Dhanmondi Foundation

Dhanmondi Foundation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dhanmondi Foundation, Publisher, Dhaka.

নতুন বছর সবার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বয়ে আনুকসাফল্য, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও ইতিবাচক পরিবর্তন..🌻🌿🌺শুভ নববর্ষ 🌺@ #বৈশাখ ...
13/04/2026

নতুন বছর সবার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে বয়ে আনুক
সাফল্য, স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি ও ইতিবাচক পরিবর্তন..🌻🌿
🌺শুভ নববর্ষ 🌺

@
#বৈশাখ
#বৈশাখ১৪৩৩
#নববর্ষ
#নববর্ষ১৪৩৩
#শুভনববর্ষ
#শুভনববর্ষ১৪৩৩
#বাংলানববর্ষ
#বাংলানববর্ষ১৪৩৩
#পহেলাবৈশাখ
#পহেলাবৈশাখ১৪৩৩










#ধানমন্ডিগ্রুপ

ঢাকা ওয়াসার পানিতে ৬ ধরণের ক্যান্সারের উপাদান ! ঢাকার পানিতে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পিফাস! পিফাস ‘স্থা...
01/04/2026

ঢাকা ওয়াসার পানিতে ৬
ধরণের ক্যান্সারের উপাদান !

ঢাকার পানিতে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পিফাস!
পিফাস ‘স্থায়ী রাসায়নিক’, পোশাক কারখানা থেকে বর্জ্যের মাধ্যমে পানিতে মিশছে!
আশুলিয়া, সাভার ও ঢাকার বনানী লেক, গুলশান লেক ও হাতিরঝিলসহ আট নদী-খালের পানির ৩১ নমুনার ২৭টিতে পিফাস, ট্যাপের পানির ৪ নমুনার তিনটিতে আন্তর্জাতিক সংস্থার বেধে দেওয়া সীমার চেয়ে মাত্রাতিরিক্ত পিফাস!
ছয় ধরণের ক্যান্সারের ঝুঁকি, প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস, ভ্রূণের বৃদ্ধি, থাইরয়েড হরমোন, উচ্চ রক্তচাপ, ভারসাম্যহীনতা, কম ওজনের শিশু জন্ম, টিকার কার্যকারিতা কমে যায়, লিভারের ক্ষতি করে পিফাস!
পিফাসের বিকল্প নিরাপদ রাসায়নিক ব্যবহারের পরামর্শ।
ঢাকার ভূপৃষ্ঠ ও ভূগর্ভস্থ পানিতে মাত্রাতিরিক্ত হারে মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ পিফাস (পার-পলিফ্লুরোঅ্যালকিল পদার্থ) পাওয়া গেছে। লেক ও নদীর পানির পাশাপাশি খাবার পানিতেও এই ক্ষতিকর পদার্থ মিলেছে। নির্দিষ্ট মাত্রার চেয়ে বেশি পরিমাণে এই ধরনের রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসলে মানবদেহে ছয় ধরণের ক্যান্সারসহ অন্যান্য শারীরিক জটিলতা দেখা দিতে পারে।
গবেষকরা বলছেন, পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিক পিফাস পোশাক কারখানা থেকে বর্জ্যের মাধ্যমে আশপাশের খাল ও নদীতে ছড়িয়ে পড়ছে। সেখান থেকে ভূগর্ভস্থ পানির মাধ্যমে খাবারের পানিতেও মিশে যাচ্ছে।
দেশের বেসরকারি সংগঠন পরিবেশ ও সামাজিক উন্নয়ন সংস্থা (এসডো) এবং আইপেন যৌথভাবে এই গবেষণা করেছে। গত বুধবার প্রতিষ্ঠান দুটি গবেষণার ফল প্রকাশ করেছে।
এসডো জানায়, ঢাকা ও এর আশেপাশের আটটি লেক ও নদীর পানির ৩১ টি নমুনা, চারটি ট্যাপের পানি ও পোশাকের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পিফাস পরীক্ষার জন্য হাই পারফরমেন্স লিকুইড ক্রোমাটোগ্রাফি- মাস ও স্পেকট্রোমেট্রি পোএক্ট্রোমেট্রি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
পারফেক্ট ডেমোক্রেসি কোথাও নাই: ওবায়দুল কাদেরপারফেক্ট ডেমোক্রেসি কোথাও নাই: ওবায়দুল কাদের
এ ব্যাপারে এসডোর প্রোগ্রাম এসোসিয়েট ও এই গবেষণায় এসডোর গবেষণা দলের প্রধান শ্যানন ইফফাত আলম দেশ রূপান্তরকে বলেন, পিফাস মূলত পোশাক তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। তৈরি পোশাক যেন তাপ-পানি থেকে রক্ষা পায়, সে জন্য। কচু পাতায় পানি দিলে যেমন পানি ভেসে থাকে, ঠিক সেই জিনিসটা করার জন্য কাপড়ে পিফাস ব্যবহার করা হয়। এই পিফাস যখন শিল্প কারখানায় পোশাক তৈরিতে ব্যবহার করে, সেই কারখানার পিফাস মিশ্রিত বর্জ্য আমাদের নদী নালায় এসে পড়ে। যুক্তরাষ্ট্রে এখন এই রাসায়নিক দ্রব্য নিয়ে তোলপাড় চলছে। ওখানে ৪০ শতাংশ পানিতে পিফাস পাওয়া গেছে।
এই গবেষক আরও বলেন, পিফাস ছয় ধরণের ক্যান্সারের জন্য ঝূঁকিপূর্ণ। যদি কেউ পিফাস দ্বারা সংক্রমিত হয়, তার ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যেহেতু আমেরিকায় পিফাস নিয়ে তোলপাড় চলছে। আর বাংলাদেশ ছোট একটা দেশ। এখানে এত পোশাক কারখানা, বাংলাদেশের জন্য আরও বেশি ভাবার বিষয়। এই কারণেই আমরা স্টাডি করি বাংলাদেশে পিফাসের কি অবস্থা, সেটা জানতে।
৪ মে সপরিবারে সিঙ্গাপুর চলে যান বেনজীর ৪ মে সপরিবারে সিঙ্গাপুর চলে যান বেনজীর
এই গবেষক বলেন, আশুলিয়া, সাভার ও ঢাকার বনানী লেক, গুলশান লেক ও হাতিরঝিল লেক-এরকম আটটা জায়গা থেকে পানি সংগ্রহ করা হয়। পানির ৩১টি নমুনা নেওয়া হয় নদী ও খাল থেকে। আর ট্যাপের পানি থেকে নেওয়া হয় চারটি নমুনা। লেকের পানির মধ্যে ২৭টি নমুনাতেই এই পিফাস পাওয়া গেছে। ট্যাপের চারটি নমুনার মধ্যে তিনটিতেই পিফাস পাওয়া গেছে। তারমানে অধিকাংশ পানিতেই এই রাসায়নিক পাওয়া গেছে। এটা আমাদের জন্য অনেক বেশি উদ্বেগের ব্যাপার।
বাংলাদেশে এই রাসায়নিকের ব্যাপারে কেউ জানে বলেও জানান এই গবেষক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে পিফাস নিয়ে মনিটরিং বা পিফাস ট্রিটমেন্ট করার জন্য কোন টেকনোলজি ব্যবহার করা হয় না। মানুষ এই রাসায়নিকের নামই কখনো শোনেনি। সে জন্য আমরা চাইছি যেহেতু এটা এত ক্ষতিকর একটা রাসায়নিক, তাই বাংলাদেশে পিফাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন আইন করা হোক। অনেক রাসায়নিক, যেমন- মার্কারির জন্য ১পিপিএম সীমা দেওয়া আছে। ঠিক সেরকম যেন পিফাসের ক্ষেত্রেও একটা সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। আমেরিকা ও ইউরোপেও একটা নির্দিষ্ট সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। পোশাক কারখানায় যারা কাজ করে তারা বেশি সংক্রমিত হয়। আমরা চাই কারখানা মালিকরা জানুক। এই রাসায়নিকের বিকল্প নিরাপদ কোন রাসায়নিক ব্যবহার করুক। পিফাস যেন ব্যবহার না করে।
আম কিনে বাড়ি ফেরা হলো না ফল ব্যবসায়ী আসিফেরআম কিনে বাড়ি ফেরা হলো না ফল ব্যবসায়ী আসিফের
এই গবেষক জানান, বাংলাদেশে পিফাস নিয়ে গবেষণা এটাই প্রথম। এ ধরণের গবেষণা আরও ব্যাপক আকারে হওয়া উচিত। গবেষণার বিষয়ে সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়েছে।
পিফাস পরিবেশ ও মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর রাসায়নিক: সংস্থা দুটির গবেষকরা বলছেন, এই রাসায়নিকগুলো তাদের বৈশিষ্ট্যর কারণে 'স্থায়ী রাসায়নিক’ নামে পরিচিত। খাল, নদী ও খাবার পানিতে খাবার পানিতে পিফাসের উপস্থিতি এবং পোশাক শিল্পে এদের ব্যাপক ব্যবহার উদ্বেগের বিষয়। বিশ্বব্যাপী পোশাক শিল্পে ব্যবহৃত মোট রাসায়নিকের ৫০ শতাংশই ও রাসায়নিক ব্যবহারের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস।
পিফাস বা পার-পলিফ্লুওরোঅ্যালকাইল হল মানুষের তৈরি একধরনের রাসায়নিক পদার্থ। এর স্থায়িত্ব দীর্ঘ এবং পোশাককে পানি, তেল ও তাপ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়। ১৯৪০-এর দশক থেকে পিফাস বিভিন্ন পণ্য এবং শিল্পক্ষেত্রে, যেমন- নন-স্টিক কুকওয়্যার, পানি ও দাগ প্রতিরোধী সুতা, খাদ্য প্যাকেজিং, অগ্নিনির্বাপক ফোম, প্রসাধনী এবং অন্যান্য শিল্পে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। পানি ও দাগ-প্রতিরোধ, তাপ প্রতিরোধ এবং রাসায়নিক স্থিতিশীলতার জন্য পণ্যে পিফাসের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
কী ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি: গবেষকরা জানান, পিফাস পরিবেশে সহজে ভাঙে না এবং প্রাণির শরীরে স্থায়ীভাবে জমা হতে পারে। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দেয়। মানবদেহে পিফাসের বিভিন্ন স্বাস্থ্য ঝুঁকি রয়েছে। এটি প্রজনন ক্ষমতা হ্রাস ও ভ্রূণের বৃদ্ধি ঘটায় এবং থাইরয়েড হরমোন কার্যকারিতার উপর সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। দীর্ঘমেয়াদী পিফাসের সংস্পর্শে থাকার ফলে উচ্চ রক্তচাপ ও ভারসাম্যহীনতা দেখা দেয়, কম ওজনের শিশু জন্ম নেয় ও যে কোনো ধরণের টিকার কার্যকারিতা কমে যায়। এছাড়া পিফাস লিভারের ক্ষতি করে ও শরীরে নানা ধরণের ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
গবেষকরা বলছেন, পানির উৎস, মাটি ও খাদ্যে পিফাসের উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জনগণ বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছে।
মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণ পিফাস মিলেছে: পরীক্ষায় ভূপৃষ্ঠের পানির ৩১টি নমুনার মধ্যে ২৭টিতে, অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ পানিতে পিফাস পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ১৮টি নমুনায় স্টকহোম কনভেনশনের অধীনে বিশ্বব্যাপী নির্মূলের জন্য তালিকাভুক্ত পিফাস ও ১৯টি নমুনায় ভূপৃষ্ঠের পানির জন্য প্রস্তাবিত ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি পিফাস শনাক্ত হয়েছে।
সাকিবের কাছে টি-টোয়েন্টি ওয়ানডের 'বর্ধিত সংস্করণ'সাকিবের কাছে টি-টোয়েন্টি ওয়ানডের 'বর্ধিত সংস্করণ'
এছাড়া বেশ কয়েকটি নমুনায় খুব বেশি পরিমাণে পিফাস পাওয়া গেছে। একটি নমুনাতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন প্রস্তাবিত নির্ধারিত সীমার চেয়ে ৩১০ গুণ বেশি পিফাস রয়েছে। এই নমুনায় রাসায়নিক পিফএ ও পিফএস এবং বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ পিফাসের সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল, যা পিফএ-এর জন্য বর্তমান ডাচ সীমার চেয়ে ১৭০০ গুণ বেশি এবং পিফাস এর জন্য বর্তমান ডাচ এডভাইসরি সীমার চেয়ে ৫৪০০০ গুণ বেশি।
২০১৯ এবং ২০২২ এর ফলাফলের তুলনা করে গবেষকরা দেখেছেন, উৎপাদনকারীরা পিফাস এর পরিবর্তে ফ্লোরোটেলোমার সাইড চেইনের উপর ভিত্তি করে ফ্লোরিনেটেড পলিমার ব্যবহার করতে ইচ্ছুক। এটিকে অগ্রগতি বলা যাবে না। কারণ এই পলিমারগুলো পিফএ বা অন্যান্য বিপজ্জনক পিফাস রাসায়নিক পদার্থে পরিণত হতে পারে।
পরীক্ষায় ট্যাপের পানির নমুনাগুলোতে, অর্থাৎ খাবার পানিতেও পিফাস পাওয়া গেছে। চারটি নমুনার মধ্যে তিনটিতেই পিফাস মিলেছে। এসব নমুনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেঁধে দেওয়া সীমার চেয়ে বেশি পিফাস মিলেছে।
পিফাস ব্যবহার বন্ধের পরামর্শ: গবেষণায় বলা হয়েছে, পোশাক শিল্পে পিফাসের বিকল্প পাওয়া যায়। তাই সেখানে পিফাসের কোনো প্রয়োজন নেই বললেই চলে। সে কারণে পোশাক শিল্পে পিফাস ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়া উচিত। এমনকি পিফাস ব্যবহারে শ্রেণী-ভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা তৈরি করা উচিত, যার মধ্যে পলিমারিক পিফাসও রয়েছে।
এই গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের পোশাকশিল্প হতে নির্গত বর্জ্য পিফাস দূষণের অন্যতম কারন। পানির উৎস, নলের পানি এবং পোশাকে উচ্চ মাত্রার পিফাসের উপস্থিতি রয়েছে। এই ক্ষতিকর রাসায়নিক দ্রব্যের প্রভাব থেকে স্থানীয় এবং বৈশ্বিক সম্প্রদায়কে সুরক্ষিত রাখার জন্য তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের প্রয়োজন। জনগণের স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য পোশাকশিল্পের সাথে জড়িত নিয়ন্ত্রক সংস্থাসমূহকে পিফাস দূষণ নির্মূল এবং হ্রাসের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে।
ভিন্ন ভিন্ন সুপারিশ: গবেষণায় পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পে পিফাসের ব্যবহার কমাতে বিভিন্ন ধরনের নীতিমালা প্রণয়ন, শিল্পে ব্যবহারের জন্য নিরাপদ বিকল্প রাসায়নিকের সন্ধান ও পিফাসের কারণে দূষিত স্থানগুলো চিহ্নিত করার পরামর্শ দেওয়া হয়।
গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশের রপ্তানিক্ষেত্রে পোশাকশিল্পের উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে এই খাত বিশেষ অবদান রাখে। তবে রপ্তানিকৃত পিফাসযুক্ত পণ্য বিশ্বব্যাপী ক্রেতাদের জন্য হুমকিস্বরুপ।
গবেষণায় বাংলাদেশ সরকার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। তাতে বলা হয়, পিফাসযুক্ত পণ্য, যেমন-টেক্সটাইল পণ্য এবং খেলনা, রান্নার সামগ্রী, খাদ্য প্যাকেজিং ও অন্যান্য পণ্যের ব্যবহার, উৎপাদন ও আমদানি নিষিদ্ধ করতে হবে। রাসায়নিক পদার্থ পিএফএএস, ফ্লুরিনেটেড পলিমার ও সাইডচেইন ফ্লুরিনেটেড পলিমার অন্তর্ভুক্ত সব ধরণের পিফাস-এর উপর সার্বজনীন নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও বাস্তবায়ন করতে হবে। পণ্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদানগুলো জনগণ, খুচরা বিক্রেতা ও নিয়ন্ত্রকদের জন্য আইন প্রয়োগ করে প্রকাশ করতে হবে। পরিবেশে পিফাস পদার্থের উপস্থিতি মনিটর করতে হবে।Food
সুপারিশে আরও বলা হয়, কাগজ, টেক্সটাইল, অগ্নি নির্বাপণ এবং অন্যান্য শিল্পে পিফাস ব্যবহারের সাথে পেশাগতভাবে যুক্ত সব শ্রেণির মানুষের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত হিউম্যান বাযোমনিটরিং করতে হবে। পানীয়, খাবার, হিউম্যান বায়োমার্কার এবং পরিবেশে উপস্থিত পিফাস সামগ্রীর জন্য একটি স্বাস্থ্য-সংরক্ষণকারী মান নির্ধারণ করতে হবে।
টেক্সটাইল শিল্পের জন্য সুপারিশে বলা হয়, সমস্ত পিফাস ব্যবহার বন্ধে দ্রুত জননীতি অনুমোদন করতে হবে। কোনো বিকল্প রাসায়নিক ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপিত রাসায়নিকগুলো যেন সর্বোচ্চ সুরক্ষিত হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রস্তুতকৃত পণ্যের পিফাসের পরিমাণ সার্বজনীনভাবে প্রকাশ করতে হবে এবং পণ্যের উপর পরিষ্কারভাবে সতর্কতা চিহ্ন, লেবেল বা আইকন দিতে হবে। পিফাস বা টেক্সটাইল উৎপাদনে ব্যবহৃত জায়গার আশেপাশের স্থানের মাটি এবং খাবার পানির বিশুদ্ধ করতে দ্রুত এবং দক্ষ পরিকল্পনা তৈরি করতে হবে।
ভোক্তাদের জন্য সুপারিশে বলা হয়, পিফাস-মুক্ত আউটডোর টেক্সটাইল এবং পণ্যের পিফাসের পরিমাণ সম্পর্কে জানতে চাইতে হবে। এমনকি পিফাস-মুক্ত আউটডোরে তৈরি টেক্সটাইল পণ্য ক্রয়ের ক্ষেত্রে পণ্যটি পিফাসমুক্ত কিনা পণ্যের গায়ে তার স্পষ্ট লেবেলিং দেখতে হবে।



Safeit RO water purifier

#জনস্বাস্থ্য

 #শালবন সংলগ্ন বাড়ির আঙিনায় উৎসুক নারী-পুরুষের ভিড়। মাটি থেকে বেরিয়েছে প্যাঁচানো চারটি মোটা লতা। একটির সঙ্গে আরেকটি পেঁচ...
25/03/2026

#শালবন সংলগ্ন বাড়ির আঙিনায় উৎসুক নারী-পুরুষের ভিড়। মাটি থেকে বেরিয়েছে প্যাঁচানো চারটি মোটা লতা। একটির সঙ্গে আরেকটি পেঁচিয়ে ওপরে উঠে আশপাশের শালগাছের চূড়ায় মিশেছে। দূর থেকে মনে হবে এটি নীলাকাশে ওঠার সর্পিলাকার সিঁড়ি। সেই সিঁড়িতে খেলছে গ্রামের দুরন্ত শিশুরা। সিঁড়িতে বসে ছবি তুলছেন দর্শনার্থীরা।

এমন দৃশ্যের দেখা মিলবে #দিনাজপুর #বিরামপুর উপজেলার ৬ নম্বর জোতবানী ইউনিয়নের জোতমাধব গ্রামের শালবনে। ১১ বছর বয়সী চারটি গিলাগাছের দৃষ্টিনন্দন লতা ও ফলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে প্রতিদিন সেখানে ভিড় করছেন উৎসুক দর্শনার্থী। বিলুপ্তপ্রায় এমন গাছের খবর এখন উপজেলার গণ্ডি পেরিয়ে আশপাশের জেলা-উপজেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুজহাত তাসনীম, বন বিভাগের কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা #গিলাগাছ টি পরিদর্শন করেছেন।

দূরদূরান্ত থেকে আসা উৎসুক দর্শনার্থীদের কৌতূহলী প্রশ্নে অনেকটা বিপাকেই পড়েছেন গিলাগাছের মালিক জালাল উদ্দীন (৬২)। কেউ জানতে চাইছেন গাছের জন্ম–ইতিহাস, বয়স, ফল ধরার সময় ও গিলা ফলের উপকারিতা। সহজ–সরল মনে দর্শনার্থীদের সেই কৌতূহলী প্রশ্নের উত্তরও দিচ্ছেন জালাল উদ্দীন। তবে দর্শনার্থীরা গাছে ওঠায় লতাপাতা ও ফল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা করছেন তিনি।

জালাল উদ্দীন ২৫ বছর ধরে স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন। তিনি পেশায় একজন নলকূপ মিস্ত্রি। তিনি ১১ বছর আগে রংপুরে বেড়াতে গিয়ে রান্নার জন্য কয়েকটি গিলাবীজ আনেন। পরে স্ত্রী তহমিনা খাতুনকে ওই গিলাবীজগুলো রান্না করতে দেন। তহমিনা খাতুন গিলাবীজ থেকে চারটি বীজ বাছাই করে বাড়ির আঙিনায় বপন করেন। তিন বছর পর বীজ থেকে চারটি চারা জন্মে। গিলাবীজ বপনের আট বছর পর গাছে গিলা ধরে বলে জানান জালাল উদ্দীন। গাছে ফুল ও ফল ধরা দেখে জানতে পারেন চারটি গাছের মধ্যে একটি স্ত্রী গাছ আর অপর তিনটি পুরুষ গাছ। এ গাছ থেকে প্রতিবছর ১০০ থেকে ১৫০টি গিলাবীজ সংগ্রহ করেন তিনি।

জালাল উদ্দীনের বাড়ির আঙিনায়

মাটির ওপরে উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১০ হাত ও পূর্ব-পশ্চিমে প্রায় ১৫ হাত অংশজুড়ে চারটি গিলাগাছের শিকড় ও লতা পেঁচিয়ে রয়েছে। কোনো কোনো গিলালতা ওপর থেকে মাটিতে মিশে আবার শিকড়ে পরিণত হয়েছে। গিলালতায় বাতাসে ঝুলছে বৃহদাকৃতির সবুজ গিলা ফল।

উদ্ভিদবিজ্ঞানীদের দেওয়া তথ্যমতে, গিলাগাছের বৈজ্ঞানিক নাম । এটি মজবুত কাণ্ডের লতাজাতীয় চিরসবুজ উদ্ভিদ। এই গাছ কমপক্ষে ১৪০ মিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হতে পারে। এই গাছের পাতা যৌগিক। প্রতিটি পত্রফলকে ২ থেকে ৮টি পত্রক থাকে। গাছটির লতাসদৃশ কাণ্ড মোটা, আঁকাবাঁকা ও অনেকটা বিক্ষিপ্ত এবং বেশ শক্তপোক্ত। গাছের পুষ্পমঞ্জরি ১২ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত লম্বা হতে পারে। মে মাসের দিকে গিলালতায় সরু ও সাদা পাপড়িসমৃদ্ধ ফুলগুলো ফোটে। আর অক্টোবর থেকে নভেম্বরের মধ্যে ফলগুলো পরিপক্ব হয়ে ওঠে। প্রতিটি ফলে ১০-১৫টি করে বীজ থাকে। গিলাবীজ গাঢ় লালচে বর্ণের। এটি চ্যাপটা, গোলাকার ও শক্ত।

জোতমাধব গ্রামের গৃহিণী রিজিনা পারভীন বলেন, মাংস রান্নায় তিনি গিলা ফল ব্যবহার করে থাকেন। এতে শরীরে ব্যথা কমে।

গিলাগাছের মালিক জালাল উদ্দীনের ভাষ্য, এই গাছ সংরক্ষণের জন্য সরকারকে বা বন বিভাগের কাছে অনুরোধ করছি। চারটি গাছের মধ্যে একটি থেকে ফল হয়। এক হালি বীজ ১০০ টাকায় বিক্রি হয়। বছরে তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকার গিলাবীজ বিক্রি করেন তিনি।

বিলুপ্তপ্রায় এ গাছের বিষয়ে হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাসানুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘গিলালতা শিম পরিবারের সবচেয়ে বড় ফলের গাছ। এটি মূলত পাহাড়ি অঞ্চল ও শালবনে জন্মে। গাছটির পাতা, কাণ্ড, ছাল ও বীজে অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। গিলালতা বাংলাদেশে একটি বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদ। একমাত্র জনসচেতনতা ও সরকারি উদ্যোগে গবেষণার মাধ্যমে এ গাছের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব।’



#জবি #হাবিপ্রবি

এখন থেকে সব স্কুলের মাঠ খুলে দেওয়া হবে, শুধু স্কুলের বাচ্চারা সেখানে খেলবে না,বাইরের বাচ্চারাও সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত খেলবে...
22/02/2026

এখন থেকে সব স্কুলের মাঠ খুলে দেওয়া হবে, শুধু স্কুলের বাচ্চারা সেখানে খেলবে না,বাইরের বাচ্চারাও সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত খেলবে।

- জনাব মোঃ আমিনুল হক
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

***সময় উপযোগী পদক্ষেপ। খেলাধুলা করলে মোবাইল আসক্তি সহ সকল ধরনের খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবে তরুণ সমাজ।
ধন্যবাদ স্যার।
Dhanmondi Foundation

Dhanmondi Foundation, We already planted 5,000+ forest and fruit trees in densely populated area of Dhanmondi and Comill...
22/02/2026

Dhanmondi Foundation, We already planted 5,000+ forest and fruit trees in densely populated area of Dhanmondi and Comilla over the past 24 years, We try to increasing oxygen supply and reducing carbon emissions and environmental pollution. Our main goal is to create a livable, green and safe habitat for our next generation.




Dhanmondi Foundation

শুরু হয়েছে বন্ধু মহল ধানমন্ডি লেক আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী বর্ণিল সাকরাইন পিঠা উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানআয়োজন: ✨ সা...
17/01/2026

শুরু হয়েছে বন্ধু মহল ধানমন্ডি লেক আয়োজিত ছয় দিনব্যাপী বর্ণিল সাকরাইন পিঠা উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আয়োজন: ✨ সাকরাইন পিঠা উৎসব ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান! ✨
📍 স্থান: রবীন্দ্র সরোবর মুক্তমঞ্চ, ধানমন্ডি, ঢাকা
📅 তারিখ: ১৪–১৯ জানুয়ারি ২০২৬
⏰ সময়: সকাল ৭টা – রাত ৯ টা :৩০ পর্যন্ত
🍘 🛍️ মেলায় পাওয়া যাবে
🥮 বাহারি পিঠা–পুলি
💍 জুয়েলারি
💄 কসমেটিকস
🧸 খেলনা ও নানা রকমারি পণ্য
🎠 শিশুদের বিশেষ বিনোদন
নাগরদোলা, চরকি, মেরি ঘোড়া

পিঠার ঘ্রাণে মুখর ধানমন্ডি লেক – মিস করবেন না! 🌾💛
পরিবার বন্ধু বান্ধব নিয়ে ঘুরতে আসুন – পিঠা, মেলা আর সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা একসাথে ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে মাতিয়ে তুলতে আনন্দে।
আপনারা সবাই আন্তরিকভাবে আমন্ত্রিত। 🌟

বিস্তারিত জানতে যোগাগোগ করুন:

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhanmondi Foundation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category