-সম্মানে তার হাতে তুলে দেন তারা। কাউকে একটু স্বস্তি দিতে কোটি টাকার প্রয়োজন হয় না সামান্য সদিচ্ছা ও সহানুভূতিই যথেষ্ট তাদের এই উদ্যোগ তারই অনন্য দৃষ্টান্ত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দৃশ্যটি ছড়িয়ে পড়ার পর তা অসংখ্য মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং মানবতার প্রতি বিশ্বাস ফিরিয়ে আনে। আমাদের চারপাশে এমন অনেক অসহায় ও অনাহারি মানুষ প্রতিদিন বেঁচে থাকার লড়াই করছেন। আমরা যদি নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী তাদের পাশে দাঁড়াই, তাহলে হয়তো কোনো বৃদ্ধ বাবাকে আর এক টুকরো রুটির জন্য চোখের জল ফেলতে হবে না।😢

Address

Saver
Dhaka
1340

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saifa&Shefa# posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Saifa&Shefa#:

Shortcuts

Share