19/05/2025
ফেসবুকে কথিত ভুয়া সংবাদ প্রচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ।
হাজী আব্দুল ইদ্রিস মোল্লা বলেন ,সোহেল কবিরাজ তার বাবার নাম রব কবিরাজ। সে তার ফেসবুক পেজ থেকে কথিত নাম না যানা সাংবাদিক প্রতিনিধির মাধ্যমে ইদ্রিস মোল্লা সহ হাজরাপুর, পুটিয়া, বুপরাইয়া, চরমুগরিয়া, মাদারীপুর সহ দুই শতাধিক লোকের বিরুদ্ধে মিথ্যা এবং ভুয়া তথ্য দিয়ে নিজের ফেসবুক আইডি দিয়ে ছড়িয়ে দিচ্ছে। চরমুগরিয়া মিউচয়াল ব্যাংকের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং ইফতার পার্টি নিয়ে যে সমালোচনা করছে, তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই আমরা মাদারীপুরবাসী, যাকে মনে চায় তাকেই আওয়ামী লীগ বানিয়ে দিচ্ছে এই মাদক ব্যবসায়ী সোহেল কবিরাজ , এলাকাবাসী আমরা জনগনকে সাথে নিয়ে প্রশাসনকে জানাতে চাই, এই সোহেল কবিরাজ এবং তার দোসরদের বিচারের আওতায় আনা হোক ।সোহেল কবিরাজের বাবা রর কবিরাজ পতিতালয়ের পতিতা বিয়ে করে। । সেই ঘরের সন্তান সোহেল কবিরাজ সেটা সবাই জানে। এবং তার বাবা চাচা আতিয়ার কবিরাজ এবং তার বংশের সবাই গ্যাজেট ধারী আওয়ামীলীগ যার যথেষ্ট প্রমান আছে। সোহেল কবিরাজ কবে থেকে বিএন পি করে তার প্রমান চায় এলাকাবাসী । আক্তার মতুব্বর, হাবি বেপারী, মাহাবুব ফকির, মোকলেছ ফকির, ইদ্রিস মোল্লা সহ কারোরই কোন আওয়ামীলিগের পদ নাই। প্রকাশ থাকে যে আমি হাজী আব্দুল ইদ্রিস মোল্লা একজন ব্যবসায়ী ও একটি সাংবাদিক সংগঠনের উপদেষ্টা, ব্যবসার খাতিরে সবার সাথে সমার্ক রাখা লাগে , আমার কোন আওয়ামীলিগ বিএন পি জামায়াত দল নাই। সকল সেক্টরের লোকের সাথে ব্যবসার জন্যে সম্পর্ক রাখা লাগে।আমি ইট ভাটা করার স্বার্থে আতিয়ার কবিরাজ, ও সোহেল কাবিবাজ এদের থেকে জমি ভাড়া নেই নাই। সোহেলের অন্য চাচাদের থেকে জমিন ভাড়া নেই। ও তারা পরবর্তীতে তাদের জমি আমাদের কাছে বিকি করে। সেই সুযোগে আতিয়ার কবিরাজ আমার ক্রয়করা জমির উপরে ভেকু লাগাইয়া মাটি খনন করে জায়গা দখল করার চেষ্টা করে। আমি প্রশাসন এর মাধ্যমে (মাদারীপুর থানা) এর মাধ্যমেই ভেকুর কাজ বন্ধ করে দেই। তারিখের ধরে সোহেল আমার এলাকাবাসী ও আমাদের নামে ভুয়া সংবাদ প্রচার করছে সেটা সবাই জেনেছে এবং দেখছে। এবং ইটালিতে সোহেল কবিরাজ মাদক ব্যবসা করে আসছে অনেক আগে থেকে সেই তথ্য সবার কাছে আছে, ইতালিতে মানুষের সাথে মদ খেয়ে মারামারি কাটাকাটি করে। এবং টেলিফোনের মাধ্যমে জামালের কাছে হুমকি প্রদান করে আমি ইদ্রিস মোল্লাকে মাদারীপুর থেকে হারিয়ে ফেলবো।আমার চাচা আতিয়ার কবিরাজ কে কেন পুলিশ দিয়া হ্যানকাপ লাইগাইছে ।সেই কারণে আমি তাকে হত্যা করে ফেলবো। আমি ইদ্রিস মোল্লা কবিরাজ বাড়িতে গিয়ে এনায়েত করিরাজ, মিঠু কবিরাজ জলিল মোল্লা, লতিফ হাওলাদ সহ অনেকের কাছে নালিশ দিয়েছি তার এই কর্মকান্ডের জন্য। এবং আতিয়ার কবিরাজের কাছে সালিশরা জিজ্ঞাসাবাদ করছে যে আপনাকে পুলিশে কে ধরিয়েছে , আতিয়ার করিরাজ শালিশদের কাছে জানায় আমি গ্যানজামে গেছিলাম সেই মামলায় আমার জেল হয়েছে । আমার এলাকাবাসী ও ইদ্রিস মোল্লা দোষী না। আমি সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানাতে চাই মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার মহোদয় এই মাদক সেবী সোহেল কবিরাজ এর বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে, অভিযোগের ব্যাপারে সোহেল কবিরাজকে বার বার ফোন করার পরেও তাকে পাওয়া যায়নি,